Best Drupal HostingBest Joomla HostingBest Wordpress Hosting

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য ও জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

আজমেরীর জন্যে আমরা কি কিছু করতে পারি না?

সামহোয়্যারে ঘুরতে গিয়ে একটা পোস্ট চকখে পড়ল। পড়ে চোখের কোনে একটু পানি জমে উঠলো নিজের অজান্তেই। আমি পুরা পোস্টটাই দিচ্ছি নিচে।

শেষ হয়েছে আজমেরীর অপারেশন, ডোনার ও আজমেরী দুজনে সুস্থ আছে..।আগামীকাল ওষুধ কেনার টাকাটাও নেই হাতে... টাকা উঠেছে ৪৬,৯৩৯। মঙ্গলবারের মধ্যে কমপক্ষে ৭৫০০০ টাকা লাগবে ইন্জেকশনের জন্য।

বেকারত্বের ঠেলা-সামলানো উপায়সমূহ :)

শুরুতেই কয়েকটা জিনিস ক্লীয়ার করা দরকার- আজকাল সবাই বেদম নোট লিখতাছে... দেইখা আমারো নোট লেখার ''থাকবো নাকো বদ্ব ঘরে'' টাইপ শখ জাগলো... আর সামু তে কাউরে কিছু কইলেই ''ট্যাগ করলা ক্যান'', ''ওরে খাইছে, মোরে ট্যাগ কইচ্ছে '' কত হেনতেন; সেই হিসেবে ফেবুতে প্রেমসে ট্যাগ করা যায়... কেউ কিছুই কয়না... এই আনন্দটা নেয়ার জন্য সবাইরে ট্যাগ কইরা দিছি এই নোটে

বেলা শেষে ফিরে এসে

অনেক জল্পনা কল্পনা, আড্ডার উছিলায় চটপটি ফুচকা খাওয়া , মেসেঞ্জারে কনফারেন্স, ফোনাফোনি সবকছিুর অবসান ঘটিয়ে ৫ ই ফেব্র“য়ারি এলো। আনন্দ উত্তেজনা, আর টেনশন নিয়ে ভালো করে ঘুমাতে পারলাম না, যদি আবার সকালে সময়মত উঠতে না পারি। সাঈদ ভাই বলছিলো সাজুগুজু করে যাবেন, না হয় ছবি তুলে দিব না। কিসের সাজুগুজু কিসের কি!

দূরের মানুষ - কাছের মানুষ [গল্প - ৩য় পর্ব]

মাথার কাছে নিঃস্বাস ফেলার শব্দ করে এ সি টা চলছে আবিদের রুমে। বছর খানেক হল এখানে অফিস নিয়েছে আবিদ। নয়া পল্টনে ছোট খাটো অফিস, হাতে গোনা কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী। গত বছর এই সি এ ফার্ম দিয়ে এরই মধ্যে বেশ কিছু কাজ করে ফেলেছে সে, মার্কেটে একটু একটু করে বাড়ছে তার পরিচিতি। একটু আগে এক ক্লায়েন্ট এসে মিটিং করে গেল আবিদের সাথে। মিটিং শেষ করে আবিদ কাঁচের দেয়ালের দিকে তাকায়। উপর থেকে নিচ পর্যন্ত ভার্টিকেল ব্ল

আত্মকথন...

ইংরেজি গান শোনার অভ্যাস ওভাবে ছিলনা কখনো। মূলতঃ ইন্টার জীবন থেকে একটু একটু ইংরেজি গানের জগতে হাঁটা চলা। তবে এখনও ইংরেজি গানের প্রতি তেমন কোনো আগ্রহ গড়ে ওঠেনি। আর আমার টেস্টও খানিকটা ভেজাইল্যা। কোনো স্টেশন নাই। গান শোনা শুরু জ্যাকসন দিয়ে। বন্ধুর পাল্লায় পড়ে মারকস, এডামস, বোল্টন, ডেনভার, ম্যাডোনা, টয়াইন, মেটালিকা, মেগাডেথ, এমিনেম ব্লা ব্লা ব্লা... সবরকম হাবিজাবিই শুনি। ভালো লাগে কিংবা লাগে না।

লিখতে হলে..... কিনতে হবে....

"লিখতে হলে পড়তে হবে, পড়তে হলে কিনতে হবে
বইমেলায় যান, বই কিনুন !"

কথাগুলো খুব পছন্দ হয়েছে । দেশের বাইরে থেকে এই মেলাকে খুব মিস করি । যারা দেশে আছেন, একদিনের জন্য হলেও মেলায় 'ঘুরান্তি' দিয়েন । ঘুরান্তির সঙ্গে বইও কিনেন পছন্দসই ।

এই প্রসঙ্গে আরো একটা কথা মনে পড়লো, - "যে যতো ভালো পাঠক, সে ততো ভালো লেখকও !"

শিশুর অটিজম : তথ্য ও ব্যবহারিক সহায়তা ‍~ এখন বই মেলায়

আজ বইমেলায় আসছে নুশেরা তাজরীনের "শিশুর অটিজমঃ তথ্য ও ব্যবহারিক সহায়তা"

প্রকাশক তাম্রলিপি। পৃষ্ঠাসংখ্যা ১২৮। মুদ্রিত মূল্য ১৬০ টাকা।

আমরা বন্ধু ব্লগ টিউটোরিয়াল

আমরা বন্ধুতে কিভাবে লগইন করবেন?
আপনার ওয়েব ব্রাউজার টি চালু করুন। ইউ.আর.এল বক্সে আমরা বন্ধুর ঠিকানা (http://www.amrabondhu.com) লিখে এন্টার চাপুন। এখন অপেক্ষা করুন আপনার কাঙ্খিত পেজটি আসার জন্য। পেজ লোড হয়ে গেলে আপনি আমরা বন্ধুর নীড় পাতা দেখতে পাবেন।

এবি’র চড়ুভাতি : যে সকল ঘটনা কেহই উল্লেখ করে নাই


ক. সাধারনত পিকনিকের বাস/ গাড়ী আসে দেরিতে। অথচ আমাদের বাসটি নির্দ্দিষ্ট স্থানে আসিলো সকাল ৭ টা ৩০ মিনিটে। যার আসার কথা ছিলো ৮ টার সময়।

“তালিমঘরে চড়ুইভাতি”

ডাইরী ৪২

১.
অর্থহীনতা বেদম বাঁজো তুমি...অর্থহীনতা এই প্রহরে শোনাও তবে গান...আহা! অর্থহীনতায় তবে সপে দেবো আমার পরান...

২.
আমার মতোই তুমিও কী তবে
অর্থহীনতায় আছো...আহা, আমার প্রবেশ দ্বার
তবে কেবল তোমার জন্য দিবারাত্র খোলা...

৩.
আমার শহর শূন্য করে কোন শহরে বেজেছো
তবে তুমি?
আমার শহর তাই দেখি আজ নীরব থেকেছে,
মরুভূমি?

একটি আত্মরতিমূলক পোস্ত

গান: অহঙ লেগে আছে যার চুলের খোঁপায়
===================

বিকেলের আনাগোনা একটি পথে হারায়
অহঙ লেগে আছে যার চুলের খোঁপায়
চাপা স্বভাবে কমল নীরবে কী বলা যায়
জানাতে গেলে-ও না জানার দোলায়
ঝুলে থাকি ভ্রান্তি নিয়ে কেয়াবনে পথ হারানো
অন্য খোঁপায় তবে বিকেল না হয় মনমাড়ানো

একটি তারা ঘুমিয়ে পড়বে একা
একটি তারা তার চোখের পাহারা
একটি চাঁদ লুটিয়ে আসবে বাঁকা
একটি চাঁদ বিহারে জোছনাধারা

আজ সুমন ভাইয়ের জন্মদিন

আজ আমাদের বন্ধু সুমন ভাইয়ের (আপন আধার) জন্মদিন। অনেক অনেক শুভেচ্ছা সুমন ভাইকে আর অনেক আজ আনন্দে কাটুক আপনার দিন। সবসময় ভালো থাকবেন এই প্রত্যাশায়..... 

ভেতর-বাহির (চতুর্থ পর্ব)

ভেতরে যখন সূর্য আমার অস্ত হতে হতে কাঁদে
বাহিরে হয়তো সূর্য তখন ধৃত উদয় বিরহ ফাঁদে......
(পথিক)

উপরের লাইনদুটো কি প্রেক্ষিতে কেনো হঠাৎ এই মুহূর্তে লিখে ফেললাম, কেউ সেটা নিয়ে ভাববেন না বলেই ভাবছি। কারন ওটা অকারণ। হয়তো ভবিষ্যতে প্রযোজ্য হলেও হতে পারে।
এই এখন যে বাক্যটি লিখব সেটা আবার না জানি নারী কূলের বিরাহভাজন হয়ে পড়ে কিনা?

একটা শিক্ষামূলক পোস্ট

১.
রাজার ছেলে ও ধোপার ছেলে একসাথে লেখাপড়া করে। বড় হয়ে রাজার ছেলে রাজা হলো, আর ধোপার ছেলে ধোপা। ধোপা প্রতিদিন কাকডাকা ভোরে গাধার পিঠে কাপড় নিয়ে রাজপ্রসাদে যায়, কেউ দেখার আগেই ফিরে আসে।

বনভোজন


বনভোজনে আয়োজনের কমতি ছিলো না;
বিলুপ্তপ্রায় চিরহরিৎ বন ছিলো,
বনের মাঝে জমকালো এক বাড়ী ছিলো,
মুখরোচক খাবার ছিলো, মন ভোলানো সুর ছিলো।

সুন্দরী নারী ছিলো, বাগান বাড়ীর পাশটাতে
মনোরম এক পুকুর ছিলো, সেই পুকুরে মাঝিবিহীন এক নৌকো ছিলো।
বনভোজনে সবই ছিলো।
ধোঁয়া ওঠা পিঠে ছিলো, উৎসবের আমেজ ছিলো,

ফটুক টেস্টিং (সাময়িক পুস্ট)

ঢাকার কিছু ফটু দেখলে মনটা কেমন আনচান করে। শ্যায়ার করার করার কোন ইচ্ছাই
ছিলো না তবু মানুষ নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে বহুত কাম কার্বার করে।
ফটু দুইফটু তিন

ইচ্ছে ঘুড়ি

ভীষণ মাথা ধরেছে। ইচ্ছা করছে জোরে মোটর সাইকেল চালাই যেন মনে হয় আকাশে উড়ে যাচ্ছি, কোন এক নদীর তীরে গিয়ে বসি , ফশ করে একটা দেয়াশলাই জ্বালাই, সিগারেটের ধোয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যাই, মাথাটা হাল্কা করি।

কেমতে দিমু ?

বেশ কয়ডা সেরাম ফটুক নেটে পাইছি। শেয়ার করতে মঞ্চায়। কেমতে দিমু ? জলদি কন, নৈলে কৈলাম অইন্য বলগে দিয়া দিমু...

সিগারেট

রাস্তার ওপার থেকে হাকিম সাহেব হাত নাড়তে লাগলেন। হাত নাড়ারও একটা ধরণ থাকে। উনি দুহাত তুলে এমন কিম্ভূতকিমাকার ভঙ্গিতে লাফাচ্ছেন, যেন স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে বসে ছিলেন আর এইমাত্র জায়ান্ট স্ক্রীনে উনার বদনখানি দেখানোতে লাফিয়ে উঠেছেন। আশেপাশের মানুষ কৌতূহলী দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। একবার তার দিকে তাকায়, আরেকবার আমার দিকে। আমি যারপরনাই বিরক্ত হলাম। ব্যাংক থেকে মাত্রই বেরিয়েছি। যাব সেগুনবাগিচা। সুরুজের মেসে। যে কয়জন বন্ধু এখনো সংসারজীবনে লটকাইনি, বৃহস্পতিবারগুলোয় তারা এসে জমায়েত হই সুরুজের মেসে। আড্ডা অনেক রাত পর্যন্ত জমে, সে আড্ডায় ধোঁয়ার আসর হয়, কিঞ্চিৎ তরল গলাধকরণ হয়...মধ্যে মধ্যে আদিরসাত্মক হাস্যরসের সঞ্চারও হয়।