অটোগ্রাফ দেখেছেন? গানগুলো শুনছেন?
নানা ব্যস্ততার কারণে সিনেমে দেখা কমে গেছে। অসংখ্য ছবি আছে, দেখা হয় না। সময় আমার সব সময় কেড়ে নিচ্ছে। দেখবো বলে গত শুক্রবার অনেকগুলো সিনেমা কিনলাম। আবার দেখা শুরু করবো ভাবছি। ব্যস্ততা তো থাকবেই, কিন্তু জীবন থেকে আরও অনেক কিছুর মতো সিনেমা দেখার সময়, বই পড়ার সময়, গান শোনার সময় আমি হারিয়ে ফেলতে চাই না।
এখন ছবি দেখা হয় কম। ভাল হয়েছে শুনলেই দেখার আগ্রহ বেশি হয়। আবহমান ছবি নিয়ে লেখার সময় বাতিঘর বলেছিল ছবিটার কথা। সেটা কিনলাম এবং দেখলাম। ছবিটার নাম অটোগ্রাফ।

ছবিটা দেখার পর থেকে মাথার মধ্যে ঢুকে আছে। ভাবছিলাম এটা নিয়ে লিখতে হবে। অনেকদিন মুভিপোস্ট দেওয়া হয় না। কিন্তু লিখবো? আমি সমালোচক নই। যেসব মুভি দেখে আমি মুগ্ধ হই, তার দোষত্রুটি আর চোখে পড়ে না। আমি মোটামুটি অন্ধ ও মুগ্ধ দর্শক। সত্যি বলছি অটোগ্রাফের কোনো দোষত্রুটি নেই। আমি মহামুগ্ধ।
কিন্তু কী লিখবো? লিখতে গিয়ে পেয়ে গেলাম একটা রেডিমেট একটা সমালোচনা। সেটাই দেই আগে। লেখাটা আনন্দবাজার পত্রিকার।
পরিচালকের বাজিমাত
নায়ক আজ অসহায়। পরিচালক থেকে প্রযোজক থেকে কেচ্ছাদার টিভি চ্যানেল থেকে বিপণনের চক্রব্যূহে
তিনি শুধুই বন্দি এক চরিত্র। পুজোর পর্দায় এ ভাবেই অটোগ্রাফ দিলেন প্রসেনজিৎ। লিখছেন গৌতম চক্রবর্তী
অনিরুদ্ধ রায়চৌধুরীর ‘অনুরণন’। অতনু ঘোষের ‘অংশুমানের ছবি’। অভীক মুখোপাধ্যায়ের ‘একটি তারার খোঁজে’। বা গৌরব পাণ্ডের ‘শুকনো লঙ্কা’। গত চার-পাঁচ বছর ধরে টালিগঞ্জে অনেক পরিচালকই তাঁদের প্রথম ছবিতে আমাদের চমকে দিয়েছেন। তবে, এই সব ‘প্রথম প্রতিশ্রুতি’র ভিড়ে সিনেমাটিক সম্ভাবনায় সব চেয়ে উজ্জ্বল শ্রীজিৎ মুখোপাধ্যায়ের ‘অটোগ্রাফ’। চিত্রনাট্যের প্যাঁচ-পয়জার, সম্পাদনা, গান, সিনেমা-ভাবনা সবেতেই অন্য প্রথমদের ছাপিয়ে গিয়েছেন তিনি!
কী ভাবে? একটা উদাহরণ দেওয়া যাক। ‘অটোগ্রাফ’ ছবির গপ্পোটা ইতিমধ্যে অনেকেই জেনে গিয়েছেন। তরুণ পরিচালক শুভ (ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত) টালিগঞ্জের এক নম্বর নায়ক অরুণ চ্যাটার্জিকে (উত্তমকুমারের মতো অরুণকুমার চট্টোপাধ্যায় নন প্রসেনজিৎ) নিয়ে ‘আজকের নায়ক’ নামে একটা ছবি করছে। সত্যজিৎ রায়ের ‘নায়ক’ ছবির রিমেক! অরুণ ছবির অফারটা গ্রহণ করতেই শুভ সটান বাড়িতে। বান্ধবী শ্রীনন্দিতার (নন্দনা সেন) সঙ্গে সেখানে লিভ-ইন করে সে। এবং বান্ধবীর কোলে মাথা রেখে নিজের স্বপ্নের কথা বলে সে, “আই উইল গো টু দ্য টপ!”
তখনই আমরা চমকে উঠি। এই সংলাপ ‘নায়ক’ ছবিতে উত্তমকুমার বলেছিলেন। তা হলে? এ কি ইচ্ছাকৃত বিপর্যাস? শুধু নায়ক অরুণ চ্যাটার্জি নন, পরিচালক শুভও এই ছবিতে হয়ে উঠবে ‘আজকের নায়ক’?
এই নিরুচ্চার বিপর্যাস যে কত! মনের মতো নায়িকা খুঁজে না পেয়ে শুভ বান্ধবী শ্রীনকে তার ছবির নায়িকা সাজার কথা বলে। শ্রীন প্রথমে নারাজ, তার পর বলে, “জানিস, ছোটবেলায় ওঁকে কত ফ্যান-লেটার পাঠিয়েছি।” আর তখনই সত্যজিতের ছবির শর্মিলা ঠাকুরের কথা মনে পড়ে। ট্রেনের কামরায় নায়কের অটোগ্রাফ চাইতে এসেও তিনি সটান বলে দেন, “আমার জন্য নয়।” সত্যজিৎ রায়ের ‘নায়ক’-এর কাছে অনুপ্রাণিত বলেই তো মালাচন্দন দিয়ে তাঁকে টুকলিফাই না করে চিত্রনাট্য এ ভাবে নীরব, বুদ্ধিমন্ত বিপর্যাস ঘটাতে পারে! আর সেখানেই প্রেসিডেন্সি কলেজের প্রাক্তন ছাত্র শ্রীজিৎ অন্যদের ছাপিয়ে যাচ্ছেন!
শুধুই বুদ্ধিমন্ত সত্যজিৎ-প্রয়োগ? ছবিতে শুভ প্রথম বার চিত্রনাট্য শোনাতে অরুণ চ্যাটার্জির বাড়ি যাচ্ছে। একটা হলুদ ট্যাক্সিতে উঠে বসে সে, ট্রাফিক জ্যামে আটকে পড়ে গাড়ি। এক ভিখিরি বালক ভিক্ষা চায়। শুভ পয়সা বের করে দেয়।
ছবির শেষ দিকে আবার সেই এক সিকোয়েন্স! তত দিনে অরুণের সঙ্গে শুভর ঝামেলা হয়ে গিয়েছে। কিন্তু শুভ এখন অনেক পরিণত, ছবি তৈরি থেকে মার্কেটিং ষ্ট্র্যাটেজি সবই তার হাতের মুঠোয়। ভিখিরি বালক ফের এগিয়ে আসে। পোড়-খাওয়া শুভ তার দিকে না তাকিয়ে জানলার কাচ তুলে দেয়। ব্যাকগ্রাউণ্ডে চেনা লোকসঙ্গীতের সুর, ‘ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দে রে’। কোনও সংলাপ ছাড়াই, চিত্রনাট্য যে ভাবে নিরুচ্চারে বুঝিয়ে দিল, দু’টো আসলে আলাদা শুভ...হ্যাট্স অফ! ক্যানভাসের সাদা জায়গাটুকু রংয়ের ভিড়েও যিনি যথাযথ ফুটিয়ে তুলতে পারেন, তিনিই তো প্রকৃত শিল্পী!
আদ্দ, নতুন পরিচালককে এই সিনেমাটিক আবহ সৃষ্টিতে যিনি সাহায্য করে গিয়েছেন, তিনি সঙ্গীত পরিচালক দেবজ্যোতি মিশ্র। হাল আমলের বাংলা ছবিতে হিট গান অনেক আছে। কিন্তু গান, ব্যাকগ্রাউণ্ড মিউজিক যদি সিনেমার সঙ্গে হুইস্কি আর সোডার মতো ওতপ্রোত মিশে যায়, সেখানেই আসল সাফল্য। দেবজ্যোতি প্রথমেই ‘যদি কেড়ে নিতে বল কবিতায় ঠাসা খাতা’ গানটা থেকে যে ভাবে মন কেড়ে নিলেন! কিংবা কার্পেটে শ্রীনের মুখের কাছে এগিয়ে আসছে শুভর মুখ। ব্যাকগ্রাউণ্ডে গান, ‘উঠছে জেগে সকালগুলো’। তার পরেই মোৎসার্টের সিম্ফনির ঢঙে যুগ্ম আহ্বান ‘আয় চলে আয়’! চমৎকার সুরেলা ধুয়ো। তবে সেরা গান বোধহয় ‘চল, রাস্তায় সাজি ট্রামলাইন/আর কবিতায় শুয়ে কাপলেট’! বহু দিন বাদে সলিল চৌধুরীর কথা মনে পড়ে।
এই সব গানের লিরিক লিখেছেন শ্রীজাত। আর এক উজ্জ্বল প্রাপ্তি! বিমল ঘোষ (মৌমাছি)-এর পরে প্রায় দুই যুগ কবিরা বাংলা সিনেমা থেকে নিজেদের সরিয়ে নিয়েছিলেন। সিনেমার গান তাঁরা লেখেননি। শ্রীজাত প্রথম আঘাতেই নীরবতা যে ভাবে ভেঙে দিলেন, প্রশংসা করতেই হচ্ছে!
দেবজ্যোতির সঙ্গে আরও একটি কৃতিত্বের উল্লেখ করতেই হবে। গৌতম বসুর ডিজাইনিং। এক দিকে সাউথ সিটির টাওয়ারে নায়কের বাস, কলকাতা শহর তার পায়ের নীচে। অন্য দিকে শুভ আর শ্রীনের ফ্ল্যাটে লো-হাইটের সব আসবাব, দেওয়ালে ‘চারুলতা’ এবং ‘দেবী’র বাঁধানো ছবি। প্রেসিডেন্সি কলেজের পোর্টিকো, প্রমোদের ক্যান্টিন থেকে চিড়িয়াখানার ঝিল সব কিছুই যে কী অসাধারণ ভঙ্গিতে সিনেমার মেজাজের সঙ্গে খাপ খেয়ে গিয়েছে!

অভিনয়? এ ছবির সেরা অভিনেতা ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত। জুতোর সুখতলা ক্ষয়ানো মৃদুভাষী নতুন পরিচালক, সেখান থেকে ক্রমে আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠা... যে সহকারীকে (অরিন্দল বাগচী) একদিন তিনি ‘আমাকে স্যার বলবেন না, অস্বস্তি লাগে’ বলেছিলেন, আচমকা তাঁকেই ‘একটাও কাজ পারে না, অপদার্থ’ বলে ধমকে ওঠা! শুভই যে নায়ক, সেটা বোঝাতে পরিচালক তার মুখেই চূড়ায় পৌঁছানোর সংলাপ দেন। শ্রীনকে নিয়ে নায়ক অরুণ চ্যাটার্জি ডিনারে গিয়েছেন। রাত তিনটেয় শ্রীন ফেরার পরে শুভর ‘পুরুষালি ঈর্ষা’ ফুটে বেরিয়ে আসে। কিন্তু তার পরেই, আজকের মেট্রোসেক্সুয়াল নায়ক সে, ম্যানেজ করে দেয়। গোটাটাই নাকি ইয়ার্কি! শুভ আর শ্রীনই যে ছবির মুখ্য বৃত্ত, সেটি বোঝাতে আর এক ‘কাপ্ল’কে নিয়ে আসা হয়েছে। তারা শুভ আর শ্রীনের কলেজ-বন্ধু। তবে লিভ-ইন না করে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ। বিবাহিত বন্ধু-বন্ধুনি ভাবে, শুভ শ্রীনকে কী ভাবে অরুণের সঙ্গে একলা ছেড়ে দেয়! লিভ-ইন করে বলেই কি ওদের সম্পর্কে এত ফাঁক? নায়ক, পরিচালক, সিনেমা, গ্ল্যামার-দুনিয়া সব কিছুর পাশাপাশি এই ছবি যেন আজকের ভঙ্গুর সম্পর্ককেও দু’-একটি আঁচড়ে দেখাতে চায়।
আর তিনি? ‘আজকের নায়ক’ প্রসেনজিৎ? এই ছবি রিলিজের পর অনেক দীর্ঘশ্বাস শোনা যাচ্ছে, ‘দূর! উত্তমকুমার যা করে গিয়েছিলেন, প্রসেনজিৎ তার ধারেকাছে আসতে পারেননি!’ এই দীর্ঘশ্বাসে নস্টালজিয়া-কাতর আবেগ আছে, কিন্তু যুক্তির ছিটেফোঁটাও নেই। ‘নায়ক’ ছবিতে সত্যজিৎ মহীরূহপ্রতিম এক নায়ককে ধরেছিলেন। নাম-যশ-গ্ল্যামারের শীর্ষে পৌঁছেও সে নিঃসঙ্গ। কিন্তু ‘অটোগ্রাফ’ তো শুধু নায়কের কাহিনি নয়। এখানে পরিচালক শুভই নায়ক!
সত্যজিতের ছবিতে এ ভাবে পরিচালক আসেননি। আসেনি নায়কের ভঙ্গুরতার কথাও! এ ছবিতে অরুণকে প্রথম দেখা যায় টিভির সামনে। মনোজ সরকার (বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী) হিট প্রযোজক, অরুণকে নিয়ে পরপর তিনটি ছবি করেছেন তিনি। কিন্তু টিভি সাক্ষাৎকারে বলেন, “নায়ক নয়, ছবি চলে ঠিকঠাক পরিচালনার জন্য।” রাগে জ্বলতে জ্বলতে অরুণ উঠতি পরিচালক শুভর স্ক্রিপ্ট শোনে, তার ছবি নিজেই প্রযোজনার সিদ্ধান্ত নেয়। এই যে পরিচালক থেকে প্রযোজক সবাই ‘নায়ক’, দরকারে অন্যের মুখে ঝামা ঘষতে নায়ককেও প্রযোজক হতে হয়...নায়কের এই দুর্বল ভঙ্গুরতারগল্প সত্যজিতের ১৯৬৬ সালের ছবিতে ছিল না।
থাকার কথাও ছিল না। কারণ, ষাটের দশকে ‘নায়ক’ ছিল একচ্ছত্র সম্রাট। ট্রেনের কামরায় উত্তমকুমার সেই নিঃসঙ্গতার গল্পই শুনিয়েছিলেন শর্মিলাকে। চার যুগ পরে, আজ নিঃসঙ্গতার থেকেও প্রধান হয়ে দাঁড়িয়েছে শুক্রবারের টেনশন! “আমি জানি, শুক্রবার যে হাতগুলি বক্স অফিসের দিকে এগিয়ে আসে, বিজয়া দশমী থেকে ছটপুজো অবধি যারা আমাকে এসএমএস পাঠায়..” শুভকে বলতে থাকেন অরুণ! তাই ‘নায়ক’ ছবির সঙ্গে এ ছবির তুলনা টানা ভুল। শুভ-শ্রীনদের আধুনিক জীবনে অরুণ চ্যাটার্জি শুধু প্রান্তবাসী এক ‘ক্যারেক্টার রোল’!
আর সেখানেই প্রসেনজিতের মুন্সিয়ানা। ইন্দ্রনীল-নন্দনাদের খেলার জন্য গোটা মাঠ ছেড়ে দিয়েছেন তিনি। এবং ইন্দ্রনীল সুযোগের পূর্ণ সদ্ব্যবহার করে প্রায় ধোনির মতো দাপিয়ে খেলে গিয়েছেন। কিন্তু প্রসেনজিৎ? তাঁর জন্য তো পড়ে রয়েছে শুধু কিছু মুহূর্ত। আর সেখানেই গাওস্করের মতো দু’-চারটি কব্জির মোচড়ে চিনিয়ে দিতে হবে নিজের জাত!
সেই মুহূর্তগুলি যে কী অসাধারণ! ‘মনে রেখে দেব’ কথাটা কিছুতেই বলে উঠতে পারছেন না নন্দনা। পরিচালক শুভর বারংবার বকুনি সত্ত্বেও না! প্রসেনজিৎ চেয়ারটা সামনে টেনে নেন, “ধরো, আমি তোমার প্রেমে পড়েছি...” এই ভাবে বুঝিয়ে দিতেই দীপ্তি খেলে যায় নন্দনার চোখে। এ বার সঠিক অভিব্যক্তিতে সে সে উচ্চারণ করে, ‘মনে রেখে দেব।’
ছবির আর এক জায়গায় নন্দনার বাড়িতে এসেছেন নায়ক। মদ খেয়েছেন, পা টলছে। নন্দনার প্রতি দুর্বল তিনি, কিন্তু সে কি স্বীকার করা যায়? “শেষ তো এক দিন হতেই হবে” বলে টলতে টলতে সিঁড়ি বেয়ে নেমে যান তিনি। রাতের কলকাতা, ব্যাকগ্রাউণ্ডে ক্ষীণ স্বরে বাজে ‘বঁধু, মিছে রাগ করো না।’

প্রসেনজিতের আর একটি কভার-ড্রাইভ অনবদ্য! ছবির শেষে ইন্দ্রনীল সেনগুপ্তের সঙ্গে তাঁর তর্ক। ইন্দ্রনীলের ছবি তিনি রিলিজ করতে দেবেন না। নায়ক তখন প্রায় খলনায়ক! তিনিই ইণ্ডাষ্ট্রি, চুরচুর করে ভেঙে দেবেন এই তরুণের স্বপ্ন। উঠতি পরিচালক বলে ওঠেন, “আর যে দু’শোটা আনতাবড়ি ছবি করেছেন?” প্রসেনজিৎ চেয়ার ছেড়ে নিজের বিশাল পোস্টারের সামনে গিয়ে দাঁড়ান। ‘‘হ্যাঁ, আমি চুল বিক্রি করেছি, চামড়ার রং বিক্রি করেছি। কিন্তু ‘সোল’ বিক্রি করিনি।” সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় একদা লিখেছিলেন, ‘কৃত্তিবাসের কবিদের মধ্যে তফাত ছিল। কিন্তু এক জায়গায় সকলে এক। সকলের কবিতার মধ্যে স্বীকারোক্তির স্বর শোনা গিয়েছিল।’ প্রসেনজিতের অভিনয়েও কি আজ সেই স্বীকারোক্তির স্বর? উত্তমকুমারের ‘নায়ক’ মনে থাকবে নায়কের কারণে। আর অটোগ্রাফ? মনে থাকবে অন্য কারণে। নায়ক কী ভাবে পরের প্রজন্মকে জায়গা ছেড়ে নিঃশব্দে ক্যারেক্টার রোলে চলে যেতে পারেন!
দুই পুরুষের মাঝে এ ছবির অন্যতম দুর্বল জায়গা, নন্দনা দেব সেন! চোখ বড় বড় করলে আর কাঁদলেই তো অভিনয় হয় না। প্লেনের দৃশ্যগুলিও বেশ দুর্বল। স্বপ্নদৃশ্যটি আরও এডিট করা যেত। দিলীপ রায় এবং রুদ্রপ্রসাদ সেনগুপ্তের বিশেষ কিছু করার ছিল না। নায়কের সহকারী হিসাবে পীযূষ অবশ্য মানিয়ে গিয়েছেন।
তবু এ ছবির অন্যতম আকর্ষণ নন্দনার শ্রীন চরিত্রটি। প্রেমিক ইন্দ্রনীল তার
কাছ থেকে প্রসেনজিতের স্বীকারোক্তির ক্যাসেটটি হাতিয়ে নেয়। ছবি রিলিজের আগে টিভি চ্যানেলে সেটি চলতে থাকে। শ্রীন রাগে, লজ্জায় লিভ-ইন পার্টনারকে ছেড়ে বেরিয়ে আসে। বেরিয়ে এসে প্রথমেই তার ভালবাসার নায়ককে ফোন করে, “অরুণদা!” অরুণ ফোন কেটে দেন। তাঁর চোখ তখন টিভির পর্দায়। শ্রীন এই ভাবে বেইমানি করল?
পরের দিন তর্কের সময় ইন্দ্রনীল জানায়, শ্রীনের এতে হাত ছিল না। নায়ক আশ্বস্ত হন। অরুণের গাড়ি ছোটে ধাবার দিকে। ধাবার ছেলেটি এসে জানায়, “দিদিমণি পয়সা দিয়ে গিয়েছেন।” “কোন দিদিমণি?” জিজ্ঞাসা করে অরুণ। “আপনার সঙ্গে যিনি এসেছিলেন সে দিন।”
অরুণ থামে না। তার পরের প্রশ্ন, “সঙ্গে আর কেউ ছিল?” ছেলেটি উত্তর দেয়, “না, একাই এসেছিলেন।” আশ্বস্ত অরুণের গাড়ি এ বার ছুটে বেরিয়ে যায় হায়াত রিজেন্সির দিকে। অন্য পৃথিবীতে।
আর সেখানেই শ্রীনের ট্র্যাজেডি। লিভ-ইন পার্টনার ইন্দ্রনীল তার গোপন ক্যাসেটটি নিজের ছবির প্রচারে ব্যবহার করে। যাকে ভালবাসল, সেই অরুণ তার ফোন নামিয়ে রাখে। পরে দিদিমণি একা এসেছিলেন শুনে, নায়ক নিশ্চিন্ত! যাক, তাঁর প্রেমের অমর্যাদা ঘটায়নি শ্রীন। দুই পুরুষের মাঝে এ ভাবে নিস্পেষিত শ্রীন কোথায় যেতে পারে, বহু দূরের দার্জিলিং ছাড়া? ইন্দ্রনীল বোঝায়, “প্লিজ, এ বার আমাদের জীবন শুরু।” নন্দনা মানে না। ট্রলিব্যাগ নিয়ে সে চলে যায় এক নিঃসঙ্গ প্ল্যাটফর্মে। ‘অটোগ্রাফ’ ছবিতে সত্যজিৎ রায়ের সব চেয়ে বড় প্রভাব বোধহয় এই মুহূর্তগুলিতে। আমরা তো ‘মহানগর’-এর মাধবীকে দেখেছি, দেখেছি ‘কাঞ্চনজঙ্ঘা’র অলকানন্দাকে কিংবা ‘আগন্তুক’-এর মমতাশঙ্করকে। সত্যজিৎ তো বারংবার একটা কথাই বলতে চেয়েছেন। পুরুষ যত সহজে কম্প্রোমাইজ করে, মেয়েরা নয়!
এখানেই জিতে গেলেন শ্রীজিৎ! ছবিটা ‘শ্রীসত্যজিৎ রায়’ এবং ‘শ্রীউত্তমকুমার’কে উৎসর্গ করার জন্য নয়। কে না জানে, ওই দুই প্রতিভা বরাবরই শ্রীবর্জিত ছিলেন!
.........................................................................................................
এবার গান।
একটা গানের কথা এরকম...
আমাকে আমার মত থাকতে দাও
আমি নিজেকে নিজের মত গুছিয়ে নিয়েছি
আমাকে আমার মত থাকতে দাও
আমি নিজেকে নিজের মত গুছিয়ে নিয়েছি
যেটা ছিলোনা ছিলোনা সেটা না পাওয়াই থাক
সব পেলে নষ্ট জীবন
তোমার এই দুনিয়ার ঝাপসা আলোয়
কিছু সন্ধ্যের গুড়ো হওয়া কাঁচের মত
যদি উড়ে যেতে চাও
তবে গা ভাসিয়ে দাও
দূরবীনে চোখ রাখবোনা
এই জাহাজ মাস্তুল ছারখার
তবু গল্প লিখছি বাঁচবার
আমি রাখতে চাইনা আর তার
কোনো রাতদুপুরের আব্দার
তাই চেষ্টা করছি বারবার
সাঁতরে পাড় খোঁজার
কখনো আকাশ বেয়ে চুপ করে
যদি নেমে আসে ভালোবাসা খুব ভোরে
চোখ ভাঙ্গা ঘুমে তুমি খোঁজনা আমায়
আশেপাশে আমি আর নেই
আমার জন্য আলো জেলোনা কেউ
আমি মানুষের সমুদ্রে গুনেছি ঢেউ
এই ষ্টেশনের চত্বরে হারিয়ে গেছি
শেষ ট্রেনে ঘরে ফিরবোনা
এই জাহাজ মাস্তুল ছারখার
তবু গল্প লিখছি বাঁচবার
আমি রাখতে চাইনা আর তার
কোনো রাতদুপুরের আব্দার
তাই চেষ্টা করছি বারবার
সাঁতরে পাড় খোঁজার
তোমার রক্তে আছে স্বপ্ন যত
তারা ছুটছে রাত্রিদিন নিজের মত
কখনো সময় পেলে একটু ভেবো
আঙ্গুলের ফাঁকে আমি কই
হিসেবের ভিড়ে আমি চাইনা ছুঁতে
যত শুকনো পেঁয়াজকলি ফ্রীজের শীতে
আমি ওবেলার ডালভাতে ফুরিয়ে গেছি
গেলাসের জলে ভাসবোনা
এই জাহাজ মাস্তুল ছারখার
তবু গল্প লিখছি বাঁচবার
আমি রাখতে চাইনা আর তার
কোনো রাতদুপুরের আব্দার
তাই চেষ্টা করছি বারবার
সাঁতরে পাড় খোঁজার ।
অসাধারণ কিছু গান আছে ছবিটায়।
গানগুলো সব পাবেন এখানে
ছবিটার ভাল প্রিন্ট পাওয়া যাচ্ছে। জলদি......................





পুরাটা লেখাটা না পড়ে কমেন্ট করা যাচ্ছে না, আবার পয়লা কমেন্টটা না করলেও হচ্ছে না।
এইবার কমেন্ট দেন
আরররররররে! আজকেই কিনে নিয়ে যাবো। দেখবো এনশাল্লাহ।
আবহমান দেখে মুগ্ধ হয়েছি।মুগ্ধ হয়ে দেখেছি পুরোটা সময়। এখানেই ধন্যবাদটা দিয়ে গেলাম মাসুম ভাই।
দেখো, ভাল লাগবে। খুবই ভাল।
সমালোচনা পুরো পড়লামনা, এইটা কালকে রাতে দেখতে বসে অর্ধেক রেখে উঠে গিয়েছি, পুরো দেখে এই লেখা পড়বো।
একটা নতুন মুভি লিষ্ট এর রিকোয়েস্ট রাখলাম মাসুম ভাই।
নতুন মুভি লিষ্ট এর রিকোয়েস্টে ভোট দিলাম।
মাসুম ভাই অবশ্য এখন বিজি। একটু আগে বললেন আপলে আসছে উনার সাথে মিটিং করতে।উনি ব্যস্ত থাকবেন কিছুক্ষণ। ঘটনা বুঝলাম না।
নতুন মুভি লিস্টে দুই ভোট।
দেখেছি ছবিটা, ভালো লাগেনি। শ্রীনন্দিতা চরিত্রে ডাবিং করে যার কন্ঠ দেয়া হয়েছে তার সাথে পর্দায় দেখা মানুষটার কোনওই মিল নাই, ভয়েস ডাবিং এর ক্ষেত্রে এই জিনিসগুলো বড্ড শ্রুতিকটু লাগে। ছবির কাহিনী হয়তো খারাপ না কিন্তু মেকিং এমন কিছু ভালো না। ক্লাইম্যাক্সের পরের অংশটুকু শুধু শুধু লম্বা করে ফেলেছে অনেকখানি। তবে গানগুলো ভালো। 'নরম বালিশে চোখের নালিশে' গানটা চমৎকার।
শ্রীন বা নন্দনা সেন ছাড়া একমত হলাম না। আমার কাছে কাহিনী ও মেকিং দুটোই দারুণ লেগেছে। নায়ক আমার বিশেষ পছন্দের ছবি। এই ছবির রিমেক করতে গিয়ে একেবারেই নতুন কিছু একটা করেছেন পরিচালক, তাও আবার প্রথম ছবি।
হেঁটে হেঁটে আসে নাকি !
আরে! চলে এসেছে।আসছে মানে হইলো এসেছে।
সব পাওয়াদের নষ্ট জীবন। সব পাওয়াদের হারানো জীবন.......সময়!
মনটা খারাপ করে দিলেন গানটা দিয়ে।
ছবিটা দেখেন নীড়দা।
আমাকে আমার মত থাকতে দাও গানটা কয়দিন শুনার পর অনেকে আমারে মকারি করতো, ঐ তোর " আমাকে আমার মত মরতে দেও" গানডা বাজাস না যে?
হাহাহাহহাহাহা। গানটা দারুণ
বস, নিজকে দিয়াই পুরা রায় দিয়া দিলেন? মুদ্রার দুপিঠই সত্য।
এইটার উত্তর এখন দেয়া যাইবে না... ফেসবুকে দিছি... সেইখানে সব্বাই আমার উপ্রে ঝাপাইয়া পর্ছে
... আর একটু দেখি 
আশ্বস্ত হইলাম !!
জীবনের জানা সবচেয়ে সত্যি কথার একটা
গানটা আগে শোনা, মুভির জানা ছিল না! অমর্ত্য সেন আর নবনীতা দেবসেনের কনিষ্ঠা কন্যার অভিনয় অনেক আগে একবার দেখেছিলাম মিঠুনের সঙ্গে 'গুড়িয়া'তে। তার আর উন্নতি হয়নি!?!
না উন্নতি হয়নি। ছবিটা দেখতে দেখতে কঙ্কনাকে মিস করছিলাম। শর্মিলার মেয়ে সোহা আলী খানও হতে পারতো
'কালের রাখাল' 'রঙরসিয়াতে' অভিনয়ের কিছুটা উত্তরণ ঘটেছে বলে আমার মনে হইছে। বিশেষ করে কালের রাখাল সিনেমার খোলা মাঠের মধ্যে বসে কান্নার দৃ্শ্যটা অদ্ভূত ভালো লাগছে। তবে মাইয়াটা খুবই ন্যাকা গলায় কথা কয়!
কি ভাবে দেখবো ?
চোখ দিয়া
গানগুলা শুনছিলাম। তবে সিনেমা দেখার ইচ্ছা নাই
দুইটা তথ্য দেওয়ার ছিল। ছবির পরিচারখ অর্থনীতির ছাত্র এবং একজন অর্থনীতিবিদ।
আমিও অর্থনীতির ছাত্র।
এই ছবির রিমেক হচ্ছে হিন্দীতে। শাহরুখ খান ও রণবীর কাপুর থাকছে ছবিতে।
শ্রীজিত জওহরলাল থেকে পড়াশুনা করা অর্থনীতিতে, অর্থনীতির ছাত্র তো অবশ্যই। কিন্তু অর্থনীতিবিদ হওয়ার মত কোনো অবদান মনে হয় ইকনমিক্সে তার নাই
মুভির গান শুনেছি, অনেক ভালো লেগেছে। মুভিটাও দেখবো সময় পেলে। রিভিউ অনেক ভালো লেগেছে মাসুম ভাই।
সম্ভবত উইকিতে ইকনমিস্ট বলা হইছে বইলা মাইরা দিছি। ইকনমিকস এটাও বড় কথা
আরে মাসুম ভাই, সত্যজিত রায় --- ঋতুপর্ণ ঘোষ ও ইকনমিক্সের ছাত্র ছিলেন
চিয়ার্স
====================
যদিও কানমলা খাওয়া ছাত্ররাই ইকনমিক্স পড়ে থাকে বলে সম্প্রতি ডাক্তার ইনজিনিয়ারদের কাছে জ্ঞানপ্রাপ্ত হয়েছি
। সে যাই হোক , "তদ্যপি আমার গুরুর নাম নিত্যানন্দ রায় ।"
কানমলা পার্টি জিন্দাবাদ
আগে শুধু গান শুনেছি । ছবিটা এবার দেখব ।
দেখবো ছবিটা
রিভিউ পড়ে মুগ্ধ। গানগুলা প্রতিদিনই শুনি। এবং, আমাকে আমার মত থাকতে দাও'টা আমার কলার টিউন!!!


সিনেমা কপি করে রাখছি। কালকে পরীক্ষা শেষ হইলে দেখবো।
তারপরে বিস্তারিত মন্তব্য করবো।
রিভিউ ভাল হ্ইলে তার কৃতিত্ব আনন্দবাজারের। আমার কৃতিত্ব কপি পেস্ট করা।
সিনেমা দেখার সময় নাই, সিনেমার গল্প পড়ি
গান কেউ শুনালে শুনি - তাও মন দিয়ে নয়,
হাসতে আর পারিনাতো দিয়ে গড়াগড়ি
এলোমেলো সব কিছু, তাই মানি পরাজয় ।
প্রিয়তে রাখলাম, টরেন্টে পাচ্ছি না।
জার্মান আর কোলকাতার যৌথ প্রয়াসের সিনেমা শ্যাডোস ওফ টাইম টা কি দেখেছেন?
আমি দেখেছি ২ বার। ব্লগও আছে এটা নিয়ে। মোটামুটি " বই "
দেখি নাই। দেখতে হবে।
আমি দেখছি 'শ্যাডোস অব টাইম' ব্রিকলেইন খ্যাত নায়িকার মুভিটা
দারুণ লাগছে না রে আপি?
অনেক সিনেমা নিয়ে লেখা পড়া হইছে সিনেমাটা না দেইখাই ভালও লাগছে লেখা গুলো।কিন্তু নিজের দেখা ও পছন্দের একটা মুভি নিয়া এমন লেখা কখনও পড়ি না।অসাধারন......স্যালুট মাসুম ভাইকে!
আর গানগুলারে তো অনেক ভালো পাই আগে থেকেই!
সিনেমার সব গানই দারুন প্রচার সম্পাদক হিসাবে আমিও ভাল প্রচার করছি!
রিভিউটা দারুণ লাগলো! বাকীটা দেখার পর।
রিভিউটা ভালো লাগলো, সিনেমাটা দেখার শখ জাগাইছে...
গানের লিঙ্ক শেয়ারের জন্যে ধন্যবাদ... অনেক দারুন লাগছে গানগুলা!!!...
মুভিটার গানগুলো অসাধারণ।
নেটে মুভিটা খোজ়ঁ দ্যা সার্চের উপর রাখছি।পাইলেই দেখে ফেলবো।
গানগুলো আসলেই অসাধারণ। তবে রিভিউ কিন্তু আমার না। আনন্দবাজারের।
এই গানটার কথাগুলা দেখেন.......
চল রাস্তায় সাজি ট্রাম লাইন আর কবিতায় শুয়ে কাপপ্লেট
আহা উত্তাপ কত সুন্দর তুই থার্মোমিটারে মাপলে
হিয়া টুপটাপ জিয়া নস্টাল, মিঠে কুয়াশায় ভেজা আস্তিন
আমি ভুলে যাই কাকে চাইতাম আর তুই কাকে ভালোবাসতি
প্রিয় বন্ধুর পাড়া নিঝ্ঝুম চেনা চাঁদ চলে যায় রিকশায়
মুখে যা খুশি বলুক রাত্তির শুধূ চোখ থেকে চোখে দিক সায়
পায়ে ঘুম যায় একা ফুটপাথ, ওড়ে মোড়া প্লাস্টিক
আমি ভুলে যাই কাকে চাইতাম আর তুই কাকে ভালোবাসতিস
চল রাস্তায় সাজি ট্রাম লাইন..
পোষা বালিশের নিচে পথ-ঘাট, যারা সস্তায় ঘুম কিনতো
তারা কবে ছেড়ে গেছে বন্দর , আমি পাল্টে নিয়েছি রিং টোন
তবু বারবার তোকে ডাক দিই একি উপহার নাকি শাস্তি (২)
আমি ভুলে যাই কাকে চাইতাম আর তুই কাকে ভালোবাসতিস
চল রাস্তায় সাজি ট্রাম লাইন আর কবিতায় শুয়ে কাপপ্লেট
আহা উত্তাপ কত সুন্দর তুই খার্মোমটারে মাপলে
হিয়া টুপটাপ জিয়া নস্টাল, মিঠে কুয়াশায় ভেজা আস্তিন
আমি ভুলে যাই কাকে চাইতাম আর তুই কাকে ভালোবাসতি
চল রাস্তায় সাজি ট্রাম লাইন আর কবিতায় শুয়ে কাপ্লেট
আহা উত্তাপ কত সুন্দর তুই থার্মোমিটারে মাপলে
হিয়া টুপটাপ জিয়া নস্টাল, মিঠে কুয়াশায় ভেজা আস্তিন
আমি ভুলে যাই কাকে চাইতাম আর তুই কাকে ভালোবাসতি
আরেকটা
4. Uthche jege sakalgulo ....
গানের কথা : সৃজিত মুখোপাধ্যায় / মুখার্জী
গায়িকা : শ্রেয়া ঘোষাল
উঠছে জেগে সকালগুলো , পাশ ফিরে মন আবার শুলো
এবার তোকে আদর চোখে দেখবে সে
দেখবে দামাল প্রেম কি রকম , মন্ত্র ছাড়াই জ্বেলেছে হোম
কাঁপছে আলো.. বাসবে ভালো সব শেষে
উঠছে জেগে সকালগুলো , পাশ ফিরে মন আবার শুলো
এবার তোকে আদর চোখে দেখবে সে
দেখবে দামাল প্রেম কি রকম , মন্ত্র ছাড়াই জ্বেলেছে হোম
কাঁপছে আলো.. বাসবে ভালো সব শেষে
আয় চলে আয় কোনো অন্য সুরে গান ধরে
আয় চলে কারণ বারণ সব যাক সরে
আয় চলে আয় আজ উড়বো কথার প্রান্তরে
আয় চলে আয় আজ তোর সাথে হই একঘরে
খুনসুটি আর ঝগড়াঝাটি, আড্ডা হবে খুব জমাটি
দেয়াল ঘড়ি পিছল সুরে রাখবে তাল
পরকীয়ায় তোর ভ্রুকুটি , শীতের দুপুর গুটি শুটি
কিম্বা রাতের আবছাযাতে রংমশাল
আয় চলে আয় কোনো অন্য সুরে গান ধরে
আয় চলে কারণ বারণ সব যাক সরে
আয় চলে আয় আজ উড়বো কথার প্রান্তরে
আয় চলে আয় আজ তোর সাথে হই একঘরে
আয় চলে আয় .......চলে আয় ....
আরেকটা
1. Amake amar moto thakte dao
গানের কথা : অনুপম রায়
গায়ক : অনুপম রায়
আমাকে আমার মতো থাকতে দাও
আমি নিজেকে নিজের মতো গুছিয়ে নিয়েছি
যেটা ছিলনা ছিলনা সেটা না পাওয়াই থাক
সব পেলে নষ্ট জীবন
তোমার এই দুনিয়ার ঝাপসা আলোয়
কিছু সন্ধ্যের গুড়ো হওয়া কাঁচের মতো
যদি উড়ে যেতে চাও তবে গা ভাসিয়ে দাও
দূরবীনে চোখ রাখবোনা
না না না না ...
এই জাহাজ মাস্তুল ছারখার
তবু গল্প লিখছি বাঁচবার
আমি রাখতে চাই না আর তার
কোনো রাত দুপুরের আবদার
তাই চেষ্টা করছি বারবার
সাঁতরে পার খোঁজার
কখনো আকাশ বেয়ে চুপ করে
যদি নেমে আসে ভালবাসা খুব ভোরে
চোখ ভাঙ্গা ঘুমে তুমি খুঁজোনা আমায়
আশে পাশে আমি আর নেই
আমার জন্য আলো জ্বেলোনা কেউ
আমি মানুষের সমুদ্রে গুনেছি ঢেউ
এই স্টেশনের চত্বরে হারিয়ে গেছি
শেষ ট্রেনে ঘরে ফিরবো না না
না না ...........
তোমার রক্তে আছে স্বপ্ন যত
তারা ছুটছে রাত্রি দিন নিজের মতো
কখনো সময় পেলে একটু ভেবো
আঙ্গুলের ফাঁকে আমি কই ?
হিসেবের ভিড়ে আমি চাইনা ছুঁতে
যত শুকনো পেয়াজ-কলি ফ্রীজের শীতে
আমি ওবেলার ডালভাত ফুরিয়ে গেছি
গেলাসের জলে ভাসবো না না
না না না .....
এই জাহাজ মাস্তুল ছারখার
তবু গল্প লিখছি বাঁচবার
আমি রাখতে চাই না আর তার
কোনো রাত দুপুরের আবদার
তাই চেষ্টা করছি বারবার
সাঁতরে পাড় খোঁজার......
2. Beche thakar gaan...
গানের কথা : অনুপম রায়
গায়ক : রূপম ইসলাম / সপ্তর্ষি মুখার্জী
যদি কেড়ে নিতে বলে কবিতা ঠাসা খাতা
জেনো কেড়ে নিতে দেবোনা
যদি ছেড়ে যেতে বলে শহুরে কথকতা
জেনো আমি ছাড়তে দেবোনা
আর আমি আমি জানি জানি চোরাবালি কতখানি গিলেছে আমাদের রোজ
আর আমি আমি জানি প্রতি রাতে হয়রানি , হারানো শব্দের খোঁজ
আর এভাবেই নরম বালিশে, তোমার ওই চোখের নালিশে
বেঁচে থাক রাত পরীদের স্নান
ঠোঁটে নিয়ে বেঁচে থাকার গান
আর এভাবেই মুখের চাদরে, পরিচিত হাতের আদরে
বেঁচে থাক রাতে পরীদের স্নান
ঠোঁটে নিয়ে বাঁচিয়ে রাখার গান
যদি নিমেষে হারালে জীবনে পরিপাটি
তবু হেরে যেতে দেবোনা
যদি বেচে দিতে বলে শিকড়ে বাধা মাটি
জেনো আমি বেচতে দেবোনা
আর আমি আমি জানি জানি চোরাবালি কতখানি গিলেছে আমাদের রোজ
আর আমি আমি জানি প্রতি রাতে হয়রানি , হারানো শব্দের খোঁজ
আর এভাবেই নরম বালিশে, তোমার ওই চোখের নালিশে
বেঁচে থাক রাত পরীদের স্নান
ঠোঁটে নিয়ে বেঁচে থাকার গান
আর এভাবেই মুখের চাদরে, পরিচিত হাতের আদরে
বেঁচে থাক রাতে পরীদের স্নান
ঠোঁটে নিয়ে বাঁচিয়ে রাখার গান.....
অটোগ্রাফ দেখার অনুভূতি দিতে বসলাম।
এই মুভ্যিটা দেখার জন্য Prerequisite হলো উত্তম কুমারের নায়ক দেখতে হবে।
দুইটাই দারুণ। আর গানগুলো বিশেষ করে
যদি কেড়ে নিতে বলে কবিতা ঠাসা খাতা, জেনো কেড়ে নিতে দেবোনা
যদি ছেড়ে যেতে বলে শহুরে কথকতা
জেনো আমি ছাড়তে দেবোনা
আর আমি আমি জানি জানি চোরাবালি কতখানি গিলেছে আমাদের রোজ
আর আমি আমি জানি প্রতি রাতে হয়রানি , হারানো শব্দের খোঁজ
আর এভাবেই নরম বালিশে, তোমার ওই চোখের নালিশে
বেঁচে থাক রাত পরীদের স্নান
ঠোঁটে নিয়ে বেঁচে থাকার গান
আর এভাবেই মুখের চাদরে, পরিচিত হাতের আদরে..... অসাধারণ গান।
নায়ক দেখেছি, দারুণ।
অটোগ্রাফ দেখার সময়টুকু আর বের করতে পারলাম না।
তবে গান শুনেছি। মুগ্ধ।
অটোগ্রাফ দেখার পূর্বশর্তই হল নায়ক দেখা। নায়ক তো মাস্টারপিস। সেই মাস্টারপিস অনুসরণ করা সহজ কাজ না। পরিচালক পুরো কৃতিত্ব পাবেন এখানে।
সিনে বোদ্ধা গৌতম চক্রবর্তীর সাথে আমার চিন্তার কিছু মিল দেখে রীতিমতো টাশকিত হলেম
:
ব্যাতিক্রম কেবল শ্রীনের চলে যাওয়াকে 'হেরে যাওয়া' বলে আখ্যা দেয়াটা মন সায় দিলোনা।
)
কারণ অন্যায়ের সাথে কম্প্রোমাইজ না করাকে হেরে যাওয়া বলে মানা যায় কী? এই চরিত্রটি বরং আমাকে 'ডলস্ হাউজ' এর 'নোরা'র কথা মনে করিয়ে দিয়েছে.....অবশ্য এটা এই নাদানের মতামত....স্বল্প বুদ্ধিতে যা বুঝচ্ছি আর কি! ইন্দ্রনীল-প্রসেনজিৎ দু'জনই চমৎকার অভিনয় করেছেন বলাই বাহুল্য। অনুপম রায়( আমাকে আমার মতো...আর যদি কেড়ে নিতে বলো'র গায়ক) আমার বন্ধু কল্লোল লাহিরীর( 'হ্যালো কলিকাতা' ছবির স্ক্রীপ্ট রাইটার) বন্ধু। যে কারণে সিনেমা দেখবার অনেক আগেই গানগুলো আমার শুনবার সৌভাগ্য হয়েছিলো। সেজন্য কল্লোলকে ধইন্যা। আর স্কোর দেখানোর সময় যে গানটা( 'যদি কেড়ে নিতে বলো কবিতা ঠাসা খাতা'- গায়ক রূপম ইসলাম আমার খুউবই প্রিয় একজন
ইন্দ্রনীলের 'অংশুমানের ছবি' ' মিঠুনের 'শুকনো লঙ্কা' ভালোই কিন্তু! পারলে দেখেন। আর 'ব্ল্যাক সোয়ান' '১২৭ আয়ার্স' দেইখেন...জুশ কিন্তু। 'গুজরাট' সম্পর্কে পড়তে গিয়ে এদিক -ওদিক লেখা পড়তে পড়তে আমি গিয়ে পড়েছিলাম এক ক্যাডেট ব্লগে। সেইখানে গিয়ে দেখি একলুক ' আমু' নামের একটা মুভি দেখতে বলছেন অন্য এক বড়ভাইকে। ভালো করে চাইয়া দেখি আরে এইটা তো( যে লুকটা মুভির নাম বলছেন বড়ভাইকে) আম্রার মাসুমভাই! টাশকি র টাশকি! আর কী, অনলাইনে পাইয়া গেলাম 'আমু' কঙ্কণারে এমনিতেই ভালা পাই এইটাতে দেখে আমি পুরাই 'তাকডুম তাকডুম' .....এই জন্য একটা ব্রিরাটটটটটটটটটট ধন্যবাদ আপনার পাওনা মিয়াভাই ...দিয়ে গেলাম আজকে সেটা। যখনই সিনেমা দেখি, আমার প্রিয় সিনেমা রিভিউয়ার হিসেবে আপনার কথাই মনে আসে পরথমে( তেল না সত্যিই কচ্চি!) আর ঐ ক্যাডেট ব্লগে আপনার স্বপরিবারের ফটুক খুউব কিউট! তারেক মাসুদের 'রানওয়ে' দেখবার সুযোগ পাইছেননি মিয়াভাই? দেখলে ওটা সম্পর্কে আপনার মতামত জানবার আগ্রহ প্রকাশ করে গেলাম। আমি অল্প কথার মানুষ না, সেজন্ন চরি আছি
আমার মন্তব্য আপনেরা সহ্য করেন, আপনাদের সকলের সহ্য গুণের প্রতি পেন্নাম! ভালো থাকা হোক

আমু নিয়া একটা পোস্ট দিছিলাম সামুতে। পড়ছিলেন?
সেইটা ছিল এরকম....
আমু ছবিটার নাম আগে শুনেছিলাম কীনা মনে পড়ে না। মুভি কিনতে গিয়ে এটা পেলাম। কঙ্কনা সেন শর্মার নাম দেখে কিনেই ফেললাম। লেখা আছে দেখলাম এটি ভারতে ২০০৫ সালের ইংরেজি ভাষায় তৈরি সেরা ভারতীয় ছবি হিসেবে জাতীয় পুরস্কার পেয়েছে। এছাড়াও আরও বেশ কিছু পুরস্কার পেয়েছে।
কঙ্কনা, ছবিতে যার নাম কাজু, আমেরিকায় থাকে। দীর্ঘদিন পর দেশে ফিরেছে। কাজুর মা একজন সিংগল মাদার, দত্তক নেওয়া মেয়ে কাজু। ১৯৮৫ সালে ম্যালেরিয়ায় বাবা-মা মারা গেলে বেঁচে যাওয়া কাজুকে দত্তক নেয় তার এখনকার মা।
কাজু জানে সে দরিদ্র্য ঘরের মেয়ে, বস্তিতে বড় হয়েছে। নিয়তি তাকে নিয়ে যায় সেই বস্তিতে। সঙ্গে জোটে কবির সেগাল, ভারতীয় এক আমলার ছেলে। কাজু বাবা-মার পরিচয় খুঁজতে থাকে। জানতে পারে আসলে সে সময় ম্যালেরিয়ার কোনো ঘটনাই ঘটেনি। ধীরে ধীরে উম্মোচিত হয় আরেক ইতিহাস। কাজু আসলে শিখ বাবা-মার মেয়ে। তাঁর বাবা মারা যায় ১৯৮৪ এর দাঙ্গায়।
সেই ইতিহাস খুঁজে পেতেও কষ্ট করতে হয় কাজুকে। আসলে কাজুর নাম ছিল অমৃতা। তাঁর ছোটো ভাই আমু বলে। সে কারণেই ছবির নাম আমু। সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় তৈরি এক দাঙ্গা উম্মোচনের অসাধারণ এক কাহিনী আমু।
ইন্দিরা গান্ধী মারা যাওয়ার পর দিল্লীতে শিখ হত্যার উৎসব হয়েছিল, আর সেই উৎসবের বলি তার বাবা। ছোট একটা ভাই ছিল, সেও মারা যায় এসময়। মা বেঁচে ছিল আরও কিছুদিন। মা কিভাবে মারা যায় তা আসলে যারা ছবিটা দেখবেন তাদের জন্যই থাক।
ইন্দিরা গান্ধী তাঁর দুই শিখ দেহরীর গুলিতে মারা যায় ৮৪ এর ৩১ অক্টোবর। এর পরের দুইদিন দিল্লী ও উত্তর প্রদেশের কিছু এলাকায় যা ঘটে তাকে আসলে দাঙ্গা বলা যায় না, বরং বলা চলে নির্বিচার হত্যা। কংগ্রেস নেতারা সদ্য তৈরি ভোটার তালিকা হাতে নিয়ে খুঁজে খুঁজে বের করেছে শিখ পুরুষদের। ট্রেন থামিয়ে টেনে বের করে আনা হয় শিখদের। পুড়িয়ে মারার জন্য কেরোসিন সরবরাহ করা হয়েছিল স্থানীয় কংগ্রেস নেতারাই। বলা হয় পাঁচ হাজারের বেশি শিখকে হত্যা করা হয়েছিল সেই দাঙ্গায়। এমনকি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পুলিশও সহায়তা করেছিল এই কাজে।
কংগ্রেসের জন্য এখনও একটি কলঙ্কের নাম সেই শিখ হত্যা। পরে এ নিয়ে অনেকগুলো তদন্ত কমিটি হয়েছিল। প্রকাশ পেয়েছিল জড়িত বা প্রত্য মদদদাতা অনেক কংগ্রেস নেতাদের নাম। যেমন জগদির টেইলর। এমনকি সে সময়কার পুলিশ প্রধানকেও দায়ী করা হয়েছিল। একথা প্রমানিত যে, কংগ্রেস নেতারাই এই ঘটনা ঘটায়।
সরকারি ভাবে এখনও কারো বিচার না হলেও কিছু । ক্ষেত্রে বদলা ঠিকই নিয়েছে শিখরা। খালিস্তান কমান্ডো ফোর্স ১৯৮৫ সালে কংগ্রেস নেতা ও পার্লামেন্ট সদস্য ললিত মাকানকে মেরে ফেলে। যে ২২৭ জনের নাম দায়ী হিসেবে বের হয়েছিল তাতে তিন নম্বর ছিল এই ললিট মাকানের নাম। আরেকজন দায়ী কংগ্রেস নেতা অর্জন দাসকেও একই ভাবে হত্যা করে এই ফোর্স।
চলচ্চিত্র প্রেমীরা দেখতে পারেন ছবিটা। ভাল লাগবে। শেষ দৃশ্যটাও কিন্তু অনেককিছুই ইঙ্গিত করে। কাজু আর কবির বসে ছিল এক ধাবায়। দুজনে হাটতে থাকে রেললাইন ধরে। ধাবায় টিভিতে তখন উড়িস্যার সেই সাবরমতি ট্রেন থামিয়ে মুসলমান হত্যা বা দাঙ্গার সংবাদ দিচ্ছিল সংবাদ পাঠক। তারপর ট্রেনের একটি দীর্ঘ দৃশ্য।
একটা বাড়তি তথ্য- কাজুর মা-এর ভুমিকায় অভিনয় করেন বৃন্দা কারাত। বৃন্দা কারাট পশ্চিমবঙ্গ থেকে সিপিআই (এম) নির্বাচিত একজন রাজ্যসভা সদস্য। তিনি দলের পলিটব্যুরোর একমাত্র নারী সদস্য।
আংশুমানের ছবি আমার ভালো লাগে নাই। আর শুকনা লঙ্কা খুবই গড়পড়তা ছবি ভেবে দেখতে বসে মুগ্ধ হয়েছি বলা যায়। মিঠুন লোকটা অবিনয় দারুণ করে। কিন্তু এতো বেশি আজেবাজে ছবিতে অভিনয় করছে তা বলার না।
রানওয়ে দেখি নাই।
ব্ল্যাক সোয়ান ও ১২৭ আওয়ার্স দেখলাম দারুণ।
আপনার মন্তেব্যের অপেক্ষায় অনেকেই থাকি। সুতরাং সরি বলার কিছু নাই।
ঋতুপর্ণের ''আর একটি প্রেমের গল্প'' দেখেছেন??
এই সিনেমার একটা রিভিউ চাই আপনার কাছে।
অটোগ্রাফ দেখে লিভ টুগেদার করতে ইচ্ছা করতেসে।
শেষ পর্যন্ত মীরও? কি পুলাডারে বাঘে খাইলো
বেশরয়তী কথাবার্তা। এরে বড় হুজুরের কাছে নিয়া যাও। মনয় জ্বীনের আছর।
যে কমেন্টটা করতে চায়ছিলাম সেটা টুটুল ভাই করে দিসে।

কিন্তু টুটুল ভাইএর মন্তব্য পড়ে আমার চৈতন্যদয় হইসে। তাই'ইতো, কথা ঠিক। কালকে মনে হয় একটু বেসামাল ছিলাম।
নাথিং টুগেদার। নট ইভন লিভিং।
শরমের কিছু নাই
... মনের গুফন ইচ্ছাটা ফুরুৎ কৈরা বাইর হৈয়া গেছে
...
আম্রা কিছু মনে করি নাই
যা বেটা! আমরা কিছু মনে করছি। পুলাডা ভালু আছিলো তো।
মেয়েটা কে মীর? আমরা চিনি? এনি হেল্প?
বস্ আপনেও?
দৌড়ে পালাই।
আর ইয়ে; হেল্প মানে হইসে কি, এখনো নামটাই পার হইতে পারতেসি না। এই হইলো সমস্যা।
আমাকে আমার মতো থাকতে দাও গানটা দারুণ। আমার আরো একটা গান খুব বেশি ভাল্লাগলো। ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দে রে...
দেখবো দেখবো করে এতদিনে দেখলাম।
এক কথায় অসাধারন সিনেমা, অসাধারন গান!
তবে, ছবিটা'কে যদি ৪ ভাগে ভাগ করা হয় তাহলে ২য় ভাগে এসে একটু বরিং লেগেছে। মানে, ২য় ভাগে ছবিটা খুব ধীর গতিতে এগিয়েছে। তারপরের অংশ আবার বেশ ভালোই লেগেছে।
মন্তব্য করুন