অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ৩২ জন অতিথি অনলাইন

কালচে রক্তের শহর

ঘটনা আসলে তেমন কিছু না। নতুন করে কিছু বলার না। যা ঘটছে চারপাশে তাই বলা। যা ঘটছে কিছুই নতুন না, কিন্তু বারবার ঘটছে আর আমরা বারবার ভুলে যাচ্ছি। ভাবছি সব ঠিকঠাক, দিব্যি চলছে বেশ। কেউ কেউ শুনতেই চায় না কিছু, কেউ আছে শুনেও না শোনার ভানে। দিন সপ্তাহ মাস চলে যাচ্ছে অবিরত বিছিন্ন ঘটনায়। তেমন এক বিচ্ছিন্ন ঘটনার কথা বলি গত সপ্তাহের। যা আমার মনকে পুরো চূর্ণ বিচূর্ণ করে বিষিয়ে ফেলেছে। বাসায় যাবো বৃষ্টি হচ্ছে। হুট করে দেখি ভারী কিছু পতনের শব্দ। আমার ধারনা ছিল ট্রান্সমিটারের কিছু হয়েছে। কিন্তু দেখলাম চারপাশ থেকে মানুষ দৌড়ে আসছে। আমিও গেলাম কৌতূহল বশত। যেয়ে মস্ত বড় ভুল করে ফেলেছি। সামনে আগালাম না। একজনের দেহ পড়ে আছে। আর বৃষ্টি আর রক্তে পুরো রাস্তা ভেসে গেছে। পুলিশরা দাঁড়িয়ে ছিল তাঁরা বিল্ডিং এর ভেতরে ঢূকে পড়েছে। মারা তো গিয়েছেই তবুও একটা গাড়ী পাওয়া গেল সেটা করে উনাকে ঢাকা মেডিকেলের আনুষ্ঠানিকতা সারতে নে

নারীর শরীর

I am not the wheatfield.
Nor the virgin land.
—Adrienne Rich

কিছুদিন আগে সেন্টমার্টিন বেড়াতে গিয়েছিলাম। যে কটেজটাতে উঠেছি সেটা সমুদ্রের খুব কাছে। সমুদ্রের ঢেউয়ের শব্দ শুনতে শুনতে ঘুমিয়ে পড়া যায়। মনে হয় শরীরের উপর ঢেউ গড়িয়ে পড়ছে।

মে দ্য ফোর্থ বি উইথ ইউ

আজকাল ফেইসবুকই সবচেয়ে ভাল বন্ধু হয়ে থাকছে আমার সাথে। সকালবেলা প্রতিদিন কোনো না কোনো উপায়ে আমার সাথে যোগাযোগ করে সে। কোনোদিন বলে, মীর স্টে ড্রাই টুডে। রেইন ইজ দ্য ফোরকাস্ট; আবার কোনোদিন বলে, এনজয় দ্য সান। তবে আজ সব সীমা ছাড়িয়ে গেছে। লিখেছে, মে দ্য ফোর্থ বি উইথ ইউ।

সিনথিয়ার মামার সাইকেল

সিনথিয়ার স্কুলে এক সপ্তাহের গ্রীষ্মকালীন ছুটি দিয়েছে। সিনথিয়া আগে থেকেই বাবা-মাকে বলে রেখেছে এবারের গরমের ছুটিতে সে নানু বাড়িতে বেড়াতে যাবে। নানু বাড়িতে নানা,নানু,টিয়া আন্টি আর দুই মামা আছে। আসাদ মামা আর আরফান মামা। আরফান মামার সাথে সিনথিয়ার বেশ ভাব।
সে নানু বাড়িতে গেলে আরফান মামার সাথে বিকাল বেলা মাঠে খেলতে যায়। আবার ঘুড়ি ওড়ানোর দিনে আরফান মামা ঘুড়ি ওড়ানোর সময় মাঝে মাঝে সিনথিয়ার হাতে নাটাই ধরিয়ে দেয় ঘুড়ি ওড়ানোর জন্য। আবার নানা যখন কৃষক দিয়ে মাটির নিচ থেকে নতুন আলু তুলে আনে তখন আরফান মামা সিনথিয়াকে বলে, আলু তুলবি? সিনথিয়া যখন বলে তুলবে তখন আরফান মামা তাকে জমিতে নামিয়ে হাতে নিড়ানি দিয়ে দেখিয়ে দেয় কিভাবে মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে নতুন আলু তুলতে হয়।নতুন আলু তোলার এই প্রক্রিয়াটা সিনথিয়ার বেশ মজা লেগেছিল।ওর মনে হয়েছে কেউ যেন আলুগুলো মাটির নিচে লুকিয়ে রেখেছিল।

পংকিল মুখবন্ধ

চোখের ঘষাকাঁচে তাকিয়ে থাকা বৃদ্ধলোকটা খুব কাছ থেকে ফুলের রংটা বোঝার চেষ্টা করছে। ভ্রু কুঁচকে ডানে বায়ে কাঁত হয়ে বোঝার চেষ্টা করছে ফুলটা কি হতে পারে! পাশের পিংক কালারের ফ্রক পড়া মেয়েটির সেখানে মনোযোগ নেই। সে ছুটে চলেছে উড়ে যাওয়া প্রজাপতির ধরতে। বুড়োটা রণেভঙ্গ দিয়ে তাকিয়ে দেখে আশেপাশে নেই মেয়েটি। উদ্ভ্রান্তের মতো "সামারা" "সামারা" বলে ডাকতে শুরু করলো। তার এলোমেলো হাটা দেখে আশেপাশের বোরখা ঢাকা এক সোমালীয়ান মহিলা এগিয়ে এলো। মেয়েটির নাম জেনে সেও ডাকতে শুরু করলো। আস্তে আস্তে পার্কের সবার মুখেই এক নাম। কিছুক্ষন পর পুলিশ এলো, মেয়েটিকে খুজে বের করলো। মেয়েটিকে জড়িয়ে ধরে বৃদ্ধ লোকটি পাগলের মতো কাঁদছে। তার পাশে দাড়িয়ে আছে অফিস ফেরত মা বাবা। তারাও দাড়িয়ে দাড়িয়ে কাদছে। মেয়েটি অপরাধীর মতো মুখ করে কি যেনো বলছে। তাতে কারো ভ্রুক্ষেপ নেই।

যদি মানুষ-ই-না থাকে তবে উন্নয়ন দিয়ে কি হবে?

নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলার তাজপুর খনি থেকে বানিজ্যিক ভাবে চুনাপাথায় উত্তোলন করা হলে সংশ্লিষ্ট এলাকা মারাত্বকভাবে পরিবেশগত ঝুঁকির মধ্যে পতিত হবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের চুনাপাথর খনির উপর সমীক্ষায় দেখা গেছে যে খনি মুখ থেকে চারিদিকে ২ কিলোমিটার পর্যন্ত এলাকা সবচেয়ে বেশী ঝুঁকির মধ্যে থাকে। সে হিসেবে তাজপুর চুনাপাথর খনির চারিদিকে ২ কিলোমিটার এলাকায় মধ্যে অবস্থিত বারফালা, জোলাপাড়া, তাজপুর, দৌলতপুর, নাজিরপুর, লক্ষীপুর, এনায়েতপুর, হাজিপুর, মহেশপুর, কটকবাড়ী এই ১০ টি গ্রাম সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। শুধু বসতভিটা, পুকুর, বাগান ও ফসলী জমি থেকে উচ্ছেদই নয় এলাকায় স্বাস্থ্যগত-পরিবেশগত ও জীব-বৈচিত্রের মারাত্বক বিপর্যয় নেমে আসবে।

খেয়াতরী খেলাঘর

কিভাবে যেন ঠিক ঠিক চলে গেলাম। খুব সম্ভবত বান্ধবী সোনামনি, জান্নাত আর বেবির কাছ থেকেই খবর পেয়েছিলাম। রোদের তেজ তখন অনেকটাই মরে এসেছিল। পাঠানটুলী বালিকা বিদ্যালয়ে হতো রিহার্সেল। তখন কি প্রোগ্রাম ছিল সেটা আর মনে করতে পারছি না। প্রথম দিনের কয়েকটি গান -আমি শিখছি পড়া, এদেশ গড়া, ধিতাং ধিতাং বলে, সূর্য মোদের মাথার উপরে বাতাস সদায় দেয় দোলা, আনন্দ মেলা এই আনন্দ মেলা...আরো অনেক গান ছিল, কিছুতেই মনে করতে পারছি না।
বিষয়টা আমার কাছে খুব অদ্ভুত ভালো লেগেছিল। আশ্চর্য কোনো প্রশ্ন নেই, কোনো জিজ্ঞাসা নেই। ইচ্ছে হলেই সুরে বেসুরে চিৎকার করে গান করতে পারছি। আর আসল শিল্পীদের কন্ঠের যাদুতে আমার এবং আমার মতো অন্যদের সেই বেসুরো গান কেমন করে যেন ঠিকই তাল মিলিয়ে নিচ্ছিল।

ভুলতে ভুলতে ভোলার আর কত বাকি?

ভুলতে ভুলতে আর কত বাকি?
গুলিয়ে খেয়েছি সমাজ।ভোলার আর দেখেছো কি?

আজকে এমনিতেই কিছু লিখতে ইচ্ছে করছিলো বন্ধুতে কারণ এখন নিয়মিত ব্লগিং করবো সিদ্ধান্ত নিয়েছি।তাই একটি সমসাময়িক বিষয়াদির আলাপ নিয়েই একটা পোস্ট করা যাক।কি বলেন?

আমার পূর্বের ব্লগে আমি তনুকে একটা দীর্ঘশ্বাসের নাম বলেছিলাম।আসলে তাতো সত্যিই।এরই মাঝে ফাঁকফোঁকর দিয়ে কত ইস্যু এসে গেছে।যাচ্ছে।কিছুদিন চলছে।কোনোভাবে ভুলিয়ে দেওয়ার খেলা।আমরা নাকি আবেগ প্রবণ জাতি?আমরা হচ্ছি অতীত ভোলা জাতি।ইংরেজ নিয়েছিলো এক আঙুলের ছ্যাপ বুড়ো আঙুল এনারা নিচ্ছেন বায়োমেট্রিকে বাধ্যতামূলক কয় আঙুলের?

ভিজে যাই এই বরষায়

বৃষ্টি নিয়ে মানুষের কত সুখকর স্মৃতি থাকে। কত আনন্দের স্মৃতি থাকে। কিংবা পথ চলতে গিয়ে ঘটে যায় দারুণ কোনো ঘটনা। কিন্তু আসিফের ক্ষেত্রে তার কিছুই হয় না। তার ক্ষেত্রে যা হয়, তা হলো- সকালবেলা খটখটে রোদ দেখে ছাতা না নিয়ে সে বেরিয়েছে আর অফিস শেষে বাসায় ফেরার পথে দেখে অঝোর ধারায় বৃষ্টি ঝরছে। মাত্র ক’দিন আগে দু’দিনের প্রবল বর্ষণে চট্টগ্রাম শহর যখন ডুবে যাচ্ছিল, সেদিন অফিস থেকে ফেরার সময় সে নালার নোংরা পানিতে সাঁতার কেটেছে। এবং বহু কষ্টের অবসান ঘটিয়ে যখন সে বাসায় ফিরেছে তখন তার বউ তাকে ডেটল সাবান নয়, ডাইরেক্ট ডেটল দিয়ে গোসল করতে বাধ্য করেছে। সারারাত ডেটলের গন্ধে তার একটা ফোঁটাও ঘুম হয়নি। অথচ পাশেই তার বউ নীহা কি আরাম করে ঘুমাচ্ছিল।

বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে.....

আয় বৃষ্টি ঝেঁপে
ধান দিব মেপে।
লেবুর পাতা, করমচা
যা বৃষ্টি ঝড়ে যা।
খেজুর পাতা, হলদি
মেঘ নাম জলদি।
বহুদিন পর এই ছড়া কাটলাম আজ। মন থেকে। আবহাওয়া খবর বলছে বৃষ্টি হবে। আকাশে মেঘ ভর্তি। তবু ঝড়ছে না কেন?
ঝড়লে তো আর ফুল দেখতে যেতে হত না। বাঙালীরা অনেকে মিলে সাকুরা ফুল দেখতে যাবে। গাছ ভর্তি সাদা অথবা গোলাপী ফুল। বাতাসে পাপড়িগুলো যখন ঝড়ে পরে সত্যিই সুন্দর লাগে।
কিন্ত????
আমি অসামাজিক নই আগেই বলে রাখি। তবে যাওয়ার পর সৌজন্য সাক্ষাত যেমন হবে:
কিছু ভাবি:- কি গো, আমরা তো ভাবলাম তুমি আসবেই না। যাক সময় তাহলে করতে পারলে। ভাল আছো তো?
কিছু ভাবি:- ঘটনা কি এত দেড়ি? একলা মানুষ এত দেড়ি করলে চলে? আমাদের বাচ্চা আছে সময় লাগে। তোমার এত দেড়ি কেন?

তনু-আরেকটা দীর্ঘশ্বাসের নাম

তনু সত্যিই আরেকটি দীর্ঘশ্বাসের নাম
যে সর্বস্ব দিয়ে মেটাতে পারেনি আবেগের দাম
অক্ষম তাই শুধু লিখে যাই।চেঁচিয়ে মাতাই
তোর ভাইটা মস্ত বোকা বলতে পারেনা মওকা মওকা
ক্ষতে ভরে গেছে শরীরে আমার।তবুও ঠাসাঠাসি তার
যাইই হো দিন শেষে তামিম ইকবাল চার

দিনে দিনে সব কিছুই সব কিছু গুছিয়ে নেয়।কেবল আমরাই ঠিকমত গুছিয়ে উঠতে পারলাম না।দিনদিন নতুন নতুন কষ্টের তৈরি হচ্ছে।কিছু পরিকল্পিত,কিছু বিলম্বিত,কিছু উদাসীনতায়!মত প্রকাশেও এখন নানা বাঁধা।এখানেই একটা ফ্যাক্ট।জাবি শিক্ষক ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যুকামনা করলে জেল হয়েছে কিন্তু সেই একই সোস্যাল মিডিয়ায় আজ প্রতিটি মিনিটে তনু ধর্ষন বা খুনের ব্যাপারে কথা বলা হচ্ছে।১১ দিন কেটে গেছে কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই!

আমার লাশের বুকে ওর ছুরিটা এখনো বিঁধে আছে

আকাশটা কালো হয়ে যেতেই আমি দ্রুত প্যাডেল করতে শুরু করলাম। ঝুঁকি নেওয়া চলবে না। বৃষ্টি নামার আগেই আমি হলে পৌঁছুবো। তারপরও যদি ভিজতে ইচ্ছে করে, উদোম গায়ে ছাদে গিয়ে চৈত্রের বর্ষায় ভিজবো।

হলে পৌঁছুতেই চারদিক আরও কালো হয়ে এলো। নারকেল আর পাম গাছগুলো দুলতে শুরু করলো। ওরা যেন ঠিক ঐ গানটার তালে তালে দুলছে- "বন্ধু আমায় প্রাণে মেরেছে, কেউ ওকে বলে দিয়ো; আমার লাশের বুকে ওর ছুরিটা এখনো বিঁধে আছে।"

তবু আমি তার প্রেমিক হতে পারবো না। এই অনুভূতি আমাকে কষ্ট দেয়। বুকের ভিতর বিদ্যুৎ চমকায়। বুক ফেটে যায়। ও সবকিছু আমাকে বলেছে, আর আমি প্রচণ্ড বিষাদে মন ভরে নিয়ে চলে এসেছি। কেন আমি ওর প্রেমিক হতে পারবো না, কেন আমি প্রেমের বিনিময়ে প্রেম পাবো না তা নিশ্চিতভাবে জানিনা। আমি শুধু তাই জানতে চাই। না জানলে আমার অস্বস্তি হয়। এর চেয়ে জানা ভালো। জেনে বুঝে ক্ষয় ক্ষতি হবার আগেই সরে আসা যায়। আর না জানলে যে কি হয়...

সেইসব দিনেরা

স্কুল জীবনে ২৫ শে মার্চ কি যে উত্তেজনাপূর্ণ দিন ছিল। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কাব, আর উচ্চ বিদ্যালয়ে গার্লস গাইড। মাঠে কত মানুষের সামনে প্রথমে প্যারেড , তারপর শারিরীক কসরত। পিরামিড তৈরী করা নিয়ে কত টেনশন। মাঠে ভেংগে পড়বে না তো। সেজন্য একমাস কত পরিশ্রম। সারাদিন ক্লাস করে মাঠে প্র্যাকটিস। ২-৩ ঘন্টা। ময়লা আর ক্লান্ত হয়ে বাসায় ফেরা। শুক্রবারেও রক্ষা মিলত না।
২৫ মার্চ সারাদিন স্কুলে প্রাকটিস। বিকালে বাসায় ফিরে স্কুল ড্রেস ধুয়ে , সাদা ওড়ণা, স্কার্ফ, আর সালোয়ারে নীল দেয়া, বেশি বা কম না হয়ে যায় তা নিয়ে সর্তক থাকা। সেগুলো ঠিকমত শুকানোর পর আয়রন করা। পিটিসু পরিষ্কার করা। চুলের সাদা ফিতা না থাকলে আম্মা বা আপার চারপাশে ঘুরে ঘুরে ঘ্যাণ ঘ্যাণ করা। ফিতার সাথে নতুন রবার ব্যান্ড আর ক্লিপ পেলে ঈদের খুশির মত লাগত। টেনশন আরও বাড়ত অবশ্য। এবছর আমাদের স্কুল ফার্স্ট হতে পারবে কি না এই নিয়ে।

এক যে ছিল ছোট্ট রাজকুমার..

আমি যখন ছোট ছিলাম, অনেক ছোটই বলা যায়। আমি বই পড়তে খুব ভালোবাসতাম, গল্পের বই।
এখনও ভালবাসি, কিন্তু তখনকার মত অতটা না। ওই মনটাই আসলে আর নেই, অথবা কেমন ছিল তা মনে নেই।
যা মনে রাখার কথা সেটাই বরং ভুলে বসে থাকি। এজন্যই হয়তো মাঝে মাঝে নিজেকে বড় বড় মনে হয়!

যাই হোক, আগের কথায় আসি। সেই ছোটবেলায় আমার নিজের তো আর বই কেনার উপায় ছিল না। কেউ উপহার দিলে পড়তাম, সেই সময়ে আমার নানার কাছ থেকেই পেয়েছিলাম সবচেয়ে বেশি বেশি।
মাঝে মাঝেই পেতাম নতুন একেকটা বই, নতুন কোন কাহিনী পড়তে কি যে ভালো লাগতো তা বলে বোঝানোর নয় আসলে। যে জানে, সে জানে। তখনই একবার একটা বই পেয়েছিলাম, আতোয়াঁ দ্যু সাঁ-জ্যুপেরীর লেখা 'ছোট্ট রাজপুত্র'।
অন্যরকম এক রাজপুত্রের গল্প ছিল তা, অনেক কিছু বুঝি নি তখন পড়ার সময় তাই অত বেশি ভালোও লাগে নি। তবে বইটার পাতায় পাতায় আঁকা ছবিগুলোর জন্যই হয়তো তাকে ভুলে যাই নি।

বৃষ্টি কাহিনী

কাল সারারাত বৃষ্টি পরেছে। প্রায় ভোর রাত পর্যন্তই টালির ছাদে বৃষ্টির শব্দ শুনেছি। অনেকটা বিখ্যাত টিনের চালের শব্দের মতই। দেশের কথা মনে পরছিল। বৃষ্টিতে না ভিজলে আম্মা খুবই বিরক্ত হতো। বলত, এটা কেমন মেয়ে? বেরসিক। তোর বোনদের দেখে শেখা উচিত। বাঙ্গালী হয়ে বৃষ্টিতে ভিজবি না?

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা