ইউজার লগইন

আরাফাত শান্ত'এর ব্লগ

Sweet caroline

জামালপুরে প্রচুর না হলেও বেশ জায়গায় যাওয়া হয়। কোনো কাজে না। এমনি উদ্দেশ্যহীন। কোনো ব্যস্ত হাট দেখি, গ্রাম দেখি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে সরকারি দফতর কত কি চোখে পড়ে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ছাড়া কিছুতেই আর মুগ্ধ হই না। আগে আমি মানুষে মুগ্ধ হতাম খুব এখন আর তাতে হই না। কারণ মানুষ মানেই গ্রে, মুগ্ধ হবার কিছু নাই মুখের কথায়। আর গ্রাম বাংলার মানুষ তুলনামূলক সরল কিছুটা অকপট, মন রক্ষা করার কথা কম শুনি অপরিচিত কারোর মুখে। যেমন একজনকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, কাকে ভোট দিবেন? তিনি ভনীতা ছাড়া বললেন, যে টাকা দিবে। পাল্টা প্রশ্ন, টাকা দেয়? তিনি জানান টাকা ছাড়া তিনি কখনও ভোট দেননি। আমি বললাম যদি একাধিক লোক টাকা দেয়? তিনি জানান যে আগে দিবে সে। এসব আলাপ ঢাকায় পাবেন না। ঢাকায় বলবে যে ভালো লোক, সৎ যোগ্যদের দিবে। গ্রামের মানুষ বুঝে গেছে, ভোট হুদাই, তাই যেই আসুক তার জীবন বদলাবে না। তাই নগদে প্রাপ্তি হলে দোষের কি?

যীশু দিবস

আজ বড়দিন আজ যীশুদিবস সেই সাথে আজ প্রচুর মানুষের জন্মদিন। সঞ্জীব চৌধুরী থেকে নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী মৃত্যুদিন হয়ে এলিস্টার কুক, মার্ক ট্রেসকোথিক, দেব আর কত শত মানুষের জন্মদিন। আজ আবার বিটিভিরও জন্মদিন। বিটিভিতে দেখলাম, আধুনিক গান হচ্ছে আর বিভিন্ন চ্যানেলের বার্তা প্রধানদের অভিনন্দন। ভাবছিলাম বিটিভির এমন খারাপ দিন আসলো যে এসব বক্কর আলীরাও বিটিভি নিয়ে বয়ান দেয়। আর দেশে বেশিরভাগ চ্যানেলই বিটিভির উপশাখা। খালি বিটিভিতে উচু গলায় টকশো কম হয়। বিটিভির জন্মদিন নিয়ে সবচেয়ে বেশী একসাইটমেন্ট চ্যানেল আই এর। তারা আগে একটা মেলাও করতো। দেখতে দেখতে বিটিভির ষাট একষট্টি বছর হয়ে গেল। কোনো প্রতিষ্ঠানের ষাট মানে সেটা তার অন্যতম ভালো সময়ে আছে। কিন্তু বিটিভির সমস্যা হয়েছে বিটিভি এই দেশীয় পুরুষদের মত চল্লিশেই চালসে হয়ে গেল। এখন আর কোনো দল নির্বাচনের প্রতিশ্রুতিতেও রাখে না বিটিভির স্বায়ত্বশাসনের অঙ্গিকার।

এলিয়েনেশন

এলিয়েনেশন কাকে বলে সেটা জামালপুরে এসে টের পাই। মানে মনে হয় অমিয়ভূষণ মজুমদারের ফ্রাইডে আইল্যান্ডে এসে বসবাস করছি, মানুষ আছে কিন্তু মনে হয় একটা দ্বীপ। হাদি প্রথম আলো দীপু এসব নিয়ে কোনো আলাপই নাই। মাঝেমধ্যে চোখে পড়ে জামাতের ক্যান্ডিডেট মাওলানা আবদুস সাত্তারের দু চারটা পোস্টার। আর দেখা যায় বেশী- বিএনপির দাঁড়ানো ওয়ারেস আলী মামুনের বিভিন্ন বয়সের ছবি সম্বলিত বিলবোর্ড ও পোস্টার। সেটায় একটা জিনিস বোঝা যায় দল ক্ষমতায় না থাকলেও ভদ্রলোকের পেট দিনদিন উর্ধমূখী। শহরে গেলে জেলা স্কুলের এনসিপির এক নেতার বিলবোর্ডে চোখ পড়ে। তিনি ইন্ডিপেন্ডেন্ট ফিল্মমেকার, জামালপুরকে পরিবর্তন করতে চান। আমি ঢাকার ভোটার, এনসিপি থেকে এখনো এ আসনে ঘোষিত হয়নি, জামালপুরে হলে তাকে ভোট দিতাম কারণ তার একটা প্রতিশ্রুতি আর কোনো লোককে আমি দেখলাম না দিতে। যে ইলেকশনে জিতলে তিনি জামালপুরে আবার সিনেমার হল নির্মাণ করবেন। এ সামান্য আলাপ আমি আরো

বিজয় দিবস ২০২৫

জেলা শহরে এখনো একটু আধটু বিজয় দিবস আছে। দূরে কোথাও মাইকে গান বাজে, গোলাপ গাদা বেলী ফুল বিক্রি হয়, কেউ কেউ জাতীয় পতাকা কিনে। বিএনপির অফিসে বাজে, প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ। অনেকদিন পর এই গানটাও শুনতে এত ভালো লাগে। মনে মনে গলা মেলাই, 'মাটির মমতায় ঘাস ফসলে সবুজের আল্পনা/ আমার তাতেই হয়েছে স্বপ্নের বীজ বোনা।'

পীচ ঢালা পথে

এহতেশামের ছবির নাম ছিল, পীচ ঢালা পথ। রবিন ঘোষের সাথে এহতেশামের সম্পর্ক সেই 'রাজধানীর বুকে' ছবি থেকে। পুরো ষাট থেকে সত্তর, রবীন ঘোষ প্রচুর উর্দু ছবিতে কাজ করেছেন। বাংলা ছবিতে কাজ হাতেগোনা। তবে পীচ ঢালা এই পথটারে ভালোবেসেছি আমার ধারণা তারও অন্যতম পছন্দের কাজ। কারন তিনি ব্যক্তিগত জীবনে ছোটবেলায় ছিলেন কোরাস শিল্পী। এই গানের যে কোরাস- লা লালা লালালা কিংবা হায় দিন যায় রাত যায় এমনি করে/ অলিগলি রাজপথ ঘুরে ঘুরে। আমার ধারণা বাংলা সিনেমায় এত ভালো কোরাস স্বাধীনতার আগে আর হয় নি। পরেও হয়েছে কিনা সন্দেহ। আর আবদুল জব্বারের গলা যখন ছিল সবচেয়ে সুন্দর তখন তিনি গেয়েছিলেন এ গান।

শুভ জন্মদিন আমরা বন্ধু

শুভ জন্মদিন আমরা বন্ধু। এখন সেই ব্লগের পাতার পর পাতা যখন আমার প্রিয় ব্লগারদের ভেতরে মীর ছাড়া কারো লেখা দেখি না, নিজেও লিখি না তেমন, ভারী অবাক লাগে। নিজের কাছে অচেনা লাগে সব কিছু। অথচ আমরা বন্ধু ব্লগ মানেই একটা সময় প্রথম পাতায় আমার লেখাই থাকতো চারটা পাঁচটা। প্রতি পাতায় পাতায় আমার লেখা। এরপর এখন আমি শুধুই পড়তে যাই। হারিয়ে যাওয়া রাসেল ভাইয়ের পুরোনো লেখা পড়তে যাই, মীর কি লিখলো একটু ঢু মারি, আহসান হাবীবের এত কবিতা কই থেকে আসে তা ভাবি, তানবীরা আপুর কোনো পোষ্টের কথা মনে পড়লে দেখি, জেবীন আপু, জ্যোতি আপু, বিমা ভাইয়ের পোষ্ট ও কমেন্ট দেখি, প্রিয় ও বিষন্ন বাউন্ডুলের কথা মনে করি, গৌতম দার আক্ষেপ দেখি, শুভ ভাইয়ের কবিতায় চোখ রাখি, কামাল ভাইয়ের পুরোনো লেখা পড়ি। আমরা বন্ধুর কাছে আমার অনেক ঋণ। এখনো যে ব্লগটা যে বেচে আছে, এটাও এক ধরনের স্বার্থকতা। আমরা বন্ধু আমাকে দিয়েছে অবারিত স্বাধীনতা, মন যা চায় লিখো। সেখ

আহমদ ছফার দুনিয়া

মরার জন্য ছফা কেন শ্রাবণকেই বেছে নিলেন? এই প্রশ্নের জবাব আমি খুঁজেছি অনেকদিন। নুরুল আনোয়ার লিখিত 'ছফামৃত' বইতে আছে, শরীর যখন খারাপ লাগছিলো, সবাই ব্যস্ত হয়ে পড়লো হাসপাতালে নিতে, তিনি নাকি না যাওয়ার পক্ষে ছিলেন। বারবার একটাই কথা বলছিলেন, 'অযথা পেরেশানী করে লাভ নাই, আমি যাবোগা আজকেই।' এর মাস দুই আগে থেকেই তিনি বলছিলেন, আমার হাতে সময় বেশি নাই। এইজন্য তিনি আত্মজীবনী লেখারও চিন্তা করছিলেন, কিন্তু লিখতে পারছিলেন না, শেষে নুরুল আনোয়ার টেপ রেকর্ডার নিয়ে বসে থাকে। তাতেও উনার সুবিধা লাগে না। বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে তিনি বলে রেখেছেন, তার শরীরের সবখানেই রোগ, এত কষ্ট নিয়ে বেঁচে থাকতে মন সায় দেয় না। সুতরাং ৫৯ বছরের জীবনে পার করে তিনি মোটামুটি প্রস্তুতই ছিলেন ওপারে যাওয়ার জন্য।

গ্লোরিয়াস বার্থডে অফ তানবীরা আপু!

শহরে বন্দরে গ্রামে যেখানেই যাই আমার ঘুম আসে না। এই যে আমি শুয়ে আছি ও ঢাকায় আসলাম, তিনটা প্রায় বাজলো। ঘুম নেই। শুধু ঢাকাতেও না, এই মফস্বলে কত রাত কেটে গেল নির্ঘুম। কুমার বিশ্বজিতের একটা গান আছে, ঘুম নেই চোখে/ একা জেগে আছি/ স্মৃতি এসে বলে গেল নেই যে তুমি। স্মৃতি ছিল আমার ক্লাসের এক মেয়ের নাম। বাপ মা দুইজনই তাবলীগ করতো। আমার এক বন্ধু তাকে পছন্দও করতো। মেয়েদের তখন একটা ভালো ব্যাপার ছিল, সব জেনে বুঝে খালি চেয়ে চেয়ে থাকতো। ছেলেদের কিশোর বয়স থেকেই ভালোবাসা প্রকাশের যে উদগ্রীবতা, মেয়েদের তা ছিল না। তবুও ক্লাসে আরেকটা মেয়েকে স্কুল থেকে টিসি দেয়া হয়েছিল। কারন সে প্রেগন্যান্ট বলে। আমাদের স্কুল কলেজ গুলো এত বেশী নৈতিকতা কপচাতো যে এখন বুঝি এ জন্য আমাদের এত সংকট। জোর করে মূল্যবোধ শেখানো যায় না। এমন একটা ভাব ছিল যেন আমরা হবো সব হাজী মহসিন। হাজী মহসিনের মত সম্পত্তি পেলেও হতো। মহসিন ফান্ডের বৃত্তি দেয়া হতো

স্মরণের প্রান্তরে আহমদ ছফা!

আজ আহমদ ছফার জন্মদিন। বড় করে সুন্দর করে একটা লেখার দরকার। শরীরও ভালো লাগছে না, তাই জোশ পাচ্ছি না। যদিও কাল থেকে ভালো মন্দ খাচ্ছি। ছফা নিয়ে আমার কম লেখা নাই। ব্লগে ফেসবুকে বিভিন্ন দৈনিকে। নতুন করে আর কোন কথাটা বলার আছে। বান্ধবীকে ছফার একটা উপন্যাস পড়তে বলেছিলাম, সে পড়ে আনন্দিত। এত বিজি জীবনে যে পড়েছে বাংলা তাই অনেক। এটা আমি সব সময় দেখেছি। কাউকে ছফা পড়তে দিলে যদি পড়ে হতাশ হয় না। এটাই হয়তো আহমদ ছফার চার্ম। ছফা যে মানুষের মুখে মুখে সত্য অসত্য গল্পে কাল্ট হয়েছে এসবই হয়তো ছফাকে প্রাসঙ্গিক রাখবে। আপনি বাংলাদেশের যেকোনো পাবলিক ভার্সিটির দিকে তাকান, খবরগুলো দেখান, ক্ষমতাসীন ছাত্র সংগঠনের কাজ কারবার, ভিসি ও প্রভাবশালী শিক্ষকদের দৌরাত্ম এসব নিয়ে ভাবলেই তো বারবার প্রাসঙ্গিক হয়, গাভী বৃত্তান্ত। এটা এখন এত বেশী সেলিব্রেটেড উপন্যাস, মাঝেমধ্যে মনে হয় এ উপন্যাসকে ফলো করাই ভিসিদের ডিউটি। তারা খালি গাভীর জায়

'জলজ লকার' এক মায়াময় আখ্যান

স্টিফেন কিং এর একটা কথাকে আমি ভীষণ সত্য মানি। তিনি বলেছিলেন, 'সঠিক বইটা সঠিক মানুষের হাতে পড়লে একটা আলোর জন্ম হয়। যে আলো একজন থেকে আরেকজনের হাতে ছড়িয়ে পড়ে।' এবারের বইমেলায় মাহরীন ফেরদৌস- এর একটা উপন্যাস এসেছিল, যা কথা প্রকাশের অন্যতম বেস্ট সেলার, নামটাও অদ্ভুত, 'জলজ লকার'। বইটা পড়ে অনেকদিন আগে শোনা স্টিফেন কিংয়ের কথাটা মনে পড়লো। উপন্যাসটা পড়েই সেটা নিয়ে লেখা দরকার ছিল। কিন্তু উপন্যাসটা এমন এক ঘোরে ফেলে দেয় কিছুই আর ইচ্ছে করে না নতুন করে বলতে। তাই অনেকদিন পড়ে 'জলজ লকার' নিয়ে কিছু কথা প্রকাশের সাধ জাগলো!

Ek Akela Is Shaher Mein!

ধরেন বছর অনেক আগে রাতে ঘুমাতে পারছিলাম না, সোডা হোস্টেলের ছেলের দলেরা গাচ্ছে, তুমি যে ক্ষতি করলা আমার আল্লাহয় করবে তোমার বিচার। মনটা চাইছিলো শালা তোরা আমার ঘুমের বারোটা বাজালি তোদেরও বিচার করবে আল্লাহ। আবার আমাদের কৈশোরে আসিফের গান ছিল, ও পাষানী বলে যাও কেন ভালোবাসোনি। এত জোরে বাজতো সিডির দোকানে মন চাইতো, তুই আর কোথা থেকে ভালো, এত জোরে গান বাজাস? কার ঠেকা পড়েছে ভালোবাসার। তখনই আমার মাথায় এসেছিল, পুরুষ সুরকার গীতিকার ও শিল্পীদের দুটো প্রবণতা, নারীকে গানে গানে আসমানে তুলবে ভক্তিরসে, বলবে পরী, অপরুপা, বিধাতা গড়েছে নিজের হাতে, তুমি না এলে সব কিছুই থাকতো আধারে নয়তো গান হবে বকাঝকা আর ব্লেইম গেমের খেলা। কেন তুমি অচেনা হলে, পাষানী, আল্লাহয় করবে বিচার, অপরাধী, কেন তুমি ভুলে গেল, কেন তুমি চলে গেলে, কেন তুমি আসো না, কেন কথা রাখো না, কেন বাসো না ভালো, কেন তুমি বদলে গেছ এসবে ভরা সব গান!

কি দেখছি, কি পড়ছি, কি শুনছি

শরীর অসুস্থ থাকার কারণে আমার গত এক দেড় মাস ধরে কিছুই দেখা হয় না। ইদানিং কিছু দেখার চেষ্টা করছি। যেহেতু সারাদিন জামালপুরে বসেই থাকে। আইপিএল দেখতে ভালো লাগে না। নাটক দেখার চেষ্টা করি টিভিতে, কিন্তু এখন আগের মতোই সে পেশেন্সটা নেই। তাও চ্যানেল পাল্টানোর ফাঁকে কিছু দৃশ্য ধরা পড়ে। চ্যানেল গুলোরও এখন নাটক নিয়ে বিশেষ চিন্তা নাই। অনেকেই পুরানো ভান্ডু থেকে তাদের নাটক দেখায়, নায়িকা দেখলেই মনে হয় এই অভিনেত্রী আজ প্রায় অর্ধ যুগ ধরে আমেরিকায় থাকে। আর দেখা হয় সংবাদ। মানে সংবাদ টিভিতে চলতে থাকে আমি হয়তো মোবাইল টিপতে থাকি। লীগের চ্যানেল গুলো এখন এমন পল্টি মারছে ভাবতেই অবাক লাগে, বিটিভিতে হয়- ফ্যাসিবাদের দিনলিপি, টকশো গুলোতে সব রাজত্ব করছে আরকে রনি, জাহেদস টেক, সারোয়ার তুষার, মাসুদ কামালরা। তার ভেতরেও সিনেমা দেখা হলো কিছু। খুবই ভালো লেগেছে, সুপার বয়েস অফ মালেগাও, পনম্যান, এই রাত তোমার আমার। যেহেতু অসুস্থ তা

লীনা আপুর বার্থডেতে!

লীনা আপুকে নিয়ে লিখতে আমার সব সময় ভালো লাগে। জানি এখন তিনি এসব পড়ার মুডে নাই। তাও আমার তো লেখাই কাজ। লীনা আপুকে নিয়ে না লিখলে ১৪ ই ডিসেম্বরটা মনে হয় ব্যর্থ গেল।

আমার সাথে লীনাপুর দেখা নাই মেলাদিন। শেষ যেদিন দেখা হয়েছিল তখন তানবীরা আপু ছিল। খুবই মজার এক সন্ধ্যা কেটেছিল আমাদের। আপু আর আমি হোটেল জিন্জিরায় গিয়েছিলাম রিকশায়। আপুর বাইরের খাবারের বিষয় আসয়ই ভালো লাগে না। তবুও আমাদের পাল্লায় পড়ে খেলো। খুব আনন্দ করেছিলাম আমরা। সেদিন চারটা বইও এনেছিলাম। তাও পড়া শেষ। দেয়া হয়নি। বই গুলো এখনও টেবিলে, আবু সয়ীদ আইয়ুব, অমিয়ভূষণ মজুমদার এসব আর কি। কবে যে দেখা হবে আবার কে জানে? আবার কিছু নতুন বই আনা যাবে।

সাজি আপুর জন্মদিনে!

সেহেরীর সময় আমি ব্লগ লাইফকে ভীষন মিস করি। তা কি আজকের কথা। এক যুগ কিংবা তারও আগের সব গল্প। তখন পিসি ছিল বাসায় একটা। সেটা আমার ভাইয়ের। সে বসতো। কাজ করতো। আমি অপেক্ষায় থাকতাম তার উঠার। সে ঘুমাতো সেহেরীর আগে। আমি তখনই বসতাম না। সেহেরী তাড়াতাড়ি খেয়েই সামহ্যোয়ার ইনে বসে পড়া। ব্লগ, ইস্নিপ্স, ইয়াহু মেসেঞ্জার আর অনলাইনে পত্রিকা পড়া আর মেইল চেক এসবই ছিল রিচুয়াল। ব্লগ সেহেরীর সময় জমে ক্ষীর। আমরা যারা রাত জেগে আড্ডা মারতে পারতাম কম তাদের জন্য মাহেন্দ্রক্ষণ। কারন তখন ভালো ভালো পোষ্ট আসতো, ধর্ম নিয়ে বাহাস হতো, আড্ডার খোশমেজাজ ও থাকতো। আমি অসংখ্য দিন রাতে অল্প ঘুমিয়ে সেহেরীর পর সারা সকাল জেগে ছিলাম ব্লগের উসিলায়। তখন এত কোয়ালিটি কন্টেন্ট নিয়ে মানুষ ভাবতো না, যার যা মনে আসতো লিখে দিতো। বুঝতে ও বোঝাতে পারলেই হলো। আমাদের অনেকে কবি হয়েছে, গল্পকার হয়েছে, রাজনীতি নিয়ে বুঝতে শিখেছে ব্লগ থেকে। আর সেইসব সেহেরীর

আহমাদ মোস্তফা কামালের জন্মদিনে!

আজ আমার প্রিয় লেখক আহমাদ মোস্তফা কামালের জন্মদিন। ব্যাপারটা আমার জন্য আনন্দের যে তার জন্মদিন নিয়ে আমি লিখি প্রায়শই। আমাকে আনন্দ দেয়। অনিক ভাই নামে আমার এক ভাই আছে। তিনি থিয়েটার কর্মী ও লিটল ম্যাগ সংগঠক। প্রচুর বড় বড় সাহিত্যিকদের সাথে তার উঠা বসা। প্রচুর মানুষকে তিনি চিনেনও। আমি গল্প করতে গিয়ে দেখি সাহিত্যের মানুষদের ভেতরে আহমাদ মোস্তফা কামাল ছাড়া কারো সাথেই আমার নিবিড়ভাবে চেনাজানা নাই। তাই তার গল্পই করতে হয়। ভাগ্যিস অনিক ভাই কামাল ভাইকে চিনে কম। এতটুকুই ভরসা।