ইউজার লগইন
ভালোবাসা
কোন একদিন একটা মন ভাল করা সকাল ছোঁবো
প্রতিদিন পাঁচ মিনিট লেখালেখি কর্মসূচি নামে শুরু হলেও, এ কর্মসূচি নিয়ে বসলে পাঁচের বেশি মিনিট পেরিয়ে যায় মুহূর্তে। আজ থেকে চেষ্টা থাকবে সেটা না হতে দেয়ার। কারণ এমনটা হতে থাকলে খুব সম্ভাবনা রয়েছে, আগামীকালই হয়তো আর লিখতে বসতে ইচ্ছে হবে না।
কিন্তু পাঁচ মিনিটের সময়সীমার ভেতর একটা সমস্যা রয়েছে, সেটি হলো লেখার বিষয়বস্তুতে পৌঁছুনোর আগেই সময় শেষ হয়ে যায়। এই যেমন ইতোমধ্যে এক মিনিট পেরিয়ে গেছে। আমি একদিকে লিখছি আরেকদিকে পাখির কলতান শুনছি। বসার জায়গাটা থেকে ডানে তাকালে সাগর দেখা যায়। আর সকালের নিরিবিলিতে মিশে থাকে অসংখ্য অজস্র পাখির কুজন। দু'একটার ডাকই চিনি মাত্র। কোকিল, চড়াই, কাক- এগুলোর ডাক ছাড়া আর কারোটা চিনতে পারি না। কিন্তু আলাদা করতে পারি বিভিন্ন পাখির নানারকম ডাক। যতগুলো ডাক আলাদা আলাদা করে আমার কানে ধরা দেয়, তাতে মনে হয় অন্তত ১৫-২০ রকম পাখি তো আছেই। আরও বেশিও হতে পারে।
সঠিক পরিবেশ আর অনুষঙ্গ
প্রতিদিন পাঁচ মিনিট লেখালেখি কর্মসূচি নামে একটা কর্মসূচি মাথায় ঘুরছে। আমাকে আজকাল উইপ আর শাফা ছাড়া আর কেউই মনে করায় দেয় না লেখালেখির কথা। ওরাও জানি না কি কারণে মনে করায়। লেখালেখির বিষয়টা কখনোই কিন্তু সেভাবে হাতে ধরা দেয় নি। যখন বোধহয় একটা সম্ভাবনা ছিল, কেন ছিল সেটাই আগে বলে নিই। তখন নিয়মিত লিখতে বসা হতো। প্রতিদিন প্রায়। পড়া হতো অনেক শব্দও। দৈনিক পত্রিকায়। অনেক লেখকের সঙ্গেই এই আবহ মিলে যাওয়ার কথা। সম্ভাবনা বলতে এটিই। সে সম্ভাবনাগুলোকে কি কি উপায়ে গলা টিপে হত্যা করেছিলাম, মনে করার চেষ্টা করি মাঝে মাঝে। অনেক কিছু মনে পড়ে, অনেক কিছু মনে পড়ে না। আমি মাঝে মাঝেই খেয়াল করি, পুরোনো অনেক ঘটনাই আমি মনে করতে পারি না। স্মৃতি থেকে মুছে গেছে। নিজে নিজে।
আলে গুটেন ডিঙ্গে জিন্ড দ্রাই
সেদিন সকালে হালকা বৃষ্টি হয়ে যাওয়ার পর বিল্ডিংয়ের-সামনের-রাস্তার-একপাশের ড্রেনটা উপচে ওঠা ছাড়া আর যা ঘটলো দেখে অবাক হয়ে গেলাম। দৃষ্টিসীমার ভেতর যত গাছ রয়েছে সবার একটা "পত্রপল্লব ধৌতকরণ" প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে গেল পুরোপুরি। সবুজ পাতাদের পরিপৃক্তি পৌঁছালো শ্রেষ্ঠ বিন্দুতে। চোখ ধাঁধানো রং। আমার মনে হয়, বৃষ্টির পর তেঁতুল পাতার সবুজ গাঢ়ত্ব যে কারও মনকে স্পর্শ করতে পারে। অন্য পাতাদেরও একই রকম জলে-সিক্ত সৌন্দর্য বেরিয়ে পড়েছে চারিদিকে। তাকিয়ে তাকিয়ে ইংরেজিতে যাকে বলে "স্টেয়ারিং"- সেইটিই করলাম খানিকক্ষণ, এক কাপ পিওর-ব্ল্যাক মর্নিং-টি হাতে নিয়ে।
বসার জায়গার ডানদিকে সাগর
বসার জায়গাটা থেকে মাথা ডানদিকে ঘুরালেই সবুজ কলাপাতা দেখা যায়। সারাক্ষণ বাতাসে দুলছে চিরল কলাপাতার দল। বড়-সড় ঘন একটা দল ঠিক আমার জানালার নিচেই মাথা তুলেছে। তার সামনে রাস্তার ওপার জুড়ে পুরোটাই নানান রকম পাতার সমাহার। পাতাদের প্রদর্শনী।
সবার আগে চোখ পড়বে তেতুঁল পাতার একটা ভীষণ বড় ঝাড়ের ওপর। গাছটার বয়স হবে ২০ বা তারও বেশি। চক্ষুসীমার মধ্যখানটায় উঠেছে তেঁতুল গাছটা। সাততলা থেকে তার পুরোটাই এবং আশপাশেরও পুরোটাই দেখা যায়। আমগাছ, নিমগাছ, লিচুগাছ, খেজুর গাছ, পেঁপে গাছ, নাম না জানা গাছ নং ১, নাম না জানা গাছ ২- বলতেই থাকা সম্ভব। মাটিতে বহুমিশালী ঝোপ-ঝাড়। তার অধিকাংশ জুড়ে রয়েছে কচুর ঝাড়। বড় বড় ঘন সবুজ কচুপাতা মাথা উচুঁ করে দাঁড়িয়ে আছে।
ভালবাসার চিরকুট
ওয়েল শো মি দ্য ওয়ে টু দ্য নেক্সট হুইস্কি বার
ওহ্ ডোন্ট আস্ক হোয়াই
ওহ্ ডোন্ট আস্ক হোয়াই,
ফর ইফ উই ডোন্ট ফাইন্ড দ্য নেক্সট হুইস্কি বার
আই টেল ইউ উই মাস্ট ডাই
আই টেল ইউ উই মাস্ট ডাই
আই টেল ইউ
আই টেল ইউ
আই টেল ইউ উই মাস্ট ডাই...
পরিচিত পছন্দের গানের কলিটি শুনতে পেয়ে একটু সচকিত হলাম। উদ্যানের ভেতর একটি মেয়ে গানটি গুনগুনিয়ে অন্ধকারের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলো। আমি উবায়েদ ভাইয়ের দোকানে দাঁড়িয়ে একটি শলাকায় অগ্নিসংযোগের চেষ্টা করছিলাম। বাতাসের কারণে তাতে বারবার বিঘ্ন ঘটছিলো। তখন মনে মনে একটা ডোরস্-এর লিরিক আমিও ভাঁজছিলাম। কাম’ন বেইবী লাইট মাই ফায়ার...। আর ঠিক সেই সময়ে আমার পেছন দিয়ে খুব ধীরে ধীরে, অনেকটা যেন স্লো মোশনে, একজন ডোরস্-এর একটা গানই শুনিয়ে দিয়ে গেলো!
সারাটি রাত্রি শুধু তারাদের সাথে তারাদেরই কথা হবে
"আমি কি কথা স্মরিয়া
এ তনু ভরিয়া
পুলক রাখিতে নারি
ওগো কি ভাবিয়া মনে
এ দুটি নয়নে
উথলি নয়ন বারি..."
গভীর নীল সাগরের জলে একবার ভরা চাঁদের নৃত্য দেখেছিলাম। চাঁদের আলো জলের ঢেউয়ে ঠিকরে পড়েই প্রতিফলিত হয়ে দিক বদল করে ফেলে। অন্য কোন দিকে চলে যায়। আমি বসে হারিয়ে যাই সেই প্রতিফলনে সৃষ্ট আলোকচ্ছটা দেখতে দেখতে। দূর অতীতের কোনো এক চন্দ্রালোকিত রাতের স্মৃতিতে।
স্মৃতি যেন ঈশ্বরের এক আশ্চর্য অনুদান। সময় নামক অনাসৃষ্টিটির বিরুদ্ধে সামান্য কৃপা। চলে যাওয়া সময়কে কখনো ফিরে না পাওয়া গেলেও তাই স্মৃতিকে আকড়ে সময়ের ফিকে হয়ে যাওয়া স্বাদ পাওয়া যায়।
যদি স্মৃতি না থাকতো, তাহলে হয়তো সময়ের মূল্যও অন্যরকম হতো। কষ্ট ছাড়া অনাবিল সুখের যেমন কোনো বিশেষ মূল্য থাকে না। স্মৃতি না থাকলে সময়ের ফিরে না আসার বাধ্যবাধকতা মেনে নেয়া হয়তো সম্ভব হতো না।
ইভান, উমা আর সৃজিতের জন্য ভালোবাসা..
সেই গ্রীষ্মের সকাল গুলো তেই
পর্দা ঠেলে সরিয়ে
হাওয়া দিলো ভাসিয়ে
হাওয়া দিলো ভাসিয়েতখন আমার এ বিছানা ঘুম
ছাড়েনি চোখের কোন
আর হাওয়াতে লাগালো দোল
হাওয়াতে লাগালো দোলতখন আবার এ মন জাগে
কোন অচেনা সংরাগে
তখন আবার এ মন জাগে
কোন অচেনা সংরাগে
যেন তুলো
সে যে আকাশ পথে দিতে হবে পাড়ি
তুমি আঁচল পেতে রাখো না
আমি আসছি চলে
তুমি চোখ বুজো না, বুজো না
আমি এলাম বলে
এখনো সময় অনেক বাকি.আমার মনের এ গোপন পথে
আজো সে বাউন্ডুলে
চোখ রেখে কাটা ঘুড়িতে
হঠাৎ যায় হারিয়ে
আমার মনের গভীরতা কে
অনুভূতির আঙ্গুলে
স্পর্শ করে দেখনি
স্পর্শ করে দেখনিতখন আবার এ মন জাগে
কোন অচেনা সংরাগে
তখন আবার এ মন জাগে
কোন অচেনা সংরাগে
যেন তুলো
সে যে আকাশ পথে দিতে হবে পাড়ি
তুমি আচল পেতে রাখো না
আমি আসছি চলে
তুমি চোখ বুজো না, বুজো না
আমি এলাম বলে
এখনো সময় অনেক বাকি.
আমাদের সামান্য জীবনে আছেই বা কি হারানোর?
আপনাকে 'তুমি' বলে ডাকতে পারি আমার লেখায়? সামনাসামনি অনেক চেষ্টা করেছি কিন্তু পারি নি। সম্ভবত আমার অনুভূতিগুলো যেখানে গিয়ে ফিরে আসে, সেখানটার পর থেকে ওৎ পেঁতে বসে থাকে অনিশ্চয়তার চিন্তাগুলো। যেগুলোকে আমি চাইলেও উপেক্ষা করতে পারি না। তাই কখনও আপনাকে আমি তুমি সম্বোধন করতে পারি নি। কখনও পারবো কি না, তাও জানি না।
তবে আমার অনুভূতিগুলো যে খুব দুর্বল- এমনও কিন্তু না। আমি এই ৩৩ বছর বয়সে এসেও মস্তিষ্কের প্রতিটি রন্ধ্রের অনুরণন আলাদা করে চিহ্নিত করতে পারি। প্রতিটি অনুভূতিকে অনুভব করতে পারি, বলতে চাইছি আর কি। অনেক সময় আমরা সময়ের স্বল্পতায় প্রত্যেকটা অনুভূতিকে গ্রহণ করতে পারি না। আপনার ক্ষেত্রে আমার কখনও তা হয় না।
জীব থেকে জড়, জড় থেকে বিলুপ্তি, বিলুপ্তি থেকে নক্ষত্রকণা
ছোট ছোট অনেক সুখের কথাই আমি মনে রাখতে পারি না। অথচ দুঃখগুলো ঠিকই মনের কোথায় যেন ঘাপটি মেরে থেকে যায়। সবচেয়ে অপ্রয়োজনীয় সময়গুলোতে ফিরে এসে মনে করিয়ে দিয়ে যায়- হু হু বাবা আমরা কিন্তু আছি। কোনোকিছুতেই যেন খুশি খুশি না মনে হয়।
ব্ল্যাক সী বা কৃষ্ণসাগর আর মারমারা সাগরকে যে প্রণালীটি সংযুক্ত করেছে তার নাম বোধ করি আমরা সবাই জানি। বসফরাস প্রণালী। এ প্রণালীটির নাম স্থানীয় ভাষায় সোনালী শিং। ওখানে গিয়ে রানী হেরাডিটাস গাভীর রূপ ধারণ করে নিজের সম্ভ্রম রক্ষা করেছিলেন জিউসের কাছ থেকে। সেই গাভীর শিং ছিল সোনালী বর্ণের।
কেননা আমি বেঁচে থাকি শেখার মাধ্যমে
I'm sorry, Momma, I never meant to hurt you
I never meant to make you cry
But tonight I'm cleaning out my closet.Song: Cleaning out my closet
Artist: Eminem
শীত আর বসন্ত পেরিয়ে গ্রীষ্ম প্রায় চলেই এলো। আমার সুষম জীবনে আরও একটি একাকী গ্রীষ্ম। এক সময় বছরের পর বছর একাকীত্বের জন্য হাহাকার করেছি। আমার কথায়, লেখায়, চিন্তায় সে সময় বারবার ঘুরে ফিরে এসেছে নায়ক আর নায়িকার বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার দৃশ্য আর তারপর এক একলা জীবনের গল্প। সে সময় আমি একা ছিলাম না একেবারেই। অথচ এখন যখন একলা জীবন কাটাই তখন মাথায় যেসব চিন্তা ঘোরে তার বেশিরভাগই একটা ছেলে আর একটা মেয়ের এক হয়ে যাওয়ার গল্প।
কোনো এক ধীরগতির পড়ন্ত অক্টোবরের সকালে
১.
শরীরের ওপর থেকে কম্বলটা সরিয়ে দেয়ার কাজকে সকালের সবচেয়ে কঠিন কাজ মনে হয় আমার। ইদানীং এই প্রবণতা আবার বেড়েছে খানিকটা। বেলা ১১টা-১২টা বেজে যায়, তাও পড়েই থাকি বিছানায়। আজও তেমনি বিছানা ছাড়তে খুব আলসেমি লাগছিল। কি করা যায় ভাবছিলাম। সকালের রুটিন হচ্ছে, এক মগ কফি আর একটা সিগারেট। কফির মগটা লাস্ট বান্ধবী উপহার দিয়েছিল। 'স্টার ওয়ার্স: দি ফোর্স অ্যাওয়েকেন্স'-এর একটা স্যুভেনির মগ। গরম যেকোন কিছু ঢাললে সাথে সাথে মগের রঙ পাল্টে যায়। সাধারণত দুধ গরম করে, আগে থেকে মগের ভেতর দিয়ে রাখা কফির মধ্যে ঢেলে দিই। দ্রুত মগটা কালচে নীল থেকে একটু অফবিটের শাদা রঙ-এ পাল্টে যায়। সকালে ওটা দেখেই মনটা ভাল হতে শুরু করে আস্তে আস্তে।
ক্ষমা করো বাবা
এয়ারপোর্টের ভিতর একটা কোনের চেয়ারে বসে অপেক্ষা করছি। আর একটু পর চলে যাব হাজার মাইল দূরে। প্রিয়জনেরা গেইট পর্যন্ত দিয়ে গেছে। বুক ফেটে গেছে ছেড়ে আসতে তবু চোখ ফাটে নি। আড়াই বছর পর দেশে ফিরে গেছি। জীবনসঙ্গী করেছি একজনকে। ২২ দিন একসাথে সংসার করেছি। এখন তাকে রেখেই চলে যাচ্ছি। আর পারলাম না। কোলের ব্যাগে মুখ লুকিয়ে কেঁদে ফেললাম। হয়ত অনেকে দেখছে। দেখলে দেখুক। এত কষ্ট প্রিয়জনদের ফেলে দূরে যেতে আগে বুঝি নি। ভাবতে ভাবতে আকাশের দিকে তাকালাম। যেখানে মনের কথা সব বাবাকে বলি।
এক জামরুল-রঙা বিকেলের গল্প
তুমি নাকি করতে চেয়েছো
ছোট্ট একটা সর্বনাশ?
জানো নিশ্চই, এই আমারই দেহের ভেতর
মৃত আত্মা করছে বাস।
মনিটরের কোণার ক্যালেন্ডারটায় একটা দীর্ঘস্থায়ী পরিবর্তন এসে পড়েছে। বড় কোনো দুর্ঘটনা ছাড়াই একটা বছর পার করে আসলাম। ব্যক্তি পর্যায়ের অ্যাচিভমেন্ট। পৃথিবীর সবাই যদি কোনো দুর্ঘটনা ছাড়া একটা বছর পার করতে পারে, তাহলে সব অ্যাচিভমেন্ট জোড়া লাগিয়ে একটা শান্তির মহাকাব্য রচনা করা যাবে। অলীক স্বপ্ন। কিন্তু দেখতে সমস্যা কোথায়? জন লেননও তো অলীক স্বপ্ন দেখতো। আর চিৎকার করে বেড়াতো, ইউ মে সে আ'ম এ ড্রিমার।
অপেক্ষা
আকাশ জুড়ে ভাড়ি কালো মেঘ,
অপেক্ষা এক পশলা স্বস্তির বৃষ্টির
আর নিশির অপেক্ষা ;
সেই গভীর চোখ দুটো দেখার।
আরো একবার ; আর একটিবার,
হাতে হাত রাখার অপেক্ষা
পাতার পরে পাতা জুড়ে তাকে নিয়ে লেখা
চিঠি পড়ার অপেক্ষা।
অপেক্ষা রাস্তা পারাপারে চোখে চোখ রাখার
এক ঝুম বৃষ্টিতে মুখোমুখি দাঁড়াবার।
অপেক্ষা আর একটিবার, আর একটি বার নিজের মতো করে বাঁচার।
কথা ছিল, আঙ্গুলের ফাঁকে থাকবে; তুমি..
# # # #
কিছু কথা নয় অজানাই থাক।
কি ই বা যায় আসে?
ভুলে পথ,
যদি;
শঙ্খনীল শব্দগুলো -
বৃষ্টি হয়ে ঝরে
বুকের ভেতর?
হিম হিম হিম কুয়াশায়,
যদি;
মিলে যায় এক সমুদ্র আমার?
সব্বার বুকে জমাট ঘুমের মতন,
অগোছালো স্মৃতির স্বপন ছুঁয়ে;
হারানো ডায়েরির মত নির্বাক?
# # # #
বুঝি, দেখেছিলেম তোমায় কিছু দিন; নীলে।
এলো চুলে ফিরে চাওয়া,
মৃদু হাসি ;
অবাক মায়ায় ভরা সাগর ছোঁয়ায় -
হৃদি মাঝে, নীলাকাশ; গেল মিলে।।
# # # #
মাঝে মাঝে; শুধু ইচ্ছে জাগে মনে।
কেবলই ইচ্ছে জাগে,
মাঝে মাঝে।
কথার কথায় না হাসিয়ে,
কথায় কথায়; কথকতায় -
তোমার বাদলা দিনের মেঘলা চোখে,
চকিত খুশি; লুকিয়ে ফেলার -
কারন হতে, ইচ্ছে জাগে; মনে।।
# # # #
তোমার না থাকার মাঝেই আছি আমি,
আমার পাশে থেকেও
তোমার তুমিতেই হারিয়ে খুঁজেছো যতটা;
এই আমাকেই - অনাদিকাল..
..অযথাই।।
# # # #
খোদার রহম,