অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য ও ২৬ জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

প্রিয় বাংলাদেশ

তুমি ভালো নেই, তাই না?

যদিও আমি নারীবাদী নই

আমার বন্ধুর মা, পাগল । পাগল মা, তিন ভাই এবং আমার বন্ধুর বাবা, আমরা এক ই মহল্লায় থাকি। খালাম্মা আমাদের সমানে ই পাগল হলেন। তখন আমরা মাত্র মাধ্যমিক স্কুলে ঢুকেছি। খালাম্মা খুব চুপচাপ মানুষ। বেশ বই টই পড়তেন। খুব সাধারন জীবন যাপন করতেন। নিজের একটা জগত ছিল তার। মহল্লার মহিলা গসিপিঙ্গ বা শাড়ি গয়না গ্রুপের একটু বাইরে ই ছিলেন। ছেলেদের পড়া শুনা নিয়ে বেশ যত্নবান ছিলেন। নিজে ই পড়াতেন। আমার বন্ধু তার বড় ছেলে যখন ষষ্ঠ শ্রেণীতে এবং ছোট ছেলে যখন আমার ভাইয়ের সাথে চতুর্থ শ্রেণীতে, তখন ওনি সন্তান সম্ভবা। চাচা তখনকার সময়ের সরকারী চাকুরীজীবীরা যেমন ফিট ফাট গোছানো, তেমন ই ছিলেন। শান্ত- শিষ্ট, পরোপকারী, সাধারন মানুষ। বেশ অসুস্থ ছিলেন খালাম্মা সেই সময়টায়। কিছুদিন পর আরেকটি ছেলের মা হলেন। এবং পর পর ই জানতে পারলাম যে খালাম্মা পাগল হয়ে গিয়েছেন। চাচার ওনাকে বন্দি করে রাখতে হচ্ছে। এলাকায় সবাই কানাঘুসা………ঘটনা কি?

চোখ বুঁজিলেই দুনিয়া আঁধার

পথিক, তুমি কি পথ হারাইছো ?
না, আমি হারাইছি দিশা।
তাবৎ সমস্যার মাঝে বসতি আমার।
কোনোভাবেই টিউনিং হচ্ছে না। চেষ্টার কোনো কমতি নেই।
যে, যার মতো করে চলছে। যা খুশি করছে। কেউ কোনো সিস্টেমের মধ্যে থাকতে চাচ্ছে না। শুধু বিদ্যুৎ বা গ্যাস খাতে নয়। জীবনের পরতে পরতে সিস্টেম লস।
এই জীবনের যা কিছু অর্জণ, সবই কি তাহলে ভুল ?
চাওয়া আর সাধ্যের মাঝে কেনো এত্ত ফারাক।
কেনো এই মিছে ভুল বোঝাবুঝি।
চোখ মুদলেইতো জাগতিক সব কিছুর পরিসমাপ্তি।
আর একদিনতো চোখ মুদতেই হবে। সবাইকে।
এ থেকে কারো নিস্তার নেই।

মা আর প্রেয়সী

মা আর প্রেয়সীর ভালবাসার পার্থক্য
গত কালই বুঝতে পারলাম, গুমের ওউষদ
খেয়ে যখন অচেতন, চেতন ফিরে দেখি
মা কাঁদছে আর প্রিয়া ফেইসবুকে চ্যাট
করছে। এই হল ভালবাসা। সেই গানটির
কথা খুব মনে পরছে, মায়ের কান্দন যাবত
জীবন
কয়েক মাস যায় বইনের কান্দন গো,
ঘরের পরিবারের কান্দন
কয়েক দিন পর থাকে না,
গর্বধারিণী মা ,জনমদঃখিনী মা,
দঃখের দরদী আমার জনম
দুঃখী মা।
অথচ দেখুন মায়ের কথা সারাদিন যত বার না ভেবেছি, তার চেয়ে বেশি ভেবেছি প্রেয়সীর কথা।।।।

দুঃসংবাদ

সুখকর কোনও খবর নেই আপাতত
হতাশাগ্রস্ত তরুন-তরুণীরা বিদায় নিয়েছে অনেক আগেই
বুড়ো সিগারেটওয়ালাটাও নিকোটিনের ভাণ্ডার উজাড় করে দিয়ে
চলে গেছে
রাস্তাগুলো আমাকে বিদায় জানিয়েছে তারও আগে
দিন শেষে আমি ফিরে গেছি আমার বিষণ্ণ কামরায়
আমাকে গিলে খেয়েছে বদ অভ্যাসেরা
আক্রান্ত করেছে আলস্য
দংশন করেছে দুশ্চিন্তা
শীর্ণ হয়েছে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ আর বেশভূষা
মনে হচ্ছে আমিও আর মানুষ নই এখন

এ সংবাদ যথেষ্ট আনন্দের নয়
তবে এইমাত্র আবার বৃষ্টি নেমেছে
তোমরা ইতোমধ্যে উপভোগের আসর সাজিয়ে নিয়েছ
গান অথবা কবিতায়
সে আসরে সমাদৃত হবে-এমন খবর নেই এখানে।

বাংলাদেশের দর্শককুল...

একটা সময় ছিল যখন ঢাকা স্টেডিয়ামে মোহামেডান আবাহনীর জাম্পেস খেলা হইতো... গ্যালারী টিকেট পাওয়া যেত না। খেলার দিন মাঠের কাউন্টারে বিশাল লাইনে টিকেট কেনা... সদলবলে খেলা দেখা... প্রতিটা মহল্লায় দুই দলের সমর্থকদের পতাকা টাঙ্গানোর প্রতিযোগীতা... আসলে সে এক উত্তাল সময় ছিল।

মোহামেডানের বিশাল একটা সমর্থকগোষ্টি ছিল ঠাটারী বাজার টু নয়াবাজারের কসাই সম্প্রদায়। শোনা যেত সেই সময় মোহামেডান বিজয়ীর দিন মাংসের দাম কমাইয়া দেয়া হইতো।

ঢাকা স্টেডিয়ামের শেষের দিনগুলোতে মাঠের দর্শকদের অশ্রাব্য ভাষায় গালাগালির সাথে তখন থেকেই পরিচিত। মাঝে মাঝে মনে হইতো কানে তুলা দিয়া খেলা দেখতে যাই। খেলা চলাকালীন সময়ে ঢাকা স্টেডিয়ামের নিচ দিয়ে হেটে যাওয়া পথচারীদের বৃষ্টিছাড়াই ভিজে যাওয়ার কথা নাই বা বলি Wink

আমাদের সমাজ

সমাজ বলতে আলাদা কোন বস্তু নয় বরং একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে মানুষের জীবনধারা, আচারণ-আচরণ ও জীবন ধারার একটা ছককেই বুঝি মশাই। আমি যে সমাজে বড় হয়েছি সেটি খুব উন্নত নৈতিক সমাজ না হলেও যে বর্বর তা বলা যাবে না। ছোট বেলায় যখন স্কুলে যাই তখন মালাউন, মুসলিম এই শব্দগুলোর সাথে পরিচিত হই। ছোট বেলায় বুঝতে পারি; মালাউন একটি নেতিবাচক শব্দ। পিতার কাছে জিজ্ঞেস করলাম মালাউন অর্থ কী? পিতা বলল-যারা বলে তারা না বুঝে বলে এর অর্থ জানার দরকার নেই। কেউ এই নামে ডাকলে উত্তর দেবারও প্রয়োজন নেই। আমার এখনো মনে আছে আমি আমার বাবাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম বাবা মুসলিম কী? বাবা বলেছিল এটা একটা নাম। আমরা সবাই মানুষ এটাই আমাদের পরিচয়। কর্মই ধর্ম এটাই হল আমার বাবার দর্শন। তাই হয়তো কখনো ধর্ম বা হিন্দু-মুসলিম নিয়ে মাথা ঘামানোর ব্যগ্রতা জাগেনি মনে। তাই মানুষের সাথে মেশার ক্ষেত্রে ধর্মীয় চিন্তা ও আঞ্চলিকতপ্রীতি ছিল বিচারহীন ভাবে।

সীসার রাজ্যে পৃথিবী নুডলসময়

বিগত বেশ কয়দিন যাবৎ নুডলসে সীসা পাওয়া গেছে শুনতে শুনতে ভাবলাম সীসার উপস্থিতি নিজে নিজে সনাক্ত করা যায় কিনা। আর করা গেলে সেটা কেমন কঠিন আর ব্যায়বহুল হতে পারে তা জানার চেষ্টা করলাম। উন্নত দেশ গুলোতে "লেড ডিটেকশন কিট" কিনতে পাওয়া যায় আর তা দিয়ে ১৫ মিনিটের মধ্যেই সীসার উপস্থিতি নিশ্চিত করা যায়। আমাদের দেশে খোঁজ করে দেখলাম এমন কিছু পাওয়া যায় না (হয়তোবা আমার সোর্স ভালো না, অন্যরা খুঁজে দেখতে পারেন)। যাই হোক কাজের কথায় আসি। এখানে আমার এক বন্ধুর কাছে জানতে পারলাম সেই লেড ডিটেকশন কিট চাইলে নিজেই বাসায় বানানো যায়। তার কাছে যা শুনলাম তা হুবহু তুলে ধরলাম।

কি কি লাগবে

১) কটন সোয়াব / কান পরিষ্কার করার জন্য তুলা যুক্ত কাঠি
২) পরিষ্কার ডিসপোজেবল প্লাস্টিক কাপ
৩) সাদা রংয়ের পরিষ্কার ডিসপোজেবল প্লেট / থালা
৪) রাবিং এ্যালকোহল (ইথানল) বা নেইল পলিশ রিমুভার (এসিটোন)

অভিমান নাকি নিস্পৃহতা

দিনের পর দিন কারো সাথে কথা না বললে কী হয়
মনের মধ্যে আর কোন গল্প জমে না
কারো জন্যে কোন অপেক্ষা থাকে না।
সবকিছুতেই কী একটা অদ্ভূত নিস্পৃহতা।
আকাশে বড় একটা চাঁদ উঠলে মনে হয়, কী যায় আসে
ভরা পূর্ণিমায় পৃথিবীর গাছপালা হেসে লুটিয়ে পড়লে মনে হয়, বয়েই গেলো তাতে।
রঙিন ফুলে প্রজাপতির ওড়াওড়ি খানিকক্ষণ চুপটি করে দেখার পর
হয়তো অজান্তেই মৃদু নিঃশ্বাস বেড়িয়ে যায়
কিন্তু কী অদ্ভূত জানো
এই নিঃসঙ্গতার মধ্যে অন্য একটি মাদকতা আছে।
কাউকে ছুঁয়ে না ছুঁয়ে থাকার অন্যরকম ভাললাগা
যার নাম জানা যায় না, যার আসলে কোন নাম নেই।

কল্পনা করতে ভাল লাগে, আচ্ছা কেউ থাকলে কী হতো?
মনের মধ্যে নিশ্চয় কথার ঢেউ বুদবুদ ফুটাতো
সারাদিনের সারাবেলার অর্থহীন টুকিটাকি তাকে হয়তো জানাতে ইচ্ছে করতো
তার গলা জড়িয়ে ধরে কী লুটিয়ে পড়তাম?
সে কি এই আকুলতা অনুভব করতে পারতো?

আমের গপ্পো

চাঁপাই থেকে কিছু আম আনালাম। ল্যাংড়া আর গোপালভোগ। বাসায় লোকবল ৪ জন। বড় পুত্র ক্ষাণিকটা আম পছন্দ করে। সমুদ্দুর একদমই না। মোবাইলে গেম খেলতে দেবো বললে এক পিস খায়। মুখের ভাব দেখে মনে হয়-তিতা ওষুধ খাচ্ছে।
কিন্তু আমের প্যাকেট খুলেতো মেজাজ খারাপ আমার। আমের জাত ঠিকাছে। মাগার সব আম ছোটো। যে পাঠালো তাকে জানালাম। সে স্যরি টরি বলে একাকার। পারলে পা ধরে ক্ষমা চায়। লাভ কী ?
গতকাল এসএ পরিবহন থেকে ফোন করলো। আমার নামে এক খাঁচি আম এসেছে। কোত্থেকে, জানতে চাইলাম। বললো, চাঁপাই থেকে। ওই বেটা আবার আম পাঠাইছে। গেলাম। আমের খাঁচি নিলাম।
বাসায় গিয়ে খুলে দেখলাম, এবারের আম মোটামুটি বড়। ওই লোককে ফোন করলাম। আবার কেনো আম পাঠাইছে, জানার জন্য। বেটা বলে কী, স্যার, আগের আম ছোট পড়ছে। আমি লজ্জিত। তাই আপনের জন্য আবার আম পাঠাইলাম। কত কেজি ? দাম কত ?

প্যারেডি গানের কী ছিরি...

অনেকদিন আগে কোনো একজন বিবাহিত লোকের মুখে শোনা গান।
'তুমি কি দেখেছো কভু, জীবনের পরাজয়। দুখের দহনে করুন রোদনে তিলে তিলে তার ক্ষয়' এর প্যারেডি গান এটি:

সাধে কি বলিগো আমি
এ জীবন জ্বালাময়
বিয়ার পরেতে
বউয়ের জ্বালায়
তিলেতিলে মোর ক্ষয়।।
প্রতিদিন কত শালা-শালী আসে
বোনের খবর নিতে
সারারাত মোর বাইরে কাটে
মশার কামড়েতে।
নিউমার্কেটে পকেট আমার
শূণ্য হয়ে যায়
মুদির দোকানে বাকীর খাতাটা
পূর্ণ রয়ে যায়।
এক সাধের বউ তবু মোর
মুখ ভার করে রয়...
বিয়ের পরেতে বউয়ের জ্বালায়
তিলে তিলে মোর ক্ষয় ।।
স্নো-পাউডার-গহনা পর্লার
প্রতিদিন বায়না
হাইহিল আর সিনেমা ছাড়া
তাকে মানায় না
এই করে করে পকেট আমার
শূণ্য হয়ে যায়
মুদির দোকানী আমার দিকে
আড় চোখে তাকায়
এত সাধের বউ তবু মোর
মুখ ভার করে রয়...
বিয়ার পরেতে
বউয়ের জ্বালায়
তিলেতিলে মোর ক্ষয়।।
সাধে কি বলিগো আমি
এ জীবন জ্বালাময়
বিয়ার পরেতে

জিয়াউর রহমান

১৫ খন্ডে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র প্রকাশিত হয়েছিলো। ৯ম খন্ডে স্বাধীনতা যুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধের সাক্ষাৎকারভিত্তিক বর্ণনা আছে। চট্টগ্রামে প্রতিরোধ যুদ্ধে অংশগ্রহন করা শমসের মুবিন চৌধুরী এবং হারুন আহমেদ চৌধুরীর সাক্ষাৎকার আছে সেখানে। কি প্রক্রিয়ায় চট্টগ্রামে প্রতিরোধ যুদ্ধ শুরু হলো তার কিছুটা বর্ণনা সেখানে পাওয়া যায়। শমসের মুবিন চৌধুরীর সাক্ষাৎকারটি নেওয়া হয়েছিলো ২০শে অক্টোবর ১৯৭৩ এবং হারুন আহমেদ চৌধুরীর সাক্ষাৎকারটি নেওয়া হয়েছিলো ১৭ই জানুয়ারী ১৯৭৫ এ।

২৩শে মার্চ খালেকুজ্জামান চৌধুরী, অলি আহমেদ, মাহফুজুর রহমান, শমসের মুবিন চৌধুরী এবং হারুন আহমেদ চৌধুরী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপকের বাসায় আওয়ামী লীগের নেতাদের সাথে দেশের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করে তাদের জানান " আমরা আপনাদের সাথে আছি। আপনাদের পক্ষ থেকে যদি ঠিক সময়ে কোনো সাড়া বা আভাস পাই আমরা কিছু করতে পারি।"

বিষাদ গুচ্ছ টব (১)

বয়স তার ষোল, যদিও মায়ের হাত বাদামি পনেরোকে স্বচ্ছ তুতে রঙে ঢেকে নিয়ে আসে সকালের গোড়ায়, গভীরে সে আজও আকন্ঠ বাদামি। যে বাবা স্বপ্নে দেখেছিলো এক ফুটফুটে মেয়ের, স্বপ্ন দেখেই ছুটি নিয়ে বাড়ি ফেরার দিনে, ট্রেনে উঠার আগে মুন্সী বাজার ঘুরতে ঘুরতে সেই বাবার মনে ধরে মিহি বাদামি যেন ফুটফুটে মেয়ের গায়ের রঙ।তখনো কমলালেবুর ন্যায় পৃথিবীটা জানেনি এই বাবার কোনদিন দেখা হবে না এক বাদাম রঙা মুখ, কোনদিন কেনা হবে না মেয়ের জন্য শখের মাটির পুতুল, বাদাম রঙা সেলোয়ার কামিজ, কলাপাতা রঙের চুড়ি, বড়োবেলার প্রথম শাড়ি।

মরতে মরতে এবারও বেঁচে গেলাম

৩ জুন কোলকাতা যাবার প্ল্যান আমাদের তিন জনের। এটা পুরোনো গল্প। গত মাসের শেষের দিকে টিকেট করে রেখেছে এক বন্ধু। জিপি ব্যবহারের বদৌলতে ১০% ছাড়ের অফার ছিলো সৌদিয়া বাসে। বন্ধুকে বললাম। সে পাত্তা দিলো না। টিকেট কাটলো গ্রিণলাইন বাসের। পান্থপথ থেকে বাসে উঠলাম রাত ১১.৩০ এ। ছাড়ার সময় ছিলো ১১.১৫। গোড়ায় গলদ। ভয়াবহ গরম। বাসে উঠে টের পেলাম- এসিটা ঠিকমত কাজ করছে না। কী আর করা। আল্লার নাম নিয়ে রওয়ানা দিলাম।

হারিয়েও খুঁজি বারে বারে

মৃত্যু আশ্চর্য ব্যাপার, মানুষের বয়স আটকে দেয়। জীবনে কত মানুষের মৃত্যু দেখলাম ঠিক মনে নেই কিন্তু কিছু এমন মানুষের কথা মনে আছে যারা আমাদের হিসাব অনুযায়ী সময়ের আগেই মারা গেছে। যেমন আমার বন্ধু মুক্তা, ওর ছোট একটা বাচ্চা রেখে জন্ডিসে মারা গেল। কত আদরের ধন ছিল ওর ছেলে। ওর মৃত্যুর পর আমি ওর প্রোফাইলে গিয়ে ওর আর ওর বাচ্চার ছবিগুলো দেখতাম। ওর সেই সময়ের স্ট্যাটাসগুলো দেখে ওর অনুভূতিকে অনুভব করার চেষ্টা করতাম। মাঝে মাঝে প্রশ্ন জাগে মনে যে ওর বাচ্চাটা কি একদিন বড় হয়ে ওর মায়ের ওকে নিয়ে লেখা এই স্ট্যাটাসগুলো দেখে মমতাকে অনুভব করতে পারবে? কি জানি, এই ছোট্ট বাচ্চাটার কাছে মায়ের স্মৃতি বলতে আর হয়ত কিছু নেই। এই ছোট্ট বাবুটা হয়ত একদিন বড় হবে, বিয়ে করবে, বাবা হবে কিন্তু সেদিনও ওর মা সেই একই রকম থাকবে কারণ মৃত্যু তাকে বৃদ্ধ হতে দেয়নি আর স্মৃতিতে কারো বয়স বাড়ে না।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা