অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ৩৬ জন অতিথি অনলাইন

সুদীর্ঘ ছাইপাশ

এখন একটা কনক্লুসন লিখতে হবে। একটা ক্রস কালচারাল ক্রাইসিস কমিউনিকেশন পেপারের কনক্লুসন। আমি প্রোক্রেস্টিনেট করতে করতে জিনিসটাকে সফলভাবে শেষ মুহূর্তে ড্র্যাগ করে আনতে সফল হয়েছি। ডার্ক সাইড সাহায্য করেছে ব্যাপকভাবে।

তবে আর দেরি করার সুযোগ নেই। এর মধ্যে দেখা একটা বাংলা নাটকে একজন মানুষ তার নিজের মৃত্যুকে ফেক করে আরেকজনের মন জয় করে দেখালো। দেখে বুঝলাম না বিষয়টা মেনে নেয়া যায় কিনা। টিভি নাটকে আজকের পৃথিবী যে জায়গায় পৌঁছেছে, বাংলাদেশ কি তার ধারে-কাছে কোথাও আছে কিনা, বোঝার একটা স্বল্প স্কেলের প্রচেষ্টা চালালাম। মনে হলো বাংলাদেশের অবস্থান খুব একটা ভাল জায়গায় নেই।

যেমনটা নেই ক্রিকেটের কমেন্টারীতেও। কমেন্টররা প্রায়শই ভুল কমেন্ট পাস করছেন প্রচারমাধ্যমে। সঠিক বললেও সেটার মধ্যে সেই মাধুর্য বা কাব্যময়তা থাকে না, যেটা ইংলিশ, বা অস্ট্রেলিয়ান কমেন্টরদের কমেন্টারীতে থাকে।

যুদ্ধ শান্তি

কোনো যুদ্ধ কি সমর্থনযোগ্য? বৃহত্ত্বর জাতীয়তাবাদী প্রেক্ষাপটে ঔপনিবেশিক শোষণ থেকে মুক্তির আকাঙ্খায় জন্ম নেওয়া রাষ্ট্রগুলোতে সময়ের সাথে আঞ্চলিক জাতীয়তাবাদের উত্থান ঘটেছে। ঔপনিবেশিক শাসকদের নিজস্ব সুযোগ সুবিধা বিবেচনা করে তাদের কুটনৈতিকেরা যেভাবে লাল-নীল-সবুজ পেন্সিলে সীমারেখা এঁকে অসভ্য উননাগরিকদের বসতিবিভাজন করেছিলেন, মানচিত্রের বিভাজন রেখাগুলো রক্ত আর লাশের স্তুপে স্পষ্ট হয়েছে তবে উননাগরিকেরা কয়েক দশক পরেও আত্মনিয়ন্ত্রনের অধিকার অর্জন করেন নি, সম্পূর্ণ নাগরিক হয়ে উঠতে পারেন নি।
চিহ্নিত সীমানার এপাশে ওপাশে খুব বেশী সাংস্কৃতিক বিভাজন ছিলো না, প্রতিবেশী মানুষের অনায়াস গতায়ত ছিলো। ভৌগলিক বিচ্ছিন্নতার বদলে নাব্যতার সুবিধা পেতে নদীর দু-পারকে নিজের অধিকারভুক্ত রেখে পাশ্ববর্তী মানুষগুলোকে অদৃশ্য পাহাড়ের সাথে বেধে রাখা ঔপনিবেশিক সিদ্ধান্তগুলো দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতপরিস্থিতি তৈরী করে রেখেছে।

জীবনযাপন

মাঝে মাঝে জীবনের প্রতি প্রচন্ড আক্রোশ জন্মে, কারণ খুঁজতে গিয়ে যেন কিছুই খুঁজে পাই না। আলো ছায়ার মত দুম করে মনে আসে তো আবার হারিয়ে যায়। নিঃসঙ্গ দুপুরে মনের উপর পীড়াটা আরো বাড়ে। খানিক পর পর চোখ বন্ধ করে নিজেকে হাতড়ে ফিরি, স্মৃতিরা আনাগোনা বাড়িয়ে দেয়, হৃৎ যন্ত্রে কম্পন বাড়ে কিন্তু খুঁজে পাই না কিছু। সন্ধ্যার আঁধার মেখে চলতে গিয়ে মনে হয় পৃথিবী কত গতিময়, কেবল একাকী সন্ধ্যাগুলো স্থবির হয়ে আছে। খুব করে আগের মত ইচ্ছে হয় না চায়ের পেয়ালায় চুমুক দিতে, অলস বিকেলে আকাশ দেখতে কিংবা র্জীণ প্রেমের পুরোনো ছবি আঁকতে। অথচ চোখের সামনেই বেড়ে উঠছে ধান ক্ষেতগুলো, কচি লাউ ডগাটা, বড় হয়ে যাচ্ছে আমার লাগানো আম গাছটা। প্রভাতের হিম হিম হাওয়া, স্নিগ্ধ মায়ার পৃথিবী এসব পর্যন্ত এখন আর টানে না। বয়স বেড়ে যাচ্ছে মনের, প্রেম ফুরিয়ে যাচ্ছে, বেঁচে থাকার ইচ্ছেটাও ডুবে যাচ্ছে চোখের জলে। আজকের পরে কালকের কথা ভাবতে ধাঁধা লাগে, হৃদ

অনেকদিন পর বাংলাদেশে

প্রায় ২ বছর পর যখন বাংলাদেশকে দেখলাম ১০ হাজার ফুট উপর থেকে, বানের পানি নামছে বাংলাদেশের শরীর বেয়ে। ইরাবতীর ঘোলা স্রোত সুরমা মেঘনা হয়ে আরো নীচে যমুনার সাথে মিশছে যেখানে, মাঠ, নদী আর লোকালয় ওতটা উপর থেকে স্পষ্ট বুঝা যায় না, যেমন বুঝা যায় না সীমানার ব্যবধান, কোথায় অচিহ্নিত কোন পাহাড়ের ঢালে সীমান্ত সংকেতে লেখা আছে বাংলাদেশ ০ কিলোমিটার, মাঝের ৫০০ গজ নো ম্যানস ল্যান্ডের এপারে বিডিআর ওপাশে বিএসএফ কিংবা বার্মা সীমান্ত রক্ষীবাহিনী। এত উপর থেকে কিছুই বুঝা যায় না। একটা ঘোলা নদী, সবুজ মাঠ আর সবুজাভ যমুনা এক বিন্দুতে মিলে যাচ্ছে। শহর আর গ্রাম, নদী আর জমি, ওত উঁচু থেকে সবই একই রকম লাগে। যদি উজানে ঘন বৃষ্টি না হয় এখন যে পানি দেখছি উপর থেকে ঠিক দুই দিন পরে পানিগুলো সমুদ্রে মিশে যাবে। বানভাসি মানুষ স্কুলের বারান্দা থেকে নিজের ঘরে ফিরবে, ত্রানতৎপরতা কিংবা সংবাদকর্মীর ক্যামেরা, অনিশ্চিত উৎকণ্ঠার সময়গুলো ধার

হায়রে মানুষ, রঙ্গীন ফানুশ

স্রষ্টা মানুষ সৃষ্টি করার পর বলেছেন, মানুষ তার সৃষ্টির সেরা জীব। সেই মানুষ আমরা। আশরাফুল মাখলুকাত। কত নিচ আর জঘন্য মানসিকতার প্রকাশ ঘটাই আমরা। হিংসা-বিদ্বেষ-কুটিলতায় ভরপুর আমাদের এক একজনের ভেতর জগত। কোনো না কোনো সময় সেটা বেরিয়ে আসে আমাদের আচারণে।
একটা প্রবাদ আছে, কাউকে ভালো বলার আগে নিশ্চিত হয়ে নাও, তুমি তার সাথে দুটো কাজ করেছো কি না ? এক: একই খাটে/রুমে তার সাথে রাত্রীযাপন। দুই: তার সাথে ভ্রমণ। কেউ কেউ আবার তিন নম্বর একটা কথাও বলেন। সেটা হচ্ছে: আর্থিক লেনদেন করা। তাহলে নাকী মানুষ চেনা যায়। বলা যায়, মানুষটা খারাপ না ভালো ? আদতে কি তাই ? এত্ত সহজ উপায়ে কাউকে বলা যায় যে, সে ভালো বা সে খারাপ ! নাকী বলা উচিত ?

অপেক্ষা

আকাশ জুড়ে ভাড়ি কালো মেঘ,
অপেক্ষা এক পশলা স্বস্তির বৃষ্টির
আর নিশির অপেক্ষা ;
সেই গভীর চোখ দুটো দেখার।
আরো একবার ; আর একটিবার,
হাতে হাত রাখার অপেক্ষা
পাতার পরে পাতা জুড়ে তাকে নিয়ে লেখা
চিঠি পড়ার অপেক্ষা।
অপেক্ষা রাস্তা পারাপারে চোখে চোখ রাখার
এক ঝুম বৃষ্টিতে মুখোমুখি দাঁড়াবার।
অপেক্ষা আর একটিবার, আর একটি বার নিজের মতো করে বাঁচার।

চীনের অভিজ্ঞতা

বাংলাদেশে যাওয়া আর ফেরার জন্যে সবচেয়ে সস্তা প্লেনের টিকেট পেলাম চায়না ইস্টার্ন এয়ারলাইন্সে। যদিও যাত্রাপথে অপেক্ষার প্রহর অনেক কিন্তু ভালো প্লেন কোম্পানীর প্রায় অর্ধেক দামে বাংলাদেশে যাওয়ার সুযোগ কেউ দিচ্ছে না। দুই-তিন বার প্লেন বদলে মাঝে এক রাত চীনে কাটিয়ে বাংলাদেশে যেতে হবে। যাওয়ার পথে রাত্রি বিরতি কুনমিং এ আর ফেরার পথে রাত্রি বিরতি বেইজিং এ। কুনমিং এর বাংলা হোটেল লিখে ইন্টারনেট খুঁজে অনেকগুলো বাংলা হোটেলের সন্ধান পাওয়া গেলো। কোনোমতে এয়ারপোর্টে পৌঁছালেই কোনো না কোনো হোটেলের লোকজন খুঁজে পাওয়া যাবে। কথা মিথ্যা না।

কুনমিং এয়ারপোর্টে রাত দেড়টায় পৌঁছানোর পর যখন ব্যাগের অপেক্ষা করছি শুনলাম কেউ একজন বলছে ভাই কি বাংলাদেশী?

দ্বৈধ

তখন মাঘ মাসের শুরুর দিক। তারিখটা ঠিক মনে নেই। আমাদের গ্রামের বাড়িতে প্রচণ্ড শীত পড়েছে। চারদিক কুয়াশায় ঢেকে আছে। দুদিন হলো সূর্যের মুখ দেখা যাচ্ছেনা। দাদাজান সেদিন ফজরের ওয়াক্তে ঘুম থেকে উঠে ভোর হয়নি ভেবে আবার শুয়ে পড়লেন। দাদাজানের আবার ঘড়ি ব্যবহার করার অভ্যাস নেই, ঘরের ভেতর ঘড়ি থাকলে নাকি তার মনে হয় ঘড়ির কাঁটার সাথে আজরাইল তাঁর চারপাশে ঘুরছে। এই সমস্যা তাঁর শুরু হয়েছে দুই বছর আগে। তখন তিনি জণ্ডিসে ভুগছেন। সারাদিন কিছু খেতে পারেননা, সন্ধ্যা হলেই তাঁর মেজবানী খাবারের প্রয়োজন হয়। আর তিনি দশ বারোজনের খাবার একাই খেয়ে ফেলেন। ডাক্তাররা মানা করার পরও দাদাজানের এই খাওয়া দাওয়া বন্ধ করা গেলনা। এর কারণটাও কেউ উদ্ধার করতে পারলনা অবশেষে বাড়িতে ওঝা ডেকে আনা হল। ওঝা সারা বাড়ি ঝাড় ফুঁক করে বললেন, মাগরিবের ওয়াক্ত শুরুর আগে বাড়িতে খারাপ জ্বিনের আনাগোনা শুরু হয়। তারা বাড়ির অসুস্থ মানুষের ওপর ভর করে। তারপর পেট

যেহেতু, এ শহরে কেবলই রাত হয়ে যায়..

দেখলাম অনেক ভেবে আকাশ পাতাল,
বলেছো যা; নেই কোন ভুল।
যথাযথ নেইকো কারন বলার মতন,
যাবে না কেন ছেড়ে এই ধুসর শহর?

এ শহর বড্ড বেশি কেমন যেন -
ক্লান্তি মাখায় মনের ঘরে যখন তখন।

বাজে ভীড়, গুমোট ধোঁয়ায় পথ চলা দায় -
গল্প আঁকার তুলোট মেঘের অভাব ভীষন।

সাদা মন মানুষদেরও বড্ড আকাল,
বাঁকা পথে না চললে ফের নিত্য নাকাল।

এ শহর পিছন ফেলে আলোয় দাড়াও,
আঁধারেও; আপন সুখের নেশায় হারাও।

চায়ের কাপে একলা হবার সময় এখন,
চিনি কম বলার ভুলে হাসার মতন।

পারাপারের রাস্তা পাশের যত্ত ছায়া,
ফিকে হয়ে আসবে কেবল অবাক মায়া

দেখো ঠিক বদলে যাবো হঠাত করেই,
কি আসে যায়; ডাক না দেবার কারন পেলে?

ভেজা কাক বৃষ্টি ছুঁয়ে বুকপকেটে জমুক চিঠি
ডাকঘর হারাচ্ছে রোজ রাখবে কে খোঁজ নেই শহরে।

ভালো থেকো নদীর ওপার সবুজ ছুঁয়ে,
এপারে মেঘ ছু্ঁয়ে যাক নরম রোদের সাঁঝ প্রহরে..।।

আমার মায়ের কোন ফেসবুক আইডি ছিলো না

মানুষ উত্তরাধিকার সুত্রে অনেক কিছু পায় মায়ের, কিছু শাড়ি গহনা ছাড়াও আমি উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছিলাম আমার মায়ের বিছানা। মা চলে যাওয়ার পর আব্বু কোনদিন এই রুমে একা থাকেনি। তাই আমার রুম শিফট হয়ে গেছে। আম্মুর এই বিছনায় আগে আমি শুতে পারতাম না, আম্মু চিৎকার করত কারন বিছানার চাদর কুচকে ফেলার এক বড় বদ অভ্যাস ছিলো আমার। তাই একই রুমে আমার জন্য একটা সিংগেল খাট বিছানো ছিলো। টিভি যেহেতু এই রুমে তাই আরাম করে টিভি দেখার এই ব্যবস্থা। যেদিন আম্মুর ব্রেন হ্যামারেজ হলো ঠিক সেদিনও আমি পাশের সেই বিছানাতে শুয়ে ছিলাম, আম্মু ছিলো পাশের বাথরুমে। যখন টের পেয়ে ঘরে আনলাম, এবং শুইয়ে দিলাম আমার বিছানাটাতে, তার কিছুক্ষন পর সে যখন অবচেতনে বিছানাটা নষ্ট করে ফেলল, বিশ্বাস করুন আমি কিন্তু একটুও চিৎকার করি নি। তাকে আবার তার নিজের বিছানায় শুইয়ে দিয়েছি। সেটাও কিছুক্ষন পর নষ্ট হয়ে গেছে। সেই যে তাকে তুলে বাড়ীর বাইরে নিয়ে গেছি, আর

বন্ধু , আমি আসব...

বহুদিন লেখি না। ফোনের নোটে কত লেখা জমেছে। সবাইকে বলব বলব করেও বলা হয় না। গ্রীষ্মের ছুটির আরও কত দিন আছে। পড়ার চাপ নেই একদম। কাজের চাপ আছে।আজ অসম্ভব ক্লান্ত। কাল সারারাত কাজ করে আজ সারাদিনও কাজ করেছি। ঘুমাতে এসে ঘুমাতে পারছি না। বন্ধুত্ব দিবসে কোন মজাই হয় নি। অবশ্য হবেই বা কেমন করে? বন্ধুই তো নেই।
কিন্তু নেই বললে তো ভুল হবে। ওরা সবাই আমার চারপাশে থাকে।
কারও সাথে আমার যোগাযোগ নেই। কিন্তু তাই বলে তাদের খবর জানি না তা তো না। আমার অনেক বন্ধুই এখন বন্যার ত্রাণ সংগ্রহে ব্যাস্ত। অনেকেই বিভিন্ন কাজে ভলান্টিয়ার। একদিন আমিও স্বপ্ন দেখতাম, বন্যার্তদের ত্রাণ জোগাড় করছি, অসহায়দের সাহায্য করছি, বন্ধুদের আড্ডায় একবার জোড় গলায় সবাইকে বলেছিলাম, বাংলাদেশ সুন্দর হবেই। কারণ আমাদের হাতে গড়বে বাংলাদেশ। আমরা করব সুন্দর।

কান্নার রাত

বিষাদ বিষাদ-
অনন্ত বিষাদ এসে ছুঁয়ে যায় স্মৃতির খেলাঘর;
দু’ঠোঁটের ভাঁজে বিদ্রূপের হাসি,
কটাক্ষে অচেনা রহস্যময়তা
আর, অভিশপ্ত নিষ্ঠুর সময়ের দহন।
দেয়ালে সাঁটানো ছবিটা- স্থির, ম্লান;
মায়ায় জড়ানো ইতিহাসের সাক্ষী।
নীরব রাত্রির অশ্রুত অন্ধকারে
ছায়ার মত কেবলই খুঁজে ফেরা
ক্ষয়ে যাওয়া অতীতের একমুঠো জোছনা প্রহর,
রূপালি কঙ্কণ পড়া বিহঙ্গী, কলকল হাসির ঝংকার;
তারপর, সীমাহীন অন্ধকারে মিশে যেতে যেতে
বিলীন হয়ে যাওয়া আবার, রাত্রির মাঝে।
বিষাদের সব ঘোর লাগা কালরাত্রিতে-
নিস্তব্ধতা গ্রাস করে নেয় ভেতর-বাহির,
অস্থিরতার চাদর মুড়ি দিয়ে কেটে যায় সময়,
স্মৃতির চোখের নদীটাও জলশূন্য বেলাভূমি;
নির্বাসন শেষে বুকে বাজে-কান্নার রাত।

শ্রাবণের সন্ধ্যা...

শ্রাবণের ঘোলাটে মেঘের বিকেলে, সরু পাকা পথ ধরে হেঁটে এসেছি বহুদূর। তেজহীন মৃদু আলোর বিষণ্ণ বিকেল, বরষার আহাজারি, মেঘদলের অন্তহীন ছুটে চলা, প্রেমাসক্ত হৃদয়ে ক্ষরণ, চঞ্চল হওয়ার উন্মাদ ছুটে চলা সবই প্রাণ ছুয়ে গেছে। দেখেছি– সীমানা ছেড়ে আসা গরুর পাল, ভেজা বাতাসে কাকের স্বর, সীমান্তহীন আকাশের অকারণ গর্জন, সন্ধ্যার আধারের স্বচ্ছ আচ্ছাদন। ভেজা কাপড়ে পথিক চলেছে উওর দক্ষিণ বরাবর। এখানে জীবনের স্থবিরতা আছে, তবু মিলে চাঞ্চল্যের দৃশ্য। দূরের বিলে জাল ঠেলে যাচ্ছে কেউ, কেউ ছুটছে গরু নিয়ে, রিক্সা চলছে দুই একটা, আকাশ মিলে যাওয়া দূরের গ্রাম থেকে আসছে আযানের ধ্বণি। আমি তবু হেঁটে চলেছি নিরুদ্দেশ পথে, অকারণে। দিনান্তে ঘরে ফেরা পথিক, সাদা আকাশে ডানা মেলা বলাকা, আপন দ্রুতিতে ছুটে চলা রেল, পাটের আঁশ ছাড়ানো বৃদ্ধ কেউ ভ্রুক্ষেপ করছে না আমায়। দিন দিন ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছে মন, আজকের দিনকে অর্ভ্যথনা জানাতে ইচ্ছা হয় না, কৌ

ময়না কাহিনী

ছোট বোনের নাম সুলতানা শিপলু। তার এক বান্ধবীর নাম মিতু। ক্ষাণিকটা 'স্থুল' স্বাস্থ্যের অধিকারীনি বলে তাকে ছাত্রজীবন থেকেই 'পরোটা' ডাকা হয়। আরে না, আমি না। ডাকে আমার ছোট বোন আর তার অন্য বান্ধবীরা। সম্প্রতি ছোট বোনের বাচ্চা হবার পরে হাসপাতালে সেই 'পরোটা'র সাথে দেখা হয়েছে। তিনি এখন আর পরোটা নাই। মাশাল্লাহ দেখতে তিনি 'পাঁচ পয়সা'র মতন। বাংলাদেশে একসময় পাঁচ পয়সার মুদ্রা ছিলো, যারা দেখেছেন তারা বুঝতে পারছেন আশা করি। আর যারা দেখেননি, তাদের জন্য বলি, পরোটা আপা এখন আক্ষরিক অর্থেই চারকোনা। নায়িকা মৌসুমি, শাবনুরের মতন। তো, আজকের লেখার ক্যারেকটার কিন্তু পরোটা আপা না। তার খালাতো বোন ময়না।

সেবা প্রকাশনীর রূপান্তর/অনুবাদ কড়চা

জ্ঞান হওয়ার পর থেকে বাড়িতে আর কিছু দেখি আর না দেখি, সব সময়ই অল্প-বিস্তর বই দেখে এসেছি। তাই পড়া কম হলেও বইয়ের প্রতি আলাদা একটা টান আছে। বইয়ের জন্য ভালোবাসার সিংহভাগের দখল নিয়ে আছে প্রজাপতির মনোগ্রামওয়ালা একটা প্রকাশনী। প্রজাপতির কথা বলার সাথে সাথেই নিশ্চয়ই সবাই বুঝে ফেলেছেন সেবা প্রকাশনীর কথা বলেছি। সেবার প্রতি এই গাঢ় ভালোবাসার কারণ হচ্ছে, হাফপ্যান্ট ছেড়ে প্যান্ট পরতে শুরু করেছি সেবার বই পড়তে পড়তে, স্কুল থেকে কলেজ, কলেজ থেকে ভার্সিটি ধরেছি সেবার বই পড়তে পড়তে। তাই সেবার জন্য কলিজায় আলাদা একটা টান বরাদ্দ থাকেই। এজন্য প্রিয় এই প্রকাশনীর দিকে যখন দেখি কেউ অহেতুক আঙুল তোলে, তখন কষ্ট লাগে।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ