অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১৬ জন অতিথি অনলাইন

রুপালী ছায়াপথ (প্রথম পর্ব)

দিনগুলো একেকটা এমনি করেই ফুরিয়ে যায়।
কাজের চাপে পিষ্ট হওয়া একঘেয়ে ক্লান্তিকর বলয় থেকে বেরিয়ে একটু অবসর খোঁজে উদভ্রান্ত মন। তারপর একদিন হঠাৎ অবসর মিলেও যায়। তখন কেবল মনে হয় দূরে কোথাও ঘুরে এলে নেহায়েত মন্দ হয় না!

বসন্তের শেষ বিকেলে অনিরুদ্ধ যখন শ্রীমঙ্গল ষ্টেশনে নামলো ঘড়িতে তখন পাঁচটা বাজে। ততক্ষণে চা বাগানের ফাঁকে ফাঁকে দাঁড়িয়ে থাকা শেডট্রিগুলোর ছায়ারা পূবদিকে হেলে পড়েছে। আর, নতুন গজিয়ে ওঠা কচি চা-পাতাগুলো বিকেলের সোনালী আলোয় ঝলমল করছিলো। পাহাড়ের ঢালে চা বাগানগুলোতে অদ্ভুত আলো ছায়ার খেলাটা জমে উঠেছিল বেশ।

কিছুটা ভাবনার খোড়াক...

সোবাহান সাহেব, তার স্ত্রী, দুই কন্যা, অবিবাহিত এক শ্যালক, ভাড়াটিয়া বিপত্নীক ভদ্রলোক এবং তার দুই সন্তান, আর ঘরের দুজন কাজের লোক নিয়ে একটি পাগলাটে পরিবার। যে সমাজে ঘরে বিবাহযোগ্যতো দূরের কথা, কন্যা সন্তান থাকলে সে পরিবারের পুত্র সন্তানের বয়স যাই হোক আগে মেয়ের বিয়ে দিতে হবে তার পরেই ছেলের বিয়ে এবং কন্যা সন্তান মানেই যেন এক ধরণের দায়, এমন মতবাদের সমাজে বড় মেয়ে রেখে ছোট মেয়ের বিয়ে দেয়ার মত দৃষ্টান্ত স্থাপণ করে এই পরিবার তাও আবার নব্বইয়ের দশকে। এই সমাজে পুরুষদের যতই বয়স হোক না কেন বিয়ের বাজারে তারা সব সময়ই দামী। অপরদিকে মেয়েদের বয়স বিশ পার হলেই সমাজে তথা আত্মীয় স্বজনদের মাঝে শুরু হয় কানা ঘুষা। কিন্তু এই পরিবার ব্যতিক্রম, তারা এমনটি ভাবেন না।

তিশানের চলে যাওয়া

১.
তিশানের ভাল নাম ইশমাম। দুটোই আমার রাখা। তিশানের জন্ম ১৯৯২ সালে, ১২ জুলাই। তথন খুব ইউরোপীয় চিত্রকলা নিয়ে পড়তাম। ইতালীর এক বড় শিল্পীর নাম তিশিয়ান বা তিশান।আমার বড় বোনের ছেলে হল, নাম রাখলাম তিশান।
তিশান আমাদের চার ভাই–বোনের পরিবারের প্রথম সন্তান। সেই যে পিজি হাসপাতাল থেকে ওকে নিয়ে আসলাম সেটা এখনও চোখে ভাসে।তিশান ছিল সবচেয়ে আদরের। চোখ দুটি ছিল অসাধারণ।কখনো রাগ হতে দেখিনি। কিছু বললে কেবল হাসতো।
সেই তিশানের জীবন থেমে গেছে ২০১৪ সালের ১৫ অক্টোবর। আমার ভাইবারে তিশানের প্রোফাইলে দেখা যাচ্ছে ‘লাস্ট অনলাইন অন অক্টোবর ১৫’।

স্মৃতির জলছাপ ১

কিছুদিন যাবৎ আমার সামনের একটা দাঁত নড়ছে। মামনি বলেছে ছোটদের সবারই নাকি দাঁত পড়ে আবার গজায়। কিন্তু ছোট্ট আমি ভাবছি দাঁত যদি পড়ে যায় তাহলে চকোলেট খাবো কি করে? তারচেয়েও বড় সমস্যা হল স্কুলে সবাই আমাকে ফোকলা বলবে। দাঁত নিয়ে এক রকম চিন্তাযুক্ত অবস্থায় আমি বারান্দায় হাঁটছি। ওমনি আমার ফুপি জোরে চিৎকার করে আমার মামনিকে ডাকতে লাগল-

ফুপিঃ ভাবি ভাবি তাড়াতাড়ি আস!
মামনি দৌড়ে এসে বললঃ কি হয়েছে এভাবে ডাকছো কেন?
ফুপিঃ ঐ দেখো আমার মা হাঁটছে! সেই একই রকম সামনে দুহাত দিয়ে গুটি গুটি পায়ে পায়চারী করছে। দেখো হাঁটার সময় একটু পর পর আকাশের দিকে তাকাচ্ছে। হুবুহু একই রকমভাবে!

কিস্তিমাতের ককটেল কিস্তি কিংবা হুবহু কপি ব্যাং ব্যাং!

আজ সারাদিন বসে বসে বই পড়ছিলাম। বই তেমন কিছু না বদরুদ্দীন ওমরের প্রবন্ধ সংকলন আর একটা ইংরেজি ম্যাগাজিন, যেখানে ইন্ডিয়ান অচেনা সব গল্পকারদের ইংরেজি ভাষায় লিখিত গল্প। কাভার নাই। তাই নাম জানি না। সম্ভবত নীলক্ষেতের কোনো পুরানো ম্যাগাজিনের দোকান থেকে কিনেছিলাম। আমার ইংরেজী সাহিত্য পড়তে মোটেও ভালো লাগে না। ভালো লাগে শুধু এই উপমহাদেশের কারো ইংরেজীতে লেখা ভালো উপন্যাস পড়তে। ইংরেজী বই পড়লেই মনে হয় টেক্সট বুক পড়ছি । অচেনা শব্দ পেন্সিল দিয়ে দাগাচ্ছি, তারপর কম্পিঊটারে বসে তা নিয়ে সার্চ দিচ্ছি। এমবিএ এডমিশন টেষ্টের সময় অনেক নতুন শব্দ শিখেছিলাম, তাই ভরসা। নয়তো টিভিতে সিরিয়ালে সব জায়গাতেই সহজ ইংরেজী, যখনই বই পড়তে যাই তখনই দেখি মাথা ব্যাথা করা সব শব্দ আর আজব সেন্টেন্স প্যাটার্ন। এত কষ্ট করে বই পড়াও খুব কষ্টের। দিগন্ত দুটো ইবুক দিয়েছিল, লিওনার্ড কোহেনের আত্মজীবিনী মুলক। তাঁর গান কিংবা তাঁর জীবন নিয়ে। তা শেষ

ভাবনা পড়ে আছে খুচরো হয়ে, কুড়িয়ে নেবে সময়

শরীরটা কিছুদিন যাবৎ ভাল না। পিঠের ব্যাথাটা বড্ড ভোগাচ্ছে। মেরুদণ্ডের ভেতর চিনচিনে এই ব্যাথাটা আমার সবসময়ের সংগী। কখনো কম কখনো বা বেশী। ইদানীং ব্যাথা বেশী। তাই শারীরিক কষ্ট থেকে আক্রান্ত হচ্ছে মন আর মন থেকে মস্তিষ্ক। “মন” বলে কোন কিছুর অস্তিত্ব মানব শরীরে নাই, “মন” নামক যন্ত্রের সব কাজ করে মস্তিষ্ক। অথচ এই অস্তিত্বহীন বস্তুটির কাছেই আমরা সবসময় পরাজিত হই। কোন কারণে কষ্ট পেলে মনে হয় বুকের ভেতরে কেউ মন নামক বস্তুটিকে চিপড়ে ধরে আছে যার কারণে শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে। মন ভাল না থাকলে মানুষ বিষণ্ণতায় ভোগে আর খুব বেশিদিন এই বিষণ্ণতা চলতে থাকলে অনেক সময় জীবনের কাছে আত্নসমর্পণ করে। সম্প্রতি বাংলাদেশের একটি নামী- দামী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান থেকে “জেণ্ডার কো-অর্ডিনেটর” হিসেবে আমার নামে অফার লেটার এসেছে। তারা চাচ্ছে, আমি আগামী ছয় বছর তাদের সাথে কাজ করি। নিঃসন্দেহে লোভনীয় একটি প্রস্তাব এবং আমি আগ-পাশ কিছু

ফিরে ফিরে আসি, তোমাদের এই নগরে!

ঢাকা শহরের সুখ এখন ইন্টারনেট স্পিডে। ওলোতে ব্যাপক ভালো সার্ভিস দিচ্ছে। এক উইকের প্যাকেজ নিয়েছিলাম অর্ধেক একদিনেই শেষ। কাল বাসায় এসেই ব্যাপক উৎসাহে ডেক্সটপে বসে পড়লাম। কিসের জার্নির ক্লান্তি- কিসের কি? গত দুই সপ্তাহের ব্লগ- পত্রিকা- লিংক- ইউটিউব যা বাকী ছিল সব দেখলাম। দেখতে দেখতে বাজালাম দুটো। তাও আমার ঘুম আসে না। মামার সেট দিয়ে গেম খেললাম তিনটা অবধি। তারপর আমার এক স্কুল বান্ধবী আমেরিকা থেকে ফোন দিল। কি সব আনকমন শহরের নাম বলে, যেখানে বেড়াতে গিয়েছিল, নামই শুনি নাই। ফেসবুকে এড রিকোয়েষ্ট এক্সেপ্ট করতে বললো, আমি বললাম করবো না, বড়লোক বন্ধু বান্ধবের থেকে আমি দূরে থাকি। মন চাইলে ফোন দিবা, কথা বলবো। কথা হতে হতে চারটা। জানতে চাইলো আমার দেবর যাবে দেশে কিছু পাঠাবো তোমার জন্য?

শহীদুল ইসলাম লালু

apu_0.jpg

ভাল থেকো নীলাকাশ

তুমি কি দেখেছিলে ভয় পাওয়া মানুষদের
শুনতে পেয়েছিলে আকাশে বোমার শব্দ
আর বুঝতে পেরেছিলে কি কেন আমরা পালিয়েছিলাম?
যখন নতুন একটা পৃথিবীর স্বপ্ন জন্ম নিয়েছিল
এই আকাশের নিচে

আগুণ নিভে গেছে অনেক আগে, কিন্তু ব্যথা আছে এখনো।
ভাল থেকো, নীলাকাশ।

মূলঃ রজার ওয়াটার্স, ১৯৭৯ সালে পিঙ্ক ফ্লয়েডের দ্য ওয়াল অ্যালবামে প্রকাশিত।

(লেখাটা ৫০ শব্দের বেশি হওয়া সত্ত্বেও প্রকাশ হচ্ছিলো না। তাই আমি ব্রাকেটের ভিতরে এই লাইনগুলো লিখছি। কিন্তু লেখার আকৃতি সর্বনিম্ন ৫০ শব্দ হতে হবে- এমন বাধ্যবাধকতা থাকার আদৌ কোন প্রয়োজন আছে কি? আমার মনে হয় এই বাধ্যবাধকতার কারনে অনেকেই সমস্যায় পড়তে পারেন, যে সমসসার সমাধান আমাকে এভাবে করতে হল। ধন্যবাদ। )

আমার প্রথম অভিব্যক্তি

ধন্যবাদ দিতে হয় আমরা বন্ধু টীমকে আমাকে এই পৃষ্ঠায় লেখালেখির জন্য অনুরোধ করে ইমেইল করার জন্য।আমি লেখক নই তবে আড্ডাবাজ।প্রচন্ড আলসেমি আমার।মনে হয় অনেক কিছু লিখে ফেলব , কিন্তু মনে এত আবেগের আবির্ভাব ঘটে যে শেষ পর্যন্ত লেখার খেই হারিয়ে ফেলি।এভাবে চলতে থাকলে তো আর কোন দিন লেখাই হবে না।তাই "আমরা বন্ধু" প্লাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করব ভাবছি।তাইলে হয়ে যাক শুরু "" লেখালেখি""।অতঃপর শুরু.................... Smile

ভ্যাঁ সমাচার.........

এক দেশে ছিল এক রাজকন্যা। রাজকন্যার বাবা কিন্তু রাজা ছিল না, মা'ও রানী ছিল না, তাদের কোনো রাজ্যও ছিল না। তারপরও সবাই মেয়েটিকে রাজকন্যা হিসেবেই জানতো।

ঈদের আনন্দ, আনন্দের ঈদ

দেখতে দেখতে আরেকটা ঈদ চলে এসেছে। ঈদ মানেই বিশাল আনন্দ।বিশাল উৎসব। অথচ আমার কাছে কোনো উৎসবই মনে হচ্ছে না। কারণ ঈদ মানেই আমার কাছে বাড়ি যাওয়ার আনন্দ। বিশেষ করে কোরবানের ঈদ।
টিকেট যুদ্ধে পাশ করার পর গাড়ির জন্য অপেক্ষা, অপেক্ষা, অপেক্ষা...।দীর্ঘ যানজট, ধূলাবালি,প্রখর রোদ,মানুষের ভিড়,সব কিছু ভুলে যেতাম প্রিয়জনদের দেখলে।পথের ক্লান্তি মুছে যেতে একটুও সময় লাগতো না।কী যে খুশি লাগত!! খুশির সেই অনুভব মুখে বলে কিংবা লিখে বোঝানোর সাধ্য আমার নাই।যেদিন বাড়ি যেতাম তার আগের রাত থেকেই শুরু হয়ে যেত আমদের ঈদের আনন্দ। বাড়ি যাওয়া উপলক্ষ্যে ব্যাগ গোছানোর আনন্দ, আর খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠতে হবে এই উত্তেজনায় দেখা যেত বেশির ভাগ সময়ই রাতটা নির্ঘুমই কেটে গেছে।

একান্ত ভাবনা।

ড্যান ব্রাউন আমার প্রিয় একজন উপন্যাসিক। তার সকল বই পড়ার সুযোগ আমার হয়েছে। তার যে বইটি প্রথম পড়ি তাহল-দ্য দা ভিঞ্চি কোড। খ্রিস্টানিটি থেকে শুরু করে ধর্মীয় অনেক বির্তকিত বিষয়ের আলোকে উপন্যাসটি লেখা হয়। মজার বিষয় হল তার উপন্যাসের যে কোন কিছু আপনি ইন্টারনেট খুঁজলে তার লিংক পাবেন। যেমন তার একটা উপন্যাসে লেখা আছে ল্যাটিন ভাষার বাইবেল থেকে ইংরেজি ভাষায় বাইবেল অনুবাদ করার সময় অনুবাদকের একটু ভুলে অনুবাদ দাঁড়ায়-মোজেসের মাথায় শিং। মাইকেল অ্যাঞ্জেলো’র একটি ছবি আছে যেখানে দেখা যায় মোজেসের মাথায় শিং।

সবকিছু অথবা কিছুই- না!

শিরোনামটা আমার মাথায় থেকে আসে নাই। 'লাতিন আমেরিকার গল্পসমগ্র' নামে একটা বই কামাল ভাই কিনে দিয়েছিলেন, এই বই মেলায়। সেখানে হোর্হে লুইস বোহের্সের গল্প। বইটা অসাধারন। দারুন সব গল্প, যার ভাষা সহজবোধ্য না, কিন্তু গল্পের এমন অদ্ভুত ছন্দময়তা, মানব মনের নানান অনুভুতির এত বিচিত্র বয়ান তা পড়তে পড়তে শুধু অবাক লাগে। অনেক কিছুই হয়তো বুঝে উঠতে পারি নি, তাও বইটা আমার খুব প্রিয়। বইটা কাগজ প্রকাশনের একটা দারুন উদ্যোগ। আজ ভোরে বাড়ীতে যাবো। তাই লিখতে বসা। জামালপুরে ল্যাপটপ নিতে পারবো না, মোবাইল নষ্ট প্রায়, মন মেজাজ ভালো না, অগ্রিম ট্রেনের টিকেট কাটতে পারি নাই, বাসের জন্য মহাখালী যেতে হবে ভোর বেলায়। ভালোই লাগছে না এবার বাড়ীতে যেতে। শুধু বাবা মা আছে বলেই যাওয়া, নয়তো আমার ঢাকা ছেড়ে এখন জামালপুর তো দূরে থাক, প্রিয় শহর চিটাগাং যেতেও ইচ্ছে করে না। তার সাথে সাথে ব্লগেও লেখা হবে না, যতদিন বাড়ীতে থাকা হবে। কি যে কষ্টে

তুমি আমার

তুমি আমার একটু একটু আবিষ্কার
প্রতিদিন একটু একটু করে তোমায় আমি আবিষ্কার করি
তুমি আমার অল্প অল্প ভালোলাগা
প্রতিদিন তোমায় আমি অল্প অল্প করে ভালোলাগায় ধরি
তুমি আমার টুকরো টুকরো কথা
প্রতিদিন তোমায় নিয়ে টুকরো টুকরো কথার ঝুড়ি
তুমি আমার হালকা হালকা ছোঁয়া
প্রতিদিন তোমার সাথে হালকা হালকা ছোঁয়ায় পুড়ি
তুমি আমার বিন্দু বিন্দু স্বপ্ন
প্রতিদিন বিন্দু বিন্দু স্বপ্নের মালা গলায় পড়ি
তুমি আমার ছোট ছোট চাওয়া
প্রতিদিন ছোট ছোট চাওয়ার মাঝে তোমায় ভরি

তুমি আমার আস্তে আস্তে হারিয়ে যাওয়া
কবে যেন আস্তে আস্তে তোমায় আমি হারিয়ে ফেলি
তুমি আমার চাপা চাপা দীর্ঘশ্বাস
আজ আমি চাপা চাপা দীর্ঘশ্বাসের দোলায় দুলি
তুমি আমার হঠাৎ হঠাৎ ঘুম ভাঙ্গা
আজকাল হঠাৎ হঠাৎ ঘুম ভেঙ্গে কি যে জ্বালায় জ্বলি
তুমি আমার জমাট জমাট স্মৃতি
জানি না কেমন করে জমাট জমাট স্মৃতি ভুলি
তুমি আমার ঝাপসা ঝাপসা দৃষ্টি

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা