গল্প: কোয়ান্দ লা নুই' তম্বে আ লা ফিন
এক-একদিন সকালটা শুরু হয় একেক রকমভাবে। কিছু কিছু সকালই পাগল করে দেয়। জীবনের নতুন মানে বুঝতে শেখায়। নতুন করে বাঁচতে শেখায়। আবার একেক দিন সকাল খারাপ করে দেয় মন। উদাস হয়ে যাই। বারান্দার দরজা লাগিয়ে, জানালার পর্দাগুলো টেনে দিয়ে, ফ্যানটা একটু বাড়িয়ে দিয়ে, কাঁথা শক্ত করে জড়িয়ে নিয়ে, কোলবালিশে গাল মিলিয়ে দিয়ে চোখ বন্ধ করে ফেলি। আমি মনে মনে বলি, এ সকাল আমার নয়, এ সকাল আমার নয়। প্লীজ ঘুম হয়ে যাও চোখে/ আমার
জীবন অন্যত্র - মিলান কুন্ডেরা (ষষ্ঠ কিস্তি)
আর এর বাইরে যা ঘটছিলো: আগে নগ্ন শরীরে প্রেমিকের ছোঁয়ায় তার লজ্জাবোধ হতো; তাদের কাছাকাছি আসার অর্থ ছিলো ভিন্ন কোনো দেয়াল টপকে আসার মতোন, আর হঠাৎ জড়িয়ে ধরার বিষয়টা ছিলো রীতিমতোন বিব্রতকর কারণ এটা আসলে হঠাৎ'ই ঘটে যেতো। লজ্জার বিষয়টা যদিও তাকে নিরস্ত করতো না একেবারেই, উল্টো সঙ্গমের প্রবণতা বাড়তো, কিন্তু এ সময়ে তার সজাগ দৃষ্টি থাকতো নিজের শরীরের প্রতি, যেনো সঙ্গমের টানে শরীরটা আবার হারিয়ে না যায়। আর ন
জাহানারার তহবিল নিয়ে কিছু কথা...
জাহানারার বিষয়ে আপনাদের নতুন করে আর কিছু বলার নাই ... আমাদের সামর্থ্যের বাইরে এখন তিনি। ব্লগার রাসেল, লিনা দিলরুবা, হাসান রায়হান সহ যারা সরাসরি অনেক পরিশ্রম করেছেন তাদের কষ্টটা অনেক ... তাদের কাউকে ফোন করতে পারি নাই ... কি বলবো তাদের? আসলেই ... আপনাদের শত ব্যস্ততায় নিজেদের বিভিন্ন ঝামেলায় জীবন যাপনে যখন নাভিশ্বাস ... সেইখানে এমন করে এগিয়ে আসা মানুষগুলানের জন্য স্যালুট। ...
কানামাছি ভোঁ ভোঁ
'হাইকু' নিয়ে কিছু কথাবার্তা
'হাইকু' জাপানী ভাষায় কবিতা লেখার একটি পদ্ধতি যা বিশেষ একটি রীতির উপর দাঁড়িয়ে বিকশিত হয়েছে। হাইকু পৃথিবীর সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত কাব্যরূপ। প্রথম লাইনে ৫টি, দ্বিতীয় লাইনে ৭টি আর শেষের লাইনে ৫টি সিলেবল নিয়ে হাইকু রচিত হয়। আগে হাইকুকে বলা হত 'হোক্কু' যার অর্থ ছিল 'রেঙ্গা' নামে শৃঙ্খলাবদ্ধ কবিতার প্রথমভাগ। হাইকু লেখা হয় নিয়ম মেনে এবং মূলত জাপানী ভাষায়ই এটি সঠিক ভাবে লেখা সম্ভব। এটির মূল ভাব প্রকাশ করতে হবে
আমাদের জাতীয় পোষাক কি?
আমাদের জাতীয় পোষাক কি? আমি দীর্ঘ দিন ধরে খুজে পাচ্ছি না। আমার বেশ কিছু বন্ধুকে জানতে চেয়ে ফোন এবং ইমেইল করেছি। কেহ আমার জবাব দিতে পারে নাই, অবশ্য অনেক বন্ধু আমাকে উল্টাপাল্টা কথা শুনিয়েছে! এ বিষয়ে মাথা না ঘামানোর কথা বলেছে! সে সব পরে হবে! যাই হউক, নানাবিধ "জাতীয়" থাকলেও পোষাকের ব্যাপারে কি আমাদের সরকার কোন ব্যবস্থা নেয় নাই! আমরা বন্ধু'র কোন বন্ধুর জানা থাকলে আমাকে জানান।
জীবন অন্যত্র - মিলান কুন্ডেরা (পঞ্চম কিস্তি)
শেষ পর্যন্ত কি সে সুখী হয়েছিলো? একদম না: বরং সংশয় আর আত্মবিশ্বাসের টানাপোড়েনে পড়ে গিয়েছিলো সে; আয়নার সামনে পোষাক খুলে দাঁড়িয়ে, নিজেকে চোখ মেলে দেখতে গিয়ে সে প্রায়শঃই উত্তেজনা টের পেতো, আবার মাঝে মাঝে নিজেকে মনে হতো সারাশব্দহীন মরা মাছের মতোন । এরপর অন্যকোনো চোখের পরিসরে ছেড়ে দিতেই শরীরময় ছড়িয়ে পড়তো অনিশ্চয়তার স্রোত।
দায়মুক্তি
আমি আজ দায়মুক্ত হলাম। গত দু'তিন দিন ধরে মনের মধ্যে একটা কাঁটা খচখচ করছিলো। জাহানারার কি হলো, খবর তো নিলাম না। খুব কাছের কয়েকজন বন্ধুদের জানিয়েছিলাম জাহানারার জন্য কিছু করার কথা। সবাই সাড়াও দিয়েছিলো। কিন্তু অফিস সময়ে বের হওয়াটা অনেকের জন্য সমস্যা, আমারও। দু'একজন বলেছে আমাকে দিয়ে দিতে, পরে শোধ দিয়ে দেবে। কিন্তু হায়! আমারই সময় হয়না।
শাদা মেঘের দল, আমার সাথে চল্ , ছোব মেঘের কোলাহল!
বাজি
আজিমুদ্দির আজকে কামেকাজে একদমই মন বসতেছে না। আজকে সন্ধ্যায় মোহামেডান-আবাহনী খেলা। ফেডারেশন কাপের ফাইনাল। ফুটবল তার হারানো অতীত ফিরে পাইছে, আগের মত আর ম্যান্দামারা টুর্নামেন্ট না, সারা দেশজুড়ে মারমার কাটকাট এইটা নিয়ে। পাড়া-মহল্লায় কথাকাটাকাটি, মাইরপিট, ধাওয়ানি, দাবড়ানি। বাড়ির ছাদে ছাদে আকাশি-হলুদ কিংবা সাদাকালো পতাকা। আজকে স্কুলগুলাও একটু আগে ছুটি দেয়া হবে যাতে পোলাপান বাসায় গিয়ে খেলা দেখতে প
শুভ জন্মদিন ভাষ্করদা
ছয় বছর হয়ে যাইতেসে এই ভাষ্করদা কে চিনি, যার লেখা ও কথা বলার স্টাইল তারে আমি অনেক পছন্দ করি! আপনার আজকে জন্মদিন, শুধু এই কারনেই পোষ্ট তা লিখতেসি!
শুভ জন্মদিন ভাষ্করদা
ওহ! আপ্নিতো বিজ্ঞাপন বানান, এক কালে আমিও আপনাকে নিয়া এক্তা বানাইসিলাম, যদিও অইটা ষড়জন্ত্র করে প্রচার করতে দেয়া হয়নাই! আজকে আমি ওইটা জনগনের সামনে তুলে দিলাম!
স্বীকারোক্তি...
বয়স অনেক হইলো। যতোই চল্লিশের দুয়ারে গিয়া পৌছাইতেছি, ততোই মনে হইতেছে কি জানি হারাইতেছি। সেই শৈশব থেইকাই এই হারানোর ভয় আমার পিছে লাইগা আছে। বাপের বাড়িতে একটা সুন্দর উঠান ছিলো। কিছুদিনের মধ্যেই সেই উঠানের উপর বাপে একটা বিশাল বাড়ি তুইলা ফেললো। যেই অসমাপ্ত বাড়ির তিনতলার কনস্ট্রাকশনের ফাঁকে ফাকে আমার সমব্রানিয়ার শত্রু-মিত্ররা স্থির দাঁড়াইয়া থাকতো। আমার সেই সমব্রানিয়া হঠাৎ একদিন লোপাট হইলো বাপের দেউলিয়া