Best Drupal HostingBest Joomla HostingBest Wordpress Hosting

ইউজার লগইন

সেমিনার এবং অতঃপর ...

আমাদের এক বন্ধু । ওর সাথে পরিচয় সেই ছোট বেলা থেকে। ২৬ বছর বয়স হবে বন্ধুত্বের। নাম না হয় নাই কইলাম। ধইরা নেন ওর নাম - মিঃ এক্স।

আড্ডায় কেডা কেডা আইতাছেন ?

১৭ তারিখে আড্ডা উপলক্ষ্যে গরুর তেহারী রান্না করতেছি। (সবাই জোরে বলেন আমীন আর লগে ১ প্যাকেট ওরস্যালাইন নিয়ে আইসেন )

আপডেটঃ তেহারী না , খাসির রেজালা , সবজি আর খিচুড়ী রান্না হইবে (তবুও সবাই ওরস্যালাইন নিয়ে আইসেন ...কওন যায়না)

সাথে সালাদ থাকতাছে। কুক থাকতাছে ।

বাড়তি হিসাবে এক কাপ ইশপিসাল চা বানায় খাওয়াবো সবাইরে।

নবাব সিরাজউদ্দৌলা (ভার্সন - ২০০৯)

১ম দৃশ্য

নবাব সিরাজ বসে আছেন সিংহাসনে। তাঁর সামনে চেয়ারে উপবিষ্ট সভাসদ।

সিরাজঃ বাংলা বিহার উড়িষ্যার মহান অধিপতি......

এমন সময় কে যেন বলে উঠলো - কা-আ-ট

সিরাজঃ কে কে ওখানে ? কাট বলে কে ?

জনৈক সভাসদঃ গোস্তাগি মাফ করবেন হুজুর। বাংলা সিনেমার এক আবাল  ডিরেক্টর, আপনার রাজদরবারে "দেবদাস" সিনেমার শুটিং এ এসেছিল। আপনার ডায়লগ শুনে মনে করেছে এখানেও সিনেমার শুটিং হচ্ছে বুঝি !!!

বাংলা ব্যকরন ক্লাশ - ১ (আজকের বিষয় - এক কথায় প্রকাশ)

যাহা মাঝে মাঝে আসে - ইলেকট্রিসিটি

যাহা নিভু নিভু করিয়া জ্বলে - গ্যাসের চুলা

যাহা পাওয়া দুস্কর - ওয়াসার পানি

যাহা অতিক্রম করা যায়না - ঢাকার রাজপথ।

যাহারা অবিরত চাঁপা মারিয়া থাকে - নেতা

ক্রয় বিক্রয় করিবার স্থান - ফুটপাত

যাহা ৫ বছর পর পর পরিবর্তনশীল - যাবতীয় নাম

খিস্তী খেউড় করিবার স্থান - সংসদ

মারামারি করিবার স্থান - বিশ্ববিদ্যালয়

লোক দেখানো যাহা - চেতনা

একটি সকালের গল্প [অনুগল্প]

কাদের ঘুম থেকে জেগে দেখে মাথার কাছের ফ্যানটা নিশ্চুপ হয়ে আছে। সারারাত ঘড় ঘড় শব্দ করে বাতাস দেয়া টেবিল ফ্যান এখন আর নড়াচড়া করছে না। নিচে তোষক , চাদর, বালিশ ঘামে ভিজে জুবুথুবু অবস্থা। অনেক ক্ষন ধরেই ইলেকট্রিসিটি নাই।

বয়ে চলা জীবন কাব্যের পান্ডুলিপি ...২

মাঝে মাঝে কোন কিছুই ভালো লাগেনা - রোগে ধরে। কিছুই ভালো লাগেনা তখন, ব্লগিং, আড্ডা, এমনকি অফিসও। সেই সময়টা কারো সাথে সাথে দেখা করিনা, আড্ডা দেইনা , অফিস জোর করে যাই, অফিসে গিয়েও প্রয়োজন না পড়লে কারো সাথে কথা বলিনা। নিজের ভিতরেই নিজে লুকাই।
নিজের ছায়ার সাথে খেলি।

হাসের বাচ্চার সাঁতার শেখা (যথারীতি পূর্ব প্রকাশিত)

১৯৯৭ তে চাকুরি তে ঢুকি। ১৯৯৯ কি ২০০০ সালেই ইন্টারনেটের সাথে প্রথম পরিচিত হই। তখন অফিসে হাতে গোনা কয়েকজনের কম্পিউটার এ ইন্টারনেট সংযোগ দেয়া হয়েছিল, আমি তার মধ্যে একজন। অফিসে, বন্ধু মহলে ভাব বেড়ে গেল কয়েক গুন। কয়েক দিনের মধ্যেই আবিষ্কার করলাম ইন্টারনেটের বিশাল উপকারী জিনিস - চ্যাটিং। আমাদের সার্ভারের জন্য প্রথম কয়েকদিন mirc এর বাংলাদেশ রুমে যেতে পারিনি। প্রথম প্রথম তখন একটা ওয়েব (www.bangla2000.com)

ইজতেমার বয়ান ও বেয়ান

[আগামী বছর থেকে নাকি ইজতেমা ২ বার হবে । একটু চিন্তায় আছি, আখেরী মোনাজাত কি ২ বার হবে নাকি?? যাই হোক , একটা ইজতেমা নিয়ে স্মৃতি আমরা বন্ধু জন্য দিলাম, আগেও প্রকাশ করেছিলাম অন্য ব্লগে। ]

গল্প কিংবা ......

ভিষন ভীড়ের মধ্যে ঠাসাঠাসি করে কোন মতে জামা দেখে বের হয়ে এসেছে রীনা। কয়েকটা দোকান দেখে শেষ পর্যন্ত একটা জামা পছন্দ হোল তার। সব দোকানে গিয়ে দেখে সেলসম্যানরাও বেশ আনন্দ সহকারে ব্যস্ততার উপভোগ করছে । আশে পাশে ভীড় উপচে পড়ছে যেন। কেমন একটা উৎসব উৎসব ভাব চারিদিকে। প্রকৃতিও সেরকম - ঠান্ডাও না এখন , আবার গরম ও না। যে কোন উপ্লক্ষ্যেই এখন সবাই নতুন জামা কিনে , রীনাও তাই কিনতে বের হয়েছে।

বয়ে চলা জীবন-কাব্যের পান্ডুলিপি ১

একটা লেখা শুরু করেছিলাম , খোঁড়াতে খোঁড়াতে ৪ পর্ব ও দিলাম। এরই মাঝে আমার অফিস থেকে দেয়া ল্যাপটপ টা তে শুরু হল নানান ঝামেলা। ল্যাপটপ টা আমি আমার মত করে সাজিয়ে নিয়েছিলাম অভ্র , বাংলা ফন্ট দিয়ে । জনাব ভাইরাস সিস্টেম ফাইল খেয়ে ফেলাতে সেইফ মোড ছাড়া ঢোকা যায়না উইন্ডোজে, তাও কোন মতে ঢোকার পর শুরু হয় একের পর এক ফাইল নাই , এই এরর , সেই এরর ম্যসেজের উৎপাত। অফিসে নিয়ে যে ফরম্যাট দিয়ে আবার সেট আপ দিব - তার উপা

দূরের মানুষ - কাছের মানুষ [গল্প - ৪র্থ পর্ব]

- আজ ১৪ মিনিট দেরী , কালকের থেকে।
- বাহ! সময়ের হিসাব রাখেন দেখি। অপেক্ষায় থাকেন এই সময়ের ?
- ঠিক অপেক্ষা না , আবার অপেক্ষা বলতে পারেন। সংসারের কাজ সেরে এই সময়টুকু এমনিতেই অলস সময় কাটে বিশ্রামে। সেই সময় টুকু একজনের সাথে কথা বলে একাকীত্ব কাটাই, কথা বলে। নিজের সাথেই নিজে কথা বলি , আপনার সময়টুকু নষ্ট হয় মাঝে।
- খুব হতাশ মনে হয়। আপনার স্বামী-সন্তান নিয়ে তো মনে হয় সুখে আছেন, ভালো আছেন।

দূরের মানুষ - কাছের মানুষ [গল্প - ৩য় পর্ব]

মাথার কাছে নিঃস্বাস ফেলার শব্দ করে এ সি টা চলছে আবিদের রুমে। বছর খানেক হল এখানে অফিস নিয়েছে আবিদ। নয়া পল্টনে ছোট খাটো অফিস, হাতে গোনা কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী। গত বছর এই সি এ ফার্ম দিয়ে এরই মধ্যে বেশ কিছু কাজ করে ফেলেছে সে, মার্কেটে একটু একটু করে বাড়ছে তার পরিচিতি। একটু আগে এক ক্লায়েন্ট এসে মিটিং করে গেল আবিদের সাথে। মিটিং শেষ করে আবিদ কাঁচের দেয়ালের দিকে তাকায়। উপর থেকে নিচ পর্যন্ত ভার্টিকেল ব্ল

দূরের মানুষ - কাছের মানুষ [গল্প - ২য় পর্ব]

চা শেষ করে কাপ নিয়ে শাহানা তার বেড রুমে ঢুকে। এখনও সকালের বিছানা গোছানো হয় নাই। এক সময় তার শখ ছিল সেগুন কাঠের একটা খাট কিনবে , সেই শখ পূরন হয়েছে বছর খানেক আগেই । কারুকাজ করা খাটে জায়গায় জায়গায় ধূলো জমেছে , বিছানার চাদরটাও বেশ ময়লা হয়ে গেছে।

দূরের মানুষ - কাছের মানুষ [গল্প - ১ম পর্ব]

বাড়ীগুলোর সামনে দিয়ে টানা বিদ্যূতের তারে আপন মনে বসে থাকা কতগুলো কাক , তাদের মধ্যে একটা কা কা করে ডেকে যাচ্ছে তারস্বরে। কিছু বলতে চাইছে হয়তো , হয়তো কিছু বুঝাতে চাইছে সে। আর সকালের আড়মোড়া ভাঙ্গা সূর্য টা এরই মধ্যে তাপ বিলাতে শুরু করেছে চারপাশে। তার আলো ঢাকা শহরের উচু উচু দালান ভেদ করে ভূমিতে স্পর্শ করুক বা না করুক, তাপ পৌছে যাচ্ছে সেই ভূমিতে , পিচ ঢালা রাস্তায় , ডোবা - নালায় এমনকি পরিপাটি করে সাজান

আসুন পিকনিকে গিয়ে নিকনিক করি

পিকনিকে গিয়ে নিকনিক করা - কথাটা প্রথম শুনেছিলাম কোন একটা নাটকে, অনেক ছোট বেলায়। নায়ক ছিল আসাদুজ্জামান নূর আর নায়িকা লুৎফন্নাহার লতা। সেই থেকে মাথায় গেঁথে আছে এই নিকনিক করা কথা টা।

কিন্তু এই নিক নিক করা মানে কি বুঝায় ?