অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য ও ৪০ জন অতিথি অনলাইনে

ঠিক কি যেনো!

ফটোগ্রাফীর জন্য এক সুন্দর মন দরকার, দরকার নিখুত চাহিদাকে সংজ্ঞায়িত করার ক্ষমতা। এই মুহুর্তে যদি বলা হয় সবচেয়ে নিষ্পাপ ছবি কোনটা তাহলে আমি বলবো বস্তিতে থাকে সেই ৬-৭ বছরের ছেলেটা যে মুখ গোমড়া করে শার্টের এক কোনায় আঙ্গুল গুজে মুখে দিয়ে চুষছে। নাক দিয়ে সর্দির হিঙ্গুল গড়িয়ে পড়ছে একটা ফুটো দিয়ে। দুদিন আগে বাবা চুল কাটাবার নাম করে হাতে লজেন্স ধরিয়ে নাপিতের দোকানে নিয়ে ন্যাড়া করে দিয়েছে। ক্ষুধায় খেতে না পারার রাগের সাথে মাথা ন্যাড়া করার রাগও যোগ হয়েছে।

ঠিক তেমনি একটা পিচ্চিকে দেখছি তবে এই পিচ্চিটা পুরো জ্যাকেট পরিহিত। কিছুক্ষন আগে গুডিজ মানে মিষ্টি চকলেটের জন্য কান্নাকাটি করছিলো। তার বাবা তাকে গুডিজ কিনে না দিয়ে একটা সেভেনআপের ক্যান ধরিয়ে দেয়। পিচ্চিটা ঠিক বুঝতে পারছে না সে সেভেন আপ টা গিলবে না গুডিজের জন্য কান্নাকাটি চালিয়ে যাবে।

মাফ করে দিও সবাই

বন্ধুরা, ক্ষমা করে দিও সবাই । ২৩/১০/১৪ তারিখ সকালে স্বজনরা হাসপাতালে নিয়েগেছিল, ফেরা হবে ভাবিনি । আল্লাহর রহমত আর সবার আন্তরিক শুভেচ্ছায় ফিরে এসেছি, তবে ডানপিঠে ‘ডান পা’ পুরো এবং তার দোসর ডান হাত আংশিক বিগড়ে আছে । আরে আমার হাত আমার পা, আমার কথা শুনবেনা ওরা ? “কি করা যায় !” ডাক্তারকে বললেন, “এক্সপার্ট কিছু হালকা ব্যায়াম শিখিয়ে দেবে । প্রতিদিন করুন, বুড়োদের রাগ-অভিমান পড়েও যেতে পারে”।

I Love You দোস্ত ( ২৪ই নভেম্বর ২০১৪)

স্বাগতা তোর মনে আছে ঐ দিনের কথা?? আমরা এইচ এসসি পরীক্ষার হলে english 2nd পেপার এক্সাম দিচ্ছিলাম। আমি তখন তোকে পিছনে ঘুরে জিজ্ঞেস করি ---
দোস্ত ৮ এর বি কি হবে???
আগে আমাকে I love You বল, তারপর আন্সার বলব।
স্বাগতা ফাজলামি করিস না । আর ৫ মিনিট বাকি। ঘণ্টা দিয়ে দিবে।বল না!!!
না , আগে আমাকে I Love You বল।
যা বলব না Love You . বেটার আমি অন্য কাউকে জিজ্ঞেস করি। লাগবে না তোর আন্সার।
কি পাগল ছিলি রে তুই!!কিন্তু তারপর ও তুই আমার খুব ভাল একটা ফ্রেন্ড ছিলি রে!!!

'সহজ কথা যায় না লেখা সহজে..' [আবোল তাবোল - ১৭]

কেমন আছো?
- এইতো, মোটামুটি। অথবা, ভালো নেই।

ভালো আছি, সে মিথ্যে হলেও মানুষ সহজেই মেনে নেয়।
অথচ, ভালো নেই বললেই অন্যদের ভালো থাকাতেও সমস্যা দেখা দেয়।

ভালো লাগে না।

লেখো না কেন?
- মন ভালো নাই, মন ভালো থাকে না।

মাঝে মাঝে ভুলে ভালো হয়ে গেলেও,
নিজের মাঝেই ভুল বোঝাবুঝিতে তা ভুলে যেতে সময় লাগে না।

অথবা, ভালো থাকার মত তেমন কিছু হয় না আর।
হলেও, তা শুরু হতে হতেই শেষ।

দিনকাল বড্ড বেশি স্লো হয়ে গেছে আজকাল। বলতে গেলে থেমেই আছে সে-ই কবে থেকে, মনে নেই। রিস্টার্ট দেওয়ার চেষ্টায় আছি অনেকদিন ধরেই, হচ্ছে না কিছুতেই।
ছুটি দরকার একটা, নিজের কাছ থেকেই – অথবা, এই বৃত্তবন্দি সময় থেকে। তাও হচ্ছে না। যার কাজ নেই, তার হাতের কাজ কখনই শেষ হয় না।

নিজের মত করে থাকতে পারাটাও ভালো থাকা। তাও হয় না সবসময়।
অসময়ে কথা শোনানোর সুযোগ হাতছাড়া করার ভুল করে না বলতে গেলে কেউই।

ছবিব্লগঃ চল না ঘুরে আসি ২

আমি সবসময়ই কবিতা লিখতাম। কখনো ভ্রমন কাহিনী লিখব ভাবিনি। কিন্তু আমার একনিষ্ঠ ভক্ত আমার মার চাপাচাপিতে লিখতে হয়। আম্মুর কথা হল তুমি তো আর গল্প লিখছ না তুমি তোমার অভিজ্ঞতা শেয়ার করছ। অনুরধে ঢেঁকি আমাদের সবাইকেই গিলতে হয় আর তা যদি করে মা তাহলে পানি ছাড়াই গিলতে হয় Tongue

গত বছর অক্টোবরে যাওয়ার দিন আমাদের রেডি হতে দেখে আমার ছোট্ট পাখি ‘টুকটুকি’ আমার জানালায় এসে দাঁড়াল এবং যখন আমরা ওকে বাই বাই বললাম তখন সে সত্যি সত্যি মন খারাপ করে বসে পড়ল।

Untitled-1

Sorry বন্ধু তোকে বুঝতে পারিনি

মেয়েটি আত্মহত্যা করেছে।
কি বললে??
যা শুনেছ তাই বলেছি।
কিন্তু কেন??
তা ভাল করে বলতে পারছি না।কিন্তু যা শুনলাম তাতে মনে হল কোন এক ছেলে এর জন্য।ছেলে টি তাকে কষ্ট দিয়েছে তাই মেয়েটি গলায় দড়ি দিয়েছে।

এটা কোন কথা হল!!! একটা সাধারণ বিষয় নিয়ে কষ্ট পেয়ে মেয়ে টা এভাবে নিজেকে শেষ করে দিল!!!

এটা কোন সাধারণ বিষয় না।খুব সিরিয়াস কোন বিষয় বলে মনে হচ্ছে। তা না হলে এভাবে এত বড় একটা কাজ করে ফেলতে পারেনা।
যতটুকু আমি জানি মেয়েটা খুব শক্ত ছিল।সবাই যা বলছে তাতে মনে হচ্ছে ঠিক মনে হচ্ছে না সত্যি টা হল ছেলেটা চিট করেছে। মেয়েটা কে ঘুরিয়েছে। কতটা খারাপ হতে পারে মানুষ।এমনকি মেয়েটা মারা গিয়েছে শুনে ঐ জানোয়ার টা বলেছে
যা হয়েছে ভাল ই হয়েছে। বেঁচে গেলাম আমি।
আসলে এসব জানোয়ারদের জন্য কেন যে মানুষ নিজের জীবন টা কে এতটা এভাবে শেষ করে দেয়!!! আমি বুঝতে পারিনা।

মৈথুনানন্দের মহোৎসব

মাইমুনা আসেনি। সে দেশেই আছে। বাচা গেলো, টেনশনটা কমলো। তবে বাবা মৃত্যুর আগে টেনশন বাড়িয়ে গেছেন। তার আগত নাতীর নাম আকবর রহমান রেখে গেছেন। আকবর নামটা শুনলে সবার মোঘল সম্রাটের কথা মনে পড়লেও আমার মনে পড়ে এক রিক্সা চালকের কথা। সেই রিক্সাচালক ভদ্রলোক কিশোরকুমারকে হুবহু নকল করতেন। তার গান গুলো ঠিক একই ভাবে গাইতেন। ছোটবেলায় ইত্যাদি অনুষ্ঠানে এই রিক্সাচালক "একদিন পাখি উড়ে " এমনভাবে গাচ্ছিলেন যে আমি তার গানে মোহমুগ্ধ হবার বদলে উল্টো স্ক্রিনে পাখি খুজতেছিলাম। কারন তার হাত আর মুখের ভঙ্গিটা সত্যি ময়না পাখি হারিয়ে যাবার দুঃখে কাতর ছিলো।

: বাবা কি আর নাম পান নাই?
: মুসলমান সম্রাটের নাম, খারাপ কি দেখলা বাবা?
: মনে হইতেছে এক রিক্সাচালক সারাদিন রিক্সা চালিয়ে দুপুরে ভাত ডান হাতে ভাত খাইতেছে আর এক হাতে হাতপাখা ঘুরাচ্ছে।

আটপৌরে শীতকাল

এবারও শীত কথা দিয়ে কথা রাখলো না; জ্যাকেট, বুট জুতো নতুন জীন্স শপিং করার পর থেকে শীত উধাও। কোথায় তুষারপাত হবে তা না, শুরু হয় ঝিরঝিরে বিরক্তিকর বৃষ্টি। এই বৃষ্টিতে ভিজে উদাস হওয়া যায় না, গায়ে শীতের কাঁপুনি ধরা আর কি।

স্টকহোম শহরটা ঘুরবার কিছু নেই তেমন। সামার হলে শহর ঘিরে থাকা লেকের পাশে বীচ আর নাগরিক শান্ত কোলাহল উপভোগ করার মত, ইউরোপের অপরাপর দেশের মতো ঐতিহ্যগত সৌন্দর্য্য এখানে অনুপস্হিত। বছরের পর বছর শহরটার খুব বেশী বাহ্যিক পরিবর্তন নেই। মানুষ শুধু ছুটছে, হয়তো গত বছর এই রাস্তা ধরে যে মেয়েটি সকাল বেলা কাজে যেতো, এ বছর রাস্তাটা একই থাকবে কিন্তু মানুষগুলো পাল্টে যাচ্ছে।

আলস্যের দিনলিপি ৩

আমার সবকিছু প্রচণ্ড অগোছালো হয়ে আছে। কতোটা অগোছালো তা মাপারও কোনো উপায় নেই। পড়াশুনা করি না কত যুগ তারও হিসেব নেই। অনেকদিন হল ক্লাসে যাই না। অনেকদিন হল বেলা দুপুর করে ঘুম থেকে উঠি। হটাৎ করে একদিন শীতকাল চলে এলো। আর আমার আলসেমিও কয়েকগুণ বেড়ে গেল। আমি আসলে করি টা কি? কোথায় আমার মন, জানি না।

অথচ আজ সকালে ঘুম ভেঙেছে। স্নান করে একটা ডিম ঝালফ্রাই দিয়ে ব্রেকফাস্ট করেছি। নজরুলের গান শুনতে শুনতে আরাম করে একটা সিগারেটও টেনেছি- মোর ঘুম ঘোরে এলে মনোহর। আহা কি স্নিগ্ধ সকাল। আর ভাবছি কেন ক্লাসে গেলাম না। এই ক্লাসটা খুব বেশি জরুরি নয়।

সততা !!!

প্রতিদিনের মত সেই দিনেও মায়ের ফোন ......

তবে মা সাধারণত সন্ধ্যা বেলায় কখনও ফোন দিত না। সারাদিন ক্লাস আর আড্ডা বিকেলে ঘুম, সন্ধ্যায় পদ্মার চড়ে ঘুরে বেড়ানো তারপর রুমে ফেরা। যা কথাই তা রাত নয়- দশটা ছাড়া হত না।

কিন্তু অন্য আর দশ দিনের মত সেদিন ছিল না। ফোন রিসিভ করার সাথেই ওপাশের কন্ঠটা কিছুটা বিচলিত। কুশল বিনিময় করার আগেই মায়ের মুখে গুরুগম্ভীর কথা শুনে কিছুই বুঝতে পারছিলাম না। হঠাৎ মা কেনই বা এসব কথা বলছে। তারপর যা শুনলাম তা রীতিমতই কাল্পনিক, যদিও তা বাস্তব ছিল।

রোগ শোকে পাপ ঝরে পড়ে

রোগ শোকে পাপ ঝরে পড়ে
নভেম্বরের চার তারিখ থেকে পিঠের ব্যথায় ভূগছি। খুলনায় একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞকে দেখিয়ে ছিলাম। উনি দেখে ইসিজি করে বলেছিলেন, তেমন কোন সমষ্যা নেই। ওজন বেড়ে গেছে। এখন যে ওজন তা হার্ট এ সমস্যা সৃষ্টি করার জন্য যথেষ্ট। আমি সাধারণত ওজন মাপি না। ছোট খাট সমস্যা হলেও ডাক্তারের কাছে যাই না। তাই উনি যে ওজনটা বললেন, তা এর আগে যখন মেপেছিলাম তার চেয়ে আট কেজি বেশী। শুনে রীতিমত আতকে উঠলাম। উনি খাবার কমাতে এবং প্রতিদিন কম পক্ষে একঘণ্টা হাঁটতে বললেন।

আটপৌরে দিনগুলো!

ঝুলছে একটা পোষ্ট, প্রথম পাতার দেয়ালে। নিজেকে অনেক বুঝিয়ে সুঝিয়ে রাজী না করতে পেরেই এই পোষ্টটা লিখছি। তবে আদৌ নিশ্চিত না যে পোষ্টটা প্রথম পাতায় দিচ্ছি কিনা। তাও লিখছি, লিখতে তো কোনো দোষ নাই। অদ্ভুত এক দিন কাটলো আজ। সাধারণের ভেতরই অসাধারণ। এমন না যে খুব সিগনিফিকেন্ট কিছু ঘটছে বা করছি, তবুও দিনটা খুব ইন্টারেষ্টিং ভাবে কাটলো। এরকম ইন্টারেষ্টিং দিন আগে সমানে কাটাতাম, এখন কালে ভদ্রে আসে। টিভিতে একটা এ্যাড দেখায়, রোশন সাহেব বলেন কোন সুগন্ধি ইউস করতে আর তা করলেই নাকি হবে বি ইন্টারেস্টিং। আমি অবশ্য কোনো সুগন্ধিতে নাই, গায়ে ঝপজপা ঘামের গন্ধই আমার নিত্য দিনের সঙ্গী। নতুন বইয়ের পাতার ঘ্রান আর সুবাস ছড়ায় এমন ফুল ছাড়া, আর কিছুই ভালো লাগে না নাকে। তবে আমার যে বন্ধু ছিল, যার উপরে কিশোর বেলার প্রেম প্রেম ব্যাপার ছিল তাঁর গায়ের গন্ধ খুব আকর্ষণ করতো। রিকশায় কিংবা এক সাথে যখন বসে থাকতাম, কোচিংয়ে পাশে বসে আড্ড

"৮ নাম্বার বাস"

“৮ নাম্বার বাস” নিয়ে লিখবো এরকম একটা ইচ্ছে বহুদিন ধরেই পুষে আসছি। লেখা হয়ে উঠেনি। কারণ নেই, স্রেফ হয়নি।

ইচ্ছে ছিল ৮ নাম্বার বাসের ঐ হেল্পারের দৃঢ় কন্ঠ নিয়ে গল্প লিখবো, যে কিনা অবিরত বলে চলে, “ঐ যাত্রাবাড়ি-মতিঝিল-পল্টন-শাহবাগ-ফারামগেট-কলেজগেট কিংবা গাবতলি-কল্যানপুর-শ্যামলী-ফারামগেট-মতিঝিল-শাহবাগ।“ বলবো তার খিস্তি খেউর খাওয়ার গল্প। কিভাবে যাত্রীরা তাকে অশ্রাব্য ভাষায় প্রায়শই গালিগালাজ করে। আর বলবো তার এসব ব্যাপারে বিন্দুমাত্র ভ্রুক্ষেপ না করার গল্প। তার তো চটে গেলে চলবেনা, তার আরো কিছু রোজগার দরকার আরেকটু ভালো করে চলার জন্য। তাই সে এসব গ্রাহ্য না করে নিজের মত ডেকে যায় গলা খাকড়িয়ে, “ঐ যাত্রাবাড়ি……………………………,

কথপোকথন

সকাল থেকেই তাথৈ এর মন ভাল নেই। মাঝে মাঝে দিনটা এত বিষণ্ণভাবে শুরু হয় যে ঘুম থেকে উঠেই রাজ্যের ভাল না লাগা এসে মনকে আচ্ছন্ন করে রাখার জন্য যথেষ্ট। একটানা শুনে চলছে লিওনেল রিচির সেই বিখ্যাত গান-

হ্যালো, ইজ ইট মি ইউ লুকিং ফর
কজ আই ওন্ডার হোয়্যার ইউ আর
এ্যান্ড আই ওন্ডার হোয়াট ইউ ডু
আর ইউ সামহোয়্যার ফিলিং লোনলি
অর ইজ সামওয়ান লভিং ইউ
টেল মি হাউ টু উইন ইওর হার্ট
ফর আই হ্যাভন্ট গট আ ক্লু
বাট লে মি স্টার্ট বাই সেয়িং
আই লভ ইউ।

থ্রী- টু -ওয়ান -জিরো একশন !!!!!

থ্রী- টু -ওয়ান -জিরো একশন !!!!!

ছোটবেলায় নাটক সিনেমা দেখার সময় কাহিনী বোঝার থেকে বেশী ভাবতাম, কিভাবে নাটক সিনেমা তৈরি করে। আর নায়ক মারা যাওয়ার পর কিভাবে আবার জীবিত হয়! আর ভিলেনের শত শক্তি থাকা সত্তেও কেনই বা সে নায়ক কে হারাতে পারে না???
মাথার ভিতর এইসব প্রশ্ন গিজ গিজ করতে করতেই এক সময় টিভি স্ক্রীন এ লেখা আসত দ্যা এন্ড!
২০০২ সালে পরিচিত গণ্ডি পেরিয়ে অচেনা এক ব্যস্তমুখী শহর ঢাকায় এসেছিলাম পড়াশুনার জন্য, পথে আসার সময় যমুনা সেতু (তখন পৃথিবীর ১১ তম দীর্ঘ সেতু) দেখার আনন্দ ওহ সে এক অদ্ভুত অনুভুতি তা না হয় আর একদিন বলব।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা