অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য ও ৩৬ জন অতিথি অনলাইনে

সাম্প্রতিক ভাবনা

স্টিফেন হকিং বলেছেন ঈশ্বর নেই-
হকিং বললেন ঈশ্বর নেই- কয়েক মাস আগে বাংলাদেশের দৈনিক পত্রিকায় এমন সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিলো।

Freedom Dance Team of Bangladesh - CTGU

আমি চীনে পড়াশুনা করি। মেডিসিন এন্ড সার্জারি নিয়ে পড়ছি । পড়াশুনার পাশে পাশে নাচ আমার সঙ্গী ছিল। প্রায় ১৪ বছর ধরে নাচ করি। আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে ড্যান্স টিম আছে । অনেকগুলি আছে । কিন্তু একমাত্র আমার টিমকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ড্যান্স টিম হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। আমি যেই সিটিতে আছি ওখানে একটা ড্যান্স স্টুডিওতে জ্যাজ ড্যান্স শিখাই ।
আগামী মাসের ৭/৮ তারিখে আমাদের ""বিগ ড্যান্স শো"" ।
আজকে ছিল কোরিওগ্রাফি পর্ব । সবাই নিজের ড্যান্স দেখাবে । তার মধ্য থেকে ২ জনের কোরিওগ্রাফি সিলেক্ট করবে । পিক দেখে বুঝে গেছেন যে আমারটা সিলেক্ট করেছে !! Smile জি হ্যাঁ আমারটাই প্রথম হয়েছে । কিন্তু কথা হচ্ছে সেকেন্ড হয়েছে একটা মেয়ের ড্যান্স । পিচ্চি মেয়েই বলা যায় । অসাধারণ নেচেছে ! কোরিওগ্রাফিও সেই ছিল । মাত্র ৩ বছর হল মেয়েটা নাচে । আমার তো অনেক বছর হল । !!!

মেডিক্যাল শিক্ষা ব্যবস্থা -১

আমি চীনে থ্রী গরজেস মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে এমবিবিএস পড়ছি । এখানকার শিক্ষা ব্যাবস্থা আর বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার ভিন্নতা রয়েছে ।
বাংলাদেশের মেডিক্যালে প্রফ আইটেম কার্ড এক্সাম রয়েছে চীনে তা নেই । এখানে প্রফ নেই টার্ম ফাইনাল রয়েছে , আইটেম নেই কিন্তু লেকচার কুইজ রয়েছে। বাংলাদেশে এনাটমি বায়োকেমিস্ট্রি ফিজিওলজি এক সাথে পড়ায় । কিন্তু চীনে সিলেবাসটা অন্যরকম । আমাদের আগে বায়োকেমিস্ট্রি পড়ায় তারপর ফিজিলজি । এর পিছে একটা কারন রয়েছে তাহলো বায়োকেমিস্ট্রি এর সাথে ফিজিওলজি খুব বেশি কানেক্ট। তাই এরা আগে বায়োকেমিস্ট্রি পড়ায় যাতে ফিজিলজি ভাল করে বুঝতে পারে। বাংলাদেশে এনাটমি ,হিসটলজি , এম্ব্রায়লজি একটা বিষয় হিসেবে পড়ায় । কিন্তু এখানে ৩টাই আলাদা করে পড়ায় আলাদা বিভাগ করা। এখানে পিঁপিঁটি + বই পড়ায় । আজকে এতটুকু । পরবর্তী পোস্টে আরও জানানো হবে

ঘরের ভেতরে নিরাপদে আছে তো আমার কন্যা শিশুটি

অনেকদিন পর একটা ছবি দেখলাম।হিন্দি ছবি। ‘হাইওয়ে’।পুরো ছবিটা দেখে কিছুক্ষণ আমি বুদ হয়ে ছিলাম।আর ছবির বিষয়টা আমার মাথায় কুট কুট করে যন্ত্রণা দিচ্ছিল বেশ কয়েকদিন। ছবির নায়িকা আলিয়া ভাট অভিনয়ও করেছে দুর্দান্ত।নিজের ঘরের ভেতর বাবার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধুর হাতে দিনের পর দিন যৌন নির্যাতনের শিকার হচ্ছিল মেয়েটা। একদিন নিজের মাকে বিষয়টা জানানোর পর মা বলেছিল, চুপ, চুপ কাউকে কিছু বলো না।মেয়েটার বিশ্বাস ভেঙ্গে যায়।কষ্ট হয়। কিডন্যাপাররা যখন মেয়েটাকে কিডন্যাপ করে কিছুদিন পর ছেড়ে দিতে চায় , মেয়েটা যেতে চায় না। কিডন্যাপারকে বলে, যে জীবনটা সে ফেলে এসেছে সে জীবনে সে আর কখনো ফিরে যেতে চায় না। মহাবীর নামক সেই কিডন্যাপারকে তার অনেক বেশি বিশ্বস্ত এবং নির্ভরযোগ্য মনে হয়েছে যে, যখন তার প্রভাবশালী বাবা তাকে উদ্ধারের ব্যবস্থা করে সে ফিরে যেতে চায় না নিজের বাবা- মায়ের কাছে। কারণ তাদের কাছে তাদের সোশ্যাল স্ট্যাটাস তাদের ক

মানব প্রগতির দায়

আমাদের সমাজ কেন দিনদিন হিংস্র হয়ে যাচ্ছে? এর উত্তর খুঁজে বের করতে হবে। এসব বিষয়ে সমাজ বিজ্ঞানী, মনোবিজ্ঞানীরা গবেষণা করে থাকেন। রাষ্ট্র একদিকে বিচার না করে ‘ক্রসফায়ার’ দিচ্ছে। অন্য দিকে পাবলিক দুই টাকার জন্য পিটিয়ে মেরে ফেলতে পিছ পা হচ্ছে না। সংখ্যালঘুর বাড়ি যেহেতু দখল করলে কেউ কিছু বলে না, সুতরাং যতোদিন সংখ্যালঘুর কাছে জমি থাকবে, ততদিন এগুলো চলতে থাকবে রাষ্ট্রের পরোক্ষ মদদে।

গল্প: কেপলার ৪৫২'র বাসিন্দারা

সকাল থেকে আকাশ কালো করে বৃষ্টি ঝরছে। থেমে থেমে দমকা হাওয়া এসে আছড়ে পড়ছে কাচেঁর জানালায়। আজ যেন একটু বেশিই ঠান্ডা। ঘুম ভেঙ্গে যাবার পরও অনেকক্ষণ চোখ খুলতে ইচ্ছে করে না। কম্বলটা আরও একটু ভাল করে জড়িয়ে নিয়ে বিছানার আরামে ডুবে থাকতেই বেশি ভাল লাগে। ছোট-বড়, দরকারী-অদরকারী কত রকমের ভাবনারা যে সে সময় এসে মাথায় ভিড় জমায়, তার হিসাব কে রাখে।

শুভ জন্মদিন বাবা :)

১.
লিফটে ওঠার সময় যদি সাথে ঋহান থাকে তাহলে লিফটের বাঁটন প্রেস করার সুযোগ আর কেউ পায় না। ঋহান কখনো অফিসে আসলে... লিফটে অন্য কেউ থাকলে সে যদি কাঙ্খিত বাঁটন প্রেস করে ফেলে... ঋহানের চেহারা দেখলে মনে হয় সারাদিন লিফটেই ঘুরি Smile । একটা সময় সে শুধু GF প্রেস করতে পারত... এখন সে 5 প্রেস করতে পারে। বিষয়টা আসলে কিছু না... ঋহান ধীরে ধীরে বড় হয়ে যাচ্ছে... Smile

২.
পার্থিব এই জগতে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের নির্ধারিত জন্ম মৃত্যু চিরন্তন সত্য। সময়ের পরিক্রমায় আমরা ছোট হতে হতে নিঃশেষ হতে থাকবো... শিশুরা বড় হতে থাকবে... প্রকৃতির অমোঘ নিয়মতো এটাই। আকাশের সাথে প্রতিযোগিতায় ঋহান... আমরা ফিরবো মাটির কাছে... মানতে না চাইলেও এটাই সত্যি।

৩.

তসলিমা নাসরিনের মেয়েলীপনা

আমাদের দেশের সংস্কারপন্থী মানুষেরা বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই মেয়েরা অন্য মেয়েদের বিশেষ করে তাদের তুলনায় আপাত আধুনিক বা অগ্রসর মেয়েদের সমালোচনায় ব্যস্ত থাকে। কেমন করে কাপড় পরে, ওড়না কেন গলায় দেয় বুকে না, চুল কেন রঙ করে ইত্যাদি ইত্যাদি। কিংবা কারো ডিভোর্স হয়ে গেলে কেন মেয়েটি তারপরও হাসিখুশী থাকে, সাজগোঁজ করে অফিসে যায় সবই তাদের আলোচনার কিংবা সমালোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। তাদের জিজ্ঞেস করতে ইচ্ছে করে, কোন মেয়ে যখন একটা আনওয়ান্টেড রিলেশানশীপ থেকে মুক্তি পায় তখন তার কী আনন্দ হওয়া অস্বাভাবিক?

নীরব রাতের ভাবনা

জামালপুরে একটা জিনিসই আমার ভালো লাগে খুব। তা হলো এমন নিশুতি রাত। পিনপতন নিঃস্তব্ধ একা একা একেকটা মুহূর্ত। খুব আনন্দ লাগে এমন রাত গুলোতে জানলার দিকে তাকিয়ে থাকতে। হালকা বাতাস আসে, জানলার পর্দা সরে যায়, ঘুটঘুটে অন্ধকার, শেয়ালের ডাক, খারাপ লাগে না, মনে হয় এই বেশ ভালো আছি। যদিও রোজার দিনে একটু অসুবিধা, রাত দুটা থেকেই হুজুররা মসজিদে চিল্লাচিল্লি শুরু করে দেয়। এখানে অনেকে রাতে রান্না করে খায়, সেই সুবিধার্থে।আমার বিরক্ত লাগে, কিন্তু কিছু করার নাই। হুজুররা বারবার অনুরোধ করে ঘুম থেকে জাগুন, সেহরী খান। এমন একটা ভাব যেন মসজিদ সবাইকে খাওয়াচ্ছে। সময়ের শেষের দিকে শুরু হয় নতুন জিনিস, আহবান জানায়, জলদি খান, এখনি খান, আর মাত্র ১০ মিনিটে না খেলে রোজা রাখতে পারবেন না। হুজুরেরা জানে না যে সেহরী না খেলেও রোজা হয়। সেহরীতে দু বেলার খাবার এক সাথে খাওয়া কোনো ইসলামিক কালচারের অংশ নয়। তবে দেখতে দেখতে রোজাই শেষ।

হ্যাপি বার্থ ডে, মাই ডিয়ার তাতাপু!

অনেকদিন ব্লগ লেখি না। অনেকদিন মানে দু মাস। দুমাসে আমি পোষ্ট সংখ্যা ৩৩০ থেকে হয়তো ৩৫০-৩৬০ লিখে ফেলতে পারতাম। কিন্তু লিখতে ভালো লাগে না আর, লেখার সময় থাকলেও অন্য কাজ করে ভুলে যাই লেখার কথা। আজও যে খুব লিখতে ইচ্ছে করছে বলে লিখছি এমন নয়। লিখছি, পোষ্ট দিবো কারন আজ তানবীরা আপুর জন্মদিন। এই খবর খুব বেশী মানুষ জানার কথা না, আমিও জানতাম না- যদি দু বছর আগে বাসায় হুট করে গিয়ে দেখি কেক কাটা চলছে, তার চাক্ষুষ সাক্ষী না হতাম। এরপর এই দিনটার কথা মনেই রাখা যায়। আমার স্মৃতি শক্তি ভালোই, কোনো কিছু মনে রাখতে চাইলেই তা পারি। আগে আরো পারতাম এখন তা বয়সের কারনে কমেছে। আমি বই মার্ক করে পড়তাম না কখনো, কারন যা মনে রাখতে চাই তা সব না পারলেও বেশীর ভাগই মনে রাখতে পারি। তাই তানবীরা আপার জন্মদিন ২ বছর আগের সেই উপস্থিতির উসিলায় স্মৃতি থেকে মুছে যাই নি। তাই লেখার উপরে চরম অনীহা থাকার পরেও লিখছি কারন জন্মদিনটা তানবীরা আপুর

আমার শুরু এখানে

অদ্ভুতুড়ে মুক্তবাস
-------------------
মাথা বন বন করছে কিছুই যেন চিন্তা করতে পারছিনা।
কিছুতেই কিছু মনে আসতে চাইছেনা,
ঘৃণার সকল স্তর পার করে এসে শুধু করছি হাপিত্যেশ,
মনে করে হাতড়ে খুঁজে ফিরছি এ আমার কোন দেশ।

আমার গর্ব, আমার অহংকারের একি সর্বনাশ-
পারছিনা বেরোতে, পারছিনা কিছুই, শুধু ধুঁকে ধুঁকে বসবাস!
মানি নাকো অনিয়ম, মানবিনা বলেছেন বড় কর্তা,
না না কেউ হারেনি, হেরেছি আমরা, হেরেছে আমার সত্তা-
অপমানে আঘাতে মহান মুক্তিযোদ্ধার আত্মহত্যা।

--মহান মুক্তিযোদ্ধা আইয়ুব খান এর স্মরণে

আরও কবিতা

Madrigales

I
Como las ondas concéntricas
sobre el agua,
así en mi corazón
tus palabras.

Como un pájaro que choca
con el viento,
así sobre mis labios
tus besos.

Como fuentes abiertas
frente a la tarde,
así mis ojos negros
sobre tu carne.

II
Estoy preso
en tus círculos
concéntricos.

¡Como Saturno
llevo
los anillos
de mi sueño!
Y no acabo de hundirme
ni me elevo.
¡Amor mío!

Mi cuerpo
flota sobre el remanso
de los besos.

(Federico García Lorca)

Madrigals

1
Like concentric ripples
over the water,
so in my heart
your words.

Like a bird that strikes
against the wind,
so on my lips
your kisses.

Like exposed fountains
opposing the evening,
so my dark eyes
over your flesh.

2

ফাও খাওয়া!

"ফাও খাওয়া" এই শব্দটির সাথে প্রথম পরিচয় হয় ভার্সিটিতে এসে। রাজনৈতিক দলের পাণ্ডারা ফাও খেয়ে থাকেন। সবাই ফাও খায় না তবে অসংখ্য পাতি নেতারা ফাও খেয়ে থাকে। নেতা হয়ে যাওয়ার পর নিজে ফাও না খেলেও নিজের গ্রুপ বা দলের নবাগত মাস্তানদের ফাও খাওয়ার সুযোগ করে দেন। দুই দিন আগে তিতুমীর কলেজের ছেলেরা ফাও খাবারের জের ধরে দোকান মালিকদের সাথে মারামারি করে অতঃপর তারা রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা ৩০টি গাড়ি ভাংচুর করে নিজেদের মাথা ঠান্ডা করে। শুধু তিতুমীর নয় রাজনৈতিক দলের নেতারা বাংলাদেশের সকল প্রতিষ্ঠানগুলোতে এমন কাজ করে থাকে। ঢাকা কলেজের সামনে, নীলক্ষেতের মারামারি বেশির ভাগ সময় এই ফাও খাওয়াকে কেন্দ্র করে হয়ে থাকে। এখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় তাই ছাত্র লীগ ফাও খাচ্ছে! বিএনপি ক্ষমতায় থাকার সময় ছাত্র দল ফাও খেয়েছিল। এটা আমাদের দেশে রাজনৈতিক অপসংস্কৃতির অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

গান গুলো মোর

আমার বাবা ছিলেন পল্লী গীতির স্রোতা, আর শুনতেন পুরুনো দিনের হিন্দি বা উর্দু ছবির গান (সাদা কালো যুগের)। কবি গান, বাউলদের গান, যাত্রা, নাটক, সিনেমার প্রতি ছিল তার দুর্নিবার আকর্ষণ।।।। অন্য দিকে আমার ছোট মামা ছিল পশ্চিম বাংলার নতুন- পুরনো আধুনিক গানের । ভক্ত। বাংলাদেশের আব্দুল জব্বার ছিল তার প্রিয় শিল্পী। আমার মামা র ও যে মামা ছিল একজন, যে প্রায় তার বয়সী বা তার চেয়ে কিছু বড়, সে ও ছিল গানের পোকা। তাদের মাথায় উঠলো তারা গান শিখবে। গ্রামে তো আর ওস্তাদ নেই। কোথা থেকে যেন একটা হারমনিয়াম কিনে নিয়ে এলো। এখন এই হারমোনিয়াম নিয়ে তারা কোথায় রাখবে? আমার মামার নানারা হলেন মোল্লা বাড়ির মানুষ। মোল্লা বাড়ির ছেলে গান বাজনা করে বেড়াবে। তার সাথে আবার ভাগনাকে নষ্ট করবে।!

সিঙ্গারা, বেলা বিস্কুট আর ভূনা কালো গোশতের গপ্পো

কোনো একটা সময় চট্টগ্রাম শহরের পাশাপাশি দুটি পার্বত্য জেলায় কাজ করতাম। হাটহাজারি, নাজির হাট, দিঘি নালা, মাটিরাঙ্গা, খাগড়াছড়ি, লিচু বাগান, কাপ্তাই, রাঙ্গুনিয়া, রাউজান, ফটিকছড়ি, রাঙ্গামাটি... এসব এলাকায় ছিলো আমার কাজ। সে এক সময় ছিলো। পাহাড়ে তখন শান্তিবাহিনীর রাজত্ব। তাদেরকে দমানোর জন্য ছিলো সেনাবাহিনী। স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ছিলো না। তারপরও চাকরীর প্রয়োজনে আমাকে সপ্তাহে একবার পাহাড়ে রাত্রিযাপন করতে হতো। সারা রাত ভয়ে থাকতাম। ঠিকমত ঘুম হতো না। তবু যেতে হতো সে এলাকায়। চাকর বলে কথা।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা