ইউজার লগইন

♥♥♥ভালোবাসাখ্যান♥♥♥

প্রেম জীবনকে দেয় ঐশ্বর্য, মৃত্যুকে দেয় মহিমা, কিন্তু প্রবঞ্চিতকে দেয় কি? তাকে দেয় দাহ। যে আগুন আলো দেয় না অথচ দহন করে, সেই দীপ্তিহীন অগ্নির নিরদয় দহনে পলে পলে দগ্ধ হলেন কান্ডজ্ঞানহীন হতভাগ্য চারুদত্ত আধারকার।

মারাঠি ব্রাহ্মণ চারুদত্ত আধারকার-এর প্রেমের নিদারুণ সমাপ্তি হয়েছে যাযাবরের দৃষ্টিপাত বইয়ের শেষ তিনটি লাইনে। হৃদয়ের লুকায়িত ভালোবাসার সমাপ্তি হয়না কোনোদিন। “তুমি যদি চাও সূর্যকে নিয়ে যাবো তোমাদের বাড়ি, তুমি যদি চাও অক্সিজেনের সাথে করে দেবো আড়ি, যদি তোমার দু’চোখ রাত্রির খোঁজে...পৃথিবীকে দেবো মুড়ে...তুমি চাইলেই বোবা পৃথিবীটা ভরে দেবো সুরে সুরে---" নচিকেতার মতো অনেকেই প্রিয় মানুষটির উদ্দেশ্যে এরকম হাজারো শপথ বাক্য পাঠ করে। অবশ্য বার্নাড শ অন্য কথা বলেছেন, “প্রেম হলো একটা জ্বলন্ত সিগারেটের মতো, যার শুরু আগুন দিয়ে এবং শেষ ছাইয়ে”... এ কথার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। Angry গুল্লি
কারণ প্রেম একান্তভাবে মানব আত্মার সম্পত্তি। আর আত্মার সম্পত্তির কি বিনাশ হতে পারে? Oups

♥♥♥

সৃষ্টির প্রথম মানব ভালোবেসেই গন্ধম ফল খেয়েছিলেন স্রষ্টার নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে। ফলশ্রুতিতে স্বর্গচ্যুত হয়ে আবার ভালোবাসার বলেই বহু বছর পর হাওয়ার সঙ্গে মিলন ঘটে।

সীতার জন্য ভালোবাসা জেগে উঠেছিল রাবণের মনেও। তাইতো সীতাকে হরণ করে নিয়ে যায় এবং অবশেষে স্বর্গপুরী লঙ্কা জ্বলে পুড়ে অঙ্গার হয়।

জেমসের মনে হেলেনের জন্য ভালোবাসার কারণেই সূচনা হয়েছিল ট্রয় যুদ্ধের এবং দশ বছরের যুদ্ধে ট্রয় নগরী ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।

বনবাসী আইয়ুবের মরণব্যাধি কুষ্ঠকে উপেক্ষা করে ভালোবেসেই রহিমা সারাক্ষণ তার সঙ্গে থেকে সেবা-শুশ্রূষা করে সুস্থ করে তুলেন।

সাবিত্রী তার মৃত স্বামীর পুনর্জন্ম আনে ভালোবাসার শক্তিতে।

সাপে কাটা ভেলায় ভাসিয়ে দেয়া লখিন্দরের সাথে থাকে বেহুলা।

প্রেমের মালা গলায় দিয়েই সপ্তম এডওয়ার্ড রাজসিংহাসন ছেড়ে পথে নামেন।

রাধা-কৃষ্ণের প্রেম কাহিনীর কথা আমরা সবাই জানি।

সম্রাট শাহজাহান নিজের প্রেমের অম্লান স্মৃতি অক্ষুণ্ণ রাখার জন্যই নির্মাণ করেন তাজমহল।

লাইলী-মজনু, শিরি-ফরহাদ, রোমিও-জুলিয়েট এমনকি শরৎবাবুর দেবদাসের করুণ বেদনার্ত পরিণতি আজো আমাদের অন্তরে রক্তপাত ঘটায়। Broken Heart

তবুও প্রার্থিত মানুষটির আগমন প্রতীক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে আমাদের দুই পায়ে দুই হাজার দুইশ দশটি শেকড় গজিয়ে যায়........!!!!
হায় ভালোবাসা!!! At Wits End

আবার সেই ভালোবাসা মরে গেলে ঘটে অন্য ঘটনা!!! “ভালোবাসা মরে গেলে ঘৃণা হয়ে যায়”-সমরেশ মজুমদারের এই উক্তিটি তখন অক্ষরে অক্ষরে সঠিক হয়ে যায়। হাতে হাত রেখে সোনালী রোদে হাঁটা...জ্যোৎস্নার মিনারে ফিসফিসে প্রেমালাপ...অনুভবের স্বর্গে ডুব দিয়ে ঠোঁটে ঠোঁট গাথা...কিংবা বসন্ত-ফাগুনের সুরভিতে বর্ণিত বাসনা সাজনো.........সব-ই তখন জাহান্নামের আগুণ হয়ে যায়। তখন ভালোবাসার অভিধানে “প্রতারণা” নামক শব্দটি মিশে একাকার হয়ে রাতের পর রাতগুলো হয়ে যায় দুই হাতে মুখ ঢেকে নিভৃতে ডুকরে ওঠা! সান্তনা

♥♥♥

অবশ্য সবার ক্ষেত্রে মনে হয় এমনটা হয় না। অনেকের কাছে হৃদয় দিয়ে দেয়াটা ট্রিগারের চাপে বেরিয়ে যাওয়া বুলেটের মতো, একবার বেরিয়ে গেলে যাকে আর উৎসস্থলে কোনোপ্রকারেরই ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়! তাই-ই হয়তো তারা প্রেমে পড়ে গড়ে দীর্ঘশ্বাসের দালান-কোঠা, অশ্রুর অরণ্য বানায়, অসুস্থতায় হয় কুপোকাত। তখন সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের " ভালবাসলে মন হয়ে যায় অন্ধ" -কথাটিই সত্যি হয়ে দাঁড়ায়। অভিজ্ঞ মত চোখ টিপি

“দিবারাত্রির কাব্য”-এ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটা মত আছে প্রেম দশার স্থায়িত্ব সম্পর্কে। তিনি বলেছিলেন-“প্রেম অসহ্য প্রাণঘাতী যন্ত্রণার ব্যাপার। প্রেম চিরকাল টিকলে মানুষকে আর টিকতে হতো না!!” তার মানে কি প্রেম দীর্ঘস্থায়ী নয়??? Shock Crying

অনেকদিন আগে কোথায় যেন ভালোবাসা সম্পর্কে একটা মজার বৈজ্ঞানিক জরিপ দেখেছিলাম। সেটা হলো-ভালোবাসা প্রতিটা মানুষের জীবনে গড়ে ৬বার করে আসে! তার মানে যারা ৬বারের বেশি প্রেম সংক্রান্ত জটিলতায় পড়বেন তারা অন্যের কোটা মেরে দিচ্ছেন!! আর যদি কারো ৬বারের কম হয়, বুঝতে হবে কেউ আপনার কোটা নিজের থলেতে পুরেছে! কি বিপদ! Angry যতসব বাজে কথা---- মাইর

♥♥♥

অনেকক্ষণ ক্যাচর ক্যাচর করলাম। এবার একটু নিজের মতামত দেই। আমার ব্যক্তিগত মত (যে কেউ ভিন্ন মত পোষণ করতে পারেন)----"বিশ্বাস"....সম্পর্কের সবচেয়ে মজবুত স্তম্ভ। তারপর যথাক্রমে, ভালোবাসা, একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ......ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি। যদিও আজকাল সন্দেহের ধূম্রজালে পিষ্ট হয়ে সেই মজবুত স্তম্ভটা হয়ে যায় অনকটাই নড়বড়ে। পরিণতিতে....অশান্তি, ভাঙ্গন, বিচ্ছেদ। আবার আজকাল আরেকটা ব্যাপার আমাদের মধ্যে তীব্রভাবে জেগে উঠেছে। সেটা হলো- সম্পত্তি জাতীয় অধিকারবোধ। একে অপরকে সম্পত্তি ভেবে আচরণ করি। অথচ সম্পদ ভেবে সম্পর্কের যত্ন নিলে সম্পর্কটা হতে পারে অনেক মধুর। "সে যে আমার সাধনার ধন ছিল, সে আমার সম্পত্তি নয়, সে আমার সম্পদ".....রবীন্দ্রনাথের "হৈমন্তি" ছোটগল্পে পড়েছিলাম। সে যুগেও অপুর কি অপূর্ব চিন্তা!! আর আমরা কথাটির মর্ম শুধুমাত্র ব্যাখ্যা বা ভাব-সম্প্রসারণ শিখেই শেষ করে দিয়েছি। বাস্তবে সেই ভাবের সম্প্রসারণ ঘটাই নি।

সবশেষে বলি...আমরা কতদিন পারবো ভালোবাসার মানুষটিকে চোখে চোখে রাখতে? সম্পর্কে একটু ছাড় দিয়েই দেখি...একটু স্পেস দিয়ে দেখি....আর একটু বন্ধুত্ব করে তার সাথে সব কথা শেয়ার করে দেখি....নিঃসন্দেহে ভাঙ্গনের সুর কখনো বাজবে না। জোড়াতালি দেয়া সম্পর্ক কি স্বাস্হ্যকর? মোটেই না। তাই দুজনের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা থাকা বাঞ্ছনীয়....সম্পর্ক অটুট রাখার জন্য।
♥♥♥♥♥♥

বকবকানি সহ্য করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। লেখার জন্য এসব লেখা নয়। এবিতে ফিরে আসার বা সাথে থাকার বাহানাস্বরূপ এই লেখা। ম জীবনকে দেয় ঐশ্বর্য, মৃত্যুকে দেয় মহিমা, কিন্তু প্রবঞ্চিতকে দেয় কি? তাকে দেয় দাহ। যে আগুন আলো দেয় না অথচ দহন করে, সেই দীপ্তিহীন অগ্নির নিরদয় দহনে পলে পলে দগ্ধ হলেন কান্ডজ্ঞানহীন হতভাগ্য চারুদত্ত আধারকার।

মারাঠি ব্রাহ্মণ চারুদত্ত আধারকার-এর প্রেমের নিদারুণ সমাপ্তি হয়েছে যাযাবরের দৃষ্টিপাত বইয়ের শেষ তিনটি লাইনে। হৃদয়ের লুকায়িত ভালোবাসার সমাপ্তি হয়না কোনোদিন। “তুমি যদি চাও সূর্যকে নিয়ে যাবো তোমাদের বাড়ি, তুমি যদি চাও অক্সিজেনের সাথে করে দেবো আড়ি, যদি তোমার দু’চোখ রাত্রির খোঁজে...পৃথিবীকে দেবো মুড়ে...তুমি চাইলেই বোবা পৃথিবীটা ভরে দেবো সুরে সুরে---" নচিকেতার মতো অনেকেই প্রিয় মানুষটির উদ্দেশ্যে এরকম হাজারো শপথ বাক্য পাঠ করে। অবশ্য বার্নাড শ অন্য কথা বলেছেন, “প্রেম হলো একটা জ্বলন্ত সিগারেটের মতো, যার শুরু আগুন দিয়ে এবং শেষ ছাইয়ে”... এ কথার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। Angry গুল্লি
কারণ প্রেম একান্তভাবে মানব আত্মার সম্পত্তি। আর আত্মার সম্পত্তির কি বিনাশ হতে পারে? Oups

♥♥♥

সৃষ্টির প্রথম মানব ভালোবেসেই গন্ধম ফল খেয়েছিলেন স্রষ্টার নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে। ফলশ্রুতিতে স্বর্গচ্যুত হয়ে আবার ভালোবাসার বলেই বহু বছর পর হাওয়ার সঙ্গে মিলন ঘটে।

সীতার জন্য ভালোবাসা জেগে উঠেছিল রাবণের মনেও। তাইতো সীতাকে হরণ করে নিয়ে যায় এবং অবশেষে স্বর্গপুরী লঙ্কা জ্বলে পুড়ে অঙ্গার হয়।

জেমসের মনে হেলেনের জন্য ভালোবাসার কারণেই সূচনা হয়েছিল ট্রয় যুদ্ধের এবং দশ বছরের যুদ্ধে ট্রয় নগরী ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।

বনবাসী আইয়ুবের মরণব্যাধি কুষ্ঠকে উপেক্ষা করে ভালোবেসেই রহিমা সারাক্ষণ তার সঙ্গে থেকে সেবা-শুশ্রূষা করে সুস্থ করে তুলেন।

সাবিত্রী তার মৃত স্বামীর পুনর্জন্ম আনে ভালোবাসার শক্তিতে।

সাপে কাটা ভেলায় ভাসিয়ে দেয়া লখিন্দরের সাথে থাকে বেহুলা।

প্রেমের মালা গলায় দিয়েই সপ্তম এডওয়ার্ড রাজসিংহাসন ছেড়ে পথে নামেন।

রাধা-কৃষ্ণের প্রেম কাহিনীর কথা আমরা সবাই জানি।

সম্রাট শাহজাহান নিজের প্রেমের অম্লান স্মৃতি অক্ষুণ্ণ রাখার জন্যই নির্মাণ করেন তাজমহল।

লাইলী-মজনু, শিরি-ফরহাদ, রোমিও-জুলিয়েট এমনকি শরৎবাবুর দেবদাসের করুণ বেদনার্ত পরিণতি আজো আমাদের অন্তরে রক্তপাত ঘটায়। Broken Heart

তবুও প্রার্থিত মানুষটির আগমন প্রতীক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে আমাদের দুই পায়ে দুই হাজার দুইশ দশটি শেকড় গজিয়ে যায়........!!!!
হায় ভালোবাসা!!! At Wits End

আবার সেই ভালোবাসা মরে গেলে ঘটে অন্য ঘটনা!!! “ভালোবাসা মরে গেলে ঘৃণা হয়ে যায়”-সমরেশ মজুমদারের এই উক্তিটি তখন অক্ষরে অক্ষরে সঠিক হয়ে যায়। হাতে হাত রেখে সোনালী রোদে হাঁটা...জ্যোৎস্নার মিনারে ফিসফিসে প্রেমালাপ...অনুভবের স্বর্গে ডুব দিয়ে ঠোঁটে ঠোঁট গাথা...কিংবা বসন্ত-ফাগুনের সুরভিতে বর্ণিত বাসনা সাজনো.........সব-ই তখন জাহান্নামের আগুণ হয়ে যায়। তখন ভালোবাসার অভিধানে “প্রতারণা” নামক শব্দটি মিশে একাকার হয়ে রাতের পর রাতগুলো হয়ে যায় দুই হাতে মুখ ঢেকে নিভৃতে ডুকরে ওঠা! সান্তনা

♥♥♥

অবশ্য সবার ক্ষেত্রে মনে হয় এমনটা হয় না। অনেকের কাছে হৃদয় দিয়ে দেয়াটা ট্রিগারের চাপে বেরিয়ে যাওয়া বুলেটের মতো, একবার বেরিয়ে গেলে যাকে আর উৎসস্থলে কোনোপ্রকারেরই ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়! তাই-ই হয়তো তারা প্রেমে পড়ে গড়ে দীর্ঘশ্বাসের দালান-কোঠা, অশ্রুর অরণ্য বানায়, অসুস্থতায় হয় কুপোকাত। তখন সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের " ভালবাসলে মন হয়ে যায় অন্ধ" -কথাটিই সত্যি হয়ে দাঁড়ায়। অভিজ্ঞ মত চোখ টিপি

“দিবারাত্রির কাব্য”-এ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটা মত আছে প্রেম দশার স্থায়িত্ব সম্পর্কে। তিনি বলেছিলেন-“প্রেম অসহ্য প্রাণঘাতী যন্ত্রণার ব্যাপার। প্রেম চিরকাল টিকলে মানুষকে আর টিকতে হতো না!!” তার মানে কি প্রেম দীর্ঘস্থায়ী নয়??? Shock Crying

অনেকদিন আগে কোথায় যেন ভালোবাসা সম্পর্কে একটা মজার বৈজ্ঞানিক জরিপ দেখেছিলাম। সেটা হলো-ভালোবাসা প্রতিটা মানুষের জীবনে গড়ে ৬বার করে আসে! তার মানে যারা ৬বারের বেশি প্রেম সংক্রান্ত জটিলতায় পড়বেন তারা অন্যের কোটা মেরে দিচ্ছেন!! আর যদি কারো ৬বারের কম হয়, বুঝতে হবে কেউ আপনার কোটা নিজের থলেতে পুরেছে! কি বিপদ! Angry যতসব বাজে কথা---- মাইর

♥♥♥

অনেকক্ষণ ক্যাচর ক্যাচর করলাম। এবার একটু নিজের মতামত দেই। আমার ব্যক্তিগত মত (যে কেউ ভিন্ন মত পোষণ করতে পারেন)----"বিশ্বাস"....সম্পর্কের সবচেয়ে মজবুত স্তম্ভ। তারপর যথাক্রমে, ভালোবাসা, একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ......ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি। যদিও আজকাল সন্দেহের ধূম্রজালে পিষ্ট হয়ে সেই মজবুত স্তম্ভটা হয়ে যায় অনকটাই নড়বড়ে। পরিণতিতে....অশান্তি, ভাঙ্গন, বিচ্ছেদ। আবার আজকাল আরেকটা ব্যাপার আমাদের মধ্যে তীব্রভাবে জেগে উঠেছে। সেটা হলো- সম্পত্তি জাতীয় অধিকারবোধ। একে অপরকে সম্পত্তি ভেবে আচরণ করি। অথচ সম্পদ ভেবে সম্পর্কের যত্ন নিলে সম্পর্কটা হতে পারে অনেক মধুর। "সে যে আমার সাধনার ধন ছিল, সে আমার সম্পত্তি নয়, সে আমার সম্পদ".....রবীন্দ্রনাথের "হৈমন্তি" ছোটগল্পে পড়েছিলাম। সে যুগেও অপুর কি অপূর্ব চিন্তা!! আর আমরা কথাটির মর্ম শুধুমাত্র ব্যাখ্যা বা ভাব-সম্প্রসারণ শিখেই শেষ করে দিয়েছি। বাস্তবে সেই ভাবের সম্প্রসারণ ঘটাই নি।

সবশেষে বলি...আমরা কতদিন পারবো ভালোবাসার মানুষটিকে চোখে চোখে রাখতে? সম্পর্কে একটু ছাড় দিয়েই দেখি...একটু স্পেস দিয়ে দেখি....আর একটু বন্ধুত্ব করে তার সাথে সব কথা শেয়ার করে দেখি....নিঃসন্দেহে ভাঙ্গনের সুর কখনো বাজবে না। জোড়াতালি দেয়া সম্পর্ক কি স্বাস্হ্যকর? মোটেই না। তাই দুজনের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা থাকা বাঞ্ছনীয়....সম্পর্ক অটুট রাখার জন্য।
♥♥♥♥♥♥

বকবকানি সহ্য করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। লেখার জন্য এসব লেখা নয়। এবিতে ফিরে আসার বা সাথে থাকার বাহানাস্বরূপ এই লেখা।

পোস্টটি ১০ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

মীর's picture


ভালো লিখেছেন। শুধু ভালো না, ভীষণ ভালো।

সম্পর্কে একটু ছাড় দিয়েই দেখি...একটু স্পেস দিয়ে দেখি....আর একটু বন্ধুত্ব করে তার সাথে সব কথা শেয়ার করে দেখি....নিঃসন্দেহে ভাঙ্গনের সুর কখনো বাজবে না। জোড়াতালি দেয়া সম্পর্ক কি স্বাস্হ্যকর? মোটেই না। তাই দুজনের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা থাকা বাঞ্ছনীয়....সম্পর্ক অটুট রাখার জন্য।

এই সহজ কথাটা অনেক সময়ই প্রেমের ভেতরে থাকা মানুষ দু'টি বুঝতে পারে না। হয়তো প্রেমের বাইরে থাকা মানুষদের জন্য সহজ কথাগুলো বুঝে ফেলা যতটা সহজ, ভেতরে থাকা মানুষদের জন্য সেগুলো বোঝা ততটা সহজ নয়।

যাক্ বেশ ক'দিন আপনার লেখা পাচ্ছিলাম না বলে কাল বিকেলেই ভাবছিলাম, একটা কুশ্চেন ঝুলাবো আপনার শেষ পোস্টটায়; কিন্তু তার আগেই আপনে একটা লেখা লিখে ফেলেছেন। থ্যাংকিউ সেজন্যে। নিয়মিত লেখালেখি, কমেন্তাকমেন্তি করবেন জেনে খুশি হইসি আরো; কারণ বন্ধু-বান্ধব সবসময় কাছে-পিঠে না থাকলে ভাল্লাগে না বেশি একটা।

নিভৃত স্বপ্নচারী's picture


ভালোবাসা মরে গেলে ঘটে অন্য ঘটনা!!! “ভালোবাসা মরে গেলে ঘৃণা হয়ে যায়”-সমরেশ মজুমদারের এই উক্তিটি তখন অক্ষরে অক্ষরে সঠিক হয়ে যায়। হাতে হাত রেখে সোনালী রোদে হাঁটা...জ্যোৎস্নার মিনারে ফিসফিসে প্রেমালাপ...অনুভবের স্বর্গে ডুব দিয়ে ঠোঁটে ঠোঁট গাথা...কিংবা বসন্ত-ফাগুনের সুরভিতে বর্ণিত বাসনা সাজনো.........সব-ই তখন জাহান্নামের আগুণ হয়ে যায়। তখন ভালোবাসার অভিধানে “প্রতারণা” নামক শব্দটি মিশে একাকার হয়ে রাতের পর রাতগুলো হয়ে যায় দুই হাতে মুখ ঢেকে নিভৃতে ডুকরে ওঠা!

চমৎকার বিশ্লেষণ। লিখতে থাকুন।

রন's picture


চমৎকার ভালবাসাকথন, শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত! লিখতে থাকুন Smile

মৃন্ময় মিজান's picture


জেমস কি প্যারিসের আরেক নাম ?

কে বলল সব কথা শেয়ার করতে হয় ? অপ্রয়োজনীয় অনেক কথা-ই আছে শেয়ার করতে গিয়ে নিজের বাচালেপনা প্রমানিত হয়ে যায়...সুতরাং অফ যাওয়াই ভাল। আবার অনেক স্পর্শকাতর বিষয় আছে যা না জানানোই ভাল। ভালবাসার জন্য মাইনষে প্রতারণাও করে...

লেখা বেশ হয়েছে। সাবলিল গতি। আছে অনেক তথ্যের সমাবেশ। ধন্যবাদ সেজন্য।

আরাফাত শান্ত's picture


প্রেম পিরিতি ভালু না!

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

লাবণী's picture

নিজের সম্পর্কে

রঙিন রোদের জ্বালাতন সহ্য করা আশ্রয়হীন পাখির মতো শুধু ডানায় ভর করে দিগন্তের পর দিগন্ত পাড়ি দিয়ে একসময় আমরা হয়ে পড়ি পথহীন দিকভ্রান্ত পথিক। পায়ের তলায় এসে মাথা কুটতে থাকে পথেরা। ক্লান্ত জীবনে নিঃশব্দের মতো সন্ধ্যা নামে...রাত আসে। জোৎস্না রাতের উজ্জ্বলতায় চেয়ে দেখি বৃষ্টি ভেজা চতুর্দশীর মতো তারায় সেজে আছে আকাশ। শুধু ভাবি...সুবিস্তৃত অসীম আকাশের কোনো এক কোণে কি একটু আশ্রয় পাওয়া যাবে না?