ইউজার লগইন

মীর'এর ব্লগ

একটি সুদীর্ঘ প্রায় বাস্তব-আর-কল্পনার-দুরত্বের-সমান দিনলিপি

মাঝে মাঝে এমন হয়। সকাল-বিকাল-সন্ধ্যা শুধু লিখতে ইচ্ছা করে। অবশ্য বন্ধু-বান্ধবদের এতে ঘাবড়ানোর কোনো কারণ নেই। কেননা আমার ধারণা, আমি পৃথিবীর সবচে' আকর্ষণীয় বিষয়টির ওপরেও খুব বেশি হলে দিন দু'য়েক আকর্ষণ ধরে রাখতে পারবো। তারপরে সেটা আমার আর ভালো লাগবে না। তাই এই লিখার ইচ্ছার যন্ত্রণা থেকে হয়তো গোটা দু'য়েক অপ্রয়োজনীয় পোস্ট পয়দা হবে। তারপরে আবারো নিজের আঠালো, অন্ধকার জীবনটাতে ফিরে যাবো বলে আশা রাখি।

এই লেখার কোনো বিষয়বস্তু নেই। সারাদিন কি করে কাটালাম লিখতে ইচ্ছে হচ্ছে। ঘুম থেকে উঠেছিলাম পৌনে একটায়। ঘুমুতে গিয়েছিলাম সকাল সাতটায়। সারারাতে কোনো মুভি দেখি নি। গল্পের বই পড়ি নি বা কোনো কাজ করি নি। অকারণ জেগে ছিলাম। জানি না কেন। শরীরে আমেরিকান সৈন্যদের মতো অনুভূতি কাজ করছিলো। মনে হচ্ছিলো দিনের পর দিন না ঘুমিয়ে আমি পাহারা দিতে পারি আমার ভূগর্ভস্থ বাঙ্কার। যেখানে একটি সামাজিক গেকো আমায় আশ্রয় দিয়েছে পরম বন্ধুর মতো করে।

ববি রায়ের সাথে চলে যেও না- অঞ্জন দত্ত

অঞ্জনের ব্যপারে আমার ভেতরে ভালোলাগা কাজ করে অনেকানেক আগে থেকে। কেন কাজ করে, সেটা জানি না। তোমার জঙলাপাড়ের ঢাকেশ্বরী শাড়ি (মালা) গানটা কত-কতবার শুনেছি? ঠিক নেই। অনেক সময় গানটা চালাই শুধু অনেকদিন পরে অঞ্জনের গলা শোনার জন্যই। এখনো মাঝে মাঝে হাইকোর্ট মাজারের রাস্তা দিয়ে ফেরার সময়, কদম ফোয়ারার জলের ছিটে মুখে-চোখে মাখার সময় গুনগুন করে গেয়ে উঠি- ২৪৪১১৩৯...হ্যালো তুমি শুনতে পাচ্ছো কি?

অসমাপ্ত ঝিকিমিকি গল্প

সেবার আমাদের ডিপার্টমেন্ট থেকে ছেলেমেয়েদের জন্য ইন্টার্নশীপ অফার করা হয়েছিলো। প্রতিবছর এ অফার করা হয় না। ডানিডা নামের একটা প্রতিষ্ঠান আছে। শুধু ওরা যখন টাকা দেয়, তখন ছেলেমেয়েরা সুযোগটা পায়। আমাকে বলা হলো, ক্লাসের ফার্স্টবয় সজলের সঙ্গে ডেনমার্কে গিয়ে ইন্টার্নী করতে হবে। ভালো লাগলো। এই সুযোগে বিমানভ্রমণ হবে। কিছুদিন পোড়ামন নিয়ে পোড়া শহরে ঘুর ঘুর করতে হবে না এবং একই ছকে বাঁধা জীবনটাকে রিপিট করতে হবে না। অনিশ্চয়তা আর উত্তেজনা নিয়ে আমরা দু'জন ভাইকিংদের রাজ্যে পদার্পণ করার জন্য অপেক্ষা শুরু করলাম। ভিসা পেতে জটিলতা পোহাতে হলো না। ডানিডা'র সব বন্দোবস্ত যারপরনাই ভালো ছিলো।

আশায় আছি, ভালোবাসায়, দুরাশায়, অস্থিরতায় আর দুঃসময়ে; সবসময় তোমার পাশেই আছি

আজকে মনটা দারুণ ভালো! একজন আমাকে বলেছে, আমি নাকি খুব জোরে সাইকেল চালাই কিন্তু আমার কন্ট্রোল ভালো। এইটা শোনার পর থেকে মন ভালো।

বন্ধুবান্ধবের বিষয়টাই আসলে এমন। ছোট-খাটো কথা বা কাজের মধ্য দিয়ে কখন যে তারা মনের অনেক গভীরে ঢুকে নাড়া দিয়ে আসে, টেরই পাওয়া যায় না।

তবে এটা সবসময় ইতিবাচক ভাবেই ঘটে, তা কিন্তু না। অনেক সময় নিজের অজান্তে আমরা বন্ধুকে অনেক বেশি কষ্ট দিয়ে ফেলি। তাই সময় পেলেই ভাবুন, আজ-কাল বা পরশু যদি সে এসে দাঁড়ায়… (কথার মধ্যে গানে ঢুকে পড়লাম! ধুত্তোরি। বলতে চাচ্ছিলাম, ভাবুন রিসেন্টলি না বুঝে কাউকে কষ্ট দিয়েছেন কিনা। মন দিয়ে ভাবলে ঠিকই বুঝতে পারবেন। আর বুঝতে পারলে ঘটিয়ে দিতে পারবেন পৃথিবীর সবচে' সুন্দর ঘটনাটি। সেটা কি জানেন না? সেটা হচ্ছে বন্ধুত্ব ভাঙার মতো একটা বিষয়কে ঠেকিয়ে দেয়া। বলেন এটা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম ঘটনা না?)

সেই অস্থির সময়ের কাব্য

১.
এই তোমারি জন্য অনায়াসে আমি হিমালয় ডিঙাবো। আমি কি হিমালয় ডিঙাতে পারবো? আমার তো হিল ট্র্যাকিংয়ের অভিজ্ঞতা নেই। থাকলে কোনো চিন্তা না করেই বলতাম, পারবো। কারণ আমার সাহসের কোনো অভাব নেই। শুনেছি হিমালয় ডিঙাতে নাকি অনেক সাহস লাগে।

এক স্মৃতিকাতর গোধূলিবেলায় মনে পড়া কিছু খুব অপ্রয়োজনীয় কথা

একেকজনের পুরো জীবনটাই হতে পারে- একটা ভুলে ভরা জীবন। আমাদের কোন কাজটি যে আমাদের জন্য সঠিক আর কোনটি বেঠিক, সেটা কোনোকিছু দিয়েই নির্ধারণ করা যায় না। আমরা অনেক চেষ্টা করি নানাভাবে আগামী দিনের পূর্বাভাস পাবার, কিন্তু তাতে খুব বেশি লাভ হয় না। একেবারে যে হয় না, তা না। সততা, পরিশ্রম ইত্যাদির আবেদন চিরন্তন। তবে এই জিনিসগুলো জীবনের বিশাল ভবিষ্যতের খুব কম অংশকেই নিয়ন্ত্রণ করে। জীবনের বড় অংশটা নিয়ন্ত্রণ করতে হয় যাপনকারীকেই। স্বহস্তে, নিজের জন্য নির্ধারিত চালকের আসনটিতে বসে।

শুধু একাকীত্বটুকু যেন সে কেড়ে না নেয়

ভয়াবহ শীত লাগছে। ভরাগ্রীষ্মে এমন মাঘের শীত কোথা থেকে এলো বুঝতে পারছি না। মনটা জমে আছে একদম বরফের মতো। আর মাঝে মাঝে হু হু করে ঠান্ডা বাতাস বয়ে যাচ্ছে। যেন একটা শীতল অভ্যন্তর ধারণ করে আছি শরীরের ভেতর।

সন্ধ্যারাতে কালবোশেখী হয়েছিলো। সঙ্গে ঝুম বৃষ্টি। বৃষ্টির সঙ্গে অনেক জড়াজড়ি করেও আজ মন ভরে নি। মনে হচ্ছিলো এই বৃষ্টিটা সারারাত ধরে ঝরুক। আমি সারারাত বৃষ্টির মধ্যে রাস্তায় রাস্তায় হাঁটবো। ঢাকা শহরের ফুটপাথগুলোতে মানুষের ঘরবাড়ি না থাকলে হাঁটতে অনেক আরাম। এখন বৃষ্টির দিন বলে ফুটপাথের ঘরগুলো খুব একটা চোখে পড়ে না। আচ্ছা, ফুটপাথের বাসিন্দারা এখন কই গিয়ে থাকে? বৃষ্টির সময় কি তাদের মাথার উপর থাকে একটুকরো ছাদ?

নিরর্থক আলোচনা পোস্ট

হুমায়ুন আজাদ স্যারের দুইটা প্রবচন আছে-

"টেলিভিশনে জাহাজমার্কা আলকাতরার বিজ্ঞাপনটি আকর্ষনীয়, তাৎপর্যপূর্ণ; তবে অসম্পূর্ণ। বিজ্ঞাপনটিতে জালে, জাহাজে, টিনের চালে আলকাতরা লাগানোর উপকারিতার কথা বলা হয়; কিন্তু বলা উচিত ছিলো যে জাহাজমার্কা আলকাতরা লাগানোর উৎকৃষ্টতম স্থান হচ্ছে টেলিভিশনের পর্দা, বিশেষ করে যখন বাঙলাদেশ টেলিভিশনের অনুষ্ঠান দেখা যায়।"

এবং

"বাঞ্ছিতদের সাথে সময় কাটাতে চাইলে বই খুলুন,
অবাঞ্ছিতদের সাথে সময় কাটাতে চাইলে টেলিভিশন খুলুন।"

যেসব রাতে আমার ঘুম আসে না

যেসব রাতে আমার ঘুম আসে না, সেসব রাতে আমি তোমায় নিয়ে ভাবি।
আমাদের প্রিয় ক্যম্পাসে চলে যাই, আমাদের সিঁড়িঘর
আমাদের বারান্দা, আমাদের করিডর।

যেসব রাতে আমার ঘুম আসে না, সেসব রাতে মনে পড়ে যায় কলাভবনের
ছাদের কথা। আমাদের প্রিয় ছাদটা আর নেই, কলাভবন
ছয়তলা হয়ে গেছে; তুমি কেমন আছো মন?

যেসব রাতে আমার ঘুম আসে না, সেসব রাতে আমার সুইসের পঁচিশ টাকা দামী
বার্গার আর গাউসুল আজমের সমমূল্যের জাটকা ভাজা'র মতো দুই
বিপরীত মেরুর জিনিসের কথাও মনে পড়ে।

আরো অসংখ্য কথা শুধু মনে পড়ে, পড়তেই থাকে
সবখানে শুধু তুমি আর আমি,
একটা সময় আমার একটা জীবন ছিলো খুব দামী;

তখন একেকটা সকাল আমাদের দু'জনকে কাছে নিয়ে আসতো
একেকটা দুপুর আমাদের দু'জনকে ভালোবাসা-বাসির সুযোগ করে দিতো
বিকেল আমাদের দু'জনকে বিলের জলে ভেসে বেড়াবার সুখ দিতো
একেকটা সন্ধ্যা আমাদের আকাশে কালো কালো মেঘ ডেকে আনতো

পুরুষ জীবন

জটিল জীবনের আবর্তে চলো
একটু ঘুরপাক খাই,
কিছু নতুন ধাঁধাঁকে সুযোগ দাও
জেরবার করবার,
কিছু কুটিলতা আর কিছু পরিস্থিতির শিকার হও, ধরা খাও,
হাত কামড়াও আরেকবার।

পার্কে, রাস্তার টংয়ে বা চেনা কোনো ক্যান্টিনে গিয়ে তারপর
কেনো চা-সিগারেট, খোঁজো কোণা;
বসো কিন্তু পাশে কাউকে কাউকে বসতে দিও না
ভাবনায় ভেসে যাও।

তুমি পুরোনো স্মৃতি হাতড়াও,
খুঁজে বের কোরো
আজকের শত্রুর আয়না;
তার জন্য কবে কি করেছিলে, ভাবো;
কারণ খারাপ সময়ের প্রধান ঔষধের নাম ভাবনা।

চায়ের পাত্র নিঃশেষ এবং সিগারেট পুড়ে ছাই হলে পর
তুমি বোধহয় পেয়ে যাবে
সমুদ্রের কালো তলদেশের ঠিকানা।
নিজেকে নিজেই তুলে নাও নিজের কাঁধে
বলো,
‘বাহ্ এই বেশ ভালো আছি, ঠিক কিনা?’

তারপর আবারো প্রতারিত হবার উদ্দেশ্যে
সবকিছু প্রথম থেকে শুরু কোরো
কেউ মানা করবে না।
তবে এইবার জেনে রেখো- এ চক্র তোমায় আবারো পূরণ করতে হবে।

উপন্যাস : অচল পয়সার জবানবন্দি (৭)

এদের কোনো আন্ডারগ্রাউন্ড পার্কিং জোন নাই। রাস্তার পাশেই সুন্দর ফুলের বাগানের মতো জায়গা। কিন্তু সেখানে কোনো ফুলগাছ নাই। অনেক সাইকেল পার্ক করে রাখা। সেদিকে এগুতেই সাইডওয়াকের ওপর দেখা হয়ে গেলো প্রিয়দর্শিনীর সঙ্গে। ফুটফুটে একটা শিশুকে নিয়ে রাতে হাঁটতে বের হয়েছে। ওকে দেখতে আকাশ থেকে নেমে আসা পরীদের মতো লাগছিলো।

কবিতা: তোমাকে জানাতে চাই

কোনো বৃষ্টি ছাড়াই শুভ্র আকাশের শাদায় সেদিন
রঙধনু ছড়িয়েছিলো সাতটি সুন্দর রঙ
তার সবগুলো ধরে নিয়ে তুমি হয়েছিলে অনন্যা,
তোমায় যত যাই বলি- জেনে রেখো তাতে
কোনোদিন পুরোপুরিভাবে তোমাকে ফুটিয়ে তোলা যায় না।

সেই অক্ষমতা মেনে নিয়েই মাঝে মাঝে মহানগরীর অলি-গলি থেকে
তোমায় খুঁজে বের করে জানতে চাই, কেমন আছো সুন্দরী?
সে তো কেবল তোমার সঙ্গে কিছুদিন কথা না হলে
অনেক অ-নে-ক বেশি
মিস্ করি,
তাই।

তাই তোমাকে আমি জানাতে চাই,
তোমার ভালো থাকাটা অনেক বেশি জরুরি
কারণ তার সঙ্গে জড়িয়ে আছে
আমার একটা লক্কর-ঝক্কর গরুর গাড়ি।
---

বাংলাসিংহের রত্ন-প্যাক এবং ব্যংকক ডেঞ্জারাস

বৃহস্পতিবার বসুন্ধরা সিটি পিং পিং প্লেক্স থেকে একটা বাংলাসিংহ 'রত্ন-প্যাক' মডেম কিনেছিলাম। আনার পরদিনই সেটা ফিরিয়ে দিয়ে আসতে হয়েছে।

ইয়াক! কি বিশ্রী মার্কেটিং পলিসি! জিনিসটা বিক্রির সময় বলে নাই- ওদের কোথায় নেটওয়ার্ক আছে আর কোথায় নাই। পই পই করে জানতে চেয়েছিলাম, আমি যেখানে থাকি সেখানে আপনাদের নেটওয়ার্ক আছে তো?

-হ্যাঁ স্যার কি যে বলেন না! ঢাকার কোথাও আমাদের কোনো সমস্যা নাই।

বাসায় এসে দেখি সিআইএনআর পায় মাইনাস ৫ থেকে সর্বোচ্চ ২ পর্যন্ত। কাস্টমার কেয়ারে ফোন করলাম। তখন আর আসল কথা বলে না, খালি প্যচায়। বলে, দুই-তিনদিন দেখেন স্যার, যদি নেট না পান। ফিরিয়ে দেবেন। আমাদের পলিসি আছে। পুরো টাকা রিফান্ড করা হবে।

পলিসি-পলিসি শুনে কান ঝালাপালা হয়ে গেলো। আরে ভাই, আমি তো পলিসি কভারেজ পাওয়ার জন্য জিনিসটা কিনি নাই। কিনছি সার্ভিসের জন্য। সার্ভিস দিতে না পারলে প্রোডাক্ট সেল করছেন ক্যান?

যাও পাখি বলো তারে গানটা শুধু ঘুরপাক খাচ্ছিলো সেই সন্ধ্যায়

অফিস শেষ করে বের হওয়ার সময় ঘড়িতে দেখলাম সোয়া নয়টা বাজে। মনে মনে হিসেব করে দেখলাম, বাসায় ঢুকতে ঢুকতে সোয়া দশটা থেকে সাড়ে দশটা বাজবে। ভাটারা ইউনিয়ন টু শহীদবাগ। ফার ওয়ে টু গো। শহরটা এত লম্বা! মাঝে মাঝে আশ্চর্য লাগে আমার।

কৈশোরের ছোট্ট শহরটার কথা মনে পড়ে গেল। তার কেন্দ্র থেকে যেদিকেই যাই, বড়জোর পাঁচ কিলো পর্যন্ত যাওয়া সম্ভব। এরপরে গ্রাম। মেঠোপথ। জমির আইল। ইউক্যালিপটাস। সবুজ ঘাস। দূরে ছোপ ছোপ ঘন গাছপালা ঘেরা গেরস্থ-বাড়ি। মেঠোপথে দাঁড়িয়ে সেদিকে তাকালে মনে হয় এক টুকরো সবুজ বনভূমি বুঝি তাকিয়ে আছে। তার চোখের দৃষ্টিতে গভীর মায়ার পরশ। উপস্থিতিতে শীতল প্রাণজুড়ানো হাতছানি। সে ছিলো এক অন্যরকম পরিবেশ। ঢাকায় এমনটা নেই। অথচ সেই স্নিগ্ধ শহরকে পেছনে ফেলে চলে এসেছি মহানগরীতে। ভালবাসা সম্পর্কে কিছুই জানে না, কেবল স্বার্থপরের মতো জীবন চুষে খেতে জানে- এমন এক প্রেমিকার উদ্দেশ্যে সঁপেছি দেহ-প্রাণ।

আবোলতাবোল এবং ভীষণ হ-য-ব-র-ল

ভাটারা ইউনিয়ন ঢাকা থেকে খুব বেশি দূরের কোনো জায়গা না। ১৫-২০ কিলো হবে বড়জোর। আমার যাওয়া-আসা করতে ভালোই লাগে। জ্যামধূলিময় প্রেমিকার বুকে আমি চুলে আঙুল দিয়ে বিলি কাটার মতো করে ঘুরে বেড়াই। কি হবে একটা জীবন যাপন করে? প্রতিদিন সকালে সংশয়টা আমার মনের ভেতর সরকারী কর্মচারীদের মতো একটা টিফিন ক্যারিয়ার হাতে এসে চেয়ার-টেবিল পরিস্কার করে নিয়ে বসে। তারপর আমি গ্যারেজে গিয়ে চোক টেনে ধরে প্রিয় কপ্টারে কিক দিই। মিনিট দু'য়েক চোকটা টেনে ধরে থাকি। কপ্টারের এঞ্জিন গরম হয়। মেলমিনকে নিয়ে গেছে বাড়িতে। তারপর থেকে নতুন সঙ্গী হয়েছে সে আমার।