অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য ও ২৫ জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

কালাপাখির স্বপ্ন

স্বপ্নটা ছিল অনেকটা অদ্ভুত রকমের। কালা হেঁটে এসেছিলো আমার ঘরে। জগন্নাথ হলের ৪৩০ নাম্বার কক্ষে। আমি ৩ ফুট খাটটিতে আড়াআড়িভাবে শুয়ে ছিলাম। খাটের ধার ঘেঁষে উত্তর দিকের খোলা জানালা। সেই জানালায় আমার বালিশটা ঠেকিয়ে দিলাম। রুমমেটের ন্যাতানো বালিশটা নিয়ে নিলাম আমার ঘাড়ের পিছনে।

কালো চোখের মনি দিয়ে দৃষ্টি নিবদ্ধ করেছিল আমার চোখে। শ্যামবর্ণ মুখখানিতে ক্ষণে ক্ষণে নিযুত ঊর্মিরা খেলা করছিলো। আমরা একে অপরকে স্পর্শ করি নাই। এভাবে কালা অনেকক্ষণ আমার পাশে শুয়ে ছিল। প্রতিবেশী বাসিন্দারা আমার কক্ষে কাউকে আসতে দেখে একটু অবাক হয়েছিলো বৈকি! আমার কাছে তো কেউ কোনোদিন আসে নাই।

আমি একটু বাইরে গিয়েছিলাম; যাতে করে আমরা একসাথে কিছু একটা রান্না করে খেতে পারি। এসে দেখি পাখি উধাও। আমি যাবার সময় এমনই ভয় করছিলাম।

দি গ্রেট রেড স্পট

১.
ভালার মুরঘালিস্। অর্থ, অল মেন মাস্ট ডাই। ডানেরিস টারগেরিয়েন নামের ছোট্ট রুপালী চুলের মেয়েটির আকর্ষণে 'গেম অব থ্রোন্স' দেখতে বসে আটকে গেছি। আচ্ছা; এখানে একটা ম্যারি, ফাক, অ্যান্ড কিল ট্রিভিয়া দিই। গেম অব থ্রোন্সের ডানেরিস, স্টার ওয়ার্সের রে, আর হ্যারি পটারের হারমিওনি; তিনজনের মধ্যে কাকে আপনি বিয়ে করতে চান, কার সাথে সেক্স, এবং কাকে খুন করতে পারবেন? আমার সিরিয়াল হচ্ছে, বিয়ে- হারমিওনি, সেক্স- ডানেরিস আর কিল- রে। রে-কে কিল করতে চাই শুনে জিমি অবাক হচ্ছিল কারণ ওর সবচেয়ে পছন্দের চরিত্র হচ্ছে রে, ওই তিনজনের মধ্যে। আমার অবশ্য কাউকেই খারাপ লাগে না। জাস্ট বন্ধুদের প্রায়োরিটি মাথায় রেখে সিরিয়াল সাজাচ্ছিলাম।

২.

বই মেলায় আসুন--আমার বই ‍কিনুন...

বই মেলায় আসুন--আমার বই ‍কিনুন

12207774_801502489958387_968030361_n.jpg
১৯৯৪ সালের বই মেলায় আমার প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস ‘হৃদয়ের এপিঠ-ওপিঠ’ ২০১১ সালে ২য় বার মুদ্রণ হয়েছিল রোদেলা প্রকাশনী থেকে(স্টল নং১৫৩-১৫৪-১৫৫)। ২০১৩ সালে জিনিয়ান পাবলিকেশন্স থেকে আমার গল্পগুচ্ছ ‘ভাদ্র ভাসান’ প্রকাশিত হয়েছিল( স্টল নং১০১-১০২)। এ বছর অণুপ্রাণন প্রকাশন থেকে আামার উপন্যাস ‘গন্তব্যহীন দূঃখবিলাস’ প্রকাশিত হয়েছে(স্টল নং ২৬৮)। সবগুলো স্টলই সোহরাওয়াদ্দী উদ্যানে। বাংলা একাডেমির লিটল ম্যাগ চত্বরে আছে অণুপ্রাণন এর ম্যাগাজিন স্টল, অণুপ্রাণন এর ত্রৈমাসিক ম্যাগাজিনে আমার লেখা বেশ কিছু গল্প আছে।
সকল বন্ধুদের প্রতি অনুরোধ রইলঃ বই মেলায় আসুন--আমার বই ‍কিনুন...

বিয়ে

ছেলেমেয়েরা বড় হলে বাবা মা সবার আগে যা নিয়ে ভাবে তা হল "বিয়ে"। জন্মের পরই বলতে গেলে, মেয়ে কাল হলে কি করে বিয়ে দিবে , সাদা হলে রাজপুত্র কোথায় পাবে। ছেলে কাল হলে, সাদা মেয়ে ঘরে তুলতে হবে। সাদা হলে মেয়ে দেখতে সমস্যা হবে না।
বড় হয়ে গেলে আত্মীয় স্বজন , পাড়া প্রতিবেশী , চেনা জানা সবাই মিলে বিয়ে দেয়ার পিছনে লাগে। মেয়ের বাবা মায়েরা একটু বেশিই ঝামেলায় পরে।
যাহোক, মেয়ের জন্য ছেলে দেখতে গেলে, সবার আগে , কি করে, পড়াশোনা কতদ্দুর। ব্যাংকে চাকরি, কোম্পানীর চাকরি আরেকবার ভেবে দেখি হলেও ডাক্তার ইন্জিনিয়ার হলে এক কথায় প্রায় রাজির সংখ্যা অনেকটাই বেশি।
তবে মেয়ের বয়ফ্রেন্ড থাকলে আলাদা। মেয়ে বাবা মা কে উচ্চশিক্ষার কথা বলে বিয়ে ভেংগে দেয়। (অনেকে সত্যিই পড়তে চায়)

মুহাম্মদ জাফরি ইকবালের অভব্য নিবন্ধের প্রতিক্রিয়া এবং অন্যান্য

কোনো লেখকের উপন্যাসের চরিত্ররা উপন্যাসের প্রেক্ষাপটে যে ধরণের উপলব্ধি প্রকাশ করে কিংবা যেসব বক্তব্য দেয়- লেখকের বক্তব্য হিসেবে সেসব উপস্থাপন করাটা লেখকের প্রতি এক ধরণের অন্যায় আচরণ। লেখক যখন কোনো উপন্যাসের চরিত্রচিত্রন করেন, উপন্যাসের প্রেক্ষাপটে সেসব চরিত্র নিজের মতো জ্যান্ত, তারা লেখকের কল্পনায় বসবাস করলেও আদতে তারা এক ধরনের স্বাধীন স্বত্ত্বা, তাদের নিজস্ব অভিমত আছে, লেখক সেসব স্বাধীন সত্ত্বার উপলব্ধিগুলো লেখার সময় নিজের অভিমত সব সময় চরিত্রের উপর চাপিয়ে দিতে পারেন না।
কিন্তু লেখক ব্যক্তিগত নিবন্ধে কিংবা সাক্ষাৎকারে যেসব অভিমত ব্যক্ত করেন, সেসব বক্তব্যের দায়ভার সম্পূর্ণই লেখকের। সেটা লেখকের সুচিন্তিত স্বাধীন অভিমত এবং লেখককে সেসব বক্তব্যের দায়ভার বহন করতে হয়।

ফেইসবুক আর আমি

বাংলাদেশে ফেইসবুক জনপ্রিয়তা পাওয়ার সময়টাতে আমারও একটা একাউন্ট ছিল। বন্ধু মোটামুটি ১০০ পেরিয়ে ছিল ৬ মাসেই। সবসময় দেখা হয় এমন বন্ধুরাও ছিল। অনেক রাতই কেটেছে চ্যাট করতে করতে। কারও ম্যাসেজের উত্তর না দিলে বা দেরি হলে খুব বকা খেতে হত, তার উপর কোন বন্ধুর স্ট্যাটাসে লাইক বা কমেন্ট না করলেও দেখা হলে একচোট হত। আর আমার পোস্ট করা ছবিতে অপমান জনক কমেন্টও অনেকে করত। সত্য কথা একটু তিতা তো,,,, তাই ভাল লাগত না। সেই কারনে আগাম সতর্ক সংকেত না দিয়েই দিলাম একাউন্ট ডিএক্টিভ করে।
বন্ধুদের সাথে তো রোজই দেখা হয় , চিন্তা কি? তবে ঝামেলা হল তাদের থেকে দূরে এসে। নতুন দেশ, সব নতুন, নিজেকে গুছাতে গুছাতে বছর পেরিয়ে গেল যে কখন টেরই পাই নি। স্থির গতিতে এসে বন্ধুদের ছাড়া আর থাকতে পারলাম না। তাই ফেইসবুকে আবারও একাউন্ট খুললাম।

আজ আমার বুবুর জন্মদিন

সেদিনও মাঘের হাড় কাঁপানো শীতটা বেশ জেঁকেই বসেছিল। সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে দেখি বাসায় আম্মা নেই, আব্বা নেই, শেফু আন্টি নেই। নানু বসে বসে কাঁদছিল।বাসা ভর্তি ছিল মেহমান।নানা, নানু, শেফু আন্টি,শেফু আন্টির ছেলে মিশু, মেয়ে শান্তা, জুয়েল মামা, রিয়েল মামা আর আমরা তো আছি।
সকাল বেলা থেকে আমাদের অপেক্ষা শুরু। একে একে আশেপাশের সব আন্টিরা এসে জিজ্ঞেস করছিল আমার আম্মা কেমন আছে, হাসপাতাল থেকে কোনো খবর আসছে কিনা। অনেকের আবার নানান ধরনের আশংকা। রোজার মাস ছিল। নানু কাঁদছিল আর আমাকে বলছিল আম্মার জন্য যেন দোয়া করি। সন্তানের দোয়া নাকি আল্লাহ বেশি কবুল করে।নানুর কথা শুনে আমি জায়নামায বিছিয়ে কুরআন শরীফ পড়া শুরু করি।চোখের পানিতে সব ঝাপসা হয়ে যাচ্ছিল।তবুও পড়ে যাচ্ছিলাম।

কি সুন্দর পৃথিবী

প্রত্যেকটা মানুষই জীবন পথে একবার হলেও ভাবে, "ধূর , কেন যে জন্ম নিলাম? বেঁচে থেকে কি হবে। মরে যাই না কেন। ইত্যাদি ইত্যাদি জীবনের প্রতি হতাশা মূলক কথা"
আমার মত একজন যে জীবন বোঝার আগেই ভাবতে শুরু করেছে যে মরে গেলে ভাল হত, তার জন্য এই ধরনের কথা ছিল স্বাভাবিক। " জীবন কতই না সুন্দর " টাইপ কথাগুলো হাস্যকর। তবে, সবসময় একটা কথা মাথায় ঘুরত, কেন বেঁচে আছি? আল্লাহ্ আমাকে এখনও বাঁচিয়ে রেখেছেন কেন? সবাই বলে তিঁনি নাকি উদ্দেশ্য ছাড়া কিছু করেন না। আমাকে বাঁচিয়ে রাখার উদ্দেশ্যটা খোঁজে পাচ্ছিলাম না।
প্লেনটা যখন আকাশে উঠে পরেছে জানালা দিয়ে রাতের বাংলাদেশটা কত সুন্দরই না লাগছিল। তবে আস্তে আস্তে ছোট হয়ে যাওয়া আমার দেশটার দিকে তাকিয়ে মনে মনে আল্লাহ্পাককে বলেছিলাম, আর কত কষ্ট রয়েছে আমার জন্য? শুধু কষ্ট পাওয়ার জন্যই কি আমার জন্ম?

বিজ্ঞান

কেনো বিজ্ঞান নিয়ে এত মাতামাতি? অস্তিত্বের মৌলিক প্রশ্নগুলো মীমাংসিত হয়ে গেলে আমাদের সামষ্টিক জীবনযাপনরীতিতে কোনো পরিবর্তন কি আদৌ আসবে? আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাপন অনেকটাই অভ্যাস আর সংস্কৃতিনির্ভর, সেখানে বিজ্ঞানচেতনার খুব বেশী উপস্থিতি নেই

আমাদের নিত্যদিনের জীবনযাপনে হকিং আইন্সটাইন ডারউইন হাক্সলের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা টহলপুলিশ। মহাবিশ্ব "লেট দেয়ার বি লাইট এন্ড দেয়ার ইজ লাইট" ভঙ্গিতে শুরু হয়েছে না কি শূণ্য থেকে মহাবিশ্বের স্বতঃস্ফুর্ত বিকাশ হয়েছে প্রশ্নের চেয়ে অনেক বেশী গুরুত্বপূর্ণ রাজধানী থেকে বিক্যাশের টাকা মোবাইল একাউন্টে ঢুকলো কি না এই প্রশ্নের সঠিক জবাব।

সত্যিই সে ভালবাসে

আমি একটা ছেলেকে চিনি। ছোটবেলায় তাকে আমাদের বাসার চারপাশে একটু বেশিই দেখা যেত। কারণ সে আমার মেজো আপাকে ভীষণ ভালবাসত। আমার এই আপা খুবই সুন্দর ছিল বলে তাকে অনেক ছেলেরাই ভালবাসত। আর আমার বড় আপার কাজ ছিল সে ছেলেদের কাছ থেকে ছোট বোনকে বাঁচানো। তবে সে ছেলেটা ছিল আলাদা। আমার বোন সপ্তম শ্রেণীতে পড়ার সময় তার কাছ থেকে প্রথম চিঠি পায়। আর সে ছিল তখন অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র। ( আজকাল এই বয়সে প্রেম করা স্বাভাবিক হলেও ১৭ বছর আগে স্বাভাবিক ছিল না) ওদের আসল বাড়ি ছিল অন্য বিভাগে। কোন একটা কারণে সে তার বাবা মা'র সাথে থাকত না । খালার বাসায় থাকত।

সে আমার বন্ধু ছিল

আজ থেকে প্রায় ১০-১১ বছর আগের কথা। জনকণ্ঠ পত্রিকাতে একটা জায়গায় অনেকেই বন্ধু হতে চেয়ে একটা লাইন আর নিজের ফোন নম্বরটা দিত। তখন, একটা ছেলে , নাম তন্ময়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে, সে লিখেছিল যে , "সুন্দর মনের না , সুন্দর চেহারার বন্ধু চাই"। আমার মেজো আপা এটা দেখে রেগে দোকান থেকে ফোন দিলেন বকবেন বলে। ফোন ধরেছিল, আপা একটু বকা দিতেই ছেলেটা বলেছিল দয়া করে যেন তার কথাটা শুনে। কারন সকাল থেকে সে অনেক বকা শুনেছে। পরে ঘটনা যা ছিল তা হল, তাদের বন্ধুদের গ্রুপের একটা মেয়ে তাকে প্রেমের অফার দিলে সবাই মিলে সেই মেয়েকে অপমান করে এবং বন্ধুদের গ্রুপ থেকে তাকে বাদ দিয়ে দেয়। তাই প্রতিশোধ নিতে সে এই কাজটা করেছে। আমার বোন সরি বলে, বাসার ফোন নম্বরটা দিয়ে আসে। বোন হোস্টেলে চলে যাওয়ার সময় আমাকে বলে যায় তন্ময় হয়ত ফোন দিতে পারে।আমি অপেক্ষায় ছিলাম। নতুন মোবাইলের সেই সময়টাতে ফোনে কথা বলতে দারুণ মজা লাগত

রাজীব হায়দার হত্যাকান্ডের রায়- ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ

রাজীব হায়দার হত্যা মামলার রায় দিয়েছে আজ। রায়ের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় রাজীব হায়দারের বাবা জানিয়েছেন “ আমি ন্যায়বিচার পাইনি। আমি হতাশ।” সকল আসামীর সর্বোচ্চ শাস্তি ( ফাঁসী কিংবা যাবজ্জীবন) না হওয়ায় অনেকেই মনে করছেন রাজীব হায়দার হত্যাকান্ডে অভিযুক্তদের অপরাধের ভয়াবহতা আদালত যথাযথ উপলব্ধি করেন নি, আদালত নমনীয় রায় দিয়েছে।

হোয়াইট সান্টা আর ব্ল্যাক পিটের গল্পটি

উত্তর আমেরিকার সান্টা ক্লজের ওলন্দাজ রূপটি হলো ‘সিন্ট নিকোলাস’ বা ‘সিন্টারক্লাশ’। যদিও আজকাল আমেরিকার দখলে সান্টা ক্লজ কিন্তু সান্টা ক্লজের আদি দাবিদার কিন্তু ওলন্দাজরা। বলা হয়ে থাকে, আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধের সমসাময়িক কাল থেকে, নিউ ইয়র্কের ওলন্দাজ কলোনিতে (নিউ আমর্স্টাডামে) বসবাসকারী অভিবাসী ওলন্দাজ নাগরিকরা সেখানে এই রীতিটির পালন পুনরায় শুরু করেছিলেন। আজকের এই আনন্দময় রীতিটির পেছনের গল্পটিই এখানে বলব। কেমন করে সান্টা সব বাচ্চাদের আপন হলো।

বর্তমানের ভাবনা ১

হঠাৎ করেই সমাজে জঙ্গীবাদ, পরধর্মঅসহিষ্ণুতার সংস্কৃতি বিস্তৃত হয় না। মানববৈরী মানসিকতা সামাজিক গ্রহনযোগ্যতা পেতে দীর্ঘ প্রস্তুতিকালীন সময়ের প্রয়োজন হয়।

ধর্মভিত্তিক জাতীয়তাবোধ উনবিংশ শতাব্দীর শেষার্ধ থেকে বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধ পর্যন্ত আমাদের রাজনৈতিক অধিকার আন্দোলনের প্রধান স্বর ছিলো। আমরা অন্তত ৫ প্রজন্ম ধরে অমুসলিম প্রতিবেশীদের প্রতি ঘৃণার সংস্কৃতির চর্চা করেছি। আমাদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পথে অন্যতম প্রতিবন্ধতা হিসেবে চিহ্নিত করেছি তাদের, তাদের শিক্ষানুরাগ, তাদের কৃষ্টিলগ্নতা আমাদের ঘৃণা উস্কে দিয়েছে।

আমি এমন কেন?

কিছুক্ষণ আগে আমার ফোনটা হাত থেকে পরে ভেংগে গেল। ভাংগা স্কিণটার দিকে তাকিয়ে থাকতে কষ্ট হচ্ছে। কান্না পাচ্ছে। কাউকে কষ্টটা বলতে ইচ্ছে হচ্ছে। কিন্তু কেউ নেই , যাকে বলতে পারব মনের দুঃখটা।
আসলে আমি যত্ন নিতে জানি না। সেটা কোন বস্তু হোক বা সম্পর্ক। মায়ের সাথে মেয়ের যে সহজ সম্পর্ক, সেটা আমার কোনদিন হয় নি। চাইলে হয়ত হতে পারত। মা কাজ নিয়ে ব্যস্ত বলে আমিও কখনও সেই নিজেকে সেই ব্যস্ততার অংশ করি নি। আজ নিজের ব্যস্ততার দোহাই দিয়ে মাসে একবার মায়ের সাথে কথা বলি।
বড় বোনদের থেকেও নিজেকে সবসময় আলাদা করে রাখতাম। একা একা খেলতাম। ওদের পছন্দ কিছু নিজের পছন্দ হলেও বলতাম উল্টোটা। আস্তে আস্তে তাদের পছন্দের উল্টোটাই আমার পছন্দ হয়ে গেল।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা