ইউজার লগইন

আরাফাত শান্ত'এর ব্লগ

এসো কিছু খাই

এক বন্ধুর কারণে সেরকম এক নাস্তা করলাম স্টারে। এমন হেভীওয়েট নাস্তা যে দুপুরেও খিদে নেই। অসংখ্য দুপুরে জীবনে আমার এমনিতেই খাওয়া হয়নি। আগে এমন দুপুরে সাবানের গন্ধওয়ালা ধোয়া হাত দিয়ে খেতাম তেহারী ডেইলী। মাংস কম, রাইস বেশি। কি আর করা! মানুষ ফেসবুকে ভালো ছবি তুলতে গিয়ে কম ভাত দেখায় হয়তো, আইটেম দেখায় বেশী, সেইটুকুই নাকি খায়। আমার কম ভাত বেশি ভাতে দুটোই গেঞ্জাম। মোটামুটি এক প্লেট ভাত লাগবে। ভালো তরকারী হলে, মুড ভালো থাকলে আরো হাফ প্লেট খাবো। মানুষ অল্প ভাত খেয়ে কিভাবে থাকে তা বুঝি না। কার্ব কার্ব করে মানুষ এখন কিছুই খায় না আমার বন্ধুর বাসায় ছিল এ কালচার। আইটেম অনেক, ভাত কম। একদিন নিয়ে গেল, দেখি মাছ মাংস ভর্তা সব আছে। কিন্তু ভাত যা দিয়েছে তা আমারই লাগবে। কিন্তু তা খেতে হবে দুজনের। কি আর করা খেলাম।

রুশনাফের জন্য

কত মৃত্যু সংবাদ নিয়েই যে লেখা লাগে। যেমন বাসায় এসে শুনলাম রুশনাফ ওয়াদুদ চলে গেছে। মাত্র ৩৮ বছরের ছেলে ধুম করে চলে গেল কার্ডিয়াক এরেস্টেে। এরচেয়ে দু:খের আর কি হতে পারে। আমার সত্যি ভীষণ মন খারাপ। সে আমার বন্ধু নয় আড্ডার সাথীও নয়, কিন্তু এটেম্পটেড ব্যান্ডের ভোকাল ছিল সেই সূত্রেই চেনা। মেয়েদের ভীড়ে ইনস্টাগ্রামেও ফলো করতাম ওনাকে, মাঝেমধ্যে সুন্দর ইংরেজি গান কাভার করতো। দেখলেই মনে হতো অথেন্টিক একটা লোক। তার জী বাংলা ব্লুজ নামে দুর্ধর্ষ গান আছে। আমাদের মত মিলেনিয়াল মায়েদের নিয়ে এত সুন্দর গান কম আছে, শুনলেই কান্না পায়। আর এই বিকেলে ও মৌসুমী গান দুটো আমার ভীষণ প্রিয়। কোনো একদিন গ্রামের বাড়িতে বসে এসব গান শুনেছিলাম করোনার মধ্যে। এত ভালো গান কতদিন শুনিনা, মনে হয় এসবের জন্য বেচে থাকা। সেই ব্যান্ডের একটা ম্যাকগাইভারের ওপেনিংয়ে ট্রিবিউট আছে এত জোশ। আরাফাত কাজী তো বিখ্যাত কিন্তু সে কই থেকে যোগার করেছিল এ

ফিফথ সেপ্টেম্বর

আজ সেপ্টেম্বরে ৫ তারিখ। আজকের দিনে চ্যালেঞ্জটা না নিলে 'থ্রি ইডিয়টস' ছবির জন্ম হতো না। ভারত থেকে 'থ্রি ইডিয়টস' ছবির জন্ম না হলে এত প্যাশনের ভুত জাগ্রত হতো না। সব এলিট নবাবপূত্ররা নর্থ এন্ডে বসে ডায়লগ দিতে পারতো না, ' জীবন এতটা সহজ ছিল না।'

জ্বালাইলা আগুন

অনেকদিন আগে মামার এক বন্ধুর বিয়ের ভিডিও দেখেছিলাম। আমরা শহরে বিয়ের ভিডিওতে ইংরেজী গান দেখি, চিটাগাং এ দেখতাম হিন্দি গান, এক এস্থেটিক বাঙ্গালীকে দেখেছিলাম কবিগুরুর গান ঢুকাতে। জেলা শহরে এসব ভণিতা নাই। সেখানে সিনেমার গান, বিশেষ করে নব্বই শূন্য দশকের শ্রুতিমধুর সব প্রেমের গান। মনে পড়ছে সেই লোকের নাম ছিল শাপলা। তো শাপলা মামা আর মামীর পোজ দিচ্ছে ফটোগ্রাফারদের আর ব্যাকগ্রাউন্ডে বাজছে, কোন কাননের ফুল গো তুমি/ কোন আকাশের চাঁদ গো তুমি/ কোন রাখালের মধুর বাঁশির ধুন/ জ্বালাইলা আগুন বুকে জ্বালাইলা আগুন।

নট ইউর সামার

আগে একটা টিভি চ্যানেল ছিল। সাড়ে এগারোটায়, জাতীয় সংগীত বাজিয়ে শেষ হয়ে যেত। যা দেখাতো দেখতাম, না হলে টিভি বন্ধ। আমরা ভাবতাম টিভিরও বিশ্রামের দরকার। 'কামিয়াব' ছবির ডায়লগ ছিল, এন্জয়িং লাইফ অউর অপশন কিয়া হ্যায়। পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক অনুষ্ঠান থেকে পল্লীগীতি অনুষ্ঠান সব ভালো লাগতো। ভালো লাগার চেষ্টা করলে মাঝেমধ্যে টিভিতে পুরোনো হিন্দি গানই দেখা হয়। গতকাল এক টকশো দেখছিলাম, বলছে এইসব সরকারি কর্মকর্তাদের জনগন রুখে দেবে। সরকার বেঁচে আছে আমলাদের উপর, জনগন নাকি রুখে দেবে। টকশো তে কত কথা, শেষ হয় না কিছুই। একটা আমল দেখলাম টকশোতে মুজিব-কোট পরার চল, আর এখন বিএনপি আমলে কি সাফারি স্যুট-কোট পরে আসছে লোকজন?

একটা দিন শুধু একটা দিন

২০২৪ সালের, ৫ই আগস্ট আমার কাছে অলীক মনে হয়। বিশ্বাসই করতে পারি নাই এমন কিছু ঘটবে সেই দিনে। প্রচুর মানুষ জীবনের শেষ ঘোষণা দিচ্ছে তাতে দমবন্ধ লাগতেছিল। এর আগের দিন একশোর উপর মানুষ মারা গেছে, আজ হয় চারশো মানুষ মারা যাবে, শেখ হাসিনা এত সহজে ক্ষমতা ছাড়বে না। তখনও ছাত্রলীগ ছেলেমেয়ে খুঁজতেছে যারা আন্দোলনে যায় তারা কই থাকে। এরকম একটা ছেলের সাথে আমার তর্কও হলো সকালে, বললাম- সরকার গেলে গা তোমার সিআইডি গিরি বের করবো, ভালো হও মিয়া। সে খুব কনফিডেন্সে বললো, আওয়ামীলীগ ভাই এত সহজে ছাড়বো না। সকালে খবর দেখাচ্ছিল চ্যানেলে কোথাও লোক নাই, রাস্তা থমথমে। আবার খবর আসছিল ঢাকার দিকে প্রচুর মানুষ আসতেছে তাদের থামানো যাচ্ছে না। তারপর বারোটায় ঘোষণা আসলো, জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিবে সেনাবাহিনী। আমি ভাবলাম সেনাবাহিনী আর কি বলবে, বলবে আপনারা বাসায় ফিরে যান আমরা দেখতেছি। শেখ হাসিনাই থাকবে আপাতত। তারপর কই থেকে রেদোয়ান জানা

সানডে অলওয়েজ কামস টু লেইট

ডেভিড বোওয়ির কথা মাঝেমধ্যে মনে পড়ে। একটা লোক ছিলেন বটে, কি সব অদ্ভুত গান গাইতেন। লাইফ অন মার্স কিংবা স্পেস অডিসি অথবা স্টারম্যান এবং ফাইভ ইয়ারস। একা একা বাসায় যখন শুনতাম খুব শুন্য লাগতো। এই মহাবিশ্বে কি ক্ষুদ্র এক মানুষ আমরা। কি আমাদের মুল্য? এই যে বেঁচে থাকাকে আমরা এত মহার্ঘ্য বস্তু বানিয়েছি এর আসলে মানে কি?

ভালোবাসার দুশমন

ভালোবাসার দুশমন ছবি হচ্ছিলো এক অখ্যাত স্যাটেলাইট চ্যানেলে। বাংলাদেশে এখন এত চ্যানেল ট্র‍্যাক রাখাই যায় না। আর সবার কমন অনুষ্ঠান হলো দেশী সিনেমা আর সংবাদ। আর ঈদে হলো এক গাদা বিশেষ সেলিব্রেটি টকশো। সেখানে প্রশ্ন- চা না কফি?

খালিদের জন্য কয়েক প্রস্থ

খালিদ কত বড় স্টার ছিল এটা এখন বোঝানো অসম্ভব। এখন স্টারদের মাপা হয় ভিউতে ও রেলিভ্যান্ট থাকা না থাকায়। খালিদ ছিল সেসবের ওপরে। কোনো অখ্যাত গায়ে হলুদের প্রোগ্রামে কেউ একটু দরদ দিয়ে খালিদের গান গাইলেই ভাবতাম আমরা, কি সিরিয়াস শিল্পীরে বাবা। তখন অনিবার্য ভাবেই গাইতে ও শোনাতে হতো খালিদের গান। আমার এক বন্ধু ছিল যে সরলতার প্রতিমা গানটা টানা মাসের পর মাস শুনে গেছে। আমাদের প্রধানতম অভিযোগ ছিল তার প্রতি, 'গানটাকে গোবর বানায় ছাড়লো'। তখন 'সে যে হৃদয় পথের রোদে একরাশ মেঘ ছড়িয়ে হারিয়ে গেল নিমিষেই', এই লাইনের চেয়ে ভালো লাইন আর মাথায় আসতো না। রেডিও এফএম আমলে খালিদের গান অন্য লেভেলে বাজানো হতো। 'ঘুমাও তুমি ঘুমাও গো জান', রাত হলেই এ গানের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হতাম। আমি চাইমের শ্রোতা তেমন নই, তবুও খালিদের কারণে চাইমও শুনেছি। ফোক আঙ্গিকে ব্যান্ডের গান আমাদের ঐতিহ্য এটা মেটাল লাভাররা ভুলে যায়। ফিরোজ সাই থেকে খালিদে

একুশে ফেব্রুয়ারি

নর্ম ম্যাকডোনাল্ডের একটা কথা আমার খুব প্রিয়, কোনো টিমকে তুমি ভালোবাসতে পারবা না আরেকটা টিমকে হেট করা বাদ দিয়ে। থ্যাঙ্কস গড, ভাষা কোনো টিম না। সব ভাষাই সুন্দর আধিপত্যের ভাষা ছাড়া। আগে একুশে ফেব্রুয়ারীতে আমি চিন্তায় পড়তাম, বাংলাটা পিছিয়ে পড়ছে। সলিম ভাই ছাড়া কেউ কিছু বলছে না কেন। আসলে বলেও লাভ নাই। আবুল কাশেম ফজলুল হকের মত দশটা পেপারে একদিনে কলাম লিখেও লাভ নাই। যা হবার হবে, বাংলা এভাবেই টিকে থাকবে। অনেকদিম আগে এক বিহারী ছেলের কথা শুনেছিলাম চুল কাটাতে কাটাতে। সে বাসা থেকে চার মাস ধরে বাইরে থাকে, কারন তার মা খালি বোনের সাপোর্ট টানে, তাই সে বাসায় টাকা পয়সা দিলেও বাসায় আর যায় না। এরকম আমাদের সবার মনেই অনেক তুষের আগুন জ্বলে। সেটা প্রকাশের একমাত্র উপায় শামসুর রাহমানের দুঃখিনী বর্ণমালাতেই। বাংলার ভবিষ্যৎ আমি অন্ধকার দেখি না, কারন বেশির ভাগ মানুষই এখানে এই ভাষাটাই পারে। শুভ ভাই বলেছিল, আফ্রিকার প্রচু

Sweet caroline

জামালপুরে প্রচুর না হলেও বেশ জায়গায় যাওয়া হয়। কোনো কাজে না। এমনি উদ্দেশ্যহীন। কোনো ব্যস্ত হাট দেখি, গ্রাম দেখি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে সরকারি দফতর কত কি চোখে পড়ে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ছাড়া কিছুতেই আর মুগ্ধ হই না। আগে আমি মানুষে মুগ্ধ হতাম খুব এখন আর তাতে হই না। কারণ মানুষ মানেই গ্রে, মুগ্ধ হবার কিছু নাই মুখের কথায়। আর গ্রাম বাংলার মানুষ তুলনামূলক সরল কিছুটা অকপট, মন রক্ষা করার কথা কম শুনি অপরিচিত কারোর মুখে। যেমন একজনকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, কাকে ভোট দিবেন? তিনি ভনীতা ছাড়া বললেন, যে টাকা দিবে। পাল্টা প্রশ্ন, টাকা দেয়? তিনি জানান টাকা ছাড়া তিনি কখনও ভোট দেননি। আমি বললাম যদি একাধিক লোক টাকা দেয়? তিনি জানান যে আগে দিবে সে। এসব আলাপ ঢাকায় পাবেন না। ঢাকায় বলবে যে ভালো লোক, সৎ যোগ্যদের দিবে। গ্রামের মানুষ বুঝে গেছে, ভোট হুদাই, তাই যেই আসুক তার জীবন বদলাবে না। তাই নগদে প্রাপ্তি হলে দোষের কি?

যীশু দিবস

আজ বড়দিন আজ যীশুদিবস সেই সাথে আজ প্রচুর মানুষের জন্মদিন। সঞ্জীব চৌধুরী থেকে নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী মৃত্যুদিন হয়ে এলিস্টার কুক, মার্ক ট্রেসকোথিক, দেব আর কত শত মানুষের জন্মদিন। আজ আবার বিটিভিরও জন্মদিন। বিটিভিতে দেখলাম, আধুনিক গান হচ্ছে আর বিভিন্ন চ্যানেলের বার্তা প্রধানদের অভিনন্দন। ভাবছিলাম বিটিভির এমন খারাপ দিন আসলো যে এসব বক্কর আলীরাও বিটিভি নিয়ে বয়ান দেয়। আর দেশে বেশিরভাগ চ্যানেলই বিটিভির উপশাখা। খালি বিটিভিতে উচু গলায় টকশো কম হয়। বিটিভির জন্মদিন নিয়ে সবচেয়ে বেশী একসাইটমেন্ট চ্যানেল আই এর। তারা আগে একটা মেলাও করতো। দেখতে দেখতে বিটিভির ষাট একষট্টি বছর হয়ে গেল। কোনো প্রতিষ্ঠানের ষাট মানে সেটা তার অন্যতম ভালো সময়ে আছে। কিন্তু বিটিভির সমস্যা হয়েছে বিটিভি এই দেশীয় পুরুষদের মত চল্লিশেই চালসে হয়ে গেল। এখন আর কোনো দল নির্বাচনের প্রতিশ্রুতিতেও রাখে না বিটিভির স্বায়ত্বশাসনের অঙ্গিকার।

এলিয়েনেশন

এলিয়েনেশন কাকে বলে সেটা জামালপুরে এসে টের পাই। মানে মনে হয় অমিয়ভূষণ মজুমদারের ফ্রাইডে আইল্যান্ডে এসে বসবাস করছি, মানুষ আছে কিন্তু মনে হয় একটা দ্বীপ। হাদি প্রথম আলো দীপু এসব নিয়ে কোনো আলাপই নাই। মাঝেমধ্যে চোখে পড়ে জামাতের ক্যান্ডিডেট মাওলানা আবদুস সাত্তারের দু চারটা পোস্টার। আর দেখা যায় বেশী- বিএনপির দাঁড়ানো ওয়ারেস আলী মামুনের বিভিন্ন বয়সের ছবি সম্বলিত বিলবোর্ড ও পোস্টার। সেটায় একটা জিনিস বোঝা যায় দল ক্ষমতায় না থাকলেও ভদ্রলোকের পেট দিনদিন উর্ধমূখী। শহরে গেলে জেলা স্কুলের এনসিপির এক নেতার বিলবোর্ডে চোখ পড়ে। তিনি ইন্ডিপেন্ডেন্ট ফিল্মমেকার, জামালপুরকে পরিবর্তন করতে চান। আমি ঢাকার ভোটার, এনসিপি থেকে এখনো এ আসনে ঘোষিত হয়নি, জামালপুরে হলে তাকে ভোট দিতাম কারণ তার একটা প্রতিশ্রুতি আর কোনো লোককে আমি দেখলাম না দিতে। যে ইলেকশনে জিতলে তিনি জামালপুরে আবার সিনেমার হল নির্মাণ করবেন। এ সামান্য আলাপ আমি আরো

বিজয় দিবস ২০২৫

জেলা শহরে এখনো একটু আধটু বিজয় দিবস আছে। দূরে কোথাও মাইকে গান বাজে, গোলাপ গাদা বেলী ফুল বিক্রি হয়, কেউ কেউ জাতীয় পতাকা কিনে। বিএনপির অফিসে বাজে, প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ। অনেকদিন পর এই গানটাও শুনতে এত ভালো লাগে। মনে মনে গলা মেলাই, 'মাটির মমতায় ঘাস ফসলে সবুজের আল্পনা/ আমার তাতেই হয়েছে স্বপ্নের বীজ বোনা।'

পীচ ঢালা পথে

এহতেশামের ছবির নাম ছিল, পীচ ঢালা পথ। রবিন ঘোষের সাথে এহতেশামের সম্পর্ক সেই 'রাজধানীর বুকে' ছবি থেকে। পুরো ষাট থেকে সত্তর, রবীন ঘোষ প্রচুর উর্দু ছবিতে কাজ করেছেন। বাংলা ছবিতে কাজ হাতেগোনা। তবে পীচ ঢালা এই পথটারে ভালোবেসেছি আমার ধারণা তারও অন্যতম পছন্দের কাজ। কারন তিনি ব্যক্তিগত জীবনে ছোটবেলায় ছিলেন কোরাস শিল্পী। এই গানের যে কোরাস- লা লালা লালালা কিংবা হায় দিন যায় রাত যায় এমনি করে/ অলিগলি রাজপথ ঘুরে ঘুরে। আমার ধারণা বাংলা সিনেমায় এত ভালো কোরাস স্বাধীনতার আগে আর হয় নি। পরেও হয়েছে কিনা সন্দেহ। আর আবদুল জব্বারের গলা যখন ছিল সবচেয়ে সুন্দর তখন তিনি গেয়েছিলেন এ গান।