অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য ও ৩২ জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

হঠাৎ শ্রীমংগল

সাজ্জাদ ভাই বলল, চল শ্রীমংগল যাই । কোন কথা নাই ব্যাগ গুছিয়ে তৈরী হয়ে নিলাম। ৩ জুন ভোর ছয়টায় গাড়ী ধরতে হবে। তাই ভোর পাচটায় সাজ্জাদ ভাই এর ফোন গাড়ী নিয়ে আসতেছি বাসা থেকে বের হও। কোথায় থাকবো , কোথায় যাবো কিছুই জানি না, সাজ্জাদ ভাই বলল যে রাস্তায় যেতে যেতে বিস্তারিত বলবো।

রাস্তার বিড়ম্বনা-
সকাল ৬ টায় সায়দাবাদ থেকে হানিফ এর বাস শ্রীমংগল এর উদ্দেশে যাত্রা শুরু করলো এবং রাস্তার জ্যাম এর কারনে ফ্লাই ওভার পার হতে ৮ টা ও ভুলতা পার হতে ৯:৩০ বেজে গেল অতপর শমশেরনগর গিয়ে গাড়ীর চাকা পাংচার হল, সময় তখন দুপুর ১২:৩০ টা। চাকা ঠিক করে দুপুর ২ টার দিকে শ্রীমংগল এবং সেখান হতে সিএনজি নিয়ে আমাদের গন্তব্য শ্রীমঙ্গল শহর থেকে ২৩ কি.মি দুরে শহরস্থী বাজার (পাচাউন) এর কাছে ক্যাপ্টেনস হাউজে ।

আথিতিয়তা গ্রহন-

কষ্টের প্রাসাদ

কষ্টের প্রাসাদ
রাকিবুল ইসলাম

সেদিন না বলেছিলে, কখনো
কষ্ট দেখনি তুমি!
হ্যা, তবে চলো, আসো আমার সাথে
তোমাকে আজ কষ্টের প্রাসাদে নিয়ে যাব।

সেখানে ধূলোয় ছেয়ে যাওয়া
দালানের আল্পনার প্রতিটি
তুলির ছোঁয়ায় কষ্ট লুকিয়ে আছে ;
সেখানে কার্পেটের প্রতিটি সুতোয়
বাধা পড়ে আছে আমার কষ্টগুলো।

কষ্ট দেখনি বলেছিলে না তুমি!
সেই প্রাসাদের দরজা, জানালা, সিঁড়ি
আল্পনা আকা করিডোর, জীর্ণ হয়ে
যাওয়া পুরোনো কাঠের চেয়ার
সবকিছুতেই কষ্ট লেগে আছে।
কত রকমের কষ্ট তা না দেখলে
বুঝবে না তুমি।

প্রতিটি কষ্ট মাকড়শার জালে
আটকে যাওয়া উইপোকারর মত
ছটফট করে সবটা সময় জুড়ে ;
প্রতিটি কষ্ট সেখানে ক্ষুধার্ত কাকের
মত ডানা ঝাপটাতে ঝাপটাতে
নিঃসাড় হয়ে পড়ে।

কষ্টের সেই প্রাসাদে আমার
কষ্টরা সব বাধা পড়ে আছে।

কষ্টগুলো সব, সারাদিন ব্যস্ত থাকে
নিজেদের সূচালো করতে, আর রাত্রির আধারে

ফেরা

বালিশে মাথা রেখে যারা ঘুমিয়ে আছে
তারা ঘুমিয়ে থাকে;
কাল ভোরে জাগাবার জন্য।
যে-সব ধূসর হাসি, গল্প, প্রেম, মধুরেখা
পৃথিবীর
পাথরে কঙ্কালে অন্ধকারে মিশেছিলো
ধীরে-ধীরে জেগে ওঠে তারা।
.
সচরাচর ভোরে ওঠার সুযোগ কম হয় আমার...
তাইমোহভঙ্গ সকালটায় হারমোনিয়াম
বাজিয়ে যেমেয়েটা নেক্সটফ্লোরে গলা
সাধে সাত সকালে, তার বিষাদীকণ্ঠ খুব
একটা শুনতে পাই না।তক্ষকডাকা একটা রাত
রবীন্দ্রনাথের গল্পগুচ্ছেরপাতা ওল্টাতে
ওল্টাতে ঘাড়বাঁকা করে কখন অদ্ভুতভাবে
ঘুমিয়ে পড়েছি, টেরপাইনি। জানালার কাঁচ
ভেঙে দেয়ার মতো বৃষ্টিযখন ঘুম ভাঙালো
বাইরে তখন ধূসরধ্রুব ভোর প্রায়....
.

এল্যার্ম এর কর্কশ ধ্বণি শুনে যখন চোখ দুটো
খুললাম তখন ঘড়ির কাটায় ঠিক ভোর পাঁচটা!
সচরাচর ভোরে ওঠা আমার কাছে বাহুল্য মাত্রই
বলা চলে! সচরাচর আমার ভোর হয় সূর্যি যখন
অগ্নিঝড়া চোখে মধ্যগগণে তীব্র অভিশাপ
দিতে থাকে আর সেই অভিশাপের ফল এক

তুমি আসবেই আমি জানি

তুমি আসবেই আমি জানি

জানি না কে দিয়েছিল পলাশকে তার ডাকনাম
জানি না কতটা ঘন হলে মেঘ হবে ঘনশ্যাম
জানি না কতটা কথা বলা হলে হবে কথকতা
জানি না কিভাবে স্রোত ভেঙ্গে দেয় নদীর জড়তা
জানি না ফুরাবে কবে বৃথা প্রশ্নের হয়রানি
উত্তর আসবে না, তুমি আসবেই আমি জানি।

জানি না কোন গুনির তান পুরে হল তানপুরা
জানি না শ্রীরাধিকার প্রিয় ছিল কিনা রাধাচূড়া
জানি না শ্যামের বাঁশি সাঁওতালি সুরে বাজে কিনা
জানি না গোঠের পথ মথুরার হদিস চিনিনা
জানি না ঝুলনে আজও হয় কিনা মিঠে কানাকানি
উত্তর আসবে না, তুমি আসবেই আমি জানি।

জানি না তথাগতর স্তব কেন দুনিয়া বোঝেনি
জানি না জুডাস কেন ভালবেসে যিশুকে খোঁজেনি
জানি না এ পৃথিবীর ঘাতকরা গান শোনে কিনা
জানি না লালন শুনে ভাসে কেন বুকের আঙ্গিনা
জানি না বিচার হলে কেন গান হয়না শুনানি
উত্তর আসবে না, তুমি আসবেই আমি জানি।

ভাবনা দিয়েছি ছেড়ে, এত ভেবে হয় কি?

খুব লিখতে ইচ্ছে করছে, তাই নিরুপায় হয়ে লিখতে বসা। মাঝে মাঝে এমন হয় খুব লিখতে ইচ্ছে করে, বিশেষ করে এমন রোজার দিনগুলোতে। আগে তো রাতে জেগে থাকা মানেই আমার ব্লগ লেখা। সামান্য দিনগুলোকে নিয়ে লিখে গেছি সামান্য সব লেখা। এখনও রাত জাগি, লেখতে ইচ্ছে করে, কিন্তু লেখা আর হয় না। বই পড়ি, টিভি দেখি, মোবাইলে হেডফোন নিয়ে কেটে যায় সময়। আজ অনেকদিন পর লিখতে বসলাম শুধু লেখার ইচ্ছা পূরণ করার জন্য। সারাদিন অফিসে ব্যস্ত সময়, ইফতারীর পর আড্ডা, রাতে কম ঘুমানো সব মিলিয়ে এ কদিনে চেহারায় কেমন জানি বয়স্ক মানুষের ছাপ পড়ে গেল। তার ভেতরে চুল গুলো ঝড়ছে সমানে। এইসব নিয়ে আর ভাবি না, মানুষ মরে যায়, বানের জলে ভেসে যায় মানুষ, আর রূপ যৌবন দিয়ে কি হবে। যে অপ্রেমের অতি সাধারণ জীবন আমার তাতে ওতো ভেবে কি হয়, তাও ভাবি ভাবতে ভাবতে দিন চলে যায়। এখনও আমার পুরোনো লেখা অচেনা কেউ কেউ পড়ে, ফেসবুকে সেই ভালো লাগা জানায়। অবাক হই, কত আগের সব লে

অদ্ভুত আঁধার এক

তিন মাস হয়ে গেল। মাসের হিসাবে হয়তো এটা শুধুই একটা সংখ্যা। কিন্তু যাদের বুক খালি হলো তাদের কাছে কত সহস্র বছর মনে হচ্ছে তা বোঝার ক্ষমতা কি আমাদের আছে? তনু’র কথা বলছিলাম।সেই তনু। যে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের ছাত্রী ছিল, যে নাটক করত, আবৃত্তি করত, স্বপ্ন দেখত, প্রাণ খুলে হাসত, এমনকি নিজের হাত খরচ চালাতে গিয়ে বাবার উপর যেন চাপ না পড়ে সেজন্য টিউশনিও করতো।কেমন লক্ষী মেয়েটাই না ছিল বাবা-মায়ের।

ভুলের ভাণ্ডার

এক.
‘ভুল’ বানানটি সঠিক বটে
লিখবেন না কেউ ভূল
তুল লিখেন টুল লিখেন
লিখবেন না বানান মুল।

‘মূল’; কিন্তু মুল নয়
রাখবেন মনে সবে
মুল যদি লিখে কেউ
ভুল জানবেন তবে।

‘কুল’ যদি বরই হয়
‘কূল’ নদীর পাড়
ভুল বানানে অভ্যস্ত
লজ্জা পাবে সবার।

‘তুলা’ লিখেন ‘কুলা’ লিখেন
লিখবেন না কেউ মূলা
‘মুলা’ বানান সঠিক তবে
লিখবেন না ফরমূলা।

ফরমূলা নয়, ‘ফরমুলা’
জেনো নিশ্চয়
ইংরেজি উচ্চারণে
(ূ) ঊ-কার নাহি হয়।

কারণ বারণ মরণ লিখেন
ধরণ লিখবেন না
ধরণ যেন ‘ধরন’ হয়
লিখতে ভুলবেন না।

‘গুণ’ লিখেন ঘুণ লিখেন
গুন লিখবেন না
গুণিতকের মর্মকথা
এতে পাবেন না।

‘কাঁটা’-‘বোঁটা’ সবই লিখেন
ফাঁটা লিখবেন না
ফ-এর ওপর চাঁদ বসালে
‘ফাটা’ হবে না।

‘হাসি’ লিখেন ‘কাশি’ লিখেন
হাস লিখবেন না
চাঁদ ছাড়া ‘হাঁসফাঁস’
কিছুই হবে না।

বাড়ি-গাড়ি সবই লিখেন
হাড়ি লিখবেন না
‘হাঁড়ি’র ওপর চাঁদের টিপ
দিতে ভুলবেন না।

পরবাসী বাবা

আমার বাবার ছবি নেই
আছে স্মৃতি অল্প
ছড়ায় ছড়ায় লিখছি তাই
আমার বাবার গল্প।

সংসারের ছোট ছেলে
আদর পেতাম মস্ত
বাবা শুধু বাবাই নয়
ছিলেন জানি দোস্ত।

কর্মজীবী বাবা ছিলেন
সাদামাটা স্বভাবের
রাগতে তাকে দেখিনি তো
ছিল না ভাব নবাবের।

গ্যাস ব্যামোতে মাঝেসাঝে
কষ্ট পেতেন দিনরাত
অন্যের ভালোয় ভালো তিনি
বুঝতো না কখনো পাঁচসাত।

রোগে ভোগে বাবা একদিন
গেলেন পরপারে
ফিরলো না সে আর কোনোদিন
খুঁজবো কোথায় তারে।

জুন ২০, ২০১৬

তথ্য বাতায়ন

১৯৯০ সালে সার্নের গবেষক টিম বার্ণার্স লি যখন গবেষকদের তথ্য আদান প্রদানের সুবিধার জন্যে কম্পিউটারগুলোর ভেতরে আন্তঃসংযোগ গড়ে তোলার পদ্ধতি উদ্ভাবন করলেন এবং পরবর্তীতে এই ধারণা বিস্তৃত করে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের ধারণা নিয়ে কাজ শুরু করলেন, ইন্টারনেটের মাধ্যমে একটি নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থায় বিভিন্ন দুরবর্তী কম্পিউটারের ভেতরে যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হলো।

সংখ্যালঘুত্ব

মানুষ শুধু মানুষ পরিচয়ে অপূর্ণাঙ্গ বোধ করে তাই নিজেদের আলাদা আলাদা বর্গে ভাগ করে। রাষ্ট্র মানুষের পরিচিত কাঠামো মেনেই আদম শুমারি করে নাগরিকের গায়ে গোত্র, ধর্মের লেবাস জড়ায়। রাষ্ট্র তার নাগরিকদের শরীর থেকে জাতি,গোত্র, ধর্মের লেবাস মুছে ফেললে হয়তো বিভিন্ন ধরণের সাম্প্রদায়িকতা প্রশ্নকে নাগরিক অধিকারের জায়গা থেকে মোকাবেলা করা সম্ভব হতো, তবে রাষ্ট্রে সহসা এমন বৈপ্লবিক পরিবর্তন আশা করা অনুচিত।

ভারতীয় জনতা দলের একজন নেতা বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতিত হচ্ছে এমন বক্তব্য উপস্থাপনের পর বদরউদ্দীন উমর সনাতন ধর্মাবলবীদের সংখ্যালঘুত্ব প্রশ্নটিকে ভিন্ন ভাবে উপস্থাপন করেছেন। বাংলাদেশে প্রকৃত সংখ্যালঘু কারা? বদরউদ্দীন উমর অসস্তিকর এই প্রশ্নের উত্তরে মতায় প্রতিনিধিত্ব এবং নির্যাতনের বাস্তবতা বিবেচনা করে দেশের আদিবাসী জনগোষ্ঠীকে প্রকৃত সংখ্যালঘুর মর্যাদা দিয়েছেন।

সাড়ে চার বিলিয়ন বছর, হে ক্ষুদে নক্ষত্রকণা

ছোট ছোট গল্পরূপী, ঘাসের শাদা ফুলরূপী, তোমার কানের দুলরূপী, আগুনরঙা চুলরূপী, সাঁঝবিকেলের মাঝরূপী, পানকৌড়ির ডুবরূপী, একেকটা অপার কষ্ট। ওরা ছুটছে যেন কোথায়, ওদের কার সাথে যে ছন্দ, ওদের নিত্য দেখা যায়, ওদের ভেতরটা খুব বন্ধ।

তোমার বুকে বিঁধেছে ওটা কি? তোমার চোখ থেকে ঝরছে বলো কি? তোমার হাতে লালরঙা ওসব কি? তুমি কাঁদছো কেন মেয়ে, তোমার নামটা বলো তো কি? তোমার দুঃখটা যেন কি? তোমার হৃদয়টা চায় কি?

ও, তাই? ওটা ছুরি? বাব্বাহ, খুব বাহারি নকশা কাটা বাঁটে। ঝরে অশ্রু? দারুণ, তুলছে ছবি ফুটিয়ে ললাটে। ওসব রক্ত? সুন্দর, ঠিক যেমন পলাশ ফুটে বৈশাখে। নাম নেই? অদ্ভুত। বহুরূপী প্রভুর তুমি রইবে খুব নিকটে। দুঃখ নেই? অনন্য, তোমার পাথর কেন পকেটে? হৃদয়ও অকেজো? অসাধারন, তুমি ধন্য মেয়ে বটে।

জাপানের জনজীবনের যত ঘটনা

সংস্কৃতি বা জনজীবনের কথা বলতে গেলে বলতে হয় মানুষ আসলে কী করে আনন্দ পায় বা সময় কাটাতে ভালোবাসে। যেকোনো সংস্কৃতির এই প্রসঙ্গ নিয়ে কথা বলতে গেলে টেলিভিশনের কথা প্রথমেই চলে আসে। জাপানীরাও সবার মতই টেলিভিশন, সংবাদমাধ্যম বা রেডিওর দ্বারা প্রভাবিত হয়। তবে টেলিভিশন দেখার ব্যাপারটাও বদলে গেছে- কেননা জাপানী গৃহবধূরা যেসব টেলিভিশন নাটক দেখে থাকেন তাতে সমাজে ঘটে যাওয়া নিকৃষ্ট বিষয়গুলোই প্রাধান্য পায়।

ম্যাগাজিনের কথায় আসলে সেসব ম্যাগাজিনের প্রসঙ্গই প্রধানত চলে আসে- যেসব কাগজ মানুষের মনে সুপ্ত থাকা বাসনা নিয়েই লেখে- কেননা জনমানুষ সাধারণ সংবাদপত্র পড়ে পড়ে একঘেয়ে হয়ে যায়। জাপানের কমিক্স ছেলে বুড়ো সবার অবসরের অনেকটা জায়গা জুড়েই রয়েছে এখনো।

এমন যদি হত

- সারাদিন আজ কি করলে?
; এই তো, ঘুম থেকে উঠে চা বানিয়ে বিস্কুট দিয়ে খেলাম। তার পর একটা রেসিপি লিখার চেষ্টা করলাম, জানো আজ গল্প ও রান্না’য় তেইশ লক্ষ হিট হয়ে গেল!
- আমরা বাসায় নেই এখন তো তোমাকে লেখায় আর কেহ বাধা দিচ্ছে না!
; না, এখন তোমরা না থাকলেও আর লিখতে পারি না, না লিখতে লিখতে অভ্যাস হয়ে গেছে, তার পর ফেসবুকে এতটা অসক্ত হয়ে পড়ছি যে, লেখার চেয়ে ফেসবুকে থাকতেই আনন্দ পাই। অন্যের লেখা পড়ি আর লাইক কমেন্ট করি! ওহ, আর ফেসবুকের ওয়ালে শুধু সেলফি দেখি!
- আজ নামাজ পড়োনি?
; হ্যাঁ, পড়েছি, সেই পুরানো সপ্তাহের মতই। বাসার কাছে মসজিদ, এই ঢাকা শহরে।
- দুপুরে খাবার খাও নাই?

কালচে রক্তের শহর

ঘটনা আসলে তেমন কিছু না। নতুন করে কিছু বলার না। যা ঘটছে চারপাশে তাই বলা। যা ঘটছে কিছুই নতুন না, কিন্তু বারবার ঘটছে আর আমরা বারবার ভুলে যাচ্ছি। ভাবছি সব ঠিকঠাক, দিব্যি চলছে বেশ। কেউ কেউ শুনতেই চায় না কিছু, কেউ আছে শুনেও না শোনার ভানে। দিন সপ্তাহ মাস চলে যাচ্ছে অবিরত বিছিন্ন ঘটনায়। তেমন এক বিচ্ছিন্ন ঘটনার কথা বলি গত সপ্তাহের। যা আমার মনকে পুরো চূর্ণ বিচূর্ণ করে বিষিয়ে ফেলেছে। বাসায় যাবো বৃষ্টি হচ্ছে। হুট করে দেখি ভারী কিছু পতনের শব্দ। আমার ধারনা ছিল ট্রান্সমিটারের কিছু হয়েছে। কিন্তু দেখলাম চারপাশ থেকে মানুষ দৌড়ে আসছে। আমিও গেলাম কৌতূহল বশত। যেয়ে মস্ত বড় ভুল করে ফেলেছি। সামনে আগালাম না। একজনের দেহ পড়ে আছে। আর বৃষ্টি আর রক্তে পুরো রাস্তা ভেসে গেছে। পুলিশরা দাঁড়িয়ে ছিল তাঁরা বিল্ডিং এর ভেতরে ঢূকে পড়েছে। মারা তো গিয়েছেই তবুও একটা গাড়ী পাওয়া গেল সেটা করে উনাকে ঢাকা মেডিকেলের আনুষ্ঠানিকতা সারতে নে

নারীর শরীর

I am not the wheatfield.
Nor the virgin land.
—Adrienne Rich

কিছুদিন আগে সেন্টমার্টিন বেড়াতে গিয়েছিলাম। যে কটেজটাতে উঠেছি সেটা সমুদ্রের খুব কাছে। সমুদ্রের ঢেউয়ের শব্দ শুনতে শুনতে ঘুমিয়ে পড়া যায়। মনে হয় শরীরের উপর ঢেউ গড়িয়ে পড়ছে।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ