অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য ও ৩৯ জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

একজন অভিজিৎ, হুমায়ুন আজাদ অথবা লালসবুজের বাংলাদেশ

এক.

হতবিহবল কিংবা থমকে থাকা সময়!

এবারের মত বাজে ফেব্রুয়ারি মাস আমার এই জীবনে আর আসে নি! ফেসবুকে লিখেছিলাম একটু আগে। গোটা দশ লাইকও পেলাম। তাহলে আমারই শুধু খারাপ সময় যাচ্ছে না, অনেকেরই মন্দ সময় কাটছে। আমার অবশ্য এখন ব্লগ টগ লিখতে সিরিয়াস বিরক্ত লাগে। তিনদিন ধরে চেষ্টা করেছি, এক লাইনও লিখতে পারি নি। এসব লিখে টিখে কি হয়? অভিজিৎ রায়ের মতো দেশ সেরা বিজ্ঞান লেখককে হাজার হাজার মানুষের সামনে দুই তিন মিনিট কুপিয়ে খুন করা হয়, তাঁর স্ত্রীকে নির্মম ভাবে জখম করা হয়। আঙ্গুল হীন রক্তাক্ত অবস্থায় তিনি সাহায্য চান, কেউ আসে না এগিয়ে। কেউ কেউ ছবি তোলে। এরকম শুয়োরের বাচ্চাদের দেশে আমরা আছি শুয়োর হয়ে, কোনোরকমে প্রান বাঁচিয়ে। এটাকে কি বেঁচে থাকা বলে?

ভন্ড ভালবাসা

মানুষের জীবনে বাচঁতে হলে অনেক কিছুর প্রয়োজন হয়। সুস্থ ও সবলভাবে বেচেঁ থাকতে হলে একটা মানুষকে খাবারের সাথে সাথে মনের তৃপ্তিও যোগান দিতে হয়। তা না হলে তার বেচেঁ থাকাটাই কষ্টকর।
আমদের জীবনে চলার পথে অনেক প্রয়োজন সেটা যে কোন ভাবেই হোক না কেন যোগান দিতে পারে। কিন্তু কেউ যদি তার ভালবাসা হারায় সেটার বিকল্প কি যোগান দিতে পারে? হয়তোবা কেউ কেউ পারে কিন্তু পরিপুর্নভাবে সে সুখ ফিরে পায় না। তখন তার স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে ভীষন সমস্যা হয়।
এবার আসি মূল বিষয়ে। বিষয়টা হলো ফেইসবুক নিয়ে।

মিত্র কিংবা মৃতের তালিকায় দেখা নামগুলো

অনুভুতিগুলো খুব পরিচিত। শাহবাগের মাঝপথে যেদিন রাজীব খুন হলো সেদিন থেকেই নিশ্চিত ছিলাম লাশের মিছিলে আরও অনেকের নামই যুক্ত হবে। এইসব দৃশ্য দেখে জন্মভুমির পরিচিত ভাষা, পরিচিত বন্ধুর মুখ, মিছিলের উদ্যত হাতের সাথে উত্তোলিত অপরাপর হাত দেখে ভেতরে জন্ম নেওয়া প্রত্যয় আর ছদ্মনিরাপত্তার বোধ ভেঙে যায়, তখন মিছিল শেষে ফেরার পথে পেছনের পথটাতে চোখ রাখা, ভীড়ে খুব কাছে চলে আসা মানুষের হাতের দিকে সন্দিগ্ধ তীক্ষ্ণ নজর রাখা, হঠাৎ করে সেখানে চাপাতি উঠে আসবে কি না ভেবে ভয়ে সিঁটকে থাকা, আবছা অন্ধকার গলির সামনে মানুষের জটলা দেখলে সন্তর্পনে হেঁটে যাওয়া, হয়তো সেখানেই ঘাতক দাঁড়িয়ে আছে উদ্যত ছুরি হাতে, ঘাড়ে কিংবা গলায় চালিয়ে দিবে দ্বিধাহীন। নিরাপত্তাহীনতার বোধ শব্দ দিয়ে এই অনুভুতি প্রকাশ করা যায় না। ক্লাস্টোফোবিক মানুষকে যদি স্যুটকেসে ভরে চলন্ত এস্কিলেটরে ফেলে দেওয়া হয় তার ভেতরে যে ধরণের তীব্র আতংক জন্মাবে প্রতি মূহ

অভিজিত ভাইয়ের মৃত্যু আর চারপাশ

অভিজিত ভাইয়ের মৃত্যু আর একবার জানিয়ে দিলো, কতো প্রকারের সুশীল ফেসবুকে পদচারনা করে। তাদের মুক্তিযুদ্ধে আপত্তি, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে আপত্তি, শাহবাগে আপত্তি, জয় বাংলাতে আপত্তি, বঙ্গবন্ধুতে আপত্তি, মানুষের নামে আপত্তি, পোষাকে আপত্তি, মুক্তচিন্তা ভাবনায় আপত্তি ...... কিন্তু মুক্তচিন্তাকারদের আবিস্কৃত ফেসবুক, ইউটিউব, ভাইবার, বাংলা সফটওয়্যার ইত্যাদি কিছুর উপকারিতা নিতে তাদের বিন্দুমাত্র আপত্তি নেই

অভিজিৎ রায়ের খুনীদের ফাঁসি চাই

আপনারা অবগত আছেন যে মুক্তমনা ওয়েবসাইটটির প্রতিষ্ঠাতা, বিজ্ঞান ও যুক্তি বিষয়ক বইয়ের জনপ্রিয় লেখক, আমাদের সহযোদ্ধা অভিজিৎ রায় ঢাকা সময় ২৬ ফেব্রুয়ারি রাত নয়টার সময় মৌলবাদী দুর্বৃত্তদের চাপাতির আঘাতে নিহত হন। একই হামলায় সাথে থাকা তাঁর স্ত্রী লেখিকা রাফিদা আহমেদ বন্যা গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

বাংলা কমিউনিটি ব্লগ অ্যালায়েন্সের পক্ষ থেকে আমরা এই খুন ও হামলার তীব্র নিন্দা জানাই, খুনীদের ফাঁসি দাবি করি এবং এই খুনের সঙ্গে জড়িত সকল উসকানিদাতাদের অবিলম্বে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানাই।

অভিজিৎ রায় এবং বন্যা আহমেদ মুক্তবুদ্ধির বিকাশে দীর্ঘ সময় ধরে নিবেদিত সাধনা করে এসেছেন। অভিজিৎ রায়ের মৃত্যু তাই বাংলাদেশের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি বয়ে আনবে।

বাংলা কমিউনিটি ব্লগ অ্যালায়েন্সের পক্ষ থেকে ভবিষ্যৎ কর্মসূচি আপনাদের জানানো হবে।

বিশ্বাসের আসামীরা

২০১৩ সালের ১০ এপ্রিল তারিখে ডিবির রিমান্ড শেষে আদালত আমাদের চারজন’কে (রাসেল পারভেজ, আসিফ মহিউদ্দিন, মশিউর রহমান বিপ্লব) পাঠিয়ে দিল কারাগারে। কারাগারে আমাদের জন্য বাড়তি নিরাপত্তার সাথে অপেক্ষা করেছিল কারাগারে আটক বন্দিদের কর্তৃক মৃত্যুর হুমকি। আমাদের দেখা মাত্র কয়েদিরা ক্ষোভে ফেটে পড়ল। এতো বিশ্রি ভাষায় গালাগালি আমি কখনো কারো মুখে শুনিনি।

পাঠপ্রতিক্রিয়া " জিহাদ ও খেলাফতের সিলসিলা" পারভেজ আলম

কিছু মৌল বিশ্বাস বাদ দিলে ধর্মাচরণ আদতে এক ধরণের সংস্কৃতিযাপন। মৌলবিশ্বাসের রকমফেরে সে সংস্কৃতিচর্চার বৈশিষ্ঠ্য বদলায়। সামাজিক- অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের ভেতরে থেকেই সে সংস্কৃতিচর্চা করতে হয় বিধায় ভিন্ন ভিন্ন প্রাকৃতিক পরিবেশে একই ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় জীবন সংস্কৃতিতে স্থানীয় বৈশিষ্ঠ্য প্রকট হয়ে ওঠে এবং মৌল বিশ্বাস কাঠামোর ভেতরেই ধর্ম নিজেই সংস্কৃত হয়ে ভিন্ন একটি ধর্মীয় সংস্কারে পরিণত হয়। কখনও সামাজিক প্রয়োজনে নতুন ধর্মমতের উদ্ভব হয়, কখনও পুরোনো ধর্মমতের মৌলিক বিশ্বাসজনিত বিতর্কে নতুন একটি ধর্ম সংস্কার তৈরী হয় , মানুষের সংস্কৃতিন্যস্ততা তাকে কোনো না কোনো একটি সংস্কৃতির ভেতরে অভ্যস্ত করে ফেলে এবং সেই অভ্যস্ততাজনিত কারণে তারা নিজেদের সাংস্কৃতিক বিশুদ্ধতা রক্ষায় কখনও প্রতিক্রিয়াশীল কখনও সমঝোতাকামী।

দিন প্রতিদিন বইমেলায়--(৬)

কাল মেলায় ছিলাম। উদ্দেশ্যবিহীন, কেনাকাটাহীন। হিল্লোল দা এর সাথে দেখা, কথা হলো- উনার সাথে থাকা লোকদের বলছে-- আমরা বন্ধুর বড় ব্লগার শান্ত মিয়া, বইমেলা নিয়ে লিখছে নিয়ম করে। আমি অবাক হলাম এইভেবে যে- এই ব্লগ কেউ কেউ এখনো পড়ে। এবারের মেলাটা ভালো যাচ্ছে না। কারন অর্থনৈতিক, সেই কারনে পছন্দের বই কেনা হচ্ছে না। বইয়ের দামও বেশী। নতুন নতুন অনেক বইয়ের নাম শুনি, গত বছর হলেও কিনতাম চোখ বন্ধ করে। এবার আর সেই বিলাসীতার সুযোগ নাই। আশা করছি মনে মনে যে লিষ্টটা আছে, তা এই বইমেলায় কিনে ফেলবো। না পারলে আর কি? জান তো দেয়া যাবে না। আমি সারা বছর জুড়েই টুকটাক বই কিনি, বন্ধুদের থেকে ধার নিই, এবার কেনা হলো না তাতে কি আর করা যাবে?

ক্ষুদে পাইনের বসতি

যে মহল্লায় থাকি তার নাম ক্ষুদে পাইনের বসতি। সম্ভবত যখন এখানে প্রথম বসতি স্থাপিত হয়েছিলো তখন আশেপাশের ছোটো ছোটো টিলার উপরের পাইন গাছগুলো ক্ষুদ্র ছিলো, সেসব গাছের বয়েস বেড়েছে। শহরও গতরে বেড়েছে। শহরের চরিত্রই এমন, নাগরিক সুবিধাগুলোর আনুভুমিক বিস্তৃতির সাথে জনবসতি বাড়ে। কোনো একজন বসতির সামনে ছোটো একটা মুদি দোকান খুলে ফেলে, তার পাশেই কেউ চুল ছাঁটার দোকান, কেউ কাপড় সেলাইয়ের দোকান খুলে, তারপর ধীরে ধীরে দোকানের ধরণ বদলায়, মুদি দোকান থেকে কনভেনিয়েন্ট স্টোর কিংবা সুপারমল তৈরী হওয়ার পর মুদির দোকানী তৈরী খাবারের দোকান খুলে জাঁকিয়ে বসে।

ফাগুন আসার আগে

শাম্মী আমার ছোট বোন ।মাত্র দু’দিন আগেও যে ছিল রঙ্গিন স্বপ্নে বিভোর। প্রায় সাত বছর পর অনেক কষ্টে আসিফের কথাটা বাবাকে জানিয়েছে এবং সম্মতি আদায় করে নিয়েছিল।গত বছর নভেম্বর মাসে ওদের পান-চিনি হয়েছিল।আর আসছে ফাল্গুনে ওদের বিয়ের দিন ঠিক করেছিল।ওরা দু’জনেই প্রতিদিন অফিস শেষে বিয়ের কেনা কাটা করতে বের হতো।যতক্ষণেই বাসায় ফিরত না কেন শাম্মী রোজ আমার বাসায় এসে কেনাকাটার গল্প করত। শুধু এখন না,আসিফের সাথে সম্পর্ক হওয়ার পর যেদিন আমাকে প্রথম বলল, সেদিন সব গল্পের সাথে আরো বলল,আপা তোকে বলার পর মনে হচ্ছে বুক থেকে একটা পাষাণ ভাব নেমে গেল।কারণ বাবাকে ম্যানেজ করা এখন তোর কাজ।

'একদিন সব কিছু গল্প হয়ে যায়'

মনটা বিশেষ ভালো না। প্রথমত ইন্টারনেট নেই তাতে কিঞ্চিত বিরক্ত - তারপর টাকা হারিয়ে ফেলে কিছুটা বিরক্ত নিজের উপরে আজ। মাঝে মধ্যেই সুবিধার জন্য পাঞ্জাবীর পকেটে টাকা রাখি, আর হারাই। নতুন কিছু না। তবে মাত্রাটা বেড়েছে হারানোর আর যেদিন হারায় সেদিন আমার মেজাজটাও ভালো থাকে না, বোকামীর দন্ডর চুড়ান্ত অবস্থা। তাও সব কথার শেষ কথা, এই দুর্দিনে ভালো আছি, শত হতাশার ভেতরেও খুব ভালোই কাটছে দিন। তার ভেতরে মোবাইলের সামান্য ডাটা নিয়ে এই লেখাটা শুরুই করলাম অনিশ্চয়তায়। সাথে আছে আমার ল্যাপটপ ভীতি। ডেস্কটপে কাটাস কাটাস করে যুদ্ধ করতে করতে লেখার অভ্যাস, ল্যাপটপে আঙ্গুল ছুয়ে তাই আলতো করে লেখার অভ্যেস এখনও হয়ে উঠে নি। আমার সব কিছুই অস্থির, স্থুলতা, কোনরকমে ভরপুর। গুছিয়ে যে কিছু অসাধারণ ভাবে করবো, তা কখনোই আর হলো না।

ভাবনার রেশ ধরে যেতে যেতে

আজ রাত্তিরেও খাওয়া দাওয়া সেরে যেই না সুনীল'দার মিষ্টির দোকানের পাশটাতে দাঁড়িয়েছি অমনি সেই পাগলা হাওয়া বইতে শুরু করেছে। ভরপেট খেয়েদেয়ে একটা মিষ্টি গালে দিয়ে এরকম ঝিরি ঝিরি বাতাসে দাড়িয়ে; ঠিক কি কারণে জানি না- একটা ধোঁয়ার কাঠিতে আয়েশ করে আগুন জালিয়েই মনে হল- বিড়িটড়ি এবার ছেঁড়ে দিলেই হয়- কেন যে আজ অব্দি অনর্থক বিষ খেয়ে যাচ্ছি - এ বস্তুটির কাছ থেকে নিস্তার পেলেই বাঁচা যায়- চাইলেই ছেঁড়ে দেওয়া যায় ইত্যাদি ইত্যাদি। পাশের পাড়ার দাদাও ফুস করে ধোঁয়া ছেঁড়ে সায় দিলেন- হ্যাঁ হ্যাঁ ঠিক কথা।

আনন্দের পোস্টমর্টেম

ছেলেটাকে খুব কাছ থেকে চিনি আমি। তার শৈশব, কৈশরের অনেক গল্প আমার জানা। কিছুটা সে জানিয়েছে। কিছুটা জেনে নিয়েছি। শৈশবের ডানপিটে স্বভাবের একটি ছেলে কী করে ধীরে ধীরে পাল্টেছে-সেটাও আমার চোখে দেখা।

ছেলেটার একটা নাম দেওয়া দরকার। মনে করুন, তার নাম আনন্দ। তো, আনন্দের ছোট বেলা বেশ আনন্দেই কেটেছে। মফস্বল শহরের ছেলে। প্রাইমারি স্কুল পর্যন্ত গ্রামেই কাটিয়েছে সে। সকালবেলা স্কুলে যাওয়া, স্কুল থেকে ফিরে পুকুরের ঘোলা জলে সাঁতার কেটে চোখ লাল করা, তারপর মায়ের বকুনি খেয়ে পুকুর থেকে ওঠা, গরম ভাত খাওয়া, বিকালবেলায় হাডুডু খেলা, বৃষ্টির দিনে স্কুল মাঠে জাম্বুরা দিয়ে ফুটবল খেলা, সন্ধ্যায় হাত মুখ ধুয়ে পড়তে বসা... এই ছিলো তার নিত্যদিনের কাজ।

হালচাল ২

জাপান সরকারের শিক্ষা উপদেষ্টা কোনো একটি পত্রিকায় মন্তব্য কলাম লিখেছেন- সেখানে তিনি বলেছেন জাতি-বর্ণ বিভাজন করে বিদেশী শ্রমিকদের অভিবাসন এবং অন্যান্য সুযোগ সুবিধা বন্টন করা উচিৎ। বিদেশী ভিন্ন সংস্কৃতির মানুষেরা জাপানের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বুঝবে না- জাপানী নাগরিকেরাও বিদেশী সংস্কৃতিতে অভ্যস্ত হতে পারবে না- তাই এই দুই সংস্কৃতির মানুষের ভেতরে স্পষ্ট ব্যবধান থাকা উচিৎ। প্রধানমন্ত্রীর প্রিয়ভাজন উপদেষ্টা হলেও- আনুষ্ঠানিক ভাবে এমন বর্ণবাদী বক্তব্য কিংবা সরকারী সিদ্ধান্ত ঘোষণা আধুনিক যেকোনো রাষ্ট্রের জন্যেই অসস্তিকর। আমরা " বর্ণবাদ, শ্রেণী সংস্কৃতি ভাষাভিত্তিক" বৈষম্য নির্মূলে আগ্রহী যদিও প্রতিটি উন্নত রাষ্ট্র পরিস্থিতি বিবেচনা করে কিছুটা সংরক্ষণশীল অবস্থান গ্রহন করছে এবং ধর্মীয় সন্ত্রাসের প্রকোপ বৃদ্ধির সাথে সাথে এমন সংরক্ষণশীল অভিবাসন নীতি গ্রহনের প্রবনতা বাড়ছে।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা