অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ২৩ জন অতিথি অনলাইন

আমি যাকে ভালোবাসি-- কবীর সুমন

এই গানটা আমার অসম্ভব প্রিয়। বিশেষ করে যে রাত গুলোতে এমন ঝড় ঝড় ভাব হয়, কারেন্ট আসে যায়, ঘুম আসছে না। তখন আমি টানা শুনেই চলি এই গান। বিশেষ করে জামালপুরে, সেখানে আগে আগে শুয়ে পড়তে হয়, বই পড়তে পড়তে টায়ার্ড লাগে তখন এই গান শুনি, শুনতে শুনতে ঘুমিয়ে পড়ি। অবশ্য সব সুমন ভক্ত আমার মতো না। যেমন আমার বন্ধু জেমসের ঘুমানোর গান হলো কবীর সুমনের আরেকটা গান 'কাঙ্গালপনা; কিংবা 'ঘুমাও বাউন্ডুলে ঘুমাও এবার'। অঞ্জন দত্তের আবার আরেকটা। উনি সুমনের 'তিনি বৃদ্ধ হলেন' শোনা ছাড়া ঘুমোতে পারেন না বলে এক ইন্টারভিউতে পড়েছিলাম। তুলনাহীন এক প্রতিভা সুমন চাট্টুজ্যের। চলচ্চিত্র পরিচালক সৃজিত বলেছিলো, সকাল সকাল ব্রাশ করতে করতে সুমন দাদা যা লিখেন, তা ময়লার ঝুড়িতে ফেলে দেন। সেই ফেলে দেয়া ঝুড়িতে যা আছে ওরকম লেখা অনেক মানুষ সারাজীবনে লিখতে পারে না। উনার অনেক গানই তো দারুন, এই গান তবুও নিশুতি রাতে শুনতে আমার ভালো লাগে।

মেয়র যদি হতে চাও তবে ঝাড়ুদার হও আগে!

ঢাকার মেয়র ইলেকশনের প্রচারণা দেখে মনে হচ্ছে, মেয়র হচ্ছেন তাঁরা বুঝি শহর ঝাড়ু দেওয়ার জন্যে! কী প্রতারণা দিয়ে এসব ভদ্রলোকদের প্রচারণা শুরু! মেয়রদের কাজ শহর ঝাড়ু দেওয়া নয়, ঝাড়ু দেওয়ানো। ভয় হয়, মেয়র হয়ে তাঁরা মেথর বেচারার চাকরিটাই না খেয়ে দেন!

বিশ্বাসের গালি

জন্মের পর থেকে যে সকল গালি গুলি শুনে বড় হয়েছি তার মধ্যে ৯৮ শতাংশ মা বোন রিলেটেড। যেমন - মাগির পুত,মাদার চোদ,তোর মায়েরে চুদি,ব্যাশ্বার মাইয়া,*নকি মাগি,নডির ছেড়ি,শালীর পুত,তোর বইনরে চুদি.... আরো কত কি....

হ্যাঁ, লিখতে হাত কাঁপলেও লিখাতে হবেই।আমাকে নোংরা কিংবা যাই ভাবুন না কেন তাতে আমার কিছু যায় আসে না।

জন্মের পর থেকে আমরা ধরেই নিয়েছি সকল খারাপ কিছুর মূলে রয়েছে আমার মা বোনরা।আমাদের চুতিয়া সুশীল সমাজ আমাদের তাই শিক্ষা দিয়েছে এবং তা আমরা মেনেও নিয়েছি।কেউ যদি আমাকে গালি দেয় "তুই একটা ব্যাশ্যার পুত" তার মানে দাড়ায় আমার মা ব্যাশ্যা এবং এটা আমরা মেনেও নিয়েছি। জগতের সকল খারাপ আমাদের মা এবং বোন এটা অলিখিত ভাবে মেনে নিয়েছি।

ভোট চাই ভোটারের, দোয়া চাই সকলের!

গত পাঁচ বছর ধরে একটা কাজ আমার খুব নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে করে যেতে হয়, তা হলো কাপড় ধোয়া। যদিও কাজটা অনেকের জন্য খুব সহজ, কিন্তু এই সাতাশ বছর বয়সের ভুড়িওয়ালা মধ্যবিত্ত শরীরে তা করতে করতে ক্লান্ত লাগে। মামী বলে আমি করে দিচ্ছি মামা, আপনি কাপড় গুলো দেন, তাও দেওয়া হয় না। নিজের কাপড় আম্মু ছাড়া কেউ ধুয়ে দিবে ব্যাপারটা খুব বেদনার। আবার বুয়ার ভরসায় থাকলে সেদিন বুয়াই আসে না। এই সামান্য ঘটনাতেই বুঝি আম্মু কত দারুণ, সংসারের শত কাজ করেও আমার কাপড় ধুয়ে দিতো অবলীলায়। কাপড় করতো ঝকঝক, মাঝে মধ্যে শুধু কাজ বেশী থাকলে বলতো, জমিয়ে রাখ কাল পরশু ধুয়ে দিবো। মামা তো আদর করেই, মামীও যথেষ্ট মামার মতোই। খুবই যত্ন আত্মিতে থাকি, দিনকাটে স্মুথলি। আর পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ভুড়ি কারন খাই দাই- ঘুমাই -বই পড়ি- সিনেমা দেখি- বাসাতেই থাকি। দিনের পর দিন বাইরে যাওয়া এখন কম। পুলক ঢাকার বাইরে, আবীর চিটাগাং, জেমস অফিসের কাজে ব্যস্ত, ছোট ভাইদ

পর্দার অন্তরালে!

সাত-সকালে অস্থির ভাবে কেউ দরজায় কড়া নাড়ছে! বয়স হইছে কড়া নাড়লেই হুট করে দরজা খুলতে পারি না, নড়াচড়া করতে টাইম লাগে, কিন্তু কে বুঝে কার কথা! দেশ থেকে একদিকে যেমন আদব কায়দা উঠে যাচ্ছে অন্য দিকে উঠে যাচ্ছে মাইয়া মানুষের পর্দা! এই দেশের ববিষ্যত অন্ধকার! দরজা খুলতেই দেখি জমসু দাঁড়িয়ে দাঁত কেলিয়ে বে-আদবের মতো হাসছে! জিজ্ঞাস করলাম কি ব্যাপার জমসু? এতো সকালে কি মনে কইরা? জমসু বলল, একটা খবর আছে, হাত মুখ ধুইয়া আসেন বৃত্তান্ত বলতেছি!

প্রাতকর্ম সেরে বাইরে এসে জমসুকে জিজ্ঞাসা করলাম বলো দেখি কি বৃত্তান্ত। জমসু বললো
- কয়দিন ধইরা একটা শিয়াল খুব ত্যাক্ত করতেছিল বলছিলাম না?
- হ! মুরগী খোলা রাখলে শিয়ালতো আনাগোনা করবোই!
- গত তিনিদিন আগেও মুরগীর খোয়াড় থেকে রাতে একটা মুরগী ধইরা নিয়া গেছে। সকালে উইঠ্যা দেখি রক্ত আর কিছু পাখনা ছাড়া মুরগীর আর কোন হদিস নাই!

দিন যায় রে বিষাদে, মিছে দিন যায়

১.
আমাদের বালকবেলা ছিল অন্যরকম। অনেক ছোট ছোট ঘটনা, অনেক বড় বড় বিস্ময় নিয়ে বড় হয়েছি আমরা। আমরা চার ভাইবোন, আমাদের অনেক অনেক খালাতো-মামাতো-চাচাতো-ফুফাতো ভাই বোন নিয়ে আমরা বড় হয়েছি হেসে-খেলে।
নিশ্চই সবার বালকবেলা একরকম হয় না। প্রত্যেকেরই বালকবেলার আলাদা আলাদা গল্প থাকে। সেই গল্প কি রকম? আর বালকবেলা নিয়ে যদি সিনেমা হয় কেমন হবে সেটা? একটা কাজ করলে কেমন হতো? একটা ভিডিও ক্যামেরা যদি সবসময় আমাদের চারপাশে থাকতো তাহলে নিশ্চই গল্পটা জানা যেতো?
আমাদের জীবনের একমাত্র জীবন্ত ছবি সম্ভবত বিয়ের ভিডিও। তবে বিয়ের অনেক অনেক বছর পর কতজন সেটি আনন্দ নিয়ে দেখেন কে জানে?

বৈশাখ ১৪২২

অভিজিৎ রায়, বাবু খুন হওয়ার পর বাংলাদেশের নামকরা সেলিব্রেটি বুদ্ধিজীবিদের কাছ থেকে অনেক সুশীল পোস্ট নাযিল হয়েছিল। বাংলাদেশের মানুষের কোমল অনুভূতি তথা ইসলামের মাহাত্ম্য না বুঝে লেখার জন্যে অভিজিৎ, বাবু, রাজীব মৃত্যুবরন করেছে এটাকে তারা সিরিজ পোস্ট লিখে প্রতিষ্ঠিত করে ফেলেছেন ফেবুতে। উদাহরন ছিলো, স্টিফেন হকিং, গ্যালিলিও, ব্রুনো, সক্রেটিস খুন হন নাই, হয়েছে বাংলাদেশের মুক্তমনারা, সুতরাং দোষ লেখকদের, খুনীদের নয়।

বৈশাখের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঈমানী পোস্ট নাযিল হওয়া শুরু হয়েছে ফেসবুকে। হিন্দুয়ানি উৎসবতো বটেই তারওপর মেয়েদের কাপড় চোপড় ঠিক ছিল না, নাভি দেখা গেছে, ওড়না সরে গেছিলো, ভাল মেয়েরা বাড়ি থেকে বের হয় না, মেয়েদের দরকার ছিল কি বৈশাখ উদযাপন করার, আরো কত কী।

মনে পড়ে : ফেরদৌসী মজুমদার

পড়লাম ফেরদৌসী মজুমদারের লেখা আত্মজীবনী ‘মনে পড়ে’। বনেদি, ধনী মুসলিম পরিবারে জন্ম হয়েছিলো তাঁর ১৯৪৩ সালে। চৌদ্দ ভাইবোনের সংসার ছিলো তাঁদের, তিনি ছিলেন এগারো নম্বর। বেশ কড়া শাসন আর আধুনিকতার মিশ্রণে ছিলো তাঁর পারিবারিক জীবন। কবীর চৌধুরী, শহীদ মুনীর চৌধুরীর বোন তিনি, বাকি ভাই বোনেরাও সমাজে বেশ প্রতিষ্ঠিত, রত্নগর্ভা মায়ের সন্তান তাঁরা। আত্মজীবনীতে তিনি তাঁর পারিবারিক ঘটনা বেশ অকপটেই বলেছেন, সে-জিনিসটা আমার ভাল লেগেছে। আমার নিজের ছোটবেলাও কেটেছে মুসলিম রক্ষণশীল পরিবারে। আমি তাঁর পরিবার দিয়ে কিছুটা যেনো নিজের পরিবারটাই দেখতে পেলাম। মাথায় কাপড় দেয়ার জন্যে, পর্দায় থাকার জন্যে মেয়েদেরকে শাসন, সন্ধ্যেয় বাড়ি ফিরতে দেরি করা নিয়ে ছেলেদেরকে শাসন, পড়াশোনা নিয়ে মারধোর, অশান্তি, হয়তো তখন ঢাকার ঘরে ঘরে এরকমই গল্প ছিলো...

শুভ নববর্ষ

বছর আসে বছর যায় মনের মাঝে অনেক স্মৃতি হয়ে রয়েযায়। যা হয়ে যায় তা অতীত হয়ে যায়। অতীত সহজে ভুলার নয়, কেননা অতীত মানে কোন না কোন অভিজ্ঞতা আর ভবিষ্যৎ হচ্ছে অন্ধকার কারণ আমরা জানিনা আগামীকাল কি হবে তারপরও ভবিষ্যৎ আমাদের স্বপ্ন দেখায়। অনেকই আবার অতীত ভুলে ভবিষ্যতের হিসেব কষতে ব্যস্ত হয়েযায়।(আমি নিজেও বাদ নই) কিন্তু সব অতীত কী ভুলেগেলে চলে। অতীতের সাথে মিশে আছে জীবনের কিছু অংশ, প্রেম, না পাওয়া, কিছু পাওয়া, হতাশা, বেদনা, মানুষের আবেগ অনুভূতি, ভালবাসা, মিশে আছে স্বপ্ন এমনকি গেঁথে আছে সময় আর পরিচয় ইত্যাদি।

জানালা ও কিছু বিকেলের গল্প

একটা মিস্টি কন্ঠের গুঞ্জনে শেষ
বিকেলের দিকে ঘুম ভাংলো রুদ্রর,
ঘড়িতে ৪:১৭ বাজে।
জানালা দিয়ে তাকিয়ে দেখলো
পাশের ছাদে একটা মেয়ে
রেলিংয়ে হাত দিয়ে দাড়িয়ে
রবীন্দ্র সংগীত গাইছে,
মেয়েটার কন্ঠে যেন বিধাতা মধু
ঢেলে দিয়েছে।
অপূর্ব সেই সুরের সুধা রুদ্র মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে
গিলতে লাগলো,
শেষ বিকেলের সোনালী আলো এসে
পড়েছে মেয়েটার চোখে মুখে।
রুদ্রদের জানালা থেকে মেয়েটার
মুখটা দেখা যাচ্ছিলনা।
ছাদের এক কোনে কয়েকটা ফুলের টব,
তার একপাশে একটা পাখির খাচা
ঝুলানো,
তাতে একজোরা পাখি,
এমন সময় রুদ্রর ফোন বেঝে উঠলো,,
রুদ্র ফোনে কথা বলে আবার জানালার
সামনে এসে দাড়ালো,
মেয়েটা নেই, চলে গেছে
রুদ্র এদিক ওদিক তাকিয়ে রুমের ভেতর
চলে গেল।
এই মেয়েটাকে রুদ্র এই ছাদে আর কখনো
দেখেনি,
সম্ভবত ওই বিল্ডিং য়ে নতুন এসেছে।
পরদিন বিকেলবেলা রুদ্র আগ্রহ নিয়ে
জানালার পাশে গিয়ে দাড়ালো,,

"শহিদ" শব্দটি শহিদ হচ্ছে আজকাল

প্রথমেই বলে নিই শহিদের ধারনাটি ইহুদি এবং খ্রিস্টান ধর্ম থেকে এসেছে। মার্টায়ার কথাটার অর্থ ইহুদি ও খ্রিস্টান ধর্মের গোড়ার দিকে ছিল সাক্ষী। নিজের ধর্মবিশ্বাস ত্যাগ করার বদলে যে নিজের মৃত্যু অথবা হত্যা প্রত্যক্ষ করে অর্থাৎ তার সাক্ষী হয়, সে হলো মার্টায়ার। ইসলামে শহিদ কথাটা এসেছে এই ধারণা থেকেই। এবং প্রথমে এর অর্থ ছিলো সাক্ষী। নিজের বিশ্বাসের জন্যে যে স্বেচ্ছায় মৃত্যুকে মেনে নেয়। অপর পক্ষে, হাদিসের ব্যাখ্যা অনুযায়ী সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার আদেশে ধর্মযুদ্ধে যে নিহত হয়, সে-ই হল শহিদ। বৌদ্ধধর্মে বোধিসত্ত্ব কথাটার সঙ্গেও শহিদের ধারণা খানিকটা যোগ হয়েছে। তবে হিন্দু ধর্মে শহিদের ধারণা নেই। বাঙলা ভাষাতেও নেই

কিছুটা শোক বাকীটা অভিনয়

আতিক মারা গেলো। না কেউ উনাকে মারে নি কিংবা কেউ হত্যার হুমকিও দেয় নি। তিনি মারা গেলেন শারীরিক অসুস্থতায়। বয়সে আমার চেয়ে দু তিন বছরের বড় হবে। সাধারন মানুষ, পড়াশুনা করে নাই, দুইটা বিয়ে করেছেন, কাজ করেন মুলত রড মিস্ত্রি হিসেবে। উনাকে আমার চেনার কথাও না। চিনি মুলত উনি আর আমি এক দোকানে চা খাই বলে, উনি মাঝি সাহেবের আদরের ছোট সন্তান বলে, আর উনি খালি গায়ে সব সময় ঘুরতেন বলে কিংবা সারা শরীরে উনার অনেক কাটা ছেড়ার দাগ আছে বলে। এই তো সেদিন ভারত- বাংলাদেশের ম্যাচের দিনও উনার সাথে বসে ছিলাম খেলা দেখতে। আমি জিগ্যেস করেছিলাম, আপনি রোদে কেন?

স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার

The-Proclamation-Of-Independence copy.jpg

যে যন্ত্রটি দ্বারা ছাপানো হয় স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
ছবিঃ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটি ছাপানো হয় এই যন্ত্রটি দ্বারা।

১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ দিবাগত রাতে গ্রেপ্তারের আগেই বঙ্গবন্ধু আওয়ামীলীগের ততকালীন নেতাদের আলাদা আলাদাভাবে বিভিন্ন নির্দেশনা দিয়ে যান। তিনি একাধিক পরিকল্পনা করেছিলেন বলে প্রমাণ পাওয়া যায় পরবর্তীতে। একাধিক পরিকল্পনার কারণ ছিল, কোন একটি পরিকল্পনা ব্যর্থ হলে যাতে অন্যটি কাজে লাগানো যায়। বঙ্গবন্ধুর সেই নির্দেশনা অনুসারেই

কিছু কথা

অভিজিৎ রায় খুন হওয়ার এক মাস চারদিন পর খুন হয় ওয়াশিকুর বাবুর। অভিজিৎ দা’র ঘটনা কোন ভাবেই মেনে নিতে পারছিলাম না। অভিজিৎ দা’র সাথে বই মেলায় দেখা হয় ১৯ ফেব্রুয়ারি। এই ফেব্রুয়ারি মাসেই হেফাজত ইসলামের দাবীর মুখে রোদেলা প্রকাশনী বন্ধ করে দেওয়া হয়। অলি দোস্তির বই ‘নবি মুহাম্মদের ২৩ বছর’ বইটির অনুবাদ প্রকাশ করার কারণে বইটি বাতিল করে বাংলা একাডেমি কর্তৃপক্ষ এবং রোদেলা প্রকাশনী বন্ধ করা দেওয়া হয় এবং নিষিদ্ধ করার হয় আগামী বছরের জন্যে। দুঃখের বিষয় আমাদের সচেতন লেখক গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে তেমন কোন প্রতিবাদ আসেনি। অভিজিৎ দা খুন হয়ে যাওয়ার পর অনলাইনে অনেকেই খুব অসহিঞ্চু ও বালখিল্য আচরণ শুরু করে দেন। অদ্ভুত বিষয় হল যারা অনলাইনে অনেক পুরাতন তাদের মধ্যে একই জিনিস লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আমার কথা শুনে হয়তো অনেকে গোস্বা করে ভাবছেন ব্যাটায় পিট বাঁচানোর জন্য সুশীলদের ভাব ধরছে। আমি তাদেরকে বিনয়ের সাথে বলতে চাই মশাই আগে আম

আরাধ্য আমার স্বপ্ন

বুকের মাঝে বাসা বেধে আছে কিছু। এই কিছু আমার আরাধ্য শত বছরের। আমি অতীতে পা গুনে হেটে চলেছি এ পথ। কখনো মনে হয়নি আমি ছিলাম ধীর। একটা সময় এসে দেখা গেলো হাতে যে মোটেও সময় নেই। মোটেও সময় নেই লক্ষ্যে পৌছাবার। চলে যাবার এই ক্ষনে সাধ জাগে যদি আর একটি বার সুযোগ পেতাম।

আমি দেখেছিলাম ঘুনে ধরা জনপদে অবিচারের ঝুলোঝুলি। যেখানে নিত্য রক্ত ঝরে হাহাকরের। কাল্পনিক ঈশ্বরের আশায় চোখ মুদে ভুলে যায় এই ভেবে একদিন সে ন্যায়বিচার পাবে। সে একদিন কি কখনো এসেছিলো? তাই আমি পালালাম চেনা মুখ গুলোকে পেছনে ফেলে। কিছু কিছু মুখ হারিয়ে যায়, আমিও খোয়াতে থাকি আমার মনের তৃষ্ঞার্ত অঙ্গগুলো। বিকলাঙ্গতা কখনো কারো স্বপ্ন হয় না। শুধু এক মুঠো হাসি মিশে থাকুক পুরোটা জীবন ভরে।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা