ইউজার লগইন
ভালোবাসা
গুইশ
১.
"মেয়ে জেগে আছে, আস্তে কথা বলো," চাপা গলায় টুম্পার মা যেন গর্জে উঠলো। টুম্পা অবশ্য সবই শুনতে পেল। প্রতিদিনই বাবা-মা'র এরকম নোংরা ঝগড়া হয়। প্রতিদিনই দুজন দুজনকে বলে, "টুম্পা জেগে আছে, আস্তে কথা বলো" ,- তারপরেও টুম্পা প্রতিদিনই সব শুনতে পায়। প্রথম প্রথম খুব মন খারাপ হতো...মন খারাপ হয়, এখনও। আজ বিছানা থেকে আলতো পায়ে নামলো, আস্তে করে ঘরের দরজাটা ভিড়িয়ে দিল। এখনো অবশ্য বাবা-মায়ের চাপা গলার ঝগড়া শোনা যাচ্ছে, শুধু দরজার বাধা পেয়ে শব্দগুলো দুর্বোধ্য হয়ে উঠেছে...এই বা কম কি?
কাঁঠালঃ আমাদের জাতীয় ফল।
কাঁঠাল আমাদের জাতীয় ফল। কে বা কারা কাঁঠালকে জাতীয় ফল হিসাবে আমাদের জাতির উপর ঘোষনা ও নির্বাচন করেছিলেন, আমি ওনাদের নাম গুলো জানতে চাই। আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা তাদের জানাতে চাই। আমি মনে করি, ওনাদের নির্বাচন ছিল মেধাবী, সঠিক এবং অত্যন্ত তাতপর্য পুর্ন।

নয়নদার জন্মদিনে
নয়নদা... নয়ন বড়ুয়া। চট্টগ্রাম বন্দরের কর্মকর্তা। আমরা বন্ধু গ্রুপের সেই অমানবিক পত্র চালাচালির দিনগুলো থেকে আছেন। শুধু আছেন না, ব্যাপক ভাবে আছেন। ঢাকায় এলেই একটা আড্ডা জমে যেতো। আমরা বন্ধুর প্রথম পিকনিকে সপরিবারে চলে এসেছিলেন। ঢাকা থেকে কেউ চট্টগ্রাম গেলে একবার দেখা হতোই, যতো ব্যস্ততাই থাকুক। কক্সবাজার যাবার আসবার কালে চট্টগ্রামে এক টুকরো দেখা হলেও করে এসেছি নয়নদার সঙ্গে।
একজন অনাগত জাতিকার জন্য নাম আবশ্যকঃ পুরুস্কারের ব্যবস্থা আছে।
বন্ধুরা, কয়েক দিন আগে এ ব্লগে একজন "এক নবজাতকের জন্য নাম আবশ্যক" শিরোনামে ব্লগ প্রকাশিত হয়েছিল। প্রচুর সাড়া পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু অদ্য ও জানা যায় নাই - কি নাম রাখা হবে! এখানে উল্লেখ্য যে, আলোচিত পরিবারটি ছিল আমাদের "টুটুল-নাজ"। আমরা আশা করি উক্ত পরিবারটি একটি সমঝোতায় আসবে।
মেজবাহ যায়াদ আহত...।।
কিছুখন আগে আমাদের মেজবাহ যায়াদ এক দুঘটনায় আহত হয়েছেন। বতমানে ভাল আছেন।
ঘটনাটি হছে - এক সেমিনারে/ অরিয়েন্টেশনে যোগ দিতে তিনি ল্যাব এইড এর ৮ তলায় যান। সেমিনারে/ অরিয়েন্টেশনে দেরী হওয়াতে তিনি এবং অন্নন্য কয়েকজন পাশে কথা বলছিলেন। এ সময় শুরু হ্লো ঝড়! হাল্কা তুফানের মত! ৫/৬ টি ওয়াল গ্লাস ভেগে পড়ে নিমিশেই। আচমকা। ৪ জন আহত - অনেক টা মত্যুর হাত থেকে ফিরে আসছেন।
"একটি খোলা চিঠি" জয়ীতাকে
প্রিয় বন্ধু আমার,
কেমন আছ তুমি? তোমার ভালো থাকার প্রত্যাশা নিয়ে লিখছি। তোমাকে লিখবো লিখবো করে দেরি করেই ফেললাম। আমি ভারাক্রান্ত মনে ফিরে এসেছি। আমার ব্যাথাতুর মন ব্যাথার ভারে আরো নূ্যে পড়েছিলো, যখন আমাদের দেখা হচ্ছেনা শুনে তোমার আবেগী কন্ঠে আকুলতা আর অনুযোগের সুর ধ্বনিত হলো।
অম্লমধুর পেমের গল্প
( আমি পুরাতন কালের মানুষ, বয়সে যতটা না তারচেয়ে বেশি মনে। পুরানা সবকিছুই আমার ভালো লাগে, লেখালেখির ক্ষেত্রেও পুরাতন ধারাকে বেশি ভালো পাই। সাধু ভাষার প্রতি আমার আগ্রহ এবং অনুরাগের ইতিহাস অনেক দিনের। কিন্তু বানান জানি না, ব্যাকরণ জানি না, ভাষা আর গদ্যরীতির কথা আর নাই বা বলি। তবুও গাইতে গাইতেই যেমন গায়েন, তেমনি লিখতে লিখতেই হয়তো একদিন কিছু একটা হয়ে যাওয়া যাবে। তাই বিস্তর কাঠখড় পুড়িয়ে সাধু ভাষায়
ব্লগে প্রথম, সবাইকে শুভেচ্ছা
আজই প্রথম আমার বন্ধু ব্লগে এলাম। এই ব্লগের সকল বন্ধুদের শুভেচ্ছা। এই ব্লগটি সম্পর্কে বেশ ভাল মন্তব্য শুনেছি। আশা করছি নিজস্ব ভাবনা-চিন্তা সকলের সাথে শেয়ার করতে পারব। আমি মনে করি মতামত প্রকাশ এবং মন্তব্য প্রদানের স্বাধীনতা সবার রয়েছে। কিন্তু সেটা যেন যৌক্তিক ও মার্জিত হয়। সবার সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি।আশ করছি সময়টা ভাল কাটবে।
শুভ জন্মদিন রন !
"রনি" অরফে “রন”- এই ছেলেটাকে এই ব্লগের কম বেশি সবার-ই চেনা’র কথা।
আজ যে নাম এর বদৌলতে আমরা এই ব্লগ দুনিয়া’য় দাপোটের সাথে চলি, এই “আমরা বন্ধু” নামটি যে ছেলেটির মাথা থেকে এসেছে, আমি তার কথা বলছি।
স্বপ্নভঙ্গ
আমার মূলত পরিচয় ছিলো যুবকের স্বপ্নটার সাথে। কান্নাটুকু দেখতে হয়েছিলো বলেই, পিছনের স্বপ্ন আর স্বপ্নভঙ্গটুকুও দেখা হয়ে গিয়েছিলো।
ফড়িং
"ভাইয়া শোন"
"এই ভাইয়া, শোন না!"
"ভাইয়া, শোন না..."
আলতো করে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিলাম মিতুকে, "সর তো, জ্বালাসনে!"
বেশ বুঝতে পারছি মিতুর চোখ ছলোছলো। খানিকটা পর আস্তে করে বললো, "ভাইয়া, আমাকে একটা ফড়িং ধরে দে না।"
"এই ভাইয়া, দে না একটা ফড়িং ধরে!"
"ভাইয়া, শোন না," ওর ক্ষুদে আঙ্গুল দিয়ে আমাকে গুঁতাতে লাগলো।
বিরক্তির শেষ সীমায় আমি, এতো বোকা কেন মেয়েটা? এখানে আমি ফড়িং কোথায় পাবো?
"এই ভাইয়া! ভাইয়া রে...দে না একটা ফড়িং!"
হঠাৎ মাথায় যেন আগুন জ্বলে উঠলো। এক ধাক্কায় ছুড়ে ফেললাম মিতুকে ঐ ধূসর দেয়ালে। আর তাল মিলিয়ে ঝনঝন করে কাঁচ ভাঙ্গার শব্দ শোনা গেল।
আজ বৃষ্টির দিন , আমি তুমি হীন...
আজ বৃষ্টির দিন , আমি তুমি হীন...শুন্য শুন্য লাগে..
গান টা আমার খুবি প্রিয় কিছু গানের একটা..জানি না ,কেন জানি আজ মনে হলো আজ কিছু লিখি... অবশ্য এখন আর আগের মত ডায়রি লিখা হয় না...কাজের ব্যস্ততা....সময়ের অভাব..এখন শীত কাল যদিও ...তার পরেও বৃষ্টি...অবশ্য এখানে এমন টাই হয়।।গ্রীস্ম কাঠ ফাটা রোদ আর শীতে ঝড় বৃষ্টি...এমন একটা সময় খুব মিস করি...এখন থেকে খুব বেশি আগের কথা না হয় তো ৫ কি ৬ বছর আগের সেই দিন গুলো...বৃষ্টির মধ্যে ভিজে বাসায় ফেরা বন্ধুদের সাথে ...বৃষ্টিতে ভিজে বল খেলা বা রিক্সায় করে ঘুরা...বা বাসায় জানালার ধারে বসে বৃষ্টি দেখা...বা একা একা বৃষ্টির রাত্রিতে অন্ধকার ঘরে বা ডিম আলো তে গান শুনা ...আর খুব মিস করি এক জন কে...যার সাথে এক দিন কথা না বললে এক এক টা দিন অনেক লম্বা বা অনেক সময় মনে...হোতো...কিন্তু আমি যে খুব একটা কথা বলি তা নয়...শুধুই তার কথা শোনার জন্য...আজ প্রায় ৫ মাস ৮ দিন ... তার সাথে কথা হয় না খুব জানতে ইচ্ছে করছে, কেমন আছো তুমি--?
