ইউজার লগইন

লিজা'এর ব্লগ

কথা

depression-many.jpg

আমার মৃত্যু চাই আমি
কোন নির্জন বনভূমিতে,
অসীম নীরবতার মাঝে
কিছু না বুঝে চমকে ওঠা
সবুজ ঘাসের মেঝেতে ।
কেউ জানবেনা, কাউকে সইতে হবে না
এ ঝঞ্ঝাট!!
আমি একাই বইবো আমার মৃত্যুভার ।
আমার অবমুক্ত আত্মা
হয়তো মুখে কিছু কাল্পনিক কষ্টের ভার চাপিয়ে
বহন করবে আমার শারীরিক খোলস ।
আমি চাইনা, কেউ আমার গল্প করুক অন্য কারো ভ্রু কুঞ্চিত মুখের সামনে ।
কেউ ফেলুক দীর্ঘশ্বাস
কেঁপে কেঁপে ওঠা অক্সিজেনবাহী বাতাসে ।
আমি সবার অলক্ষে চলে যেতে চাই
অনেক অনেক দূরে ।
যেখানে আমাকে খুঁজতে যেতেও কাউকে আলসেমিতে পেয়ে বসবে ।
তখন সবাই বলবে, ধুর চাই!!
খুজে পাওয়ার থেকে ভুলে যাওয়া সহজ ।
আমি এভাবেই হারিয়ে যেতে চাই ।
কত ভীষনভাবে যে চাই!!

দৌড়ের উপ্রে জীবন

ব্যাস্ততা কারে বলে, আগে কখনো তেমন করে বুঝি নাই । আমি সারা জীবনই অলস, ঘরকুনো টাইপ ছিলাম । সবার দৌড় দেখে ভালো লাগত । একটু ব্যাস্ত হইতে মন চাইতো Laughing out loud
আল্লাহ আমার মনের ইচ্ছা স্বানন্দে পূরণ করেছেন । একটা ছোট্ট পিচ্চি পাঠায়ে দিছেন । সে এখন আমারে ব্যাস্ততা কারে বলে, হাতে কলমে শিখায়ে দিচ্ছে ।
কম্পিউটারে কাজ করছি, পাশের বিছানার উপর শুয়ে সে চোখ গোল করে তাকায়ে আছে । আমি তাকালেই সে দাতশূন্য মাড়ি বের করে এমন হাসি হাসছে, যে তার অর্থ হল " আমি একটা কিউট বেবি । তুমি আমাকে কোলে না নিয়ে ওই যন্ত্রটার সামনে বসে আছো । দাড়াও তোমার বারোটা বাজাচ্ছি " । এরপর তাঁকে কোলে না নেয়া ছাড়া আর উপায় থাকে না । এই এখন সে কোলে শুয়ে আছে আর আমি টাইপ করছি ।
এরপর সারাদিন যাবে তাঁকে নিয়েই ( যতই বলি না কেন, ওকে নিয়ে এই ব্যাস্ততা কিন্তু আমি উপভোগ করি । আমার ভালো লাগে Tongue )

*

আলোর ঝর্ণাধারা

pizap.com13307818631511.jpg

নভেম্বরে ফেসবুকে একটা স্ট্যাটাস দিয়েছিলাম, সময় যায় না কেন । অপেক্ষার প্রহর এত দীর্ঘ কেন? আমি যার জন্য অপেক্ষা করছিলাম, তার আসার কথা ছিল জানুয়ারিতে । একটা একটা দিন পার করছিলাম, যেন এক একটা যুগ । মনে হচ্ছিল ২০১২ সালের জানুয়ারি বোধহয় আর এ ধরাধামে আসছে না ।
তার সাথে কথা বলার উপায় নেই, তাঁকে দেখার উপায় নেই । শুধু তাঁকে অনুভব করি দিনরাত । তাঁকে বলি, জলদি এসো ............... আমি বড় অধৈর্য । সে একটু আধটু নড়ে বুঝি সান্ত্বনা দেয় আমায়, আসছি আমি ............... সময় হলেই ঠিক এসে পড়ব, একটু ধৈর্য্য ধর ।

এক অচেনা অজানা ক্ষণজন্মা প্রাণের প্রতি ভালোবাসা ।

“এত বড় পোস্ট কেন করলাম? কেউত পরবে না? এই পোস্ট অন্য কারো জন্য নয়, নিজের জন্য। আমার খুব কাছের একজন এই মরণব্যাধিতে আক্রান্ত, আমি জানি খুব বেশি দিন নেই তার, তারপরেও তাকে এই মিথ্যাটুকুই সারাদিন বলি 'কিচ্ছু হবে না'”
কথাগুলি একজন ব্লগারের একটা মাঝারি আকৃতির লেখার শেষের অংশ । লেখার বিষয়ও বেশ গুরুত্বপূর্ণ । মরনব্যাধি ক্যান্সার নিয়ে লেখা । অথচ জুনের ১ তারিখে প্রকাশ করা ব্লগটিতে গতকাল পর্যন্ত নাকি কোন কমেন্টই ছিল না ।
আর এই দুইদিনে তার এই ব্লগ কমেন্টে সয়লাব । কেন? কারন, এই লেখার লেখক আর এই পৃথিবীতে নেই । সে নেই, তাই তার জন্য সবার এত মায়া । সে যখন ছিল, কেউ তার দিকে ফিরেও তাকায়নি ।

পাখির মত দিন

child-feet.jpg

হে খোদা এতো রোদ দিওনা, এতো গরম হল্কা দিওনা, বৃষ্টি দিওনা, শুধু ছায়া আর ঝিরঝিরে বাতাস দাও । তোমার কাছে এই একটাই চাওয়া । আর কিছু কখনও চেয়েছি বলো?
সকালের ঘুম ভাঙ্গা প্রথম প্রার্থনা তন্ময়ের । প্রতিদিন একই চাওয়া ওর ইশ্বরের কাছে । যতই বলুক আর কিছু চাইনি, ও কিন্তু শীতে একটা গরম কম্বল দিতে বলেছিল ইশ্বরকে । তখন শুধু পাতলা একটা লেপ ছিল ওর । তারপর সত্যি একদিন মিলেছিল একটা নতুন ফুলতোলা কম্বল ।

এটাও টেস্ট পোষ্ট !!

happy-rain-cloud.png
কিছুদিন ধরে ব্লগটার উপরে রাগ জমছিল । কি জানি কি পব্লেম হইছিল, লেখা পোস্ট হচ্ছিল না । তাই শুধু সবার ব্লগ পড়েই দিন কাটছিল । অবশ্য এতো সুন্দর সব লেখা পড়ে না লিখতে পারার দুঃখ ভুলে গেছিলাম । মাঝে মাঝে বিরতিহীন দক্ষিনা হাওয়ার মত অজস্র ব্লগ আসে প্রথম পাতায় । কোনটা রেখে কোনটা পড়ব । তাই শুরু করি প্রথম পাতার একদম নিচের ব্লগটা থেকে ।

যাই হোক, আজকের আমার এই ব্লগটাও একটা টেস্ট ব্লগ । এর আগেরটার? মত ।
walk-in-rain.jpg

টেস্ট পোস্ট

টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পো

আমি অপার হয়ে বসে আছি

গান শুনে মনের পরিবর্তন ঘটে, এটা পুরোনো কথা । অনুভূতির স্কেল কমে বাড়ে গান শুনে । যতক্ষন প্রিয় ব্যান্ডের গান শুনছিলাম, বেশ ভালো ছিলাম । যেই লালন ধরলাম, ব্যাস Sad মন খারাপ হতে লাগলো, অযথাই । উদাস হয়ে ভাবছিলাম মানুষ এতো দৌড়ায় কেন? সবসময় কেবল দৌড়চ্ছে । পরে যখন হুশ হল, আতলামি ছেড়ে আবার গান শুনতে বসলাম । সাথে টুকটাক ফেসবুকে ক্লিক ।
ফ্রেন্ডলিস্টে এক বান্ধবী আছে, এখন দেশের বাইরে । ওর কথা ভাবলাম । কোথাকার মানুষ কোথায় ঘুমুচ্ছে । এই মেয়েটা ছিল প্রেমকুমারী । পিচ্চিকাল থেকে একজনের সাথে প্রেম করেছে । সেই প্রেম চলা অবস্থায় আরো কয়েকজনের সাথে প্রেম করেছে । সবদিক এমন সুন্দর করে সামলে চলা মেয়ে আমার কাছে চরম বিস্ময়ের বস্তু ছিল ।

এলোমেলো ভাবনার বক বকানি ।

অনেক দিন কিছু লিখি না । কিছুই না । শেষ গল্পটা বোধ হয় মাসখানেক আগে লেখা । আর কবিতা কবে লিখছি মনেই নাই । পরীক্ষা শেষ, তাই নোট লেখার ঝামেলাও নাই । গল্প যে লিখব, মাথা খালি থাকলে কি গল্প লেখা যায় । মাথা পুরা জ্যাম হয়ে আছে । গল্পের প্লট আসে তো কিভাবে সাজাবো সেটা আসে না । বিরক্তিকর একটা অবস্থা । কিছু মানুষের লেখার স্টাইল মন দিয়ে লক্ষ করি । তারা এই ব্লগেরই সবাই । কি অনায়াসে তারা সবাই লিখে যাচ্ছে । লেখা পড়ে মুগ্ধ না হয়ে পারা যায় না ।
*

ভালোবাসার অনুগল্প

মাঝে মাঝে শিশিরের ফোঁটার মত কিছু ঘটনা জমে থাকে আমাদের চারিপাশে । টুপটাপ যখন ঝরে তখন কেবল শব্দ পাওয়া যায়, সকালেই আবার উবে যাওয়ার মতই সে ঘটনাগুলো মিলিয়ে যায় । আর কখনো শোনা যায়না । সে রকমই একটা ঘটনা ঘটল এই শান্তিপুরে । মানুষের কান অব্দি পৌছানোর আগেই যদিও তা আবার গায়েব হয়ে গিয়েছে ।
নামটা প্রশান্তিময় হলেও এই ক্ষুদে শহরের মানুষদের শান্তশিষ্ট ঠিক বলা যাবেনা । আবার তারা যে খুব খারাপ তাও না । এরা অল্পতেই উত্তেজিত হয়, অল্পতেই অবাক হয় আর হঠাত রেগে গিয়ে তুমুল ঝগড়া বাধিয়ে দেয় ।

একটুখানি ছোটবেলা ২

শীত শেষ হয়ে আসছে । আর মাত্র কদিন পরেই ফাল্গুন । চারিদিকে ফাগুনের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে । কোন এক নিবিড় আঁধারে লুকিয়ে থাকা সবুজ পাতার ঝাঁক উঁকি দিয়ে দেখছে এই প্রাচীন বৃদ্ধা ধরণীকে । সেই সাথে বিদায় নেবে পুরনো শুকনো পাতারা । সবাই ভুলে যাবো বিগত শীতের যত কষ্টগুলো । কষ্ট ভুলানোর জন্যই হয়তো প্রকৃতি দান করে এই সুদর্শন স্নিগ্ধ ঋতুকে ।
অনেক ছোট বেলায় যখন চিনতামনা ফাল্গুন বা হেমন্ত , শুধু বুঝতাম শীত, গ্রীষ্ম আর বর্ষা । আর জানতাম শুকনো পাতা ঝরা শেষ হলে আসবে নতুন পাতা গজানোর দিন । বাতাসে মৌ মৌ ঘ্রাণ । তখন যে , আমের ফুল ফোটারও দিন । আর সেই পাগল করা ঘ্রাণ আসে আমের মুকুল থেকে ।

একটা রাগী মাথার ব্লগ

গত নির্বাচনে আমি প্রথম ভোট দেবার অধিকার অর্জন করি । আমি আওয়ামিলীগকেই ভোট দিতে চাইছিলাম । কিন্তু চোখের ঝাপসা দৃষ্টি নাকি নতুন ভোট দেবার উত্তেজনায় উতফুল্ল হয়ে সিল মারার পরে দেখি সেটা কোন এক পাখা প্রতীকের উপর জ্বলজ্বল করছে । মন খারাপ হয় । পরে অবশ্যই লীগকেই দেব । যতদিন না একটা সত্যিকারের ভালো কোন রাজনৈতিক দলের আবির্ভাব না হয় লীগকেই দিয়ে যাব ভোট ।
এটা আমার জেদ না , একপেশে দৃষ্টিভঙ্গী না , আওয়ামিলীগের অন্ধভক্তিও না , এটা শুধুমাত্র শেখ মুজিব আর তাজুদ্দিনের মত নেতাদের জন্য । যাদেরকে আমি দেখার সুযোগ পাইনি , যাদের সাথে এককাতারে নেমে আন্দোলন করার সুযোগ পাইনি . তাদেরকে ভালোবেসে এই কাজটুকু করা । আমার এ মনোভাব পরিবর্তন করতে হবে দেখতেছি ।

বেঁচে থাকা, না থাকা ( ছোট গল্প )

কত বছর কেটেছে জানিনা । বছর গোনা আমাদের হয়ে ওঠেনা । এমনকি সপ্তাহের দিনগুলিরও আমরা হিসেব রাখিনা । মা চাল শেষ হয়ে এলে দু একদিন কাইকুই করে তারপর বাবাকে বলে , বাবা চোখ বড় বড় করে চেয়ে থাকে মায়ের দিকে , তারপর কিছুটা অনিশ্চিত ভাবে বলে " গেলো শুক্রবার না এনেছি "। বাবার মনেই থাকেনা চাল সে এনেছে মাস পেড়িয়ে গিয়েছে । মা'ও মনে করায় না । কিছুটা দয়াপরবশ হয়ে বা কিছুটা বিরক্তিতে । এভাবেই চলছে আমাদের সংসার ।

অতি হালকা প্যাচাল - অলস মস্তিষ্কের অলস চিন্তা ।

অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি , একজন নব্য হুজুরের মোবাইলের রিংটোন হইল "ভিগি হোঠ তেরি ----- পিয়াসা দিল মেরা " Tongue । হিন্দী গানের আগ্রাসনই বলি আর অর্থ না বুঝে সুরের প্রেমে পড়াই বলি । এইসব সেমি অশ্লীল কথাযুক্ত গান কিন্তু এদেশে এখন ব্যাপক জনপ্রিয় ।
ইদানীং মুন্নি বদনাম হুয়ি ডারলিং তেরে লিয়ে আর মাই নেম ইজ শিলা তো সেইরকম জনপ্রিয় । পিচ্চি পোলাপানের মুখে এই গান শুনলে চোক্ষে পানি চলে আসে । মাঝে মাঝে গভীর রাতে কোরাস শোনা যায় - বেবো মে বেবো বা পি লু তেরে ন্যায়নোকা শাবনাম ইত্যাদি ।

পাতা ঝরার গল্প

তোমাকে পাতা ঝরার গল্প বলি ......
হেমন্তের ঘাসের বুকে ঢলে পড়ে যে বিবর্ণ পাতারা
তাদের শেষ ইচ্ছের কথা বলি তোমায় ।

কোন কালে কোন এক অনার্য বীজের সাধ হয়েছিল মাথা তুলে দাঁড়ানোর
এ ভূ-খন্ডের বুক চিরে
অনুর্বর জলাভূমির কাছে করজোড় করে চেয়েছিল একফোঁটা মাটি
তারপর, সেই মাটির বুকে যুগ যুগ ধরে
রোপিত হয়েছে বীজের শরীর ।

সে বীজ শুনেছে বহু আত্মার ক্রন্দন ।
অজস্র ঘুনপোকার হাহাকার পেরিয়ে
সে বীজ পৌঁছেছে উদ্ধত যৌবনে ।

তার নিটোল শরীরে জমেছে ধীরে ধীরে
সময়ের মেদ ।
তার চোখের পাতায় ঝরে পড়েছে নতুন সূর্যের সোনালী কণা ।

সে বীজ স্বপ্ন বোনে ,
স্বপ্নরা সবুজ পাতা হয়ে তির তির করে কাঁপতে থাকে অচেনা বাতাসে।
কেউ কখনো দেখেনি সে স্বপ্নের রঙ;
কেউ দেখেনা কখনো ।
কেউ জানেনা যে, সেই স্বপ্নরাই অবশেষে ঝরে পড়ে অবিমিশ্র বেদনার ভারে ।

যে জীবন সময়ের পরে রেখাপাত টানে , সময়কে বন্দী করে