বৃত্তবন্দী'এর ব্লগ
নৌকা বাইচ...
অসংলগ্ন
সংবিধিবদ্ধ সতর্কী করণ- কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দিবেন্না
*সংবিধিবদ্ধ সতর্কী করণ- কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দিবেন্না
*সংবিধিবদ্ধ সতর্কী করণ- কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দিবেন্না
*সংবিধিবদ্ধ সতর্কী করণ- কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দিবেন্না
*সংবিধিবদ্ধ সতর্কী করণ- কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দিবেন্না
*সংবিধিবদ্ধ সতর্কী করণ- কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দিবেন্না
*সংবিধিবদ্ধ সতর্কী করণ- কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দিবেন্না
*সংবিধিবদ্ধ সতর্কী করণ- কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দিবেন্না
নিজের সাথেই কথা বলা ১
**
▼
▼
▒ আচ্ছা, বন্ধুত্ব কি?
▼
▓ হটাৎ বন্ধুত্বের ডেফিনিশন চাওয়ার কারণ?
▼
▒ নাঃ। এমনিই ভাবছি আর কি। হাবিজাবি কত চিন্তাই তো মাথায় আসে, তাইনা?
▼
▓ নিশ্চই কোনো কারণ আছে।
▼
▒ কারণ খোঁজা বাদ। কিছু ব্যাপারে মাথায় চিন্তা ঢুকছে সেডির এ্যন্সার দর্কার।
▼
▓ যেরাম? এটলিস্ট কিছু হিন্ট ফিন্টতো দরকার...
▼
▒ যেরাম ধরো... বন্ধুত্ব কি কোনো শর্ত মাইনা হয়? না হওন উচিত?
▼
আত্মমগ্ন কথামালা- (একমুঠো শহুরে জোনাকের স্মৃতি)
ওরা হাঁটছে করিডোর ধরে... আর এক এক করে জোনাকের লাশ গুনে চলছি আমরা।
.
শহুরে মানুষগুলো কখনো জোনাক দেখেনি
তাই তারা জানে না জোনাক হতে গেলে কাঁধে পাখা থাকতে হয়
নয়তো নিজের আগুনেই নিজের পুড়ে যাওয়ার নিয়ম লেখা গ্রন্থিত ইতিহাসে।
.
.
.
সেদ্ধ অর্ধসেদ্ধ জোনাকের দেহ জমে উঠছিল করিডোর জুড়ে।
.
.
.
ওরা হেঁটে আসছে করিডোর ধরে
.
ওদের হাতের মহামূল্যবান আংটি থেকে ঠিকরে পড়ছে মৃত্যুর রং
.
আত্মমগ্ন কথামালা (অসতর্ক রক্তবীজ)
।
রৌদ্রের গান শুনে ঘুমিয়ে পড়ে বাসন্তী ফুলের সুঘ্রাণ..
ভেজা দুপুরের স্বপ্ন, ছায়াচিত্র আঁকে এলোমেলো সাপের কক্ষপথে...
গোপন জিহ্বার ঘাসদল, চেটে নেয় অসমকামী পশুদের নগ্ন বাহুমূল...
আর বিবর্ধিত জোছনারা জমা হতে থাকে ক্যামেরার শীতল ডিসপ্লে জুড়ে
ওদিকে
পদাতিক মেঘেদের মহড়ায় ঘরময় উড়তে থাকে মনখারাপের ছেঁড়া পাতা
এবং অসতর্ক সময়ের রক্তবীজ...
।
।
।
।
____________________________
এলোমেলো মুক্তগদ্য
একটা পলাশ ফুলের মৃত্যু সংবাদ
একটি পলাশ ফুলের মৃত্যু ঘটেছে।
শত ক্রোশ দুর থেকে ফুলটি
এসেছিলো এই শহরের বুকে,
পাপড়ির শত-কোটি স্বপ্নেরা নিপাট ভাঁজে
জমা ছিলো বুক পকেটে।
এখন...
কিছুই আর অবশিষ্ট নেই।
বাসের চাকায় পিষে গেছে পীচ ঢালা রাজপথে।
কাল...
অথবা
পরশু...
কেউ খোঁজও করবেনা রাজপথে মিশে যাওয়া পলাশের লাল।
_________________________________________________
.
.
.
.
.
.
.
.
নির্লিপ্তির গভীরে ডুবে যাই
শিশুরা নির্যাতিত হয়। কাগজে বড় বড় অক্ষরে খবর ছাপা হয়। আমি অসীম নির্লিপ্তির সাথে এড়িয়ে যাই। মানুষেরা অমানুষের মত আচরণ করে, আমি নির্লিপ্ত হাতের ইশারায় জানালার পর্দা টেনে দেই। মানুষের দুঃখ-কষ্টগুলো আমাকে আর স্পর্শ করতে পারে না। কেমন যেনো একটা কুয়াশা ঢাকা চোখে তাকিয়ে থাকি। চোখের দরজা পার করে ঘটনাগুলো মনের ঘরে পৌছুতে পারে না।
আত্মমগ্ন কথামালা- (একটা মিছিলের স্টিল ফটোগ্রাফ)
একটা ছবি তুললাম|
মিছিলের ছবি|
বরাবরের মতই,
এই ছবিতেও আমি মিছিলের অদৃশ্য আগুনটাকেই ধরতে চেয়েছিলাম|
তন্নতন্ন করে খুঁজেও, কোথাও আগুন পেলাম না|
ফোকাসে যাদের দেখা যাচ্ছে,
তাদের মুঠি বাঁধা হাতের কোথাও আগুন নেই|
কারো আঙ্গুলের ফাঁকে বাজারের ব্যাগের ক্লান্তি,
কারো হাত বেয়ে ঘামের সাথে নামছে নির্জীবতা,
কারো হাতে জমে আছে পাশবিকতা|
ছবির চোখগুলোর দিকে তাকাই|
কারো চোখের কোণে জমা বিষন্নতা,
আত্মমগ্ন কথামালা (পাখিসূত্র)
.
.
একঝাঁক পাখি উড়ে যাবে জমাট বরফের ভিতর দিয়ে
ছন্দহীন ডানায় বয়ে নেবে সুখ ও দুঃখের সকল বিশ্লেষণ
পায়ের নখে ছিঁড়ে দেবে ফুলেদের রঙিন সঙ্গম
সূর্যদেবতার পাপ ছড়িয়ে দেবে মঠের দেয়ালে জানালায়
গৃহত্যাগী সন্যাসীরা কোষ মুক্ত তরবারি হাতে হত্যায় নিবিষ্ট হবে
সদ্যজাত শিশুদের রক্ত পানের উত্সব শেষে ঘরে ফিরবে কিষাণীর এলোমেলো পা
পাখিসুত্র লেখা হবে স্বর্ণকারের কষ্টি পাথরে|