'দুরের পাখি'র এবরিবডি ড্র মুহম্মদ ডে প্রসংগের প্রতিক্রিয়া পোস্ট।
দুরের পাখি এই পোস্টে এবরিবডি ড্র মুহম্মদ ডে নিয়ে মতামত প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন:
"২০ মে আরেকটা ঘটনা গেছে ইন্টারনেটে । এভরিবডি ড্র মুহাম্মদ ডে । আমি যদিও এই ডে সাপোর্ট করছি , তাও সত্যি বলতে কিছুটা খারাপই লাগছে যারা ১২ টা কার্টুনের জন্য তুলকালাম করছে, বা যারা তুলকালাম না করলেও অনুভুতিতে আঘাতপ্রাপ্ত হৈছে তাগো জন্য । এখন ইন্টারনেটে বারো লাখ ছাড়াইয়া গেছে মুহাম্মদের কার্টুন । কিন্তু কোন পত্রিকা নাই যার বিরুদ্ধে মিছিল করা যায় । কোন দেশ নাই যার পণ্য বর্জন করা যায় । কোন কার্টুনিস্ট নাই যার কল্লার দাম ঘোষণা করা যায় ।
কালচারাল ডারুইনিজমের একটা বিশাল অন্তঃবর্তী অবস্থা যাইতাছে এখন বললে খুবেকটা অতিরন্জন করা হয় না । এখনকার দুনিয়ায় লাইব্রেরি পুড়ায়া কল্লা কাইট্যা ডর দেখাইয়া বিরোধ বা স্যাটায়ার দমন করা আর সম্ভব না । পুরান পৃথিবীর জিনিসপত্র আঁকড়াইয়া থাকার যাদের অভ্যাস তাদেরও সময় আসছে হয় নতুন পৃথিবীর মানদন্ডে নিজেদের পুনঃবিন্যাস করার অথবা হারায়া যাবার ।"
তার প্রতিউত্তরে আমি কমেন্ট করেছিলাম:
"এবরিবডি ড্র মুহম্মদ ডে চুলকানি ছাড়া আর কিছুই নয়। সহনশীলতা ধারণাটা খুবই আপেক্ষিক, যার ক্ষমতা আছে সেই ডিসাইড করবে সহনশীলতার কাট-অফ পয়েন্ট। মুসলমানরা যেহেতু পিছিয়ে আছে, তাই সবাই তাদের সহনশীলতার পরীক্ষা নিতে চায়। এটা হঠাৎ সৃষ্টি হওয়া কোন ব্যাধি না, এটা ১০০০ বছরেরও বেশি বছরের ক্ল্যাশ অফ সিভিলাইজেশান পশ্চিমাদের কাছে। কেউ কিন্তু হলোকাস্টের সংখ্যা নিয়ে চুলকানি থাকলে সেটা নিয়ে তথাকথিত বাকস্বাধীনতা প্রদর্শন করে কার্টুন প্রতিযোগীতা আরম্ভ করবেনা, সেটা য়ুরোপের তথাকথিত বাকস্বাধীনতার দোহাই দিয়ে যায়েজ করেনা, বরং কেউ করতে চাইলে তাকে জেলে ভরে। এখন প্রশ্ন থাকে হলোকাস্টের ব্যাপারটা একটা ঐতিহাসিক সত্যি। কিন্তু কেউ যদি হলোকাস্টকে ডিনাই না করে হলোকাস্টের সংখ্যাকে ডিনাই করে সেটা করতে না দেওয়াটা বাকস্বাধীনতা হরন করা নয় কি? কিন্তু সেটাও করা যাবেনা। এমনকি য়ুরোপ-আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে হলোকাস্টের সংখ্যা নিয়ে কেউ রিসার্চও করতে পারবেনা!! তখন কিন্তু বাকস্বাধীনতার দোহাই কেউ দেয়না!! এখানে যেহেতু ইহুদীরা শক্তিশালী তাই হলোকাস্টের অনুমিত সংখ্যাটার বিরুদ্ধে কারও চুলকানি থাকলেও সেটা সে নীরবে হজম করে, তার চুলকানি প্রকাশের জন্য কার্টুন তৈরি করার আহ্বান করেনা। বাকস্বাধীনতার দোহাই দিয়ে নিজেদের সেট করা স্ট্যান্ডার্ডে কেন অন্য একটা কমিউনিটি চলবেনা, নিজেরা ধর্মকে সিরিয়াসলি নেয়না সেজন্য অন্যসকল কমিউনিটিও সিরিয়াসলি নিতে পারবেনা এই নীতিতে যদি ব্যাকওয়ার্ড একটা কমিউনিটির সহনশীলতার পরীক্ষা নেওয়া হয় সেটার উদ্দেশ্য স্পষ্টতই ঘৃণা ছড়ানো, পারষ্পরিক অবিশ্বাস আর অসহনশীলতার আরেকটা মাত্রা যোগ করা, বিশ্ববাসীর ক্ষতি ছাড়া এতে কোন লাভ নেই। উল্লেখ্য ডেনিশ যে পত্রিকাটা প্রথমবার মুহম্মদ (সাঃ) এর কার্টুন ছাপিয়েছিল তারাই জিসাসের অপমানজনক কার্টুন ছাপায়নি! এখানে আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে মুহম্মদ (সাঃ) এর কার্টুন ছাপানো আর মুহম্মদ (সাঃ) কে সন্ত্রাসী-তালেবান হিসেবে উপস্থাপন করে কার্টুন ছাপানো একই না। শেষের ক্ষেত্রে এটা মিসরেপ্রেজেনটেশানের দোষেও দোষী। এবরিবডি ড্র মুহম্মদ ডে তেও ৯০% এর উপরে কার্টুনে মুহম্মদ (সাঃ) কে সন্ত্রাসী হিসেবেই দেখানো হচ্ছে। এটা পশ্চিমা বিশ্বের হাজার বছরের স্টেরিওটাইপ, যারা তথাকথিত মুক্তমনা তারাও তাদের সভ্যতার শুরুর দিককার এই ভ্রান্ত ধারণা থেকে বের হয়ে আসতে পারেনা।
গরু খাওয়ার উদাহরণটা হাস্যকর ঠেকল। বাসার পাশের বাড়ির ভাবীর যদি আমার গরু খাওয়াতে বমি হয়, তাতে আমার উচিৎ হবে আমার বাসার গরুর গন্ধ যেন বাইরে না যায়। এটাকেই তো সহনশীলতা বলে, নাকি? নাকি সহনশীলতা শুধু ভাবীকেই দেখাতে হবে, আমার জন্য সহনশীলতা নাই? তার বাসায় গিয়ে গরুর মাংস খাইতে তাকে বাধ্য করা, আমি গরু খাই, সে কেন গরু খায়না, আমি যেহেতু গরু খাচ্ছি তাকে অবশ্যই খেতে হবে এই যুক্তিতে তাকে গরু খাইতে জোর করা সম্ভব আমার যদি ক্ষমতা থাকে। কিন্তু সেটা কি য়ুরোপীয় মধ্যযুগীয় বর্বরতা থেকে বেশি কিছু?
আমাদের সবার কিছু কিছু বিষয়ে সেনসিটিভিটি আছে। যেমন আমাদের বাঙালিদের মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যা নিয়ে সেনসিটিভিটি আছে। পাকিস্তানিরা যদি আমাদের শহীদদের সংখ্যাকে মিসরেপ্রেজেন্ট করে কার্টুন প্রতিযোগীতার আয়োজন করে, আমরা কি সহনশীলতা দেখাব? আমার জন্য মুক্তিযুদ্ধ বড় ব্যাপার হলেও তার জন্য তো এটা ভারতের ষড়যন্ত্র বই কিছুই নয়? এটা কি তখন চুলকানি ছাড়া আর কিছু হিসেবে প্রতিস্থাপিত হবে? ভারতীয়দের কাছে মহাত্বা গান্ধী জাতির পিতা। ধরেন আমাদের বাংলাদেশীদের কাছে তার কোন দাম নেই। আমরা বাংলাদেশীরা মিলে কি ফেসবুকে একটা পেইজ খুলে মহাত্বাগান্ধীর নামে মিথ্যা ছড়াতে পারি আর ভারতীয়রা বসে বসে আংগুল চুষবে? মকবুল ফিদা হোসেন কোন দেবীর উলংগ ছবি আকাতে তাকে ভারত থেকে পালাতে হয়েছে, কই সেখানে তো সহনশীলতার পরীক্ষা করার জন্য দেবীর উলংগ ছবি আঁকার কার্টুন প্রতিযোগীতা করা হয়নি?
আমাদের এমনিতেই বিশ্বে পারস্পরিক অবিশ্বাস, ধর্মীয় অসহিন্ঞুতা চরমে। সেখানে এ ধরণের বিশেষ একটা কমিউনিটির সহনশীলতার পরীক্ষা নেওয়া এবং সেটাকে সমর্থন করা অসুস্থ মানসিকতা এবং স্যাডিজমের পরিচায়ক। এম্নিতেই তাদেরকে বিশ্বজুড়ে ফিলিস্তিন, ইরাক, আফগানিস্তান, কাশ্মির, চেচনিয়া ইত্যাদি জায়গাতে তাদেরকে নিয়মিত সহনশীলতার পরীক্ষা দিতে হচ্ছে। কই তথাকথিত বাকস্বাধীনতার ধ্বজাধারীরা তো ফিলিস্তিনে ইজরাইলের বর্বরতার বিরুদ্ধে কার্টুন এঁকে ঘৃণাপ্রদর্শণ দিবস পালন করছেনা? ফেইসবুকে কি এবরিবডি ড্র বেনগুরিয়ান ডে নামে একটা ডে-র আহ্বান জানিয়ে সেদিন বেন গুরিয়ানের কার্টুন এঁকে সে যে সন্ত্রাসী ছিল সেরকম কোন দিবস পালন করা যাবে? হাইম ওয়াইজম্যান যে সরাসরি সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষক ছিল সেটা নিয়ে কি ফেসবুকে কার্টুন আঁকা যাবে? কোনদিনই যাবেনা, সেটা ফেইসবুক এলাউ করবেনা, কোন পত্রিকা ছাপাবেনা। কারন ছাপালে ইজরাইল আর এমেরিকার বাঁশ খেতে হবে।"
জবাবে তিনি বলেছেন:
হলোকাস্ট নিয়া আপনার কথাবার্তার পুরাটাই রেটোরিক । খোদ আম্রিকাতে প্রচুর হলোকাস্ট ডিনায়ার খেয়ে পরে বেচে বর্তে আছে । উইকিপিডিয়াতে তাদের নাম এবং আমলনামার একটা কম্প্রিহেনসিভ বর্ণনাও আছে । সমস্যা হৈলো তারা কোথাও বেইল পায় না । এইটা ইহুদিরা ইন্টেলেকচুয়াল বিরোধ দিয়াই করতাছে । ডেথ থ্রেট বা জ্বালাও পোড়াও আন্দোলন দিয়া না । এদের কথা সম্ভবত লোকজন জানেনা কারণ এদের বিরুদ্ধে কখনো মাইরালামু কাইট্যালামু বৈলা কোন মিছিল হয় না দেইখাই ।
হলোকাস্ট ভিক্টিমদের সংখ্যা নিয়া রিসার্চ হৈতাছে, ইভেন একটা বোনহেড ইহুদি ওয়েবসাইট দেখলাম ঐটার আপডেটও দিয়া রাখছে । তবে আম্রিকা য়্যুরোপের ভার্সিটিগুলাতে এই নিয়া রিসার্চ করতে দেয় কি দেয় না, সেইটা নিয়া কিছু জানিনা দেইখা বিশ্বাস করা ছাড়া উপায় নাই । তবে এই না দেয়া কি পিয়ার প্রেশারের মাধ্যমে না দেয়া নাকি কল্লার দাম ঘোষণা কৈরা না দেয়া সেইটা জানলে ভালো হৈত ।
আর আরব ওয়ার্লডে এইটা নিয়া হামেশাই এইটা নিয়া উল্টাপাল্টা কথাবার্তা টিটকারি সবই হয় । ওদের টিভি অনুষ্ঠান গুলা দেখতে পারেন । কদিন আগেও হারুন ইয়াহিয়া এইটা নিয়া একটা বই পাব্লিশ করছে , এবং নিজ খরচে আম্রিকা য়্যুরুপের বিভিন্ন ভার্সিটিতে পাঠায়া দিছে । এইটা নিয়া একমাত্র মামলা হৈছে এইটারে পচাইয়া আরেকটা বই লেখছিলো আরেকজন, তার বিরুদ্ধে স্লেন্ডারের মামলা । পরে অবশ্য ঐটাও খারিজ হয়ে গেছে । এইখানেও সেই একই কারণে কেউ শুনে না, কারণ এইটা নিয়া কোন রেবাই ফতোয়া জারি করে না ।
তবে এত কথা বললেও, দুইটার বিষয় আসলে তুলনাযোগ্য না । একটা ঐতিহাসিক সত্য । মাত্র ষাট বছর আগের ঘটনা । পক্ষে অনেক অবজেক্টিভ প্রমাণ আছে । অন্যটা ১৪শ বছর আগের ঘটনা ।
তুলনাযোগ্য কিছু আসবে যদি কোথাও দেখাইতে পারেন পোপের বিরুদ্ধে বা ইহুদিদের ধর্ম নিয়া কোন মকারি যদি কোথাও জোরপূর্বক থামাইয়া দেয়া হৈছে এইরকম কোন উদাহরণ আনতে পারলে ।
জিসাসের অপমানজনক কার্টুন প্রতি বছর শতশতই আসে । আমি একটামাত্র কার্টুন সিরিজই দেখি । সিম্পসনস । ঐখানে অন্তত দশটা পর্ব আছে যেখানে জিসাস রে নিয়া মকারি করা হৈছে । তবে মজার ব্যাপার হৈলো ব্যক্তি জেসাসের বিরুদ্ধে সবচে বড় যেইটা পাওয়া যায় সেইটা বড়জোর সে মর্ষকামী ছিলো । মুহাম্মদের বিরুদ্ধে একশটা অভিযোগ দাঁড় করানো যায় শুধু কোরান বুখারি মুসলিম থেকেই । আর জিহাদি তালেবানিরা যেই ইমেজ দাঁড় করাইছে , তাতে স্টেরিওটাইপ নিয়া বৈসা থাকাদের খুবেকটা দোষ ও দেয়া যায় না । মডারেট বা সহনশীলরা সবসময় বলে এইগুলা ভুল ইমেজ, কোরান হাদীসের ভুল ব্যাবহার । কিন্তু এদের কখনও দেখা যায় না লাদেনের বা অন্য সুইসাইড বোম্বারদের ইনডিসক্রিমিনেট আক্রমণের বিরুদ্ধে একটা মিছিল বাইর করতে বা নিদেনপক্ষে একটা ফতোয়া জারি করতে ।
গরুর মাংসের এনালজি আমার এখনো অ্যাপ্টই মনে হৈতাছে । বরং পাশের ভাবীর জন্য আমি দরজা জানালা বন্ধ কৈরা রান্না করবো এই ভাবনাটাই উদ্ভট । কারণ কতটুকু গন্ধ এলাউড এইটার একটা সাধারণ বোঝাপড়া আছে । ঐ বোঝাপড়ার মধ্যেও যদি কারো সমস্যা হয়, সেইক্ষেত্রে এইটা তার দায়িত্ব , দরজা জানালা বন্ধ কৈরা রাখা যাতে গন্ধ না আসে । তবে ঐযে, উনি যদি আইসা আমারে কোন প্রকার যুক্তি তর্ক ছাড়াই ছুরি ঠেকায়া কয় বন্ধ করতে তাইলে আমার খ্যাপাতে দোষের কিছু দেখি না ।
গান্ধী বা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যা দুইটা নিয়া সেই একি কাহিনী । গান্ধীর বিরুদ্ধে বা মুক্তিযুদ্ধের শহীদ সংখ্যা কমাইয়া কিছু করার মত খুব বেশি ভ্যালিড তথ্য নাই । তারপরও গান্ধীরে ইন্টারনেটে প্রচুর ধোয়া হয় । একটু ঘুরলেই পাইবেন । এইটা নিয়াও ইন্ডিয়ানরা কল্লার দাম ঘোষণা করে না বৈলাই কেউ জানে না । মোহাম্মদরে নিয়া বলার মত অনেক কিছু ইসলামি এনালসেই প্রচুর আছে ।
তার জবাবে আমার কমেন্ট:
লম্বা কমেন্ট করে বিট এরাউন্ড দ্যা বুশ করলেন আবার বলতেছেন আমারটাই নাকি "রেটরিক"। যাই হোক সবাই সবকিছু হয়ত বুঝতে পারেনা, তাই অনেক কিছুই রেটরিক মনে হয়। সে প্রসংগ আপাতত বাদ দিলাম।
একজন-দুইজন বিচ্ছিন্নভাবে হলোকাস্ট ডিনাই করা আর বিশাল সংখ্যক লোক ঘোষণা দিয়ে হলোকাস্ট ডিনাই করার মধ্যে যে পার্থক্য আছে সেটা বুঝার মত মানসিক পরিপক্কতা আপনার আছে বলে মনে করতেছি। যুক্তরাষ্ঠ্রে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে হলোকাস্টের সংখ্যা নিয়ে বা ইজরাইল রাষ্ঠ্রের পলিসি নিয়ে অথবা যুক্তরাষ্ঠ্র অযৌক্তিকভাবে ইজরাইলকে সহযোগীতা দেওয়ার বিষয়ে রিসার্চ করতে গেলে সরাসরি বাঁধা দেওয়া হয়না, জ্বালাও-পোড়াও করা হয়না, কিন্তু যে রিসার্চ করবে তাকে টেনিউর পাইতে বাঁধা দেওয়া হয়, টেনিউরড প্রফেসর হইলে তাকে প্রফেসনালি অস্ট্রাসাইজ করা হয়, তার ভাল লেখাও বিভিন্নভাবে পিয়ার-রিভিউড একাডেমিক জার্নালে না ছাপানোর ব্যবস্থা করা হয়, তাকে একাডেমিক কনফারেন্স এবং নন-একাডেমিক পলিটিকাল সেমিনারসমূহে কথা বলতে না দেওয়ার জন্য বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করা হয়, মোটকথা তার একাডেমিক ক্যারিয়ার যাতে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয় তার সবরকম ব্যবস্থা করা হয়। (কিছুটা আলোকপাত আছে দ্যা ইজরাইল লবি এন্ড ইউএস ফরেন পলিসি - মারশেইমার এন্ড ওয়াল্ট, তাছাড়া কাউন্টার পান্ঞ এবং হাফিংটন পোস্টেও আছে)। এটা কি ইন্টেলেকচুয়াল বিরোধ নাকি ইন্টেলেকচুয়াল স্যাবোটাজ? দুটার মধ্যে পার্থক্য বুঝেন তো? হলোকাস্ট ডিনাই করা আর একাডেমিকালি রিভিশান করা একই না, ইহুদী লবি ২য়টাই করতে দেয়না। হলোকাস্ট ডিনাই করা খুবই অন্যায় কিন্তু রিভিসানিস্ট স্টাডি করা অন্যায় না। এই সাবোটেজটা মানুষের চোখের সামনে আসেনা, সেজন্য কি সেটা কোন অংশে কম অন্যায় হয়ে গেল? বরং এটা তো আরো বড় অন্যায়। এরচেয়ে জালাওপোড়াও অনেক ভাল।
যুক্তরাষ্ঠ্রে হলোকাস্ট ডিনায়াল ক্রাইম না, তাই সেখানে সেটা বিচ্ছিন্ন কেউ করতেই পারে, তবে কোন নামকরা লোক করলে তার খবর হয়ে যাবে। আর কালেক্টিভলি হলোকাস্ট ডিনাই করার প্রশ্নই আসেনা, সেটার কথা এখানে কেউ কল্পনাই করতে পারেনা। হলোকাস্ট অবশ্যই ঐতিহাসিক সত্য, কিন্তু হলোকাস্টের মৃতের সংখ্যা নিয়ে গবেষণা করা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু কেউ গবেষণা করে যদি অনেক কম মৃত দেখায় পজিটিভ ডকুমেন্টেশানের মাধ্যমেও, সেটা কোনদিন করা যায়না। আপনার তথাকথিত বাকস্বাধীনতা তখন কোথায় যায়? যুক্তরাষ্ঠ্রের কোন কনগ্রেসম্যান ইজরাইলের বিরুদ্ঢে বলতে পারেনা, বললে এইপ্যাক তার খবর করে দেয়, জিমি কার্টারের মত লোককে এন্টাই-সেমিটিস্ট ট্যাগ লাগিয়ে দেয়, সামাজিকভাবে অস্ট্রাসাইজ করে। তখন আপনার সহনশীলতা বা বাকস্বাধীনতা কোথায় যায়?? দূর্বল মুসলমানদেরকে বাকস্বাধীনতা আর সহনশীলতা শিখতে হবে, সবল জায়নিস্টদের জন্য তার দরকার নেই?
আপনি আমার মন্তব্য ভালমতে পড়েননি, সেটা বুঝাই যাচ্ছে। এম্নিতেই ইসলাম/মুসলিম বিরোধী ক্রুসেডীয় জোসে প্রতিমন্তব্য দিয়ে ফেলেছেন। হলোকাস্ট ভিক্টিমদের নিয়ে গবেষণা করা আর হলোকাস্টে মৃতের সংখ্যা নিয়ে গবেষণা করা একই না। মনে হচ্ছে আপনি এখনো রিসার্চ সম্পর্কে কিছুই জানেন না, হয়ত আন্ডারগ্র্যাডে পড়তেছেন। হলোকাস্ট ভিক্টিমদের নিয়ে রিসার্চ জায়নিস্ট এবং ইহুদী লবিরা ব্যাপকভাবে প্রমোট করে, কিন্তু হলোকাস্ট নিয়ে রিভিশানিস্ট স্টাডিকে ব্যাপকভাবে পিয়ার-প্রেসারের মাধ্যমে বন্ধ করা হয়। আপনার কাছে ইন্টেলেকচুয়াল সাবোটাজকে জালাও-পোড়াওয়ের চেয়ে কেন ভাল মনে হচ্ছে সেটা আমার বুঝতে সমস্যা হচ্ছে। বরং ইন্টেলেকচুয়াল সাবট্যাজ আরো অনেকবেশি ভয়ংকর।
মডারেটরা জিহাদীদের বিরুদ্ধে মিছিল বের করেনা কারন মডারেটরা মনে হয় বিশ্বরাজনীতি সম্পর্কে আপনার মত অন্ধ না। তারা জানে তালিবান, এক্সট্রিমিজম কার সৃষ্টি, কার জন্য দরকার। এক্সট্রিমিজমের মূল কোথা থেকে শুরু সেটা হয়ত মডারেটরা বুঝতে পেরেছে, তার হয়ত সিএনএন-বিবিসি যা গেলায় আপনার মত নাঈভলি সেসব বিশ্বাস করেনা। মডারেটরা জানে যে ৬০ বছর ধরে ফিলিস্তিনে বর্বরতা চললেও আপনার মত মুক্তমনারা কোনদিন সেটা নিয়ে মিছিল বের করেনা, কেউ করলে আপনারা তাদেরকে সন্ত্রাসী আখ্যা দিবেন। মডারেটরা তালিবানদের মতও অন্ধ না আবার আপনাদের মত এন্টাই-মুসলিম এক্সট্রিমিসটও না। ভাগ্যিস বিশ্বে মডারেটদের সংখ্যা বেশি, নাহয় আপনাদের দুশ্রেণীর এক্সট্রিমিস্টদের পাল্লায় পড়ে বিশ্বের অবস্থা তথৈবচ হয়ে যেত।
জিসাসের বিরুদ্ধে কার্টুন আসে সেটা সত্যি, কিন্তু তারা তাদের ধর্মকে খেলার ছলে নেয় বলে মুসলমানের ধর্মকেও খেলার ছলে নেবে আর সেটা মুসলমানরা মানবে কেন? আমেরিকানরা তাদের জাতীয় পতাকা দিয়ে আন্ডারওয়ার বানায়া পড়ে, এখন সেটা তাদের স্বাধীনতা, তাদের পতাকা নিয়ে তারা যা ইচ্ছে যাই করুক। কিন্তু হাজার হাজার এমেরিকান যদি আমার বাংলাদেশের পতাকা নিয়ে আন্ডারওয়ার পড়ে মিছিল বের করে আমি অবশ্যই তার প্রতিবাদ করব, আমি আমেরিকার এম্বাসিতে গিয়ে ভাংচুর করব। কারন আমার পতাকাকে আমি সম্মান করি, আমার পতাকা নিয়ে নোংরামি করার অধিকার আমি তাদেরকে দিইনি। তারা তাদের পতাকা নিয়ে নোংরামি করবে সেজন্য আমাকেও আমার পতাকা নিয়ে নোংরামি করতে হবে সেই যুক্তি আমি মানিনা। তারা তাদের পতাকাকে পাছার সাথে লাগায়া পড়বে বলে আমার পতাকাকেও পড়তে পারবে, আমি বাঁধা দিলে আমাকে সন্ত্রাসী বলবে সেই যুক্তি আবালদের যুক্তি। সেই একই যুক্তিই ধর্মের ক্ষেত্রেও খাটে। আপনি তো আবার বিরাট যুক্তিবাদী মানুষ, যুক্তির প্রকারভেদ নিয়ে ওয়াজ-নসিহত করে পোস্ট দেন। দেখেন এই সোজা কথাটা বুঝতে পারেন কিনা।
মুহম্মদ (সাঃ) এর বিরুদ্ধে অভিযোগ দাড় করানো আর ফেইসবুকের মত বহুল প্রচলিত সামাজিক সাইটে একটা নির্দিষ্ট ধর্মের প্রবর্তককে নিয়ে নোংরামি করে পাবলিক রায়টের ব্যবস্থা করা যে একই না সেটা বুঝার মত মগজ আশা করি আপনার আছে। ফেইথফ্রিডমের মত হাজার হাজার সাইট মুহম্মদের বিরু্ধে উঠেপড়েই লেগেছে। আপনি যেহেতু সেসবের ফ্রিকোয়েন্ট ভিজিটর, আপনার না জানার কথা না। কিন্তু ফেইসবুকে সেটা করাটা যে একই পাল্লার অপরাধ না সেটা বুঝার চেষ্টা করে দেখেন।
গরুর মাংশের এনালজিটা অনেক আগেই বাতিল। এখানে এপার্টেমেন্ট লিজ নেওয়ার সময় আপনাকে যে চুক্তিতে সাঈন করতে হবে সেটাতে অন্যের কোনধরণের অসুবিধা না করার চুক্তিও থাকে। আপনিই আপনার বাসার দরজা বন্ধ করবেন যাতে গন্ধ বাইরে না যায়, তার ঠেকা পড়েনি আপনার গরুর মাংশ রান্না করার জন্য সে দরজা বন্ধ করবে। কাজটা আপনিই করতেছেন, সে কেন দরজা বন্ধ করে বাইরে থেকে হাওয়া আসা বন্ধ করবে? ভাবী যদি আপনার গরুর গন্ধে টিকতে না পারে তাহলে ভাবী ল্যান্ডলর্ডকে অভিযোগ করবে, পুলিশ এসে আপনাকে ধরে নিয়ে যাবে। আপনি জোসের সাথে ১০টা গরু জবেই করে ডিস্টার্ব করতে চাইলে পুলিশ এসে আপনার পাচায় বেতের বারি দিয়ে লাল করে দিবে, ভালমতে বসারও জায়গা পাবেননা আর পাছার ঘায়ের জন্য। নিজে এইটুকু সহনশীলতা দেখাতে পারেননা আবার মুসলমানদের সহনশীলতার নসীহত করতে এসেছেন!!!!
গান্ধীরে নিয়া নেটে আলতুফালতু সাইটে প্রচুর তথ্য থাকা আর ফেইসবুকে ডেলিবেরেইটলি গান্ধীর বিরুদ্ধে পেইজ খুলে অপপ্রচার চালানো, বিরাট আকারে কার্টুন প্রতিযোগীতা করে আপলোড করা একই ব্যাপার না। শেষোক্ত কিছু করে দেখেন, দাদাদের ঠেংগানি খেয়ে তারপর সোজা হয়ে যাবেন। ফেইসবুকের মত ব্যাপকভাবে গ্রহনযোগ্য কোন সাইটে এরকম করা আর আলতুফালতু ওয়েবসাইটে করার মধ্যে যে ব্যাপক পার্থক্য আসে সেটা যে কোন শিশুও বুঝবে। মুহাম্মদরে নিয়ে বলার মত যেমন ইসলামী এনালাইসে প্রচুর আছে সেরকম যেকোন ঐতিহাসিক ব্যক্তিকে নিয়েও বলার আছে। গান্ধীকে নিয়ে আমি অনেক ভ্যালিড প্রসংগই তুলতে পারি। যাইহোক এটা গান্ধীকে ছোট-বড় করার পোস্ট না, এটা ফেইসবুকে যে মুহম্মদ (সাঃ) এর অপমানজনক কার্টুন আঁকাটা উস্কানিমুলক সেটা বুঝানোর চেষ্টা। সামুতে দেখতাম ছাগুরা মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আজেবাজে কথা বলার পর আমরা গালি দিলে আমাদেরকে ব্যান করত, সুশীলরা এসে আমরা কেন গালি দিলাম, বুঝিয়ে বলিনি কেন সেটা নিয়ে ওয়াজ নসীহত করত। আপনার যুক্তিগুলো আমার সেসব সুশীলদের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। এখন আমি আমার মুক্তিযুদ্ধকে মনেপ্রাণে ধারণ করি, ছাগুরা সেটা করেনা। তাই ছাগুদের মত করে কি আমাকেও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ঠাট্টা করলে সহনশীল হওয়া শিখতে হবে? তার মুক্তিযুদ্ধকে ছেলেখেলা মনে হয়, ভারতের ষড়যন্ত্র মনে হয়, আমাকেও কি তার মত হতে হবে? সে যদি আমার মুক্তিযুদ্ধের প্রতি যে আবেগ সেটাকে ঠাট্টা করে, আমি কি চুপ করে বসে থাকব? তার তো মুক্তিযুদ্ধের প্রতি আবেগ নাই, আমি কি তার গলা চেপে ধরব না মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কিছু উল্টাপাল্টা বললে? তেমনি মুসলমানদের ধর্মের প্রতি আবেগ কি খ্রিস্টানদের কাছ থেকে শিখতে হবে?
আমার আগের মন্তব্যের শেষের প্যারা সম্পর্কে কিছু বলেননি, ধরে নিচ্ছি সে প্যারাটার সত্যতা স্বীকার করেছেন। অথবা পাল্টা যুক্তি থাকলে বলেন, আপনার সাথে যুক্তি-যুক্তি খেলি। আপনার কাছে তো আবার সবকিছুই রেটরিক, নাহয় আপনি কিছু যুক্তি মান নিয়ে ওয়াজ নসীহত করলেন, আমি শিখলাম।





শেষের কমেন্টটা একটু কঠিন হয়ে গেছে, কিন্তু দুরের পাখি'র আমার আগের কমেন্টকে "রেটরিক" বলাটা ইগোতে লেগেছে!! তাই কঠিন হয়ে গেল। হাহহাহাহা......
পোষ্ট প্রিয়তে গেলো।
যুক্তি ভালো লাগছে।
তালগাছ বগলের তলায় নিয়া যারা আলাপে যায় তাগো লগে আলাপ আর মাকাল গাছের লগে আলাপ করা একই কথা।
দুরের পাখির পোস্টে দুইটা প্রসংগ আছিলো, অপেক্ষাকৃত ছোট কৈরা আলোচনা করা প্রসঙ্গটার প্রতি সবার দৃষ্টি আকর্ষিত হৈতে দেইখা মজা পাইতেছি...
যুক্তি যুক্তি খেলেন। যুক্তি দিয়ে যুক্তি যুক্তি খেলা দেখা খুবই আরামের ব্যপার। পোস্ট পছন্দ হইছে।
নরাধমের পোস্ট পড়তে সব সময়ই ভালো লাগে!
ফেসবুকে দিয়েছিলেন বলেই এসে পড়ে গেলাম
নয় তো আমি আসি না এই পাড়ায়:(
দু প্যারার জবাবে তিন পৃষ্টা । এক পৃষ্টার মন্তব্যের জবাবে দশ পৃষ্টার বিশাল পোস্ট । লুক, হু'জ টকিং এবাউট বিটিং এরাউন্ড দ্য বুশ । হে হে হে । যাই হোক, এইটা আসলে যুক্তি না । বড় লেখা হৈলেই সেইটা বিটং এরাউন্ড দ্য বুশ হবে এমন কোন কথা নাই । মাঝে মাঝে ক্রাউড প্লিজিং জাংক উইট দেখাইতে আমারো ইচ্ছা করে, এজন্য বলা ।
আপনার বিশাল মন্তব্যে অবশ্য জাংকের পরিমাণই বেশি । সেইগুলা ছাঁইকা যেইসব সত্যিকারে পয়েন্ট আছে সেইগুলা নিয়া নিয়াই বলি ।
১
সেটা আমিও আশা করি আমার আছে । এখন, কথা হৈলো আপনে তাইলে স্বীকার করলেন একজন দুইজন বিভিন্ন ওয়েবসাইটে মোহাম্মদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা আর ফেইসবুকের মত সাইটে ঘোষণা দিয়া হাজার হাজার কার্টুন আঁকাটা এক না । এবং প্রথমোক্তটা নিয়া আপনার আপত্তি না থাকলেও দ্বিতীয়টা নিয়া আপত্তি আছে ।
এবার তাইলে দেখা যাক ঘটনা শুরু হৈলো কিভাবে সাউথ পার্কের কার্টুনে মোহাম্মদের ক্যারাক্টারাইযেশন করা হৈছে দেখে কার্টুনিস্টরে মৃত্যু-হুমকি দেয়া হৈলো । এইটার প্রতিবাদে এভরিবডি ড্র মুহাম্মদ ডে । সেইখানে আমার সাপোর্ট করা কেনো ? কারণ আমি ব্যাক্তিগতভাবে জানি মুসলিমরা এইটা নিয়া প্রয়োজনের অতিরিক্ত চুলকানি/খাউজানি দেখায়, এবং মনে করি দে শুড গেট ওভার ইট । এইগুলা আমার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা থেকে দেখা ।
হলোকাস্টের রিভিশনিস্ট স্টাডি কিরকম রিসার্চ হয় বা না হয়, কিংবা সেইগুলারে কিভাবে বাধা দেয়া হয় এই নিয়া আমার অজ্ঞতা আমি প্রথমেই স্বীকার কৈরা নিছি ।
আমি যেই রিসার্চের কথা কৈছি, সেইট একটা রাশান ভার্সিটির । যাদের ফলাফল ছিলো, হলোকাস্টে ভিক্টিম সংখ্যা আসলে আড়াই মিলিয়ন ।
একাডেমিক পিয়ার প্রেশারের মাধ্যমে রিসার্চ বন্ধ করা আর স্যাবোটাজ এর মাধ্যমে বন্ধ করা দুইটা অবশ্যই এক জিনিস না (সেটা আপনারই ভাষ্যমতে) । এবং স্যাবোটাজ এর মাধ্যেম বন্ধ করাটাকে আমি কোথাও সমর্থণও করি নাই । যুক্তি নিয়া যেহেতু আপনার আগ্রহ আছে সেহেতু যুক্তির টার্ম দিয়াই বলি । এইটা হৈলো স্ট্র-ম্যান পলিসি । আপনে আপনার মনমত আমার ক্যারেক্টারাইযেশন কৈরা,
সেইটারে খুব পোড়াইতাছেন ।
আমার কাছে যদি হলোকাস্টের রিভিশনিস্ট স্টাডি দরকার এইটা ক্লিয়ার হয়, এবং এইটা নিয়া রিসার্চের বাধা দেয়াতে খেইপা গিয়া কেউ কার্টুন প্রতিযোগিতার আয়োজন করে , সেইটারে সমর্থণ না করার কথাতো আমি কোথাও বলি নাই ।
২
আরব ওয়ার্লডে যে হলোকাস্ট ডিনাই এবং মকারি ব্যাপকহারে হয় এইসব সেই প্রসংঙ্গতো একেবারে চাইপা গেলেন । যুক্তি হিসাবে যদিও আমার পছন্দের না তাও বলা যায়, আরব ওয়ার্লডের হলোকাস্ট মকারি নিয়া যদি য়্যুরোপ আম্রিকা জ্বালাও-পোড়াও না করে তাইলে য়্যুরোপ আম্রিকা মোহাম্মদরে নিয়া মকারি করলে আরব এবং তাদের উপনিবেশগুলা কেনো করে ? তোমার দেশে তোমার স্টাইলের বাক-স্বাধীনতা, আমার দেশে আমার স্টাইলের বাক-স্বাধীনতা ।
৩
এইটা যদি আপনে প্রভোক করেন, এবং এরকম যদি আন্তর্জাতিক কোন পেটেন্ট সিস্টেম না থাকে, (পতাকার ব্যবহার সংক্রান্ত) তাইলে টেকনিক্যালি কিচ্ছু করার নাই । যেইটা মোহাম্মদরে নিয়া হৈছে ।
৪
গরুর মাংসের এনালজি আপনেও বোধহয় ঠিকমত পইড়া দেখেন নাই । কি জোশে মন্তব্য করছেন সেইটা নিয়া আমি কিছু বলবো না । পড়লে এই জায়গাগুলা খেয়াল করতেন
পাশের এপার্টমেন্টের কারো কোন রকম অসুবিধা করা যাবে না এই হাস্যকর দাসখত দিয়া দুইন্যার কোথাও এপার্টমেন্টে ঢুকতে হয় বৈলা আমার জানা নাই । কারো কারোতো পাশের এপার্টমেন্টের লোকজন সুখে থাকলেই তার অসুবিধা হয় । এখন কি সেইজন্যও কি ল্যান্ডলর্ডরে ডাইকা আইনা বিচার চাওয়া হবে ?
আমার এনালজি ঠিকাছে । আলোচনার জায়গা হৈলো কতটুক অসুবিধারে ভ্যালিড কারণ ধরা হবে , সেইটা নিয়া ।
৫
গান্ধীরে নিয়া বলেন আর মুক্তিযুদ্ধ নিয়া বলেন, আপনে যেটাই শুরু করেন এইটারে লোকজন যদি ভ্যালিড মনে করে তাইলে যাবে, এখানে দাদাদের বা ছাগু-ফাইটারদের প্রসংঙ্গ অবান্তর । আপনার জিহাদী , ইনডিসক্রিমিনেট বোমা হামলাকারী ভাইদের কল্যাণে মোহাম্মদরে নিয়া ফেডাপ লোকের সংখ্যা প্রচুর দেইখাই এইটা সফলভাবে করা গেছে । (বাই দ্য ওয়ে এইখানে আবার আম্রিকা ইসরায়েলের নির্বিচার গণহত্যারে টাইনা আইনা স্ট্র ম্যান পোড়াইয়েন না ।)
৬

একাত্তরে রাজাকাররা যেইটা করছে, একটা রাজনৈতিক সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক সমস্যারে ধর্মীয় বৈলা চালাইয়া দেয়ার চেষ্টা, এখন প্যালেস্টিন, চেচনিয়া বা ইরাক নিয়াও আপনাদের চেষ্টারে অলমোস্ট একি রকম মনে হয় । এইজন্য কিছু বলি নাই । আর এমনিতেও মোসাদ থেকে ছয় মাস ধৈরা আমার বেতন দেয়া হয় না ।
হাহাহহাহা, আপনি মশাই বেজাই মজার লোক, শেয়ালের কুমির-বাচ্চা দেখানোর মত একই বাচ্চা দেখাচ্ছেন। একই বাচ্চা পোস্টে দেখাইছেন, আমি কমেন্ট করার পর সেই একই বাচ্চা দেখাইলেন, আবার এখন আবার একই বাচ্চাই দেখাইলেন। পুরা কমেন্ট পড়ে আপনার যুক্তিবিদ্যার দৌড় খুবই চোখে পড়ল, খালি ত্যানা পেঁচানোতে মাশাআল্লাহ হাফিজ হইয়া গেলেন! তবে লোকজন দেখতেছি বুঝতেছে, আপনার পোস্টেও আর আমার পোস্টেও কেউ আপনার ভিউপয়েন্টের সাথে একমত হচ্ছেনা!! কেউই মনে হয় আপনার হাই-লেভেলের যুক্তি বুঝতে পারতেছেনা! মেজরিটি সঠিক সবসময় না হলেও যে পজিশনের সবাই অমত পোষন করে সে পজিশনধারীদের মানুষ পাবনায় পাঠায়।
মাহবুব সুমনের উপরের কমেন্টটা দেখেন, তালগাছটাও বগলের তলে ভালমতে সংরক্ষণ কইরা রাখেন। দেশে যাচ্ছি কালকে তাই আপনার দুর্গন্ধযুক্ত যুক্তির জবাব দেয়ার সময় পাবনা, আর নতুন কিছু থাকলে হয়ত জবাব দিতাম। আরবদেশের লোকজন বাকস্বাধীনতা নিয়ে লাফায় না, তাই তাদের কাছ থেকে ইউরোপীয়ানদের মত বাকস্বাধীনতা খূঁজতে যাওয়ার যৌক্তিকতা নেই। ইউরোপীয়ানরা লাফায় আর আপনাদের মত কিছু তথাকথিত মুক্তমনা(!) এন্টাই-মুসলিম এক্সট্রিমিস্টরা মনে করে ইউরোপীয়ানরা এইক্ষেত্রে ফেয়ার ডিল করতেছে।
আপনার স্ট্রম্যান, পাইপম্যান যুক্তি আপনার কাছে রাখেন। সামুর এস এম রাহাত এর জাকির নায়েকটাইপ খোঁড়া যুক্তির কাছে হেরে পোস্ট মুছে দিছিলেন আমার মনে আছে। যা যুক্তির দৌড়! বাই! যুক্তরাষ্ঠ্রে ফিরে এসে আপনার স্ট্রম্যান-পাইপম্যান-গোটম্যান যুক্তি কিছু যদি দেন তখন উত্তর দেব নে ইনশাআল্লাহ! পারলে ততদিন আরো আইরনম্যান-স্পাইডারম্যান-ব্যাটম্যান যুক্তিবিদ্যাও শিখে রাখেন, যুক্তি না জানলেও আপনি যে বিভিন্ন ধরণের যুক্তির প্রকারভেদ জানেন সেটা লোকজনে অন্তত বুঝবে।
আর মোসাদ অনেক ইন্টেলিজেন্ট লোকরে দালাল নিয়োগ করবে, আপনার এখন আরো ১০০ বছর কষ্ট করে যেতে হবে মোসাদের দালাল হওয়ার জন্য। তবুও পারবেন বলে মনে হচ্ছেনা ঠিক, তবে চেষ্টা করে দেখেন, চেষ্টাই কি না হয়!
আর যেনতেন আকারে "জিতার জন্য" কথা না বলে, পোস্ট ভালমতে পড়েন, কমেন্ট পড়েন, পড়ে চেষ্টা করেন হৃদয়ংগম করার জন্য। পরীক্ষার খাতায় প্রশ্ন না দেখে ভালমতে উত্তর করার অভ্যাস আছে মনে হয়, সেটা এখানেও চালিয়ে যাওয়া ঠিক হবে কি? মুখস্তবিদ্যা তেমন ভাল না, সেই কোন আমলে যুক্তির প্রকারভেদ মুখস্ত করেছিলেন, এখনও সব পোস্টে সেসব উগড়ে দিলে চলবে?
জ্বি জনাব, আপনার কথায় প্রবল, প্রখর যুক্তি আছে (কপিরাইট: বাফড়া)
তবে হলোকাস্ট নিয়া আপনার ফরিয়াদ বোধহয় আল্লাপাক রাব্বুলালামিন শুনেছেন । ফেসবুকে এসেছে এভরিবডি ড্র হলোকাস্ট ডে ।
এভরি বডি ড্র হলোকাস্ট ডে
দেশে যাওনের আগে আগে এইভাবে মাইনষেরে বেইজ্জত করার তীব্ব প্রতিবাদ জানাই ।
বদ দোয়া লইয়োনা ভাইডি
বদদোয়া মনে হয় লইয়া ফালাইছি, কারন দেশে গিয়া আরামে থাকতেরিনাই!
ওয়েল , ছোট্র একটি সংশোধনী : আপনার কথায় শুধু তীব্র ও প্রখর যুক্তিই আছে যে তা নয়, আপনার সাথে আছে ছাগলের তিন নম্বর ছানাটিও । আমি দুইবার পরাজিত ।
নারুদা - তুমি এখনও দেশে নিকি ??
চাঙ্কু, নারে ভাই। আমি এখন বৈদেশে চলে আসছি, ২ দিন হল। তুমি কি দেশে?
মন্তব্য করুন