নবাব সিরাজউদ্দৌলা (ভার্সন - ২০০৯)
১ম দৃশ্য
নবাব সিরাজ বসে আছেন সিংহাসনে। তাঁর সামনে চেয়ারে উপবিষ্ট সভাসদ।
সিরাজঃ বাংলা বিহার উড়িষ্যার মহান অধিপতি......
এমন সময় কে যেন বলে উঠলো - কা-আ-ট
সিরাজঃ কে কে ওখানে ? কাট বলে কে ?
জনৈক সভাসদঃ গোস্তাগি মাফ করবেন হুজুর। বাংলা সিনেমার এক আবার ডিরেক্টর, আপনার রাজদরবারে "দেবদাস" সিনেমার শুটিং এ এসেছিল। আপনার ডায়লগ শুনে মনে করেছে এখানেও সিনেমার শুটিং হচ্ছে বুঝি !!!
বাংলা ব্যকরন ক্লাশ - ১ (আজকের বিষয় - এক কথায় প্রকাশ)
যাহা মাঝে মাঝে আসে - ইলেকট্রিসিটি
যাহা নিভু নিভু করিয়া জ্বলে - গ্যাসের চুলা
যাহা পাওয়া দুস্কর - ওয়াসার পানি
যাহা অতিক্রম করা যায়না - ঢাকার রাজপথ।
যাহারা অবিরত চাঁপা মারিয়া থাকে - নেতা
ক্রয় বিক্রয় করিবার স্থান - ফুটপাত
যাহা ৫ বছর পর পর পরিবর্তনশীল - যাবতীয় নাম
খিস্তী খেউড় করিবার স্থান - সংসদ
মারামারি করিবার স্থান - বিশ্ববিদ্যালয়
লোক দেখানো যাহা - চেতনা
একটি সকালের গল্প [অনুগল্প]
বয়ে চলা জীবন কাব্যের পান্ডুলিপি ...২
হাসের বাচ্চার সাঁতার শেখা (যথারীতি পূর্ব প্রকাশিত)
১৯৯৭ তে চাকুরি তে ঢুকি। ১৯৯৯ কি ২০০০ সালেই ইন্টারনেটের সাথে প্রথম পরিচিত হই। তখন অফিসে হাতে গোনা কয়েকজনের কম্পিউটার এ ইন্টারনেট সংযোগ দেয়া হয়েছিল, আমি তার মধ্যে একজন। অফিসে, বন্ধু মহলে ভাব বেড়ে গেল কয়েক গুন। কয়েক দিনের মধ্যেই আবিষ্কার করলাম ইন্টারনেটের বিশাল উপকারী জিনিস - চ্যাটিং। আমাদের সার্ভারের জন্য প্রথম কয়েকদিন mirc এর বাংলাদেশ রুমে যেতে পারিনি। প্রথম প্রথম তখন একটা ওয়েব (www.bangla2000.com)
ইজতেমার বয়ান ও বেয়ান
গল্প কিংবা ......
ভিষন ভীড়ের মধ্যে ঠাসাঠাসি করে কোন মতে জামা দেখে বের হয়ে এসেছে রীনা। কয়েকটা দোকান দেখে শেষ পর্যন্ত একটা জামা পছন্দ হোল তার। সব দোকানে গিয়ে দেখে সেলসম্যানরাও বেশ আনন্দ সহকারে ব্যস্ততার উপভোগ করছে । আশে পাশে ভীড় উপচে পড়ছে যেন। কেমন একটা উৎসব উৎসব ভাব চারিদিকে। প্রকৃতিও সেরকম - ঠান্ডাও না এখন , আবার গরম ও না। যে কোন উপ্লক্ষ্যেই এখন সবাই নতুন জামা কিনে , রীনাও তাই কিনতে বের হয়েছে।
বয়ে চলা জীবন-কাব্যের পান্ডুলিপি ১
একটা লেখা শুরু করেছিলাম , খোঁড়াতে খোঁড়াতে ৪ পর্ব ও দিলাম। এরই মাঝে আমার অফিস থেকে দেয়া ল্যাপটপ টা তে শুরু হল নানান ঝামেলা। ল্যাপটপ টা আমি আমার মত করে সাজিয়ে নিয়েছিলাম অভ্র , বাংলা ফন্ট দিয়ে । জনাব ভাইরাস সিস্টেম ফাইল খেয়ে ফেলাতে সেইফ মোড ছাড়া ঢোকা যায়না উইন্ডোজে, তাও কোন মতে ঢোকার পর শুরু হয় একের পর এক ফাইল নাই , এই এরর , সেই এরর ম্যসেজের উৎপাত। অফিসে নিয়ে যে ফরম্যাট দিয়ে আবার সেট আপ দিব - তার উপা
দূরের মানুষ - কাছের মানুষ [গল্প - ৪র্থ পর্ব]
- আজ ১৪ মিনিট দেরী , কালকের থেকে।
- বাহ! সময়ের হিসাব রাখেন দেখি। অপেক্ষায় থাকেন এই সময়ের ?
- ঠিক অপেক্ষা না , আবার অপেক্ষা বলতে পারেন। সংসারের কাজ সেরে এই সময়টুকু এমনিতেই অলস সময় কাটে বিশ্রামে। সেই সময় টুকু একজনের সাথে কথা বলে একাকীত্ব কাটাই, কথা বলে। নিজের সাথেই নিজে কথা বলি , আপনার সময়টুকু নষ্ট হয় মাঝে।
- খুব হতাশ মনে হয়। আপনার স্বামী-সন্তান নিয়ে তো মনে হয় সুখে আছেন, ভালো আছেন।
দূরের মানুষ - কাছের মানুষ [গল্প - ৩য় পর্ব]
মাথার কাছে নিঃস্বাস ফেলার শব্দ করে এ সি টা চলছে আবিদের রুমে। বছর খানেক হল এখানে অফিস নিয়েছে আবিদ। নয়া পল্টনে ছোট খাটো অফিস, হাতে গোনা কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী। গত বছর এই সি এ ফার্ম দিয়ে এরই মধ্যে বেশ কিছু কাজ করে ফেলেছে সে, মার্কেটে একটু একটু করে বাড়ছে তার পরিচিতি। একটু আগে এক ক্লায়েন্ট এসে মিটিং করে গেল আবিদের সাথে। মিটিং শেষ করে আবিদ কাঁচের দেয়ালের দিকে তাকায়। উপর থেকে নিচ পর্যন্ত ভার্টিকেল ব্ল
দূরের মানুষ - কাছের মানুষ [গল্প - ২য় পর্ব]
দূরের মানুষ - কাছের মানুষ [গল্প - ১ম পর্ব]
বাড়ীগুলোর সামনে দিয়ে টানা বিদ্যূতের তারে আপন মনে বসে থাকা কতগুলো কাক , তাদের মধ্যে একটা কা কা করে ডেকে যাচ্ছে তারস্বরে। কিছু বলতে চাইছে হয়তো , হয়তো কিছু বুঝাতে চাইছে সে। আর সকালের আড়মোড়া ভাঙ্গা সূর্য টা এরই মধ্যে তাপ বিলাতে শুরু করেছে চারপাশে। তার আলো ঢাকা শহরের উচু উচু দালান ভেদ করে ভূমিতে স্পর্শ করুক বা না করুক, তাপ পৌছে যাচ্ছে সেই ভূমিতে , পিচ ঢালা রাস্তায় , ডোবা - নালায় এমনকি পরিপাটি করে সাজান
আসুন পিকনিকে গিয়ে নিকনিক করি
পিকনিক - সর্বশেষ আপডেট।
আমরা বন্ধু ব্লগ এবং আমরা বন্ধু ইয়াহু গ্রুপের সকল সদস্যদের অত্যন্ত আগ্রহের প্রেক্ষিতে আগামী ফেব্রুয়ারী ০৫, ২০১০ তারিখে আমরা এক চড়ুইভাতির আয়োজনে গাজিপুরের কালিয়াকৈরের একটি রিসোর্টে একত্র হচ্ছি। সন্মানিত অংশগ্রহণকারীদের অবগতীর জন্য কিছু বিষয় তুলে ধরা হলো:
১। পিকনিকের চাঁদা জমা দেয়ার শেষ সময় আগামী বৃহষ্পতিবার (২৮শে জানুয়ারী)
অপেক্ষা [গল্প] - শেষ কিস্তি।
রিমি- এইস এস সি ফার্ষ্ট ইয়ারে পড়া মেয়ে, আনোয়ার দম্পতির ২য় সন্তান। এই বয়সের মেয়েদের মতই সে বেশী বেশী অভিমানী, বেশী বেশী আবেগী। অল্পতেই যেমন উৎফুল্ল হয় প্রচন্ড তেমনি অল্পতেই মনে হয় তার থেকে কষ্টে আর কেউ নাই। মুখে সদ্য গজানো ব্রন দেখে আত্মহত্যা করতে ইচ্ছে হয়, তেমনি অল্পতেই খিল খিল করে হাসির ফোয়ারা ছুটে, সেই হাসিতে সিক্ত হয় শরীর, মন এমন কি পাশে বসা বাসের সিটের মানুষটিও কিংবা পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়া কোন অ