অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ২৩ জন অতিথি অনলাইন

আহমাদ মোস্তফা কামালের তাঁহাদের সঙ্গে কথোপকথন-পাঠ প্রতিক্রিয়া।

হাতে এখন, রাজু আলাউদ্দীনের নেয়া এক ইন্টারভিউ গ্রন্থ। তা নেড়েচেড়ে দেখছিলাম। মোটা বই। তবে শুধু আজাদ- ছফার ইন্টারভিউ আর উনাদের ঝগড়া টুকুই পড়লাম, পুরোই দেখি লংকাকান্ড, তুমুল পারসোনাল এট্যাক, তীব্র সব প্রতিক্রিয়া। এই নিয়ে শুনেছিলাম আগেই তবে এত বাজে অবস্থা ছিল তা জানা ছিল না। সেই তুলনায় আহমাদ মোস্তফা কামালের ২০১৭ তে রোদেলা থেকে বের হওয়া বইটা অনেক বেশী গভীর ও প্রাসঙ্গিক আলোচনায় ভরা। একমাত্র মান্নান সৈয়দের ইন্টারভিউটা হয়তো একটু উসকে দিবে, এছাড়া সব গুলোই ব্যাক্তিকে বোঝার চেষ্টা, তাঁর সৃজন ভাবনা জগত কিভাবে চালিত হয় সে দিকেই থেকে গেছে। এই পোষ্টটা লিখছি চাইলে আমাকে কনগ্রাচুলেট করতে পারেন। কারন এটা ৩৫০ তম পোষ্ট। কোনোদিন ভাবি নাই ৩৫০ টা পোষ্ট দিবো। তাও তো মধ্যে অনেকদিন লিখি না, লিখলে মনে হয় ৫০০ ছাড়াতো। মিশ্র অনুভুতি হয়। ভালো লাগে এইজন্য নিজের অনেক কথা জানাতে পারা গেল, খারাপ লাগে লেখাগুলোতে যত্নের বড় অভা

শোভন আন্দোলন

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নাগরিক বিক্ষোভ প্রধানতঃ রাষ্ট্রের নিয়ম-নীতির প্রতি নাগরিকের অসন্তোষ। নাগরিক প্রার্থী বাছাই করে ভোটের মাধ্যমে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করেন এবং প্রত্যাশা করেন তার অভিযোগ এবং অসন্তোষ জনপ্রতিনিধি রাষ্ট্রের কাছে উপস্থাপন করবেন।
ষাটের দশকে যুক্তরাষ্ট্রের বর্ণবাদবিরোধী নাগরিক আন্দোলনের নেতারা আন্দোলনের কৌশল হিসেবে নিজেদের দাবী স্পষ্ট করে চিঠিতে লিখে প্রতিটি জনপ্রতিনিধির কাছে পাঠানোর নির্দেশনা দিয়েছিলেন। চিঠির কোনো প্রতিক্রিয়া না দিলে কিংবা চিঠির প্রাপ্তিস্বীকার পত্র না দিলে জনপ্রতিনিধির কার্যালয়ের সামনে অবস্থান গ্রহন করো, বিক্ষোভ মিছিল, শান্তিপূর্ণ অবস্থান, শ্লোগান, অনশনের পর্যায় পার হওয়ার পরও যদি প্রশাসন কর্ণপাত না করে, চুড়ান্ত পদক্ষেপ হিসেবে সহিংস বিক্ষোভ।

মাস্টার থিসিসের আইডিয়া এবং সংশ্লিষ্ট গালগল্প

মাস্টার থিসিস নিয়ে একটু এক্সাইটেড ফীল করছি। আচ্ছা এক্সাইটেডের বাংলা কি হবে এই ক্ষেত্রে? উত্তেজিত কথাটা যাচ্ছে না। অন্য এক অর্থের হাতছানি দিচ্ছে। এই এক্সাইটেড মানে একটা কিছু শুরু করার উত্তেজনা। একটা কিছু যেটাকে নিয়ে আগামী ছয়টা মাস কাটাতে হবে। যেটার পরিকল্পনায় করা প্রতিটি ভুল পরবর্তীতে কাউন্ট হবে। প্রতিটি সঠিক সিদ্ধান্তও কাউন্ট হবে। খানিকটা উত্তেজিত বোধ না করে উপায় কি?

আমরা এমনি এসে ভেসে যাই!

বাসায় মোটামুটি গত এক সপ্তাহ মেহমানে ঠাসা ছিল। আজ বাসা ফাকা, সামনেও কদিন থাকবে ফাকা। কেউ আমার সাথে রুম শেয়ার করছে আমি তার সামনে গোটা গোটা করে ফেসবুকে ব্লগে লিখছি ব্যাপারটা আমার কাছে কেমন জানি লাগে। এই জন্য মেহমান থাকলে আমি ঘুম না আসলেও শুয়ে পড়ি, বাইরে বাইরে থাকি, বসে বই পড়ি। অবশ্য আমার এখন মেহমান দারী করার সময়, যারা বাসায় আসে তারা দুরের কেউ না, তাও আমার সব সময় ওউন করা লাগে। যেমন বন্ধু বান্ধব মামা মামী ভাই ভাবী বাবা মাকে আমার আপন লাগে। এরবাইরে সবাইকে পর, অনেকে চাচাদের খুব ভালো পায়, আমি চাচাদের সাথে দুই কথার বেশী কথা খুজে পাই না। এরপর মানুষ বিয়ে করে, শ্বশুর শ্বাশুরী শালা শালী কত জনের সাথে কত মধুর আলাপ করে, ফোনে গুটুর গুটুর করে আলাপ করে, আমি ক্লোজ রক্তের আত্মীয়ের সাথেই কথা বলার কিছু খুঁজে পাইনা। এরচেয়ে অপরিচিত মানুষের সাথে অনেক কথা বলতে পারি, হেঁটে হেঁটে যে ব্যক্তি দই বিক্রি করে কিংবা রেন্টে ক

সৈয়দ মুর্তজা আলী

রম্যসাহিত্যিক সৈয়দ মুজতবা আলীর ভাই সৈয়দ মুর্তজা আলী ইতিহাসবিদ ছিলেন। তিনি MUSLIM EDUCATION IN BENGAL 1837-1937শীর্ষক পর্যালোচনায় ব্রিটিশ শাসিত উপমহাদেশে বিশেষত শিক্ষিত মুসলমানদের সংখ্যাসল্পতার বিভিন্ন কারণ অনুসন্ধানের চেষ্টা করেছেন। কারণগুলোকে ভৌগলিক, ভাষিক এবং আদর্শিক কাঠামোতে ভাগ করা যায় সহজেই। কোম্পানী ক্ষমতাকাঠামো কোলকাতাকেন্দ্রীক হওয়ায় সেখানে প্রথমে স্কুল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে- কোলকাতা নগরের পার্শ্ববর্তী হুগলী এলাকার কিছু ধনী মুসলিম পরিবারের সন্তান ব্যতীত বৃহত্তর বঙ্গ ও আসামের সংখ্যাগুরু মুসলমানদের ইংরেজী শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার সুযোগ ছিলো না।

কোটাওয়ারী রাজনীতির প্রাসঙ্গিকতা

পুরানা পল্টনের ফুটপাতের পুরোনো বইয়ের দোকানে ৭০০ পাতার কায়দে আজম জিন্নাহর জীবন ও রাজনীতি শিরোণামের বই খুঁজে পেয়েছিলাম একবার। ১৯৬৯ কিংবা ১৯৭০ এ বাঙালী জাতীয়তাবাদের উত্তুঙ্গ পরিস্থিতিতেও এমন বিশাল বই প্রকাশের সাহস প্রকাশকেরা করেছিলেন- পশ্চিম পাকিস্তানের সাথে- বিশেষত সামরিক শাসন কবলিত প্রশাসনের সাথে তিক্ততার ভেতরেও মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর প্রতি এক ধরণের অনুরাগ বাংলাদেশের শিক্ষিত সমাজে ছিলো।

শিক্ষার মাণ

প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের প্রতিবছর নতুন বই দেওয়া হচ্ছে। সারা দেশের প্রায় এক কোটি শিক্ষার্থীর জন্যে অন্তত ৫ কোটি বই মুদ্রন এবং বিতরণের দায়িত্ব পালন করে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড । তারা বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান। এসব পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষণসহায়িকাগুলো তাদের ওয়েবসাইট থেকেও নামানো যায়।

প্রতিটি পাঠ্যবইয়ের সম্পাদনা পরিষদে অন্তত ৪ জন শিক্ষকের নাম লিপিবদ্ধ আছে। বইয়ের শুরুতে শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যানের ক্ষুদ্র বক্তব্য এবং বইয়ের শেষের পাতায় কোনো এক অজানা কারণে এ বছর প্রধানমন্ত্রীর ছবি সংযোজিত হয়েছে।

বন্ধুদের সাথে আড্ডা

স্কুল জীবনটা থাকে সোনায় মোড়ানো। পেরিয়ে যাওয়ার সময় সেটা বোঝা যায়না। পেরিয়ে যাওয়ারও অনেক বছর পর পেছনে ফিরে তাকালে বোঝা যায়। যাহোক এতোকথার অর্থ হলো আমি সবথেকে বেশী মিস করি আমার স্কুলজীবনকে। অনেক বিখ্যাত ব্যক্তির মতো ছিলোনা, তবু আমার স্কুলজীবন ছিলো আমার মতো করে অদ্ভুত মায়া আর আকর্ষণে ভরা। দুপুর ১২টা বাজলেই আমি স্কুলে যাওয়ার জন্য অস্থির হতাম। জানি ক্লাসে পড়া বলতে গেলে হয়তো পারবোনা, প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছে যাওয়া যাবেনা, তবু যেতামই। গিয়ে দেখতাম অল্প কয়েকজন বাদে কেউ আসেনি, তখন মন খারাপ হতো। কেন এলোনা? এলে কতো সুন্দর আড্ডা দেয়া যেত, কত কথা বলা যেত!

বুধবার!

পরিচিত কেউ কেউ প্রশ্ন করে, দিনলিপি লেখা ছেড়ে দিলাম কেন? আমার দিনলিপির ব্লগ নাকি ভালো লাগতো। আমি অবাক হই। কখনো কমেন্ট করতে দেখি না এরকম লোকজন কেন আমার দিনলিপি ব্লগের কথা বলবে। আমি তো লিখতামই কতিপয় বন্ধু বান্ধবের জন্য। এইটাই হয়তো ব্লগের মজা। সেই কবে কার লেখা কেউ যদি আজ নতুন পড়ে ভালো লাগে, ফেসবুকে খুঁজে ইনবক্স করে তখন অবাক লাগে। যেমন আজ এক মেসেজ পেলাম সন্ধ্যায়, অদ্ভুত। এক ছেলে জানাচ্ছে আমার ২০১৩ সালের এক লেখা তার খুব ভালো লেগেছে। কিন্তু তার প্রশ্ন হলো, আমার দিনলিপির বিশ্বাসযোগ্যতা কতটুকু নাকি বানিয়ে লিখি? প্রথম কথা হলো, এটা কোনো প্রশ্নের মধ্যে পরে?

ট্রিবিউট টু কামাল ভাই এন্ড লীনা আপু!

ডিসেম্বর জন্মদিনের মাস। আমার ভাতিজির জন্মদিন। তিনজন ক্লোজ বন্ধুর জন্মদিন। মামার সন্তান সাইকের জন্মদিন। জেবীন আপার জন্মদিন। ছায়ার আলো ওরফে ইমরান ভাইয়ের জন্মদিন। খুঁজলে হয়তো আরো অনেক পাওয়া যাবে। তবে এই শীতের রাতে লিখতে বসেছি ব্লগে আমার দুই প্রিয় এনলাইটেন মানুষের জন্য। এই দুইজন মানুষকেই আমি ব্যাক্তিগত জীবনে খুবই পছন্দ করি, তারা আমাকে পছন্দ করে সেটা একটা কারন হতে পারে। তবে সব চেয়ে বড় কারন তাদের লেখা, মতামত, অপিনিয়ন আমার খুব প্রিয়। এইজন্য ব্লগ আমি এখনো লিখি টুকটাক, কারন ব্লগের কারনেই একটা জানালা আমার খুলে গেছে। সেটা পড়ার জানালা, যারা পড়ে তাদের সাথে তাল মিলিয়ে পড়ার জানালা। সেই জানালার খোজ সবাই পায় না। আর পেলেও বন্ধ করে দেয়। কিন্তু আমি মনে করি পড়ার জানালাই আমার জীবন। এই যে দুচারটা কথা লিখতে পেরে আনন্দিত হই এটা পড়ার ফল। নয়তো সবাই অফিসে প্রতিদিন পিসিতে কত কিছুই লিখে, কোনও কিছুতেই এই ব্লগ লেখার আনন্

সব ফুরোবে

সব ফুরোবে।

সকাল সকাল অনিচ্ছাতে ঘুমকাতুড়ে ঘুম তাড়ানো,
ইচ্ছেবিহীন, শরীর টেনে নিত্যদিনের পথ মাড়ানো,
অপেক্ষাতে পথের পাশে চোখ ফেলা আর চুপ দাঁড়ানো,
কানের কাছে গান জড়িয়ে হঠাত করে মন হারানো।

সব ফুরোবে।

ব্যস্ততা। আর বিরক্তিভর রুটিনমাফিক ট্রাফিক ঠেলা,
সুড়কিবোঝাই পথের তোড়ে রিকশা এবং ঝাঁকনি খেলা,
স্কুল ছুটিতে, রাস্তাজুড়ে, তিড়িং বিড়িং হাঁটার মেলা,
ভরকুয়াশায় রোদ পোহানোর তৃপ্তিটানা সকালবেলা!

সব ফুরোবে।

চেষ্টা নামের মুলোর দিকে নিরুদ্দিশে ছোটার তাড়া,
ভুল হল কী খোঁজার নামে আঙ্গুল তাক আর বলার ধারা,
ভুল করে তা চাপার তাকিদ, আর অকারন সঙ্গছাড়া,
বিশ্বাসে ভর করার আগেই অবিশ্বাসে দৃষ্টিহারা।

সব ফুরোবে।

স্বার্থ বুঝে দায় এড়ানো, পাশ কাটানোর চেষ্টা,
দোষ গেয়ে খুব শুকনো গলা, তাই মেটাতে তেষ্টা
শুরুর শুরু বোঝার আগেই গপ্পে টানা শেষটা,
এক চুমুকের চায়ের সাথের দুরন্ত সন্দেশটা!

সব ফুরোবে।

নতুন করে পাবো বলে

আমি কতোদিন লেখালেখি করিনা ভুলেও গেছি, আজকে হঠাৎ কি মনে হতে ভাবলাম একবার ঢুঁ মেরে যাই, দেখলাম এর ভেতরে পাঁচটা বছর পার হয়ে গেছে। কি অদ্ভুত! পাঁচ বছরে আমি তেমন করে কিচ্ছুটি লিখি নাই। অবশ্য এই পাঁচ বছরে যা হওয়ার না এরকম অনেক কিছু ঘটেছে, যা যা ঘটেছে তার কিছুটা ভালো, কিছু তেমন ভালো নয়, আবার কিছু ভীষণ ভয়াবহ! তারপরেও সব মিলিয়ে ভালো আছি। এই কবছরে কতোখানি পাল্টেছি জানিনা, পাল্টানো তো আসলে অবশ্যম্ভাবী। কম বেশী আমরা সবাই রোজ নিয়ম করে পাল্টাতে থাকি। ভাবছি আবার নতুন করে শুরু করে দিই লেখালেখিটা, তবে সময় পেলে হয়। অনিয়মিত হয়ে যেতে হবে ভেবেই মনে হয় উৎসাহ উবে যায়।

ইদানিং জীবনযাপন

আমি কম্পিউটারের ১৭ ইঞ্চি স্ক্রীনে দেখছি ছেলের চেহারা থেকে শৈশবের ছাপ মুছে যাচ্ছে, কণ্ঠের মসৃনতা উবে গিয়ে কৈশোর আসছে। এই অদ্ভুত সময়টাতে যখন যেকোনো আবদারের শেষে ওকে শুনতে হচ্ছে তুমি কি এখনো বাচ্চা না কি, যাও পড়ার টেবিলটা গুছাও- এখন বড় হয়ে গেছো, আর যেকোনো মতামতের পর অবধারিত শুনতে হচ্ছে এই বয়েসে পাকনা পাকনা কথা বলতে হবে না, তুমি ছোটো আছো এখনও। এই অদ্ভুতুড়ে সময়টা ফিরে আসবে না ওর জীবনে- আমার জীবনেও।
আমার মেয়ে ওয়েবক্যামের সামনে দাঁড়িয়ে আমার সাথে লুকোচুরি খেলে। বাবা বলতো আমি কোথায়? আমি এপাশ থেকে বলি আরে আমার মেয়েটা কোথায় গেলো? আমি তো দেখতে পাচ্ছি না।
ও কম্পিউটার স্ক্রীনের পেছন থেকে বলে- এই তো আমি তোমার পিছনে। তুমি আমাকে দেখতে পাচ্ছো না? তুমি কি বোকা না কি?
বলতে পারি না- পৃথিবীতে বোকা মানুষ না হলে কেউ তোমাদের ছেড়ে দূরে থাকে না।

রুটিন

এখন দিনগুলো যেভাবে কাটেঃ

সকাল ৮টায় উঠি। ৯টা পর্যন্ত গড়াগড়ি, ইন্টারনেটিং, তারপর ব্রেকফাষ্ট সেরে ঠিক ১০টায় কামলায় হাজির। লাঞ্চের আগ পর্যন্ত কামলা দিই আর সুন্দরী দেখি। সুন্দরী দেখি আর বসের হুমহাম শুনি। বসের হুমহাম শুনি আর হাওয়া তাড়াই। হাওয়া তাড়াই আর ফেসবুকে সস্তা কৌতুক পড়ি।

লাঞ্চ আওয়ারে চলে যাই সাবওয়েতে, কখনও যাই ম্যাকডোনাল্ডসে কখনওবা অতি সস্তা বাঙালি হোটেলে গিয়ে ডাল ভাত মেরে দিই। খেতে পারলেই হলো, খাওয়া নিয়ে একসময় প্রচুর ফ্যান্টাসী ছিলো, তখন অবশ্য জীবনটা নিয়েই ফ্যান্টাসী ছিলো। এখন কোন ফ্যান্টাসি নেই, অপেক্ষা আছে। সময় থেমে যাওয়ার অপেক্ষা।

লাঞ্চ আওয়ারটা খুব উপভোগ করি। তখন আশেপাশে আরও মানুষ দেখি। মানুষ দেখতে ভালো লাগে, এক একটা মানুষ, এক একটা উপন্যাস। উপন্যাস পড়ার মতো করে মানুষ দেখি।

একটি অসমাপ্ত কামের গল্প

চোখ আটকে গেলো সহজেই! আজকাল সুন্দরী মেয়েরা কবিতা লিখতে আসে না বললেই চলে। হেঁজিপেজিদের দেখতে দেখতে অরুচি ধরে গেছে। একটি দৈনিক পত্রিকার সাহিত্য সাময়িকীতে ছাপা হয়েছে মেয়েটির একগুচ্ছ কবিতা। সাথে তার কবিতাভাবনা ও আলোকচিত্র। ছবিটা খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখলেন তিনি। সুন্দরীই বটে, আগুনসুন্দরী! সাহিত্য সম্পাদককে কল দিয়ে রুহিনা তাবাসসুমের সেলফোন নম্বর চাইলেন কবি সৈয়দ আবু বকর। ছোকরা সম্পাদক প্রথমে ঘাইগুই করলো; পরে নিমরাজি হয়ে নম্বর দিলো।
এই সমস্যা। এরা মনে করে কবিতা ছাপার বিনিময়ে মানুষটির দখল বুঝে নিয়েছে। এখন ঘরের বউয়ের মতো অধিকার খাটানো যাবে।
দেরি না করে কল দিলেন তিনি- 'রুহিনা তাবাসসুম বলছেন?'
ওপাশ থেকে ভেসে এলো সুরেলা আওয়াজ - 'বলছি'।
'আমি কবি সৈয়দ আবু বকর।'
'সৈয়দ আবু বকর! মানে বাংলাদেশের প্রধান কবি?'
'তা বলতে পারেন! আপনার কবিতা পড়লাম, দৈনিক বগিজগি পত্রিকায়...!'
'তাই! কেমন লেগেছে?'

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা