ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

চুমু না চুমুক

ওষ্ঠে অধর লেপ্টে একটা চুমু দিতে গিয়েই
জিহ্বায় একটা লাগল দারুন ছ্যাঁকা ,
মুখটা হঠাত্‍ সরিয়ে নিতে গিয়েই
খেলাম একটা বিষম ভ্যাবাচেকা ।

সেই ওষ্ঠ বিমুখ ছিল বোধয় নিজেকে রাঙিয়ে ,
উষ্ণ ছোঁয়ার আবেগ বুকে নিয়ে
আমায় ডেকে ডেকে শেষে
অবহেলার রেশে
অভিমানে ফিরিয়ে তো দেবেনা !
তখন ওসব কিছুই মাথায় নেই
ওষ্ঠাধরে জুড়ে গেছে ডানা ।
উড়ে উড়ে নেশায় কেমন বুঁদ
চোখের পাতায় সপ্ন নীল হলুদ ।
হঠাত্‍ দুচোখ মেলে ধরি যেই
টগবগিয়ে উঠছে দেখি ধোঁয়া ।
ওষ্ঠে অধর ছুঁইয়ে দিতেই ছ্যাঁকা
বাপ রে বাপ !
ওষ্ঠ নয় , সে গরম চায়ের কাপ !

আমরা বন্ধু ব্লগ সংকলন "ম্যুরাল"

নানান বাধাবিঘ্ন পেরিয়ে অবশেষে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে আমরা বন্ধু ব্লগের ২০১১-এ আসা বিভিন্ন পোস্ট থেকে বাছাই করা কিছু লেখা নিয়ে আমরা বন্ধু ব্লগ সংকলন "ম্যুরাল"। ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নানান ঘটনা নিয়ে যেমন একটা পুরো জীবনের চিত্র দেখা যায়, তেমনি ব্লগের বিভিন্ন স্বাদ ও গন্ধের লেখা নিয়ে ব্লগের একটা সামগ্রিক চিত্র সবার কাছে তুলে ধরবার প্রয়াস হলো "ম্যুরাল"।

আমরা বন্ধু ব্লগ সংকলন ১ : ম্যুরাল

বেশ কিছুদিন আগে তানবীরাপুর এক পোষ্ট থেকে আমরা বন্ধু ব্লগের ব্লগাররা জেনেছিলাম ব্লগের ব্লগারদের বাছাইকৃত লেখা নিয়ে এবারের একুশে বইমেলায় একটি বই বের হবে। সেটা নিয়ে আনন্দ, উচ্ছাস, আগ্রহ, অপেক্ষা সবটুকুই ছিলো। কিন্তু বই বের করার জন্য নীতিমালা অনুযাযী লেখা বাছাই, লেখাগুলোকে বিজয়ে কনভার্ট করা, বানান ঠিক করা, প্রচ্ছদ করা, প্রকাশনী ঠিক করা, বাজেট করা, আনুষঙ্গিক আরো নানা বিষয় মাথায় নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার জন্য যে বিপুল পরিমাণ শ্রম দিতে হয়েছে তা মাত্র কয়েকজনই দিয়েছে --- তাদেরকে অভিনন্দন জানাতেই এই পোষ্ট। এই ব্লগের এটাই প্রথম বই এবং এই বইটিকে আলোর মুখ দেখানোর জন্য যেই টিমওয়ার্ক প্রয়োজন হয়েছে আজ ফেসবুকে বইটির প্রচ্ছদ দেখে মনে হলো এই টিমের পরিশ্রম স্বার্থক হচ্ছে। দূর থেকে যতদূর জেনেছি প্রচুর খাটতে হযেছে কয়েকজনকে। তাদের সবাইকে অভিনন্দন এবং বইটির জন্য শুভকামনা। দূরে বসে বলেছি, ভেবেছি বই বের হওয়া উচিত, কেন হবে

দ্বৈত-অদ্বৈত

চমৎকার টকটকে লাল তুমি লেলিহান
খুব ভালো আবার জ্বলছো বুকে ধিরে ধিরে
অলিন্দ থেকে অলিন্দে, স্মৃতিকোষ থেকে স্মৃতি কোষে বিস্তৃতি
প্রিয় শত্রুর মত কেমন গ্রাস করছো পাঁজর।
যে হৃদপিন্ড ঘুমায়নি বহুকাল
কি স্নেহে তার শরীরে বুলাচ্ছো হাত
খুব সুন্দর লেলিহান.....
এসো তোমার পাতাবাহার ঠোঁট দিয়ে চুমু খাও তবে
আর আমি প্রশান্ত পরখে ইঞ্জিনটাকে শোনাই
ঘুমপাড়ানি স্বউৎসাহ কবিতা
খোকা ঘুমালো পাড়া জুড়ালো গান।

২। ইদানিং রাস্তা দাপিয়ে বেড়ায় একটা নির্ভেজাল কুত্তা
ঈশ্বরকে ধন্যবাদ, ও মানুষকে কখনো কাটেনি।
ছয় আঙ্গুলের জীবন কত যন্ত্রণার, যদি জানতো কুত্তাটা
তবে কি আর আমাকে কাটতো?
তখন হয়তো কোন মানুষকেই.....

{(c)MNI, 27.01.12}

হৈ চৈয়েচ্ছার সুলুক সন্ধানে

একি সোনার আলোয় জীবন ভরিয়ে দিলে...।

আধুনিক বাংলা গানের কিছু কিছু লাইন আসলেই রগরগে একদম। এটা অবশ্য আমার নিজের কথা না। ভাষার চলমান বিবর্তন আজ এ কথার জন্ম দিয়েছে। গানটি যখন লেখা হয়েছিলো তখন হয়তো ব্যপারটা এমন (!) ছিলো না কিংবা কোনোদিন এমন হওয়ার সম্ভাবনাও দেখা যাচ্ছিলো না। তাই সে সময় গীতিকার নিশ্চিন্তমনে লিখে চলে গিয়েছেন। আর শালীনতামুক্ত বঙ্গভাষীর দল আজ শব্দগুলোকে কোথায় নিয়ে ঠেকিয়েছে। ওস্তাদ তুলে নাও।

শুরুতে একটা কৌতুক বলি। হাসি না আসলেও ঠা ঠা করে হাসতে হবে এই হচ্ছে কৌতুক পড়ার শর্ত।

ভবিষ্যতের সমাজ কাঠামো

জীবের স্বাভাবিক প্রেষণা নিজের "জেনেটিক কোড" পুনরুৎপাদন, কাঙ্খিত সঙ্গীর সাথে বলিষ্ট পরবর্তী প্রজন্ম পুনরুৎপাদনের নিশ্চয়তায় জীব সহিংস হতে পারে, কৌশলী হতে পারে, নির্মম হতে পারে, বিভিন্ন ছলা-কলায় সঙ্গীকে আকর্ষণ করতে উদ্বুদ্ধ হতে পারে, ময়ুরের পেখম মেলা, পায়রার গলার পালক ফুলিয়ে বাকবাকুম আর কোকিলের সুমধুর সঙ্গীত সবই সেই পুনরুৎপাদনপ্রক্রিয়ার বিভিন্ন প্রকাশমাত্র।

অংক

যেদিন একটা অংক কষতে পারবে
সেদিন বুঝবো আসল মুন্সিয়ানা।
যোগ, গুণ ভাগের দুনিয়ায়
শিখেছো খালি বিয়োগ হতে
ধারাপাতের ধারা বর্ণনায় এমনই আনাড়ি তুমি
বরাবরই ভুল উত্তরে দিয়েছো দাগ।
জীবনের পাটিগণিত যখন এসে দাঁড়িয়েছে সম্মুখে
তৈলাক্ত বাঁশ পিছল থেকে পিছল হয়েছে কেবল
বাদরটা হিমশিম খেয়েছে , তবু
উচ্চতা, সময় দৈর্ঘ্য মাপতে পারেনি কোনোদিন।
শুধু চক্ষু সীমায় ধু ধু সাদা খাতা
তিন রেখার আড়ালে হয়েছো ত্রিভুজ।
শোন হে অনাহুত,
মানব অংক কি এতই সহজ যে
চাইলেই বিয়োগের পদ ছেড়ে
যোগ ভাগের ভাগ্যে গুণ বসিয়ে
হাসতে হাসতে দিয়ে দেবে উত্তর?

বোধিসত্ত্ব

..............................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................

রেললাইনে শরীর ফেলে রাখতে গিয়ে ভুল ক্রমে চড়েছি রেলগাড়িতে
তারপর কেবলি ফেলে আসা জংশনের মায়া জাগে; চোখে লেগে থাকে
পতাকার লাল রঙ, সিগনালের সবুজ বাতি।

উৎস বিন্দু থেকে বহুদূর চলে এলে পেছনে তাকিয়ে কোনো লাভ নেই
সেখানে তখন তুলির ব্রিসল টেনে অগণন রঙ চাপা হয়ে গেছে...
ক্যানভাসের শূন্যতা বলে কিছু নেই; জেন সন্ন্যাসে তারে
শব্দহীনতার শব্দ নামে ডাকা হয়।

সময়ের ফাঁদ

এটাও এক ধরণের গল্প বলার চেষ্টা, চিত্রনাট্য তৈরির সময় এইসব দৃশ্যগুলো মাথায় ছিলো, সেই অলিখিত চিত্রনাট্যের অন্য একটা অংশের নেপথ্যে ---

আমার সব ঝাকানাকা বন্ধুরা, আর সেই সব দিন

আমি ইদানিং দুইটি খেলায় ভিষণ আসক্ত হয়ে পড়েছি একটা হলো ফারম্ভিল আরেকটা লেখালেখি খেলা। ফারম্ভিল খেলার মজাই আলাদা, চকলেট গাছ-চানাচুর গাছ, লাল গরু দেয় চকলেট মিল্ক, গোলাপী গরু স্ট্রবেরী মিল্ক, হাতিশালে হাতি, ঘোড়াশালে ঘোড়া সে এক এলাহি কারবার। আর লেখালেখি খেলাটা আরও মজা, সারাদিন যা যা দেখি সব মনেমনে খালি লেখি আর পোস্ট দেই, বাসায় এসে লেখার টেবিলে বসলে তাদের আর খুজেঁ পাই না। নতুন বছরে তাই ভাবলাম বিসমিল্লাহ করে একটা ইটা রেখে যাই (এটা লিখতে শুরু করে ছিলাম ১ তারিখে, আমার আলসেমির জন্য দেরিতে পোস্ট দিলাম)।

শঙ্খ ঘোষ, আমার বইভুবন এবং ডায়েরির একটি পুরনো পাতা...

পাথরপ্রতিমা তাই পাথরে রেখেছে শাদা মুখ
আর তার চারধারে ঝরে পড়ে বৃষ্টি অবিরল
বৃষ্টি নয়, বিন্দুগুলি শেফালি টগর গন্ধরাজ
মুছে নিতে চায় তার জীবনের শেষ অপমান
বাসাহীন শরীরের উড়ে যাওয়া ম্লান ইশারাতে
বৃষ্টি হয়েছিল বুকে সেদিন অনন্ত মধ্যরাতে

শঙ্খ ঘোষ

শঙ্খ ঘোষের কবিতার সতেজ সৌন্দর্যটা আমার বড় প্রিয়, উপরের কবিতাটি যতোবার পড়ি কখনো মনে হয় না এটি আমার পড়া কোনো পুরনো কবিতার কবিতাংশ, বরং প্রতিবার নতুন অর্থে, নতুন রূপে এই কবিতার লাইনগুলো ভালোলাগা আর ভালোবাসায় আমাকে আক্রান্ত করে।

মাতৃভূমি

- - - - - - - -
- - - - -
- - -
- -
-
-
.
. .
. . . .
. . . . . .
. . . . . . . .
. . . . . . . . . . . .
. . . . . . . . . . . . . . . . .

কাজলা মেঘের আঁচল তলে
হাজার নদীর শুদ্ধ জলে
সিক্ত করে করুন ডাঙা ,
সে আমারই মাতৃভূমি ।

ছায়াঘেরা শ্যামল গহন
জুরায় তনু শীতল পবন
পাখপাখালীর কলগুঞ্জন
কোখায় গেলে পাবে তুমি !

রক্তে ভেজা পবিত্র মাটি ,
তারই উপর গতর খাটি
কৃষাণ ফলায় সোনার আঁটি
শ্রদ্ধায় বারে বারে নমি ।

আকুল করে এই বাংলার
স্নেহে ভরা শত উপাচার
মরণেও তাতে পাই যেন ঠাঁই
মাতৃভূমির চরণ চুমি । ।

১১/০৩/০৭
(অন্য কোখাও)

উরি বাবা!! দেখে যা!! ভাষা, তার ভাষা

দিনে দিনে মানুষ অর্থনৈতিক ভাবে যত স্বয়ংসম্পূর্ণ হচ্ছে ততই তারা অন্যদিকে মনোযোগ দেবার সুযোগ পাচ্ছে। এর একটি ভালো উদাহরণ হচ্ছে ভাষা ও সংস্কৃতি বিষয়ে মানুষের সচেতনতা। গত কয়েক দশকে ফোকলোর সোসাইটির ধারণা বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এই সোসাইটির উদ্দেশ্য হচ্ছে একটি দেশের ভাষা, সংস্কৃতি এবং সাহিত্যিক কর্ম বিশেষ করে প্রায় বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া আন্চলিক সাহিত্য কে সংগ্রহ করা । ইংরেজী ভাষার বিরোধিতা করছি তা নয়, তবে বর্তমান বিশ্বে ইংরেজী একটি আগ্রাসনের সৃষ্টি করেছে। যেমন স্যাটেলাইট চ্যানেলের কল্যাণে আমরা দেখতে পাচ্ছি কেমন করে হিন্দির সাথে ইংরেজী অবলীলায়, অগোচরে মিশে যাচ্ছে। যে কোন শিক্ষিত ভারতীয় কথা বলার ফাকে ফাকে একই বাক্যে অথবা আলাদা ভাবে হিন্দি ও ইংরেজী মিলিয়ে কথা বলছে। বর্তমানে বাংলাদেশেও এই ধারাটি দেখা যাচ্ছে এবং এটা সম্ভবত জনপ্রিয়ও হচ্ছে। হয়তো এটাই স্মার্টনেস।শুধু তাই নয় আমাদের আন্চলিক ভাষাগুলো আরো বেশী ব

...ইতি, আব্বু। [শুরুরও অনেক আগে]

অনেকদিন ধরেই ভাবছি। আমার মনের ভেতরে চুপটি করে বসে থাকা আমার শিশুকন্যাটা, যার নাম আরো দু'বছর আগেই রেখেছি শুদ্ধ শুচিস্মিতা, তাকে উদ্দেশ্যে অনেকগুলো চিঠি লিখে রাখবো ব্লগে। যার ভিতর দিয়ে সে তার বাবাকে জানতে পারবে। তার মা কে চিনতে পারবে। তার জন্য বাবার আবেগ কেমন ছিলো, তাকে ঘিরে তার বাবার স্বপ্নগুলো কেমন ছিলো, কিভাবে সেই স্বপ্নগুলোর বিবর্তন হ'লো। সব... সব... কিছু জানিয়ে রাখবো ওকে অকপটে। ও যেদিন বারো'তে পা দেবে, সেদিন ওকে ব্লগে বসতে বলবো। পড়তে বলবো ওকে লেখা বাবার লেখা চিঠিগুলো।

কয়েকটি সাদা গ্ল্যাডিওলাস ও একটি অনাকাঙ্খিত বৃষ্টির গল্প

তুমি সন্ধ্যার মেঘমালা তুমি আমার নিভৃত সাধনা,
মম বিজনগগনবিহারী...........
আমি আমার মনের মাধুরী মিশায়ে তোমারে করেছি রচনা-
তুমি আমারি, তুমি আমারি,
মম বিজনজীবনবিহারী.................

অনুসন্ধান

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com।

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা