ইউজার লগইন

পদ্মলোচন'এর ব্লগ

জাতে উঠা হৈল না আমার - ১

জাতে উঠিবার শখ লৈয়া বিলাত যাত্রা করিয়াছিলাম। মনে মনে দিবা স্বপ্ন দেখিতেছিলাম জাতে উঠিব, পাতে উঠিব। সাধারনে আমাকে দেখিয়া বলিবে দেখ বিলাত ফেরতা ছেলে। স্বপ্ন লৈয়া বিলাত যাত্রাই হৈল শুধু জাতে আর উঠিলাম না।

হোম কামিং

আজমেরীর জন্যে আমরা কি কিছু করতে পারি না?

সামহোয়্যারে ঘুরতে গিয়ে একটা পোস্ট চকখে পড়ল। পড়ে চোখের কোনে একটু পানি জমে উঠলো নিজের অজান্তেই। আমি পুরা পোস্টটাই দিচ্ছি নিচে।

শেষ হয়েছে আজমেরীর অপারেশন, ডোনার ও আজমেরী দুজনে সুস্থ আছে..।আগামীকাল ওষুধ কেনার টাকাটাও নেই হাতে... টাকা উঠেছে ৪৬,৯৩৯। মঙ্গলবারের মধ্যে কমপক্ষে ৭৫০০০ টাকা লাগবে ইন্জেকশনের জন্য।

কল্পনায় ৭১ - ২

ব্রিগেডিয়ার কাছে আসতে ওরা উঠে দাড়ালো।
- আরে বসো বসো। তোমাদের সাথে কথা বলতে এলাম।
মাহফুজ বলল, জ্বী স্যার। প্লীজ বসুন। ব্রিগেডিয়ার ইফতেখার চেয়ার টেনে বসলো।
- কি অবস্থা তোমাদের?
- জ্বী স্যার ভালো।
- যুদ্ধ নিয়ে কি ভাবছো?
- স্যার কিছুই না। দুঃখজনক ব্যাপারটা।
- কি রকম?
জামি বলল “ স্যার নিজেরা নিজেরা যুদ্ধ করাটা দুঃখজনক।”

কল্পনায় ৭১ - ১

আমি প্রায়ই স্বপ্নে দেখি যুদ্ধে গেছি, মুক্তিযুদ্ধে। আমার অবসেশন এটা। মাঝে মাঝে খুব দুঃখ হয় তখন কেন হলাম না। হইনি তো কি হয়েছে? গল্প লেখতে তো দোষ নাই। তাই এই গল্পের প্রয়াস। প্লট হবে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধেরই। কিন্তু মর্ডান টেকনোলজি থাকবে কিছু। আশা করি এটাকে কেউ খারাপ ভাবে নিবেন না। ও হ্যা, গল্পে আমি নিজের নামটাই ব্যাবহার করলাম। অন্তত গল্পে তো মুক্তিযুদ্ধ করতে পারবো।

প্রবাসী ছাত্র ডায়েরি - ৫ম পর্ব (আপাতত শেষ পর্ব)

টিউবে করে চলে এলাম হলবোর্ণ। সেখান থেকে চেঞ্জ করে সেন্ট্রাল লাইন। সেন্ট্রালে করে এসে লেটনস্টোন স্টেশনে নামলাম। জামিরাও নতুন মাত্র ৩ দিনের পুরানো আমার থেকে। আর এই বাসায় উঠেছে আগের দিন। ওরাও রাস্তা চিনে না। হাটা শুরু করলো । হেটে এক রাস্তার মাথায় গেলাম। নোমান বলল এই রাস্তা না। পরে একজনকে জিজ্ঞাসা করলাম। সে রাস্তা বলে দিলো। হাটা শুরু করলাম। ভারী ভারী সুটকেস, হ্যান্ডব্যাগ, কাধে ব্যাগ নিয়ে হাটতে হাটতে এ

একটি প্রেমের গপ্প - ৩

রুদ্রকে ক্লাসে ঢুকতে দেখে অগ্নিলা একটু কেমন যেন হয়ে গেল। দেখলো রুদ্র কাকে যেনো খুজছে। ওর চোখে চোখ পড়ার পরে যখন হাসল অগ্নিলার মনটা অকারন পুলকে ভরে উঠল। নিজেই খুশীর পরিমান উপলব্ধি করতে পেরে অবাক হয়ে গেল। গত কয়েকটা দিন যে কিভাবে কেটেছে ওর সে শুধু ওই জানে। প্রতিদিন ক্লাসে এসে খুজে ফেরা কাঙ্খিত মুখ। রুদ্র কখন আসে সেইদিকেই ছিলো ওর সম্পুর্ন মনযোগ। শুধুই শুধুই অপেক্ষা করেছে ও রুদ্রর। কেমন জানি অভিমানও হচ্

একটি প্রেমের গপ্প - ২

রুদ্র বের হয়ে এসে গাড়ীতে উঠে বসল। গাড়ী চালিয়ে ফিরছে আর বার বার ওর অগ্নিলার কথা মনে হচ্ছে। ধ্যাৎ মেয়েটাকে কিছুই ও বলতে দেয়নি নিজেই এক তরফা ভাবে বলে বের হয়ে এসেছে। নাহ ব্যাপারটা একদম ঠিক হয়নি। ভাসা ভাসা চোখ, সজিবতা , উচ্ছলতা সর্বোপরি সারা চেহারায় স্বর্গীয় লাবন্য। নাহ! এতো সুন্দর একটা মেয়ে কি করে হয়! গত কয়েকদিন দূর থেকে ওকে দেখেই বেশ ভালো লেগেছে রুদ্রর।

একটি প্রেমের গপ্প

এই সিরিজটা অন্য কোথাও শুরু করেছিলাম। ট্রাডিশনাল প্রেমের গপ্প। আবার শুরু করতে ইচ্ছে হচ্ছে। তাই প্রথম থেকেই দেওয়া শুরু করলাম। বাংলা ছিঃনেমা টাইপ লাগলে লাগতে পারে। তবে কি জানেন মনে মনে সবাই ছিঃনেমার হিরো হৈতে চায়। সো......

অপ্রকাশিত চিঠি

মা,
এই চিঠিটা কোন দিন তোমার হাতে পৌছাবে না। কখনোই পোস্ট করা হবে না। কখনোই এই কথা গুলো তোমার কানে যাবে না। কখনোই তোমাকে বলতে পারবো না। মনটা প্রায়ই খুব খারাপ থাকে। তুমি বারবার ফোনে জিজ্ঞেস কর মন খারাপ নাকি মিথ্যে বলি। জানি আমার এই মিথ্যেটুকু তোমাকে একটু হলেও শান্তি দেয়।

প্রবাসী ছাত্র ডায়েরি - ৪র্থ পর্ব

প্রথমেই দুঃখ প্রখাস পালা। গত কয়েকদিন আমি অসম্ভব ব্যস্ত ছিলাম বার এপ্লিকসশন নিয়ে। বার এপ্লিকেশন শেষ হওয়ার পরে আলস্য পেয়ে বসে। ঐসময়টায় আমার ৯০% সময় কীবোর্ডের সাথে যুদ্ধ করে কেটেছে। অনাকাংখিত আলস্যজনিত দেরীর জন্যে স্যরি আছি।

হেফি বাড্ডে নীড়ুদা

যারা নীড়দাকে চিনেন তাদেরকে নীড়ুদা সম্পর্কে কিছু বলার নাই। যারা চিনেন না তাদের বলি এমন অসাধারন মানুষ, লেখক খুবই কম। বিনয়ী, নম্র, চিন্তাশীল অনন্য এক মানুষ নীড়দা। আজ তার জন্ম দিন। হেফি বাড্ডে দাদা।

কেক খান, কোক খান। পিচ্চিদের আর ভাবীকে নিয়ে অনেক বেশী ভালো থাকুন এই কামনাই রইলো।

দাবী দাওয়া জানাইয়া ডেভুদাকে আবেদন

বরাবর
ডেভুদা,
আমরা বন্ধু.কম,
অন্তর্জাল।

বিষয়ঃ কোট করিবার ও লিঙ্ক দিবার সুযোগ চালু করিবার আবেদন।

জনাব,

সবিনয় নিবেদন এইযে, আমি আপনার ব্লগের একজন নগন্য ব্লগার। কানা ছেলে হৈবার হেতু আমি অনেক কিছুই করিতে পারি না। তাই কোট করিবার ও লিঙ্ক দিবার অপশন অতি সত্বর চালু করিবার অনুরোধ জানাই।

বিনীত
কানা ছেলে পদ্মলোচন
আমরা বন্ধু.কম,
অন্তর্জাল।
৩ জানুয়ারী ২০১০ খ্রিস্টাব্দ
২০ পৌষ ১৪১৬ বঙ্গাব্দ

প্রবাসী ছাত্রডায়েরী - ৩য় পর্ব (নিউ ইয়ার স্পেশাল)

দেশে থাকতে বন্ধুদের কাছে ওয়েস্টমিনিস্টারে নববর্ষ উদযাপন, ফায়ারওয়ার্ক, ইত্যাদি নিয়ে অনেক কথা, গল্প শুনেছি। নিজেরও ইচ্ছে ছিলো দেখার। তাই ডিসেম্বরের শুরু থেকেই প্ল্যান করছিলাম ওয়েস্টমিনিস্টার যাওয়ার। প্ল্যান হচ্ছিলো লম্বা সময় নিয়েই। জন্মদিন রাতে ছোট ভাই হিমেল জানালো ও আর ওর বন্ধু ফাহিম আসবে আমাদের সাথে নববর্ষ উদযাপন করতে।

সে যাক আজকে শুধুই ৩১ তারিখ রাত নিয়ে কথা হবে। যা মনে আছে।

প্রবাসী ছাত্র ডায়েরি - ২য় পর্ব

দিল্লী থেকে বিমান বদলানো হবে। দেড় ঘন্টার ব্রেক। নেমে ভিতরে ঢুকছি, এয়ার পোর্ট কর্তৃপক্ষ বলল যারা ছাত্র আছে তারা যাতে হাতে ভিসা লেটার নিয়ে দাঁড়ায়। আমার মেজাজ খিচড়ে গেল। আরে বেটা আমি খালি এইখানে চেঞ্জ করতেছি তোদের কেন আমার ভিসা লেটার দেখানো লাগবে। সেটা হাতে নিয়ে দাড়ালাম তাও। লাইন ধরে এগিয়ে গেলাম। কাগজ দেখছিলো। পাশের লাইনে দাঁড়ানো এক সিলেটি ছেলে আজাইরা সব প্রশ্ন করছিলো। আমিও তাকে বাংলায় বুঝানোর চেষ্টা