ইউজার লগইন

কাঁকন'এর ব্লগ

বর্ষশেষের হাবিজাবি

লেখকের গল্প আর পরিচালকের ছবি:
নৌকাডুবি সিনেমাটা দেখতে দেখতে মনে হল এই নৌকাডুবি টা আসলে রবীন্দ্রনাথের নৌকাডুবি না এটা ঋতুপর্নের নৌকাডুবি, রাবিন্দ্রিক আবহে রবীন্দ্রনাথের চরিত্রগুলো দিয়ে রবীন্দ্রনাথের গল্প দিয়েই ঋতুপর্ণ তার গল্প বলেছেন অন্য একটা ছবি একেছেন।। রবীন্দ্রনাথের কমলার মতন ঋতুপর্নের কমলা শুধু দ্বিধাহীন ভাবে স্বামি নামক টেমপ্লেট কে ভালোবাসতে পারলো না বরং যে রমেশ কে নলীনাক্ষ ভেবে ভালোবেসেছিলো আসল নলীনাক্ষকে পেয়েও রমেশের জন্য দূর্বলতা নিয়ে আসল নকলের দ্বিধায় আমার আরো বেশি আপন হল মনে হলো এমনি তো হওয়া উচিৎ। মন তো শুধু সাদা কালো নয় মনের হিসেবে বরং ধুসর জায়াগাটাই বেশি থাকে। তবে গল্পের রমেশের দ্বিধা, রমেশের মনে একবার হেমনলিনী একবার কমলার আসা যাওয়াটা ঋতুপর্ন মুছে দিলো বরং কমলার প্রতি সবটুকুনি আবেগহীন কর্তব্য কেন দেখাল বুঝলাম না (স্বজন থুক্কু স্বজাতিপ্রীতি নাকি?)।

পাঁচফোড়নের লাবড়া - ১

ফিহার ভোজনালয়:

কর্ণ - এক দূর্ভাগা যোদ্ধা অনাকাঙ্খিত সূর্য সন্তানের জন্মোপাখ্যান

যাদব বংশের রাজা সূরার রাজপুরী আলোকিত করেছিল এক অপূর্ব সুন্দর রাজকন্যা পৃথা, কালক্রমে যার রূপ গুণের ক্ষ্যাতি ছড়িয়ে পরে নিজ রাজ্য ছেড়েও আরো অনেক দূরে। রাজা সূরার নিঃসন্তান ভাই কুন্তীভূজার অনুরোধে সূরা তার কন্যা পৃথা কে কুন্তিভূজার কাছে দত্ত্বক দেন। সূরার ঘর আলোকরা পৃথা কুন্তীরূপে কুন্তীভূজার রাজ্য আলোকিত করতে থাকে। সেই সময়ে ধ্যান করতে করতে বিরক্ত হয়েগেলে মুনি-ঋষী রা বিভিন্ন রাজার আতিথ্য গ্রহণ করতেন।

দেবযানী ও জ্যোতি

কচের বিদায়ের পর সময় থেমে থাকেনি, থেমে থাকেনি দেবযানীর জীবনও। সময়ের প্রলেপ পড়েছে দেবযানীর আহত হৃদয়ে। সেই দুঃসহ সময়ে দেবযানীর সঙ্গী ছিলো অসুর রাজ ভৃষপ্রভ কন্যা রাজকুমারী শর্মিষ্ঠা। কোন এক পড়ন্ত সকালে দেবযানী ও শর্মিষ্ঠা জলকেলী করার জন্য রাজপুরীর সরোবরে গেল। শর্মিষ্ঠা ও দেবযানী তাদের পোষাক-পরিচ্ছদ শুকনো জায়গায় রেখে দুজনে জলে নামলো এবং বিভিন্ন জলক্রীড়ায় নিজ নিজ নৈপূণ্য প্রদর্শন করতে লাগলো। এমন সময় আচম

কচ ও দেবযানী উপাখ্যান

সে অনেক অনেক কাল আগের কথা, সেই সময়ের কথা যখন স্বর্গের দেবতারা কারণে অকারণে ধুলোর ধরণীতে নেমে আসতো, যখন নশ্বর মানুষেরা তপস্যার বলে বলীয়ান হয়ে কখনো কখনো দেবতাদের চেয়েও বেশি ক্ষমতাধর ও জ্ঞানি হতে পারতেন। এই গল্প সেই সময়ের গল্প যখন ত্রী-ভূবন এর কর্তৃত্ব নিয়ে যুদ্ধে লিপ্ত ছিল দেবতা আর অসুরেরা। দেবতা ও অসুরদের সেই যুদ্ধে অসামান্য ভূমিকা রেখেছিলো কিছু নশ্বর মানুষ।

ফেরা

১)

হাবিজাবি পোস্ট (কি লিখতে কি লিখি)

১)
গত দুইদিন ঝিরঝির বৃষ্টি ছিলো; গতকাল রাতে ঘুমোনোর সময় ভাবলাম আগামীকাল(আজ) খিচুরী রান্না করবো, আজ সকাল থেকে আর বৃষ্টি ছিলো না, কড়া রোদ ছিলোনা তবে মেঘলাও ছিলোনা, বাদ দিলাম খিচুরী রাঁধলাম ভাত, সন্ধে থেকে শুরু বৃষ্টির।
বৃষ্টি আমার সাথে সৃষ্টি ছাড়া আচরণ প্রায়সই করে। আমি বিছানার চাদর বালিশের কাভারের মতন বড় বড় জিনিস ধুলে রৌদ্রজ্জ্বল আকাশ থেকে বৃষ্টিপাত শুরু হয়ে যায়।

২)

গ্রীক পুরাণের সৃষ্টি পর্ব - ২

টাইটানদের সাথে যুদ্ধ জয় করার পর দেবরাজ জিউস প্রমিথিউস ও তার ভাই এপিমেথিয়াস কে দায়িত্ব দেয় পৃথিবীর জন্য নশ্বর জীব তৈরি করার এবং সেজন্য বিভিন্ন উপকরণ দেবতার তরফ থেকে দেয়াহয় প্রমিথিউস ও এপিমেথিয়াস কে। কিন্তু এপিমেথিয়াস দেবতাদের দেয়া উপহার শেষ করে ফেলে মানুষ সৃষ্টির আগে সৃষ্টি করা জীবদের দিয়ে দিয়ে,মানুষ সৃষ্টি করার সময় কোন স্বর্গীয় উপহার ই অবশিষ্ট ছিলো না। ধারালো নখ, দাত, খোলস, প্রখর দৃষ্টি শক্তি, ঘ্র

গ্রীক পুরাণের সৃষ্টি পর্ব - ১

Once upon a time .......

হাবিজাবি হাবিজাবি

বাঙালী জাতি হিসেবে খুবি ক্যাচাল প্রিয় এবং অভিমানি; এই অভিমান সম্ভবত ক্যাচালের বাই প্রোডাক্ট; ক্যাচল শেষে অভিমান করতে হয়, সবাই ঠোট ফুলিয়ে অভিমান করে আমি নাক ফুলিয়ে অভিমান করি, আমার মা আমাকে বলতো এই নাক ফোলায়া ফোসফোস করতে করতে নাকি আমার নাক মোটা হয়েগেছে। আমরা রাগ অভিমান করে পোস্ট ড্রাফট করি, আমাদের মাশরাফি-রকিবূল অভিমান করে খেলা ছেড়ে দেয়, আমাদের আসিফ আকবর  কিছুটা অভিমান নিয়ে গান

আজকের হাবিজাবি (গান আমি গেয়ে যাব এই আসরে..........)

১)

হাবিজাবি (ছায়ারো ছায়াতে সে অন্যজন - লিরিক্স)

১)
‌‌ আমার যখন কোন গান ভালো লাগে আমি সেই গান একনাগারে শুনতে থাকি যাকে বলে একদম পচায় ফেলা; আমি সেই গানের পেছনের গল্পটা ভাবতে চেষ্টা করি; আমার কেবলি মনে হয় একটা গানের পেছনে যে নানটা লিখেছে তার একটা গল্প আছে, যে সুরকরেছে তার অন্য আরেকটা গল্প আছে। বাস্তবে হয়তো এসব কিছুই থাকে না; তবু গান গুলোকে অবয়ব দিতে আমার ভালো লাগে;
আসুন একটা গান শুনি:

ভালোবাসার রসায়ন (lkhte giya dekhi sob vule gesi) কি মর্মান্তিক

১)

হাবিজাবি (হুমায়ূন আহমেদের চামরা তুলে নেব আমরা; হুমায়ূন আহমেদের চামরা লাগিয়ে দেব আমরা)

১)
"এই পথ যদি না শেষ হয়, তো বাইক চড়লে বেশ হয়
কি জন্ডিস কেস হয় ব্রহ্মা জানে.........."

আজকের হাবিজাবি (ভর দুপুরে একলা রাতে অন্যমন)

১)
"তবুও ভাবে সে ফুটবে পলাশ
ডাকবে কোকিল বিছানায় সে ফিরবে পাশ......."

কখনো কখনো পাশ ফিরে শোয়ার কোন নির্দিষ্ট  অর্থ থাকে না কিন্তু মাঝে মাঝে পাশ ফিরে শোয়া মানেই মুখ ফিরিয়ে নায়া।

"আজ তোমার মন খারাপ মেয়ে.......আমি তোমার জন্য এনে দেব অঝোর শ্রাবন...."