আমাদের গল্প
দীর্ঘ ৪ সপ্তাহ পর আমার মেয়ের সাথে আমার দেখা হওয়াটা খুব বেশী আনন্দময় অভিজ্ঞতা ছিলো না। জেলের নিয়মে সপ্তাহে এক দিন নির্দিষ্ট সময়ে নাপিত এসে চুল-দাড়ি পরিচর্যা করে, যেকোনো কারণেই হোক গত ৪ সপ্তাহে আয়নায় মুখ না দেখায় নিজের চেহারা বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ধারণা আমার ছিলো না।
হাসপাতালে এসে প্রথমবারের মতো আয়নায় মুখ দেখে মনে হলো নিজের অপরিচিত একটা মুখোশ এঁটে আছি, ব্লেড-রেজরের বিষয়ে এক ধরণের স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা এখানে আছে, বিক্ষুব্ধ, অপমানিত, নির্যতিত এবং বঞ্চনার শিকার কারাবন্দীদের অনেকেই নিজস্ব অপমানবোধ কমাতে হয়তো হাতের শিরা কেটে আত্মহত্যা করে ফেলতে পারে সংশয় থেকে বন্দীদের এসব দেওয়ার নিয়ম নেই।
সেই দুশ্চিন্তাক্লিষ্ট, বিষাদগ্রস্ত অপরিচিতের মুখোশ নিয়ে আমি আমার ২০ মাস বয়সী মেয়েকে দেখলাম ৪ সপ্তাহ পরে, যার সাথে আমার সম্পর্ক শব্দে, স্পর্শ্বে, গন্ধে এবং চাক্ষুষ গড়ে উঠেছে কিন্তু স্মৃতি নির্মাণের সুযোগ এখনও তৈরি হয় নি।
তসলিমা নাসরিন পরাজিত মানুষের মুখ
তসলিমা নাসরিনের সাক্ষাৎকার পড়ে ভীষন অসস্তিকর অনুভুতি হলো , মনে হলো পুরুষের বিরুদ্ধে তসলিমার বিদ্রোহ অবসান হলো, তিনি নিজেই তার পরাজয় মেনে নিয়ে পুরুষতন্ত্রের পতাকা উড়িয়েছেন তার ভাবনায়।
তার স্মৃতিচারণে খোলামেলা কথার চেয়ে বেশী স্পষ্ট হয়ে থাকা কামনাকাতরতা অসস্তি তৈরি করে। সম্ভবত বাংলাদেশের উপন্যাসে নারীর শরীরময় উপস্থিতির বয়ান শুরু হয় তসলিমা নাসরিনের হাতে।
মিষ্টি মিষ্টি কষ্ট কষ্ট
১
মেঘলা আকাশ
বৃষ্টি নামবে আজ
ঢেউ তুলো তুমি ঘূর্ণিত ছন্দে।
২
ঘনীভূত অন্ধকার ফিকে হয়ে এলে প্রভাত আলোয়
তোমার রুপের সাথে মিলটি খুঁজি
হে দীর্ঘকায়া
বসন্ত মায়ায় আর কত
হবে সঙ্গিন এই বিনম্র ছায়া।
৩
ট্রেন এসে প্লাটফর্ম থেকে কুড়িয়ে নিলো তাকে
পেছনে ফিরে তাকালো না একবার
বড় অসহায় দৃষ্টি
হৃদয় বীণায় যায় ছিঁড়ে তার।
৪
এলে তুমি জড়িয়ে কাব্য বুকে
পীনোন্নত বক্ষ কবিতায় গেলো ভরে
আম-আঁটির ভেপু রসালো বেজে চলে
মিলে মিশে একাকার এভাবেই একবার।
ঝরাপাতা দিন, অস্থিরতার পঙ্ক্তিমালা.. [এলোমেলো কাব্যকথন!]
.....................................................................................................।
......................................................................................................
.........................................................................................................
.......................................................................................................।
.....................................................................................................।
......................................................................................................
.........................................................................................................
.......................................................................................................।
আধো আধো বুলি,
আর;
এক পা দু পা চলার দিন -
না ফুরোলেই বেশ ভালো ছিল।
সত্যিই,
হয়তো ভালোই ছিল..!
ব্লগর ব্লগর
..................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................
১.
যে যত বেশি নিরাপদ, সে তত বেশি তীব্র, তীক্ষ্ণ, দক্ষ সমালোচক
২.
ঘটনাস্থল থেকে যে যত বেশি দূরে সে তত বেশি সাহসী
৩.
আগে বিপ্লবীরা থাকতেন আন্ডারগ্রাউন্ডে অথবা কারাগারে, এখন বিপ্লবীরা থাকেন ফেসবুকে
৪.
চিরদীপ্ত সূর্যকে আড়াল করে দিয়ে যে মেঘমালা দিনের আলোকে অন্ধকারের বুকে ঢেকে দেয়;
চিরদীপ্ত সূর্যকে আড়াল করে দিয়ে যে মেঘমালা দিনের আলোকে অন্ধকারের বুকে ঢেকে দেয়; সে মেঘমালা আবার বৃষ্টি হয়ে ঝরে পড়ে পৃথিবীর মাটির উর্বরতা বাড়ায়। বৃক্ষরাজিকে সতেজ করে আর মানুষের মনের গহীনে লুকিয়ে থাকা চিরবিষাদকে করে প্রাণবন্ত। আবার কখনো এ মেঘমালা অবিরত বর্ষণে পথ-ঘাট করে কর্দমাক্ত, খাল-বিল, নদীকে ভরিয়ে বন্যার জলে ভাসিয়ে নিয়ে যায় মানুষ ও মানুষের বাঁচার সব উপকরণ। একই জিনিসের কতো রূপ-বৈচিত্র্য প্রকাশ! বৃষ্টির ফলে যেমন মানুষের ভালোও হয়, আবার মন্দও হয়।
বর্ষার এক বৃষ্টিমুখর দিনে জীবনের সব লেনদেন ফেলে রেখে এসব বিষয় নিয়েই ভাবছি বসে নিরালায়। বাতায়ন খুলে রেখেছিলাম; ঝিরঝির বাতাস বইছে। সে বাতাস আমার শরীর-রন্দ্রে মৃদু শিহরণ তুলছে। আজ কেনো যেনো গান শুনতে বেশ মন চাইছে। কম্পিউটার ওপেন করলাম। একটি অডিও সিডি প্লে করলাম। সিডিটির নাম 'অভিপ্রায়'। সুরের মুচ্র্ছনা নিয়ে কর্ণকুহরে প্রবেশ করলো গানটি-
"কতটা দুঃখ দিলে দেখে যাও একবার
এ মনটা কাঁদে কেনো তোমার জন্যে বারেবার?
হয়তো ভেঙ্গে যাবো কোনো শ্রাবণের ঝড় এলে
দুঃখ পাখি হয়ে উড়ে যাবো আকাশে
থেমে থাকবেনা কিছুই!
মন মেজাজ অত্যন্ত খারাপ। গত দুইদিন ধরে আমার মেজাজ এতো খারাপ যে প্রিয় মানুষজন ছাড়া কারো সাথে কথা বলতেই ইচ্ছা করে না। বারবার মনে হয় এতো বাজে সময় আগে কখনো পার করি নি। তবে এটা নতুন কিছু না, প্রতিবারই একি কথা মনে হয় এবং তার চেয়েও ভয়াবহ খারাপ সময় আসে। খারাপ সময় সবার জীবনেই কম বেশী আসে। কিন্তু আমার বেশী আসে আর না আসলে আমি জোর করে আনাই। আর তাতেও কাজ না হলে অযথাই বিষণ্ণ থাকে। আমার এক বন্ধু এই সব দেখে টেখে আমার নাম দিছিলো স্যাডিস্ট শান্ত। আর যা বাংলাতেই ডাকতো লোকজন দুখু মিয়া শান্ত। আমি নিজেরে কাজী নজরুল বানাতে চাই না। যে অবিস্মরনীয় প্রতিভা কাজী নজরুলের ইসলামের ছিলো তার ধারে কাছের নখের সমানের মেধাও আমার নাই। তাই নামটা ভালো লাগে না। সেই বন্ধুও আর আমাকে এখন আর কোনো নামেই ডাকে না। এতোই ব্যাস্ত সবাই- সময় কই তাদের আমার নাম মনে রাখার! গত কাল সকালে ফেসবুকে বসে দেখি এক পরিচিত ক্লাস মেট বান্ধবী নক করলো। সবার খোজ খবর জিগেষ করলো?
আধ্যাত্মিক মন
বছর চারেক আগে মেজচাচা ফোন করে জানালেন যে চাচী সন্তানসম্ভবা। শুনে পরিবারে এক ধরণের খুশী আর উত্তেজনার ঢেউ বয়ে গেল! কারণ বাবা ছিলেন পরিবারের বড ছেলে এবং আমাদের দু'ভাইয়ের জন্মের অনেক বছর পর প্রথমবারের মতো কোন সন্তান আসতে যাচ্ছিল চাচাদের পরিবারে।
সবাই তখন চাচীর ছেলে হবে না মেয়ে হবে সেটা নিয়ে জল্পনা-কল্পনা করতে লাগল। আমি এসব থেকে একটু দূরেই ছিলাম। একদিন খাবার টেবিলে বসে মা ফস করে আমাকে জিজ্ঞেস করল, "আচ্ছা তোমার কি মনে হয়, তোমার চাচার ছেলে হবে না মেয়ে?"
আমি এক সেকেন্ডও দ্বিধা না করে বললাম, "মেয়ে ।" বলে আমি নিজেই অবাক! এতটা আত্মবিশ্বাস নিয়ে কিভাবে বললাম? মা-ও কিছুটা অবাক হল।
যাই হোক, দেখতে দেখতে পেরিয়ে গেল কয়েকটা মাস। চাচীর সন্তান পৃথিবীর আলো দেখতে পেল। সৌভাগ্যবশত সন্তানটা ছিল মেয়ে। আমার ভবিষ্যদ্বাণী ফলে গেল। তবে এটা নেহায়েতই কাকতালীয় ঘটনা। একজন বলল ছেলে হবে, আরেকজন বলল মেয়ে হবে, দু'জনের একজন তো সঠিক না হয়ে যায় না। এতে অস্বাভাবিক কিছু নেই।
স্বপ্নটা ভেংগে গেল
(জোনায়েদ মাসুদ হোসাইন)
বিঃ দ্রঃ (কবিতাটা আমার নয়। আমার ৭ম শ্রেনী পড়ুয়া ছেলে জোনায়েদের লেখা)
বিকালে খেলা শেষে
বাসায় ফেরার সময়
গ্রামীন ফোন বলল, চল বহুদূর।
বহুদূর গিয়ে দেখলাম
অন্ধকার হয়ে এসেছে
তারপর পাশ থেকে “রবি” বলল
জ্বলে উঠুন আপন শক্তিতে।
আমি ভাবলাম, এটি আবার কোন দেশে এলাম
“বাংলালিংক” বলল
এটি হচ্ছে বাংলালিংক দেশ।
আমি পিছন ফিরে বাসায় যেতে লাগলাম,
তখন টেলিটক বলল,
এমন কচ্ছপ গতির ইন্টারনেটের মত হাঁটলে
চলবে না।
আমি দৌড়াতে লাগলাম
ফেরার পথে সামনে
একটি বাধ পড়ল,
পাশ থেকে টেলিটক বলল
বাঁধ ভেংগে দাও।
আমি বাঁধ পেরিয়ে ভয়ে
দৌড়াতে লাগলাম,
বাসায় পৌছলে বাবা বলল
এটি কোন সময় হল বাসায় ফেরার
সময় কি বাংলালিংক দামে বিক্রি হচ্ছে।
হঠাৎ একটি জোড়ালো আওয়াজে
আমার স্বপ্নটা ভেংগে গেল।
১৮/০৫/২০১৩ ইং
ইদানীং নিজে নিজেই ভাবি, ঘুমাতে যাবার আগে দুঃচিন্তার মতো জানতে চাই-প্রেম কী ?
ইদানীং নিজে নিজেই ভাবি, ঘুমাতে যাবার আগে দুঃচিন্তার মতো জানতে চাই-প্রেম কী ? মাথায় হাত বুলাতেই চমকে উঠি, তালুটা ইট ভাটার চুল্লীর মতো গরম মনে হয়। তার আমেজেই সিদ্ধ হচ্ছে প্রেমসহ মস্তিষ্কের কিলবিলে পোকাগুলো। রাত দিন ভেবেও ভালোবাসার এস্কুল-ওস্কুল করতে পারি না। ভাবতে ভাবতে আমি দার্শনিকের মতো চুল-দাড়ি-গোঁফ রাখতে শুরু করেছি কবে থেকে তা নিজেই জানি না। 'সবুরে মেওয়া ফলে' জাতীয় কথাবার্তা আর ভালো লাগে না। বন্ধুদের ধমকে উঠে বলি- এই চুপ থাকবি ? ওরা চুপ মেরে যায়। আমার প্রেম গবেষণা শেষ হতে হতে হয় না। বসন্তের দিন শেষে গ্রীষ্মের বাতাসে আমের মুকুল গন্ধ ছড়ায়। বন্ধুদের দু'একজন বলতে চেষ্টা করে, 'অবন্তীকে কথাটা বলে ফেললেই পারিস। ওদের কথা শুনে নিজের ভেতর রাগ দেবতাকে ধরে রাখতে চেষ্টা করি। মিন-মিন করে বলি, ইস্ কেমন বুদ্ধি দিতে শিখেছে। আমি তো কথাটা বলতে গিয়ে কতবার যে বলতে পারিনি তা বন্ধুরা জানতেও পারেনি। ওর সামনে গিয়ে দাঁড়ালে স্যারের সামনে পড়া বলতে দাঁড়ানোর মতো সব ভুলে যাই!! কি মুছিবত! ওকে দেখলেই হাত পা কাঁপে, হৃদস্পন্দন থেমে যায়। মাঝে মাঝে ভাবি, এই অনুভূতির নামই কি প্রেম?
গায়েবি বুক
ফেসবুকে এখন গায়েবি বুকে(নগরীতে) পরিনত হয়েছে। সর্বত্র চলছে গায়েবি ফুউউউউউ।
আজ অমুক সেলিব্রেটির আইডি গায়েব তো কাল তমুক সেলিব্রেটির স্ট্যাটাস। আর পরশু আরেকজনের ফটো।
এভাবেই চলছে আইডি , স্ট্যাটাস আর ফটোর গুম।
এইতো গতকাল গুম হওয়া একটি আইডি পুনরুদ্ধার করা গেছে। এরপর তার কাছথেকে আমরা জানতে পেরেছি যে তাকে নাকি কতিপয় ছাগল খাওয়ার চেষ্টা করেছিলো।
এই কথা শুনে জনৈক মহাপুরুষ বলেছেন, “ আসলেই ছাগলে কি না খায় ?”
ছাগু সর্দার অবশ্য এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলেছেন, “ এই গায়েবের সাথে ছাগু সম্প্রদায়ের কোনো সম্পৃক্ততা নেই, ইহা শফি সাহেবের ফুউউউউ এর কারসাজি।”
আবেগঘন কন্ঠে তিনি আরও বলেন, “আমরা ছাগু, আমরা কাঁঠাল পাতা খাই; আর মাঝেমাঝে বাঁশের কেল্লায় গিয়ে বাঁশপাতা খাই, কিন্তু আমরা আইডি খাই না। ”
তাদের এই কথা শুনে প্রতিবাদী কন্ঠে সরকার সাহেব বলেন, “ আপনারা জানেন ছাগলে সবই খায়, আর তারই ধারাবাহিকতায় ছাগুরা বিভিন্ন চেতনাধারীদের আইডি খেয়ে দিচ্ছে।”
হারানো সেই দিনের কথা
যেই দিন চলে যায় পরে সেটাই অনেক মধুর মনে হয়। মনে হয় যদি ফিরে পেতাম সেই দিনগুলি।
আজকাল্কার কান্ডকলাপ আমার কাছে মনে হয় যেন বাস্তব কিছু নয়। যেন কোন হীরক রাজার গল্প টাইপ মুভি দেখছি হলে বসে। ভাল লাগেনা। যেহেতু আমিও একজন সচেতন নাগরিক তাই মনে কষ্ট পাই। দূর দেশে বসে অন লাইন আর টি,ভি'র বদৌলতে দেশের সব খবর পেয়ে যাই সাথে সাথেই।
বিশ্বাস হতে চায়না, মন মানেনা, তবুও জানি এটাই সত্যি।
তাই বসে বসে ভাবি, ইস যদি এখনকার দিন গুলি আগের মত হত!
মানুষ মানুষকে কুপিয়ে মারতো না, অনেক মিত্থ্যাচার ছিলনা, পারস্পরিক সন্মানবোধ অনেকটাই বজায় ছিল। ধর্ম নিয়ে কোন বাড়াবাড়ি ছিল না। ধার করা কোন সংস্কৃতি নয় বরং আমাদের নিজেদের যা আছে তাই নিয়ে খুশি থাকা।
দেশ একটাই, জাতিও একটা। কিছুটা মত বিভেদ থাকবেই, কিন্তু তাই বলে স্বপক্ষে আর বিপক্ষে বলে জাতিকে দুই ভাগে ভাগ করে দিয়ে কি আনন্দ, বুঝি না।
আচ্ছা, আমরা আসোলে কবে মানুষ হব, কেউ বলতে পারেন?
নিশ্চয় তাঁর মধ্যে কিছু আছে, আসুন সবাই রেশমার মুরিদ হই
সাভারে ভবন ধসে বহু মানুষ মারা গেলো। ১৭ দিন পর শুধু রেশমা জীবিত ও অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার হলো। কি আচানক কাহিনী!।
নিশ্চয়ই রেশমার মধ্যে বাতেনী এলেম রয়েছে বিধায় সৃষ্টিকর্তা কেবল তাঁর প্রতিই সহায় হয়েছেন। আসুন আমরা রেশমার মুরিদ হই। তাঁহার পড়া পানি পান করি। এতে অশেষ নেকী হাসেল হওয়ার পাশাপাশি রোগবালাই এবং বালা-মুসিবতও হয়তো দুর হবে। রেশমা যদি একটু ভেগ ধরেন তবে ব্যবসাও হবে বেশ।
রেশমাকে জীবিত উদ্ধারের ঘটনার পর বহু মানুষ যেন নতুন করে ঈমান ফিরে পেয়েছেন। পথেঘাটে, বাসে, ব্লগে, ফেসবুকে বহু মানুষ ঘটনাটিকে অলৌকিক অ্যাখ্যা দিয়ে এবং ঈশ্বরের কুদরতের কথা ভেবে পাগলপাড়া হয়ে পড়ছেন। বাসে যাতায়াতের সময় উত্তেজিত কোনো কোনো যাত্রীর কণ্ঠ থেকে আক্রোশমূলক বচন ঝড়ে পড়তে দেখেছি। কি? ‘এরপরও যদি কেও অবিশ্বাস করে...সে কি মানুষ? এদের উচিত শিক্ষা দেওয়া উচিত’।
হঠাৎ করে ঈমানের তেজ অনেকের এতোটাই বেড়ে গেছে যে, মনে হয় কোনো অবিশ্বাসীকে কাছে পেলে ওই যাত্রী নগদে হত্যা করবেন।
আব্দুল কালামের আলোকিত মনের পাঠানুভুতি
ভারতীয় রাষ্ট্রপতি APJ ABDUL KALAM IGNITED MINDS লিখেছেন। অনুপ্রেরণাদায়ী বই হিসেবে ভারতের ভবিষ্যত নাগরিকেরা এই বই পড়ে আত্মমর্যাদাবোধে এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে ভারতকে ভবিষ্যতে বিশ্বে একটি পরাশক্তি হিসেবে গড়ে তুলবে।