ইউজার লগইন

মীর'এর ব্লগ

একটা দুঃখের কথা

সেদিন গৌতমদা' একটা পোস্টে লিখেছিলেন, রাত্রে বউএর সঙ্গে টাংকি মারার কথা। আমি ছোট মানুষ। বিষয়টা এক চান্সে ধরতে পারি নাই। তাই সরলমনে তার কাছে জানতে চাইলাম, ভাই নিজের বউএর সঙ্গে কিভাবে টাংকি মারে? তিনি প্রত্যাশিত উত্তর দিলেন- পুলাপান এগুলি বুঝবো না।

বুঝায়ে দিলেন মাসুম ভাই। বউ ব্লগ পড়লে নাকি এমন কথা লেখা লাগে। নাইলে নাকি বিপদ। তো আমি গতকাল সকালে ১১ টা ২৯ মিনিটে সেইটা দেখে পোস্টটায় একটা কমেন্ট দিলাম- প্রথমে যে বিষয়টা বুঝতে পারি নাই, সেটা বুঝায় দেয়ার জন্য মাসুম ভাইকে ধন্যবাদ।

‘ভৃত্য হবার দায়, হায় এড়াই কিসে’

পৃথিবীর সবকিছু ক্রমে কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে উঠছে। আমরা যারা সাধারণ মানুষ, এক্কেবারে খাঁটি চাঁপাই'এর আম; তাদের জন্য। যারা সাধারণের স্তর থেকে উপরে উঠেছেন, তাদের জন্য আবার সবকিছু সহজ। সাবলীল ও মসৃণ।

বিষয়টা অনেকটা ব্যংকক-সিঙ্গাপুর-হংকং'এর ট্রাফিক ব্যবস্থার মতো। আমি নিজে এসব জায়গায় কখনো যাই নি। মানুষের মুখে শুনেছি। সেখানে অপেক্ষাকৃত কম যান চলাচলকারী রাস্তা দিয়ে চলতে হলে বেশি পয়সা গোনা লাগে। যাদের সে সামর্থ্য নেই, তারা যানজটে আটকে থাকে। আমাদেরও আজ সেই দশা।

উল্লিখিত জায়গাগুলো বাংলাদেশের চেয়ে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই উন্নত। তার মানে আমাদেরও জাতিগত উন্নতি ঘটছে। কারণ আমাদের গরীবরা প্রতিদিন আরো গরীব হচ্ছে। আর ধনীরা প্রতিদিন আরো ধনী। পয়সা নাই, ফাঁকে যাও। পয়সা আছে, আরাম নাও।

সময়গুলো দ্রুত পার হয়ে যাচ্ছে

ইদানীং সময়গুলো খুব দ্রুত পার হয়ে যাচ্ছে। এটা বোধহয় আমাদের সবারই হচ্ছে। সেদিন সাকিব আল হাসানকে দেখলাম, এ নিয়ে আক্ষেপ করতে। বিপিএল টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট সম্পর্কিত নিজের একটা লেখায়। সাকিবকে আমি পছন্দ করি ওর রেগুলার পার্ফর্মেন্স আর পজিটিভ অ্যটিটিউডের জন্য। আর প্রথম আলোতে ছাপা হওয়া ওর লেখাগুলো পড়ে পড়ে যেটা মনে হয়েছে, লেখালেখির কাজটাও বেশ পারে ছেলেটা। সব মিলিয়ে একজন অলরাউন্ডার যাকে বলে আরকি। আমার আরেকজন পছন্দের খেলোয়াড় হচ্ছে আশরাফুল। যদিও বেচারা এখন পর্যন্ত নিজের সেরা সময়টা খুঁজে পায় নি এবং নিজের সেরা খেলাটাও খেলতে পারে নি। তবু আমি আশায় আছি, একদিন সে ফর্মে ফিরবে এবং অনেকদিন পর্যন্ত একটানা স্বীয় ঝলকানিতে প্রকম্পিত করে রাখবে চারদিক। প্রসঙ্গত বলে রাখা ভালো, আমার অপছন্দের একজন খেলোয়াড় হচ্ছে তামিম ইকবাল। ছোকড়াকে ডেঁপো আর বেয়াদপ ধরনের মনে হয়েছে আমার। এ ধরনের ধারণা অবশ্য এমনি এমনি তৈরি হয় নি আমার ভে

উপন্যাস : অচল পয়সার জবানবন্দি (৬)

৬.

দ্রুত খান ভাইকে ধরে ফেললাম। আমাকে দেখে তিনিও বেশ অবাক! কি সমাচার জানতে চাইতেই, তিনি পাল্টা প্রশ্ন ছুড়লেন, কই যান আপনি? বললাম গুলশানের দিকে। একটা বিশেষ কাজে।

তার প্রশ্নের পিঠে কেবলই প্রশ্ন। কাজটা কি বিশেষ জরুরি?

আমার মনে হলো তিনি বোধহয় আমাকে দেখে খুশি হয়েছেন। কিন্তু কারণটা বুঝতে পারছিলাম না। যদিও ঢাকা শহরের স্বাভাবিক নাগরিক নিয়ম হচ্ছে, রাস্তায় পরিচিত কাউকে দেখে মুখটা একটু বাড়তি গম্ভীরতার আড়ালে ঢেকে ফেলা। নাহলে আবার বিকাশমান কর্পোরেট সংস্কৃতি এবং তারও আড়ালে বিকাশমান স্বার্থবাদী মনস্তত্বের চর্চাটুকু বজায় থাকে না। মানুষে মানুষে যে একসময় সুসম্পর্ক ছিলো, তারা যে একে অপরকে দেখলে খুশি হতো; এখনকার মানুষের মেলামেশা দেখলে কে সেই কথা সত্য বলে মানবে?

গল্প: একটা সাধারণ ছেলের গল্প

১.

মধ্যরাত আজকাল এত দ্রুত পার হয়ে যায় যে, পুরো রাতটাকেই কিঞ্চিৎ একটা সময়ের গণ্ডির মতো লাগে আমার কাছে। মানুষ বাস করে একটা দ্বিধার ভেতর। ভালো-খারাপের দ্বন্দ। এর কোনোটাই গ্রহণের ক্ষমতা তার নেই। খারাপ ও ভালো কোনোটাই ধারণ করতে পারে না সে। তাই যখন মানুষের ভালো সময় যায়, তখন সে শঙ্কিত থাকে। আবার যখন খারাপ সময় চলে, তখন তার মনের একটা অংশ সান্তনাস্বরূপ এই ভেবে খুশি হয় যে, মেঘ দেখে কেউ করিস নে ভয়, আড়ালে তার সূর্য হাসে। মানুষ শুধু সবসময় চায় একটা ভিন্ন কোনোকিছু। কিন্তু সেই ভিন্ন কোনোকিছুটা কি, সেটা সে জানে না।

চলমান থ্রেডের একটি বিচ্ছিন্ন অংশ- ১৭

হে দুর্ভাগ্যনাশিনী তোমার জন্য সাতটি রক্তিম গোলাপ রেখেছি
কিন্তু এর চাইতে বেশি কিছু রাখা সম্ভব হয় নি।

আমি জানি তুমি আমার উপহার পেতে খুব বেশি ভালোবাসো
তাই আমি তোমায় কোনো উপহার দিই না।

সম্ভবত এটাই তোমার সবচেয়ে বড় উপহার হয়ে উঠবে একদিন,

কেননা কাছে টেনে এনে আঘাত দেয়ার চেয়ে
দূরে ঠেলে রেখে গোলাপ দেয়া উত্তম।

---

উপন্যাস : অচল পয়সার জবানবন্দি (৫)

৫.

আসিফকে আগেই বিদায় দেয়া হয়েছে। তবে এই একটা বন্ধুকে আমার কখনোই ছাড়তে ইচ্ছে করে না। ও নিজেই মিরপুরে বোনের বাসায় হাজিরা দিতে চলে গেলো। আমি জানি রাত হতে হতে সে ফিরে আসবে। আমার ডেরা তার অপরিচিত নয়।

যুথীরা চলে যাবার পর ঠিক সন্ধ্যে নামার মুখে আমি আবারো একা হয়ে গেলাম। একটা বিষয় ভেবে আশ্চর্য লাগলো। কেন আজ কোথাও বেশিক্ষণ বসতে পারছি না?

আমি ভুলে যাই তুমি আমার নও

তোমার সঙ্গে নৌকায় চড়ে ঘুরতে ইচ্ছে করতেসে। আর ইচ্ছে করতেসে সর্ষে, মটরশুটি ও আলুক্ষেতের আইল ধরে ধরে হাঁটতে। তিনটা ফসল কি একই সময়ে ওঠে? জানি না। যদি না ওঠে তাহলে তো আমার ইচ্ছেটা অপূর্ণই থেকে যাবে আজীবন। তাও ই্চ্ছেটাকে ভালবাসি আমি। কারণ ইচ্ছেঘুড়ির পিঠে চড়ে যে তোমার একটু কাছ থেকে ঘুরে আসতে পারি কল্পনায়।

আমার একটা ছবির মতো সুন্দর গ্রাম আছে। সেখানে আছে শতফুটি একটা বড়ই গাছ। তাতে কষটা স্বাদের বড়ই ধরে। সেটা আমার দাদার কবরের পাশে জানো? ছোটবেলায় বাবা যখন তার বাবার কবর জিয়ারত করতেন, আমি তখন সেই বড়ই গাছের নিচে বড়ই কুড়াতাম। বড় হয়ে বাবার সঙ্গে আমিও দাঁড়িয়েছি কবর জিয়ারতে। আমাদের ওই বড়ই গাছ লাগোয়া কবরস্থানটায় বসন্তে কোকিলের ডাক শোনা যায় সারাদিন। এই বসন্তে একবার যদি তোমায় সেখানে নিয়ে যেতে পারতাম, আমার মনটা আনন্দে ভরে যেতো।

উপন্যাস : অচল পয়সার জবানবন্দি (৪)

৪.
গ্যারাজ থেকে বের হয়ে কিছুদূর যেতেই দেখা হয়ে গেলো পুরোনো শত্রু যুথীর সঙ্গে। এই মেয়েটি প্রিয়দর্শিনীর ক্লাসমেট ছিলো। ছিলো প্রতিবেশিও। আমাদের বন্ধুমহলে ওর যাতায়াত ছিলো। কিন্তু কোনো এক অমোঘ অজানা কারণে সে প্রিয়দর্শিনীকে সহ্য করতে পারতো না। সবসময় ওকে নিয়ে ক্লাসে টিপ্পনী কাটতো। এমনকি মাঝে মাঝে আমার সামনেও। বন্ধু মানুষ বলে ব্যপারটা নিয়ে খুব বেশি মাথা ঘামাতাম না আমরা। কিন্তু যুথী আমাদের নির্বিরোধী আচরণের সুযোগটা নিচ্ছিলো ভালোমতোই। একদিন বেশ বিরক্ত হয়েই মেয়েটিকে ধমকে দিলাম। বন্ধুচক্রে এহেন বিষাক্ত লোকজন থাকলে আসলে পুরো চক্রটাই গুবলেট হয়ে যায়।

একটা প্রিয় গানের কথা, লিখে রাখলাম অকারণেই

চন্দ্রবিন্দুর 'ভিনদেশি তারা'র চেয়ে বেশি প্রিয় আর কোনো গানকেই কখনো মনে হয় না। যখন মনটা খুব বেশি খারাপ হয়ে থাকে, কথা বলতে ইচ্ছে করে না কারো সঙ্গে, এমনকি নিজের সঙ্গেও; তখন মাঝে মাঝে গানটা প্লেলিস্টে ঢুকিয়ে 'রিপিট' অপশনটা চালু করে দিই। শুয়ে থাকি চুপচাপ। শেষ প্যারাটা অনেক সময় আমাকে খামচে ধরে। ভাবি, এই কথাগুলোর সঙ্গে আমার জীবনের এত মিল কেন? ভাবনাগুলো আমাকে সাজেস্ট করতে থাকে, জীবনটা এমনই। জোয়ার-ভাটাময়। এক সময় খেয়াল করি, নিজের সঙ্গে কথা বলতে পারছি। তারপর আস্তে আস্তে, আবার সবকিছু ঠিক হয়ে যায়। আমি ধীরে ধীরে উঠে আমার মুটে জীবনে ফিরে যাই। কোনো কারণে ব্যবস্থাটা যখন কাজ করে না, তখন কি করা যায় ভাবতে ভাবতে আজকের এই পোস্টটা লেখা হলো। সবাইকে শুভেচ্ছা।

আমার ভিনদেশি তারা
একা রাতেরই আকাশে
তুমি বাজালে একতারা
আমার চিলেকোঠার পাশে

ঠিক সন্ধ্যে নামার মুখে
তোমার নাম ধরে কেউ ডাকে
মুখ লুকিয়ে কার বুকে

অত্যন্ত লজ্জার সঙ্গে স্বীকার করছি কিছু করার নেই আমার

রাজধানীতে সাংবাদিক দম্পত্তি খুন হয়েছেন। খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। বাংলাদেশিদের আবার জীবনের মূল্য আছে নাকি? আমি নিজে যদি এরকম খুন হয়ে যেতাম তাহলে সেটা নিয়ে হয়তো কেউ মাথাই ঘামাতো না। ওরা দুই জন সাংবাদিক বলে কিছুটা বাড়তি এ্যটেনশন পেয়েছেন। কথাটা কি ক্রুয়েল শোনালো? ক্রুয়েল শোনালেও কিছু করার নেই। এটা ক্রুয়েল ট্রুথ। এই এক ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত নাক গলিয়েছেন। তিনি দ্রুত জড়িতদের খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছেন। প্রিয় প্রধানমন্ত্রী, ঘটনাটা যেদিন ঘটেছে সেদিনের পত্রিকাতেই আরো অনেকগুলো খুনের সংবাদ আছে। সেগুলো কি আপনার পড়ার সময় হয়েছে?

এক ছোট্ট ফোঁটা আলো

আমার নিজস্ব জিরাফটাকে খুঁজে পাচ্ছি না। মেলমিন ছিলো এতদিন সঙ্গে সঙ্গে। মনে হয় ওকেও কোনো এক জু-কীপার কিনে নিয়ে যাবে। আহা প্রিয় বন্ধু আমার। ভালোবাসা নিও। হারিয়ে যেও না।
অর্ণবের না গান আছে? হারিয়ে গিয়েছি, এই তো জরুরি খবর। আমি কি কোনোদিন হারিয়ে যেতে পেরেছি? এক কৌটা বারবিকিউ ফ্লেভারের জ্যাকার, এক বোতল রুদার্বার্গ আর কয়েকটা ডাহ্নিল নিয়ে মিলব্যরাক পুলিশ লাইনের ভেতর ঢুকে, নির্জন বুড়িগঙ্গার পাড়ে বসে সন্ধ্যা পার করা, আর হারিয়ে যাওয়া কি এক জিনিস?
কেউ তো সিটার্ন বাজিয়েও শুনালো না আজতক। তাহলে নাহয় হাতটা গালে রেখে চুপচাপ তাকিয়ে থাকতাম সেই মেয়েটির মুখের দিকে। ক্যপ্টেন'স ওয়ার্ল্ড নামক খাবারের দোকানটি থেকে কেনা রাবারের টিকটিকিগুলোও মাঝে মাঝে টিক টিক করে ওঠে। কিন্তু জলজ্যন্ত নীল মৎস্যকুমারীটা কখনো জানতে চায় না, আমি কি কোনোদিন তাকে ভালবেসেছিলাম?

উপন্যাস : অচল পয়সার জবানবন্দি (৩)

৩.
আমাদের গ্যারাজটা’কে আমার আজীবন অদ্ভুত লেগেছে। আজও লাগে। আমার ধারণা আমৃত্যূ তাই লাগবে। ৯১-৯২ সালের দিকে ডাকসু নির্বাচন কেন্দ্রীক একটা খুন হয়ে যাওয়ার পর এই গ্যারাজটায় ছেলে-পিলে সব আসা বন্ধ করে দিয়েছিলো। প্রায় দশ বছর পর; আমার যখন বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ঘুরঘুর করার এ্যমেচার লেভেল অতিক্রান্ত হয়েছে; তখন সুব্রত, তোয়াব আর আমি একদিন একটি নির্ভুল স্টিক হাতে ঢুকে পড়লাম সেখানে। বহুদিন পর বোধহয় গ্যারাজের বাতাসে গাঁজার ধোঁয়া উড়লো। সেই থেকে আখড়াটি চালু আছে। মান্না দে’র ‘একই সে বাগানে আজ এসেছে নুতন কুঁড়ি, শুধু সেই সেদিনের মালি নেই’ কথাটাকে সত্য করে দিয়ে টিকে আছে আজ বহু বছর ধরে।

উপন্যাস : অচল পয়সার জবানবন্দি (২)

২.
ক্যম্পাসে প্রায়ই একটা গান গাইতাম আমি আর প্রিয়দর্শিনী। অলি আর বকুল’কে যখনই আড়াল খোঁজার চেষ্টায় হাঁটাহাঁটি করতে দেখতাম তখনই। মাথা দুলিয়ে দুলিয়ে ওদের দুজনের সামনে এ গানটা গাইলে অলি প্রায়শই নিস্ফল আক্রোশে ফেটে পড়তে চাইতো। কিন্তু আমাদের ডানপিটেপনার সঙ্গে সুপরিচিত থাকার সুবাদে কখনোই সে সাহস দেখাতে পারতো না। গানটা ছিলো-
অলিরো কথা শুনে বকুল হাসে,
কই তাহার মতো তুমি আমার কথা শুনে হাসো না তো।
‘হাসো না তো’র জায়গায় আমরা গাইতাম ‘কাশো না তো’। তারপরে দু’জনে উচ্চস্বরে খক খক করে কাশতাম। দু’একবার।

উপন্যাস : অচল পয়সার জবানবন্দি (১)

নিজের ধৃষ্টতা দেখে নিজেই অবাক হচ্ছি। সেই অবাক হওয়ার মাত্রা এত বেশি যে এ নিয়ে বেশি কথাও বলতে পারছি না। আমার সকল বন্ধু-বান্ধবের কাছে সনির্বন্ধ অনুরোধ, প্লীজ এই অধমের উপন্যাস লেখার অপচেষ্টা চালানোর দুঃসাহসকে ক্ষমা করে দিন। আমি মনে হয়, জীবনে খুব বেশি বার এই অপকর্ম করবো না।
আরেকটা জরুরি কথা হচ্ছে, গত বছর আমি কিছু পোস্টে ডিসক্লেইমারের কথা বলে রেখেছিলাম। সাতটা পোস্ট। ডিসক্লেইমারগুলো পরে জানাবো বলেছিলাম। এই উপন্যাসটা লেখা হলেই সেগুলো জানিয়ে দেবো। এটা আসলে খুবই ছোট আকৃতির একটা উপন্যাস। আমি জানি উপন্যাসতো নয়ই, এটা উপন্যাসের নামে কোনো অপন্যাসও হয় নি। তারপরও ধারাবাহিকভাবে এটা আমার ব্লগে প্রকাশ হবে। সেজন্য ক্ষমাপ্রার্থী আবারো।