অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১০ জন অতিথি অনলাইন

দু'টো কথা

কি নিয়ে দাঁড়াবো এসে তোমার সামনে
শক্তি-ইচ্ছে সবইতো হারিয়ে ফেলেছি

নির্বুদ্ধিতার চাষাবাদ করে করে
অপচয় করেছি
ক্ষয় করেছি সবটুকু উর্বরতা

এখানে এখন আর একটা বীজও জন্মাবে না
কোন স্পর্ধায় তোমাকে ডাকবো
এরকম প্রাণহীন পৃথিবীতে?


এই দেখ- যে ভালোবাসা প্রয়োজন তোমার
তার সবটা এখানেই আছে
এই যে এই চোখের কোনায়- নাকের ডগায়-
চুলের প্রান্ত থেকে ঝরে যাচ্ছে সব
তুমিই তো বলেছিলে
এসব তোমার চাই
এই দেখ- সব এখানে
এই দেখ সবুজ বন- সমুদ্র- ঢেউ
তুমিই তো চেয়েছিলে
এই নাও- কুয়াশা- শালিখ- রোদের পরশ।

দিনলিপি (পোকা সমাচার)

আমার রুমটা এমন একটা রুম যে রুমের ভিতর বসে থাকলে
বাহিরে রাত নাকি দিন তাহা বুঝা গবেষণা মূলক কাজ!বহুত ভাবনা
চিন্তা করে ডিসিশন নিতে হয় বাহিরে কি এখন রাত নাকি মধ্য
দুপুর!

দুইটা জানালা আছে!এখন আবধি বুঝে পাই নাই জানালা দুইটার
কাম কি!মাইনকার চিপার মত দুই বিল্ডিং এর মাঝে জানালা!জানালা
দুইটা দিয়া না আসে এক ফোটা বাতাস,না আসে এক ফোটা
রৌদ!তবে মাঝে মাঝে দু এক ফোটা বৃষ্টির জল আসে!
কেম্নে আসে তাহা বুঝা আমার কম্য নহে!

যেহেতু আমি পাক্কায় ঘুমাই!(লালন অনেক জোর করছে
খাট কিনতে!বেচারার পাক্কায় ঘুমাইতে ভাল লাগে না! :3)
সেহেতু আমার ঘরে পোকামাকড়ের অভাব নাই!
কি নাই ঘরে!তেলাপোকা, বিছা,বিচ্ছু,কেঁচো,
পিঁপড়ার আস্তানা!প্রত্যেক দিনই তাদের কেউ না
কেউ পক্ষাঘাতে মারা যায়! কখনো বা ঝাড়ুর আঘাতে!!
তবে এরা ভদ্র স্বভাবের!কামড়ায় নাহ! চলে যাচ্ছে দিন
তাদের সাথে করেই.....

কথোপকথন

- . তুমি ভেবো না তুমি সব হারিয়েছ । বরং তুমি অনেক কিছু পেয়েছ ! সময় টা একটু নিজেকে দাও । দেখবে সব ঠিক হয়ে গিয়েছে ।

- কিছু বুঝছি না কি করবো ?
যতই দূরে যেতে চাই । পারি না । কিছু একটা আকড়ে ধরে আছে মনে হচ্ছে । পারছি না যে সবকিছু থেকে সরে আসতে । নিজেকে সময় দিতে চাই ! নিজেকে ভালবাসতে চাই । একটু নিজেকে নিয়ে ভাবতে চাই । সেই দুনিয়া তে খালি আমি থাকবো । আর কেউ না ।
- কিন্তু তুমি বুঝছ না কেন তুমি যা চাও সেটা সবাই পারেনা । নিজেকে ভালবাসতে সবাই পারে না । তুমি একদম বোকা । তুমি যা চাও তা করো না কেন ?
- আমি জানিনা আমি কেন করতে পারছি না । সব কিছু তে অশান্তি । নিজেকে ভালবাসতে চেয়ে ও পারছি না । কিছু ভালো লাগেনা ।

আমার ঘরের অর্থনৈতিক গল্প

জন্মেছি তো অনেক অনেক বছর আগে প্রায় ৩৫ -৪০ বছর হতে চলল। দাদা ছিলেন জাত চাষা। তার ভাই বেরাদার পাড়া প্রতিবেশি সবাই চাষা। কোন স্কুল ছিল না ঐ ইউনিয়ন এ। চার দিকে মেঘনা র থৈ থৈ পানি। বর্ষায় চলার একমাত্র বাহন নৌকা বা সাতার। এই পাড়া ঐ পাড়া যাও তো হয় নৌকা ছাড় ঘাট থেকে না হয় এক সাতারে ঐ পার চলে যাও। সবার ই পেশা কৃষি। গোলা ভরা ধান, গোয়াল ভরা গরু। এটা কোন উপন্যাসের গল্প নয়। সুদূর কোন অতীত ইতিহাস নয়। এটা আমার গল্প, আমাদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির গল্প। কোন নারী ব্লাউজ পড়তো না। ঘরে কখনও দরজা লাগিয়ে ঘুমাতো না কেউ। প্রত্যেকের কানে কান পাশা বা বালি, হাতে সোনা রুপার চুরি, গলায় রুপার হাঁসুলি বা সোনার মাদুলি, হাতে বাজু বন্ধ। ঈদে যখন বাড়ি যেতাম দাদীর এই সব গয়না পরে আমরা ও ঘুরতে বের হয়ে যেতাম। কেউ কখন ও ভাবে নি যে চুরি হয়ে যাবে, বা কেউ ছিনিয়ে নিবে। কোরবানি ঈদে করবানির মাংস বিতরণের জন্য গরিব পাওয়া যেত না। এই এলাকার মান

রাষ্ট্র

আমাদের মাথার উপরে তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারার খাঁড়া ঝুলছে। ২০১৩ সালের সংশোধনীর পর হীরক রাজার দেশের এই অদ্ভুতুরে আইন আরও বেশী নির্মম, আরো বেশী কণ্ঠরোধী। নতুন সংশোধনীর পর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন ব্যবহার কিংবা অপব্যবহারের ক্ষেত্রে কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ উত্থাপনের প্রয়োজন নেই। রাষ্ট্রীয় আইন শৃঙ্খলা রক্ষীবাহিনী যদি মনে করে অন্তর্জালিক পরিসরে কোনো ব্যক্তি " রাষ্ট্রের ভাবমুর্তি ধ্বংসের চক্রান্ত করছে", " মিথ্যা তথ্য উত্থাপন করছে", মানী ব্যক্তির মানহানী করছে কিংবা রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকান্ড করছে- আদালত কিংবা কতৃপক্ষের লিখিত আদেশ ছাড়াই তারা সে ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবে।

Now i am a mother

Dear all,

I hope every human being are very fine. I am extremely sorry for written in English Language. Because at present Bijoy front is not available. Really all, after 2 year, i am writing something, Now i am mother, have a daughter Joyeeta, she is eight month old. Thnaks to Amra bondhu.com for did not delete my account no. Take care everybody.

Shagorika Das

বলছি না ভালবাসতে হবে

বলছি না ভালবাসতে হবে
শুধু চাই আমার কথা গুলো মন দিয়ে শুনো একটু
বলছি না ভালবাসতে হবে
শুধু চাই হাত দুটো শক্ত করে থাকলে চলবে
বলছি না ভালবাসতে হবে
শুধু চাই হাত ধরে রাস্তা টা পাড় করিয়ে দিলে চলবে
বলছি না ভালবাসতে হবে
শুধু কাঁধে মাথা টা রাখতে দিও !!
বলছি না ভালবাসতে হবে
শুধু একসাথে পথ টা পাড়ি দিলে হবে
বলছি না ভালবাসতে হবে
শুধু চাই সবসময় আমার পাশে থাকো
বলছি না ভালবাসতে হবে .......................

দাহকাল বলে যায় কালের খবর, বিষমাখা তীর থাকে বিষের ভেতর!

কাল প্রায় মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছিলাম, মৃত্যু না হলেও দু চারটা হাড্ডি পাউডার হওয়াটা অস্বাভাবিক ছিল না। কিন্তু আল্লাহর বিশেষ রহমতে, বিস্তৃত বন্ধু বান্ধবদের ভালোবাসায় ও মায়ের দোয়ায় কিছুই হয় নাই। শুধু মাথায় আর হাতে ব্যথা পেয়েছি যা প্যারাসিটামলেই নিরাময়ের পথে। এখন মনে হচ্ছে ব্যাপারটা তেমন কিছু না, তবে যখন হলো সেইসময় কিছুটা হতভম্ব হয়ে বসে ছিলাম। কাল দুপুরে বাসায় ফিরছি এমন সময় নামলো বৃষ্টি রিমঝিম করে। বৃষ্টিতে ভিজতে তো হবেই। যত কম ভিজে বাসায় চলে যাওয়া যায়। এমন সময় পিসিকালচার হাউজিংয়ের চার নাম্বার রোডের ওখানে আছে, সরাইখানা সুইটস, তাঁদের দোকানের ট্রে রাখা ফুটপাথে, তার সাথে বারি খেয়ে পিছলে আমি রাস্তায় পড়ে যাই চিটপটাং হয়ে। আশেপাশে মানুষের ধারনা ছিল আমার মাথা ফেটেছে ও এবং হাত ভাঙছে। আমি মাথায় হাত দিয়ে দেখলাম রক্ত নেই, গা ঝাঁরা দিয়ে উঠে গেলাম, দেখি পুরো শরীর টনটন করছে ব্যথায়। সিনক্রিয়েট হবে অযথা তাই আল

চোখের নয় মনের হ্যালুসিনে’শন (প্রথম পর্ব)

Hallucination.jpg
Hallucination.jpg
চোখের নয় মনের হ্যালুসিনে’শন (প্রথম পর্ব)
সেটা ১৯৯০ সালের মাঝামাঝি। কি কারনে যে বি, আ, টি রাজশাহী ( বর্তমান রুয়েট) বন্ধ হয়েছিল মনে নেই। আমি তখন শেষ বর্ষের ছাত্র।
ঠাকুরগাও যাবার শেষ স্টেশন সৈয়দপুর রেল স্টেশনে যখন নামলাম রাত তখন সাড়ে দশটা। এত রাতে ঠাকুরগাও যাবার কোন বাস তো দুরের কথা ট্রাক ওয়ালারাও নিতে চাইবে না। তাই কি করব ভাবতে লাগলাম। শুধু যে এখনই ভাবছি তা নয়, যখন বুঝতে পারলাম আজ অনেক রাত হবে তখন থেকেই ভেবে চলেছি, সৈয়দপুর নামার পরে কোথায় থাকব?

নিতান্তই ব্যাক্তিগত!

রাতে আজকাল ঘুম আসে না। আগে তিনটার দিকেও ঘুম আসতো, এখন তাও আসে না। শরীরের ক্লান্তির সব ঘুম আসে দুপুর কিংবা বিকেলে। বিকেলে ঘুমিয়ে সন্ধ্যা সাতটা বাজিয়ে দেই অনায়াসে। আমার বন্ধু কামরুল ইসলাম সুখী মানুষ। সে বারোটায় ঘুমায়, বিছানায় গা এলানোর সাথে সাথেই নাকি তাঁর ঘুম চলে আসে। আমার এ জীবনে তা কখনোই হলো না, অসুস্থ না থাকলে যত ক্লান্তই হই বিছানার সাথে রীতিমত যুদ্ধ করে ঘুমাতে হয়। এই সমস্যা অনেকেরই। আমার তাঁদের চেয়েও বেশী। তাই বিছানার সাথে যুদ্ধের সময়টুকু আমি বই পড়ে কাটাই, পড়তে ইচ্ছে না করলে মোবাইল নিয়ে গুতাই। ফেসবুক কিংবা ব্লগ দেখি। কথাই তো আছে, যারা মোবাইলে ফেসবুক চালায় তারা শুয়ে পরার আরো ২ ঘন্টা পড়ে ঘুমায়। মাঝে মধ্যেই আমার মাথায় ভাবনা আসে, বেঁচে থেকে লাভ কি?

নামহীন

হুম ! আজকে আমি সত্যি কথাটা বলতে চাই ।

বলবো না যে আমার হাতটা সারাজীবন ধরে রাখতে হবে । বলবো না আমার সাথে বসে আকাশের তারা গুলো গুনে যেতে হবে । বলবো না হাত টা ধরে বহুদুর হেঁটে যেতে হবে।

মা

খুব কাছাকাছি থেকে দেখা চারজন মা কে আমি দেখেছি অনুভব করেছি।
১। দাদী- অশিক্ষিত, নারী বা নারী অধিকার এই সব শব্দের কোন মানে ই তার কাছে নেই। তিন ছেলের মা। ছোট ছেলের যখন ৩ বছর আমার দাদা আরেক বিয়ে করে বাড়ি নিয়ে আসে। আমার দাদী কাউকে কিছু না বলে খুব যতনে নিজের ঘর, নিজের অন্ন নিজের জীবন বিচ্ছিন্ন করে ফেলে সংসার থেকে। সে তার নিজের আলাদা সংসার তৈরি করে এক ই বাড়িতে তার ছেলেদের নিয়ে। সেই সংসার আমারে আমার দাদার কোন সাহায্য দিয়ে চালিত না। সে তার ছেলেদের নিয়ে ই সেই সংসারের দায়িত্ব নিয়েছে এবং পরিচালিত করেছে। কারো কাছে কিছু আশা করে্ন নি (৮৫ বছর বেঁচে ছিলেন)। ছোট দাদির ছেলেরা ও আসলে আমার দাদির কাছে ই বড় হয়েছে। ছেলেদের ও নিজের মতো আত্মমর্যাদা সম্পন্ন একেকজন মানুষ হিসেবে তৈরি করেছেন। যে ই তার সংস্পর্শে এসেছে সবাই একজন সহজ সরল মা কে অনুভব করেছে। নিজের ছেলে, পরের ছেলে, ছেলের বউ, সবাই তার মাঝে মা কে ই পেয়েছে।

ইংরেজী সাবটাইটেল।।

আজ যথেষ্ট গরম কম। বৃষ্টি হবে হবে করছে, বাইরে ব্যাপক বাতাস। আমি বাসাতেই বসে আছি। বাসাতেই আজকাল আমাকে থাকতে হয়। ভালো লাগে না কিছুই। বাইরেও ভালো লাগে না। বসে থাকি তো থাকি। আগে বাসায় অসময়ের বিছানায় শুয়ে থাকতে মেজাজ খারাপ লাগতো। এখন লাগে না। বিছানায় আছি তো আছি, না ঘুমিয়েই শুয়ে আছি। বসলেই প্যারা শুরু, ফেসবুকের নিউজফিড দেখার প্যারা, দিনের পর দিন নতুন ইস্যু নিয়ে মেজাজ খারাপ- খবর টবর জানার প্যারা, বিনোদনের জন্য ইউটিউবে গান দেখার প্যারা, সিনেমা দেখার প্যারা। নতুন পোলার আইস ক্রিমের বিজ্ঞাপনের মতো বলি, পিসির সামনে বসলেই প্যারা অন!

দুই তারে

দুটোই।
লোহার শেকল অথবা সুক্ষতম রেশমি সুতো।
অবাক সময় দোল খায় চিকন তারের টানে!

হালখাতায় লিখে রাখছি নগদবকেয়া হিসাব-নিকাশ
আবার হুট করে ঢুকে যাচ্ছি সমান্তরে ।ছেড়ে দিয়েছি ঘুড়ির সুতো ;
নাটাইসুদ্ধ।
কৃষ্ণভৃঙ্গের হুলের ভেতর ঢুকে পড়ছে বেহিসেবী দোদুল্যমানতা ।

ভাসানের প্রতিমা হয়ে কতবার ভেসে গেছি
আবার ভাটিতে ফেরা অবিকল নয় ; অবয়বে স্রোতের আঁচড়চিহ্ন ।
জল টেনে নিয়েছে অশ্রুর মতো মুক্তোদানাগুলো ।

হাতগুলো পাথরপাথর ;
কিছুই ধরতে পারেনা
না ফুল
না অমৃতপেয়ালা।
নোনাজলে ক্ষয়ে গেছে পা।

শৈত্যপ্রবাহের চূড়ায় আঁকার কথা ছিল যুগল পদচিহ্নের ছবি ।
ভিন্ন ছবি !
ভিন্ন পদচিহ্ন !

গোপালপুরের গণহত্যা

shohid-sagor.jpg৫ই মে, ১৯৭১। নাটোর জেলার লালপুর উপজেলার গোপালপুর সদর। অপারেশন সার্চ লাইটের নামে বাঙ্গালী নিধনের অংশ হিসেবে রাজশাহীতে অবস্থিত সেনা সদর দফতর থেকে স্থল পথ এবং আকাশপথ ব্যবহার করে সেনা পাঠানো হয় পাবনা, ঈশ্বরদী এবং নাটোরে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে। আধুনিক অস্ত্রে সুসজ্জিত সেনাবাহিনী দখল করে নেয় বাঙ্গালীদের ঘাঁটি গোপালপুরের চিনিকল। প্রায় ২০০ চিনিকলের বাঙ্গালী কর্মচারীকে জড়ো করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যাপারে।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা