ইউজার লগইন

স্বরহীন'এর ব্লগ

Aim in life .......

এক রিম নিউজ পেপার দাও, এক রিম সাদা কাগজ, একটা ইউয়ত কালি। রহমান ভাই আসছিল এই কয় দিনে?

না স্যার আসে নাই। আসলে কিছু বলতে হবে? স্যার কিছু নতুন বই আসছে দেখবেন? কালাম স্যার এর নতুন বই টা ও আসছে।

চলে এসো

বৈশাখী ঝড়ো হাওয়া, চমকে উঠে অন্তরাত্মা, চমকে উঠা মেঘে। চারদিক ভেসে যায়, যত ধুলা। ঠায় দাঁড়িয়ে থাকা অহংকারী গাছেরা ভালবেসে অবনত হয়। ছুঁয়ে দিতে চায় মাটি। নিরাপদ বদ্ধ ঘরে জানালার কাচ ভেদ করে বৃষ্টির ঝাঁপটা চোখে লাগে না। তাও চোখ ভেসে যায়। বদ্ধ ঘরে তুমি ভিজে যাচ্ছ, একাকী । তোমার কি ভিজতে ভাল লাগছে? নাকি খুব অনিচ্ছায় নিজেকে ভাসিয়ে দিচ্ছ জলে। জলে ভিজে বাড়ি ফিরতে ইচ্ছে হচ্ছে না তোমার? দরজায় দাঁড়িয়ে গামছা হাতে আমরা। নাকি ছাতা পাথিয়ে দেব, ঐ যে বড় সাত রঙা ফ্যামিলি ছাতা কিনেছিলাম আমরা ওটা দিব পাঠিয়ে? অনেক দিন হয়ে গেল যোগাযোগ হীন। কেমন আছ? কি করছ? আমাদের মনে পড়ে? আসতে ইচ্ছে করে না? আনন্দি প্রতি রাতে তোমার কথা শুনতে চায়, তোমার গল্প শুনতে শুনতে ঘুমায়। এমন ঝড়ো রাতে বাইরে আছো একা, তাও আসছনা।

চলতে চলতে ......

ট্রেন চলছে, সমতল ভূমি ছেড়ে দিগন্ত রেখায় উঁচু পাহাড়ের সারি। সাদা কালো মেঘে ঢেকে আকাশ। একবার মেঘ ধরে ফেললে ই ঐ পাহাড়ে চলে যাওয়া যাবে। দূরে বলে ই পাহাড় এর উচ্চতা আনুমান করা যাচ্ছে না। যখন ই পাহাড়ের কাছ ঘেঁষে যাচ্ছি, তখন ও বুঝা যাচ্ছে না। চলতে চলতে কখন যে ঘুমায়ে পড়েছিলাম। কত সময় ঘুমিয়েছি বুঝতে পারছি না। এখন কোথাও আছি তাও ঠাহর করতে পারছি না। চোখ খুলে দেখি, পাশের কাঁধে বেশ আয়েশ করে ই ঘুমিয়ে পড়েছিলাম, তার চেহারায় বিরক্তি, স্নেহ, প্রেম বা আদর কোন টা ই প্রকাশ্য না।

চলতে চলতে

কোথাও কোন শব্দ হবে না, চারপাশের হৈ চৈ ছাপিয়ে যাবে, ট্রেনের কু ঝিক ঝিক শব্দ। কেবিন পাইনি তো কি হয়েছে, একটা সিট জানালার পাশে হলে ই হয়, তার পাশে ই আরেকটা সিট।

জানালা কিন্তু তোমার জন্য না, আমার পাশে ই তুমি থাকবে, বই এ নিমগ্ন। চলতে চলতে পড়তে যে আমার বারণ। কত কি হারিয়ে যায় চোখের পলকে। সব অদেখা থেকে যায়। নিজের চোখে দেখার সুযোগ কি আর হেলায় ছেড়ে দেয়া যায়?

চির আগোছাল চুল নাকে মুখে ঝাপটা দিয়ে বিরক্ত করবে
অনিচ্ছাকৃত
মাঝে দুই কাপ চা, আর ট্রেনের সেই কাটলেট এর অর্ডার শুনে
এই প্রথম মুখ তুলে একটুকরো হাসি। খট খটে এই কাটলেট এ যে কি পাও, সব ই এই গল্প উপন্যাসের দোষ। তারা তো আর কাটলেট এর বর্ণনা দেয় না। উপন্যাসের নায়ক ট্রেন এ কাটলেট খেত

আমরা

চাওয়া পাওয়ার বালাই নেই, রঙিন ঘরের স্বপ্ন নেই, স্বপ্ন বাস্তবায়নের তাড়া নেই, ব্যাক্তিগত আলাদা কোন সময় নেই। যুথবদ্ধতায় একাকী সময় কাটানো, যার যার বইয়ের পাতায় বা সিনেমার পর্দায় নিমগ্ন। তুমি ফেসবুক এ, আমি আমার মতো খোমা খাতায়। মাঝে মাঝে মতের আদান প্রদান সমসাময়িক বিষয়ে। অবাক বিষয়, তোমার আমার পড়ার রুচি, দেখার ভঙ্গি, প্রকাশ সব ই ভিন্ন। তুমি ইতিহাস হলে আমি ইতিহাস নির্ভর উপন্যাস। তুমি মানুষ দেখ নির্লিপ্ত ভাবে, আমি মানুষ এর মনসতত্ত্ব খুঁজি। তুমি চার দেয়ালে আকাশ সৃষ্টি কর, আমি আকাশে মিশে গিয়ে আকাশ ধন্য করি। কখন ও হাতে হাত রেখে হেঁটেছি মনে পড়ে না। পাশা পাশি রিক্সা চড়া তাও কোন মিছিল, মিটিং, আড্ডা বা বইয়ের দোকান এ যাওয়া, খুব বেশি জোড়া জোরিতে বাজারে যাওয়া। তুমি রক হলে আমি রবীন্দ্র বা লালন।মিল যে ছিল না এমন ও না, চা বা কফি, কোন দ্বিমত নেই। আদর্শের জায়গায় অমত নেই। আমাদের কোন টানা টানি নেই নিজেদের পৃথিবীতে বদ্

Aim In Life

এই পঞ্চাশ এ এসে এভাবে সব গুবলেট হয়ে যাবে? সে আজ কি বল্লাম ছাত্রদের। অংক বুঝাতে বুঝাতে কি যে হল, অঙ্কের সাথে মিলিয়ে গল্প শুরু করে দিলাম। মনে হচ্ছিল এই কথা গুলো অঙ্কের সমাধানে খুব গুরুত্বপূর্ণ। ছাত্ররা ও কিছু বলল না।কেন এমন হল? অঙ্কের শিক্ষক আমি, আমাকে তো কার্যকরণ জানতে হয়, ঘটনার পিছনের ঘটনা জানতে। নাকি এই কথা গুলো জমে জমে চাপ তৈরি করছিল। পথ খুঁজছিল বের হয়ে আসার। তাই বলে এই ছোট ছোট কিশোর দের কাছে কেন এই বিষণ্ণতা ঢেলে দিয়ে আসলাম। যা বলেছি ঠিক বলেছি কি?

নিজেদের

আমাদের অনাদায়ি কোন কথা নেই
আমাদের বলার মতো কথা ছিল না
কোন কথা দেয়া নেয়া হয়নি কখনও

কোন পথ ধরে হেঁটে যাবার স্বপ্ন তৈরি হয়নি
কারো কোন নির্দিষ্ট পথ ও ছিল না
তবু ও কিভাবে যেন এতোটা সময় এক ই পথে হেটেছি

পিছন ফিরে তাকিয়ে দেখি
একই সাথে হেঁটেছি, একই পথ ধরে
এই পথ আমাদের কারো ই ছিল না

কোথাও হোঁচট এর চিহ্ন নেই, নেই সঙ্কোচ
কোন বন্ধন নেই, দেখার এক ই রকম চোখ নেই
চরম অবিশ্বাস ও বিশ্বাস এর শক্ত ভিত গড়তে পারে

অভিমানী মন আমাদের, ভালবাসি বলে নি
নির্ভরতা আড়ালে তুচ্ছ সব

আমাদের গল্প গুলো

এমন সময়ে তোমার লিখা তো থাকত ই, প্রায় প্রতি দিন ই কিছু না কিছু লিখতে। আমরা আলোচনা করতাম। সরকার ভুল করছে টেস্ট না করে বা সঠিক পরিসংখ্যান না দিয়ে। এতে সরকার বিপদে পড়বে না পড়বে সাধারন মানুষ। তাঁরা অনির্দিষ্ট কাল ঘরে বসে থাকবে না, সরকারী নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নিলে ই মানুষ বের হয়ে যাবে। ঘরে রাখা যাবে না। যত নিয়ম কানুন ই শিখিয়ে দেন না কেন ২০-৩০% মানুষ এই নিয়ম মেনে চলবে না। যেহেতু তথ্য ই ভুল, মানুষ কনফিডেন্টলি বিপদে পড়বে। তুমি কিছু মেনে নিতে কিছু নতুন যোগ করতে। অনেক পরিসংখ্যান দিতে, যা আমি মনে রাখতে পারি না। আমরা শুধু ই কথা বলতাম। কিন্তু তুমি লিখতে। প্রতিটা লাইন কে আরও অনেক তথ্য সমৃধ্য করে কয়েক পাতা লিখে ফেলতে। এখন সাধারন অসুখ এ ও চিকিৎসা নেয়া যাবে না। এই কথা গুলো বলার মানুষ টা ও নাই। কথা গুলো মাথায় বন্দী হয়ে একটা চাল তৈরি করছে। গলার কাছে এসে আটকে যাচ্ছে। মনে হচ্ছে গলায় কিছু লেগে আছে। বেশি আটকানো ভাব হ

ফিরে যাওয়া

বিদায়টা সব সময় এক পাক্ষিক ই ছিল। প্রতি বিদায় চুম্বন বিদায় কে দুদোল্যমান করে দিত। তাই হয়তো আবার ও শুরু করা সহজ হয়ে যেত। এবার তোমার এই যে বিদায়, তাকে প্রস্থান বলা ই শ্রেয়। স্পর্শ হীন প্রথম এবং শেষ বিদায় অদেখা রয়ে গেল, নতুন করে শুরু করার সম্ভবনাহিন।

ফিরে গেলে নিজের কাছে

গল্প গুলো

উত্তর পূর্ব দুই দিকে উঁচু উঁচু জানালা, পশ্চিম এ দরজা। জনলায় কোন গ্রিল নেই, পর্দা গুলো উঁচুতে গিঁট দেয়া। শুধু জানালা গুলোতে একক ভাবে চোখ রাখলে একেকটা ছবির ফ্রেম মনে হয়। কোনটার অর্ধেক জুড়ে আকাশ ছোঁয়া ইমারাত সাথে একটুকরো সাদা নীল আকাশ, কোনটার সবুজ থেকে আকাশি হয়ে যাওয়া পাহাড়। উত্তরের জানালা গুলো তে আমগাছ আর তার নিচে পরিপাটি বাগান। প্রতিদিন হিসাব করে তাদের সবাইকে এক ই মাপে রাখার চেষ্টা করা হয়। পুরনো দিনের উঁচু খাট এ শুয়ে গান শুনতে শুনতে নির্দিষ্ট বিরতিতে হাওয়া বদল হয় শব্দ করে। মাথার উপর ঘুরতে থাকা পাখা তার গতি ঠিক রাখতে পারছে না বাইরের হাওয়ার তোড়ে। দুপুরের রোদ, পাখার বাতাস, মাঝে মাঝে দমকা হাওয়া বার বার ছুড়ে ফেলে বর্তমানের গানএর সুর গুলো। মাথার ভিতর আরও কিছু সুর এসে ভিড় করে। সেই সুরের সাথে চলে আসে দুপুরের হাওয়া। এই দুপুরের হাওয়ায় এক যাদুকরী বিষয় থাকে, এক ধরনের শূন্যতা থাকে, হাহাকার থাকে, থাকে নি

হাহাকার......

কোন কাঁটা তারের প্রাচীর নেই যে ছুঁয়ে গেলে ই রক্তাক্ত হবে। কোন ইট সুরকির মজবুত দেয়াল নেই যে মাথা খুড়ে মরতে হবে। কোন মানব বসতি শুন্য জমির অস্তিত্ব নেই সেখানে। প্রতি মুহুর্তের অনুভব জ্যান্ত। নিশ্বাসের শব্দ শুনে বলে দেয়া যায় বুকে জমে থাকা ব্যাথার অস্তিত্ব।শরীরী উষ্ণতা অনুভুত হ্য় শরীরে। শান্ত শ্রান্ত স্বপ্ন কাতর মুখ ভেসে থাকে সামনে। তাও ছোয়া যায় না। ঘুমন্ত শরীর ছুটে চলে অজান্তে ই। তাও এই রেশমি বাঁধা ডিঙ্গানো হয় না। রাত জেগে দেখে যাওয়া মশাদের অবাদ বিচরণ। কত অনায়াশে দুই পৃথিবীর দুই রকম মানুষের রক্ত একাকার করে দিচ্ছে। কেমন করে আমাদের ছুঁয়ে দিচ্ছে বিকারহীন।

গান গুলো মোর

আমার বাবা ছিলেন পল্লী গীতির স্রোতা, আর শুনতেন পুরুনো দিনের হিন্দি বা উর্দু ছবির গান (সাদা কালো যুগের)। কবি গান, বাউলদের গান, যাত্রা, নাটক, সিনেমার প্রতি ছিল তার দুর্নিবার আকর্ষণ।।।। অন্য দিকে আমার ছোট মামা ছিল পশ্চিম বাংলার নতুন- পুরনো আধুনিক গানের । ভক্ত। বাংলাদেশের আব্দুল জব্বার ছিল তার প্রিয় শিল্পী। আমার মামা র ও যে মামা ছিল একজন, যে প্রায় তার বয়সী বা তার চেয়ে কিছু বড়, সে ও ছিল গানের পোকা। তাদের মাথায় উঠলো তারা গান শিখবে। গ্রামে তো আর ওস্তাদ নেই। কোথা থেকে যেন একটা হারমনিয়াম কিনে নিয়ে এলো। এখন এই হারমোনিয়াম নিয়ে তারা কোথায় রাখবে? আমার মামার নানারা হলেন মোল্লা বাড়ির মানুষ। মোল্লা বাড়ির ছেলে গান বাজনা করে বেড়াবে। তার সাথে আবার ভাগনাকে নষ্ট করবে।!

যদিও আমি নারীবাদী নই

আমার বন্ধুর মা, পাগল । পাগল মা, তিন ভাই এবং আমার বন্ধুর বাবা, আমরা এক ই মহল্লায় থাকি। খালাম্মা আমাদের সমানে ই পাগল হলেন। তখন আমরা মাত্র মাধ্যমিক স্কুলে ঢুকেছি। খালাম্মা খুব চুপচাপ মানুষ। বেশ বই টই পড়তেন। খুব সাধারন জীবন যাপন করতেন। নিজের একটা জগত ছিল তার। মহল্লার মহিলা গসিপিঙ্গ বা শাড়ি গয়না গ্রুপের একটু বাইরে ই ছিলেন। ছেলেদের পড়া শুনা নিয়ে বেশ যত্নবান ছিলেন। নিজে ই পড়াতেন। আমার বন্ধু তার বড় ছেলে যখন ষষ্ঠ শ্রেণীতে এবং ছোট ছেলে যখন আমার ভাইয়ের সাথে চতুর্থ শ্রেণীতে, তখন ওনি সন্তান সম্ভবা। চাচা তখনকার সময়ের সরকারী চাকুরীজীবীরা যেমন ফিট ফাট গোছানো, তেমন ই ছিলেন। শান্ত- শিষ্ট, পরোপকারী, সাধারন মানুষ। বেশ অসুস্থ ছিলেন খালাম্মা সেই সময়টায়। কিছুদিন পর আরেকটি ছেলের মা হলেন। এবং পর পর ই জানতে পারলাম যে খালাম্মা পাগল হয়ে গিয়েছেন। চাচার ওনাকে বন্দি করে রাখতে হচ্ছে। এলাকায় সবাই কানাঘুসা………ঘটনা কি?

আমার ঘরের অর্থনৈতিক গল্প

জন্মেছি তো অনেক অনেক বছর আগে প্রায় ৩৫ -৪০ বছর হতে চলল। দাদা ছিলেন জাত চাষা। তার ভাই বেরাদার পাড়া প্রতিবেশি সবাই চাষা। কোন স্কুল ছিল না ঐ ইউনিয়ন এ। চার দিকে মেঘনা র থৈ থৈ পানি। বর্ষায় চলার একমাত্র বাহন নৌকা বা সাতার। এই পাড়া ঐ পাড়া যাও তো হয় নৌকা ছাড় ঘাট থেকে না হয় এক সাতারে ঐ পার চলে যাও। সবার ই পেশা কৃষি। গোলা ভরা ধান, গোয়াল ভরা গরু। এটা কোন উপন্যাসের গল্প নয়। সুদূর কোন অতীত ইতিহাস নয়। এটা আমার গল্প, আমাদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির গল্প। কোন নারী ব্লাউজ পড়তো না। ঘরে কখনও দরজা লাগিয়ে ঘুমাতো না কেউ। প্রত্যেকের কানে কান পাশা বা বালি, হাতে সোনা রুপার চুরি, গলায় রুপার হাঁসুলি বা সোনার মাদুলি, হাতে বাজু বন্ধ। ঈদে যখন বাড়ি যেতাম দাদীর এই সব গয়না পরে আমরা ও ঘুরতে বের হয়ে যেতাম। কেউ কখন ও ভাবে নি যে চুরি হয়ে যাবে, বা কেউ ছিনিয়ে নিবে। কোরবানি ঈদে করবানির মাংস বিতরণের জন্য গরিব পাওয়া যেত না। এই এলাকার মান

মা

খুব কাছাকাছি থেকে দেখা চারজন মা কে আমি দেখেছি অনুভব করেছি।
১। দাদী- অশিক্ষিত, নারী বা নারী অধিকার এই সব শব্দের কোন মানে ই তার কাছে নেই। তিন ছেলের মা। ছোট ছেলের যখন ৩ বছর আমার দাদা আরেক বিয়ে করে বাড়ি নিয়ে আসে। আমার দাদী কাউকে কিছু না বলে খুব যতনে নিজের ঘর, নিজের অন্ন নিজের জীবন বিচ্ছিন্ন করে ফেলে সংসার থেকে। সে তার নিজের আলাদা সংসার তৈরি করে এক ই বাড়িতে তার ছেলেদের নিয়ে। সেই সংসার আমারে আমার দাদার কোন সাহায্য দিয়ে চালিত না। সে তার ছেলেদের নিয়ে ই সেই সংসারের দায়িত্ব নিয়েছে এবং পরিচালিত করেছে। কারো কাছে কিছু আশা করে্ন নি (৮৫ বছর বেঁচে ছিলেন)। ছোট দাদির ছেলেরা ও আসলে আমার দাদির কাছে ই বড় হয়েছে। ছেলেদের ও নিজের মতো আত্মমর্যাদা সম্পন্ন একেকজন মানুষ হিসেবে তৈরি করেছেন। যে ই তার সংস্পর্শে এসেছে সবাই একজন সহজ সরল মা কে অনুভব করেছে। নিজের ছেলে, পরের ছেলে, ছেলের বউ, সবাই তার মাঝে মা কে ই পেয়েছে।