নীড় সন্ধানী'এর ব্লগ
অপূর্ব এক তিতকুনে রাঙানো আকাশ
গরম পানির মগে ধূসর সাদা ছোট্ট টি ব্যাগটা চুবিয়ে দিলাম। মগের তলানিতে গিয়ে বসে গেল টি-ব্যাগটা চুপচাপ। কয়েক মুহূর্ত পরেই টিব্যাগের তলা থেকে সোনালি রঙের ঢেউ খেলানো লিকার মগের তলদেশ আলোকিত করতে শুরু করে। অপূর্ব এক দৃশ্য। আমি মুগ্ধ চোখে তাকিয়ে থাকি। জলের ভেতর ভেজা ধোঁয়া যেন, কুন্ডলী পাকিয়ে ওঠা রঙিন লিকারগুলো ছড়িয়ে পড়তে থাকে সারা মগে।
অনাঘ্রাত দীর্ঘশ্বাস
ওপেন সোর্স ভালোবাসা
পাসওয়ার্ড ছাড়াই অবাক লগ ইন করলাম তোমার জীবনে-
ঠিক করে বলোতো,
এই উন্মুক্ত দ্বার কি কেবল আমারই জন্য?
নাকি সকল হ্যাকার পুরুষের জন্য!
ভেবেছি তুমি এক ওপেন সোর্স ভালোবাসা-
তাই ডিজিটালি আমি কেবল তোমাকেই চেয়েছি
...............................................................
এরর মেসেজ....ওরা বলছে ৫০ শব্দের কমে কোন অনুভুতি প্রকাশ নিষিদ্ধ।
আবার 'কাগু'
খামাকা গুগলে সার্চ দিলাম - 'কাগু'। এক সেকেন্ডেরও কম সময়ে 63,500 results আসলো। প্রথম দশটা দেখেন-
পাইরেটেড কাগু | Facebook
কাগু মহান! কাগু আমাদের কান্ডারী
যাকে তাকে কাগু বলা যাবেনা-
আমাদের ফনেটিক ভীতির কারন : অভ্র বনাম
সন্ন্যাসী কাগু'গুপ্ত | সচলায়তন
গল্প, গল্প-না অথবা কল্পনা: সন্ন্যাসী
ওয়েব ভ্রমন বিনোদন, বিফলে মূল্য ফেরত
কাগু | চতুর্মাত্রিক - বাংলা ব্লগ
কাগু ফ্রন্ট
পাগলরে তুই সাঁকো নাড়াইস নারে
প্রথম দেখা লেটেষ্ট কম্পিউটার
আশির দশকের দ্বিতীয়ার্ধে প্রথমবারের মতো শুনতে পাই কম্পিউটার নামক আজব বস্তুটার কথা। এই যাদুকরী বাক্সটিতে নাকি হেন কিছু নাই পাওয়া যায় না। তখনো সচক্ষে কোন কম্পিউটার দেখিনি। কেবল শুনে শুনেই গপ্পো করি। টিভিতে তখন নাইট রাইডার সিরিজ চলছিল। গাড়ীর সাথে কথা বলে নাইট রাইডারের নায়ক মাইক। সকল প্রশ্নের উত্তর দেবার এবং তার সকল ক্ষমতার উৎস এই গাড়ীটা। আমার ধারনা হয় মাইক তার গাড়ীকে যেভাবে হুকুম দিয়ে চালায়, কম্পিউটার
পাইরেটেড সুরঞ্জনা
সুরঞ্জনা,
তোমাকে কখনো বলিনি ওই যুবকের পানে যেও না।
তাই বলে চলে যাবে যার সাথে নেই কোন জানা শোনা?
সুরঞ্জনা,
তোমাকে আজকাল নিয়মিত দেখছি না।
আছি আমি ঘরে-বাইরে রাস্তায় হাটে মাঠে ঘাটে
তোমাকে খুঁজছি সবখানে- কোথাও পাচ্ছি না।
সুরঞ্জনা,
তোমাকে কতবার বলেছি আমাকে ছেড়ে দুরে যেও না।
তবু তুমি দুরে যাও- দুর থেকে দুরে চলে যাও
আবার ফিরবে কিনা সে ভাবনায় রাত্রে আমার ঘুম আসে না।
সুরঞ্জনা,
সে যে কেন এলো না, কিছু ভালো লাগে না
উল্টো দহন
দাড়িওয়ালা খেয়ে ধায়, গোঁফওয়ালা লটকে যায়
যে বয়সে ছেলেরা বালিকাদের কাছ থেকে একটু মনোযোগের আশায় জিন্সের তালি দেয়া প্যান্টের সাথে উল্টা সেলাই করা টিশার্ট পরে থুতনির গোড়ায় এক চিমটে দাড়ি নিয়ে রাস্তার মোড়ে কিংবা বালিকা স্কুলের গেটের অদূরে অপেক্ষমান থাকে, সেই বয়সে আমার এক বন্ধু রীতিমত কামেলত্ব অর্জন করেছিল বালিকা বান্ধবী সংগ্রহে। তার নেটওয়ার্ক ছিল সমগ্র বাংলাদেশ ৫ টনের মতো।