ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

"বাংলা গানে বর্ষা" ই-বুকের জন্য আগ্রহীদের অংশগ্রহনের আহবান জানাচ্ছি

হে জনগন, গত বছর বর্ষায় "আমরা বন্ধু" থেকে একটা গান সংকলন নিয়া ই-বুক বানানোর পরিকল্পনা নেয়া হয়েছিলো। আমরা অনেকে তখন ঝাপিয়ে পড়েছিলাম সেই ই-বুক তৈরীর কাজে। কিন্তু সময়ের স্বল্পতার কারনে গত বছর সেটা শেষ করা হয় নাই।

সুতরাং এইবার আমরা বর্ষার প্রথম দিনেই ই-বুকটা প্রকাশ করতে চাই .... ছলে বলে কৌশলে যেভাবেই হউক ।

ই-বুকটা শুধু মাত্র গান দিয়ে ঠাসা থাকবে, বর্ষা নিয়ে যত বাংলা গান আছে সেগুলোর সংকলন। বিভিন্ন ঘরানার বাংলা গান। যেমন - রবীন্দ্র, নজরুল, আধুনিক, হারানো দিনের, ব্যান্ড .... ইত্যাদি।

প্রতিটা গানের লিরিক দেয়া হবে এবং অনলাইনে শোনার লিংক দেয়া থাকবে (ডাউনলোড করার লিংকও দেয়া হতে পারে)।

এখন, প্রথম কাজ হচ্ছে গানের লিস্ট তৈরী করা। এই বিশাল কাজের জন্য আগ্রহীদের অংশগ্রহন করার জন্য অনুরোধ করছি।

আপনারা কমেন্টে গানের নাম দিতে পারেন।

(দয়া করে এখানে কেউ লিরিক দিয়েন না .. সেটা পরে হবে) :

তালাক

জাহান্নামে যাও তোমরা যত রাজনীতিবাজ,
তোমাদের দিলাম তালাক তালাক তালাক ।
দূর হও থাকে যদি কণা মাত্র লাজ,
দেশ-জনতা-গণতন্ত্র এবার মুক্তি পাক ।

হাজার বছর মানুষের রক্ত চুষেছ,
যা কিছু মহৎ সকলই নেশেছ ।
বিনিময়ে হনন, ধর্ষণ, সন্ত্রাস দিয়েছ,
এ দেশের জলবায়ু বিষে বিষায়েছ ।

তোমাদের অশুভ ইংগিতে আজ,
ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে তরুণ সমাজ ।
কলম কেড়ে নিয়ে নিয়ে দিয়েছ বন্দুক,
থুক ! তোমাদের মুখে দিই শতবার থুক ।

সাহিত্যিক, সাংবাদিক যত বুদ্ধিবাজ,
বাংলার মানুষের ঘৃ্না লহ আজ ।
তল্পিবহন, পদলেহন অনেক করেছ,
মহৎ সকল পেশায় কলংক লেপেছ ।

শিক্ষক-ছাত্র, যত আমলা পুলিশ,
এঁকেছ জাতির ভালে কলংকের টিপ ।
ধর্ষণে-মর্ষণে চিতায়েছ বুক,
তোমাদের শিরে খোদার কহর নামুক ।

তালা্‌ক তালা্ক‌, তোমাদের দিলাম তালাক,
এ দেশ-জনতা-গণতন্ত্র এবার মুক্তি পাক ।

অপেক্ষা

..............................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................
আধখোলা জানালার পাল্লা
জানালার এধারে-ওধারে
জড়ানো কিছু
পুরোনো মাকড়সার জাল
ঘরময় অন্ধকারের পায়চারী ।

উপমা”

“উপমা”

উপমা, করো তুমি ক্ষমা..
মনে রেখো না পিুটানে কোনো দোষ.

ক্ষমা করো তুমি আমায়
স্মৃতির কপাটের অন্তরালে

দৃষ্টিহীন চোখে পড়েনি কোনো বিশারতা,
আবেগ বেগে বহমান অশ্রু ধারা

অশারতায় তুমি কেদেঁছিলে খানিকক্ষণ,
বুঝতে পারোনি সে কে..?

অন্তরালের ছায়াতটে
যা ছিল তা শুধু্ কি “উপমা”।

প্লিজ ঘুম হয়ে যাও চোখে, আমার মন খারাপের রাতে..

আজ আমার মন ভাল নেই..।
কারন আর কিছুই না। আজ আমার একটা বন্ধুর খুব মন খারাপ, একটু বেশিই খারাপ।

ক'দিন হল এফবি থেকে একটু ছুটি নিয়েছি,
আর নয়তো এখন আমার স্ট্যাটাস জুড়ে থাকতো সানী জুবায়ের।

আজ আমার মন ভালো নেই
বসছে না মন কিছুতেই
খোলা জানালায় দাঁড়িয়ে
সুদূর আকাশ থেকে কিছু রঙ এনে দাও না
আজ আমার মন ভালো নেই
ভালো নেই ভালো নেই

নদী মরে যায় শুকোলেই
এমন তো কোনো কথা নেই
আবার শ্রাবণ এসে ভরে দিয়ে যায়
তৃষিত নদীর বুক
তেমন শ্রাবণ হয়ে তুমি আজ ভরে যাও না
আজ আমার মন ভালো নেই

আলো নেভে দিন ফুরোলেই
এমন তো কোনো কথা নেই
জোনাকি প্রদীপ হয়ে জ্বেলে দিয়ে যায়
তিমির রাতের মুখ
তেমন প্রদীপ হয়ে তুমি আজ জ্বলে যাও না
আজ আমার মন ভালো নেই
ভালো নেই ভালো নেই

কাছের বা দুরের প্রিয় কোন মানুষের মন খারাপ জানতে পারলে,

[৪] শিরোনামহীন

একটুকরো অন্ধকারের অপেক্ষায় কেটে যায় হাজার দুপুর
দু'হাতের রেখায় জমা হতে থাকে শৈত্যপ্রবাহের ছাপ
মুখের বলিরেখায় অবিরাম কথা বলে ওঠে লু'হাওয়ারা।
সময় পার হয়ে গেলে,
ওড়ার অপেক্ষায় থাকা জোড়া শালিক;
চলে যায় নিজ নিজ পথে।
বিদায়?
বুঝে নেই পড়ে থাকা পালকের গানে,
ভেসে যাওয়া মেঘেদের রঙে।

ভোগদর্শনের ফলাফল বিষয়ক প্রাথমিক আলাপ

ভোগ-ভোগা-ভোগান বা ভোগেন)-তি
আমরা খুব ভোগান্তিতে আছি।
এ কারনেই ভোগান্তিতে আছি যে,আমরা একদা(বা এখনও) এই ব্যবস্থাটাকে ভোগ করেছি(বা এখনও করছি)।আর সে কারনেই আমরা একদা বা এখনও ভুগছি।সর্বশেষ অবস্থা।আমরা ভুগতে থাকবো।

আমরা যে এক সময় এই ব্যবস্থাটাবে ভোগ করেছিলাম,সেটা বরং বাদ্য হয়েই করেছিলাম।নাকখৎ দিয়ে ভোগ করেছিলাম।আর এখন ভোগ করছি দাসখৎ দিয়ে।

তাহলে আমাদের এখন কি হবে?
আমরা কি এখন এবং ভবিষৎ-এ ও ভোগান্তিতে থাকবো?

হয়তো থাকবো!
হয়তো সম ভোগ বা সম্ভোগের মধ্যে দিয়ে হলেও এই ভোগান্তি জারি রাখবো!

না কী?
আমি জানি না!
হয়তো আমরা জানি না!

আপনি জানেন কিছু?
বলুন না প্লিজ

আমরা সবাই শুনি তাহলে নতুন কোন ইশতেহার
যা অমাদের খৎ দিতে বাধ্য করবে না!

বলুন না প্লিজ কিছু একটা,,

ক্ষ্যাপ ০২

ব্যাক টু দি প্যাভেলিয়ন বলা যায় এটাকে কিংবা এক ধরণের পরাজয়ও, দিনাজপুরে কলেজে ভর্তি হওয়ার সময় কিছুটা অসস্তি ছিলো, মহল্লার খেলার মাঠ সংকুচিত হতে হতে এমন একটা পর্যায়ে দাঁড়িয়েছে সেখানে প্লাস্টিকের বলে ক্রিকেট খেলা সম্ভব, মোটামুটি সবাই নিজের নিজের ধান্দায় ব্যস্ত, এর ভেতরে একেবারে নতুন করে নতুন মানুষদের সাথে পরিচিত হওয়ার ধাক্কাটা তেমন লাগে নি, কলেজে পরিচিত মানুষ কম নেই কিন্তু তাদেরও নিজস্ব পরিচিত গন্ডী আছে আর আমার অন্তর্মুখীতা বন্ধুত্বউপযোগী তেমন কিছু না। কলেজের পেছনের বেঞ্চে বসি, ক্লাশ শেষ হয়, হেঁটে হেঁটে দুরের ক্যান্টিনে গিয়ে সিগারেট টানি কিংবা শহরের উপকণ্ঠে যেটুকু গ্রাম্য আবহাওয়া সেখানে সময় কাটাই। রাতে বাসায় থাকি না, গভীর রাতে দিনাজপুর শহরের রাস্তায় হাঁটতে যাই, স্টেশন, হাসপাতাল মোড়, স্টেশন, রেললাইন, বাসা এভাবে ফিরতে ফিরতে রাত ২টা ,৩টা।

এখানে সময়

এখানে সময়
থেমে থাকে না
বয়েও চলে না

এখানে ঘাসগুলো
ধ্বংসাবশেষ থেকে দূরে
বিশ্রাম পায়

আমি আসি
বা যাই

কিছুই
পাল্টায় না

মরুভূমির
অদৃশ্য দেবতার

মহাকাল
বদলে না

আমি
অচরিতার্থ
আকাঙ্ক্ষা

আমি তোমার নামের
ধ্বনিগুলো
উচ্চারণ করেছি

আমি তোমার
চোখের আলো
অনুভব করেছি

আমি তোমার মুখের
গ্রহণ
চিনেছি

স্বস্তিহীন
আমি বানাই
ফাঁসির মঞ্চ

যার দেয়ালগুলো
আমাদের পায়ের নিচে
ভেঙ্গে পড়ে

আমি ভাষাকে
ফেলে এসেছি
আর হেঁটে এসেছি
যুগোত্তরে

এমনকি আমার
পদশব্দের ছন্দও
আমি রেখে এসেছি

এমনকি আমার নৈঃশব্দের
শব্দও
উচ্ছন্নে গেছে

এমনকি নিজের কাছে
ফিরে এলেও
দূরেই থাকি
-সিলভিয়া সুপারভিল

ভূতের ভবিষ্যৎ নিয়ে কথাবার্তা ও বিটলজুস

গত ২৯ এপ্রিলের আনন্দবাজার পত্রিকার প্রধান শিরোনাম দেখে চমকে উঠেছিলাম। আমরা যারা পত্রিকায় কাজ করি তারা সহজে এ ধরণের চমক দিতে পারবো না, সেই সাহস মনে হয় আমরা এখনো অর্জন করিনি। ভারত বা কোলকাতা পেরেছে, কারণ সম্ভবত সিনেমা তাদের জীবর যাপনেরই অংশ।
শিরোনামটা বলি
ভূতেই ভবিষ্যৎ বাঙালির, দেখাল
ব্যতিক্রমী ছবির বেনজির সাফল্য

একটি সিনেমা নিয়েই এতো কথা। আর সিনেমাটার নামও অন্যরকম, ‌'ভূতের ভবিষ্যৎ'।

আগুন....


শ্যামলীতে আজকে সকালে লাগা আগুনের ছবি...

সকালেই বসের ফোন... তাদের বাসার পাশে আগুন লাগছে... দৌড়াইয়া গেলাম অফিস খালি কইরা... অফিসে কিছু অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রপাতি আছে... সিকিউরিটির লোকজন সেগুলো নিয়ে রওনা হলো... আমরা একটা পাশে সর্বৌচ্চ চেষ্টা চালালাম... প্রায় গোটা ৫০ লোক আমাদের... সমন্বিত প্রচেষ্ঠায় একটা সাইডে আগুনকে আর বাড়তে দেই নাই...

অফিস থেকে যাওয়ার সময় মনে হইছিল একবার ক্যামেরাটা নিয়ে বের হই... আবার এটা মনে হইলে ছবি তোলার চাইতে অনেক বড় কাজ হয়তো সেইখানে আছে... নেয়া হইলোনা আসলে ক্যামেরাটা... অনেকেই বলছে চমৎকার কিছু ছবি মিস করলাম... সব ছবি হয়তো তোলা হবে না আমার

চোরাবালি

মা- বাবার ঝগড়া একদম ভাল লাগেনা অথৈ এর। কিছুদিন যাবত প্রতিনিয়ত তাদের ঝগড়া করতে দেখে হাপিয়ে উঠেছে সে। এইতো কিছুদিন আগেও তারা খুব সুখী একটা পরিবার ছিল। মা, বাবা, অথৈ তিনজন মিলে বেড়িয়ে এল মালয়েশিয়া থেকে। সেখানে কত্ত মজা করলো তিনজন মিলে। কিন্তু হঠাত করেই কেন সবকিছু এত দ্রুত বদলে গেল সে বুঝতে পারেনা। বাইরে থেকে দেখলে অবশ্য কখনোই কিছু বোঝা যায়না। এক সপ্তাহ আগেই তার বাবা- মা খুব জমজমাট করে তার জন্মদিন পালন করল। সেখানে দুজনই এমন ব্যবহার করল যেন কিচ্ছু হয়নি, তাদের মধ্যে কোন সমস্যাই নেই। তবে যতোই আড়াল করুক অথৈ জানে যে তারা কেউই এখন ভাল নেই।

আমার স্ত্রীর মৃত্যুর কোল থেকে ফিরে আসা”-প্রথম মা/বাবা হবার অনুভূতি

সকাল থেকে আকাশটা কেমন জানি মেঘলা, মনে হচ্ছে বৃষ্টি হবে, শরীরটাও খুব একটা ভাল লাগছে না, কেমন জানি মেজমেজ করছে, একটা আলসেমো ভাব। 19 ফেব্রুয়ারী, 2008ইং আমার স্ত্রী সকাল থেকে পেইন অনুভূব করছিলেন। বিষয়টি অবশ্য সে আমাকে জানিয়েছিল, কিন্তু খুব একটা গুরুত্ব দেয়নি, ভেবেছিলাম হয়তবা গ্যাসটিকের পেইন-টেইন হবে। এই ভেবে চলে আসি অফিসে, অফিস শেষ করে বাসায় ফেরার পর সে আমাকে বিষয়টি আবারও অবগত করে, তখন কথাটি আর ফেলে দেওয়ার মত উপক্রম ছিল না। অনেক সিদ্ধান্তের পর তাকে প্রথমে নিয়ে যাই আজিমপুর মা ও শিশু স্বাস্থ্য ক্লিনিকে, ওখানে সবোর্চ্চ 30 মিনিট চেকআপের পর ডিউটিরত ডাক্তার জানালেন ও কিছু না, ঠিক হয়ে যাবে।অতঃপর সেখান থেকে বের হয়ে আসি বাসার উদ্দেশ্যে, ফেরার পথে ব্যাক সাইডে আবারও জোড়ালো পেইন শুরু হল। তখন কোন উপায়ন্তর না দেখে সিএনজি ড্রাইভারকে নিয়ে মগবাজার আদদীন হাসপাতালে চলে আসি। আদদীন হাসপাতালের ডাক্তা

বাড়ী ও বন্ধু

এর আগে কেউ মোবাইলের বাংলা কি প্যাড দিয়ে পোষ্ট লিখছে কিনা তা আমার জানা নাই। তবে এই অন্ধকারে কারেন্টহীন অবস্থায় ভাবলাম আকাশে মেঘের গর্জনে এই অল্প চার্জ দিয়ে একটা পোষ্ট লিখলে মন্দ হতো না। লেখা যায় অনেক কিছুই। অনেক ভাবনাই মাথায় আসে কিন্তূ তা আর লেখা হয় না সময় সুয়োগের অভাবে। যেমন বলা যায় জামালপুরে আছি গত চারদিন যাবত এর ভিতরে একদিন ছিলাম এক মামার বিয়ের কারনে গেলাম রাজশাহীতে। কত কিছুই ঘটে গেলো। রাজশাহীতে যেয়ে মোবাইলের কারনেই ১২ বছর পরে এক স্কুল ফ্রেন্ডের সাথে দেখা করলাম। দেখলাম সে অনেক ম্যাচিউরড আমি নিতান্তই ছোট মানুষ সেই তুলনায় । তার বাবা মারা গেছে, বোনের বিয়ে হয়েছে, তার বড় তিনভাই সবাই বিয়ে করে আলাদা, বন্ধুদের কারনে একটা দুই নম্বর মামলা খেয়ে রাজশাহীর যত বড় নেতা খেতা আছে সবাইকে সে চিনে ভালো খাতির। ইতিহাসে মাশ্টার্স করছে রাবি থেকে এখন পুলিশের সার্কুলার আর বিসিএস দেয়ার জন্য বসে আছে। লোকজন আছে চাকর

অসমাপ্ত ঝিকিমিকি গল্প

সেবার আমাদের ডিপার্টমেন্ট থেকে ছেলেমেয়েদের জন্য ইন্টার্নশীপ অফার করা হয়েছিলো। প্রতিবছর এ অফার করা হয় না। ডানিডা নামের একটা প্রতিষ্ঠান আছে। শুধু ওরা যখন টাকা দেয়, তখন ছেলেমেয়েরা সুযোগটা পায়। আমাকে বলা হলো, ক্লাসের ফার্স্টবয় সজলের সঙ্গে ডেনমার্কে গিয়ে ইন্টার্নী করতে হবে। ভালো লাগলো। এই সুযোগে বিমানভ্রমণ হবে। কিছুদিন পোড়ামন নিয়ে পোড়া শহরে ঘুর ঘুর করতে হবে না এবং একই ছকে বাঁধা জীবনটাকে রিপিট করতে হবে না। অনিশ্চয়তা আর উত্তেজনা নিয়ে আমরা দু'জন ভাইকিংদের রাজ্যে পদার্পণ করার জন্য অপেক্ষা শুরু করলাম। ভিসা পেতে জটিলতা পোহাতে হলো না। ডানিডা'র সব বন্দোবস্ত যারপরনাই ভালো ছিলো।

অনুসন্ধান

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com।

● আজকের ব্যানার শিল্পী : রাসেল আশরাফ

ব্যানারালোচনা