ইউজার লগইন

আরাফাত শান্ত'এর ব্লগ

আহমাদ মোস্তফা কামালের তাঁহাদের সঙ্গে কথোপকথন-পাঠ প্রতিক্রিয়া।

হাতে এখন, রাজু আলাউদ্দীনের নেয়া এক ইন্টারভিউ গ্রন্থ। তা নেড়েচেড়ে দেখছিলাম। মোটা বই। তবে শুধু আজাদ- ছফার ইন্টারভিউ আর উনাদের ঝগড়া টুকুই পড়লাম, পুরোই দেখি লংকাকান্ড, তুমুল পারসোনাল এট্যাক, তীব্র সব প্রতিক্রিয়া। এই নিয়ে শুনেছিলাম আগেই তবে এত বাজে অবস্থা ছিল তা জানা ছিল না। সেই তুলনায় আহমাদ মোস্তফা কামালের ২০১৭ তে রোদেলা থেকে বের হওয়া বইটা অনেক বেশী গভীর ও প্রাসঙ্গিক আলোচনায় ভরা। একমাত্র মান্নান সৈয়দের ইন্টারভিউটা হয়তো একটু উসকে দিবে, এছাড়া সব গুলোই ব্যাক্তিকে বোঝার চেষ্টা, তাঁর সৃজন ভাবনা জগত কিভাবে চালিত হয় সে দিকেই থেকে গেছে। এই পোষ্টটা লিখছি চাইলে আমাকে কনগ্রাচুলেট করতে পারেন। কারন এটা ৩৫০ তম পোষ্ট। কোনোদিন ভাবি নাই ৩৫০ টা পোষ্ট দিবো। তাও তো মধ্যে অনেকদিন লিখি না, লিখলে মনে হয় ৫০০ ছাড়াতো। মিশ্র অনুভুতি হয়। ভালো লাগে এইজন্য নিজের অনেক কথা জানাতে পারা গেল, খারাপ লাগে লেখাগুলোতে যত্নের বড় অভা

আমরা এমনি এসে ভেসে যাই!

বাসায় মোটামুটি গত এক সপ্তাহ মেহমানে ঠাসা ছিল। আজ বাসা ফাকা, সামনেও কদিন থাকবে ফাকা। কেউ আমার সাথে রুম শেয়ার করছে আমি তার সামনে গোটা গোটা করে ফেসবুকে ব্লগে লিখছি ব্যাপারটা আমার কাছে কেমন জানি লাগে। এই জন্য মেহমান থাকলে আমি ঘুম না আসলেও শুয়ে পড়ি, বাইরে বাইরে থাকি, বসে বই পড়ি। অবশ্য আমার এখন মেহমান দারী করার সময়, যারা বাসায় আসে তারা দুরের কেউ না, তাও আমার সব সময় ওউন করা লাগে। যেমন বন্ধু বান্ধব মামা মামী ভাই ভাবী বাবা মাকে আমার আপন লাগে। এরবাইরে সবাইকে পর, অনেকে চাচাদের খুব ভালো পায়, আমি চাচাদের সাথে দুই কথার বেশী কথা খুজে পাই না। এরপর মানুষ বিয়ে করে, শ্বশুর শ্বাশুরী শালা শালী কত জনের সাথে কত মধুর আলাপ করে, ফোনে গুটুর গুটুর করে আলাপ করে, আমি ক্লোজ রক্তের আত্মীয়ের সাথেই কথা বলার কিছু খুঁজে পাইনা। এরচেয়ে অপরিচিত মানুষের সাথে অনেক কথা বলতে পারি, হেঁটে হেঁটে যে ব্যক্তি দই বিক্রি করে কিংবা রেন্টে ক

ঘুম ভাঙা সকাল!

চারটায় মোবাইলে কর্কশ এলার্ম দিয়ে রেখেছিলাম খেলা দেখবো বলে। দু ঘন্টা দেখলামও। যেভাবে উইকেট পড়ে গেল হুড়মুড় করে তাতে মন উঠে গেল খেলা থেকে। মামাও জেগে ছিল। মামাও হতাশা নিয়ে শুতে চলে গেল। আমার আর ড্রয়িং রুমে বসে থাকতে ইচ্ছে করলো না। রুমে আসলাম ভাবলাম কি করা যায়। কিছু সময় পত্রিকা পড়লাম ভালো লাগে না। দিনটার কথা ভাবলে মনটাই খারাপ হয়ে যায়। একটা বছর শেষ হয়ে গেল। দিন খালি চলেই গেল। কাল শুরু হওয়া জানুয়ারী মাসটাও চলে যাবে, ফেব্রুয়ারীও চলে যাবে বইমেলা করে করে, দেখতে দেখতে মার্চের শেষে মনে হবে নতুন বছরেরও তিন মাস শেষ। আমার আম্মু সব সময় বলতো যায় দিন ভালো, আসে দিন খারাপ। আমি বলি যায় দিন খারাপ, আসে দিন জঘন্য। সময়কে একটা কারনে আমার ভালো লাগে তা হলো সময় পুরোনো হলে কিছু মুহূর্তের কথা মনে পড়ে। এছাড়া সময় আর কি, কিছু সংখ্যা, যা আপনাকে জানিয়ে দিচ্ছে আপনার দিন ফুরিয়ে যাচ্ছে, আপনি বুড়িয়ে যাচ্ছেন, আপনার অনেক কাজ পেন্

অনেক নক্ষত্রের ভীড়ে একজন মহম্মদ রফি!

মহাম্মদ রফি এক গরীব বিধবাকে মানি অর্ডারে টাকা পাঠাতেন। সেই গ্রামীন বিধবা মহিলা জানতো এক বড়লোক নিয়মিত মানি অর্ডার করে তাকে। রফি সাহেব প্রয়ানের পরের মাসে উনি গিয়েছেন টাকা আর আসে না, পরের মাসেও গেলেন টাকা আর আসে না। উনি সেই ঠিকানায় গিয়ে জানলেন উনাকে টাকা পাঠাতেন রফি সাহেব, উনি মারা গিয়েছেন, ভদ্রমহিলা আকাশ থেকে পড়লেন এত বড় শিল্পী উনাকে এত বছর ধরে টাকা পাঠতেন উনি বুঝলেনও না।
যেদিন রফি সাহেব মারা গিয়েছেন, সেদিন তুমুল ঝড় বৃষ্টি, তার ভেতরে ২০-৩০ হাজার লোক উনার লাশবাহী গাড়ী দেখতে দাঁড়িয়ে ছিল রাস্তায়।
সঞ্জয় গান্ধীর সাথে কিশোর কুমারের ঝগড়া হয়েছিলো। উনি সঞ্জয়গান্ধীর বাসায় গেলেন, খুব বিনীতভাবে জানালেন আমার কলিগ কিশোর কুমার যদি কোনো ভুল করে থাকে তবে আমি বিনীত ভাবে ক্ষমা চাচ্ছি।

বুধবার!

পরিচিত কেউ কেউ প্রশ্ন করে, দিনলিপি লেখা ছেড়ে দিলাম কেন? আমার দিনলিপির ব্লগ নাকি ভালো লাগতো। আমি অবাক হই। কখনো কমেন্ট করতে দেখি না এরকম লোকজন কেন আমার দিনলিপি ব্লগের কথা বলবে। আমি তো লিখতামই কতিপয় বন্ধু বান্ধবের জন্য। এইটাই হয়তো ব্লগের মজা। সেই কবে কার লেখা কেউ যদি আজ নতুন পড়ে ভালো লাগে, ফেসবুকে খুঁজে ইনবক্স করে তখন অবাক লাগে। যেমন আজ এক মেসেজ পেলাম সন্ধ্যায়, অদ্ভুত। এক ছেলে জানাচ্ছে আমার ২০১৩ সালের এক লেখা তার খুব ভালো লেগেছে। কিন্তু তার প্রশ্ন হলো, আমার দিনলিপির বিশ্বাসযোগ্যতা কতটুকু নাকি বানিয়ে লিখি? প্রথম কথা হলো, এটা কোনো প্রশ্নের মধ্যে পরে?

ট্রিবিউট টু কামাল ভাই এন্ড লীনা আপু!

ডিসেম্বর জন্মদিনের মাস। আমার ভাতিজির জন্মদিন। তিনজন ক্লোজ বন্ধুর জন্মদিন। মামার সন্তান সাইকের জন্মদিন। জেবীন আপার জন্মদিন। ছায়ার আলো ওরফে ইমরান ভাইয়ের জন্মদিন। খুঁজলে হয়তো আরো অনেক পাওয়া যাবে। তবে এই শীতের রাতে লিখতে বসেছি ব্লগে আমার দুই প্রিয় এনলাইটেন মানুষের জন্য। এই দুইজন মানুষকেই আমি ব্যাক্তিগত জীবনে খুবই পছন্দ করি, তারা আমাকে পছন্দ করে সেটা একটা কারন হতে পারে। তবে সব চেয়ে বড় কারন তাদের লেখা, মতামত, অপিনিয়ন আমার খুব প্রিয়। এইজন্য ব্লগ আমি এখনো লিখি টুকটাক, কারন ব্লগের কারনেই একটা জানালা আমার খুলে গেছে। সেটা পড়ার জানালা, যারা পড়ে তাদের সাথে তাল মিলিয়ে পড়ার জানালা। সেই জানালার খোজ সবাই পায় না। আর পেলেও বন্ধ করে দেয়। কিন্তু আমি মনে করি পড়ার জানালাই আমার জীবন। এই যে দুচারটা কথা লিখতে পেরে আনন্দিত হই এটা পড়ার ফল। নয়তো সবাই অফিসে প্রতিদিন পিসিতে কত কিছুই লিখে, কোনও কিছুতেই এই ব্লগ লেখার আনন্

মালায়লাম নিউ জেনারেশন মুভি!

আজ লেখার মুডে আছি। সাধারণত লিখতে ইচ্ছে করে না।সময় থাকে তাও লিখতে বসি না। সারাদিন পিসির সামনে থেকে রাতেও ল্যাপটপ নিয়ে বসতে ইচ্ছে করেনা। বসলেও সিনেমা দেখা ছাড়া আর কিছু ভালো লাগে না। লেখার মতো অনেক কিছুই থাকে তা কিছুটা ফেসবুকে স্ট্যাটাসে দেই, আর বাকী সব চাপা পড়ে যায় প্রতিদিনের দিন যাপনে। আজ তাই লিখতে বসে গেছি। জানিনা পোষ্ট দেয়া হবে কিনা। শুরু করা যাক। ব্লগ লেখার চেয়ে আনন্দের আর কি। দিন গুলো যাচ্ছে আগের মতোই। আমার সব দিন যাপনই একরকম। পার্থক্য শুধু রাতে আমি এখনো বারেকের দোকানে যাই। আড্ডা মারি। বন্ধু ছোট ভাইদের কথা শুনি, নিজের কথা বলি। শুক্রবারে বন্ধু জেমস আসে, সপ্তাহের সব আলাপ করে ফেলি সকাল থেকে বিকাল। আম্মু ফোন দেয় খেয়েছি কিনা, আব্বু ফোন দেয় এখন কই কি অবস্থা। এই করে করেই যাচ্ছে দিন। ইউটিউবে গান শুনি, স্ট্যান্ডাপ কমেডির ভিডিও দেখি, ফেসবুকে ইস্যু মেপে স্ট্যাটাস দেই, দুটা টিব্যাগ দিয়ে চা খাই, সমা

ডুবে আছি বিষাদে!

বাসায় অনেকদিন ধরেই আমি একা একা থাকি। সেই যে মামী গিয়েছে ঈদের সময় আর আসে নাই।অফিস থেকে বাসায় ফিরি, সন্ধ্যা গড়িয়ে সকাল আসে, কারোর মুখ দেখি না। কারন মামা থাকে অফিসের নানান ট্যুরে অথবা শ্বশুরবাড়িতে। বুয়ার মুড ভালো থাকলে আসে নয়তো নাই, তাই বাইরে বাইরে খেতে হয়্ কিংবা আলসেমীতে খাই না, এভাবেই যাচ্ছে দিন। আবার সেই চিলেকোঠার এক রুমের জীবনের স্বাদ পাচ্ছি। সেই ব্লগ লেখার জীবনের, যখন রাতে ব্লগ লেখা ছাড়া বাসায় আমার করার কিছু থাকতো না। খালি মনে হতো এই দিন গুলো নিয়ে কিছু কথা লেখা থাক। না লেখা থাকা দিনগুলোর আসলে ফেসবুক মেমোরী ছাড়া আর কিছুই স্পেসিফিক মনে আসে না। যা মনে আসে সবই ভাসাভাসা আর অনুমান নির্ভর। যেমন ২০১৪ সালের অক্টোবর মাসের শুরুর সপ্তাহে আমি কি করেছি মাথাতেই আসে না। যখন ব্লগে আসি তখন মনে হয়, ও আচ্ছা এই এই করে বেড়াচ্ছিলাম। এই এই ভাবছিলাম তখন দিনগুলোতে। তখন ভালো লাগে। আমার হাতে লেখা ডায়রী আছে, সেখানে

তানবীরা আপু, জন্মদিনের শুভেচ্ছা নিন!

শিরোনামটা কি দিবো ভাবছিলাম, বেশীর ভাগ এক্সপেক্টেড শিরোনাম দিয়ে আগেই পোষ্ট লিখে ফেলেছি। গুগলে ক্লিক করলেই ভেসে উঠে আমার আগের লেখা। দিন তো খালি চলেই যাচ্ছে। চোখের সামনে হারিয়ে যাচ্ছে সময়গুলো। সেদিন ২০১৬ শুরু হলো। এখন চলে জুলাই, নিমিষেই আসবে সেপ্টেম্বর অক্টোবর, ব্যস বছর শেষ। অঞ্জন দত্ত তাই আগেই হুশিয়ার করে গেছেন, কিছুই তো হলো না বাজানো গেল না সময়। সেই আমাদের কিছুই হলো না, এই দেশটার অবস্থাও দিন দিন জঘন্য। জীবনে ভাবি নাই, ঈদের দিন সকাল বেলা, শোলাকিয়াতে মানুষ মরবে, জংগীদের উন্মত্ত আক্রমণে। ঈদ এমনিতেই আমার বোরিং কাটে, এবারের ঈদ গেল অবষাদ আর বিষণ্ণতায়। আমাদের জন্যেও অঞ্জন দত্তের গান আছে, কত কি করার ছিল যে। আসলেই আমরা কিছুই করি নাই, তাই তিলে তিলে এই দশা, এই পরিনতি। তবুও দিন চলে যায়, ঘটনা দুর্ঘটনায়। এসে পড়লো দিন, তানবীরা আপুর জন্মদিন। আমার প্রিয় সিস্টার কাম বন্ধুর এত খুশীর দিনে একটা ব্লগ

পেইন্ট ইট ব্ল্যাক!

সবাই জানেন শিরোনামটা রোলিং স্টোনের বিখ্যাত গান থেকে ধার করা। গানটা খুবই বিখ্যাত। মুক্তি পাওয়ার সাথে সাথেই বিলবোর্ড চার্টের প্রথমে জায়গা করে নেয়। প্রচুর কাভার, প্রচুর জায়গায় ব্যাবহার হয়েছে গানটা। আমার কাছে রোলিং স্টোনের সব চাইতে প্রিয় গান। যদিও মানে ভিন্ন, আমিও সবকিছুকে কালো করে দিতে চাই, সব রং হারিয়ে যাক বেঁচে থাক শুধু কালো। এত রঙ্গিন দেখার, রঙ্গিন ভাবার কি আছে। সব কিছুই জাহান্নাম, সব সুন্দরই জঘন্য, আমাদের কোনও কারন নেই সুন্দর সুন্দর জিনিস ভাবার। রাতে ঘুম আসে না, সকালে ঘুমাই ক্লান্তিতে। দুদিন পরে ঈদ একফোটা আনন্দ নেই। একটু পর ট্রেনে চেপে বাড়ি যাবো কতদিন পর, সামান্যতম উত্তেজনা কাজ করছে না। মনে হচ্ছে কোথাও হারিয়ে যাই, কেউ খুঁজে পাবে না। একা একা গাছের নীচে বসে থাকি সারাদিন। যে দুর্বিষহ অবস্থা এই শহরের, মনে হয় একটা ভূমিকম্প হোক সব শেষ হয়ে যাক একবারেই।

ভাবনা দিয়েছি ছেড়ে, এত ভেবে হয় কি?

খুব লিখতে ইচ্ছে করছে, তাই নিরুপায় হয়ে লিখতে বসা। মাঝে মাঝে এমন হয় খুব লিখতে ইচ্ছে করে, বিশেষ করে এমন রোজার দিনগুলোতে। আগে তো রাতে জেগে থাকা মানেই আমার ব্লগ লেখা। সামান্য দিনগুলোকে নিয়ে লিখে গেছি সামান্য সব লেখা। এখনও রাত জাগি, লেখতে ইচ্ছে করে, কিন্তু লেখা আর হয় না। বই পড়ি, টিভি দেখি, মোবাইলে হেডফোন নিয়ে কেটে যায় সময়। আজ অনেকদিন পর লিখতে বসলাম শুধু লেখার ইচ্ছা পূরণ করার জন্য। সারাদিন অফিসে ব্যস্ত সময়, ইফতারীর পর আড্ডা, রাতে কম ঘুমানো সব মিলিয়ে এ কদিনে চেহারায় কেমন জানি বয়স্ক মানুষের ছাপ পড়ে গেল। তার ভেতরে চুল গুলো ঝড়ছে সমানে। এইসব নিয়ে আর ভাবি না, মানুষ মরে যায়, বানের জলে ভেসে যায় মানুষ, আর রূপ যৌবন দিয়ে কি হবে। যে অপ্রেমের অতি সাধারণ জীবন আমার তাতে ওতো ভেবে কি হয়, তাও ভাবি ভাবতে ভাবতে দিন চলে যায়। এখনও আমার পুরোনো লেখা অচেনা কেউ কেউ পড়ে, ফেসবুকে সেই ভালো লাগা জানায়। অবাক হই, কত আগের সব লে

কালচে রক্তের শহর

ঘটনা আসলে তেমন কিছু না। নতুন করে কিছু বলার না। যা ঘটছে চারপাশে তাই বলা। যা ঘটছে কিছুই নতুন না, কিন্তু বারবার ঘটছে আর আমরা বারবার ভুলে যাচ্ছি। ভাবছি সব ঠিকঠাক, দিব্যি চলছে বেশ। কেউ কেউ শুনতেই চায় না কিছু, কেউ আছে শুনেও না শোনার ভানে। দিন সপ্তাহ মাস চলে যাচ্ছে অবিরত বিছিন্ন ঘটনায়। তেমন এক বিচ্ছিন্ন ঘটনার কথা বলি গত সপ্তাহের। যা আমার মনকে পুরো চূর্ণ বিচূর্ণ করে বিষিয়ে ফেলেছে। বাসায় যাবো বৃষ্টি হচ্ছে। হুট করে দেখি ভারী কিছু পতনের শব্দ। আমার ধারনা ছিল ট্রান্সমিটারের কিছু হয়েছে। কিন্তু দেখলাম চারপাশ থেকে মানুষ দৌড়ে আসছে। আমিও গেলাম কৌতূহল বশত। যেয়ে মস্ত বড় ভুল করে ফেলেছি। সামনে আগালাম না। একজনের দেহ পড়ে আছে। আর বৃষ্টি আর রক্তে পুরো রাস্তা ভেসে গেছে। পুলিশরা দাঁড়িয়ে ছিল তাঁরা বিল্ডিং এর ভেতরে ঢূকে পড়েছে। মারা তো গিয়েছেই তবুও একটা গাড়ী পাওয়া গেল সেটা করে উনাকে ঢাকা মেডিকেলের আনুষ্ঠানিকতা সারতে নে

ফিরে দেখা ২৬শে ফেব্রুয়ারী

লিখতে হুট করে কার না ভালো লাগে। আমার আরও বেশী ভালো লাগে। অনেকদিন কিছুই লেখি না। সময় পাই না লেখার। আর লেখার সময় টুকুতে বই পড়ি, নয়তো সিনেমা দেখি। নয়তো অলস ভাবি। লেখার ভাবনা সব সময় থাকে আবার হারিয়ে যায়। এই জন্য আমার এক প্রিয় মানুষ বলছিলো-- সেই একদিন কখনোই আসবে না। যদি তুমি প্রতিদিন না লেখতে পারো অথবা লেখার ভেতরে না থাকলে। কোনও যাদুকর এসে বর দেবে না তোমাকে'। আমি অবশ্য উনার কথা শুনি নাই। ব্লগ লেখাই ছেড়ে দিয়েছি। ফেসবুকেও কম লিখি। একাউন্ট ডিএক্টিভেট করে বসে থাকি। মাঝে মাঝে ব্লগে আসি, চুপচাপ চলে যাই। কমিউনিটি ব্লগের এই দুর্দিনে আমার কিবা করার ছিল, হয়তো সপ্তাহে চারটা পোষ্ট দিতাম। লোকজন পিঠ চাপড়াতো। কিন্তু দিনশেষে সেই একই অবস্থা। আমাদের কারো জন্যেই কিছু যায় আসে না, কারো শুন্যতায় কিছু যায় আসে না। আজ আমি লিখতে আসলাম মেইনলি কারন, অভিজিৎ রায়ের নির্মম খুনের পর ১ বছর হয়ে গেল। মাসকাবারীতে খুন হলো আরো চার প

ডিলাইটফুল ডিসেম্বর

সেই ক্লিশে কিছু কথা দিয়েই লেখা শুরু করতে হয়। প্রথমেই আসবে, ব্লগে লেখি না অনেকদিন। লেখার সময় পাই না খুব একটা। আর যা সময় পাই তখন অন্য ডজনখানেক কাজে ব্যস্ত থাকি। ব্লগ লেখাটাও আর মিস করছি না। তবুও নিজে নিজে লেখি সময় পেলে- অবশ্যই তা ডায়রীতে, সেইজন্যেই লেখা আমি ভুলি নাই, লেখা যদি ভুলে যেতাম তাহলে হয়তো ব্লগ মিস করতাম। ব্লগ লেখার জন্য মন উশখুশ করে না আর। উপলক্ষ্য ছাড়া ব্লগে লেখা আর হয়ে উঠে না। আজও লিখছি বিশেষ কারনে। দ্বিতীয় কথা হলো এখন ব্লগ পড়িও না। ফেসবুকেই থাকি। ট্যাবে অটোমেটিক ওপেন হয়। কিন্তু আগে যেমন এক পোষ্ট ছয় সাতবার পড়তাম তেমন পড়াই হয় না। আর নিজের লেখা তো পড়ি না খুব একটা। কারন প্রতিটা লেখা পড়লেই মনে হয় ট্রেন ধরার তাড়া নিয়ে লিখেছিলাম, অজস্র ভুল, আরও গুছিয়ে-ভালো করে লেখা যেত। কিন্তু হলো না। কি আর করা যাবে। সবার সব কিছু হয় না। তাই ব্লগের চার্ম হারিয়ে ফেললাম আবার। সামহ্যোয়ার ছাড়ার পর অনেকদিন লি

বন্ধু 'প্রিয়'র জন্মদিন 'রিটার্নস'

পাক্কা ৩৬ দিন পর পোষ্ট লিখছি। এই ৩৬ দিনেই আমার লেখার মতো ৩৬টা পোষ্ট ছিল, আমি যেমন লিখি তেমন ভাবে অনেক কথা বলা যেত সেই সব পোষ্টে। কিন্তু লিখি না, লিখতে ভালো লাগে না। আর ব্লগে লেখাও ভালো লাগে না আর। অনেক তো লিখলাম আর কত?