ঘুড়ি উৎসবে যাবেন কি ?
প্রতি বছরের মত এবারও ঘুড়ি উৎসব হচ্ছে। এবারের ভ্যানু হচ্ছে কক্সবাজারের ইনানী বিচে। যারা ঘুড়ি বানাবেন অর্থাৎ ঘুড়িয়ালরা চলে গেছেন ৫ তারিখ রাতে। বাকী দল যাবে ১১ তারিখ রাতে। মুল উৎসব হচ্ছে ১২ মার্চ ২০১০, শুক্রবার। শনিবার সারাদিন ইনানী থেকে রাতের গাড়ীতে করে ১৩ মার্চ রোববার সকালে ঢাকায় ফিরবো আমরা।
অনুষ্ঠানমালা :
শুক্রবার সারাদিন সৈকতে ঘুড়ি উড়ানো
আদরের বাবা এবং তার ছেলেমেয়েরা...
রায়হান ভাইয়ের ৫ পয়সা দান এবং...
সে অনেক কাল আগের কথা। আরবের লোকেরা তখন গুহায় থাকতো। রায়হান ভাই স্কুলে পড়তেন। আমাদের বিমা হয়ত ভুমিষ্ঠই হয় নাই। মুক্লা অ, আ পড়তো। সেটা ছিলো এক পয়সা, দুই পয়সার যুগ। একদিন রায়হান ভাই স্কুলের নাম করে অঞ্জু ঘোষের বাংলা সিনেমা দেখতে যাইতেছিলেন। কিছুদুর যাবার পর দুই ফকির তার কাছে এসে দীর্ঘসময় ঘ্যান ঘ্যান করার পর তিনি অনিচ্ছা স্বত্বেও দুই ফকিরকে ৫ পয়সা দিয়ে ভাগ করে নিতে বললেন। তারপ
নর নির্যাতন !!!
অ. অনেকদিন থেকে ভাবছি একটা পোস্ট দেবো। যার শিরোনাম হবে : নর নির্যাতন। এই নামে অনেক বছর আগে আমার ছোট বোন সুলতানা শিপলু ভোরের কাগজে একটা পোস্ট লিখেছিলো। তুমুল হৈ চৈ পড়ে গিয়েছিলো সে লেখা ছাপা হবার পর। এক সময়ের তুখোড় লেখিকা ছোট বোন এখন আর লেখেনা। এবার ছাড়া গেলো ৩ বছরের বইমেলায় ওর ৩ টা বই বেরিয়েছিলো। স¤প্রতি এবি’র পিকনিকে যাবার পর আমাদের ৩/৪ বন্ধুর দুরবস্থা দেখে নর নির্যাতন লেখার ই
বইমেলা কাহানী...
আমার প্রায় প্রতিদিনই বই মেলায় যাওয়া হয়েছে। কোনো কোনো দিন আড্ডাবাজ কাউকে না পেয়ে শ্রেফ একটা চক্কর মেরেই চলে এসেছি। অফিস থেকে ৬ টা নাগাদ বেরিয়ে নিউমার্কেট, নীলক্ষেত পেরিয়ে টিএসসিতে হিমু মটর সাইকেলটা রেখে মেলায় ঢুকে যাই। নজরুল মঞ্চ পার হয়ে তথ্য কেন্দ্রকে বায়ে রেখে লিটল ম্যাগ চত্বরে ঢু মারি। তারপর আড্ডা উড্ডা মেরে মেলা ঘুরে আটটা নাগাদ ছবির হাঁটে ফিরে আসি। ওখানে আমার বন্ধুরা সরাতে আর কাগজে ছবি আঁকে। সে
জীবনের যত ভালোবাসা এবং ছ্যাকা...
৭৮ সালের কথা। আমি তখন চাঁদপুর খলিশাঢুলী প্রাইমারি স্কুলের ৪ ক্লাসের ছাত্র। ক্লাসের জোছনার (বেদের মেয়ে 'জোছনা' নয়) প্রেমে পড়লাম। সেই আমার প্রথম প্রেম। জোছনাকে লেখা চিঠি জামার বুক পকেটে রেখেছি, পরদিন তাকে দেব বলে। একটু পর পর হাত দিয়ে দেখছি-চিঠিটা আছে কি না ! বড় ভাইয়ের চোখ পড়লো একসময়। অত:পর পকেট থেকে চিঠি উদ্ধার এবং ধোলাই...প্রেম বলে পালাই পালাই..
এমন চিঠি পেতে কার না ভালো লাগে ?
এবি’র চড়ুভাতি : যে সকল ঘটনা কেহই উল্লেখ করে নাই
পিকনিক সংক্রান্ত ব্রেকিং নিউজ...
অবশেষে পোলাপাইনের বিশেষ অনুরোধে আমি ক্যাপ্টেনের দায়িত্ব নিলাম আবারো (প্রথমবার নিছিলাম সুর্য উৎসবে, সে প্রসঙ্গে আর কথা না বলি)। সব অকর্মার দল। কিয়ের বলে পিকনিক করবো ! মাগার কামে নাইমা দেখি সবতের বিয়াপক অভিজ্ঞতা এই ব্যাপারে !
সবতে সব কাম কৈরা দিছে। আমি খালী যা যা করছি :
১. আপন টাকা দিয়া কিনা অকটেন পোড়াইয়া, নিজের মটর সাইকলে লৈয়া মিরপুর দুয়ারিপাড়া গিয়া একখান বাস ঠিক করলাম
জানো, এই ব্রিজের মধ্যে আমার রক্ত আছে...
সেইযে আমার নানা রঙ্গের দিনগুলি...
আমাদের বাসায় (যার নাম ছিলো " যন্ত্রণা ") ছিলো বন্ধুদের যখোন তখোন আড্ডার স্থান। আমার বাবা ছিলেন মাই ডিয়ার টাইপের মানুষ। ছোট ৩ ভাই-বোন ছিলো বজ্জাতের হাঁড়ি। ওদের বন্ধু-বান্ধবীরা সবসময় আমাদের বাসা ভরে থাকতো। ছেলে-মেয়েগুলো হোস্টেলে থাকতো। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজে পড়তো ওরা। ভালো-মন্দ খেতে মন চাইলেই আমাদের বাসায় চলে আসতো। চেটে-পুটে ফ্রিজের সব খাবার নিজেরাই রান্না করে, খেয়ে তারপর হলে ফিরে যেতো। ভাই-বোনদে