অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১১ জন অতিথি অনলাইন

হৃদয়ের জানালা

হৃদয়ের জানালা
আমার সেল ফোনটা
তোমাকে ডাকলে,
তুমি রিসিভ করো
রিসিভ করে শধু হ্যালো বলো
বলবে তো??
আর কিছু না দিলেও চলবে
শুধু বলো হ্যালো।
বলত তুমি
কলিজা এফোঁড়, ওফোঁড় করা
এমন মধু কন্ঠ
তুমি কোথা পেলে??
তুমি কি বসন্ত বাতাসের
শিনি শিনি শব্দ শুনেছ
তা হলে মনে করত
হৃদয়ে প্রবাহিত রক্তের মত আপন
যা না বইলে প্রাণী নামক
কোন প্রাণের অস্তিত্বই থাকে না
তেমন কোন আপন জনের
বিরহের কান্না
হৃদয়কে কেমন ব্যাথিত করে তোলে!!
আমি যে তব বিরহে কাদছি
তুমি কি শুনতে পাও না??
জানালা খোল, বাতাসে কান পাত
কি, শুনতে পাচ্ছ কি?
তাও শুনতে পাও না।।
খোলা বারান্দায়, বা নির্জন প্রান্তরে
বাতাসে কান পাত
এবার শুনতে পাচ্ছ কি?
কি করে পাবে?
হৃদয়ের জানালা যে
রেখেছ বন্ধ করে ।
বন্ধ করে...।
অক্টোবর,০১,২০১৪খ্রীঃ
খুলনা,

"বম্বে টকিজ"

এখন আমার সময় কাটে বেশীর ভাগ 'পার্লজ্যাম' ব্যান্ডের গান শুনতে শুনতেই। টরেন্ট দিয়ে নামিয়েছিলাম, দিনে দিনে তার শুধু আসক্তি বাড়ছে। যদিও আমি অনেক পরে শুনছি পার্লজ্যাম, সবার শোনা শেষে অনেক আগেই। ভালো লাগছে। তার কিছু দিন আগে আরেক ব্যান্ডের গান খুব শুনলাম। কিছুই বুঝি না। কেরালার ব্যান্ড। তাইক্কাডুম ব্রিজ। আগে আমি মানতাম না কিন্তু এখন মানি সুরের কোন দেশ- কাল নাই। এক বিন্দু কথা না বুঝেও আপনি কোন গানের গভীর প্রেমে পড়ে যেতে পারেন। আমার এক পরিচিত ছেলে ছিল, সে হা করে কোরিয়ান চ্যানেলে পড়ে থাকতো, সেখানে গান হতো। তাই তাঁর ভালো লাগতো। কার যে কী ভালো লাগে, বলা মুস্কিল। যেমন পুলকের ভালো লাগে তামিল-তেলেগু সিনেমা। সিনেমা দেখতে দেখতে এখন সে মোটামুটি এইটি পারসেন্ট বুঝে যায় সিনেমায় কি বলা হচ্ছে। আমার আরেক বন্ধু ছিল, কিছুটা দূরের সে আগ্রহ নিয়ে ইরানী সিনেমা দেখতে দেখতে ফারসী ভাষা শিখে ফেলেছে প্রায়। লোকজনের এত প্রতি

কারণ আমি তোমাকে চাই

কালকের সন্ধ্যাটা ভালো শোরগোল করেছিলাম আমরা। অবশ্য দিনের শুরু থেকেই বিভিন্ন আয়োজন ছিল। বাচ্চাদের জন্য আনন্দ শোভাযাত্রা, সেই সাথে সামনে পিছনে গাড়ি আর মোটরসাইকেল। কিন্তু রাস্তায় কেউ হর্ন বাজাচ্ছিলো না, যাতে বাচ্চাদের কোলাহল এলাকাবাসী শুনতে পায়। এই ছিল শিশুদের জন্য বড়দের সেদিনকার আয়োজনের শুরুটা।

এদিকে আমি কি করবো বুঝতে পারছিলাম না। সকাল বেলায় বেরিয়েছিলাম আমার রুম থেকে। কিন্তু পথেই দু’চারজনের সাথে দেখা হয়ে গেল- যারা আমার মত বেরিয়ে পড়েছিলো অযথা। আমরা একসাথে ব্রেকফাস্টে ঢুকলাম। রেস্তোরাঁর পচা পাউরুটি আর প্রস্রাবের মত লাল চা ফেলে আমি আর মুন শোভাযাত্রার একটা গাড়ির মাস্তুলে ঝুলে পড়লাম।

হারায়ে খুঁজে ফিরি

ঝমঝম করে বৃষ্টি হচ্ছে এর মাঝে সব ভুলে কাথাঁমুড়ি দিয়ে শুয়ে থাকার আমেজটা নিতে চাইতাম কত করে। কিন্তু বৃষ্টি আসার লক্ষনেই ছুটে গিয়ে উঠান থেকে কাপড় তোলো, পূব-দক্ষিনের জানালা টেনে দাও, বসার ঘরে কার্পেটটার কোনা বড় করে ভাঁজ করে দেও, ঘরে ঘরে বৃষ্টির পানি পড়া জায়গায় ফলস সিলিং সরিয়ে তার নীচ বরাবর ঘটিবাটি দেও, আল্লাহ আল্লাহ করো পশ্চিমের গাছটার ঝাপটায় যেন কাচঁ না ভেঙ্গে পড়ে প্রায় যেমনটা হয় - এমনি কতো, কতো কি যে ছুটাছুটি লেগে যেত এক বৃষ্টি এলেই!

টুকরো

আর কত টুকরো হলে তুমি খুশি হবে,
টুকরো হতে হতে তো বালির সমান হয়ে গেলাম।
তুমি কি চাও আরো টুকরো হই?
তবে তাই হোক।
বিভক্ত হতে হহতে একসময় গায়ে মাখা পাউডার এর সমান হব,
এর পর অনু-পরমানুতে বিভক্ত হয়ে যাব,
এরপর আমি বিলীন হয়ে যাব অসীম শক্তির মাঝে,
তখন তুমি চাইলেও আর আমাকে পাবে না।

আর কত নতজানু হলে তুমি খুশি হবে,
নতজানু হতে হতে আমি উপুড় হয়ে যাব।
তুমি কি চাও আরো নতজানু হই?
তবে তাই হোক।
নত হতে হতে একসময় আমি মাটির সাথে মিশে যাব,
পাতলা কাগজের টুকরোর মত পাতলা হয়ে শুয়ে থাকবো,
কাগজের টুকরোও আমাকে দেখে লজ্জা পাবে,
তখন আমার কোন মেরুদন্ড থাকবে না, আর আমাকে ধরলেই আমি ছিঁড়ে যাব।
তখন তোমার আর আমাকে পছন্দ হবে না।

আর কত তরল হলে তুমি আমার হবে?
তরল হতে হতে আমি উদ্বায়ী স্পিরিট এ রূপান্তরিত হলাম,
তুমি কি চাও আমি আরো তরল হই?
তবে তাই হোক,
তরল হতে হতে আমি বাষ্পে রূপান্তরিত হব,

এইসব বাজার-সদাই

বিষয়টা এমন না যে আমি জীবনেও বাজার করি নাই।

আমার বাজার-সদাইয়ের দৌড় কালে ভাদ্রে চিনি-লবন-সাবান পর্যন্ত, তাও আবার নির্দিষ্ট পরিচিত দোকান থেকে যেখানে দামাদামির কোন বিষয় নাই ঠকার কোন চান্স নাই।

তবে তরি-তরকারী মাছ-মাংস কেনার অভিজ্ঞতা আমার নাই বললেই চলে। সেগুলো সর্বদা আব্বার ডিপার্টমেন্ট। আব্বা আমাদের উপর ভরসা করতে পারে না এইগুলোর ব্যাপারে অথবা হয়তো নিজে যাচাই বাছাই করে কিনতেই স্বচ্ছন্দ বোধ করেন আব্বা সব সময়। কারন বাজার এনে সব সময়ই আম্মা বা ইদানিং বউমাদের বেশ আগ্রহ নিয়ে গল্প করেন ঢেরসটা কিভাবে চিনতে হয়, ডাটাটা কিভাবে বুঝতে হয়, আজ পর্যন্ত কেউ বুড়ো শশা গছিয়ে দিতে পার নাই কেন, ইত্যাদি ইত্যাদি।

সমুদ্র-দর্শন

কখনো মনের কোণে স্বপ্ন কি বুনেছি আমি হতে এক তুখোড় নাবিক?
আকাশের নীল ছুঁয়ে দিতে দিতে—সফেন সমুদ্রজলে
ডুবিয়েছি ক্লান্ত পা—খুব ভোরে, কুমারী আলোতে!
অথবা ভূমধ্যসাগর-নোনাজল-উঁচু উঁচু ঢেউ,
ছুঁয়েছে কি আমায় এসে, হাত ধরে টেনে নিয়ে গেছে রহস্য-অতল?
দেখেছি অবচেতনের খুব কাছ ঘেঁষে
যৌবনা জলপরী ক্রীড়ারত যেন;
লজ্জার ঈষৎ ব্রীড়া কম্পমান জলের ডগায় ছুঁড়ে দিতে দিতে!
অথবা নিমগ্ন কোন নীলকণ্ঠ—সমুদ্র মন্থনে!

জীবনের প্রতি পলে কত কিছু দেখা হল,
শেখা হল তার চেয়ে হয়তোবা কিছু কম,
রেখাগুলো ক্রমে ক্রমে ঘনীভূত হতে হতে
অবশেষে খুঁজে নিল প্রিয় কিছু অবয়ব!
আবার তা কোথায় হারালো...
তবু আমি বারবার অবশ্যম্ভাবী ফিরেছি তোমারই কাছে—
তোমার চোখের মত এত নীল ধরে রাখা সমুদ্র আমি তো দেখিনি!

কুতুববাগ কিংবা মনের বাঘ!

কুতুববাগ দরবারের কথা মনে আসলেই আমার মনে আসে, ফার্মগেটের পাশ দিয়ে যে পার্ক সেখানে কোরবানী স্টাইলে ছাগল গরু উট সংমিশ্রনে এক বর্জ্য নিঃসৃত গন্ধে লোকজনের ভীড়ের এক শ্বাসকষ্টের কথা । বছর সাতেক আগে আমার আড্ডাস্থল ছিল ফার্মগেট। চিটাগাংয়ের নানান বন্ধু ঢাকার অনেক জায়গা থেকে এসে একত্রিত হতাম সেখানে। সে এক সময় ছিল। নিজেদের মন মেজাজ সবার থাকতো উদাস। সবাই মিলে পিন্ডি চটকাতাম ঢাকা কত খারাপ, চিটাগাং কত অসাধারন। তবে সবার এক ব্যাপারে প্রশ্রয় ছিল ঢাকার মেয়েরা চিন্তা চেতনা স্মার্ট সুন্দরের দিক দিয়ে বেশী জোশ। আমার এই ব্যাপারের আপত্তি, বাসে- কারে- রিকশায়- পথে মেয়েরা দেখতে আকর্ষনীয় হলেই, কি পুরো শহরের মেয়েরা ভালো হয়ে যায়, চিটাগাংয়েও ভালো সুন্দরী ললনা নেহায়েত কম তো না, আমরা দেখি নাই বলে তাঁদের সমন্ধে এই অবিচার। আমার কথার বিপক্ষে সবাই, আমার তখন মেনে নিয়ে বলতেই হতো, বিজ্ঞানের সুত্র মানলে ঢাকাই ব্যাটার, কারন ঢাকার

হৃদয়ের দু চার টুকরো

তোমারই হাতে হাত ধরে
হাঁটতে হাঁটতে পেরিয়ে আসি
একটার পর একটা জীবন সীমানা ,
মুখ থুবড়ে পড়ে যাওয়া রাস্তায় দাঁড়াতে শিখে গেছি ।
কত রকমের ব্যাখ্যায় সূচিত জীবন
মেরুকরণ ঘটে যায় দিগন্তের আভায় ,
বুকের মাঝে পাথুরে সংসারেও গোলাপ ফোটে
হাট বাজার বসে যায়
মুক্তিতে মুক্তো মালা
পসরা সাজানো বাগান
কচি ঘাসের কান্নায় রোজ দিনবসান ঘটে যায় ।
তুমি মাড়িয়ে যাবে তাই শিশিরের মিছিলে
কেন জানি না বারে বারে হাহাকার ওঠে ;
বিষ হয়ে যায় অযাচিত যন্ত্রণা
বিকেলের রোদে ঘন আলোড়ন তুলে
কারা যেন কাক চিলের আড্ডা জমায় ,
আমাদের ভাঙা পাঁজরে আজ আবার আবাহন মন্ত্র
স্ব-উচ্চারণে যুগ ধ্বনিত করে
আর আমি তোমার হাত ধরে
পৌঁছে যাই অনিন্দ্য আলোর আপন বিভবে ।
-০-০-০-

রেখেছো বামন করে মানুষ করোনি!

মাকাল ফল বলে একটা প্রবাদ আছে! কর্মস্থলের সুবাদে এই মাকাল ফলের দেখা সবচেয়ে বেশি পেয়েছি সিলেট অঞ্চলে। বিদ্যা-বুদ্ধি যা-ই থাক, অর্থকড়িতে এরা কেউ কেউ তুলনামূলক এগিয়ে- নিঃসন্দেহে। আজকাল শিল্প-সাহিত্যেও ভালো 'অবদান' রাখতে শুরু করেছে এরা। দেশীয় কিংবা বিদেশে অর্জিত অর্থে কোরবানির গরুর মতো মোটা-তাজা অনেক লিটলম্যাগ বের হয় সিলেট থেকে...।
সাবেক কর্মস্থলে সংস্কৃতিসেবক বেশ ক'জন সিলেটির দেখা পেয়েছিলাম। পত্রিকার প দূরে থাক, অ-ও না বুঝে এরা পত্রিকা সম্পাদনা করতে আসে। কাজ করার সময় আমার কাছে আবদার আসে- 'ভাইসাব, সম্পাদকীয় লেকিয়া দেউক্কা' কিংবা 'ভাইসাব, লেখক তো লেখার শিরোনাম দিছুইন না, এককান শিরোনাম বানাইয়া দেউক্কা' টাইপ অনেক কিছুই...!
তারপর সময়ের প্রয়োজনে একসময় আমি চাকরিটা ছেড়ে দিলাম।

ছবিব্লগঃ চল না ঘুরে আসি ১

৪ঠা নভেম্বর ২০১২, এদিন ছিল সারা পৃথিবীর সব পুরানো গাড়ির দৌড় প্রতিযোগিতা। ১১৮ বছর ধরে এই প্রতিযোগিতা হচ্ছে। এই প্রতিযোগিতায় ১৯০৫ সালের আগের গাড়িও অংশগ্রহণ করেছিল। প্রতিবছর নভেম্বরের প্রথম রবিবার সূর্যোদয়ের সময় লন্ডনের হাইড পার্ক থেকে এই দৌড় শুরু হয়ে ঘণ্টায় ২০ মাইল বেগে ব্রাইটন গিয়ে শেষ হয় বিকেল ৪.৩০ মিনিটে। এইজন্য এই দিনটাকেই বেছে নিলাম ব্রাইটন ভ্রমনের জন্য।
P1010196
সকাল থেকেই আকাশ মেঘাচ্ছন্ন, টিপ টিপ বৃষ্টিও পড়ছিল। কবিগুরুর কবিতা মনে পড়ে গেল।
‘নীল নবঘনে আষাঢ়গগনে তিল ঠাঁই আর নাহি রে
ওগো, আজ তোরা যাস নে ঘরের বাহিরে’

জাপান ডায়েরী ১

নতুন দেশে,নতুন সংস্কৃতির সাথে পরিচিত হলে মানুষের "কালচারাল শক" হয়, আমার মনে হচ্ছে আমি "কালচারাল সাইক্লোন" কিংবা "কালচারাল টাইফুন" এর ভেতর দিয়ে যাচ্ছি। ভাষা মানুষের অন্যতম সহায়, ভাষা মানুষের সাথে অন্য মানুষের সেতুবন্ধন, কিন্তু যখন সেই ভাষিক যোগাযোগের পথ আচমকা বন্ধ হয়ে যায় প্রতিনিয়ত ডাঙায় তোলা মাছের মতো হাঁসফাস করতে হয়।
গত এক দেড় বছর একটা ঝড়ের ভেতর দিয়ে গেলাম, ফেব্রুয়ারীর ৫ তারিখের আগেও আমার ধারনা ছিলো না সামনে এমন দিন আসতে পারে, নিজের জীবন আর ভবিষ্যত গুছিয়ে তোলার আগ্রহ ছিলো, ভাবছিলাম বিলম্বিত হলেও নতুন করে জীবন শুরু করে ফেলতে হবে, কাদের মোল্লার যাবজ্জীবনের ধাক্কা দেশের পরিস্থিতি অনেকটা বদলে দিলো আর আমিও সেই স্রতে ভেসে গেলাম।

নিশি কেটে গেলে(দ্বিতীয় পর্ব)

নিশি কেটে গেলে(দ্বিতীয় পর্ব)
কবির অবচেতন মন সিদ্ধান্ত হীনতায় ভুগলেও পরিবেশ পরিস্থিতির সকল কিছু কবি চরম ভাবে উপভোগ করছিল। সৃষ্টিকর্তা তার সৃষ্টির সকল স্তরে সকল স্থানে তার সৃষ্টির জন্য উপভোগ্য উপকরণ ছড়িয়ে ছিটিয়ে রেখেছেন। শুধু উপভোগ্য মানসিকতায় তাকে উপভোগ করতে হয় এই যা।
সহসা কিছুর একটা ছোয়া যেন কবিকে আনন্দ উপভোগের শেষ স্পর্শটুকু দিল। স্বর্গ মর্ত আকাশ পাতাল বুঝি না, কোথা থেকে অবর্ণনীয় অকল্পনীয় মহীমাময় সমীরণ কবিকে ছুয়ে গেল। এ যেন আজিকার বিভারবির সকল উত্তম উপহারের সেরা উপহার।
এবার কবি ক্ষনিকে অন্তর চক্ষু দিয়ে ছুটে গেলে কবির কবি মহাকবি্র দ্বার প্রান্তে। কি বলছে কবির কবি মহাকবি এমন অনুভুতিতে,
আমার প্রাণের পরে চলে গেল কে?
বসন্তের বাতাস টুকুর মত
সে যে ছুয়ে গেল নুয়ে গেল রে
ফুল ফুটিয়ে গেল শত শত
সে চলে গেল বলে না
সে কোথায় গেল ফিরে এল না
সে যেতে যেতে চেয়ে গেল
কি যেন গেয়ে গেল

আমি আছি এর মাঝেই!

শুক্রবারে আমার মন মেজাজ আজকাল ভালো রাখার চেষ্টা করি। সকাল থেকে বের টের হই না। বাসাতে বসেই থাকি। পিসিতে না বসার চেষ্টা করি। সিদ্দিক সালিকের ইংরেজী বইটা প্রায় শেষ করে দিলাম। কোনো এক ইউপিএলের মেলায় কিনে ছিলাম। পড়াই হয় নি। টেবিল আর পিসির চিপায় পড়েছিল। আমার বেশীর ভাগ কিছুই এরকম। এলোমেলো হয়ে পড়ে থাকে। বুয়া চায় গোছাতে। আমি বলি আপনার দরকার নাই, যে কাজ করেন তাই পারেন না আর অন্য কাজ তাও আবার গোছানো। আমার ঘর ভর্তি বই এইভাবে নানান প্রান্তে ছড়ানো, যে কেউ দেখে ভাববে কি দারুন পড়ুয়া ছেলে, আসলে আমি ওতো পড়ুয়া না। রুমে থাকলে বেশির ভাগ সময় কানে হেডফোন দিয়ে পিসি খুলেই বসে থাকি। কিন্তু খুব ভাব নেই যেন পড়তে পড়তে জান নিয়েই টানাটানি। তবে চাইলেই আমি পড়তে পারি এবং ভালোবেসেই পড়ি সবসময়। নামায পড়তেও গেলাম না। সারাদিন বাসায় বসেই থাকলাম। দুপুর হলো ভাত নিয়ে বসলাম। টিভিতে কি হয়?

তুমি যদি(প্রিয়র জন্মদিনে)

তুমি যদি(প্রিয়র জন্মদিনে)
তুমি যদি দৃষ্টির আড়ালে থাক
সান্ধ প্রদীপ জ্বালব কাকে দেখতে
তবে তুমি যদি কাছে আস
আলো জ্বালানোর প্রয়োজন আছে কি?
তুমি যদি মেহেদী না লাগাতে
কি করে বুঝতাম
মেহেদী পাতা এত সৌন্দর্যের অধিকারী।
তুমি যদি......।।
এই পর্যন্ত লিখে রেখেছিলাম, আর সময় হয়ে উঠেনি কবিতাটা শেষ করার,শান্তর লেখা পড়ে জানলাম অল্প সময়ে অতি প্রিয় হয়ে উঠা প্রিয়র আজ জন্মদিন। গেষ্ট রুমে গেষ্ট বসিয়ে রেখে তাই লিখছি।
তোমার হাসি মাখা ছবিখানা না দেখলে
বুঝতেই পারতাম না
কলিজা ছেদ করা এমন হাসি কেউ
হাসতে পারে।
দাতের মাজনের অনেক বিজ্ঞাপন দেখেছি
বলছি তাদের
তোমার অনুমতি নিয়ে
তোমার ছবিটা ধার নিতে,
অবাধ্য ক-খানা চুল
কাউকে
এত মোহনীয় করতে পারে????
তোমার কপালে ছড়ানো
চুলগুলো
না দেখলে জানতেই পারতাম না।
তব গলে দোল খেলা মালা খানি
পদ্ম ডাটার এক পাশের ছালে ছিরে

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা