নাগরিক প্রেসনোট-৫: এগুলোর কোনটাই মৃত্যু নয়, রাষ্ট্র ও কর্পোরেটদের হাতে সংঘটিত খুন!
খুন-হত্যাগুলোকে অনায়ানে মৃত্যু বলে চালিয়ে দিয়ে শাসকগোষ্ঠীর দায়মুক্তির প্রাতিষ্ঠানিক রেওয়াজ পাকাপোক্ত হয়েছে। ধীরে ধীরে, অনেক দিন থেকে, ঐতিহাসিকভাবেই। দিন দিন এ রেওয়াজটা দানবীয় চর্চায় রূপ নিচ্ছে। এ দানবীয় কর্মে রাজনৈতিক শাসকগোষ্ঠীর সাথে যুক্ত হয়েছে কর্পোরেট বেনিয়া এবং তাদেরই পরিচালিত, তাদের কাছে নতজানু গণমাধ্যম। সংবাদপত্র, বেতার- টেলিভিশন। এদের ক্ষমতাকেন্দ্রীক নিরবিচ্ছিন্ন সংগমে হৃষ্টপুষ্ট হয়ে উঠছে
ব্লগাড্ডা - ১৭ মার্চ ২০১০
আমি আর কনা আপা পৌছাইছি বিকালে, একটু খোজার পরেই বাসা পেলাম। যখন ঢুকলাম, ততক্ষনে অনেকে চলেও গেছে। যাই কোক, আমি আমার কাজ শুরু করলাম, ছবি তুলা। ছবি তুলতে তুলতে কিছু ব্যাপার খেয়াল করলাম। তাই একটু সবার সাথে share করি।
১. এরপর থেকে আড্ডায় সবাই যেন একই রুমে বসতে পারে সেই ব্যাবস্থা করতে হবে, কেও এই রুমে বাকিরা অন্য রুমে এইভাবে বসলে মজা অনেক খানি নষ্ট হয়।
উইল কন্ট্রোল
একদিন আইসো বন্ধু শুনায়া যায়ো কোকিলের ডাক।
ঢং ঢং শব্দটা এই ঢাকা শহরে এতো নৈমিত্তিক কেন বুঝতে পারি না। আমার রুমের পাশে একটা দালান উঠলো ছয় তলা। টানা ছয়মাস আমি ওই ঢং শব্দে ঘুম থেকে জাগছি। অনাবশ্যক দুই দেড় ঘন্টা আগে আমার ঘুম ভাঙানোর কোন কৈফিয়ত ঢং কখনোই দেয় না। আমিও শুরুতে যে পরিমাণ বিরক্ত হইতাম পরে তা ছাইড়া দিলাম। জীবনের অনুষঙ্গ হিসেবে ঢং শব্দটারে মাইনা নিলাম। শব্দটা আসলে এতো বৈচিত্রহীন আর অগভীর
আজকের ইছালে ছওয়াব মজমা আপেডট
"কিচ্ছু ভাল্লেগা না" রোগের সেবা প্রদানকারী ইউনানী হাকিমী দাওয়াখানা
ডাইরী ৭২
এক.
চোখের পলক ফেলতেও দ্বিধা লাগে, যদি প্রকাশিত হয় আমি কতোটা ছিলাম অপরাধী...স্থির নয়নে তারপর পথ হেটে ছুঁয়ে দেই কানাগলির দেয়াল, যেখানে থমকে দাঁড়ানোটাই নিয়তি। যেখানে থমকে গেলে আর কোন পথ থাকে না পলায়নের। তবুও চোখের পলক পড়ে নাই, আমি শক্ত চোয়ালে অনুভূতি লুকিয়ে দেয়ালে পিঠ সেটে, দাঁড়িয়েছি হাত প্রসারিত করে।
দুই.