ইউজার লগইন

একজন কৃষ্ণকলির স্বপ্নভঙ্গ...(কিংবা স্বপ্নভঙ্গের কারণেই যে হয়ে উঠে কৃষ্ণকলি)

405484_295846600462143_242903422423128_845479_536745156_a.jpg

".... আমরা কখনো কখনো আমাদের নিজেদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাই। তখন আমাদের ভেতরের আমিত্বটা খুব দুর্দমনীয় হয়ে উঠে....বন্দিত্বের গরাদ ভেঙ্গে বেরিয়ে আসতে চায়। সে তখন সুখ-দুঃখ, আশা-নিরাশা আর ব্যর্থতার যন্ত্রণাগুলো প্রকাশ করার জন্য ব্যাকুল হয়ে ওঠে। সে তখন পবিত্র আর বিশ্বস্ত সঙ্গী খুঁজে বেড়ায় আর এ বিশ্বস্ত সঙ্গীর খোঁজেই আমি বিভ্রান্ত....."

এগুলো ইরার ডায়েরীর কিছু কথা, যা ওর বড় বোন পড়ে ওকে সন্দেহ করেছিল। ডায়েরী লিখতে অসম্ভব ভালোবাসে ইরা। ভালোবাসা নিয়ে কত কিছুই যে সে লিখে ফেলেছে!! আগে পড়ার টেবিলেই পড়ে থাকতো ডায়েরীগুলো। কিন্তু বড় বোন ঐ লেখাটা পড়ার পর থেকে ডায়েরীগুলো লুকিয়ে রাখতে হয় তাকে। আজ এখানে তো কাল ওখানে। ডায়েরীটা লুকিয়ে রেখেই ক্যাম্পাসের উদ্দেশ্যে রওনা হয় সে!

============================================

অনেকক্ষণ ধরেই অনেকটা উদ্দেশ্যহীনভাবে হাঁটছে ইরা। জারুল, কৃষ্ণচূড়া আর নাম না জানা হলুদ ফুলগুলো যেন নানা রঙে তুলির আঁচড় কেটে দিয়েছে পুরো ক্যাম্পাসে। হাঁটতে হাঁটতে কখন যে আনমনা হয়ে গেছে টেরই পায়নি সে। ইরার ইদানীং এটা বেশি হয়, হঠাৎ আনমনা হয়ে যাওয়া। দশটায় ক্লাস আর এখন পৌনে দশটা, কোনো খেয়াল নেই তার। এখন সে ভাবুক শ্রেণীতে আছে, নিজের মনের সাথে ক্লাস করছে। কখনো পথের ধারে দাঁড়িয়ে ঝাঁলমুড়ি, আমভর্তা বা ভেলপুরি খাওয়া...কখনো প্রচন্ড রোদে গরম চা পান করে ঠান্ডা হওয়া....কখনো আম গাছে ঢিল ছুঁড়ে আম পাড়া........কোনোটাই বাদ রাখছে না ইরা। সবকিছুতেই ভালোলাগা।

ক্লাসে মন বসছে না তার। হঠাৎ এতটাই আনমনা হয়ে গিয়েছিল যে কয়েক মিনিটের লেকচার তার কানে ঢুকলো না! আজ বিকেলে ইরা দেখা করবে তার সাথে। যার সাথে মোবাইলে অনেকদিন ধরেই কথা বলছিল। ম্যাক্সিম গোর্কির বিখ্যাত "মাদার" উপন্যাসের নায়কের নামে তার নাম পাভেল। তিন মাস আগে পরিচয়। প্রেম করার সাহস বা ইচ্ছে কোনোটাই ইরার ছিল না। এর পেছনে মূলতঃ দুটি কারণ। প্রথমটি....ইরা যখন থেকেই বুঝতে শিখেছে, দেখেছে তার আধুনিক যুগের শিক্ষিত egoist বাবা-মার দ্বন্দ্ব। নিজেদের অহং রক্ষার্থে বেছে নিয়েছিল সেপারেশনের পথ। যা ওর মনটাকে বিষিয়ে তুলেছিল। দ্বিতীয়টি....তার গায়ের রং। দুই বোনের মধ্যে ইরার গায়ের রং শ্যামলা। ছোটবেলা থেকেই এই তুলনা সে নানান ভাবে, নানান জনের মুখে শুনে এসেছে। কালো...কালো....কালো। লুকিয়ে লুকিয়ে অনেক কেদেঁছিল সে। আল্লাহর কাছে মোনাজাত করতো, আল্লাহ আমাকে সুন্দর করে দাও। কচি মনে একটা আশা ছিল, হয়তো পরের দিনই ঘুম ভেঙে আয়নায় দেখবে সে ফর্সা হয়ে গেছে তার বোনের মতো। ছোটোবেলার এসব বোকামির কথা মনে পড়লে ইরার হাসি পায়। ইরা এখন বিশ্বাস করে মনের উদারতা, ট্যালেন্ট, স্মার্টনেস, ভদ্রতা, নম্রতা দিয়ে সবকিছু জয় করা যায়।

ইরা নিজেকে প্রমিজ করেছিল আর কখনো হৃদয়ঘটিত ব্যাপারে জড়াবে না, অথচ পাভেলের সাথে পরিচয় হবার পর সবকিছু কেমন জানি বদলে গেলো। প্রথমে দুই এক ঘন্টা....তারপর সারারাত কাটতো কথা বলে। তার কথা মুগ্ধ করে ইরাকে। পাভেলের চিন্তা-ভাবনা, স্বপ্ন, নীতি, বিশ্বাস সবকিছুতেই ইরা নিজের প্রতিফলন পায়। ধীরে
ধীরে দুর্বল হয়ে যায় তার প্রতি।ব্যাপারটা টের পেতেই ভয় পেয়ে গিয়েছিল ইরা। কারণ প্রেম-ভালোবাসা তার জন্য না। বান্ধবীরা ইরাকে জ্ঞান দেয়- গলায় ওড়না তুলে রাখতে পারে না বলে...ফিগার শো করতে পারে না বলে...পাশাপাশি ঘনিষ্ঠ হয়ে বসে না বলে...মোবাইলে শব্দ করে কিস করতে পারে না বলে নাকি তার প্রেম টেকে না! ইরা এসব শুনে হাসে!

ইরা জানে যে তার কন্ঠস্বর, বাচনভঙ্গি সবকিছুই যে কাউকে আকর্ষন করার মতো। কিন্তু চেহারা? সেটা তো কারোরই ভালো লাগবে না।......অসুন্দর মেযেটাকে কেউ ভালোবাসতে চায়বে না-অন্তত ইরার তা-ই মনে হতো! এটাই বাস্তব। আর এই বাস্তবতাকেই অস্বীকার করেছে ইরা। প্রাণপণ চেষ্টা করেও নিজেকে তার কাছ থেকে দূরে রাখতে পারেনি। সারাদিন অপেক্ষা করতো পাভেলের একটা মেসেজের জন্য। পাভেলও অপেক্ষা করতো কখন রাত বারোটা বাজবে। বারোটা বাজলেই শুরু হতো কথা বলা। রাত জেগে দুজন মিলে কত স্বপ্নই না দেখে ফেলেছে। একসঙ্গে কত হাসি....কত গল্প...। প্রতিরাতে দুজন দুজনকে না দেখেই চলতো ভালোবাসাবাসি....কারণে আর অকারণে চলতো মান-অভিমান। দুজনের সব কথা নিজেদের সাথে শেয়ার করতো। ইরার গায়ের রঙে পাভেলের কোনো আপত্তি ছিলো না। ইরাকে সে বলতো, "তুমি দেখতে যেমনই হও, আমার ভালোবাসার কাছে সেটা ম্লান".....ইরা মুগ্ধ হয়ে কথাগুলো শুনে। রঙধনুর রঙে আঁকা শত-সহস্র স্বপ্ন ঘিরে আছে তাদের।....তবুও ইরার ভয় হয় যদি দেখা হওয়ার পর সে দূরে চলে যায়? পাভেল আশ্বস্ত করে,"আমার ভালোবাসায় বিশ্বাস নেই তোমার?" এভাবে তার প্রতিনিয়ত জোরাজুরিতে ইরা রাজি হয়েছে দেখা করার জন্য।

ইরার মন আজ তাই অনেক ভালো। দেখা হলে প্রথমে সে কি করবে?.....পাভেলের ইচ্ছা, যত মানুষই সামনে থাকুক প্রথমেই সে ইরাকে হাগ করতে চায়। ইরাও কথা দিয়েছিল সে লজ্জা পাবেনা।

অবশেষে তাদের দেখা হলো.....পাভেলের চোখে চোখ রাখলো ইরা। দেখলো গভীর ভালোবাসায় ভরা দু চোখে সে তাকিয়ে আছে ইরার দিকে। ইরা দেখতে চেয়েছিল তাকে প্রথম দেখে পাভেলের দৃষ্টি কি বলে? ইরা তো ভালোবাসা ছাড়া কিছুই দেখেই না। দুজনই লজ্জায় হাগ করতে পারেনি পাবলিক প্লেসে শাহরুখ-কাজল স্টাইলে। রিকসায় দুজন ঘুরলো প্রায় দু'ঘন্টা। অদ্ভুদ এক ভালো লাগা। কারো মুখে কোনো কথা নেই। দু'জন দু'জনের হাত ধরে বসে আছে।

-"সন্ধ্যা হয়ে গেছে, বাসায় যাবেনা?"....নীরবতা ভাঙলো পাভেল।
-"না, আর একটু থাকিনা...প্লীজ"......
-"তোমার মা বকবে না?"
-"না, মাকে বলেছি আজ লেট হবে..."
-"কি অজুহাত দিয়েছ?"
-"তুমি এত কথা কেন বলছ, পাভেল? লেট মি ফিল ইউ...."
-"ভালোবাসি....ভালোবাসি......." ইরার কানে কানে পাভেল বলে...
-"আমিও...আমিও...." ইরাও পাভেলের কানে কানে বলে।
-"এ্যাঁ‌...কিপটা..এভাবে বললে হবে না, পুরোটা বলো..." পাভেলের কন্ঠে বিদ্রোহী ভাব..
মোর বীণা ওঠে কোন সুরে বাজি, কোন নব চঞ্চল ছন্দে.........ইরা গান ধরে।
ইরা একটু জোরেই বললো..."ভালোবাসি....ভালোবাসি..."
রিকশাওয়ালা পেছন ফিরে তাকিয়ে...একটা কেমন যেন হাসি দিল।
বিদায়ের সময় পাভেল ইরার হাত দুটো ধরে বলে,"ভয় ভেঙেছে, তোমার?"......পাভেলের এই কথায় ইরার অবশিষ্ট ভয়টুকুও দূর হয়ে গিয়েছিল।

বুক ভরা আনন্দ আর উপচে পড়া সুখ নিয়ে বাড়ি ফিরে এলো ইরা। ফ্রেশ হয়ে এসে সেলফোনটা হাতে নিয়েই দেখে একটা এসএমএস। পাভেলের ভালোবাসায় ভরা এসএমএস ভেবে উত্তেজিত হয়েই পড়তে গিয়েছে ইরা........কিন্তু এসএমএস-টা পড়ে ইরার মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে। "আমাকে ভুলে যাও, ইরা"........
"পাভেল কি আমার সাথে মজা করছে?"........অজানা ভয় মনে নিয়ে ইরা ডায়াল করে পাভেলের নাম্বার...."দুঃখীত, এই মূহুর্তে মোবাইল সংযোগ দেয়া...." ইরা বিশ্বাস করতে পারছে না। বারবার ডায়াল করে পাভেলের নাম্বার...প্রতিবারই ওই মেয়েটা একই কথা বলে.."দুঃখীত, এই মূহুর্তে মোবাইল সংযোগ দেয়া...." তবুও ইরা ডায়াল করে...সারারাত...পরের দিন...তার পরের দিন...প্রতিদিন....

জীবন গাড়ির পথ যেন হঠাৎ করেই বাক নিয়েছে। স্টিয়ারিং ধরে আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে.....ইরা নিজেই জানেনা দূর্ঘটনা এড়াতে পারবো কিনা। জীবন সংগ্রামের কঠিন বাস্তবতাকে আজ বিনা প্রতিবাদে মাথা পেতে নিতে হচ্ছে। কেন জানি পৃথিবীটা বিষাদময় মনে হয়। ইরা এখন নিজেই নিজের কর্মকান্ডে অবাক হয় । আগে যেখানে অন্ধকারকে ভয়ানকভাবে ভয় পেতো, আর এখন লোডশেডিংই হচ্ছে তার প্রিয় সময়। যেখানে একাকী থাকা সে ভুলেও কল্পনা করতে পারতো না....সেখানে একা সময় কাটানোই তার প্রিয় মুহূর্ত!!

সম্ভবত সমাপ্ত...........দ্বন্দ্ব-দ্বিধায় পূর্ণ হৃদয়খানির,
সম্ভবত সমাপ্ত...........সুখের ভেলায় ভাসিয়ে দেয়া স্বপ্নখানির,
সম্ভবত সমাপ্ত...........কান্না-হাসি জড়ানো মিথ্যে খুনসুঁটির,
সম্ভবত সমাপ্ত...........মিথ্যে স্বপ্নের অন্ধ মোহে বৃথা ছুটোছুটির,
সম্ভবত সমাপ্ত...........গল্পে গল্পে লুটোপুটি...স্বপ্নে মাতামাতির,
সম্ভবত সমাপ্ত...........কথামালার ফিসফাস-চুপিচুপির,
সম্ভবত সমাপ্ত...........রাত্রি জেগে শত ধাঁধার প্রশ্নজট খোলার,
সম্ভবত সমাপ্ত...........রুপালী চাঁদটাকে নিয়ে কবিতা লেখার,
শুধুই অসমাপ্ত.......ইরার ভালোবাসা........

(সম্ভবত অসমাপ্ত গল্প-----)

পোস্টটি ৪ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

জেবীন's picture


আরে! বাপ্রে!! Smile

এই সব রংঢং করে চলে যেগুলা, তারা আজীবনই ওমন দু'ধারার জীবনযাপন করে সুখের সেটা নয় মোটেই। সারাক্ষন অন্যকে ঠকানোর তালেই চাল চেলে যেই চলা, সেটা ক্ষনিকের উত্তেজনা আনতে পারে শান্তি কি আদৌ আনে?

"ডিস্কো বান্দর" আর "কবিতা পড়ার প্রহর" কোন টাইপ গান কালজয়ী বলেন তো? কার আবেদন অম্লান?

লাবণী's picture


কি সুন্দর করে বললেন জেবীন আপু!
প্রেম আত্মার স্বতঃস্ফূর্ত একটা অনুভূতি! এখানে শারীরিক সৌন্দর্য বা কুশ্রীতার কোনো স্থান থাকতে পারে না! যদি থাকে একরাশ ঘৃণা সে প্রেমের জন্য!
===========================

"ডিস্কো বান্দর" আর "কবিতা পড়ার প্রহর" কোন টাইপ গান কালজয়ী বলেন তো? কার আবেদন অম্লান?

অবশ্যই "কবিতা পড়ার প্রহর"!! কিন্তু এটা বুঝতে পারার মতো সেন্স তো সবার থাকে না!

অবশ্য গল্পের পাভেলের মতিগতি এখনো বুঝতে পারছি না! Laughing out loud

জোনাকি's picture


-"ভালোবাসি....ভালোবাসি......." ইরার কানে কানে পাভেল বলে...
-"আমিও...আমিও...." ইরাও পাভেলের কানে কানে বলে।
-"এ্যাঁ‌...কিপটা..এভাবে বললে হবে না, পুরোটা বলো..." পাভেলের কন্ঠে বিদ্রোহী ভাব..
মোর বীণা ওঠে কোন সুরে বাজি, কোন নব চঞ্চল ছন্দে.........ইরা গান ধরে।
ইরা একটু জোরেই বললো..."ভালোবাসি....ভালোবাসি..."

অসাধারন লেগেছে আমার কাছে এইটুকু।

লাবণী's picture


শুভ সন্ধ্যা!!
অসংখ্য ধন্যবাদ ঝিকিমিকি জোনাকি Smile
ভালো থাকুন Smile

একজন মায়াবতী's picture


গল্পটা মন খারাপ করা হলেও শেষের লাইন গুলো ভালো লাগসে।

লাবণী's picture


আহারে!! মায়াবতী আপুর মন খারাপ করে দিলাম! Sad
চেষ্টা করবো পরের পর্বে মন ভালো করে দেয়ার Smile
খুউউব ভালো থাকবেন!!
অ-নে-ক ধন্যবাদ!

প্রিয়'s picture


পড়লাম। Smile

মডারেটর's picture


গ. "আমরা বন্ধু" তে শুধু নতুন লেখাই প্রকাশিত হবে। পুরনো লেখা রিপোস্ট করা যাবে না। অন্য কোনো কম্যুনিটি ব্লগে প্রকাশিত লেখা এবিতে প্রকাশ নিষিদ্ধ। এবিতে প্রকাশিত কোন লেখা ২৪ ঘন্টার মধ্যে অন্য কোনো কমিউনিটি ব্লগে প্রকাশ করা যাবে না। ব্যক্তিগত ব্লগ এবং পত্রিকা এই নিয়মের আওতার বাইরে।

ব্লগের নীতিমালা ভঙ্গের কারণে পোস্টটি প্রথম পাতা থেকে সরিয়ে আপনার পাতায় রেখে দেয়া হলো।

জোনাকি's picture


এইবার মনে হয় মডুকে উৎসর্গ করে একটা পুষ্ট দেয়া যায়েজ হয়ে গেলো আপনার জন্য।
|
|
|
(পুষ্ট সারানর বেদনা আমি বুঝিরে বু টিসু )

১০

রাসেল আশরাফ's picture


মডুরে ভালোবাসার লোক আরেকজন বাড়লো Tongue

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

লাবণী's picture

নিজের সম্পর্কে

রঙিন রোদের জ্বালাতন সহ্য করা আশ্রয়হীন পাখির মতো শুধু ডানায় ভর করে দিগন্তের পর দিগন্ত পাড়ি দিয়ে একসময় আমরা হয়ে পড়ি পথহীন দিকভ্রান্ত পথিক। পায়ের তলায় এসে মাথা কুটতে থাকে পথেরা। ক্লান্ত জীবনে নিঃশব্দের মতো সন্ধ্যা নামে...রাত আসে। জোৎস্না রাতের উজ্জ্বলতায় চেয়ে দেখি বৃষ্টি ভেজা চতুর্দশীর মতো তারায় সেজে আছে আকাশ। শুধু ভাবি...সুবিস্তৃত অসীম আকাশের কোনো এক কোণে কি একটু আশ্রয় পাওয়া যাবে না?