অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য ও ৩২ জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

উপোষের দিন রাত্রী, সিজন টু, এপিসোড ফাইভঃ ইটস নট হ্যাপি এন্ডিং!

আরেকটা ঈদ এসে পড়লো। এত জলদি কেন ঈদ এখন এসে যায় তা বুঝি না। আমার বন্ধু এহতেশাম আজ দারুন ডায়লগ দিলো, যে বরফ গলার চেয়েও দ্রুত এখন কাটে একেকটা মাস, একেকটা বছর। আমিও রাতে বসে বসে টিভি দেখতে ভাবছিলাম সময় এত দ্রুত চলে যাচ্ছে জীবন থেকে, ভাবাই যায় না। তরতর করে খালি বয়স বাড়ছে। সেই ছোট্ট মানুষ আর থাকলাম কই?

দিনলিপি

বিশ্রী একটা সময় যাচ্ছে, সকল দরজার সামনে " অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন, আপনার কথাও আমরা শুনবো" সাইনবোর্ড ঝুলছে। খুব বেশী গভীর না হলেও আজকে দীর্ঘদিন পর তৃপ্তির ঘুম ভাঙলো যথারীতি ছেলে মেয়ের ঝগড়া শুনে। সেই ঝগড়া অগ্রাহ্য করে পাশ ফিরে শুয়ে থাকলাম। দুপুরে রোজার নিয়ম ভেঙে বাইরে বের হলাম। ঢাকা শহর মোটামুটি ফাঁকা। ব্যাংকের চাকুরীজীবী, গার্মেন্টস কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একাংশ এবং যাদের গ্রামের ভিটার ঘুঘু চড়ছে তারা বাদ দিলে জীবিকা এবং শিক্ষাগত প্রয়োজন যারা ঢাকায় বসবাস করে তাদের অধিকাংশই দেশের বাড়ী চলে গিয়েছে।

আমি বেঁচে ছিলাম একগাদা 'চুতিয়া'দের সময়ে!

গালি হিসেবে 'চুতিয়া' শব্দটা আমার ভীষন প্রিয়। গালিটা কাউকে দেইনা তেমন, তবে মনে মনে অনেক দেই। মনে মনে গালি দেবার খবর কেউ জানে না। তবে গালি দেয়া শেষে খুব শান্তি পাওয়া যায়। এই শান্তি একান্তই ব্যাক্তিগত। তবে 'চুতিয়া' গালিটা ভালো লাগার কারন বলি। আমরা আগে চায়ের দোকানে আড্ডা মারতাম সব বড় ভাইদের সাথে। সেখানে ব্রাক ইপিএলের এক বড় কর্মকর্তা আসতেন ও এনসিসি ব্যাংকের এক ভাই আসতেন। তাদের বন্ধু বান্ধবরা সবাই তাদের আসল নাম ভুলে গিয়ে ডাকতেন 'চুতিয়া' বলে। আমি অবাক হতাম এরকম এক বিশ্রী গালি একজন বড় ভাইয়ার নাম হয়ে যাবে জেনে। পরে দেখলাম ঠিকই আছে। উনারা এই নামের যোগ্য, কেন?

১৫ আগস্ট, ৩ নভেম্বর, ২১ আগস্ট এবং.........

১৫ আগস্ট, ৩ নভেম্বর এবং ২১ আগস্টের পিছনের অপশক্তিগুলি এক ও অভিন্ন। তাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এক। তারা বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কোটায় শ্রেনী বিভক্ত হলেও, চূড়ান্ত আদর্শিক জায়গায় তাদের মধ্যে তেমন কোন বিভেদ নেই।

৫মে হেফাজতের সরকারকে স্টেপ ডাউন ও ৫ জানুয়ারির নির্বাচনকে ব্যহত করার বিএনপি জোটের অপচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর, গনতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বর্তমান সরকারকে নামানো যে সম্ভব নয়, অপশক্তিগুলির কনসরটিয়ামের প্রধান বিএনপির মুল নীতিনির্ধারকরা ভাল ভাবেই বুঝে গেছেন।

সম্ভাব্য মৃত্যুরকোল থেকে ফিরে এসে....

ঠিক মৃত্যুটা হয়তো নয়; তবে মৃত্যুর করূণ সম্ভাবনাই প্রত্যক্ষ করেছি। গতকাল। খুব কাছ থেকে। পরিবার-পরিজন-প্রতিবেশীদের নিয়ে। আগুনের ধোয়া কুন্ডলী পাকিয়ে যখন অদম্যতাড়নায় সিড়িঁ বেয়ে বেয়ে উপরে উঠে আসছিল, আর আমরা কিছুতেই এগুতে পারছিলাম না, আমাদের সাথে থাকা একমাত্র সম্ভাবনা-প্রাণটাকে নিয়ে, তখন ধোঁয়ার একএকটি কুন্ডলীকে অসংখ্য মৃতুদ্যুতই মনে হচ্ছিল আমাদের কাছে। আমরা যতই দূরে সরে যেতে চাইছি, ধোয়ার কুন্ডলীগুলো ততই আমাদের তাড়া করছিল। শেষ পর্যন্ত ছাদে গিয়েই আমরা অপেক্ষা করতে থাকলাম, সম্ভাব্য মৃত্যুর অথবা উদ্ধার পাবার জন্য। যেকোন সময়। বলা যায় কোন এক সময় উদ্ধার পাবো-সে স্বপ্নেই বিভোর ছিলাম আমরা। কারণ শেষপর্যন্ত আমরা আস্থা হারায়নি আমাদের সামাজিক পুঁজির ওপর। যেকোন দুর্যোগে অতিসাধারণ সামাজিক মানুষরাই হয়ে ওঠে আমাদের সবচেয়ে আপনজন। এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় সামাজিক পুঁজি। সচরাচর এ-সব মানুষগুলোর সাথে হয়তো আমাদের কথা হয়

আইসিএসএফ থেকে নিঝুম মজুমদার এর বহিঃস্কার প্রসঙ্গে

২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারীতে প্রতিষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস স্ট্র্যাটেজি ফোরাম (আইসিএসএফ) মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের ১২টি সংগঠন, এবং সংগঠন বহির্ভুত একক ব্যক্তিদের নিয়ে একটি জোট। জোটভুক্ত সংগঠনগুলোর মধ্যে রয়েছে – ইংরেজী এবং বাংলা মিলিয়ে বাংলাদেশের ৮ (আট)টি কমিউনিটি ব্লগ, গণহত্যার ওপর একটি প্রধান আর্কাইভ, গণহত্যার ওপর বিশেষায়িত একটি গবেষণানির্ভর সংগঠন, এবং একটি বিশেষায়িত উদ্যোগভিত্তিক অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। আইসিএসএফ কিছু মৌল নীতি এবং মূল্যবোধ এর ওপর প্রতিষ্ঠিত, যার সরাসরি প্রতিফলন হল আমাদের অনুসৃত স্তরবিহীন সামষ্টিকতার ধারণা এবং অংশগ্রহণমূলক সিদ্ধান্তগ্রহণ প্রক্রিয়া/সংস্কৃতি।

উপোষের দিন রাত্রী, সিজন টু, এপিসোড ফোরঃ সবুজ বাতাসের শহর!

কালই প্রথম বাসা ওরফে বাড়ী থেকে বেরিয়েছিলাম। বের হয়ে কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই। তাও বের হই। ঘুরে ফিরে যাওয়ার জায়গা তো সেই এতটুকুই। বাড়ী থেকে বের হও, শহরের রেল স্টেশন যাও, পেপারের দোকানে বসে থাকো। গতকাল সেই মনে করে বাসা থেকে বের হলাম। হাটতে হাটতে মোড়ে যাই। রোজার দিন একযুগ ধরে রোজা রাখতেই হয় বলে চায়ের তেষ্টা পেলেও পর্দাওয়ালা দোকানে গিয়ে বসা হয় না। জানি কেউ জানবে না, তাও নিজেকে নিজে কখনো ফাকি দেই নাই। নিলাম রিকশা। জামালপুরে রিকশা এখন খুব দুর্লভ জিনিস। ইজি বাইক কিংবা ব্যাটারি চালিত অটোরিকশার প্রতাপ এখন সব খানে। ভাড়া কম ও এক সাথে ছয়জন উঠা যায়। আমার আব্বাজানের খুব পছন্দ এই জিনিস। আমার মোটেও পছন্দ না। কিছু না পেলে উঠি। উঠলেই ভয় করে, কোনসময় না উল্টে যায় গাড়ী, এত পাতলা। আর ড্রাইভাররা এই হালকা চায়নিজ গাড়ী নিয়েও রেসের মত চালায় নির্জন রাস্তায়। তাই রিকশাই আমার ভালো লাগে। রিকশা এখন এই শহরে বড়লোকদের বাহন, যখ

পবিত্র মাস

রোজার সময় একান্ত বাধ্য না হলে বাসার বাইরে যেতে ইচ্ছা করে না। জীবন যাপন সংস্কৃতির উপরে গণমানুষের বিশ্বাসের আরোপ আমার ভেতরে যে মানসিক পীড়ন তৈরী করে তা প্রতিমুহূর্তেই উপলব্ধি করি। শুধুমাত্র এই একটি মাস আমাকে কোনো একটা সভ্য দেশের বাসিন্দা হিশেবে জীবনযাপন করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ করে তোলে।

পরধর্ম সহিষ্ণুতা, অপরের ধর্মবিশ্বাসের প্রতি শ্রদ্ধাশীল আচরণ করা, অপরের ধর্মীয় অনুভুতিকে যতটা সম্ভব আহত না করে নিজের জীবনযাপন সংস্কৃতি অক্ষুন্ন রাখবার কোনো সুযোগ থাকে না এই মাসটিতে। সকল নাগরিক সভ্যতাবোধ ঘাড়ের উপরে তার অনিবার্যতা সমেত চেপে বসে। এই একপাক্ষিক পরমত, পরসংস্কৃতি, পরধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীলতার বোঝা বহন করতে ক্লান্ত লাগে এই বয়েসে।

উপোষের দিন রাত্রী, সিজন টু, এপিসোড থ্রিঃ স্বর্গে দিন যাপন

পোষ্টটা কালই লিখতাম। কিন্তু মনে ধরলো না লিখতে। তার আগে অবশ্য নোটবুকটা নিয়ে অশান্তিতে ছিলাম। চার্জ হয় না। কাল থেকে অশান্তি দুর চার্জ হলো, নেটের স্পীডও কিঞ্চিত ভালো হলো। জিপির মডেম দিয়ে চালাচ্ছি নেট। খুবই বাজে অবস্থা ছিল। মোবাইলেই এরচেয়ে ভালো সার্ভিস দেয়। গতবার থেকে নোটবুকটা আনছি, সেবার ভালোই ছিলই নেটের অবস্থা। এবার অবস্থা দিশাহীন বেগতিক। এই দুইদিন মনটা উদাস ছিল, আহা পোষ্ট লিখতে পারবো না, সেই নোকিয়া সেটও নাই যে শুয়ে শুয়ে লিখবো। এত কষ্ট করে টেনে আনলাম নোটবুকটা। নোটবুক আনতে বেশী কষ্ট না, কষ্ট হলো এক্সটারনাল কিবোর্ড মাউস, ঢাউশ হেডফোন, ইউ এসবি হাব এইসব টেনে আনতে। আমার বিছানায় এখন ক্যাবল আর বইয়ের জঞ্জালে সেই পুরোনো অবস্থা। আম্মু দেখেই বলে, যেখানেই যাক শান্তর কাজ একটাই, সব কিছু বিতিকিশ্রী বানানো। বাসায় আজ মেহমান, তাই আমার অবস্থান আজ টিভি রুমে। সেখানেও একই দশা করে রেখেছি। আসলে আমি এক সাথে অনেক কিছু

একজন হুমায়ুন আহমেদ!!

হুমায়ুন আহমেদ! আচ্ছা, বাংলা সাহিত্যে উনার অবদান সর্ম্পকে কী বলা যায়? ফেসবুকের নিউজ ফিড তার কৃতিকলাপ বর্ণনায় মুখরিত। কিন্তু আমি কোন কিচ্ছু খুঁজে পাচ্ছি না, কী লিখব তাও বুঝতে পারছি না। এটাও জানি না একজন হুমায়ুন আহমেদকে কিভাবে বর্ণনা করা সম্ভব?

যদি গাছেরা কথা বলতে পারতো

প্রিয় উর্বশী

তুমি আমার ওপর রাগ করে আছো। তাই আমি তোমাকে সবকিছু বুঝিয়ে বলার জন্য লিখতে বসেছি।

আমি তোমাকে শুরু থেকেই বলেছি যে তোমার শুধু আমার কথাগুলো শুনতে হবে, আরও আগে বলেছি স্বাধীনতার কথা, আর নিজের ভালো লাগাকে সম্বল করে বেঁচে থাকার আমার ইচ্ছার কথা- যে ইচ্ছা তোমার ভিতরেও ঢুকিয়ে দেবার চেষ্টা করেছি। কিন্তু তুমি কথাগুলোতে গুরুত্ব না দিয়ে শুধু তোমার আবেগকেই অনুসরণ করেছ। এবং আমার কথা শোনো নি। এখনো শুনছো না।

আমি আবার বলছি- তুমি যে সব চিন্তা ভাবনা নিয়ে আছো সেসব অনেক আগে আমিও করতাম। কিন্তু আমার চিন্তা ভাবনা পরিবর্তন হয়েছে। সময় হলে তোমারও হবে। তোমার পড়াশোনার ব্যাপারে যেসব আমি বলেছি সেসব না শুনলে তুমি আগামি কয়েক বছর পর বুঝতে পারবে যে শুনলে ভালোই হত।

যাবো আবার যাবো, আমি বাড়ী ফিরে যাবো!

বাড়িতে যাবো আরেকটু পরেই। সকালের ট্রেন। ট্রেনের নাম তিস্তা। উঠবো কমলাপুর থেকে। টিকেট মামা অনলাইনে কেটে দিয়েছে। অনলাইনে পাওয়াই যায় না টিকেট। পাওয়া গেলে আরো দু চারদিন পরেই হয়তো বাড়ীতে যেতাম। কিন্তু বারবার এত গেঞ্জামে বাড়ীতে যেতে ইচ্ছে করে না। তাই আগেভাগেই এবার ট্রেন ধরলাম। বিশাল লম্বা সময় এবার বাড়ীতে থাকতে হবে হয়তো। বাড়ীতে যাবার আগের তিন চার ঘন্টা আমার ভীষন মন খারাপ থাকে। মনে হয়, ভালোইতো ছিলাম এখানে। দিব্যি ভালোয় ভালোয় যায় দিন। সেখান থেকে জামালপুর যাওয়া, অল্প কিছুদিনের জন্য এক অন্য ধরনের চেনাজানা জীবনে অভ্যস্ত হওয়া। ঢাকা কিংবা চিটাগাংয়ে থাকতেই আমার শান্তি। শহরে শান শওকত- আড্ডা- ঘুরে বেড়ানো জীবন যাপনই আমার আনন্দের। বাড়ীতে কত দিন ধরে যাচ্ছি তাও কোনো বন্ধু নেই, সেই ঘর- মসজিদ- পত্রিকার দোকান- জঘন্য টিভি, মফস্বলের নির্জন রাস্তায় হাঁটা, এই তো!

বির্বণ দিনরাত্রি

মন মেজাজ প্রচন্ড মাত্রায় খারাপ। দুই দিন থেকে যেন জীবন যাত্রার গতিও থেমে গেছে। শুধু আফসোস করছি আর বলছি, পারল না মেসি এবারো পারল না। এত কাছে এসেও পারল। আগে যদি কখনো মন খারাপ হত তো রবীন্দ্রনাথের শেষের কবিতা বইটা পড়তাম। এই বই অসম্ভব ক্ষমতায় আমার মন ভালো করে দিত। কিন্তু এই মেসি আর্জেন্টিনার ব্যাপারটায় গুরু রবীন্দ্রনাথও ফেল। বইটা নিয়ে বসার মত সাহসও নাই। আমার ত শুধু মন খারাপ কিন্তু শুনলাম অনেকে নাকি আত্নহত্যা করছে আবার দেশের অনেক জায়গায় নাকি দাঙ্গা হাঙ্গামাও হয়েছে। ব্যাপারটা অনেকটা হাস্যকর হলেও সত্য যে বিপরীত গোর্ধাধের এই দেশের প্রতি, দেশের মানুষের প্রতি যত না ভালবাসা তার চেয়ে ঐ দেশের খেলোয়ারদের দুই পায়ের প্রতি আমাদের ভালবাসা অনেক বেশী। শুনেছিলাম নব্বইয়ের দশকে নাকি আমাদের দেশেও এই ফুটবল খেলা সবচেয়ে জনপ্রিয় ছিল। দলের অবস্থাও অনেক ভাল ছিল। মোহামেডান আবহানীর খেলা হলে রীতিমত যুদ্ধ বেধে যেত। কিন্তু কা

ঈদ

বেঁচে থাকা মানে অবিরাম স্মৃতির কোলাজ তৈরী করা, হঠাৎ চলতি পথে কোনো একটা দৃশ্য দেখেথমকে দাঁড়ানো- হুবহু এমনই কোনো একটা দৃশ্য অতীতে তৈরী হয়েছিলো- সেটার পুনচিত্রায়ন ঘটলো এই মুহূর্তে- আমি একটা মুহূর্তে দাঁড়িয়ে ভিন্ন প্রেক্ষাপটে ভিন্ন একটি মুহুর্তে জেগে উঠলাম- সংলাপ থেমে যাওয়ার পর এক ধরণের শব্দহীন বিবশতা অদৃশ্য পর্দার মতো চারপাশে ঝুলে থাকে - তেমন শব্দহীনতার মূহুর্ত থেকে ধীরে ধীরে বর্তমানের শব্দমুখরতার ফিরে আসা- কেউ ডাকছে না তবু কোনো একটা পিছুডাকের জন্যে উৎকর্ণ হয়ে থাকা।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা, তানবীরা আপুর জন্য!

মন মেজাজ খুবই খারাপ। আর্জেন্টিনার হারে শরীর মন সব কেমন জানি কামড়াকামড়ির উপরে আছে। এতদিন পর ফাইনাল, কত আশা ভরসা, সব জাহান্নামে গেল। তার ভেতরে একটু আগে ফেসবুকে দেখলাম মিলন চৌধুরী নামের এক কলকাতার ছেলে আত্মহত্যা করেছে, ফেসবুকে ঘোষনা দিয়ে। বেচারার জন্য মনটা খারাপ। আমরা বাঙ্গালীদের আবেগ এত বেশী তাই এইসব হতেই পারে। এমনিতেই না চাইতে কত ভাবেই মরতে হয়, তারপর আবার খেলায় হারজিত লইয়া এত চিন্তা, যে মরিতে হবে নিজে নিজে। সবাই বলবে বেকুব মানুষ তাই মরেছে। আমি তেমন বলবো না। মানুষের মাঝে মাঝে এত আবেগ আসে নানান ঘটনায় তাতে এরকম ঘটনা অস্বাভাবিক কিছু না। যখন শিশুকালে সালমান শাহ মারা গেল, জনকন্ঠ তখন পড়তাম, বাসায় রাখতো না, গন পেপার রুমে পড়তাম। পেপারে তখন দেখেছিলাম- বাংলাদেশের নানান স্থানের যুবক যুবতীরা আত্মহত্যা করছিলো এক উসিলায়। তখন ভাবছিলাম সামান্য মুভি স্টারের জন্য কেউ মরে নাকি!

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা