ইউজার লগইন

আনিকা'এর ব্লগ

নতুন করে পাবো বলে

আমি কতোদিন লেখালেখি করিনা ভুলেও গেছি, আজকে হঠাৎ কি মনে হতে ভাবলাম একবার ঢুঁ মেরে যাই, দেখলাম এর ভেতরে পাঁচটা বছর পার হয়ে গেছে। কি অদ্ভুত! পাঁচ বছরে আমি তেমন করে কিচ্ছুটি লিখি নাই। অবশ্য এই পাঁচ বছরে যা হওয়ার না এরকম অনেক কিছু ঘটেছে, যা যা ঘটেছে তার কিছুটা ভালো, কিছু তেমন ভালো নয়, আবার কিছু ভীষণ ভয়াবহ! তারপরেও সব মিলিয়ে ভালো আছি। এই কবছরে কতোখানি পাল্টেছি জানিনা, পাল্টানো তো আসলে অবশ্যম্ভাবী। কম বেশী আমরা সবাই রোজ নিয়ম করে পাল্টাতে থাকি। ভাবছি আবার নতুন করে শুরু করে দিই লেখালেখিটা, তবে সময় পেলে হয়। অনিয়মিত হয়ে যেতে হবে ভেবেই মনে হয় উৎসাহ উবে যায়।

এলোমেলো বাচ্চাবেলা... ২ ( আমার প্রথম পড়া কিছু বই)

''উঠলো বাই, তাই কটক যাই'', '' যার হয়না নয়ে, তার হয়না নব্বইয়ে'', আম্মা ছোটবেলায় অনেক ছোট ছোট এইরকম কথন শুনাইতো। সেই সাথে আমি আসলে চরম গল্প শোনার পাগল ছিলাম। আনারকলির গল্প, হিরণ বাদশার আখ্যান, সয়ফুলমূলক-বদিউজ্জামাল, মহররমের কাহিনী ইত্যাদি হাবিজাবি গল্প শোনাবার জন্য মামাকে পাগল করে দিতাম। নানী শুনাইতো নানা নবীর জীবনী, হাদিসের ঘটনা, কোরানের ঘটনা। বড়ো খালা খুব পালাগানের ভক্ত ছিলেন, এক মাজারের ভক্তও ছিলেন, সেই সুবাদে তার বাড়িতে গ্রাম্য গানের আসর বসতো। কেউ কেউ সুর করে পালা গান গাইতো। রহিম-রূপভান, কাজললতা, ইউসুফ-জোলেখা আরো কতো কি শুনছি। কিছু মনে হয় বুঝতামও না ঠিকমতো, বয়েস তখনো চারের কোঠা পার হয় নাই...

এলোমেলো বাচ্চাবেলা

আমি মোটামুটি ভুদাই কিসিমের মানুষ, মীরের লেখাটা পড়ে কিছুটা অনুপ্রাণিত হয়ে অনেক ভেবে-চিন্তেও পুরো ছেলেবেলা হাতড়ে টাতড়েও গুছিয়ে লেখার মতো ডেঁপোমি তেমন পাচ্ছিলাম না। তবে চুপেচাপে ঠারে-ঠুরে আকাজ-কুকাজ নেহায়ে্ৎ কমও করি নাই। আম্মা যখন ইশকুলের মাস্টারনি ছিলো, নানী'র সাথে সাথে থাকতাম ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটা গ্রামে... গ্রামের নামটা বড়ো আজীব, অবশ্য আর দশটা গ্রামের যেমন হয় আর কি... ছয়ফুল্লাকান্দি। যদিও সেইকালে এই শুদ্ধ নামটা মোটেই জানতাম না... সবাই বলতো ছোবলাকান্দি... আর আমি ভাবতাম সেইখানকার সবাই বুঝি ভীষণ ছ্যাবলা, তাই এই নাম।

আজিরা দিনপঞ্জী... ২০

জ্বরের ঘোরে কেমন যেন অনেকদিনের পুরনো একটা স্যাঁতস্যাঁতে মনখারাপ মনখারাপ ভাব টের পাচ্ছি। বাসায় কি কি যেন নিয়ে হাল্লা-গুল্লা হচ্ছে, আমি ঠিকই ডিসকানেক্টেড। কিছু বলতে বা করতে ইচ্ছাও করছে না। মাঝেমাঝে চিঠি লিখতে ইচ্ছা করে খুব, কিন্তু কেন ইচ্ছে করে সেইটাই মনে করতে পারিনা। অনেকদিনের সিগারেটখোর কেউ সিগারেট ছেড়ে দেবার পরেও যেমন হঠাৎ করে খামোকাই নেশার চাপে পড়ে যায় সেইরকমের কিছু হয়তো। কিংবা হয়তো অন্য কিছু চাইছি, নিজেও জানিনা কোনটা বা কি। পরশু বিকেলে জ্বরটা জেঁকে বসার পরে ইচ্ছে করছিলো হঠাৎ নেমে আসা বৃষ্টিতে রিকশায় চেপে একটাকা দামের প্লাস্টিকে মোড়ানো লাঠি আইসক্রিম কিনে ইস্কুল থেকে বাড়ি ফিরতে। রোববারের হরতালের খবরটা পাওয়ার পরে ভাবসিলাম আমার উইকএন্ড হোমে গিয়ে উঠবো, কিন্তু হারামজাদা জ্বরটা সব গুবলেট করে দিলো। আর আরামসে বসে বসে মুভি দেখার বদলে আমি দুইটারাত গোঙাতে গোঙাতে পার করলাম। জ্বরটা একটু

আজাইরা দিনপঞ্জী... ১৯

কতোগুলো মুখোশ আছে আমার? অনেক, অসংখ্য? নাকি একটাও না? মাঝে মাঝে খুব সহজ কিছু প্রশ্নের উত্তর খুব গুলিয়ে যায়... মুখোশ থাকাটা কি দরকারী খুব? তা না হলে আছে কেন? কিন্তু আবার দরতার কিংবা অদরকারে কিইবা আসে যায়? এইয়ে এখন বেশ ভাবুক ফিলসফিক্যাল মুখোশ পড়ার একটা ব্যর্থ চেষ্টা চালাচ্ছি এর কোন মানে আছে কি? আশেপাশের মুখোশ স্রোতে সত্যি মিথ্যে যখন সব গুলিয়ে যায়, তখন মনে হয় প্রতি মুহূর্তের বিন্দু বিন্দু অনুভূতির চেয়ে সত্যি কোন কিছু আলাদা করে তো দাঁড়ায় না কোনখানে। প্রতি মুহূর্তে দিক পাল্টাতে পারে যদিও, কিন্তু তাই বলে আগের মুহূর্তের অনুভূতির সত্যতা তাতে কমে তো যাবেনা, কিন্তু পুরনো অনুভূতিও কি স্মৃতির মোড়কে ঢুকে গিয়ে মানে পাল্টে ফেলে না?

ঘুরে ফিরে নিশীথ সূর্যের দেশে... ৬

ডিসক্লেইমার: সফরের একটা ছবিও আমার ক্যামেরায় নাই, কারণ ক্যামেরা হারাইয়া ফেলছিলাম দুই সপ্তাহের জন্য। কিছু অন্য ক্যামেরার ছবি, আর কিছু কপিরাইট যোগ করে গুগল মামু থেকে পাওয়া ছবি দিচ্ছি। এই পর্বে তাই ছবির সংখ্যা খুবই কম... বেশিরভাগটাই আমার ব্যাগব্যাগানি।
----------------------------------------------------------------------

প্রসংগ: ইঁদুর ও মানুষ (পর্ব ১)

জন স্টাইনবেকের ''অফ মাইস এন্ড ম্যান'', আমার অসম্ভব প্রিয় কিছু বইয়ের একটা। এক সপ্তা ধরে শয্যাশায়ী থেকে অনেকগুলো পুরানো বই রিভাইজ করছিলাম, তার মধ্যে এই নভেলাটাও পড়েছি, আর পড়ে আবারও মুগ্ধ হয়েছি। মাত্র ১০৬ পাতার এই বইটা থেকে রোজ না হোক, এক দুই দিন পর পর একটা করে পাতা অনুবাদ করবো ভাবছি। আমার অগণিত শেষ না হওয়া প্রজেক্টে আরেকটা যোগ হবে হয়তো। আগেও অন্য একটা ব্লগে বেনামে প্রকাশিত।
-----------------------------------------------------------------------

আজাইরা দিনপঞ্জী... ১৮

বেশ কদিন ধরে শরীরটা একটু বেগরবাঁই করছিলো, রোজ এখন তাই নিয়ম করে পারলে বারোটায় ঘুমুতে যাই, মাঝে মাঝে আগের অনিয়মনের অভ্যাসে ২/৩টা বেজে যায়। কাল রাতে দেড়টার দিকে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম, ঘুম ভাংগলো ভোর সাতটায়, তাও ভীষণ এলোমেলো অদ্ভুত এক স্বপ্ন দেখে। স্বপ্নে আমি আর আমার ছোট বোন মাকে নিয়ে কোন একটা দেশে গিয়েছি, স্বপ্নের স্হাপত্য ইউরোপীয়ান ছিলো, কিন্তু যেভাবে দৌড়ে রাস্তা পার হলাম তার নিদর্শন ইউরোপীয়ান ছিলো না। ঝাঁকে ঝাঁকে সাদা চামড়ার মানুষ ছিলো আশেপাশে। স্বপ্নে মনে হলো আমরা কোন একটা দুর্গমতো এলাকায় যাচ্ছি একজন সাইকেল মেকানিকের সাথে দেখা করতে, ব্যাপারটা অদ্ভুত...

আজাইরা দিনপঞ্জী... ১৭

আমি অনেকদিন ধরে একটা কমপ্রেসড অবস্থায় ছিলাম, ট্রানজিশান স্টেজে যেমন কোন অবস্থা বের করা যায়না, সবকিছু ক্রমাগত অস্থির থাকে আর কোন কিছুই সাম্যাবস্থায় পৌঁছোয় না সেইরকমের একটা জায়গায়। তারপরে একদিন কেন জানিনা আম্মার সাথে গলা ফাটিয়ে ঝগড়া করলাম, তারপরে আবার আম্মাকে জড়িয়ে ধরে বাচ্চাকালের মতো শুয়ে ছিলাম একটা রাত। এর দুদিনের মাথায় ভ্যাপসা গরম পড়তে শুরু হওয়া দিনের শেষে গভীর রাতে একটা এলোমেলো বৃষ্টি হলো। বারান্দায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে আমি হঠাৎ আবিষ্কার করলাম অনেকদিন ধরে আমি নিজেকে বেশ বেচারা ভেবে নিয়ে করুণা করে আসছি, আমি ভেবে নিচ্ছিলাম আমার স্বপ্ন নাই, কিছু করার নাই, কোথাও যাওয়ার নাই। কিন্তু সেই সময়টায়, সেই রাতের বেলায় আমার মনে হচ্ছিলো আমার এক্ষুণি রাস্তায় বেরিয়ে পড়তে হবে। কোন কিছু ভুলবার জন্যে বা মনে করবার জন্যে নয়...

উল্টোকে পাল্টিয়ে

যোগাযোগের কতো ধরণ বাড়ছে, বাড়ছে মাত্রা, বাড়ছে যোগাযোগে ব্যস্ত মানুষদের সংখ্যা। আমার কেন জানি থেকে থেকে মনে হয় সুবিধে বাড়ার সাথে সাথে মানুষের পারস্পরিক দূরত্ব জ্যামিতিক প্রগমণে বাড়ছে। এইটা হয়তো আমার ভ্রমমাত্র, কিন্তু আমি নিজে অনুভব করি এমনকি ফেসবুকে রোজ কথা হওয়া মানুষটার চেয়ে কতো যোজন দূরত্বে আছি। আমি হয়তো ওল্ড-ফ্যাশনড। কিন্তু আমি সরাসরি, সামনা-সামনি রক্তমাংসের মানুষের সাথে ইন্টারঅ্যাকশানে যেতে না পারলে কেমন জানি অস্থির থাকি। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে অন্তর্জালের জগতে অনেক উপস্থিতি, অনেকের সাথে সত্যিকারের হৃদ্যতাও আছে ভীষণ। কিন্তু সেই মানুষগুলোকে খুব কাছ থেকে ছুঁয়ে দেখতে মনে চায় খালি। প্রায় বছর চারেক ধরে সাউথ আফ্রিকার একটা মেয়ের সাথে বন্ধুত্ব আমারই একটা প্রাচীন ইংরেজী ব্লগের সূত্র ধরে। কোন একটা জাহাজের প্রাক্তন ক্যাপ্টেন সেই মেয়েটার অদ্ভুত প্রেম, ভাংগন, গর্ভধারণ, মিসক্যারেজ, বাবা

ঘুরে ফিরে নিশীথ সূর্যের দেশে... ৫

দ্বিতীয়বার আবারো নরওয়ে যাওয়া হলো ২০০৮ এর জুনের শেষদিকে। এবার তিনমাসের লম্বা যাত্রা। একই সাথে ভয়, অনিশ্চয়তা আর মনের ভেতর চেপে রাখা একটা ইচ্ছের বোধ কাজ করছিলো। দেশে আমার তখনকার পার্টনারের সাথে সুতো কেটে ফেলার ব্যাপারে কথাবার্তা চলছিলো, আর নরওয়েতে সেই মানুষটা যার টানে আর কোন সুতোই গজালো না চার বছরে। দুই নৌকায় পা দিয়ে চলা আমার স্বভাবে নাই, তাই আমি প্রাণপণে একটা সুতো ছিঁড়বার আর আরেকটা সুতোর টান অগ্রাহ্য করবার দোটানায় ছিলাম। বড়ো অদ্ভুত সময় ছিলো সেটা।

সুন্দরী ঢাকা

খুব ছোটবেলায় ঘরের বেহাল অবস্থা দেখে আম্মা বেশি ঝাড়িঝুড়ি দিলে যা কিছু অগোছালো সব চেপেচুপে ওয়া্র্ডরোবের ড্রয়ারে ঠেইলা ঢুকাইয়া ফেলতাম, ঢাকার বর্তমান সৌন্দর্য্যবর্ধনরেও সেইরকমের ধামাচাপা কিসিম মনে হইতেসে কিছু কিছু জায়গায়। শেরাটনের সামনের ফকিরগুলারে কি ট্রাকে তুলে গরু চালান দেওয়া হইসে কোথাও? হকার ফ্রি ঢাকা কি আমাদের রোজকার চিত্র? এতো ঝামেলার মধ্যেও যে আমরা টিকে আছি এই শহরে এইটাই কি এনাফ বিজ্ঞাপনযোগ্য না?

ভালো করি-য়ে

অস্কার ওয়াইল্ডের একটা লেখা অনুবাদ করতে চেষ্টা করলাম, কি দাঁড়াচ্ছে বুঝতে পারছিনা। অনুবাদ করতে গিয়ে নিজের ভাষার ঝামেলাটা ভালোমতো টের পাওয়া যাচ্ছে, কতো কি জানার আর শেখার বাকি!

---------------------------------------------------
তখন ছিলো রাতের বেলা আর তিনি ছিলেন একাকী।

তিনি দূরে দেখতে পেলেন এক গোলাকার নগরীর দেয়াল এবং নগরীর অভিমুখে চলতে লাগলেন।

নগরীর কাছাকাছি আসবার পরে, তিনি শুনতে পেলেন ভেতর থেকে ভেসে আসছে খুশির দম্ভময় পদধ্বনি , আনন্দের হাসি আর অনেক বাঁশীর কোলাহল। দরোজায় করাঘাত করলেন তিনি আর কোন এক দ্বাররক্ষী দরোজা খুলে দিলো।
দেখতে পেলেন এক মর্মরে তৈরী বাড়ি, যার সামনেও মর্মরস্তম্ভ। স্তম্ভ থেকে ঝুলছিলো ফুলের মালা আর ভেতরে বাইরে জ্বলছিলো সেডার এর মশাল। তিনি ঢুকে পড়লেন বাড়িটিতে।

অনিকেত... ২

ফ্রিজ খুলে চিন্তা করছিলাম তাড়াতাড়ি করে কি বানানো যায়। গত সপ্তাহে বাজার করেছি, কয়েক পদের সবজি আর ডিম ছাড়া তেমন কিছু নেইও ফ্রিজে। ডিম পরোটা আর কুঁচনো সালাদ বানাবো ঠিক করলাম, খুব বেশি সময় লাগবেনা তাতে। জলদি করে দুটো ডিম ভেংগে নিয়ে পেঁয়াজ আর মরিচ কুঁচি মিশিয়ে নিলাম, রেডিমেড পরোটা ছিলো ফ্রিজে। বের করে আনার সময় ভাবছিলাম জীবনকে কতো সহজ করে ফেলার চেষ্টায় থাকি আমরা। অথচ জীবনটা ভীষণ হতচ্ছাড়া! ঠিকই জটিলতায় ঘুরপাক খেতে থাকে আপন মনে। ডিম পরোটা ভেজে তুলবার ফাঁকে ফাঁকে শসা, আর টমেটো কুঁচিয়ে নিয়ে সাথে কাঁচামরিচ আর ধনেপাতা দিয়ে সালাদ বানিয়ে ফেললাম চটপট। টেবিলে সব তৈরী করে রেখে মাহফুজকে ডাক দিলাম। মাহফুজ এর মধ্যে বাইরের কাপড় পাল্টে নিয়েছে। জানিনা কেন, আজ হঠাৎ মাহফুজকে দেখে মনে হচ্ছিলো অনেকদিন আমি ওকে তেমন করে খেয়াল করিনি, বড্ড ক্লান্ত দেখাচ্ছিলো আজ ওকে।

ঘুরে ফিরে নিশীথ সূর্যের দেশে... ৪ ( একটুকরা জার্মানী)

ছবি: নরওয়েতে শেষ রাত
last
আমাদের তিন সপ্তাহের অসলো যাত্রার শেষকাল চলছে, পরেরদিন ভোরবেলা অসলো থেকে রওয়ানা দিব... রাতে আমার হঠাত করে মনে পড়লো আমি রাজ্যের মানুষকে লাফালাফি করে জানিয়েছি জার্মানীতে আসছি...এবং শেষ মুহুর্তে আমার যা স্বভাব... কারো সাথে যোগাযোগ করি নাই । শেষে মৌসুমরে বললাম কিছু করতে... সে ভাস্করদারে ফোন দিলো... ভাস্করদা আবার কেমনে কেমনে জানি চোরদা'র (উনি চোর নামে সামুতে লিখতেন এককালে, উনার সত্যিকারের নামটা বেমালুম ভুলে গেসি) সাথে যোগাযোগ করে ফেললো.... শেষমেষ জানা গেলো সাত-সকালে আমাদেরকে রিসিভ করতে ফ্র্যাংকফুর্ট এয়ারপোর্টে কেউ একজন থাকবেন ( কে সেই অভাগা ব্যক্তি তখনো জানিনা।) কেমন জানি লজ্জা করছিলো...কাকে না কাকে জ্বালাচ্ছি কে জানে।