ইউজার লগইন

সাঈদ'এর ব্লগ

বয়ে চলা জীবন কাব্যের পান্ডুলিপি - ৫

এক.

দিবাস্বপ্নের মতই ছিল স্বপ্ন গুলো, আশা ছিলনা , ছিলনা কোন লক্ষ্য। কেউ যদি প্রশ্ন করে ছোটবেলায় তুমি কি হতে চেয়েছিলে? সমস্যায় পড়ে যাই। কোন কিছুই তো হতে চাইনি তখন। শুধু বড় হতে চেয়েছিলাম, আর কিছু না।

বড় হতে হতে ,চলতে চলতে এই চলার পথে কত জনের সাথে পরিচয় হলো। পরিচয় হলো ছাত্র জীবনে , পরিচয় হলো কর্ম জীবনে। সেই সাথে পরিচয় হলো ভার্চুয়াল জীবনে - সে চ্যাটিং, ব্লগিং কিংবা অন্যকোন ভাবেই হোক।

রবীন্দ্রনাথের রচনা নিয়ে গবেষণা

রবীন্দ্রনাথের গান নিয়ে কিছুদিন ধরে গবেষণা করছিলাম। গবেষণা করে দেখলাম রবি বাবু যে আমাদের জীবন যাপনের কথা ভেবে এত আগেই গান রচনা করে গেছে, তা কে জানতো ?

রবিন্দ্রনাথের রচনা বিশেষ করে গানের প্রাসঙ্গিক ব্যবহার যুগ যুগ ধরে হয়ে এসেছে প্রেমের ক্ষেত্রে, ছ্যাকামাইছিন খাইলে, নাটকে কিন্তু আসলে তিনি গান লিখেছেন অন্য কারণে, সেটা কেউ ধরতে পারে নাই আমার আগে, গবেষণা করে সেটাই পেলাম।

যেমনঃ

শিরোনামহীন।

ঝিঝি পোঁকার বিরামহীন ডেকে চলা , মাঝে মাঝে তা ছাঁপিয়ে সুপারির পাতায় হুমড়ী খেয়ে পড়া বাতাসের সাথে সুপারির পাতার ধস্তাধস্তির শব্দ। সেই বাতাসের কিছু অংশ মাঝে মাঝে পথ ভুলে ঢুকে পড়ছে জানালার ভিতরে, বের হবার পথ না পেয়ে আবার ফিরে যায় অজানায়।

একটি পোষ্ট, নিজের ঢোল নিজে পিটানো এবং একখানা সাহায্যের আবেদন।

ছবি তোলার শখ অনেক আগে থেকেই।

আজকের আমরা বন্ধুর আড্ডা + খাড্ডা

একটি উপন্যাসের গল্প

অন্তু অনেক ক্ষন ধরে দাঁড়িয়ে আছে ফুটপাতের পাশের রেলিঙে হেলান দিয়ে।

সামনে দিয়ে অজস্র লোক আসা যাওয়া করছে কেউ দ্রুত পায়ে কেউ আস্তে ধীরে, ভীড় সামলে । সবারই প্রচন্ড তাড়া, সবারই বাসায় যেতে হবে কিংবা কর্মস্থলে কিংবা যার কোথাও যাবার যায়গা নেই তাকেও হয়তো যেতে হবে নতুন করে বানিয়ে নেয়া ঠিকানায়।

ঃপল - The Octopus এর গণনার বহুমুখী ব্যবহারঃ - আপনাদের বুদ্ধি চাই।

এবারের বিশ্বকাপে পল - The Octopus কে গোল্ডের বুট দেয়া উচিত ছিল, এমন নির্ভুল গণনার জন্য ।

বেচারা যা কইছে তাই লাগছে। ঝড়ে বক পড়লেও এরকম ভাবে তো আর পড়ে না তাই পল কে আমাদের গণক ঠাকুর কইতেই হয়।

পল কে ইতঃমধ্যে খেয়ে ফেলার , মেরে ফেলার ছেড়ে দেয়ার হুমকী আইছে। খুবই খারাপ কথা। শুনে খুবই খারাপ লাগলো আমার।

আমি কেন খেলোয়াড় হইলাম না

অনেক চিন্তা ভাবনা করে দেখছিলাম যে আসলে খেলোয়াড় হওয়া উচিত না আমার জন্য, তাই আর খেলোয়াড় হই নাই জীবনে, সে ফুটবল হউক, ক্রিকেট হউক আর লন টেনিস হউক ।

বয়ে চলা জীবন কাব্যের পান্ডুলিপি - ৪

চলতে চলতে একদিন হঠাৎ থেমে গিয়েছিলাম। হঠাৎ করেই মনে হল , আমি চলছি কেন ? এই যে নিত্য ছুটে চলা বিরামহীন ভাবে সকাল সন্ধ্যা... কি হবে এই ছুটে চলে ?

অবাক পৃথিবী (বিশ্বকাপ ২০১০ ভার্সন)

অবাক পৃথিবী অবাক করলে তুমি
টিভি খুলেই দেখি ক্ষুব্ধ ফুটবল ভূমি

অবাক পৃথিবী অবাক করলে আরো
দেখে খেলা না বুঝেই বলে আর্জেন্টিনার সাপোর্ট করো।

অবাক পৃথিবী অবাক যে বার বার
দেখে এই দেশে আর্জেন্টিনার সাপোর্টারগো কারবার

হিসেবের খাতা যখন নিয়েছি হাতে
মিলাতে পারিনি ২ বারের কে ৫ বারের চ্যাম্পিয়ানের সাথে

বারে বারে শুধু আশাহতই হলাম জেনে
কিছুই না পেয়ে নারীর অন্তর্বাস কে যখন তারা টানে

আষাঢ় মাসে আসেন আষাঢ়ে গপ্পো করি। (আপডেটেড)

আষাঢ় মাস আরম্ভ হলো আজ, যদিও বৃষ্টির দেখা নাই। বৃষ্টি আসুক আর নাই আসুক আজ বর্ষা

তা আষাঢ় মাসে আষাঢ়ে গপ্পো না করলে কি জমে নাকি !!! চলেন সবাই মিলে আষাঢ়ে গপ্পো শুরু করি। আমি শুরু টা করলাম, পরের অংশ যোগ করার দায়িত্ব বাকী সবার। সবার লেখা পর্যায়ক্রমে যোগ করে হবে গপ্পো।

`````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````

আষাঢ় মাসে আসেন আষাঢ়ে গপ্পো করি।

আষাঢ় মাস আরম্ভ হলো আজ, যদিও বৃষ্টির দেখা নাই। বৃষ্টি আসুক আর নাই আসুক আজ বর্ষা

তা আষাঢ় মাসে আষাঢ়ে গপ্পো না করলে কি জমে নাকি !!! চলেন সবাই মিলে আষাঢ়ে গপ্পো শুরু করি। আমি শুরু টা করলাম, পরের অংশ যোগ করার দায়িত্ব বাকী সবার। সবার লেখা পর্যায়ক্রমে যোগ করে হবে গপ্পো।

`````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````````

নাম দেই নি

কোথায় কখন দেখেছিলেম
মনে নেই

হয়তো হেমন্তের শিশিরের চিক চিক করা
সূর্যালোকে ক্ষনিকের তরে ঘাষের নরম ডগায়
বুঁনোহাঁসের পালকের নরম উষ্ণতায় কিংবা
ফেলে যাওয়া চড়ুইয়ের খড় কুটোর মত
স্বপ্ন বোনার মত নীড়ে

মেঘনায় ঢেউয়ে ডুবে যাওয়া সূর্যের মত লাল টিপ
আঁকা তোমার কপালের ভাজে
রক্তিম আকাশের প্রতিচ্ছবি বুকে নিয়ে
লাল হওয়া স্রোতের মত তোমার কপোলে
বয়ে চলা ভাবনার ঢেউ

বিশ্বকাপে আত্মীয় স্বজন

বিশ্বকাপে আমার কোন আত্মীয় স্বজন নাই কিন্তু .........

আমাদের সবার আত্মীয় স্বজন নিয়ে কথা বলছি।

এই যে দেখেন বিশ্বকাপে কাকা তো আছেই আগে থেকে, মাসি (মেসি) ও আছে।

তার সাথে আবার যোগ হইছে নানি !!!

আল্লাহ জানে আর কে কে আসে বিশ্বকাপে !!! এখনও মামা, পিসি, খুড়ো, দাদা, নানা বাদ আছে।

কে জানে সামনে কবে কে আসে আবার !!!!

তিনি আমার বড় মা ছিলেন

তিনি ১২ বছর বয়সেই আমার নানার মা হয়ে আসেন, নানার আপন মা মারা গেলে নানার বাবা তাঁকে বিয়ে করে নিয়ে আসেন সংসারে। তাঁর ছেলে ছিল তাঁর খেলার সাথী।

দূর্ভাগ্যক্রমে তিনি ১৬ বছর বয়সেই বিধবা হন। নিজের কোন সন্তান হয়নি, অন্য কোথাও বিয়ে বসার কথা তখনকার সমাজে কেউ কল্পনাও করতে পারতোনা বলে তিনি বিধবা হয়েই, সাদা শাড়ী পড়েই সারা জীবন কাটিয়ে দিলেন , নানা কে আগলে ধরে রেখে।