ইউজার লগইন

বাফড়া'এর ব্লগ

গুফনসূত্রের সন্ধানে

১.
- বৎস, তোমাকে একটি বই লিখিতে হইবে।
- জ্বি, আমার নাম বাৎসায়ন।
-বৎসয়ন , তোমাকে একটি বই লিখিতে হইবে।
- জ্বি, আমার নাম বাৎসায়ন।
- আরে তোরে একটা বই লিখতে কইতাছি, তোর নাম লিখতে কইতাছি না। দিলিতো সুশীল ভাষার ইলোকুয়েন্স নষ্ট কইরা, চোদনা।
-জ্বি, চোদনা ডাকলেও চলবে। আমার প্রিয় শব্দ।
- আবার, শুরু করছে... ডিম চিনস, ডিম?
- জ্বি, বলেন।
- এই পৃথিবী নিয়া আমার বড় আহলাদ ছিলরে।
- কি বলেন এইসব!! আহলাদ শেষ হয়া গেছেগা? সমাপ্তি আসন্ন??
- চুপ কর। পৃথিবী নিয়া আশা ছাইড়া দিছলাম। কিন্তু তারা আবার আলোর দিশা খুজে পেয়েছে। আমি পৃথিবীর ভাগ্যাকাশে উন্নয়নের রেখা দেখতে পাচ্ছি; রেখাটা কর্কটক্রান্তি রেখার মত ঠিক বাংলাদেশের উপর দিয়া গেছেরে ব্যাটা।
- তা ঐ রেখাটা বাকীদেরেও দেখায়ে দেন, ব্যাস।
- সেটাই চাচছিলাম, কিন্তু তারাতো উন্নয়নের সূত্র টা গুফন করে ফেলেছে।
- তো আমার কি করণীয়?

গবিতা- দ্যা পোলা-ও / Ode - To Hash Lady

এবি'তে আইজকা এত নয়া নয়া পুস্ট দেইখা আমারো শখ চাগাইলো... অচিনদা অনেক আগেই কইছিলো বাফড়া শেষ। শেষ-মেষ তাই কারেন্ট টপিক্সেই হাজামাত করলাম। জিন্টু ঐদিকে খবর দিলেন পুলাপান নাকি কোবতে-ও নামাইছে আবেশের চোটে। আমি ভাবলাম আমিই বা বাদ যাই কেনো। তয় কথা হইলো গবিতা লিখতে গিয়া এই পয়লা টের পাইলাম যতিচিন্হে আমি অতি-পাকনা Wink । এইদিকে আবার বৃত্তের স্টাইলে ফেবুতে-ও হালকা স্ট্যাটাস-ও মাইরা দিছি লেখার। গবিতা লিখি বলে কি সাধ-আহলাদ-ও থাকবেনা??!!

======

চেখে দেখিনি, তবে নেহাত খারাপ লাগেনি পোলাও-টা
রাধতে দেখে।
ভালোই লেগেছে এই প্রথম উনাকে দেখে।
এই প্রথম উনাকে দেখে মুখটা তিতা হয়ে যায়নি
হেশেলে চুলটা বাধতে দেখে।

বলবনা ভাবিনি ''যাক, বেটি তাহলে এত দজ্জাল-ও না।''
ভেবেছি উনি ঐখানেই থাকছেননা কেন সবটা সময়
উনি ঐখানেই থাকছেননা কেন সবটা সময়
আলপটকা মন্তব্যের চেনা আতংকের গন্ডি ছেড়ে

রিসিভরস অব স্টোলেন প্রোপার্টিঝ: তোমারও ছিল ভয়

তোমারও ছিল ভয়, রাজাকার, পাকসেনা
কিম্বা ভ্রষ্ট চরিত্র মানুষের।
বিড়ালের নতুন ছানার মত সোনালী যৌবন
মুহুর্তেই ফেলতে লুকিয়ে,
যদি ওরা আসে, এই ভয়ে ডেকে নিতে কাছে।
সন্ত্রস্ত তোমার মুখ হঠা্ত আমার দিকে
ফিরে গিয়েছিল ভয়ে,
তোমার দু'হাতে
চুলে
নখে
কচু রং শাড়ীর আচলে
সর্বত্র ভয়ের চিন্হ, ভীত শিহরণ, যদি ওরা আসে।

মানুষের প্রিয়তম বয়সের কাছে এসে
তোমার বয়স যেন থেমে গিয়েছিল ভয়ে,
তখন আমিই শুধু তোমার সাহস হয়ে
তোমার চতুর্দিকে কিছুদিন...

আহা স্বাধীনতা, যুদ্ব, ভ্রষ্ট মৃত্যুভয়
কী সুন্দর থোকা থোকা প্রিয় অভিগ্যান।
যতদিন যুদ্ব ছিল ততদিন তুমি ছিলে
আমার প্রেমিকা।

আজ তুমি মুক্ত, রুদ্র, অসীম সাহসী।
হাজার হাজার মাইল
অনায়াসে চলে যেতে পারো, ভয় নেই
শুধু ভয়
যুদ্ব নয়
ওরা নয়
আমি যদি আসি।

''ভয়''

ঘাউডি'ঝ ড্যাড (ট্যাকনিক্যাল 18+)

অভ্যাস টা খারাপ হয়া গেছে অনেকদিন হয়... যা কইলে আমার আর হাসি আটকায়না সেইটাই কয়া ফেলি... ঐ দিন বন্ধুস্স্হানীয় আজ্জুরি বচ্চন কইতাছিল তার এক উপজাতি বন্ধুর কথা ... তাদের উপজাতি বন্ধুদের লোকসংখ্যা নাকি এখন মাত্র দুই-আড়াইহাজার... আর পায় কে... আমি উইঠাই কইলাম '' খাইছে!! এদেরে তো বিপন্ন প্রাণীর তালিকাভূক্ত করতে হয়, বস"... এই কয়া আমি নিজেই হাসতে হাসতে গড়াগড়ি Smile ...

আরেক খান গবিতা - একসেস দিয়া দেখরে পাগলা...

সাহিত্যিক ধুন্দুর-মুন্দুর যদি করতারতামরে, ময়না,
তাইলে তো ধাচানো ল্যংগুয়েজে, অনেক ক্যাওয়াজের লাইন লিইখ্যা বেড়াইতাম,
পরতে পরতে থাকতো তুমার ক্ল্যাসিক ক্যারিশমার বাখানিয়া...
আহা.. তুমার সেই ইশটাইল, সেই গরিমার প্রকাশ।
আর প্রতি রাইত্রে উছলেজিত চউক্ষে তুমার কানের কাছে আমার সুকুমার কোবতের ফিসফাস।

প্রেম যদি আমার প্র‌তিগ্যা হইতোরে যাদু,
টাইম-স্পেস কন্টিনামের বারোটা বাজায়া, তুমার রিদয়ে কেল্লা গাড়তাম,
আর কেল্লার নিচে খড়ায়া রোমিওর লাহান বিয়ান থিকা হাইন্জা তুমার প্রশংসার নহর ছুটায়া দিতাম; তুমার প্রাণের প্রয়োজনে আস্ত রিপাবলিকরেই কিবা সিটিএন দেখাইতাম।

সংগীতে পারদর্শী হইলেরে পুতলা,
তানসেন রে ভুমচক্করে ফেলায়া বিশবার জন্ম নিতাম, সুরের বিলাসে ফুটতো তুমার
''ক্লাসি বেইব'' ভাবচক্কেরের উপযুক্ত উপমা, তুমি বেশী পিক আপ নিলে বেটোভেন রেও
হয়তো ছাড়তাম না রে , মোতসার্ট রে নিয়া টান দিতাম যখন তখন।

আমি লাহুরীর মত মিস্ত্রি হইলে,
দেখতা গলিতে গলিতে তাজমহলের খেলা...ইধার তো উধার...
একেকটা যেনবা তুমার স্বর্গীয় হাসির একেক পার্থিব বয়ান।

ভিঝ্যুয়াল ডিকশনারী - ৩ ..... এন্ড হ্যাপি বার্থ ডে টু মাই ডিয়ার সৈয়দ মুজতবা আলী...

simulacrum - সিমুলাক্রাম দেইখা আক্রাম খানের কথা মাথায় আসলে কেরফা আছে... নাহ... আকরাম খান রে নিয়া কিছু না... একবার এক ম্যাচে দেখি বাংলাদেশের পক্ষে মাখন (MAKhan) নামের এক প্লেয়ার খেলতাছে... কিরে বাংলাদেশ টীমে মাখন টাইপ প্লেয়ার খেলে... খবরই পাইলাম না... পরে দেখি এইটা মোহাম্মদ আতাহার আলী খান... শার্ট ভাজ খায়া M A Khan মাখন হয়া গেছে... পরে আতাহার আলী ভাজ খুলাতে আনন্দ দেখলাম... কি কইতে কি কই... মানুষ যখন কি দেখতে কি দেখে তখনই সিমুলাক্রাম দেখা হয়... ধরেন আকাশে মেঘ ভাইসা যাইতাছে... মেঘের টুকরা দেইখা হঠা্ত মনে হইল আরে এইটাতো আমগো বিলাইয়ের মুখের লাহান লাগে... এইটাই হইল সিমুলাক্রাম... ইন প্লুরাল সিমুলাক্রা... আহেন ভিঝ্যুাল পার্টে আসি... তার আগে হেনতেন করি...

দোস্ত এন্টোনিও ঘাউডি তার স্টুডেন্ট দের কাজ দিছিল আশপাশ থেকে বিভিন্ন ফর্ম (!!) খুইজা আনতে.. ভাই আছে ভাবে... মাঝে মাঝে পুলাপানদের নিয়া মাঠের মধে্য ক্লাস করে , মাঝে মাঝে গাছের ছায়ায়... এইটা নাকি প্রতিবেশের সাথে মিইল্ল্যা পড়াশুনা... যাউগ্গা পুলাপানদের কাজ দিছিলো আশপাশ থিকা ফর্ম খুইজা আনার... পুলাপানরা লয়া আইলো নীচের তেলেসমাতি...

ছিল মর্ম বেদনা গাঢ় অন্ধকারে

পয়েন্ট অব ভিউ বা ফিলোসফি অব লাইফ যেইটাই বলেন না কেন জিনিস টা বড়ই মারাত্মক... বান্দর ক্যান চাইর পা ছাইড়া দুই পায়ে দাড়ানোর চেষ্টা করল? কেউ কইতারেন এইটাই তার কপাল... হ, বস আপনেরটাও একটা পয়েন্ট অব ভি্উ। আবার কেউ কইতারেন চাইর পায়ে থাকলে বান্দরের বল্স গুলা ইনসিকিউর অবস্হায় থাকে তাই বিচি বাচাইতে বান্দর দুই পায়ে দাড়াইছে... আরে বস আপনেরটা তো আরো বস পয়েন্ট অব ভিউ। মাসুদ রানায় পড়ছিলাম (আমার পড়াশোনার দৌড় ঐ পর্যন্তই... Sad ) রানা কইতাছিল মানুষ মারা গেলে কেউ কইতারে বেহেশতে যায়, আর কেউ কইতারে সাড়ে তিন হাত মাটির নীচে যায়; দুইটাই পয়েন্ট অব ভি্উ। রানা ব্লগাইলে ব্লগ কাত কইরা ফেলত সন্দেহ নাই...

উরি বাবা!! দেখে যা!! ভাষা, তার ভাষা

দিনে দিনে মানুষ অর্থনৈতিক ভাবে যত স্বয়ংসম্পূর্ণ হচ্ছে ততই তারা অন্যদিকে মনোযোগ দেবার সুযোগ পাচ্ছে। এর একটি ভালো উদাহরণ হচ্ছে ভাষা ও সংস্কৃতি বিষয়ে মানুষের সচেতনতা। গত কয়েক দশকে ফোকলোর সোসাইটির ধারণা বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এই সোসাইটির উদ্দেশ্য হচ্ছে একটি দেশের ভাষা, সংস্কৃতি এবং সাহিত্যিক কর্ম বিশেষ করে প্রায় বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া আন্চলিক সাহিত্য কে সংগ্রহ করা । ইংরেজী ভাষার বিরোধিতা করছি তা নয়, তবে বর্তমান বিশ্বে ইংরেজী একটি আগ্রাসনের সৃষ্টি করেছে। যেমন স্যাটেলাইট চ্যানেলের কল্যাণে আমরা দেখতে পাচ্ছি কেমন করে হিন্দির সাথে ইংরেজী অবলীলায়, অগোচরে মিশে যাচ্ছে। যে কোন শিক্ষিত ভারতীয় কথা বলার ফাকে ফাকে একই বাক্যে অথবা আলাদা ভাবে হিন্দি ও ইংরেজী মিলিয়ে কথা বলছে। বর্তমানে বাংলাদেশেও এই ধারাটি দেখা যাচ্ছে এবং এটা সম্ভবত জনপ্রিয়ও হচ্ছে। হয়তো এটাই স্মার্টনেস।শুধু তাই নয় আমাদের আন্চলিক ভাষাগুলো আরো বেশী বিপদের সম্মুখীন। যেমন এখন অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সিলেটীরা শুদ্ব বাংলা ও সিলেটী মিলিয়ে জগাখিচুড়ি ভাষায় কথা বলেন।

রিপোস্ট করার সুযোগ দেন, তাইলে পোস্টের ২য় পর্ব পড়ার সুযোগ দিমু :)

আইজকা আমার টপিক পাইলাম, তাই জেহাদী জোশে মোবাইল থিকাই পোাস্টাই Smile.. টপিক টা হইল আমি ক্যান ইশ্বর রে বিশ্বাস করি Smile.. আরে ভাই সাবস্ক্রিপশান ফি লাগেনা, এর থিকা বড় কোন কারণ দরকার আচে Smile.. বাই দ্য ওয়ে আমার লাইনের ইশ্বর আবার আল্লাহ .. পৈতৃক/মাতৃসূত্রে প্রাপ্ত Smile

যা বলছিলাম... বহুদিন ধইরাই নেটে দেখলাম অনেকে ইশ্বরে অবিশ্বাসের পাঠ দিচ্ছেন.. আর চলছে না.. আজকে এর একটা লজিক্যাল বিহিত (!!!) করতেই হবে..

ব্যাপারটা সিম্পল..

সতসিদ্ব- ১: - অলি বার বার পিরে আসে
সতসিদ্ব- ২: - পিরে আসতে হবে ( কিন্তু )আল্লার রহমতে (এর মাঝে আমারে আবার সিলেটের পাহারি পত থেকে পিরে আসতে হয় Sad )
সিদ্বান্ত- আবার জিগায় !!! রাহমাতুল্লিল আলামীন ছাড়া আর কি?

আর আপনারা যদি এই ভাইবা ইশ্বরে অবিশ্বাসের পাঠ দেন যে যে এই লেখাগুলা পইড়া আমি আল্লারে বিশ্বাস করা বাদ দিয়া দিমু তাইলে বস টেইক ইট ইঝি.. খুল দাউন.. অলি পিরে আসা পর্যন্ত ওয়েট করেন Smile.. তার আগে না Smile

রখস - এ - বিসমিল

ভিঝ্যুয়াল ডিকশনারি- ১ (স্ট্রিক্টলী ১৮+)

ভাবলাম একখান ভিঝ্যুয়াল ডিকশনারি সিরিঝ চালু করি। যেই ভাবা সেই কাজ Smile

চলেন তাইলে শুরু করি Smile

Manifest Serpent
চিত্র-১ - মেনিফেস্ট সারপেন্ট

মেনিফেস্ট সারপেন্ট (manifest serpent)-

মেনিফেস্ট সারপেন্ট বলতে গিয়া বুঝায় যেমন ধরেন ''ক্লীয়ার এন্ড প্রেঝেন্ট ডেন্জার'' টাইপের বিপদরে। ধরেন আমি ক্ষতিকর ব্যাক্তি এইটা যদি আমার হাবভাবে কাজে কর্মে ক্লীয়ার ফুইটা উঠে তবে আমারে বলে মেনিফেস্ট সারপেন্ট। চিত্র ১'এ অনেকটা মেনিফেস্ট সারপেন্টের মত আচরণ করতঃ সরাসরি'ই কারো প্রতি অনুভূতি জানিয়ে দেয়া হচ্ছে

serpent in the grass
চিত্র-২ - সারপেন্ট ইন দ্য গ্রাস

সারপেন্ট ইন দ্য গ্রাস (serpent in the grass)-

আমাদের সাম্প্রতিক ব্লগিং, আর তারপর

১.
সাম্প্রতিক ব্লগিং সিনারিও দেখে মনে হলো একটা পোস্ট লিখা যেতেই পারে, যদিওবা এতে করে ''সুশীল'' আখ্যায়িত হওয়ার আশংকা থেকেই যায়। তবুও এই আশংকাকে গুরুত্ব না দিয়ে, বরং ''সুশীল'' শব্দের অর্থ বদলে গিয়ে এর রুঢ় (নাকি যোগরুঢ়?) টাইপ শব্দ হওয়ার প্রসেসের সাথে নিজের যুক্ত হবার সম্ভাবনাটাকেই বড় করে দেখছি।

বাংলা ব্লগিংয়ে নিজেকে প্রবীণ দাবি করা যাবেনা কোনভাবেই যেহেতু আমার ব্লগিং এর বয়েস মাত্র সাড়ে তিন বছর, তবে এর সম্পর্কে হালকা ধারণা পাওয়ার জন্য এই সময়টুকু যথেষ্ট বলেই মনে হয়। শুরু থেকে এখনো পর্যন্ত যদ্দুর দেখেছি তাতে করে জানি বাংলা ব্লগে যত আলাপ-আলোচনা-সমালোচনা তার সিংহভাগ জুড়ে আছে মুক্তিযুদ্ব, এবং ধর্ম; কখনোবা ব্লগীয় ইন্ট্যার‌্যকশানের ফর্মে, কখনোবা ব্লগীয় অস্হিরতা বাকবিতন্ডার বেশ ধরে।

২.

তোমারেই করিয়াছি জীবনেরও ধ্রুবতারা

প্রায় পোস্টেই তো কুটিকালের কথা লিখি, তাই ভাবলাম আজকের পোস্টে আরেকটু লেস-কুটিকালের কথা লিখি। ইন্টারনেটের সাথে পরিচয় ২০০১ সালের শুরুর দিকে। এরপর ইন্টারনেটই জান-প্রাণ-সাকিব-আল-হাসান হয়া গেল। যদিও সাইবার ক্যাফের স্লো স্পীড আর আকাশচুম্বি রেইটের কারণে ইন্টারনেটের প্রপার ব্যাভার টা করা হয়া উঠে নাই তেমনটা। তারপরো এইসব টানাটানির মাঝে সাইবার ক্যাফেতে ইন্টারনেটিং করি। টাই পরার দরকার? ঠিক আছে গিট্টু কেমনে দিতে হয় তা কোন ওয়েবসাইট থেকেই শিখে আসি। শার্ট কিনব? আচ্ছা বিভিন্ন জাতের কলার সম্পর্কে নেটে একটা স্টাডি কইরা ফেলি তার আগে।

এভাবেই টেনেটুনে চলতে চলতে বছরের পর বছর পার হয়া গেল। আস্তে আস্তে ভালো ইন্টারনেট ফ্যাসিলিটিতে একসেস পাইলাম ২০০৭ এর দিকে। এহেন সব খুজাখুজির মাঝখানে শখ হইল ডলি পার্টন রে নিয়া একটু জানার। এই জানার ইন্স্পায়রেশন কই থিকা পাইছি সেই আলাপ আর না করি।

মেঘলা দিনের মেইল-শৌভিনিস্ট-মেমোরিঝ (স্ট্রিক্টলি ১৮+)

সে আমার কুটিকালের কথা। বয়স কম কম।পনেরো ষোল। যা-ই শুনি ভাল্লাগে... যা-ই দেখি হইতে ইচ্ছা করে। মুভি দেখতে বইসা নায়কের মুখে ডায়লগ ''আ'ম ফ্রম ডিসি'' শুইনাই মনে হয় ''নাহ, আ'ম ফ্রম সিলেট কথাটা তত হট শুনায় না; আমেরিকা যাইতেই হয়, গিয়া ওয়াশিংটন ডিসি তে থাকা শুরু করতে হইব; কেউ জিগাইলে কইমু আ'ম ফ্রম ডিসি... সাউন্ডস কুল''। সেইসব উথাল-পাথাল দিন... নাইনে তো পড়ছিলাম-ই ঠেলার চেয়ে টানা সহজ; মাসুদ রানা'র ''টানে, কিন্তু বাধনে জড়ায় না'' পইড়া বুঝি টানা শেষে বাধনে না জড়ানর-ও একটা স্টেপ আছে- মাসুদ রানাও হইতে হয়; নিউটন দেখি গণিত, পদার্থ মায় জো্যতির্বিগ্যানেও পা রাখছেন; ইবনে সিনা'ই বা ভুলি কেমনে? চারদিকে সব বিরাট বিকট হাতছানি; সব দেখতে মন্চায়, সব হইতে সাহস পাই। এই সব হওয়া না হওয়ার ভীড়ে আর কিছুই ঠিক করা হয়ে উঠেনা কি হইতে হইব।

মাহীনের গরুগুলো...

তখন বয়স আর কতই হবে... দশ কি এগারো... আমি আর চাচাতো ভাই রাসেল ক্রো বইসা বইসা আমগাছের ছায়ার নীচে ব্যাং নিয়া খেলতাছিলাম... ব্যাং কাকু রে ধইরা তার চার হাত পা চারটা কন্চি দিয়ে পেরেক মারার মত কইরা মাটিতে আটকায়া দিলাম ... সে এক তুমুল মজার কাজ... শখত মামা (আসলে উনার নাম শওকত) রে ডাক দিয়া নিয়া আসলাম মজা দেখার জন্য... সে আইসা উল্টা আমগোরে ঝাড়ি মাড়ি দিয়া ব্যাং রে ''খ্রীষ্টের সম্মান '' লাভের হাত থিকা বাচাইল...

ব্যাং তো ছাড়া পায়া বাইচা গেল... কিন্তুক আমাদের এন্টারটেইনমেন লস টা পোষাইব কেডা ?!!! লস পোষানোর লিগা শখত মামারে বাধ্য করা হইল আমাদের দুইজনরে কিচ্ছা শোনাইতে... শখত মামার ছিল কিচ্ছার অফুরন্ত ভান্ডার... আর কিচ্ছা শেষে মাঝেসাঝে মহামূল্যবান দুই একটা শিক্ষা... তো মামা রাখাল রিলেটেড এক কিচ্ছা কয়া শেষে যে শিক্ষা টা দিল তা হইল মহিষ চুরি করা উচিত না... কারণ মহিষ নাকি খুব জোরে জোরে হাটে... নিশুতি রাতের বেলা তাই মহিষের ক্ষুরের আওয়াজে চাইরদিক ভাইংগা পড়ে... তাই চোরের কপালে উল্টা মাইর জোটে!!! শখত মামার কাছ থিকা মওকা বেমওকায় ইরাম জীবনঘনিষ্ঠ শিক্ষা আরো বহুত পাইছি...

শখত মামা মনে হয় এই কিচ্ছা আরো অনেকেরে শুনাইছে... তাই গ্রামান্চলে মহিষ চুরি কম, গরু চুরি বেশী হয়... ইরামই এক গরু চুরির মামলা উঠল এডিশনাল জজের আদালতে... এই জজ আবার বহুত পাকনা জাজ.. অনেক মামলা নিপটায়া আসছেন বিধায় মামলার বিষয়বস্তু, অভিযোগের ধরণ শুইনাই মামলার মেরিট বুইঝা ফেলেন... যাউগ্গা... মামলার অভিযোগ এই যে আসামী লাল মিয়া নাকি মতি মিয়ার তিনটা হালের গরু গাপ কইরা দিছে!!! কোর্টে মামলা শুরু হওয়ার পর আর কেউ মুখ খোলার আগেই এডিশনাল জজ মুখ খুললেন... তিনি কৃষকরে কইলেন, ''ঐ ব্যাটা তুইতো মিথ্যা মামলা করছস!! ইডাতো সাজানো মামলা!!''
- ''হিককক ... এইডা কি কন??!!!''
- হ, এইসব ক্যারফা অনেক দেখছি... আজকাল মামলা দেইখলেই বুঝতাম পারি কোনটা সিরিয়াস আর কোনডা ফাও
- কিন্তু ইডাতো স্যার জেনুইন কেস... সে তো আমার গরু সত্যই চুরি করছে
- আরে রাখ তোর জেনুইন কেস!!! সারা দুনিয়ার সব গেরস্তের দুইটা কইরা হালের গরু থাকে; এই পয়লা তোরে দেখলাম যার তিনটা হালের গরু আছে... তোর সাজানো মামলার শুরুতেই দুইটার জায়গায় তিনটা গরুর অভিযোগ কইরা ভুল করছস রে গাধা

''অসদুপায় অবলম্বনের জন্য ...'' - 1

আইজকা পত্রিকায় পড়লাম শিক্ষকদের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র নাকি ফাস-মাস হয়া পুরা একাকার.। কয়েকটা গাধারে নাকি পুলিশ ধইরাও ফেলছে Smile.. গাধাগুলা ঠিকমত একটা অপকর্ম-ও করতে পারলো না... আফসুস... যাউগ্গা এদেরে নিয়া কোন স্যাটয়ার করুম না কথা দিলাম.. সেল্ফ-রাইচাস বাস্টার্ড সাজার রাইট অনেক আগেই ফরফিট করছি... আমি নিজেই খানিক এইসবের সাথে জড়িত কিনা তাই Wink

সেইবার আমাদের অনার্স সাবসিডিয়ারি পরীক্ষা... গায়ে বাতাস লাগায়া ঘুরতাছি... সাবসি নিয়া কোন টেনশান নাই মনে... তখন দোস্ত রেড ইন্ডিয়ান দিল আসল খবর- সাবসি তে পাশ না করলে অনার্সের রেজাল্ট আটকায়া রাখা হয় Shock ... আমার তো মাথায় বাজ পড়ল..। সাথে সাথে রওয়ানা দিলাম লাইব্রেরীতে.. নোট কিইনা কাইটা কাইটা পকেটস্হ করলাম... প্ল্যান নকল করুম Cool ... নকল করা আর অসদুপায় অবলম্বন করার মাঝহে কোন তফাত নাই জাইনাও এর একটা লজিক খাড়া কইরা ফেললাম...