অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ২৫ জন অতিথি অনলাইন

সেই ফুলের দল!

মনটা ভালো কারন একের অধিক। প্রথমত, মামার গৃহে প্রত্যাবর্তন অনেকটা সুস্থ হয়ে। যদিও ডাক্তার বলেছে রেস্টে থাকতে দু সপ্তাহ, তার আগেই মামা অফিস শুরু করেছে আজ থেকে। যদিও আমাদের এই গৃহ সুস্থ মানুষের জন্যই বসবাস আশংকাজনক, তবুও মামাকে দেখে আমি খুব শান্তি পাচ্ছি। খুব মিস করেছি মামাকে, আসলে আমাদের জীবনে কারো শুন্যতা ছাড়া বোঝা কঠিন যে মানুষটাকে আমরা কত ভালোবাসতাম। আমি অবশ্য এদের বাইরে, আমি থাকতে থাকতেই বুঝে যাই মানুষটা আমার খুব প্রিয়। তবে মানুষ এইসব নিয়ে ভাবে কম। যখন যার সাথে থাকে তখন তার সাথেই অন্তরঙ্গ হয়; সময় শেষে আর মনেই রাখে না। আমার ভার্সিটির এক বন্ধু ছিল, ছিল মানে এখনো আছে খালি যোগাযোগটাই নাই তেমন। ভার্সিটিতে থাকতে মনে হয়েছে আমার এই বন্ধু ছাড়া আমার চলবে কিভাবে?

আবেগ

আবেগ
এত আবেগ ঢেল না
আমি ডুবে যাব,
সেই সে ভয়ে
নিজেকে প্রত্যাহার করে নেয়
আমার আবেগের সীমানা থেকে।
কিন্তু পেরেছে কি?
আর একজন
চায় শুধু চায়...।
ঢালো আবেগ
আরো ঢাল
আবেগে
আমাকে ভাসিয়ে নিয়ে যাও
ডুবিয়ে দাও
দিগন্ত প্রসারিত দু বাহু ভরে
তত টুকু আবেগ দাও
যা সমুদ্রের থেকেও গভীর
যে সমুদ্রে আমি সন্তরণ করব
কখনও ডুবে যাব।
আকাশের থেকে উঁচু
যেখানে আমি মনঃ হাওয়াই জাহাজে উড়ে বেড়াব।
ঝরনার চেয়েও স্বচ্ছ
যেথায় হংস হংসী হয়ে জলকেলি করব
নিঃশ্বাসের চেয়েও প্রিয়।
সেই সে তপ্ত নিশ্বাসে
আপন মনে তাপিত হব
যাপিত হব
হিমালয়ের চেয়েও শক্ত।
যাতে দুজনা দুজনাকে
এমননি ভাবে বেঁধে নিব
জনম জনমতক হব না...।

বৈশাখ,০৩,১৪২১
সিরাজগঞ্জ

বৈশাখী

সকাল থেকে এক দুয়ে সব গুণে রাত্তিরে সব হিসেব কষার কাল,
কী হল ঠিক? ভুল বা হল কীসে? কী হলে বেশ খুশির হত হাল!
হয়নি কী? বা কী-ই বা করা যেত? কার কী গেছে কিসের অভিলাসে?
সহজ নাকি কঠিন সময় সময় গেল? কে গিয়েছে? রইল কে বা পাশে!?

এত্ত হিসেব করার চেয়ে যদি মুহূর্তটা কাটত যদি ঠিক,
যখন যেথায় যার পাশটায় আছি 'ভাল'র ঘরে পড়ত যদি 'টিক',
মানুষগুলো কিংবা মানুষ কোন, এক্কেবারে কাছেই, যে বা যাঁরা,
ছোট্ট কতক স্বপ্ন নিয়ে আছে, এই তাকানোয়, কথায় নতুন ধারা,
ঘুরঘুরিয়ে কেবল ফিরে এসে 'কেমন আছ'র পরশ গায়ে'র 'পরে,
'করছ কী বা' শব্দবিহীন ঠোঁটে 'এইত আছি'র জানান দেয়া ঘরে,

কেবল যদি সেই সে সময়টুকু একটু হাসি শব্দে সেজে দিয়ে,
অব্যক্ত সব 'চাইছি-ভাল-শুধু'র শুভেচ্ছাতে মুখর করে নিয়ে,
যায় জানানো 'এইখানেতেই আছি' কিংবা 'আসি! নতুন কোন কাজ?,
'সাগর সেনের গান শুনে গে বরং' কিংবা 'হুকুম! হে জাঁহাপন! আজ-!'

উৎসবের দিন রাত!

উৎসব যাই হোক আমার গত কবছর ধরে এসব দিনগুলোতে কিছুই ভালো লাগে না। এক বন্ধু বলে বসলো, তুই ক্রিকেটার ট্রেসকোথিকের মত অবসাদ গ্রস্থতায় আক্রান্ত। আমিও মেনে নিলাম যা বলিস তাই। আজ ফেসবুকে সকালে স্ট্যাটাসও লিখলাম যে- আজকাল আমি কোনো উৎসবেই বের হই না, বাড়ীতে থাকলে বাড়ী আর ঢাকায় থাকলে আটপৌরে চায়ের দোকানেই সাধারন একটা দিন পালন। এইটার একটা কারন আমার মনে হলো আজ যে স্বাভাবিক মানুষের চেয়ে ঢের বেশী ফ্রি টাইম আমি জীবনে পেয়েছি ও পাচ্ছি। তাই একদিনের আনন্দ আমার মনে খুব একটা রেখাপাত করে না। কারন ওরকম দিন রজনী প্রতিমাসেই একাধিকবার আসে। আর আরেকটা কারন হতে পারে গার্লফ্রেন্ড থাকা না থাকা, সাধারণত যাদের গার্লফ্রেন্ড আছে তারাই এখন এসব উৎসবের দিনকে রঙ্গিন করতে উঠে পড়ে লাগে। আর আমার ইদানিং কালের বন্ধুরাও আমার মতোই বোরড, তাঁদেরও কোথাও যেতে ভালো লাগতো না। আর যাদের লাগতো তারাও বের হয় শুধু সকালেই। আর বলে উঠে শান্ত ভাই ই ঠিক

মানুষ এগিয়ে যাক ভালোবাসায়

আমাদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে বাংলা সন তারিখের ব্যবহার খুব একটা নেই। অথচ, সম্রাট আকবর এই সন গণণা শুরু করেছিলেন, রাজস্ব আদায় মাথায় রেখে।কবে কৃষকের হাতে টাকা পয়সা আসবে তার হিসাব বাংলা ক্যালেন্ডারে ভালোই আছে। তাহলে, বাংলা সন গণনা কত দিন টিকে থাকবে? থাকবে ভাষার সমান বয়সে মানে বাংলা ভাষা যতদিন থাকবে ততদিন। কৃষকের সঙ্গে এখন আর এর সম্পর্ক নেই। এর কারণ একটু ভিন্ন।

কিছু অর্জন আমাদের উৎসব। যেমন বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবস, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায়, মানুষের চেতনা থেকে এগুলো উদযাপিত হয়। উদযাপনের নানা আনুষ্ঠানিকতা আছে।

কিছু ধর্মীয় অনুষ্ঠান আমাদের উৎসব। যেমন, ঈদ, দূর্গাপূজা,বড়দিন,বৌদ্ধ পূর্ণিমা। সার্বজনীণ দূর্গাপূজার সময় অসাম্প্রদায়িক মুসলিমরা বলেন, ধর্ম যার যার উৎসব সবার। আবার ঈদে অসাম্প্রদাযিক হিন্দু বলতে পারেন একই কথা , ধর্ম যার যার উৎসব সবার। উদযাপনের আছে বেশ কিছু নিয়ম।

শুভ নববর্ষ ১৪২১

শুভ নববর্ষ ১৪২১
গত সাতদিন থেকে বিরতিহীন অঝোর বৃষ্টি, আজ সন্ধায় থামবে। এমন ডাহা মিথ্যা কথা কেউ বলে, আজ বৈশাখের প্রথম দিন বৃষ্টি কোথায়? আর সাতদিন ধরে বৃষ্টি কেউ দেখলো না কোন মিডিয়াতে খবর নেই আর আপনি বলছেন, তবে মিথ্যা নয়ত কি?
আবার আবহাওয়াবিদ কবে হলেন যে বললেন আজ সন্ধ্যায় থামবে। আবহাওয়াবিদ কেন, জ্যোতিষিকেও হার মানানোর মত কথা।
ফেবু/ব্লগের বন্ধুরা,প্রকৃতি তাঁর আপন মহিমায় উজ্জল, বৃষ্টি তো দুরের কথা, বাহিরে তাপ ভিতরে গরমে সকল প্রানীকুলের ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা। শুধু আমার আংগিনা বাদে।
কেন?
কম্বাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্লান্টের কমিশনিং চলছে। বিশাল বিশাল তিনটি কুলিং টাওয়ার ৫০ ফুট উপর থেকে বিশাল ফেনের মাধ্যমে ঠান্ডা হওয়া পানি প্লাস্টিকের তৈরী কৃত্রিম মৌচাকের ভিতর দিয়ে বেস মেন্টেন্টে পড়ে টাপুর টুপুর শব্দে এক অসাধারন সুর লহরী তৈরী করেছে।

বহ্নি জ্বালা(পর্ব-২)

আমার ছেলেমেয়ের জন্য আমার অনেক দুঃখ হয় বিশেষ করে ছেলের জন্য। আমি যে নির্মল আনন্দ গুলো করেছি আমার ছেলে তা ভাবতেও পারে না। আমার ছেলে এখন অষ্টম শ্রেনীতে পড়ে, ঠিক একই বয়সে ফাগুন চৈত্র মাসে নিজ হাতে বানানো ঘূড়ি উড়িয়ে কি যে মজা পেতাম কিভাবে ব্যাখ্যা করব। উড়ানোর মজা এক, বানানোর মজা আরেক। আজ যখন মনে হয় ভাবি এত কষ্ট করতে হত, একটা ঘুড়ি বানানোর জন্য?
সে সময় মেলায় ঘুড়ি পাওয়া যেত। তা কিনেও আনতাম, তবে সে সব ঘুড়ি ছিল ছোট ও পাতলা কাগজের, কদিনেই ছিড়ে যেত। তাই ঘুড়ি বানানোর জন্য বাঁশের ঝাড় থেকে বাঁশ কেটে শুকাতে দিতাম। বাতা করার উপযোগী হলে তা থেকে উপর নিচের ধনুকের মত দুটি শলাকা এবং মাঝের জন্য আর একটি শলাকা বের করে নিতাম। ঘুড়ির লেজ বানানোর জন্য আরও একটি শলাকা লাগত। সুতার সাহায্যে বেঁধে ঘুড়ির কাঠামো তৈরীর পর কাগজ দিয়ে তার ছাউনি তৈরী করা হত।

কি করে এভাবে আমি থাকি

অনেকেই বলে সময় নষ্ট না করে কিছু একটা কর। একদিন যখন নিজের দুরবস্থার কথা বলে অন্যদের বিরক্ত করছিলাম তখন একজন বলল, কালকে সন্ধ্যা হবার আগে একপাতা হতাশা লিখে ফেলো।

সন্ধ্যার মধ্যে লেখা শেষ হয় নাই। এখন মাঝরাতে এসে লিখতে বসে মনে হচ্ছে লিখে দুঃখ বা হতাশা প্রকাশ করাটা বেশ কঠিন, তাছাড়া দিনে রাতে কত হতাশা জাগে মনে, সেগুলো সব এক পৃষ্ঠায় ধরার কথা নয়। তবুও হতাশা বলে কোনও একটা কিছুর অস্তিত্ব খুঁজে বেড়িয়েছি সন্ধ্যার পর থেকে।

সবচেয়ে বড় হতাশা হল যা ভাবছি তার কিছুই করা হচ্ছে না। কি করা দরকার বুঝতে পারছি কিন্তু কাজে হাত দেয়া হচ্ছে না। অথবা আমি করে উঠতে পারছি না। যা ভাবি তা আসলেই করতে পারবো কিনা তা নিয়েও মনের ভিতর প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে।

অন্ধকারে কিছুই দেখা যাচ্ছে না বলে!

শিরোনাম দেখে কেউ অবাক হবেন না, আমি আজ কামাল ভাইয়ের এক গল্পগ্রন্থের রিভিউ লিখতে বসি নাই। যদিও বইটা আমার ভীষন প্রিয়, অনেক কাল আগেই বইটা নিয়ে লিখতে বসে আর লেখা হয় নি। কিন্তু আজ তা লিখছি না, লিখছি অন্ধকার ঘরে নিজের এই আকস্মিক রাত্রী যাপন নিয়ে। বাসায় আসলাম সাড়ে দশটায়, এসে দেখি বাতি জ্বলে না। সম্ভবত সুইচ নষ্ট। মোম জ্বালিয়ে ভাত খেলাম, মোম শেষ এখন তাই নোটবুকের অল্প আলোই ভরসা। এই অল্প আলো প্রায় অন্ধকারই বলা চলে। কিবোর্ডের কিছুই দেখা যায় না, অন্ধকারেই হাত চালাচ্ছি, চোখে কেমন জানি ব্যাথা করছে স্ক্রীনে তাকাতে, তার ভেতরেই লিখতে বসলাম। কারন এই অন্ধকারে সিনেমা দেখতে ইচ্ছা করছে না। ওলরেডি আজ দুখান সিনেমা দেখা শেষ। খালি কমার্শিয়াল সিনেমা সমানে গিললে হজম নাও হতে পারে। আর সিনেমা দেখা এক সময় নষ্ট, শেষ না করে উঠা যায় না।

গোলাপে তার নাম

আনোয়ার সাদী

এমন একটা দুপুর কত দিন পরে এলো। সাত নয়, আট নয় কিংবা নয় নয়, পুরো দশ বছর পর। চারদিকে রোদ অথচ তার আঁচ লাগছে না গায়ে। মনে হয় মখমলের মতো কোমল তাপ চামড়া ছুঁয়ে নেমে যাচ্ছে নিচে। মগডালে হালকা নড়ছে গাছের পাতারা। তার কোনো প্রভাব নেই নিচে। বাতাস তবে গেল কই? কলোনির শেষ মাথায়ও বাতাস নেই। অনেকটা দূরের খোলা প্রান্তরে কেবল রোদ আর কেমন যেন ঝিমুনি আসা নির্জনতা, একটা ঘুম ঘুম ভাব এনে দেয়। চোখের পাতা মেলে রাখা কষ্টের।

চা খাবি?

পচাশি বছরের যুবক যাবেদ আলী (প্রথম পর্ব)

আশি বা পচাশি বছরের যুবক। নাম যাবেদ আলী। আমার ড্রেইনেজ কন্ট্রাকটর। প্রথম যে দিন আমি তাকে দেখি রিতিমত আবাক হয়েছিলাম। লম্বায় প্রায় ছয় ফুটের কাছাকাছি, কাশ ফুলের মত দাড়ি গোফ ও মাথার চুল শরীরের রংগের সাথে মিলেমিশে একাকার। তদুপরি সাদা পাঞ্জাবি আরব্য উপন্যাসের জ্বিনের বাদশাহদের কথা মনে করিয়ে দেয়। পচাশি বছরের জাবেদ আলীকে ক্ষনিকে আমি ১৫ থেকে বিশ বছর বয়সের এক যুবকের প্রতিচ্ছবিতে দেখতে লাগলাম। আল্লাহ্ তায়ালা সকল মানুষকে সুন্দর অবয়বে তৈরী করেছেন। তাতে কোন সন্দেহ নেই। তবে এই জাবেদ আলীর যৌবনের দ্যুতি চলন্ত পথের সাথিদের বা অন্দর বাহির বা কোন আড়াল থেকে দেখা দৃষ্টিকে কি এলো মেলো করে দিত না। কেউ কি মহান সৃষ্টি কর্তার এই মহান সৃষ্টি দেখে বলত না
“তোমার সৃষ্টি পানে যদি চাওয়া হয় চোখ সুন্দর হয়।
তোমার নামে যদি গান গাওয়া হয় গান সুন্দর হয়।“

সিনেমা সিনেমা

ব্যস্ততা বেড়েছে। অফিস আসি দুপুর ১২টিায়, যাই রাত ১২ টায়। এর মধ্যেও কিছু সময় বের করতে হয়। অনেক সিনেমা জমে আছে, নতুন নতুন সিনেমাও আসছে। গান শোনার অভ্যাস খানিকটা এখনও রয়ে গেছে। আর বই তো নিত্য সঙ্গী। এর মধ্যে আবার মাঠে যেয়ে টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের তিনটি খেলাও দেখেছি। এই ফাঁকে বলে রাখি আমি মাঠে গেছি আর বাংলাদেশ জিতছে এমন একটা ঘটনাও কিন্তু নাই। Stare Sad
আজকের বিষয় কিন্তু সিনেমা। কয়টা ভাল সিনেমা দেখে ফেলছি। সেইগুলো নিয়ে আলাপ আলোচনা করতে পারি।

বেস্ট অফ ব্লগস প্রতিযোগিতা

অর্থনৈতিক ভাবে সমৃদ্ধশালী দেশগুলো প্রতিনিয়ত প্রযুক্তি উদ্ভাবন করছে। মুনাফালোভী ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোর পারস্পরিক প্রতিযোগিতায় সেসব প্রযুক্তি নিত্যদিনের ব্যবহার্য পণ্যগুলো নির্মাণে ব্যবহৃত হয় এবং খুব দ্রুতই প্রযুক্তিনির্ভর পণ্য সাধারণ ভোক্তাদের জন্যে সহজলভ্য হয়ে যায়। উন্নত বিশ্ব এবং অনুন্নত বিশ্বের সাধারণ মানুষের জীবনযাপনের মাণের ভিন্নতা মূলত প্রযুক্তি নির্ভর পণ্য ব্যবহারের সক্ষমতার ব্যবধান।প্রযুক্তিনির্ভর পণ্যগুলো উন্নত বিশ্বের সাধারণ মানুষের সংস্কৃতি নির্মাণ করছে অন্য দিকে অর্থনৈতিক ভাবে পিছিয়ে পরা দেশগুলোর সাধারণ মানুষেরা প্রকৃতিনির্ভর সংস্কৃতিযাপন করছে।

অজানা পরি ।

lonely_boy_0.jpg

আজ প্রথমেই ভার্সিটিতে মেয়েটির সাথে লিফটে উঠার সময় দেখা । তেমন একটা গুরুত্ত দেইনি । কত মেয়েইতো এরকম প্রতিদিন দেখি । যাইহোক আমার বন্ধু পান্থর ফ্লোরে মানে আঁট তালাতে উঠার পর মেজাজ খারাপ হয়ে গেল বাজে মাত্র ১১.৪৫ ওদের ক্লাস এখনও চলছে, আমাকে যে কমপক্ষে পৌনে এক ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে । তার উপর বৃষ্টিতে ভিজে একাকার হয়ে এখানে এসেছি ।

সোনালি রোদের আশায়...

অভিযোগের পালা শেষ হয়ে গেছে অনেক আগেই। এখন অনুযোগ আর অনুশোচনার পালা, একা একা নীরবে, অশ্রুজল দিয়ে। কিছু দিন থেকে দিনগুলো বড্ড অসহ্য যাচ্ছে, কেমন যেন উল্টা পাল্টা। প্রিয় গান গুলো শুনতেও অসহ্য লাগে, সহ্য করতে কষ্ট হয়। কী হয়েছে বুঝা কঠিন। ফাল্গুন ত শেষ হয়েছে বহুদিন, চৈত্র ও গেল গেল। বসন্ত চলে যাচ্ছে তার নিয়ম বেধেই, অজস্র ফুল, রং, সৌরভ, কীট উপহার দিয়ে। সাথে কিছু ভাইরাস ব্যাকটেরিয়ার উপদ্রব ত রেখেই গেল। কিন্তু আফসোস মন ভাল করার কিছু পেলাম না। হতাশায় ডানায় ভর করে মাঝে মাঝে উড়াল দেই সুরের দুনিয়ায়। লতা মুঙ্গেশকরের গান গুলো আবারো প্লে লিস্টে জমা হচ্ছে। একেই হয়ত বলে ওস্তাদের খেলা শেষ রাতে। মাঝে মন দিয়েছিলাম আধুনিক শিল্পী নামক ভাইরাসদের দলে। বলা বাহুল্য, এদেশে সংগীত সাধনা হয় না কিন্তু সংগীত ব্যবসা ঠিকই হয়। তিন বছরের ক্যারিয়ার, লক্ষ্য ত্রিশ বছরের অর্থ উর্পাজন। এসব ভেবে লাভ আছে কি না তাও আপেক্ষিক বিষয়। তব

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা