অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১২ জন অতিথি অনলাইন

শহরের উষ্ণতম সব দিনগুলোতে!

এই তীব্র তাপদাহ নিয়ে নতুন করে আর কি বলবো, ভুক্তভোগী তো সবাই। এমন কি যাদের এসিতে থাকার ব্যাবস্থা আছে তাদেরও এই গরমে রক্ষে নাই খুব একটা। কারন বাইরে বের হলেই এসিতে থাকা আরামের বাদামী চামড়া, ছ্যাত ছ্যাত করে উঠে গরমে। এই এক্সপিরিয়েন্স আমার বেশী হয় শান্ত ভাইয়ের বাসা থেকে যখন বাইরে বের হই। মনে হয় ডাইরেক্ট আগুনে নেমে গেছি। দশ মিনিট লাগে বাইরের গরমে ধাতস্থ হতে। এত আরামে যে থাকে শান্ত ভাই তার মুখেও শুনতে হয় গরমের কেচ্ছা প্রলাপ। আমার হাসি পায়, কাকে কি বলে মানুষ?

রানা প্লাজার এক বছর!

আজ এক বছর হয়ে গেলো রানা প্লাজার বা এভাবেও বলা যায় ১১৩৪ টি প্রাণ গত বছরের এই দিনে লাশ হয়ে গিয়েছিলো। এই দিনটিকে নিয়ে আজ মিডিয়া, ফেসবুক সবাই কথা বলছে। কারণ আজ এক বছর হলো। মধ্যখানে আমরা সবাই (কিছু মানুষ ছাড়া) রানা প্লাজার এই হত্যাকাণ্ডটি ভুলেই গেসলাম। আমাদের কি এইটা মনে রাখার কথা!

১১৩৪ - সংখ্যা নয়, প্রাণ

বাংলাদেশের পোষাক শ্রমিকদের প্রাণ হারানো যেন নিত্যনৈমত্তিক বিষয়, দিনে দিনে বাড়ছে সেই বঞ্চনা নিপীড়নের গল্প। হ্যা, সব কিছু একসময় গল্পই হয়ে যায়! পোষাক কারখানার কষ্টকর জীবনযাপন তো চলছেই দিনমান, তবে পোষাক শ্রমিকদের প্রাণ হরণের যে যজ্ঞ শুরু হয়েছিল ২০১৩ সালের ২৪শে এপ্রিল, সেই অভিষপ্ত রানা প্লাজা'র কথা ভুলতে পারা যায় না। ১১৩৪ এর পরও অগুনিত প্রাণের আত্নাহুতি হয়েছিল মৃত্যুকূপ রানা প্লাজায়। এই ১১৩৪ কেবলি হাতে গোনা সংখ্যা নয়, এই গুনিতব্য সংখ্যার হারিয়ে যাওয়া মানুষগুলোর সাথে জড়িয়ে ছিলো আরো হাজারো প্রানের আশা আকাঙ্ক্ষা, স্বপ্ন। সেই হাজারো স্বপ্ন কি অবলীলায় চুরমার হয়ে গেল। বছর পেরিয়ে আসছে ভয়াবহ সেই দিন।

বাংলা নববর্ষ বরণ

পহেলা বৈশাখ উদযাপন নিয়ে নানা জনের নানা কথা পড়েছি। সবগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। পড়ে, মনে হলো আমিও কিছু বলি। সে সব খুবই সাধারণ কিছু কথা এখানে বলতে চাই।

পোশাক প্রসঙ্গে শুরু করি। আমাদের গ্রামের মানুষদের প্রধান পোশাক লুঙ্গি। মেয়েদের শাড়ি। অবশ্য প্যান্ট, টি-শার্ট গ্রামের পথ চিনেনি, ভাবলে ভুল হবে। সালোয়ার কামিজ ও স্কার্ট সম্পর্কে গ্রামের মানুষ অবগত নয়, তা ভাবা ঠিক নয়। শিক্ষা, টেলিভিশনসহ নানা যোগাযোগ মাধ্যমের ফলে, এখন আর প্রাচিন কালের গ্রামের মতো গ্রাম খুঁজে পাওয়া মুশকিল। গ্রাম রূপান্তরিত হয়েছে মফস্বলে, মফস্বল শহরে। আচরণে, চিন্তায়।গ্রামের মানুষ সুযোগ সুবিধা পাক, তা আমি চাই। ভালো কথা,শহরের মানুষের অনেকরই ঘরের আরামদায়ক পোশাকের নাম, লুঙ্গি।

বৃষ্টি অথবা ছুটি.. [এলোমেলো কাব্যকথন!]

শহরবন্দী মেঘ,
ছুটি দাও।

ছুটির ঘন্টা বাজাও;
বিষণ্ণ দুপুরের গায় -

আজ আমি স্নান করবো না,
বৃষ্টি না হলে।

শহরবন্দী মেঘ,
ছুটি দাও।

ছুটির ঘন্টা বাজাও,
বাউণ্ডুলের আকাশভরা নীলে।

আজ আমি বালুকাবেলার ডাকহরকরা,
সুপ্রিয় সমূদ্র ছোঁব না;
আর কিছুতেই -
বৃষ্টি না হলে।

শহরবন্দী মেঘ,
ছুটি দাও।

ছুটির ঘন্টা বাজাও,
একলা বিকেলের রোদ্দুরে;
সন্ধ্যার মায়াভরা রাস্তায়।

শহুরে অন্ধকারে,
হারিয়ে যাক;
নিকোটিন ধোঁয়া।

আজ বন্ধ -
চায়ের কাপে ঝড়,
বৃষ্টি না হলে।

বন্ধ খামের ভেতরেই থাক,
দুরের পাহাড়ের ডাক।
টিকেট কেটেও যাওয়া হবে না,
কু ঝিক ঝিক রেলে চড়ে বাড়ি।
যেখানে একাকী দরজায়,
কলিং বেলের অপেক্ষায়;
ভালোবাসা হৃদয়।

আজ আমি কোথাও যাবো না,
বৃষ্টি না হলে।

শহরবন্দী মেঘ,
ছুটি দাও।

ছুটির ঘন্টা বাজাও,
বাক্সবন্দী পথচলায়।

জানোই তো,
এখানে;
আমাদের চোখে -

বৃষ্টি হলেই ছুটি।।

টূ স্টেটস!

বিজেপির এক নেতা বাংলাদেশের জমির বিশাল অংশের মালিকানা দাবী করেছেন, তা নিয়ে নানান মানুষের প্রতিক্রিয়া ফেসবুকে দেখে হাসি পেল। কোথাকার কোন হরিদাস পাল দাবী করলো আর ওমনি সব দখল শুরু হয়ে যাবে এমন যারা ভাবে তাঁদের মাথায় আদৌ কিছু আছে নাকি তা নিয়ে আমি সন্দিহান। আমিও তো চাইলে কত কী দাবী করতে পারি, যেমন কাল ভাবছিলাম আলিয়া ভাটের মতো গার্লফ্রেন্ড পাইলে জীবনটা রঙ্গীন হতো, এখন মহেশ ভাটের কন্যা কি এই দাবীতেই আমার বউ হয়ে যাবে। পুলকের একটা ব্যাপার আছে, যেই মেয়েকে ওর ভালো লাগে তাকেই এক নায়িকার নামের আশ্রয়ে মিলিয়ে দেয়। একদিন আমাকে জিগেষ করলো, নেহা শর্মার মতো নায়িকা কি বউ হিসেবে পাবো?

অন্ধকার বর্তমান

২০০৯ সালে বাংলাদেশের পুলিশ ১২৯০৬টি নারী নির্যাতনের অভিযোগ লিপিবদ্ধ করেছিলো, ২০১০ সালে সংখ্যাটি বেড়ে দাঁড়ায় ১৬২১২।

২০১১ সালে পুলিশী হেফাজতে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছিলো ৪টি, ২০১২ সালে আইন শৃঙ্খলা রক্ষীবাহিনীর সদস্যদের হাতে ধর্ষিত এবং নির্যাতিত হন ১৩ জন নারী।

২০১১ সালে ৭১২টি নারী ধর্ষণের ঘটনার অভিযোগ থানায় লিপিবদ্ধ হয়েছিলো, ২০১২ সালে ৮০৬ জন নারী ধর্ষণের অভিযোগ লিপিবদ্ধ করেছে থানায়।

দ্রোহ ও দহন ১৯০৪১৪

http://www.amrabondhu.com/meghkanya/7265
সিলেট যাবার জন্যে রূপা সিঙ্গাপুরে পাওয়া ট্রেনিংটা ও একরকমের এভয়েড ই করেছে। বাসের টিকেট ফেরত, হোটেল বুকিং ক্যান্সেল সব মিলিয়ে মেজাজটা চটাং হবার জন্যে যথেষ্ট। মাথা ব্যথায় অস্থির হতে হতে কোনরকমে রূপা একটা রিকশায় চড়ে বসে। বাসায় গিয়ে ঢুকতে পারলে হয়, সটান শুয়ে পড়বে। আজকে বাসায় মানুষজনও কম। মা বাবা গ্রামের বাড়ী, ভাই ভাবী আছে হয়তো। শরীর এত খারাপ লাগার কোন যুতসই কারণ খুঁজে পাচ্ছে না রূপা মোটেই।
এই গতানুগতিক গল্প লিখে আমি কি করব? রূপার গল্পটা তেমন জমছে না, এজন্যই তিনবছর হলেও লেখা হয় না। মেয়েদের সেই স্ট্রাগলের প্যানপ্যানে কাহিনী।
-রূপা তুই বাসায় আসার পরে কি হলো?
ফোনের সাউন্ডটা লাউড স্পীকারের মতো, মোবাইলের ভলিউম একটু কমিয়ে রূপাকে জিজ্ঞেস করলাম।

দ্রোহ ও দহন

রূপবতী কন্যাদের কাহিনী যেমন হয় ঠিক তেমন লাগলো না আমার রূপার গল্পটা। কয়েক দশক ধরে রূপা নামের যে চরিত্র আমরা চিনি তেমন নয় কেন রূপা এ প্রশ্নটা স্ট্র দিয়ে জ্যুস খেতে খেতে আমার মনে হচ্ছিলো। এ মনে হওয়াটা আজ প্রায় তিন বছর হতে চললো কিন্তু আমার মাথা থেকে অক্ষরের রূপ দিতে সময় পাওয়া গেল না। আজ আবার রূপার সাথে দেখা হওয়াতে আমার মাঝে ফ্ল্যাশব্যাক মতো হচ্ছে। এও আমি জানি বরাবরের মতো নিজের দৈনন্দিনে আবার ডুবে যাবো। এসব মনে করার মতো যে মনটা লাগে সেটা আমার ঘুমিয়ে পড়বে কোন উত্তেজনা ছাড়াই।
কেন যে লেখালেখি নামক ঘুণপোকা এভাবে ঘোরে! বাচ্চাদের চিৎকারে কথায় মনোযোগ কি কোথাও থিতু হবার জো আছে! এ রাত সাড়ে আটটায় কোথায় জ্যান্ত হাতি পাওয়া যাবে চিন্তা করতে করতে চুল আরেক দফা পেকে যাবার যোগাড় যখন তখন রূপা আমার সাথে একই টি-শার্টের নীচে ঘুরতে থাকাই ভালো।

সময় যে বহে যায় ( ২য় ও শেষ পর্ব)

সময় যে বহে যায় ( ২য় ও শেষ পর্ব)
হাজারও ভাবনা ভাবতে ভাবতে এক সময় মসজিদের শহর ঢাকা, আর আমার বাসা থেকে ২০০ মিটার দুরের মসজিদ থেকে মাইকের সাহায্যে মোয়াজ্জিনের কন্ঠকে বহুগুণ বৃদ্ধি করে আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবার আরবী শব্দ উচ্চারনে আজান ভেসে আসতে লাগল। ঠিক এ সময় মন্দির প্যাগোডা হতেও কাসার ঘণ্টায় এবং প্রত্যেক ধর্মই যেহেতু প্রভাত প্রার্থনার জন্য আহবান জানান। তারাও নিশ্চয়ই আহবান জানাচ্ছে, কিন্তু আমার বাসস্থানের এ স্থান
থেকে তা আমার কর্ণ গোচর হচ্ছে না। তা হোক বা না হোক, আমার বা পৃথিবীর প্রতিটি প্রানীর জীবন থেকে আরও একটি সুন্দর দিন ও সুন্দর রাত বিয়োগ হয়ে গেল। তা প্রার্থনার আহবানে সাড়া দিয়ে আমরা প্রভুর দানের কৃতজ্ঞতা জানাই বা না জানাই।

তাপিত হৃদয়

তাপিত হৃদয়
তাপিত হৃদয় দেহ মন প্রাণ,
যেদিকে তাকাই ধুঁ ধুঁ মাঠ চিরে খান খান।
প্রকৃতির দান এক বিন্দু বারির
দেখা নেই বহুদিন
জানিনা বিধাতা, মহান দাতা
কবে দানিবে সে সুদিন।
পাখ পাখালি জনমন করিছে কলরব
নিদ্রাহীন রজনী, কর্মহীন অলস সব
কবে
বরিষিবে বারি শীতল হবে ভুতল
প্রাণীকুল ফিরে পাবে প্রাণ
অবনী জলে ছলছল ।
বৈশাখ,০৫,১৪২১
সিরাজগঞ্জ

সেই ফুলের দল!

মনটা ভালো কারন একের অধিক। প্রথমত, মামার গৃহে প্রত্যাবর্তন অনেকটা সুস্থ হয়ে। যদিও ডাক্তার বলেছে রেস্টে থাকতে দু সপ্তাহ, তার আগেই মামা অফিস শুরু করেছে আজ থেকে। যদিও আমাদের এই গৃহ সুস্থ মানুষের জন্যই বসবাস আশংকাজনক, তবুও মামাকে দেখে আমি খুব শান্তি পাচ্ছি। খুব মিস করেছি মামাকে, আসলে আমাদের জীবনে কারো শুন্যতা ছাড়া বোঝা কঠিন যে মানুষটাকে আমরা কত ভালোবাসতাম। আমি অবশ্য এদের বাইরে, আমি থাকতে থাকতেই বুঝে যাই মানুষটা আমার খুব প্রিয়। তবে মানুষ এইসব নিয়ে ভাবে কম। যখন যার সাথে থাকে তখন তার সাথেই অন্তরঙ্গ হয়; সময় শেষে আর মনেই রাখে না। আমার ভার্সিটির এক বন্ধু ছিল, ছিল মানে এখনো আছে খালি যোগাযোগটাই নাই তেমন। ভার্সিটিতে থাকতে মনে হয়েছে আমার এই বন্ধু ছাড়া আমার চলবে কিভাবে?

আবেগ

আবেগ
এত আবেগ ঢেল না
আমি ডুবে যাব,
সেই সে ভয়ে
নিজেকে প্রত্যাহার করে নেয়
আমার আবেগের সীমানা থেকে।
কিন্তু পেরেছে কি?
আর একজন
চায় শুধু চায়...।
ঢালো আবেগ
আরো ঢাল
আবেগে
আমাকে ভাসিয়ে নিয়ে যাও
ডুবিয়ে দাও
দিগন্ত প্রসারিত দু বাহু ভরে
তত টুকু আবেগ দাও
যা সমুদ্রের থেকেও গভীর
যে সমুদ্রে আমি সন্তরণ করব
কখনও ডুবে যাব।
আকাশের থেকে উঁচু
যেখানে আমি মনঃ হাওয়াই জাহাজে উড়ে বেড়াব।
ঝরনার চেয়েও স্বচ্ছ
যেথায় হংস হংসী হয়ে জলকেলি করব
নিঃশ্বাসের চেয়েও প্রিয়।
সেই সে তপ্ত নিশ্বাসে
আপন মনে তাপিত হব
যাপিত হব
হিমালয়ের চেয়েও শক্ত।
যাতে দুজনা দুজনাকে
এমননি ভাবে বেঁধে নিব
জনম জনমতক হব না...।

বৈশাখ,০৩,১৪২১
সিরাজগঞ্জ

বৈশাখী

সকাল থেকে এক দুয়ে সব গুণে রাত্তিরে সব হিসেব কষার কাল,
কী হল ঠিক? ভুল বা হল কীসে? কী হলে বেশ খুশির হত হাল!
হয়নি কী? বা কী-ই বা করা যেত? কার কী গেছে কিসের অভিলাসে?
সহজ নাকি কঠিন সময় সময় গেল? কে গিয়েছে? রইল কে বা পাশে!?

এত্ত হিসেব করার চেয়ে যদি মুহূর্তটা কাটত যদি ঠিক,
যখন যেথায় যার পাশটায় আছি 'ভাল'র ঘরে পড়ত যদি 'টিক',
মানুষগুলো কিংবা মানুষ কোন, এক্কেবারে কাছেই, যে বা যাঁরা,
ছোট্ট কতক স্বপ্ন নিয়ে আছে, এই তাকানোয়, কথায় নতুন ধারা,
ঘুরঘুরিয়ে কেবল ফিরে এসে 'কেমন আছ'র পরশ গায়ে'র 'পরে,
'করছ কী বা' শব্দবিহীন ঠোঁটে 'এইত আছি'র জানান দেয়া ঘরে,

কেবল যদি সেই সে সময়টুকু একটু হাসি শব্দে সেজে দিয়ে,
অব্যক্ত সব 'চাইছি-ভাল-শুধু'র শুভেচ্ছাতে মুখর করে নিয়ে,
যায় জানানো 'এইখানেতেই আছি' কিংবা 'আসি! নতুন কোন কাজ?,
'সাগর সেনের গান শুনে গে বরং' কিংবা 'হুকুম! হে জাঁহাপন! আজ-!'

উৎসবের দিন রাত!

উৎসব যাই হোক আমার গত কবছর ধরে এসব দিনগুলোতে কিছুই ভালো লাগে না। এক বন্ধু বলে বসলো, তুই ক্রিকেটার ট্রেসকোথিকের মত অবসাদ গ্রস্থতায় আক্রান্ত। আমিও মেনে নিলাম যা বলিস তাই। আজ ফেসবুকে সকালে স্ট্যাটাসও লিখলাম যে- আজকাল আমি কোনো উৎসবেই বের হই না, বাড়ীতে থাকলে বাড়ী আর ঢাকায় থাকলে আটপৌরে চায়ের দোকানেই সাধারন একটা দিন পালন। এইটার একটা কারন আমার মনে হলো আজ যে স্বাভাবিক মানুষের চেয়ে ঢের বেশী ফ্রি টাইম আমি জীবনে পেয়েছি ও পাচ্ছি। তাই একদিনের আনন্দ আমার মনে খুব একটা রেখাপাত করে না। কারন ওরকম দিন রজনী প্রতিমাসেই একাধিকবার আসে। আর আরেকটা কারন হতে পারে গার্লফ্রেন্ড থাকা না থাকা, সাধারণত যাদের গার্লফ্রেন্ড আছে তারাই এখন এসব উৎসবের দিনকে রঙ্গিন করতে উঠে পড়ে লাগে। আর আমার ইদানিং কালের বন্ধুরাও আমার মতোই বোরড, তাঁদেরও কোথাও যেতে ভালো লাগতো না। আর যাদের লাগতো তারাও বের হয় শুধু সকালেই। আর বলে উঠে শান্ত ভাই ই ঠিক

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা