মানুষ'এর ব্লগ
একখানা পলিটিকাল কোবতে
লিডার আমায় শিক্ষা দিল
ক্যাডার হতে ভাইরে
বোমাবাজির মন্ত্র আমি
নেতার কাছে পাইরে
মান্ত্রী শিখায় তাহার সমান-
ক্ষমতা নাই; করতে প্রমান
হাটের মাঠের দখলদারি
পুরোটা তাই চাইরে
গড ফাদারে মন্ত্রণা দেন
তাহার তেজে জ্বলতে
চাঁদে চাঁদে হেসে হেসে
চাঁদার কথা বলতে
ইঙ্গিতে তার করি মার্ডার
প্রয়োজনে ক্রস দা বর্ডার
ইন্ডিয়াতে পিন্ডিখানা
চটকে ফিরি ভোটতে
দেশের নেতা, দশের নেতা
আমি তাদের ছাত্র
বিষাক্ত মানুষের মৃত্যুতে মোদের দু-ফোঁটা অশ্রুপাত
আমার ক্রমশ বাবা হয়ে ওঠা
মানুষ হিসাবে আমি স্বার্থপর। নিজের জন্ম তারিখটা ছাড়া অন্য কারো জন্মদিনের কথা মনে রাখি না। মনে না রাখাটাকে স্মৃতির দুর্বলতা হিসাবে চালাইয়া দিই। আসল কথা মনে রাখতে চাই না। মনে রাখতে না চাওয়াটা এখন এমন অভ্যসে পরিনত হইছে যে আজকাল চাইলেও মনে রাখতে পারি না। এইসব মা, বাবা, ভালবাসার দিন পাশ কাটাইয়া চইলা যায় তবু ছুঁইয়া যায় না। বাবা দিবসটাও পাশ কাটাইয়া চইলা গেছে অথচ বাবারে নিয়া কিছু লেখা হইল না। বড়ই অকৃতজ্
বদনগ্রন্থ ইস্যু - একটি ব্যক্তিগত ক্ষমা প্রার্থনা
পয়লা খুব রাগ হইতেছিল। পাকি'রা যখন বদনগ্রন্থ ব্যান কইরা দিল, খুব এক চোট হাসি দিছিলাম। কিন্তু আমার মুখের হাসি মুখ হইতে মিলাইয়া যাবার আগেই দেখি আমার নিজের দেশের বুদ্ধিমান সরকারও একই কাম করছে। বেজায় অপমান বোধ হইতেছিল। শেখ হাসিনার বাপ শেখ মুজিব না হইলে হয়ত উনার চৌদ্দ গুষ্টি নিয়া গালাগালিও দিতাম, খালি শেখ মুজিবের জন্য পুরা বংশ রক্ষা পাইল। আহা কত রঙীন রঙীন বালিকার কত রাঙানো ফটুক, কত রঞ্জিত বাক্যালাপ সব ব
আরও একটি প্রেমের কবিতা
তাই নিঃশ্বাসের সাথে নিকোটিন মিশিয়ে
সে যখন প্রকৃতিতে দুষন ডেকে আনলো
তখনও নিশ্চুপ ছিলাম।
আমি নিরবতায় অভ্যস্ত।
এই যে এক খন্ড কাপড় দেখছো লাল সবুজের
সেখানে আমার হৃদয় মিশিয়ে রাখিনি।
এই যে স্মৃতির মিনারে সহস্র ফুলের বর্ষা দেখছো
সেখানে আমি বৃষ্টি ঝরাইনি।
মন আমার প্রেয়সির আঁচলে বাঁধা
আর তাই সাড়ে সাত হাজার বর্গমাইল
বুটের আঘাতে বিক্ষত হলে
আমি বিদ্রোহী হয়ে উঠিনি।
আবজাব
তাকে ভালবাসতে আমার কোন দিবস লাগে না
আরও একটা দিবস চলে গেল। বিশেষ দিবস। মা দিবস। ফেসবুকের পাতায় পাতায় মা'কে শুভেচ্ছা জানিয়ে হাজার হাজার স্ট্যাটাস ম্যাসেজ সবার, পেপার-পত্রিকায় বিশেষ সম্পাদকীয়, রেডিও-টিভিতে এটা সেটা অনুষ্ঠান, কর্পোরেটদের চোখে পানি নিয়ে আসা সব বিজ্ঞাপনের সাথে কম খরচে কিভাবে জননীর মুখে হাসি ফোটান যায় সেই টিপস। সবই চোখে পড়ল। মা দিবস শেষ হয়ে গেল, এবার এইসব স্ট্যাটাস ম্যাসেজ মুছে যাবে। সম্পাদকগণ তাঁদের মোটা কাঁচের চশমা
সর্বসত্ব সংরক্ষিত
পুরনো বাক্স ঘাঁটাঘাঁটি যদি করো, এখনও আচমকা
দু-একটা নীল খাম বেরিয়ে পড়তে পারে।
গোটা গোটা অক্ষরে ভুল বানানের ভালবাসা
রাখা না রাখার দ্বন্দ্ব।
অব্যবহৃত হলদে পাতার বইয়ের ভাঁজে এক আধটা
মৃত রুক্ষ গোলপের অবাঞ্ছিত উপস্থিতি কিছু বিচিত্র নয়;
বহু আগের ছুঁড়ে ফেলা অসমাপ্ত কাজের ইতি।
দু-একটা ফেলনা উপহার, যা না রাখলেও চলে।
চলে যেতে পারে জঞ্জালের বাক্সে
শতেক কবিতার শবযাত্রা।
নাহ,
শীতঘুম
শুনেছি তুমি নাকি এখনো অপেক্ষায় থাক?
পৌষ-ফাগুনের পালা আসে ঘুরে ফিরে।
কার্তিকের নবান্ন ফুরিয়ে গেলেও,
ঘাস-ফড়িঙের রঙিন ডানায়, এইসব বখাটে রাতে
শুনেছি এখনো নাকি স্বপ্ন সেলাই করো।
এখানে সকলে শীতঘুমে।
মধ্যবয়েসী মনে জমেছে মেদ।
না জেগে বাঁচার আচ্ছন্নতায়
এক জীবন পেরুবে তারা।
শুনেছি তুমি ঘুমুতে পারোনি।
এইসব পালাগান ফুরিয়েছে,
কবিয়াল নিয়েছে বিদায়,
ডানা ভাঙা ঘাসফড়িং চিত হয়ে মরে আছে ঘাসে,
স্মৃতি বড় উচ্ছৃঙ্খল - পূর্ণেন্দু পত্রী
পুরনো পকেট থেকে উঠে এল কবেকার শুকনো গোলাপ |
কবেকার ? কার দেওয়া ? কোন্ মাসে ? বসন্তে না শীতে ?
গোলাপের মৃতদেহে তার পাঠযোগ্য স্মৃতিচিহ্ন নেই |
স্মৃতি কি আমারও আছে ? স্মৃতি কি গুছিয়ে রাখা আছে
বইয়ের তাকের মত, লং প্লেইং রেকর্ড-ক্যাসেটে
যে-রকম সুসংবদ্ধ নথীভুক্ত থাকে গান, আলাপচারীতা ?
আমার স্মৃতিরা বড় উচ্ছৃঙ্খল, দমকা হাওয়া যেন
লুকোচুরি, ভাঙাভাঙি, ওলোটপালটে মহাখুশি
ভাষা হোক উন্মুক্ত
র্যাব (একটি পাইরেটেড ছোট গল্প)
আমি র্যাবের কর্মকর্তা। আমার ওষ্ঠ্যে একটিমাত্রই ডায়লগ ছিল- ধর তক্তা মার পেরেক। ইতিপূর্বে আমি টেলিভিশনে একান্নবর্তী নাটাকখানা অবলোকন করিতাম। কিন্তু আমার স্ত্রী গুলশান এভিনিউ নাটকখানা অত্যাধিক ভালবাসে বিধায় এখন আমার আর উহা অবলোকন করা হয় না। র্যাবের কর্মকর্তা হইলেও শ্বশুরালয়ের আশ্রয়ে থাকিয়া স্ত্রীর সহিত কলহ করিবার দুঃসাহস আমার নাই।