ইউজার লগইন

আহসান হাবীব'এর ব্লগ

জেনেও করি, না জেনেও করি-পাপ

আমার থাকতে জনম পাপের
আঁধার ঘুচবে কি মনে
জেনেও করি, না জেনেও করি
পাপ...
করি ক্ষনে ক্ষনে।।

তোমার নিয়ামত ভোগ করি খোদা
সকাল দুপুর রাতে,
তোমার সৃষ্টি দেখে নয়ন জুড়াই
সন্ধা সুপ্রভাতে।
তবু শোকর করি না আমি-২
ভাবি না তো খোদা , এসবি তোমার দানে।
জেনেও করি,না জেনেও করি
পাপ...
করি ক্ষনে ক্ষনে।।

তোমার হুকুম তরফ করি সদা সর্বদা।
তবু তোমার করুণা দিয়া
বাঁচাও হে খোদা।
বিনে পয়সায়,বিনা মুল্যে দিলে,
বাতাস পানি নিদ্রা সর্বজনে।
জেনেও করি না জেনেও করি
পাপ...
করি ক্ষনে ক্ষনে।।

আমি কি আমার উপর অর্পিত গুরু দায়িত্ব পালন করব।

আজ ১ সেম্পেম্বর।গত ২০ আগষ্টের পর থেকে আমার সকল বন্ধুদের থেকে একেবারে বিছিন্ন। এটা যে কত পীড়াদায়ক তা আমি ও আমার সৃষ্টি কর্তা ছাড়া কাউকে বুঝাতে পারব না। বিভিন্ন ব্লগে যখন আমি আমার বন্ধুদের লেখায় উপস্থিতি দেখি আমার তখন নিজেকে অসুস্থ অবস্থায় ঘরে পড়ে থাকা রুগির মত মনে হয়। আমার যতদুর মনে পড়ে আল্‌ কোরআনের কোন এক জায়গায় পড়েছিলাম (ভুল হলে আল্লাহ্‌ মাফ করো), আমি মানুষকে অত্যন্ত ত্বরা করে সৃষ্টি করেছি। আমার মনে হয় আমার মধ্যে এ বদগুনটা অনেক বেশি। আমার মস্তিস্ক অনেক বেশি অস্থির। একে তো অস্থির মস্তিকের তদুপরি আজ আমার নিজকে অনেক বেশী অর্থ লোভী একজন মানুষ মনে হয়। যে অর্থ লোভী মানুষকে আমি অন্য নজরে দেখতাম, আজ আমি নিজেই তা। তাই তো আমি আমার প্রিয় বন্ধুদের হারাতে বসেছি।
মাস চারেক আগে আমার এক কলিগ বলল, স্যার আজ ভাল একটা চাকরির বিজ্ঞাপন আছে। আপনি ট্রাই করে দেখতে পারেন। উনি নিজেই বিডি জব্‌স এর প্রথম পাতায় প্রকাশিত বিজ্ঞাপনটি দেখাল। আমি নামীদামি কোম্পানির আকর্ষনীয় বিজ্ঞাপন দেখে, অর্থ ও অন্যান্য সুবিধা প্রাপ্তির লোভ সংবরণ করতে না পেরে তখনই মেইলে জীবন বৃত্তান্ত পাঠিয়ে দিলাম।

গুরু ভজি গুরু সেবি

গুরু ভজি গুরু সেবি
সময় হয় না সংসার কামে
কতজন যে সফরে গেল
ভোমা মন মনরে আমার...।
অচিন পুরের অচিন ধামে।

আমি এক পড়ুয়া কামলা।
বন্ধুরা বড় বড় আমলা
আমলা কামলা মুন্সি মোল্লা
ছুটিতে গেলে ফেরেনা কামে।।
গুরু ভজি গুরু সেবি
সময় হয় না সংসার কামে।।

বাবা দাদা চাচা জেঠা
গেল সবাই বাকি কেঠা।
ভোলামন মনরে আমার...।
ফুপা ফুপুর আদর ভূলতে
আঁখি জলে লেটাপেটা।
তবু আমার হুস হয়না
সময় হয় না সংসার কামে।
গুরু ভজি গুরু সেবি
সময় হয় না সংসার কামে ।।

গুরু তোমায় সন্ধান করি
কত দেশ বিদেশে ঘুড়ি।
দেশে দেশে ঘুরে ঘুরে
আসলাম আবার ঘরে ফিরি।
ভোলামন মনরে আমার...।
নিজের মাঝে খুজে দেখলে
পৌঁছবো নাকি গুরুর ধামে।।
গুরু ভজি গুরু সেবি
সময় হয় না সংসার কামে ।।

সময় মত দেও টান।

কতই খেলা জানরে বাড়ই কতই খেলা জান
ইচ্ছা মত ছাইড়া দিয়া সময় মত টান
রে বাড়ই,
সময় মত দেও টান।

পাঠালে জগত সংসারে কইরা অসহায়
মায়া মমতার খুটি গেঁড়ে করিলে সহায়।
ধীরে ধীরে আকাশ পাতালে পাতিল সংসার,
সাদ্দাম নমরূধ ফেরাউন হল তোমার দাবিদার
ভোলামন মন মনরে আমার-২......।
ভেংগে চুড়ে সব খান খান করলা
রাখতে তোমার শান।
সময় মত দেও টান।

কেউবা রাজপ্রাসাদে কেউবা থাকে বৃক্ষ তলে
কাওকে করেছ অংগহীন প্রতিবন্ধি তাঁরে বলে
কেউবা ঘোরে দ্বারে দ্বারে নিয়ে ভিক্ষের থলে
কেউবা আবার খেতে পারে না ডাষ্টবিনে ছুড়ে ফেলে।
ভোলামন মন মনরে আমার-২......।
কার ইশারায় হচ্ছে এসব
কে করবে প্রমাণ।
সময় মত দেও টান।
১০/০৮/২০১৩খ্রীঃ

ঈদের চাঁদ

আয়রে ছুটে, দেখবি সবাই, চাঁদ উঠেছে চাঁদ
রমজানের ঐ রোজার শেষে, ঋদ্ধি ঈদের চাঁদ।
ঈদ মুবারক, ঈদ মুবারক, ঈদ মুবারক, ঈদ
শিশু কিশোর যুবা বৃদ্ধার টুটে গেছে নিদ।
নতুন জামা, নতুন কাপড়, পড়ব নতুন বেশ
সুগন্ধি লাগাব গায়ে টুপিতে ঢাকব কেশ।
নামাজ শেষ গরীব-ধনী করব কোলাকুলি।
ঈদগাহে আসব-যাব আল্লাহু আকবার ধ্বনি তুলি।
খরার কবলে পড়ে মাঠ ঘাট চৌচির
ফল ফসলে ভরে যায় ছোঁয়া পেলে বৃষ্টির।
তেমনি, পাপে তাপে নাজুক যখন দেহ, মন, প্রাণ
ধুয়ে মুছে সাফ করে দেয়, মাহে রমজান।
রোজা, নামাজ, তাড়াবি পড়ে সবাই নিস্পাপ
আঁধার রাতে শেষে যেন নতুন মাহতাব।
এটা খোদা তোমার বানী তুমিই পথের দিশা।
নিস্পাপ হয়ে ফিরতে পারি এই তো মনের আশা।
সুখে দুঃখে সকল সময় তোমায় যেন স্বরি।
না চাইলেও তুমি দিও সাফল্য মঞ্জুরি।
০৯/০৮/২০১৩ খ্রীঃ
উত্তরা, ঢাকা

অন্তর্যামী নাম

আমার অন্তরেতে বাস করে যে
অন্তর্যামী নাম
তবু আমি কিছুই জানিনা
ভোলামন মনরে আমার------
মইলে কোথায় ধাম।

মাটি পানি কাঁদার বিছানা
কেউবা ডুবে জলে
কেউবা আগুনে পুড়ে
কেউবা জন্তুর পেটে
শরীরটার তো হইল গতি
অন্তরের খাবার কি?
ভোলামন মনরে আমার------
জানিনা তার নাম।
অন্তরেতে বাস করে যে
অন্তর্যামী নাম

মুসলমানে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ
পড়ে জামাত করে
ইহুদী খ্রীষ্টান গীর্জা প্যাগোডায় যায়
প্রতি শনি রবিবারে।
ভোলামন মনরে আমার------
সব অন্তরের একই বানী
সব আহলে কিতাবের
একই বানী
শুধু ভিন্ন ভিন্ন নাম।
অন্তরেতে বাস করে যে
অন্তর্যামী নাম

হিন্দু বৌদ্ধও পুজা পাঠ করে
জপে হরিনাম
আরও কত শত জাতি আছে
জানিনা তাদের নাম
তারাও তাদের মত করে
ভোলামন মনরে আমার------
ডাকে প্রভুর নাম।
অন্তরেতে বাস করে যে
অন্তর্যামী নাম
০৮/০৮/২০১৩খ্রীঃ
উত্তরা, ঢাকা।

ছাইড়া না যায় পাছে

যেদিন আমি বুঝতে পারলাম
কইলচজার ভিতর কেউ আছে
তারে খাইতে দিলাম পড়তে দিলাম
ছাইড়া না যায় পাছে-- হায়রে
ছাইড়া না যায় পাছে।

কত স্বাদের খাবার খাওয়াই
যখন সে যা চায়
একটু এদিক ওদিক হলে
বড়ই কষ্ট পায়।
সোনা বড়ই কষ্ট পায়।
দেশ বিদেশে ঘুরলাম আমি-২
তার তুষ্টির আশে।
তব তাহার মন পাইলাম না
কি আর করার আছে-হায় হায়
কি আর করার আছে।

সুন্দর নারী সুন্দর বাড়ী
খুইজা দিলাম তারে
তবু তাহার মন ভরে না
শুধু খাই খাই করে – হায়রে
শুধু খাই খাই করে
আমার সকল কিছু শেষ করিলাম-২
তাহারি সকাশে।
তবু তাহার মন পাইলাম না
কি আর করার আছে-হায় হায়
কি আর করার আছে।
৮/০৮/২০১৩ খ্রীঃ
উত্তরা, ঢাকা

কে এল মোর ঘরে

কে এল মোর ঘরে

কে এল মোর ঘরে
কে এল মোর ঘরে
রাত নিশিতে যখন ছিলেম
ঘুম ঘোরে ঘুম ঘোরে।

ক্ষতি কি ছিল খানিক হলে দেরী
এলেই যখন নিয়ে ভাল লাগার হাতে খড়ি
ক্ষতি কি ছিল খানিক হলে দেরী
ডাগর ডাগর নয়নে রেখে নয়ন
কি ইশারা করেছ বুঝিনি তখন
পিছন ফিরে যখন গেলে চলে
হেরিনু দীঘল কালো কেশ রেখেছ ছেড়ে।
কে এল মোর ঘরে
কে এল মোর ঘরে
রাত নিশিতে যখন ছিলেম
ঘুম ঘোরে, ঘুম ঘোরে।

তপ্ত নিঃশ্বাস দিলে এলোমেল চুলে
না না ঝড় তুলে নি হেথা
ঝড় তুলেছে বুকে।
বারান্দা ছোয়া নারকেল পল্লবও
মুগ্ধ হৃদয়ে বলল চুপিসারে।
কে এল মোর ঘরে
কে এল মোর ঘরে।।
রাত নিশিতে যখন ছিলেম
ঘুম ঘোরে, ঘুম ঘোরে।

এই সে নিশি ভোর হবে কি
বল না সবাই বল।
নিশি কেটে গেলে হাড়িয়ে যাবে সে
কি হবে আমার ভাল লাগার মানষে,
হ্যাঁ হ্যাঁ টিকটিকি ঠিক ঠিক বলেছে
কি হবে আমার ভাল লাগার মানষে,
হে নিশি
আমার সাথে থাক না জেগে
সে আসবে,
সে আসবে নিশ্চয়ই শ্বশরীরে।
কে এল মোর ঘরে
কে এল মোর ঘরে
রাত নিশিতে যখন ছিলেম
ঘুম ঘোরে, ঘুম ঘোরে।
০৭/০৮/২০১৩ খ্রীঃ

আমার আকাশ দেখা(তৃতীয় পর্ব)

চোখের বা মনের হেলোসেনেশন যাই হউক না কেন মিতা নুর আজ আর এ পৃথিবীতে নেই। এটাই সত্যি। এত সুন্দর এত মায়াময় পৃথিবীকে ছেড়ে, যার পৃথিবীটা আমার বা আপনার বা সাধারনের চেয়েও অনেক অনেক বেশী আলোকোজ্জল, বর্ণিল ও মায়াময় সে কেন এভাবে চলে যাবে?

বিষন্ন বাউন্ডুলের জন্মদিন

বাইরে ঝড় ঝড় বৃষ্টি,
সাথে হাওয়া মিষ্টিময়
তাপিত হৃদয়,
হল প্রাণময়
কি যে শান্তি বলিবার নয়।
মহিমান্বিত শবে কদরের রাত
এমন দিন জন্মদিন
কজনার হয়।

আরাফাত শান্তর পোস্টে জানলাম
আজ তোমার জন্মদিন, নামটিও জানলাম বর্ণ
তাও কিন্তু খোদা মিটেনি
মানুষের নাম শুধু বর্ণ তে সীমাবদ্ধ থাকে না
নামের রূপ রস গন্ধ বাড়াতে সবাই আরও কিছু টাইটেল লাগায়
আমাদের দেশের হুজুরদের নাম পড়তে তো মিনিট কয়েক লেগে যায়।
তোমারটাও হয়ত তাই হয়ত বা নাই
তাও যে টুকু জেনেছি তাই নিয়ে আপাতত খুশি।
আমরা বন্ধুতে সবাই উৎসাহ দেয়
তুমি যে একটু বেশীই দাও, কেন জানিনা।

বন্ধু আজ তোমার জন্ম দিন
কি দিব তোমায় উপহার
বারান্দায় দাঁড়িয়ে বৃষ্টিতে হাত ভেজালাম
ভেজা হাতের তিলক ফোটা দিলেম
তোমার কপোলে,
হৃদয়ের অকৃত্রিম ভালবাসা দিয়ে
সাজালাম সমীরণও সাজে
আর কি দিব বল।
অসীম দয়াময়ের কাছে
দোয়া করলাম
রোজা রেখে
থাক সুখে, খাও দুধে ভাতে
হও সুখী
থাক সুখী
দিনে এবং রাতে।

আমার আকাশ দেখা(দ্বিতীয় পর্ব)

গতকাল আমার আর আকাশ দেখা হল না। ঢাকা শহরে ইচ্ছা করলেই আকাশ দেখা যায় না। আকাশ দেখতে হলে রীতিমত প্লান প্রগ্রাম ও প্রস্তুতি নিয়ে আকাশ দেখতে হয়। সাধারণত কেউ আকাশের দিকে তাকায় না। ২৪ ঘণ্টায় দিন, ৭ দিনে সপ্তাহ, ৩০/৩১ দিনে মাস ৩৬৫ দিনে বছর। এত সময়ের মধ্যেও ঢাকা শহরের বিশ্বের দ্রুতগামী যুদ্ধ বিমানের চাইতেও দ্রুত গতিতে চলা, এবং ইউনিভার্সাল টেস্টিং মেশিনে রড টেস্ট করার ইলাস্টিসিটির শেষ বিন্দু ইল্ডিং পয়েন্ট সমান দুঃশ্চিন্তা নিয়ে চলা মানুষগুলোর একটু ফুসরত মেলে না আকাশের দিকে তাকানোর। আমার লেখাটা পোস্ট করার সাথে সাথে জানি অনেক প্রতিবাদ আসবে, উজবুকের মত আপনার মনে যা আসছে তাই লিখে যাচ্ছেন। হবে হয়তবা, কিন্তু আমার দেখা খুব কাছ থেকে দেখা যত বেশী অর্থ নৈতিক সমৃদ্ধশালী যাদেরকে আমরা খুব সুখী লোক হিসেবে কাছ বা দূর থেকে দেখি তাদেরকেই আমার বেশি সময়ের কাঙ্গাল বা অসুখী মানুষ মনে হয়।

আমার আকাশ দেখা(প্রথম পর্ব)

অনেক দিন বাদ আকাশের দিকে তাকালাম তাও আবার দক্ষিণ বারান্দায় দাড়িয়ে। সমান্তরাল নয় ১৫ ডিগ্রী থেকে ৯০ ডিগ্রী কোণে তাকালে আকাশটা দেখা যায়। না না ভূল হল ৯০ডিগ্রী পর্যন্ত তাকানো যাবে না,ছাদের ড্রপে বাঁধা আসবে। তাই সংশোধনটা করে নিলাম। নয়তো দুরবীন নিয়ে বসে থাকা মাস্টর ইকবাল নয়ত কানাডিয়ান পিঞ্জ লতিফুল কবির আবার ধরে বসবে। শালা চাপা মার। কি আর করব লতিফুল কবির, আমার বোনটা যে তোমাকে দিয়ে রেখেছি।

এ ,পি , ডি আফজাল মামু (প্রথম পর্ব)

কয়েকদিন থেকে আমার কি যে হয়েছে ঠিক বুঝতে পারছি না। কিছু না লেখতে পারার কষ্টটা কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে। অথচ আমার নতুন বাসার পরিবেশটা লেখালেখির জন্য চমৎকার। উত্তরার সাত নম্বর সেক্টরে ৬ তলা বিল্ডিংয়ের চারপাশে খোলা। আমি থাকি ষষ্ঠ তলায়,আশ পাশে দুতলার উপর কোন বাসা নেই। তাই তিনটি বারান্দায় বসলে আবারিত সমীরণে সর্বদা অবগাহন করি। শুধু বারান্দা কেন, জানালা বা বারান্দার দরজা খুলে দিলে পুড়ো বাসায় হাওয়ার লুকোচুরী খেলা আমাকেও তাতিয়ে তোলে লুকোচুড়ি খেলতে। লুকোচুড়ি না খেললেও ইফতারের পর একপাশে ছেলে শুলে আরেক পাশে মেয়ে এসে শুবে, আর ওদের চুলে আংগুল চালিয়ে বিলি কাটলে ওরা নাকি এমন মজা পায় যা নাকি ওরা বলতে পারে না, তবে অনেক মজা পায় এটা বলে। ফাক তালে গিন্নি এসে ছেলে বা মেয়ের পাশে গুটিসুটি মেরে শুবে। মাঝে মাঝে ওই যে বললাম খোলা জানালা দরজার অবারিত সমীরণ নিদ্রাদেবীকে ডেকে নিয়ে এসে আমাদের অনিচ্ছায় নিদ্রাপুড়ীতে নিয়ে চলে যায়। ঘুম ভাঙ্গে যখন তখন রাত সাড়ে এগার কি বার। তখন কার আর খাবার ইচ্ছা হয়। তবে তারাবির নামাজ মিস হবার আফসোস হয়। শুধু এশা র নামাজ পড়ি। আর আল্লাহ্‌র কাছে মাফ চাই। আল্লাহ আমি তো

বসরাই খাটি

যদি ধমক নাই দিবে
তবে বস গিরি কি হয়।
যতই তুমি কাজ করনা
ধমক সদাই রয়।
বস ইজ অলওয়েজ রাইট
সেই কবে থেকে শুনি
তাদের মাঝেও অনেক বস আছে
যাদের গুরুর মত মানি।
বসদের শিক্ষা বসদের ধমকেই
আজ মোরা এত পরিপাটি
পাহাড় সমান হার্ডল পার হই
বসরা তাই খাটি।
তরুণ রক্ত তাই বসের ধমক কাটার মত গায়ে বিঁধে। দিনে সাতবার চাকড়ি ছাড়ে। কাজে অনেক পাকা তাই অভিমানটাও বেশী। সন্তান তুল্য কলিককে সান্তনা দিতেই এই লেখা।
সান্তনা

রঙ্গ রসের রঙ্গের বাড়ই অন্ধকারেই চাই।

অন্ধকারের এত রূপ কভু দেখি নাই
অন্ধকারো আলোময় তুমি কাছে তাই।
এত সুধা এত তৃষ্ণা আগে লাগে নাই।

বাতায়নের দক্ষিন হাওয়া শিহরিত মনে
কথার মালায় কাটিয়ে দিব নিশি জাগরণে
দু চারটি নিহারিকা তব খোপায় গেথে
অন্ধকারেই দেখব তোমায় নয়নও জুড়াই।।
এত সুধা এত তৃষ্ণা আগে লাগে নাই।
অন্ধকারো আলোময় তুমি কাছে তাই।

হাত বাড়িয়ে নিশি ধরব খেলব নিশির খেলা
খেলায় খেলায় সাঙ্গ হবে নিশি রাতের মেলা
কি দোষ হতো আজ নিশিটি শেষ যদি না হতো
রঙ্গ রসের রঙ্গের বাড়ই অন্ধকারেই চাই।
এত সুধা এত তৃষ্ণা আগে লাগে নাই।
অন্ধকারো আলোময় তুমি কাছে তাই।