Best Drupal HostingBest Joomla HostingBest Wordpress Hosting

ইউজার লগইন

ভেতর-বাহির (অষ্টম পর্ব)

একুশে গ্রন্থমেলা , আমার প্রাণের মেলা। অথচ কত বিরহ, শেষ দিন দেখা হলো না তারে চোখ মেলে। এসবই আমার বিবাহ জনিত ব্যস্ততার ফল।

ভেতর-বাহির (সপ্তম পর্ব)

ভেতর-বাহির (ষষ্ঠ পর্ব)

ভেতর-বাহির (ষষ্ঠ পর্ব)

ব্যতিক্রম । উপলব্ধিটা এক শব্দে তেমনই। ইতি আর নেতি দ্বয় কে ঠিক এই মুহূর্তে আগমন করার কোন তাড়া দেবোনা। আসলে যে লেখে সে অবশ্যই ভাবুক আর ভাবুক এর মনে পরিবর্তনের একটা পিয়াস থাকেই।

একটা গল্প.....(ভালবাসা দিবসে পোষ্টনোই যুক্তিযুক্ত)।

কথাসঙ্গীর বিহনে
মামুন ম. আজিজ

এমন যে হবে কখনও কি ভাবতে পেরেছে তরুন।
বালিশের পাশ থেকে মোবাইলটা হাতে নিয়ে দেখল রাত তিনটে। দুই ঘন্টা ধরে তীব্র যন্ত্রনা সহ্য করে শুয়ে আছে। এটা দ্বিতীয় প্রচেষ্টা। এর আগে একবার চেষ্টা করে বিফল হয়েছে ঘুমানোর।

ভেতর-বাহির (পঞ্চম পর্ব)

ঐ দেখুন --ডানে --সবচেয়ে জনপ্রিয় পোষ্টের নাম -'এলাম'

জনপ্রিয় লেখার যে ঘরটি প্রথম পাতার ডানে দেখা যাচ্ছে , তাহা কি অপরিবর্তন যোগ্য!

'প্রতীতি'---আমার উপন্যাস। ২০১০ এর বইমেলায় যার আগমন।

প্রতিনিয়ত নতুন নতুন প্রতীতি প্রাণে, মনে, মননে কিংবা বিবেকের ভেতর ধারন, সংযোজন, পরিবর্তন কিংবা পরিমার্জন করার নাম বলা যেতে পারে জীবন। ঠিক এই মুহূর্তে জীবন সম্পর্কে আমার প্রতীতি অর্থাৎ উপলব্ধি ঠিক ঐ রকম। সবুজ কচু পাতার উপর এক ফোঁটা পানির অবস্থানকে আর্টে কিংবা ফটোগ্রাফিতে ধারন করে খ

ভেতর-বাহির (চতুর্থ পর্ব)

ভেতরে যখন সূর্য আমার অস্ত হতে হতে কাঁদে
বাহিরে হয়তো সূর্য তখন ধৃত উদয় বিরহ ফাঁদে......
(পথিক)

উপরের লাইনদুটো কি প্রেক্ষিতে কেনো হঠাৎ এই মুহূর্তে লিখে ফেললাম, কেউ সেটা নিয়ে ভাববেন না বলেই ভাবছি। কারন ওটা অকারণ। হয়তো ভবিষ্যতে প্রযোজ্য হলেও হতে পারে।
এই এখন যে বাক্যটি লিখব সেটা আবার না জানি নারী কূলের বিরাহভাজন হয়ে পড়ে কিনা?

ভেতর-বাহির (তৃতীয় পর্ব)

ভেতর-বাহির ( দ্বিতীয় পর্ব)

( যান জট, বইমেলা গম এবং ব্লগ দিবস বিষয়ক ...)
গতকাল কালের কণ্ঠ পত্রিকার একটা কার্টুন বেশ মন কেড়েছিল। একজন লোক তার একমাত্র বসবাসের বাসাটি ভাড়া দেয়া হবে বলে টু লেট নোটিশ ঝুলিয়েছেন । তারপর এক জনের প্রশ্নের উত্তরে কারন দর্শালেণ, আরে ভাই যে জ্যাম, সারাসময়তো রাস্তাতেই কাটাতে হয়, তাই বাসা ভাড়া দিয়েই বরং কিছু বাড়তি ইনকাম...ঠিক ভাষাটা এরম না হলেও ভাবটা ওমনই ছিল।

ভেতর-বাহির (প্রথম পর্ব)

অনেকদনি পর রাতে ভালো ঘুম হয়েছে। দুপায়ের মাংসপেশীতে টনটনে ব্যাথা, ঘুম তো আসবেই। টানা তিন ঘন্টা ঠাঁয় দাঁড়িয়ে ছিলাম। না মাঝে মাগরিবের নামাযের বিরতির সময় পুলিশ ভাইদের সাথে একটু মেঝেতে বসেছিলাম, মাত্র ৫ মিনিট। ঐ এসএগেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মুফতে একটা টিকিট পেয়ে ঢুকে পড়েছিলাম।

প্লাসে মাইনাসে প্লাস!

আজন্ম সুখি মেয়েটা আমাকে ফোন দিয়েছিল অনেকদিন পরে। ঠিক ফোন না মিসকল দিয়েছিল, কারন সে জানত আমি হয়তো কল দেবো। তার নামটাও সত্যি সুখিরই প্রতিশব্দ - হ্যাপি।

ফোনে প্রথম কথাই ছিল, এসব দুঃখের কথা কেনো লিখেছেন, সুখের কথা লিখতে পারেন না।
আমি একটু উচ্ছ্বাস নিয়ে বললাম, তার মানে বইটা পেয়েছো।
সেতো পাবই, আপনার বই আমি জোগার করবনা তা কি হয়। কিন্তু এত নেগেটিভ কথা লিখেছেন কেনো?

ভেতর-বাহির ( শূণ্য পর্ব)

রোজ যা ভাবি মনে
বলব ক্ষণে ক্ষণে
রোজ যা আমি দেখি
যায় না বলা সবই
ভেতর-বাহির প্রতীত যত
বলব যে তাই আমার মত...

অসম্পূর্ণ ঘুম, অসম্পূর্ণ কবিতা

গত রাতে ঘুমটা খুব বেয়াড়া হয়ে উঠেছিল, তোমার চেয়েও বেশী,
তুমি যে আসনবে না, সে তো জানা তথ্য।
অথচ ঘুম তো আসে , প্রায়ই আসে , তবুও এলোনা গত রাতে...
তোমার সাথে কোন গোপন আতাতের নিকোষ আভাস,
অথবা তোমার প্রেমে সেও পড়েছে আমার মত আর
দূর থেকে দূরে দৌড়ে গিয়ে ভর করেছে তোমার ঐ মায়ার চোখে।
ঘুম গেলো , রাত গেলো, প্রেম গেলো, গেলো শান্তির মিথ্যে বান
তবুও তো কিছু আছে , সে আমার কবিতার প্রাণ ...