অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১৮ জন অতিথি অনলাইন

অভাব থাকলে হয়না রে ভাব

অভাব থাকলে হয়না রে ভাব
কে বলেছে ভাই
মনে মন মজিলে
হায়রে
অভাব কিছু নাই
রে মনা
অভাব কিছু নাই

একি ছাদের নিচে থাকে
কথা বার্তা নাই
কাড়ি কাড়ি টাকা আছে
ভাবটাই শুধু নাই
রে মনা
ভাবটাই শুধু নাই
ভোলা মন, মনরে আমার………
আবার ভাবের মানূষ খুজতে রে ভাই
সাত সমুদ্দুর পার হয়ে যাই
অভাই কিছু নাইরে
মনা
অভাব কিছু নাই

রাজ প্রাসাদে থাকে হায়রে
খেতে পারে না
হাতের কাছে হাজার খাবার
ডাক্তারের মানা
ভোলা মন, মনরে আমার………
আবার কাচা লংকা ঢলেও ওভাই
পেট পুড়ে ভাই খাই
অভাব কিছ নাই।
ডিসেম্বর, ১৮,২০১৪খ্রীঃ
উত্তরা ঢাকা,

ডিপ্রেরেশন

ডিপ্রেরেশন কি? কেন আমরা প্রায় ডিপ্রেরেশন নামক জিনিষ টার উপর ঝুঁকে পড়ি? ডিপ্রেশন থেকে বেড়ে যায় ফ্রাসট্রেশন টেনশন এবং একসময় সুইসাইড করার মানসিকতা।

মানুষ যখন খুব একা থাকে কাউকে কিছু বলতে পারেনা আশে পাশে কাউকে বলার কিছু থাকে না তখন মানুষ একধরনের ডিপ্রেশন এ চলে যায়।মুখের কথা যখন অনায়সে গিলে ফেলতে হয় তখন মানুষ ডিপ্রেশন এ চলে যায়।

লাশটি উপুর হয়ে পড়েছিল

"অন্যেরা যখন ১৬ই ডিসেম্বর সকালে ছাদে ছাদে পতাকা উড়ায়, গলা ছেড়ে জয় বাংলা ধ্বনিতে বাংলার আকাশ-বাতাস মুখরিত করে, আমি তখন ভাগারে ভাগারে আমার স্বামীর লাশের খোঁজে ব্যস্ত। দমকা হাওয়ায় হারিয়ে যাও সেই প্রিয় মুখটি আর একবার দেখার জন্য সহস্র বন্ধুকের গুলি বুক পেতে নিতে প্রস্তুত। সে সময় কত এলোপাতাড়ি গুলি চলছিলো, কত লোক ১৬ ডিসেম্বরেও গুলি খেয়েছে কিন্তু একটি গুলিও আমাকে স্পর্শ করেনি। আলীম হত্যার সাক্ষী হয়ে থাকবো বলেই হয়তো।"

স্বামী ডাঃ আলীম চৌধুরীর লাশটি এভাবেই খুঁজেছিলেন শ্যামলী চৌধুরী। সেই লাশটি তিনি পেয়েছিলেন ১৮ই ডিসেম্বর। একটি ইটের ভাটায় পড়েছিলো ডাঃ রাব্বি, আলিম চৌধুরী সহ আরো অনেকের লাশ। লাশটি উপুর হয়ে পড়েছিল।

ব্লগ নয়, ভালবাসা আর দু চার লাইন কথা

১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বরের সূর্য্যি কেমন
ছিল জানি না।তবে এটা জানি ৩০ লক্ষ শহীদের
রক্ত একত্রিত করলে যতটুকু লাল
হবে নি:সন্দেহে তার চেয়ে বেশি লাল ছিল।

বিজয়ের মাস।সবাই দেশপ্রেমিক। আমার যে বন্ধু গোলাম আযমকে আল্লাহর অলি বলে এখনো বিশ্বাস করে সকালে তাকেও দেখলাম মাথায় লাল সবুজের পতাকা।শুধু মুখ বুঝে সয্য করেছি।কেঁদেছি....

ইনবক্স ভরে গেছে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছায়।আমি কাউকে শুভেচ্ছা জানাই নি। কিছু কিছু বিজয় প্রাণ খুলে উপভোগ করা যায় না।বুকের ভিতর কোথায় জানি ব্যাথা লাগে।

এই দিনে হাজারো মায়ের সন্তান ফিরে এলেও ফিরে আসেনি "শহীদ রুমি"। ফিরে আসেনি ৩০ লক্ষ সন্তান। বাবা,মা,ভাই,বোন....তারা চলে গেছে। ফিরবেনা।অনেক অভিমান তাদের।রেখে গেছে হাজারো স্মৃতি।এক সাগর রক্ত আর একটি দেশ।

বাংলাদেশ

৪৩ বছর পরেও কোমরের ব্যাথায় কষ্ট পান তিনি

"২২শে নভেম্বর দুপুরে হঠাৎ দেখি আমার বাবাকে সাথে করে এক জীপ সৈন্য এসেছে এবং আমাকে খোঁজ করছে। বুঝলাম আমার মুক্ত জীবনের আয়ু আর বেশি নেই। মাকে সালাম করে ওদের সাথে জীপে গিয়ে উঠলাম। জীপে উঠেই এক অসীম সাহস বুঝে এলো। মনের ভেতরে শুধু একটি মুখ ভেসে উঠেছে, তা মুজিবের। একটি মুখ মানুষকে এত শক্তি দিতে পারে তা আগে জানতাম না। মুজিব মানেই তো বাংলা মুখ।"

এরপর সেই বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব সালেহ মোস্তফা জামিলকে নিয়ে হাজির করা হয় তেজগাঁও ড্রাম ফ্যাক্টরির একটি তিনতলা বাড়ীতে। নীচ তলায় মেজর সালিকের অফিস এবং দোতলায় তাদের নির্যাতন কক্ষ। তিন তলায় রাখা হতো বন্দীদের। জামিল ভাইকে নিয়ে রাখা হলো এক রান্না ঘরে। সেখানে আগে থেকেই বন্দি ছিলো আরো পাঁচজন। তাদের মধ্যে একজন উনারই বড় ভাই, পাড়ার চায়ের দোকানের কালু, নিউমার্কেটের কাপড়ের ব্যবসায়ী একজন। বাকী দুইজনের একজন চাকমা এবং অন্যজন এক শিশু মুক্তিযোদ্ধা।

বিজয়ের মাসে ভালো লাগার বিলাস

ডিসেম্বর মাসটা এলেই আমার খুব খুশি খুশি লাগে। এই খুশি লাগাটা খুব ছোট বেলা থেকেই।ডিসেম্বর মাস এলে শুধু আমার না আমার মনে হয় এদেশের প্রতিটা মানুষেরই খুব খুশি খুশি লাগে। কারণ বিজয়ের এই মাসে খুশি না লাগলে আর কখন খুশি লাগবে।
তবে বিজয়ের এই খুশির পাশাপাশি আমার আরো কিছু ছোট ছোট কারণেও বেশ খুশি খুশি লাগে।
ভালো লাগার প্রথম কারণঃ

হুংকার ভুলে গেছি, কান্নাই সম্বল!

তোমার মন্দিরে আর হয়তো ফিরবনা।
স্নানের নামে পবিত্র জল আর ঘোলা করবনা,
ঘন নিঃশ্বাসে ও বাতাস আর ভারি হবেনা,
আমার গন্ধেও আর কুকুরগুলো ছুটে আসবেনা,
ওদের ঝাঁপাঝাঁপিতে তোমার বাগানও শ্রী হারাবেনা।
পূজোর থালায় উচ্ছিষ্ট বলেও আর কিছু থাকবেনা,
ধ্বংস হবেনা তোমার কষ্টার্জিত প্রসাদ।
তোমার ছায়াই যে তোমার মন্দির, আমি জানি।
ঢেকে রাখো তাকে পরম আদরে, ফুলের চাদরে!
কিংবা যদি একে মসজিদ বলেই বড়াই করো,
মুড়ে ফেল জমজমের পানিতে আর রঙ্গিন কাফনে,
সুগন্ধ তবু ছড়াবে ওই এক আগরবাতিটাই।
এক ফালি আকাশ ঢেকে মোমের আলো ছড়াতে পারো,
পারবে কি একটু সুগন্ধ ছড়াতে?
পারবেনা জানি, শুধুই হা হুতাশ করবে!
ভালোবাসি বলেই আজও তোমায় আঁকড়ে রেখেছি।
কী দিয়েছ আমায়, এক নামটুকু ছাড়া?
দুর্ভিক্ষে আজও ভাটা পড়েনি, তবু বেঁচে আছি!
মেলেনি মুক্ত সহবাসের সুযোগ, তবু বেঁচে আছি!
আমার হুংকার আজ কন্নায় বিলিন, তবু বেঁচে আছি!

গোল্ডলিফের প্যাকেট এবং শীত

শীতের শুরুর কোনও একটা সন্ধ্যায় চায়ের
কাপে টুংটাং আওয়াজ বলে দেয় , বাহিরের
তাপমান
পাতলা চাদরটা ভালোমতো জড়িয়ে নেবার
মতোই কমছে।

রাস্তা পার
হতে গিয়ে অনিচ্ছুক শীতল
হাতটা অত্যুতসাহী এক তপ্ত মুঠোয়
বাঁধা পড়তে গিয়েও পড়েনা। হেমন্তের এই
শেষপ্রান্তের যাযাবর বাতাসে উষ্ণতার
বড্ড অভাব।

সোডিয়ামের বাতিঘর আর ধোঁয়াশার
বিভ্রমে ঝরাপাতার
দলে মিশে যাওয়া একটা পাতার গান
আলাদা করা যায় না।

এই শহরে মমতাময় কোনও শীত আসে না!
এখানে শীত পাশাপাশি দুই ফ্ল্যাটের
অপরিচিত প্রতিবেশির মতো মুখ
ঘুরিয়ে হাঁটে!

ফুটপাতের শীতবস্ত্রের
মেলার দিকে লোভাতুর
দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকা শতছিন্ন পোশাকের
' অভদ্র ' বাচ্চাটাকে " ছিঃ! কী নোংরা!"
বলে পাশ কাটায় শীত , শপিংমলের
পাশে বিএমডব্লুকে পার্কিং লট
ছেড়ে দিতে!

শীত বেঁচে থাকে শুধু ফায়ার প্লেসে , রুফটপ
বারবিকিউ পার্টি আর উইন্টার স্পেশাল

এক হারিয়ে যাওয়া বন্ধু

এক হারিয়ে যাওয়া বন্ধুর সাথে সকাল বিকেল বেলা
কত পুরনো নতুন পরিচিত গান গাইতাম খুলে গলা
কত এলোমেলো পথ হেঁটেছি দুজনে
হাত ছিল না হাতে
ছিল যে যার জীবনে দুটো মন
ছিল জড়াজড়ি এক সাথে
কত ঝগড়া বিবাদ সুখের স্মৃতিতে ভরে আছে শৈশব
তোকে স্মৃতিতে স্মৃতিতে এখনও তো ভালবাসছি অসম্ভব
কেন বাড়লে বয়স ছোটবেলার বন্ধু হারিয়ে যায়
কেন হারাচ্ছে সব বাড়াচ্ছে ভিড় হারানোর তালিকায়....

আজ কে যে কোথায় আছি, কোন খবর নেই তো কারো
অথচ তোর ঐ দুঃখগুলো তে অংশ ছিল আমার ও
এই চলতি জীবন ঘটনা বহুল দু এক ইঞ্চি ফাঁকে
তুই তো পাবিনা আমায়,আর আমিও খুঁজিনা তোকে
কত সুখ পাওয়া হয়ে গেল,তোকে ভুলে গেছি কতবার
তবু শৈশব থেকে তোর গান যেন ভেসে আসে বারবার..
আজ চলতে শিখে গেছি,তোকে নেই কিছু প্রয়োজন
তবু ভীষণ অপ্রয়োজনে তোকে খুঁজেছে আমার মন
তুই হয়তো ভালই আছিস আর আমিও মন্দ নেই

জাতিকে মেধাশুন্য করার ভয়ঙ্কর সেই মিশন..

rayerbajar.jpgআমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধকে রাজনীতি হিসেবে আখ্যা দেয়াকে কোনভাবেই সমর্থন করতে পারি না। একাত্তরের আমাদের মুক্তিযুদ্ধ ছিল দীর্ঘদিন যাবত বাঙ্গালীর আপন অস্তিত্ব এবং অধিকার আদায়ের আন্দোলনের চুড়ান্ত রূপ যার পিছনের কারিগরের ভূমিকায় ছিলেন বঙ্গবন্ধু। বাঙ্গালী জাতির মুক্তিসংগ্রামের আন্দোলনকে রাজনৈতিক সীলটা মারার পিছনে জামায়াতীদের দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা কাজ করেছে। তারা সবসময় চেয়েছে আমাদের ইতিহাস বিকৃত করতে। আর এই বিকৃতির পিছনে কারণ একটিই, একাত্তরে নিজেদের কুকর্মের ইতিহাস লুকানোর অপচেষ্টা।

খুব প্রিয় মানুষদের জন্মদিনে!

যদিও আজ বাংলাদেশে খুব একটা সুখের সময় না। প্রথমত আজ বুদ্ধিজীবি হত্যা দিবস। পুরো ৭১ জুড়েই মুলত বুদ্ধিজীবি হত্যাকান্ড ঘটেছে নারকীয় কায়দায়। এই দিনে অনেককে ধরে নিয়ে গেছে শেষ মরণ কামড় হিসেবে। যে সব বুদ্ধিজীবিরা শহীদ হয়েছেন তারা বেঁচে থাকলে দেশটা অন্যরকম হলেও হতে পারতো, এই বিশ্বাস আমার সব সময়ের। প্রত্যেকটা শহীদ বুদ্ধিজীবিকে নিয়েই যখন পড়ি মনে হয়, এরকম মানুষের কত দরকার ছিল এখন। কিন্তু হায় তারা সব বছরের ১ দিনের স্মৃতির জন্যই আমাদের মনে বেঁচে থাকে। শুধু সেইসব বুদ্ধিজীবি না এখনো সাম্প্রতিক সময়ে যারা গুম হয় কিংবা রাষ্ট্রীয় বাহিনী অথবা সন্ত্রাসীর হাতে খুন হয় তাঁদের সবার পরিবারের জন্য ভীষন মন খারাপ হয়। সারা জীবন তপস্যা করলেও তো সেই পরিবারের কাছে নিহত স্বজনরা ফিরে আসবে না আর, এটা কত বড় শোকের তা আমরা বুঝবো না। তাই তা নিয়ে লিখে আমার আর কি হবে। এমনিতেও লেখা নিয়ে বড় চিন্তায় আছি। নোটবুকের মাদারবোর্ড নষ্ট, আজ গ

একগুচ্ছ ছড়া

এক.
শর্ত একটি খাসি

কি লিখবো ছড়া
যদি পড়ি ধরা
হয় যদি ফাঁকি
কি করে ঢাকি।

লিখবো ছড়া তবে
অবসর হবো যবে
নেইকো কোলাহল
লিখবো ছলাত ছল।

এতে কি হবে খুশি
নয়তো হবো দোষী
লিখবো ছড়া বসি
শর্ত একটি খাসি।

দাও যদি এক খাসি
বাজবে মধুর বাঁশি
ছন্দ রাশি রাশি
তাইতো ভালোবাসি।

লিখবো ছড়া মধুর
ছাড়িয়ে সাত সমুদ্দুর
গাঁথবো ছন্দের মালা
মেটাবো শব্দের জ্বালা।

(পুনশ্চ: সোহানা লিটার অনুরোধে)

দুই.
কাড়ি কাড়ি টাকা!

থাকতে হলে ভাই ঢাকা
লাগবে তোমার কাড়ি টাকা
টাকা ছাড়া গতি নেই
বন্ধুভাগ্যের অভাব তাই।

মনে কভু হয় না মানুষ
মানুষ হয় স্বভাবে
ক্ষুধায় জ্বালা সইতে নারে
চুরি করে অভাবে।

অভাবে স্বভাব নষ্ট
বলো না ভাই কেউ কারে
ঘুষের টাকায় পাহাড় গড়া
অভাব বলো কে সারে।

বিয়ে করা যন্ত্রণা নয়
সংসার গুরু দায়িত্ব
প্রেম করা সবার সাজে
থাকে নাতো স্থায়িত্ব।

তিন.
মনমরা

হয়ো না তুমি মনমরা

অর্থহীন গল্প

সবারই একটা গল্প থাকে। আছে। তাতে হিরো থাকে,
ভিলেনও। প্রায় ক্ষেত্রেই হিরো কিংবা ভিলেন দুটোই
আর কেউ না। সিম্পলি যার যার গল্প সে সে।
বই কিংবা ফিল্মের গল্পগুলো যেমন মেঘের
মতো আকাশপট নিয়ে বৈচিত্রে ভরা আবার পুনরাবৃত্তির
ভারে নুয়ে থাকে, আমাদের কাহিনীও অনেকটা তেমন।
কারোটা খুব খাপছাড়া, খেপাটে পাগলামিমাখা,অনে
কেরটা ক্লিশে,কমন,রিপিটেড শিট।
যেমনই হোক শেষতক কিছুই যায় আসে না।
হ্যান্স এন্ডারসন বলেছিলেন "জীবনটাই রূপকথা"।

রূপকথায় যেমন প্রায়
অবশ্যম্ভাবী যে হ্যাপি এন্ডিং থাকবেই,পাঠক
তা আগে থেকেই জানে, তেমনি আমাদের জীবনকথার
সবথেকে শেষের পাতায় যে মৃত্যু লেখা আছে এটাও
জানা।
তাতেও কিছু যায় আসে না। মানুষ বাঁচে বেঁচে থাকার জন্যই।
হাসে,কাঁদে,ভালোবাসে,ঘৃণায় মুর্ছায়, সবই
বেঁচে থাকবে বলে।

কোনো বই বা মুভি পড়ে পাঠক আনন্দ পায়, কারণ
বইটা বা ফিল্মটা সুখপাঠ্য কিংবা সুখদর্শনীয় ছিল।

অপেক্ষা

রুদ্র এর সাথে মৃণালিনীর সম্পর্ক ৫ বছর হবে।
রুদ্র চাকরি খুঁজছে এই ব্যস্ত শহরে।কিন্তু মনমত একটা চাকরি ও হাতে পাচ্ছেনা।
কি করবে রুদ্র? মৃণালিনী কে ওর বিয়ে করতে হবে যতটা তাড়াতাড়ি সম্ভব। বিয়ের জন্য মৃণালিনীকে চাপ দেয়া হচ্ছে বাসা থেকে।একটা না একটা ব্যবস্থা তো করতেই হবে।না হলে তো মৃণালিনী কে জোর করে বাসা থেকে বিয়ে দিয়ে দেয়া হবে।অবশ্য যেন তেন চাকরি জোগাড় করলে হবেনা।একটা ভাল চাকরি পেতে হবে যে করেই হোক না কেন।না হলে মৃণালিনী এর বাবা মা এর সামনে কি করে মুখ দেখাবে? কি করে বলবে তার বাবাকে
- স্যার আমি মাইনে বিশ হাজার টাকা পাই।আমি মৃণালিনী কে বিয়ে করতে চাই।

খেলা

পাঁচকড়ি হালদারের এখন ক্রাচের সাহায্য নিয়ে হাটতে হয়। আমরা যারা তাকে দেখি তারা তাকে ক্রাচে ভর দিয়েই হাটতে দেখি। আমরা তখন তার পা ভাঙ্গার রহস্য উদঘাটনে ব্যস্ত হয়ে পরি এবং আমরা অনুসন্ধানে থাকি।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা