অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

সুখ বেচি

মধ্যবিত্ত মানসিকতা বা মিডলক্লাস সেন্টিমেন্ট
বিষয়টা আমার ভালো লাগে।
খুব সাজানো গোছানো, পরিপাটি সংসারে একটু
একটু করে অর্জিত আনন্দগুলো কমই থাকে
সাধারণত;
রোজ ৫০-৬০ টাকা জমিয়ে ফেরিওয়ালার কাছ
থেকে কেনা সস্তা চায়ের কাপে যে জুটি সন্ধ্যার
চা পর্বে নিজেদের ছোট্ট ছোট্ট সুখ খুঁজে নেয়,
প্রায় মধ্যরাত পেরোনো একাকী ডিনারে দামি
রেস্তোরাঁর চেক-ইন ছাড়া আপনি সে সুখের
কাছাকাছিও কখনও যেতে পারবেন না।

কাঁচঘেরা শো-রুমের ফার্নিচার দেখে দীর্ঘশ্বাস
লুকোনো বেকার ছেলেটা যখন ছোট্ট চাকরির
সামান্য বেতনে আলাদিনের আশ্চর্য প্রদীপের
মতো বাসায় নতুন একটা আলমারি নিয়ে আসে,
চোখের কোণে চিকচিক করা জলে তার প্রিয়তমার
সুখটুকু একান্তই মধ্যবিত্তের!
হাইক্লাস এপার্টমেন্টের এলুমিনিয়াম কোটেড
গ্লাসের জানালায় সে সুখ ধাক্কা খেয়ে ফিরে
যায়!

যে বাচ্চাটা মোমবাতি নেভানো, কেক-কাটা

কোরবানী ইদ ও আমাদের সচেতনতা

‘কোরবানী’ কিংবা ‘বলি প্রথা’ পৃথিবীর প্রাচীন ধর্মীয় ও সামাজিক সংস্কৃতি হিসেবে এখনো টিকে আছে। পৃথিবীর বিভিন্ন উৎসবে এখনো বলি প্রথার প্রচলন রয়েছে। তবে অনেক রাষ্ট্র কিংবা সমাজ ধর্মের নামে এই প্রথার বিরুদ্ধে কথা বলছে, অনেক জায়গায় এই প্রথার বিলুপ্তি ঘটিয়েছে। উদাহারণ স্বরূপ বলা যায়;- নেপালে প্রতি পাঁচ বছর পর পর একটি পুরাতন মন্দিরে কয়েক হাজার পশুকে বলি দেওয়া হতো। এই বছর সেই নিয়মটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। এছাড়া ভারতের অনেক মন্দিরে কালী পূজায় অতীত ঐতিহ্য হিসেবে বলি প্রথার প্রচলন থাকলেও বিভিন্ন মন্দিরে তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে বলি প্রথা সম্পূর্ণ যে বিলুপ করতে পেরেছে তা কিন্তু নয়। ভারতের অনেক প্রদেশে দূর্গা পূজায় মহিষ বলি দেওয়ার নিয়ম এখনো আছে।সনাতনীরা গীতাকে ঈশ্বরের বাণী হিসেবে ধরে নেয়। সেই গীতাতে ভগবান বলছেন- পত্র পুষ্প ফল মূল ভক্তিসহকারে নিবেদন করলে তিনি তা গ্রহণ করেন। সেই সূত্র ধরে অনেকেই বলে থাকেন ভগব

ক্যাসপার তোমার জন্য

১.
আমার এখানে যখন সকাল হয়, তখন দেশে হয়ে যায় দুপুর। দুপুর হতে হতে দেশের সূর্য পশ্চিমের পথে পাড়ি দেয় বিকেলের পথ। সময়ের হিসেব রাখাটা সবসময় সহজ হয় না তাই। মাঝে মাঝে গভীর রাতে দেশের কোনো বন্ধুকে হুটহাট টেক্সট পাঠিয়ে বিব্রত হয়ে বসে থাকি। হয়তো বেচারী গভীর ঘুমে। আমি তো টেক্সট পাঠিয়েছি আমার সময় বুঝে।

এলেমেলো ভাবনা

বিজ্ঞানচর্চার জন্যে বিজ্ঞানের দার্শণিক ভিত্তি জানার প্রয়োজন সামান্যই। " বিজ্ঞান কি?" প্রশ্নের উত্তর না জেনেও বিজ্ঞানচর্চা করা সম্ভব। সবাই মেনেই নিয়েছে সকল জ্ঞানচর্চা প্রক্রিয়ার ভেতরে বিজ্ঞান শ্রেষ্ঠ। কিন্তু কেনো বিজ্ঞান জ্ঞান উৎপাদনী প্রক্রিয়াগুলোর মধ্যে সেরা এ প্রশ্নের কোনো মীমাংসা হয় নি।

প্রসঙ্গঃ অলিখিত ৫৭ ধারাটি

লেখার শুরুতেই জেনে নেই ৫৭ ধারাটিতে আসলে কী আছে? ৫৭ (১) ধারায় বলা আছে:

কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়েব সাইটে বা অন্য কোন ইলেক্ট্রনিক বিন্যাসে এমন কিছু প্রকাশ বা সম্প্রচার করেন, যাহা মিথ্যা ও অশ্লীল বা সংশ্লিষ্ট অবস্থা বিবেচনায় কেহ পড়িলে, দেখিলে বা শুনিলে নীতিভ্রষ্ট বা অসৎ হইতে উদ্বুদ্ধ হইতে পারেন অথবা যাহার দ্বারা মানহানি ঘটে, আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঘটে বা ঘটার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়, রাষ্ট্র ও ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে বা করিতে পারে বা এ ধরনের তথ্যাদির মাধ্যমে কোন ব্যক্তি বা সংগঠনের বিরুদ্ধে উস্কানি প্রদান করা হয়, তাহা ইহলে তাহার এই কার্য হইবে একটি অপরাধ৷

আইজকা হের জন্মদিন

আমগো সবতের প্রিয় চৌধুরী সাহেবের (টুটুল চৌধুরী) জন্মদিনে একটা লেখা লেখনের ইচ্ছা ছিলো। সময় পাই নাই। তার জন্য আমি লজ্জিত। আইজকা হাতে কিছু সময় আছে। আইজকা আমগো এই ব্লগের একজন বিখ্যাত লেখকের জন্মদিন।
আমরা যারা একসময় এই ব্লগের বাসিন্দারা আড্ডা দিতাম, সবাই মিল্যা তারে লইয়া বিস্তর গবেষনা করছি। সে কে ? আসলে এই নামে কেউ আছে কি না ? এত্ত সোন্দর কৈরা কেমনে লেখে ? তার বয়স কিরাম... ইত্যাদি।
তারপর ঢাকার রাস্তায় যানজট বাড়ছে। সরকার পরিবর্তন হৈছে। আমগো আড্ডা কমছে। বুড়িগঙ্গায় মেলা ময়লা পানি বাড়ছে। তিনিও নিয়মিত লেখে গেছেন ব্লগে।
আমরা আবিষ্কার করলাম, তিনি একজন সংবাদকর্মী। আমাদের কারো কারো সাথে তার দেখাও হৈছে। একসাথে চা-বিড়িও খাইছি।

অর্থনীতি, অর্থমন্ত্রী ও আমরা

১.

আমাদের অর্থমন্ত্রী লোকটা একটু অন্যরকম। উদাহরণ দিই, গত ১৮ জানুয়ারি অর্থমন্ত্রণালয়ে বৈঠক হলো। বিষয় ছিল পাঁচ টাকাকে সরকারি মুদ্রায় রূপান্তর করা। আগে তা ছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক নোট। আলোচনা হল আইন সংশোধন করা হবে। ফলে এর পর থেকে পাঁচ টাকার নোট ছাপাবে অর্থ ​বিভাগ।

অর্থমন্ত্রীর জন্য সব পত্রিকা বা টেলিভিশনেই নির্ধারিত রিপোর্টার থাকেন। বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী কথা বলেন। ​সেদিন অর্থমন্ত্রী কি বলেছিলেন জানেন তো? বলেছিলেন দেশে আর এক টাকা বা দুই টাকার নোট থাকবে না। সর্বনিম্ন নোট হবে পাঁচ টাকার। সরকার এক টাকা ও দুই টাকার নোট তুলে নেবে।

অর্থমন্ত্রী সেদিন যা বলেছিলেন হুবহু পত্রিকা থেকে তুলে দেই–

‘পুরোনো এক ও দুই টাকার নোটগুলো বাজার থেকে তুলে নিয়ে ধ্বংস করা হবে। এগুলো ধ্বংস করতে ৩০০ কোটি টাকার মতো ব্যয় হবে।

এমনও দিনে তারে বলা যায়...

সে এক বরষা রাতে স্বপনে
একা একা দ্বার খুলে বেরিয়ে
ঝড়ের বাতাসে দোলা লাগিয়ে
আমি অচেনার দেশে চলে এসেছি;
দারুণ বরষা রাতে স্বপনে...

শেষ বিকেলে বসেছিলাম বারান্দায়। শিল্পী অজয় চক্রবর্তীর গানের এই কথাগুলো মনে গুনগুন করে বাজছিলো, সেইসাথে ভাবছিলাম আজ কোথাও বেড়াতে যাব। এই চমৎকার মেঘ-আদুরে বিকেলে আমার একমাত্র কন্যাটিকে নিয়ে ঘুরে আসবো তার কোন অচীনলোক থেকে। কিন্তু তুমি তা হতে দিলে না। একেবারে বিনা নোটিশে তুমি এসে সবকিছু ভণ্ডুল করে দিলে। এটা কি ঠিক হল?
চারিদিক থেকে যখন অন্ধকার ঘনিয়ে আসলো, তখুনি ঝড়ের বেগে তুমি এলে। ঘন কাল কেশরগুচ্ছ ছড়িয়ে, প্রবল ঘুর্ণিতে আমায় ভাসিয়ে নিলে। আমার এই ছোট্ট করিডোরটুকু, যেখানে বসে আমি বর্ণিল মেঘেদের আনাগোনা দেখছিলাম, সবকিছু এলোমেলো করে দিয়ে বলেছিলে,
-চল আমার সাথে।
আমি তোমায় শুধালাম- হে দুরন্ত যৌবনা আমাকে তুমি কোথায় নিয়ে যাবে?

ভন্ড ভালবাসা ২

ভন্ড ভালবাসা ২য় খন্ড
কযেকদিন আগে এটার প্রথম পর্ব লিখেছিলাম শেষ কি সেটা বাকি ছিল।আজ সেটা লিখছি ।মানুষের মন যদি ভাল থাকে দুনিয়া রঙ্গীন মনে হয় সব ভাল লাগে আর যদি কেউ তার মন ভাঙ্গে তাহলে সে জীবিত লাশ ছাড়া আর কিছুই না।

সরকারী কর্মকর্তা নাকি রাজনৈতিক নেতা? সাথে কিছু নয়ন চ্যার্টাজি

বর্তমান র‍্যার মহাপরিচালক বেনজীরআহমেদ সহ পুলিশ প্রধানের বক্তব্যগুলো সরকারী কর্মকর্তার বক্তব্য না হয়ে রাজনৈতিক ব্যক্তির বক্তব্য হিসেবে জনগণের সামনে হাজির হচ্ছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে পুলিশ কর্মকর্তা, সাবেক সেনা কর্মকতারদের রাজনীতি করার ইতিহাস আছে। কিন্তু অবসর গ্রহণের আগে ওনাদের বক্তব্য এতো বেশি রাজনৈতিক বক্তব্য হয়ে উঠছে যে তাতে যে কোন সাধারণ মানুষ প্রশাসনের উপর আস্থা হারাতে বাধ্য। বিগত দিনে বিএনপির পেট্রোল বোমার আন্দোলনের সময় মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ থেকে আমরা রাজনৈতিক বক্তব্য শুনেছিলাম। বিএপির আন্দোলন কে আন্দোলন বলা যায় কিনা, এ বিষয়ে র‍্যাবের পোশাক পরে কী মন্তব্য করা যায়?

আমাদের দ্বিধা

যদি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট বিবেচনায় রাখি, জনপরিসরে বিজ্ঞানের উপস্থিতি কতটুকু? রাষ্ট্রের সক্রিয় তত্ত্বাবধানে কিংবা বেসরকারী উদ্যোগে বিজ্ঞানচর্চা কতটুকু উৎসাহিত হচ্ছে? প্রযুক্তি প্রায়োগিক ক্ষেত্র, প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষতা কোনোভাবেই বিজ্ঞানমনস্কতার নিদর্শন নয়- এই তথ্যটা প্রথমে মনে রাখতে হবে। শত সহস্র যন্ত্র কিংবা যন্ত্রাংশের মাধ্যমে প্রযুক্তি যেভাবে প্রতিনিয়ত জনপরিসরে উপস্থিত থাকে, সমাজের কোথাও কি বিজ্ঞানের এমন সদম্ভ উপস্থিতি আছে?

জার্নাল ৩৩

১. পবিত্র ধর্মগ্রন্থে আছে, “সৃষ্টিকর্তা সীমা লঙ্ঘনকারীদের পছন্দ করেন না।” দেশ চলছে মদিনা সনদ অনুযায়ী। সেই সূত্রানুসারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজি, কমিশনার সবাই ব্লগারদের হুঁশিয়ারি দিয়েছে, সীমা লঙ্ঘন করলে একেবারে খোঁয়াড়ে পুরে দেবে, হুঁহ। ধর্মগ্রন্থে কার্টুন আঁকা নিষেধ, লেখালেখি নিষেধ, কিন্তু কোপাকোপি নিষেধ নয়। তাই তারা লেখার বদলে লেখা নয়, কার্টুনের মোকাবেলায় কার্টুন নয়, চাপাতির পর চাপাতি চালাবে। তাদেরকে পুলিশ ধরবে না, মন্ত্রী বকবে না, ধর্ম গ্রন্থে কোপাকোপি যেহেতু আইনসিদ্ধ তাই তারা আইনত সীমা লঙ্ঘন করছে না। তারা লাইনেই আছে।

উইথ গড অন আওয়ার সাইড!

বব ডিলানের অতি বিখ্যাত একটা গান। অনেকেই শুনে থাকবেন আশাকরি। গানটায় বলা হচ্ছে বিভিন্ন সময় গডের নাম ভাঙ্গিয়ে পৃথিবীতে মানুষ ধ্বংস করছে, লুটপাট করছে- প্রান ও প্রকৃতি। নানান সময়ে উসিলা একটাই, ঈশ্বরের নাম করে। ঈশ্বর আমাদের পক্ষে থাকবে এই কারনে কতজনকে আমাদের ঘৃণা করতে হয়। কত যুদ্ধ করতে হয়। বব ডিলান গানটার শেষে বলছে হয়তো দোযখে যাবো আমি, যাবার আগে আমি বলতে চাই গড যেন এবার মুখ ফিরে তাকায়। আর কোন যুদ্ধ যেন না হয়, আর যেন কোনো মানুষ না মারা হয় গডের নাম ভাঙ্গিয়ে। এবার গড আমাদের পক্ষেই যেন থাকে। গানটা আশাবাদের গান। আমারও আশাবাদ থাকে। কিন্তু আশাবাদী হবার মতো কিছুই নাই। সংযমের মাসে সংযম করে ৭০ গুন সওয়াব পাবার বিরতির- পরে আরেকজন ব্লগার খুন। আমি নিলয়কে চিনি না। কোনোদিন দেখছি বলেও মনে পড়ে না। বেচেঁ থাকতেই আমি নিলয়ের লেখা কোনোদিন পড়ি নাই, তাই ঘাতকদের ডজনখানেক কোপে নৃশংস খুনের পরে উনার লেখা পড়ার কোনো ইচ্ছে

উদর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে

এক সাংবাদিকের মুখে শুখে শুনলাম ৭১ সালে নরওয়েতে অনেক পাকিস্তানী আশ্রয় পায়। সে সময় নরওয়েতে অনেক প্রাকৃতিক সম্পদ পাওয়া যাচ্ছিল। অন্যদিকে তাদের অনেক শ্রমিকের প্রয়োজন ছিল। ৭১এর যুদ্ধ ও পাকিস্তান সেনা বাহিনীর অত্যাচার বর্ণনা করে নিজেদের পশ্চিম পাকিস্তানের আটঁকে পড়া বাঙালি হিসেবে পরিচয় দিয়ে পশ্চিম পাকিস্তানের অনেকে সেখানে রাজনৈতিক আশ্রয় পায়। নরওয়ের সরকারও তাদের নিয়ে আসে। এছাড়াও এই দেশটি মধ্যপ্রাশ্চ্য ও এশিয়া থেকে সাগরে ঝাপিয়ে পড়া মানুষগুলোকেও অতীতে আশ্রয় দিয়েছে। মজার বিষয় হল গত বছর নরওয়েতে ধর্ষকদের তালিকায় এই বান্দাদের অবস্থান সবচেয়ে উপরে।

ডটকম সাংবাদিকতা

মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং মত সম্প্রচারের স্বাধীনতা কতটা পীড়াদায়ক হতে পারে ক্যামেরাম্যান সাথে নিয়ে মাইক্রোফোন হাতে সংবাদ ধাওয়া করা স্যাটেলাইট টিভির বাংলাদেশী সাংবাদিকদের দেখে উপলব্ধি করতে পারি। মুন্নী সাহার আপনার অনুভুতি!!! প্রশ্নটাও বাকী সবার অমানবিক, অশোভন আচরণের তুলনায় অনেক বেশী সহনীয়, অনেক বেশী শোভন। স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেলের কল্যানে স্বর্গ-মর্ত্য-পাতাল কাঁপিয়ে সংবাদ উদ্ধারে যাওয়া সাংবাদিকদের বোধ-বুদ্ধি-বিবেচনাহীনতার সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে ডটকমসংবাদপত্র বিস্ফোরণ। পকেটে সাড়ে তিন হাজার টাকা থাকলেই একটা গণমাধ্যম খুলে ফেলা যায়, ১৬ ফুট ১২ ফুট ব্যানার আর নীলক্ষেত থেকে ৫০০ রঙ্গীন ভিজিটিং কার্ড ছাপিয়ে নেওয়ার পর যেকেউ মহাসাংবাদিক হয়ে যেকোনো ব্যাক্তিকে হয়রানি করতে পারে। আমাদের বর্তমান সাংবাদিকতা মোটা দাগে জনহয়রানি।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা