অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য ও ৩৬ জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

পার্ট ওয়ান!!

"মামুন, এই মামুন!"
মামুনের কোন সাড়া শব্দ নেই। মামানি আবার ডাক দেয়,
"ওই নবাবজাদা! তুমি কি বাপের রাজত্ব পাইছো এইখানে। এত বেলা পর্যন্ত ঘুমাও!"
মামানি মামুনের ঘরের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন। ঘরের দরজা বন্ধ। এই ঘরের দরজা তিনি কোনদিন বন্ধ দেখেননি, আজ প্রথম দেখছেন। এতেই তার মনে সন্দেহ জাগছে। এই মাঘ মাসের তীব্র শীতের মধ্যেও তিনি এতক্ষণ হল এখানে দাঁড়িয়ে আছেন। গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মত শিশির পড়ছে। গত সপ্তাহেই ইন্ডিয়া থেকে আনা গায়ের শালটা ভিজে একাকার। তারপরও তিনি মামুনের ঘরের সামনে থেকে নড়ছেন না। বেশ কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে তিনি বিরক্ত হয়ে দরজায় ধাক্কা দেয়া শুরু করলেন। মামুন তবু দরজা খুলছেনা। এই শীতে এতক্ষণ বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা সম্ভব না, তিনি ঘরে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন। যাওয়ার আগে মামুনের ঘরের দরজার কাছে মুখ লাগিয়ে হুমকি দিয়ে আসলেন,

অলস চেতনার আস্ফালন

কষ্ট হচ্ছে
মাথায়, বুকে, পায়, ভাবনায়
ইচ্ছে করছে না
লিখতে, পড়তে, বলতে, ভাবতে।
নষ্ট হচ্ছে
আমার ঘর, বিছানা, বালিশ, সময়
জামা কাপড়, স্যান্ডেল।
ভেঙে পড়ছে
আমার শরীর, মন, পথ ঘাট
বই, খাতা, কী বোর্ড, সিগারেটের আগুন, স্পাইনাল কর্ড।
নিঃশ্বাস ছাড়া আজ আমি পারব না কিছু দিতে কিংবা নিতে
এক জোড়া লাল চোখ ছাড়া আর কিছুই এখন নেই আমার।

we all live in a yellow submarine!

শরীরটা ভালো না নিয়ম করেই। ব্যাকপেইনে প্রচন্ড যন্ত্রনায় আছি আর তার সাথে আছে এসিডিটি। তবে তাতে আমার খুব একটা সমস্যা নাই। শরীর ভালো মন্দ যা খুশী থাকুক, আমার চলে যাচ্ছে দিন সব সময়ের মতো। খালি ডেইলি বেসিসে ব্লগ লেখা হচ্ছে না, এই যা। সময়ের স্বল্পতা না, এমনিতেই কেন জানি লেখা হচ্ছে না। প্রতিদিন রাতে নিয়ম করে বসি কিন্তু লেখা আর হয় না। এই ফেসবুক এই ইউটিউব এই নিউজ সাইট এইসব করে করেই দুটো তিনটা বাজাই। মাথাভর্তি খালি তথ্য গিজগিজ করে ঢুকাই, কিন্তু বেলা শেষে কিছুই মনে থাকে না। যে স্মরনশক্তি নিয়ে আমার অহমবোধের শেষ নেই তাই কেমন জানি মার খেয়ে যাচ্ছে দিনের পর দিন। কাল জেমসের সাথে লাকী আখন্দের গান নিয়ে কথা হচ্ছিলো। কিছুতেই মনে আসছিল না 'আগে যদি জানিতাম' এই সামান্য তিনটে শব্দের কথা। বাসায় এসে মনে পড়লো, নিজেকে নিজেই গালি দিলাম, ধুরো এইটা একটা কথা হলো?

সোনালী চুলের পুতুল

চলন্ত বাসের জানালার কাঁচের উপর বৃষ্টির ফোঁটা পড়ছে। বৃষ্টির ছাটে জানালার এপাড়েও ঘোলাটে হয়ে আছে। তানিয়া বারবার হাত দিয়ে কাঁচ পরিষ্কার করে তাকিয়ে আছে চলন্ত দৃশ্যের দিকে। গ্রাম জলা গাছপালা পুকুর ঘরবাড়ি সব দ্রুত বেগে পেছনে পড়ে যাচ্ছে, সেই সাথে তানিয়া তার বাড়িকে ফেলে আসছে অনেক দূরে। আসার সময় ছোট ভাইবোন দুটি বারবার তাঁকে জড়িয়ে ধরছিল আর বাবা মা দুজনেই নিরবে কাঁদছিল।

ছবি ব্লগ: হঠাৎ বান্দরবনে একদিন :)

ইটকাঠ ঘেরা এই পাথরের শহরেতে হৃদয়ের কারবার? লোকসান বারবার। বাট... আমরাতো হৃদয়ের কথা বলিতে ব্যাকুল... তাহলে? উপায় একটাই... আমরা সবুজে বাঁচি... সবুজে থাকি... সবুজ করি আমাদের এই মন... চির সবুজ এই দেশের সবুজ গালিচায় গড়াগড়ি করে সবুজ হয়ে আবার কর্মোদ্দিপনার সংগ্রহ নিয়ে ফেরা।

হুটহাট আয়োজন ছাড়া আসলে কিছু হয় না... তারপরেও ঋহানের কথা মাথায় রেখে কিছুটা হিসাব নিকাশ... রবিবার জন্মাষ্টমীর ছুটি হওয়াতে প্রায় ৩ দিনের একটা লম্বা অবসর। অনেক দিন ঢাকার বাইরে বের হওয়া হয় না... কিছুটা হাঁসফাঁস ছিলোই Smile ... এমন সুযোগ কি কখনো হাতছাড়া করা যায়? এবারের ট্রিপ বান্দরবন এবং তার আশপাশ...

মনখারাপের দিনলিপি

আমরা কেউ না কেউ খুন হয়ে যাচ্ছি। প্রতিদিন। যেন বা খুন হয়ে যাবার জন্যই আমরা জন্ম নিয়েছি। খুন হতে পারাই আমাদের যোগ্যতা। আমাদের অনতিক্রম্য নিয়তি!

বন্ধুরে, তোদের মন পাইলাম না!

অনেকদিন পর গতকাল রাতে চা পানের সেই ফেলে আসা সময়কে ফিরিয়ে আনলাম। এক সিটিংয়েই হাফডজন কাপ ভর্তি চা, বাপের ঘরের কথা। কতদিন খাওয়া হয় না এরকম করে। চায়ের দোকানে দুই কিংবা তিনকাপের বেশী চা এখন ভুলেও খাই না। বসেই থাকি শুধু বেঞ্চে। আজ খেলাম তার কারন আছে, কারন গতকাল সন্ধ্যায় পুলকের জন্মদিন ছিল। কিন্তু দুঃখের কথা হলো আমার কাছেও টাকা নাই, পুলকের কাছেও টাকা নাই, আবীরের কাছেও টাকা নাই। তাই বারেক সাহেবের দোকানে বাকী চাহিয়া লজ্জা দিয়ে দেদারসে নিজেকে ও সবাই মিলে চা সিগারেট খাওয়ানো হলো। আমি যেহেতু সিগারেট খাই না সেহেতু চা খেয়েই সন্ধ্যার খিদেটার একটা দফারফা করলাম। চেচামেচি করে এক আড্ডা দিলাম। তারপর আবার আমার এক পরিচিত মামা, ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগ নেতা মদ খেয়ে মাতাল, তার সাথে মশকরা করলাম। আমাকে মুগ্ধ করে সব সময় মাতালরাই। মাতালরা এত অদ্ভুত এক জাতি হয়ে যায় মদ্যপানের, পর তা এক দেখার মত সিন। একটু আগেই যে হাজী সাব হয়ে

মিঁয়ায়ায়ায়ায়াও..

অচেনা এক বেড়াল ছানা,
নেই তো কোন চিন পরিচয় -
হঠাত্‍ দেখা;
তাতেই বুঝি খুব সে চেনা।

এক নিমিষে,
হঠাত্‍ করেই;
খুললো বুঝি স্মৃতির দুয়ার।
খুলতে দুয়ার,
স্মৃতির প্রহর;
লাল সাদা বল -
রোমশ কত বেড়ালছানা।

অসময় কিংবা সময়,
উচিয়ে লেজ খানি তার;
ঘেঁসে গা পায়ের সাথে -
দুরে তায় যায় না ঠেলা।

শীতে তার,
মোদের সাথেই স্বপন বোনা।
লেপের নীচে কুসুম গরম,
ভেড়া নয়;
দুধ আর মাছ যে গোনা।

দুষ্টুমি আর তিড়িংবিড়িং,
তারই মাঝে -
একেকটা ক্ষন হাতের কাছে;
ঠিক সে হাজির।

বুঁজে চোখ,
উচিয়ে গলা
খেয়ে যায় আদর শত।
খুনসুঁটি?
তাও সে বোঝে,
আলতো কামড়;
আচড় কত।

স্মৃতির দুয়ার বন্ধ হতেই,
কল্পনাতে ফিরলে হঠাত্‍;
মিষ্টি সুরে
যায় যে শোনা -

মিঁয়ায়ায়ায়ায়ায়াও..!

সিদ্ধান্ত

প্রতি মুহূর্তের প্রতিটা সিদ্ধান্তের সম্মিলিত ফলাফল জীবন। পরিস্থিতি বিবেচনা করে একটামাত্র সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং সেই সিদ্ধান্তে স্থির থেকেই পরবর্তী ঘটনাগুলোর মুখোমুখি হওয়ার ভেতরেই জীবনের আনন্দ-বিভ্রম-সংশয়- জটিলতা। এরপরও আমরা প্রতি মুহূর্তেই সিদ্ধান্ত নেই। পোশাক-পরিচ্ছদ থেকে শুরু করে দুপুর-রাতের খাওয়ার মেন্যু আমাদের সারাদিনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সিদ্ধান্তের ফলাফল এবং যতই হালকা করে দেখি না কেনো এই প্রতিটা সিদ্ধান্ত কোনো না কোনোভাবে ভবিষ্যতকে প্রভাবিত করে। সময়ের সাথে প্রতিটা সিদ্ধান্তের গুরুত্ব বাড়ে, পরিণামের ভয়াবহতা বাড়ে, অর্থমূল্য এবং ধকলের পরিমাণও বাড়ে, ফলে একটা নির্দিষ্ট বয়েসের পর শুধুমাত্র শার্টের রঙ আর খাওয়ার মেন্যুর বাইরে বড় কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয় না।

অন্যরূপ

জীবন মানেই দেয়া আর নেয়া । শুনলেই মনে হয় যেন লেন দেন ।
খুব ঠুনকো আর সস্তা মনে হয় এমন শুনলে । কিন্তু জীবন মানে আসোলেই তাই ।
দেয়া নেয়া না হলে সম্পর্ক গভীরতা হারায় । তারপর আস্তে আস্তে কোথায় যেন একেবারেই হারিয়ে যায়।

মানুষের বাইরের চেহারা রক্ত মাংশের হলেও আসোলে ওটা কিন্তু একটা মুখোশ ছাড়া
আর কিছু নয় । সব মানুষের দুইটা রুপ আছে । একটা সবাই দেখতে পায় ,আরেকটা খালি চোখে দেখা যায়না কিন্তু চেষ্টা করলেই উপলব্দি করা সম্ভব।

মানুষের দুই রকম চেহারা চিনতে না পারাই মঙ্গল। চিনতে পারলে কষ্ট বাড়ে।
বাবা মা, ভাই বোন, আত্মীয়স্বজন, ছেলে মেয়ে, স্বামী স্ত্রী, শালা শালী, দেবর ননদ, প্রতিবেশী, সহপাঠি, সহকর্মী, প্রেমিক প্রেমিকা , বন্ধু বান্ধবী, নেতা কর্মী, মনিব কর্মচারী -কত রকমের সম্পর্ক আছে। সব সম্পর্কই টিকে থাকে দেয়া নেয়ার কারনেই। দেয়া নেয়া কম হলে সম্পর্কে টানা পোড়ন শুরু হয়ে যায়।

আমাদের ঘরে ঘরে রাজনৈতিক নেতা প্রয়োজন একজন করে......

আমাদের ঘরে ঘরে রাজনৈতিক নেতা প্রয়োজন একজন করে......

কথাটি ক্ষোভের নয়, বাস্তবতা বিবেচনায়। এই দেশে সবকিছুতে রাজনৈতিক মেরুকরণ এমন অবস্থায় পৌঁছেছে যে হয় চুপ চাপ সকল অত্যাচার সহ্য করে যেতে হবে নতুবা প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ হতে হবে। একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হয়ে আজ একথা বলতে বাধ্য হলাম।

ক্লান্ত পথিক

ক্লান্ত পথিক
----------------

chola

ছুটে চলেছি
অজানা লক্ষহীন সময়ের পদচিহ্ন ধরে ,
জীবন নামে
আঁকা বাঁকা পথে পথে।
ছুটে চলার ক্লান্তিতে
রণ ক্লান্ত পথিক আমি
ছুটে চলেছি
সুতা কাটা ঘুড়ির মত
আন্ধ ভাবে জীবনের স্রোতের টানে।
জীবন শুরুর তেজদিপ্ত মনে
জমেছে ক্লান্তি , ঘুণে ধরা ইচ্ছে গুলিই
জমেছে না পাবার অপূর্ণতা।
তার পরেও ---
টেনে চলেছি নিজেকে
ভার বাহী পশুর মত,
ছুটে চলেছি তবুও
হাজার বছরের ইতিহাস হয়ে
হারানোর কিছু নেই বলে।
লক্ষ নেই স্বপ্ন নেই তবুও চলা
সামনে এগিয়ে যাওয়া
পিছনে রেখে পদচিহ্নের বক্র রেখা।
২১-০৮-১৪ইং,১.৪৩am

এতদিন কোথায় ছিলে

এতদিন কোথায় ছিলে
এতদূর পথ হেঁটেছি আমি
এত আঁখি জল ফেলে

এতদিন কোথায় ছিলে
সবকিছু আজ হারিয়ে ফেলেছি
নাই কেহ কোন কুলে

এতদিন কোথায় ছিলে
বাহির পানে তাকিয়ে থেকেছ
দেখনি এ মুখ তুলে

এতদিন কোথায় ছিলে
আপনাকে আজ ভুলেছি আমি
জানি না সে কোন ভুলে

এতদিন কোথায় ছিলে
বহু সাধনায় গাঁথা মালাটাও
ফেলে দিয়েছি জলে

এতদিন কোথায় ছিলে
আমার সাধের ঘরখানিও
হারিয়েছে কোন তলে

এতদিন কোথায় ছিলে
হাত দুটি তুমি দাওনি বাড়িয়ে
পাছে লোকে কিছু বলে

এতদিন কোথায় ছিলে
বল না
এতদিন কোথায় ছিলে

গণমাধ্যমে শেখ মুজিবুর রহমান

১৯৭৫এর ১৫ই আগস্ট থেকে ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করার আগ পর্যন্ত শেখ মুজিবুর রহমান সরকারনিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যমে ব্রাত্য ছিলেন এই সত্য অস্বীকারের কোনো উপায় নেই। কিন্তু শুধুমাত্র আওয়ামী লীগের নেতা হিসেবেই শেখ মুজিবুর রহমানের অস্তিত্ব স্বীকারে বাংলাদেশের গণমাধ্যম অনাগ্রহী ছিলো কিংবা শেখ মুজিবুর রহমানের কথা বলার জন্যে লোকজনকে সরকারি রোষের মুখোমুখি হতে হয়েছে এটা সচেতন রাজনৈতিক মিথ্যাচার। শেখ মুজিবুর রহমান নিহত হওয়ার পর ২১ বছর গণমাধ্যম থেকে নির্বাসিত ছিলেন এটার অন্যতম কারণ সরকারনিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যম যে কাঠামো মেনে গড়ে উঠেছে এবং যে কাঠামো ও নীতিমালা অনুসরণ করে সরকারনিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যম সম্প্রচারিত হয় সেই গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রন কাঠামো সব সময়ই রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিষ্ঠিতদের চেহারা দেখাতেই ব্যস্ত ছিলো এবং এই গঠনকাঠামোতে সম্ভবত এক ধরণের অলিখিত বিধি আছে- যে বিধি অনুসারে সরকারের বিরোধী মতবাদকে সম্

এই শহরের স্বপ্নগুলো লুকিয়ে যায় সব আঁধারে!

লিখছি না, লিখছি না করে চলে গেল এক সপ্তাহ কিংবা তারও বেশী কিছু দিন। না লিখলেও নিয়ম করে ব্লগ দেখি। নতুন লেখা আসলে পড়ি, পুরোনো লেখাও পড়া হয় মাঝে মাঝে। নিজের লেখা পড়ি কম, কি পড়বো সব একই কথা বারবার নানান শিরোনামে লেখা। বৈচিত্র্যতা নেই একদম। তাই নতুন লেখা লিখতে বসেই এখন ঝুকি নিতে হয় নিজের কাছেই। যে একই কথা আর কতবার লেখবো! তাও সময় পেলেই সে সহজ ঝুকিতেই গা ভাসিয়ে লিখতে বসি। লিখি কি আর করা যাবে। লিখতে পারিনা তেমন ভালো কিছু। আমার মতো প্রতিভাহীন মানুষ না হয় একটু ভাড়ামী করে একই কথা একই রকমের দিনলিপি লিখেই গেল একটা শীতল ব্লগে। তাতে কার আর কি আসলো গেল?

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা