ইউজার লগইন

স্বাগতম হে

......................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................

১.
‌'স্বাগতম তোমাকে ছাতা-মাথায় উদ্বিগ্ন প্রেমিক
স্বাগতম তোমাকে কাদামাখা পায়ের করুণ পথিক
স্বাগতম ফুটো-থালা বৃষ্টি ভেজা ঠকঠকে ভিখারিনী
স্বাগতম হে জলমুখর তুখোড় কষ্টের বিরহিনী'

স্বাগতম আমার ব্লগে হে অফলাইনে থাকা অতিথিরা Tongue

২.
একটা ব্রেকিং নিউজ দেই.......
প্লেবয় কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিছে যে, তারা কেবলমাত্র বিবাহিতদের জন্য একটা নতুন সংস্করণ করবে।
বিবাহিতদের জন্য সংস্করণের প্রতি সংখ্যার প্রচ্ছদে একই মেয়ে থাকবে Laughing out loud

৩.
প্রিয়তমা আমার
তোমার শেষ চিঠিতে
তুমি লিখেছ ;
মাথা আমার ব্যথায় টন্ টন্ করছে
দিশেহারা আমার হৃদয়।

তুমি লিখেছ ;
যদি ওরা তোমাকে ফাঁসী দেয়
তোমাকে যদি হারাই
আমি বাঁচব না।

তুমি বেঁচে থাকবে প্রিয়তমা বধু আমার
আমার স্মৃতি কালো ধোঁয়ার মত হাওয়ায় মিলিয়ে যাবে
তুমি বেঁচে থাকবে, আমার হৃদয়ের রক্তকেশী ভগিনী,
বিংশ শতাব্দীতে
মানুষের শোকের আয়ূ
বড় জোর এক বছর।

গৌতম ঠিকই বলেছে, একদিন আমি বেঁচে থাকবো না, কিন্তু পৃথিবী ঠিকই ঠিকঠাক চলবে। ববিতার 'টাকা আনা পাই' সিনেমাটা টিভিতে দেখাবে, কিন্তু আমি দেখতে পারবো না।
কথা আরও আছে। নাজিম হিকমত যেমন বলেছেন, পৃথিবীতে শোকের আয়ু মাত্র এক বছর। এর মানে হচ্ছে আমি যখন থাকবো না, তখন এক বছর পর কেউ হয়তো আর মনেও করবে না।
কিন্তু এখন আমি আছি। তাহলে আসেন এখানে, কমেন্টস দেন। আমি না থাকলে কমেন্টস দেবেন কারে? Smile
ভাল কথা নাজিম হিকমতের এই কবিতাটা পুরো পড়েন নাই কে কে?

যে সমুদ্র সব থেকে সুন্দর
তা আজও আমরা দেখিনি।
সব থেকে সুন্দর শিশু
আজও বেড়ে ওঠে নি
আমাদের সব থেকে সুন্দর দিনগুলো
আজও আমরা পাইনি।
মধুরতম যে-কথা আমি বলতে চাই।
সে কথা আজও আমি বলি নি।

৪.
27032012719.jpg
কী দুইন্যা আইলো, এখন কেকও হট Party

মীররে উৎসর্গ করা হইল পুরা লেখাটা, সুমিজকেও Wink

পোস্টটি ১১ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

জেবীন's picture


দুইখান কবিতার একটাও আগে পড়ি নাই! Stare

স্বাগতম দিয়া অফ্লাইনের লুকদের ডাকছেন, অনলাইনে যারা আছি তাদের জন্যে কি? Stare
প্লেবয় ম্যাগাজিন নিয়া কোন বানী দিলাম না!
এইটা কি এইবারের জন্মদিনের হট কেকে নাকি! Tongue

শওকত মাসুম's picture


তুমারে দেইখাই তো পোস্ট লিখলাম। Laughing out loud

এই সেই ঐতিহাসিক কেক

জ্যোতি's picture


একজনরে দেইখা পোস্ট দেন, আরেকজনরে উৎসর্গ করেন(উৎসর্গ লিখতে 'ৎ' টা আমার কি বোর্ডে খুঁজে পেলাম না। আরব দেশ থেকে আনা কী বোর্ডে খালি আরবী লেখা) আমরা তাইলে এই পোস্টে কি কমেন্ট করুম?

শওকত মাসুম's picture


তুমি অফলাইনে ছিলা. তুমার জন্যই তো লিখলাম Smile

জ্যোতি's picture


মিছা কথা কইয়েন না। আমি নেটেই ছিলাম না। আর জীবনেও কেউ আমার লাগি পুস্ট দেয় নাই (তাতাপু, লীনাপা, জেবীন ছাড়া)
হট কেক খায়েন না। হজম হপে না। যে গরম পড়ছে!

জেবীন's picture


মাসুম-জেনেভ-ক্যাম্প ভাই, দুই 'জ' রে দু'টাই বলে ফেললেন যে, অপশন তো আর নাই, বাকিদের কি বলবেন? Laughing out loud

শওকত মাসুম's picture


একই কথা বলবো গো আফা

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


সুমীরে ভালা পাই!

দুর মিয়া,
ক্ষিদা লাগায় দিলেন!

শওকত মাসুম's picture


সুমীরে ভালা পাইছি

১০

মীর's picture


প্রিয় পোস্ট Smile থ্যাংকু মাসুম ভাই।

নাজিম হিকমতের চিকনমতো একটা বই পড়ছিলাম। নেটেও মনে হয় কিছু কিছু পড়ছি। জেলখানার কবি। তার লেখা পড়লে বিশেষ করে যে দুইটা কথা মনে হয় সেগুলা হইলো-

জীবনে একবার জেলখানায় যাওয়াটা খারাপ না।
জীবনে একবার বিয়া কইরা স্ত্রী'কে উদ্দেশ্য করে কবিতা লেখা শুরু করাটাও খারাপ না।

সুমি'জ হট কেক ভালো পাই। কিন্তু একবার একটা ছোট্ট ডোনাট ছাড়া আর কিছু খাওয়ার সুযোগ এখনো হয় নাই। খিলগাঁও-এর ঘটনা। এখনো মনে আছে ঐটার কথা।

আবারো থ্যাংকু ভাইজান। ভালো থাইকেন। শুভেচ্ছা।

১১

শওকত মাসুম's picture


জেলখানার চিঠি – নাজিম হিকমত
অনুবাদ : সুভাষ মুখোপাধ্যায়


প্রিয়তমা আমার
তোমার শেষ চিঠিতে
তুমি লিখেছ ;
মাথা আমার ব্যথায় টন্ টন্ করছে
দিশেহারা আমার হৃদয়।

তুমি লিখেছ ;
যদি ওরা তোমাকে ফাঁসী দেয়
তোমাকে যদি হারাই
আমি বাঁচব না।

তুমি বেঁচে থাকবে প্রিয়তমা বধু আমার
আমার স্মৃতি কালো ধোঁয়ার মত হাওয়ায় মিলিয়ে যাবে
তুমি বেঁচে থাকবে, আমার হৃদয়ের রক্তকেশী ভগিনী,
বিংশ শতাব্দীতে
মানুষের শোকের আয়ূ
বড় জোর এক বছর।

মৃত্যু……
দড়ির এক প্রান্তে দোদুল্যমান শবদেহ
আমার কাম্য নয় সেই মৃত্যু।
কিন্তু প্রিয়তমা আমার, তুমি জেনো
জল্লাদের লোমশ হাত
যদি আমার গলায়
ফাঁসির দড়ি পরায়
নাজিমের নীল চোখে
ওরা বৃথাই খুঁজে ফিরবে
ভয়।

অন্তিম ঊষার অস্ফুট আলোয়
আমি দেখব আমার বন্ধুদের,তোমাকে দেখব
আমার সঙ্গে কবরে যাবে
শুধু আমার
এক অসমাপ্ত গানের বেদনা।


বধু আমার
তুমি আমার কোমলপ্রাণ মৌমাছি
চোখ তোমার মধুর চেয়েও মিষ্টি।
কেন তোমাকে আমি লিখতে গেলাম
ওরা আমাকে ফাঁসী দিতে চায়
বিচার সবে মাত্র শুরু হয়েছে
আর মানুষের মুন্ডুটা তো বোঁটার ফুল নয়
ইচ্ছে করলেই ছিঁড়ে নেবে ।

ও নিয়ে ভেবনা
ওসব বহু দূরের ভাবনা
হাতে যদি টাকা থাকে
আমার জন্যে কিনে পাঠিও গরম একটা পাজামা
পায়ে আমার বাত ধরেছে।
ভুলে যেও না
স্বামী যার জেলখানায়
তার মনে যেন সব সময় ফুর্তি থাকে

বাতাস আসে, বাতাস যায়
চেরির একই ডাল একই ঝড়ে
দুবার দোলে না।

গাছে গাছে পাখির কাকলি
পাখাগুলো উড়তে চায়।
জানলা বন্ধ:
টান মেরে খুলতে হবে।

আমি তোমাকে চাই ;তোমার মত রমনীয় হোক জীবন
আমার বন্ধু,আমার প্রিয়তমার মত……..।

আমি জানি,দুঃখের ডালি
আজও উজাড় হয়নি
কিন্তু একদিন হবে।


নতজানু হয়ে আমি চেয়ে আছি মাটির দিকে
উজ্জল নীল ফুলের মঞ্জরিত শাখার দিকে আমি তাকিয়ে
তুমি যেন মৃন্ময়ী বসন্ত,আমার প্রিয়তমা
আমি তোমর দিকে তাকিয়ে।

মাটিতে পিঠ রেখে আমি দেখি আকাশকে
তুমি যেন মধুমাস,তুমি আকাশ
আমি তোমাকে দেখছি প্রিয়তমা।

রাত্রির অন্ধকারে,গ্রামদেশে শুকনো পাতায় আমি জ্বালিয়েছিলাম আগুন
আমি স্পর্শ করছি সেই আগুন
নক্ষত্রের নিচে জ্বালা অগ্নিকুন্ডের মত তুমি
আমার প্রিয়তমা, তোমাকে স্পর্শ করছি।

আমি আছি মানুষের মাঝখানে,ভালবাসি আমি মানুষকে
ভালবাসি আন্দোলন,
ভালবাসি চিন্তা করতে,
আমার সংগ্রামকে আমি ভালবাসি
আমার সংগ্রামের অন্তস্থলে মানুষের আসনে তুমি আসীন
প্রিয়তমা আমার আমি তোমাকে ভালবাসি।

রাত এখন ন’টা
ঘন্টা বেজে গেছে গুমটিতে
সেলের দরোজা তালা বন্ধ হবে এক্ষুনি।
এবার জেলখানায় একটু বেশি দিন কাঁটল
আটটা বছর।

বেঁচে থাকায় অনেক আশা,প্রিয়তমা
তোমাকে ভালবাসার মতই একাগ্র বেঁচে থাকা।
কী মধুর কী আশায় রঙ্গীন তোমার স্মৃতি….।
কিন্তু আর আমি আশায় তুষ্ট নই,
আমি আর শুনতে চাই না গান।
আমার নিজের গান এবার আমি গাইব।

আমাদের ছেলেটা বিছানায় শয্যাগত
বাপ তার জেলখানায়
তোমার ভারাক্রান্ত মাথাটা ক্লান্ত হাতের ওপর এলানো
আমরা আর আমাদের এই পৃথিবী একই সুচাগ্রে দাঁড়িয়ে।
দুঃসময় থেকে সুসময়ে
মানুষ পৌঁছে দেবে মানুষকে
আমাদের ছেলেটা নিরাময় হয়ে উঠবে
তার বাপ খালাস পাবে জেল থেকে
তোমার সোনালী চোখে উপচে পড়বে হাসি
আমার আর আমাদের এই পৃথিবী একই সুচাগ্রে দাঁড়িয়ে !

যে সমুদ্র সব থেকে সুন্দর
তা আজও আমরা দেখিনি।
সব থেকে সুন্দর শিশু
আজও বেড়ে ওঠে নি
আমাদের সব থেকে সুন্দর দিনগুলো
আজও আমরা পাইনি।
মধুরতম যে-কথা আমি বলতে চাই।
সে কথা আজও আমি বলি নি।

কাল রাতে তোমাকে আমি স্বপ্ন দেখলাম
মাথা উঁচু করে
ধুসর চোখে তুমি আছো আমার দিকে তাকিয়ে
তোমার আদ্র ওষ্ঠাধর কম্পমান
কিন্তু তোমার কণ্ঠস্বর শুনতে পেলাম না।

কৃষ্ণপক্ষ রাত্রে কোথাও আনন্দ সংবাদের মত ঘড়ির টিক্ টিক্ আওয়াজ
বাতাসে গুন্ গুন্ করছে মহাকাল
আমার ক্যানারীর লাল খাঁচায়
গানের একটি কলি,
লাঙ্গল-চষা ভূঁইতে
মাটির বুক ফুঁড়ে উদগত অঙ্কুরের দুরন্ত কলরব
আর এক মহিমান্বিত জনতার বজ্রকণ্ঠে উচ্চারিত ন্যায্য অধিকার
তোমার আদ্র ওষ্ঠাধর কম্পমান
কিন্তু তোমার কণ্ঠস্বর শুনতে পেলাম না।

আশাভঙ্গে অভিশাপ নিয়ে জেগে উঠলাম।
ঘুমিয়ে পড়েছিলাম বইতে মুখ রেখে।
এতগুলো কণ্ঠস্বরের মধ্যে
তোমার স্বরও কি আমি শুনতে পাই নি ?

১২

টুটুল's picture


মাসুম ভাইয়ের জন্য হট কেক... এইটাইতো স্বাভাবিক Smile

১৩

স্বপ্নের ফেরীওয়ালা's picture


এইটা কি এনারজি কেক নাকি? Wink

~

১৪

শওকত মাসুম's picture


কেন, লাগবো?

১৫

শওকত মাসুম's picture


পুলাপাইন জানে না কিছু

১৬

রাসেল আশরাফ's picture


্কী ব্যাপার মাসুম ভাই ইদানিং কুল হইয়া গেছে নাকি? হট কেক খাইতেছে?? Tongue

১৭

শওকত মাসুম's picture


কুল, হট-----এসবের মানে কী? আমি তো মাসুম। Smile

১৮

লীনা দিলরুবা's picture


এই পোস্ট এর মাজেজা কিন্তু বুঝি নাই (মাথা চুলকানোর ইমো)

নাজিম হিকমত দারুণ।

১৯

শওকত মাসুম's picture


আমি জেলে যাবার পর – নাজিম হিকমত

অনুবাদ : সুভাষ মুখোপাধ্যায়

জেলে এলাম সেই কবে
তার পর গুণে গুণে দশ-বার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করেছে পৃথিবী।
পৃথিবীকে যদি বলো, বলবে -
‘কিছুই নয়,
অণুমাত্র কাল।’
আমি বলব -
‘না, আমার জীবনের দশটা বছর।’

যে বছর জেলে এলাম
একটা পেন্সিল ছিল
লিখে লিখে ক্ষইয়ে ফেলতে এক হাপ্তাও লাগেনি।
পেন্সিলকে জিজ্ঞেস করলে বলবে :
‘একটা গোটা জীবন।’
আমি বলব :
‘এমন আর কী, মোটে তো একটি সপ্তাহ।’

যখন জেলে এলাম
খুনের আসামী ওসমান
কিছুকাল যেতেই ছাড়া পেল
তারপর চোরাচালানের দায়ে
ঘুরে এসে ছ-মাস কয়েদ খাটল
আবার খালাস হল।
কাল তার চিঠি পেলাম বিয়ে হয়েছে তার
এই বসন্তেই ছেলের মুখ দেখবে।

আমি জেলে আসবার সময়
যে সন্তানেরা জননীর গর্ভে ছিল
আজ তারা দশ বছরের বালক।
সেদিনকার রোগা ল্যাংপেঙে ঘোড়ার বাচ্চাগুলো
এখন রীতিমত নিতম্বিনী।
কিন্তু জলপাইয়ের জঙ্গল আজও সেই জঙ্গল
আজও তারা তেমনি শিশু।

আমি জেলে যাবার পর
দূরবর্তী আমার শহরে জেগেছে নতুন নতুন পার্ক
আর আমার বাড়ির লোকে
এখন উঠে গেছে অচেনা রাস্তায়
সে বাড়ি আমি চোখেও দেখিনি।

যে বছর আমি জেলে এসেছিলাম
রুটি ছিল তুলোর মত সাদা
তারপর মাথাপিছু বরাদ্দের যুগ
এখানে এই জেলখানায়
লোকগুলো মুঠিভর রুটির জন্যে হন্যে হল
আজ আবার অবাধে কিনতে পারো।

কিন্তু কালো বিস্বাদ সেই রুটি।

যে বছর আমি জেলে এলাম
দ্বিতীয় যুদ্ধের সবে শুরু
দাচাউ-এর শ্মশানচুল্লী তখনও জ্বলেনি
তখনও পারমাণবিক বোমা পড়েনি হিরোশিমায়।

টুঁটি-টিপে-ধরা শিশুর রক্তের মত সময় বয়ে গেল
তারপর সমাপ্ত সেই অধ্যায়।

আজ মার্কিন ডলারে শোনো তৃতীয় মহাযুদ্ধের বোল।

কিন্তু আমি জেলে যাবার পর
আগের চেয়ে ঢের উজ্জ্বল হয়েছে দিন।
আর অন্ধকারের কিনার থেকে
ফুটপাথে ভারী ভারী হাতের ভর দিয়ে
অর্ধেক উঠে দাঁড়িয়েছে মানুষ।

আমি জেলে যাবার পর
সূর্যকে গুণে গুণে দশ-বার প্রদক্ষিণ করেছে পৃথিবী
আর আমি বারংবার সেই একই কথা বলছি
জেলখানায় কাটানো দশটা বছরে
যা লিখেছি
সব তাদেরই জন্যে
যারা মাটির পিঁপড়ের মত
সমুদ্রের মাছের মত
আকাশের পাখির মত
অগণন,
যারা ভীরু, যারা বীর
যারা নিরক্ষর,
যারা শিক্ষিত
যারা শিশুর মত সরল
যারা ধবংস করে
যারা সৃষ্টি করে

কেবল তাদেরই জীবনকথা মুখর আমার গানে।

আর যা কিছু
-ধরো, আমার জেলের দশটা বছর-
ওসব তো কথার কথা ।

২০

মেসবাহ য়াযাদ's picture


সুমি কে ? সে কেনো হট Wink

২১

শওকত মাসুম's picture


আপনেই তো নিয়া গেলেন। কী করছেন?

২২

তানবীরা's picture


আমার বলার কিছু নাই, নাইগো Big smile Sad(

২৩

বিষাক্ত মানুষ's picture


হিকমতের কবিতা সেই রকম।

হট সুমি রে একাই খাইলেন !! দিক্কার !! Steve

২৪

শওকত মাসুম's picture


হট সুমিরে তো মেসবাহ ভাই নিয়া গেল Sad

২৫

নিকোলাস's picture


ভাই, এই কেক খাইলে কি পেট গরম হয়?
নাকি, নামেই হট! Smile

২৬

আহমাদ মোস্তফা কামাল's picture


১. এই আহ্বানে তো কবর থেইকা উইঠা আইসা কমেন্ট করার কথা! আসছে?? Stare

২. --------

৩. নাজিম হিকমত, জেলখানার কবিতা... ফেলে আসা তারুণ্য... আবৃত্তি... আন্দোলন - কতো কথা যে মনে পড়ে গেল...

৪. --------

২৭

সাঈদ's picture


কবিতাগুলান ভালা পাইলাম ।

২৮

নীড় সন্ধানী's picture


নাজিম হিকমতের ভক্ত হয়ে গেছিলাম ৮৯/৯০ সালের দিকে শিমুল মুস্তফার কন্ঠে জেলখানার চিঠি শুনে। আবারো অনেকদিন পর তার কবিতা পড়লাম। যথারীতি আপ্লুত।

২৯

শওকত মাসুম's picture


জেলখানার চিঠি শুনবেন কাজি সব্যসাচীর মুখে। শিমুলের টা তো অনুকরণ

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

শওকত মাসুম's picture

নিজের সম্পর্কে

লেখালেখি ছাড়া এই জীবনে আর কিছুই শিখি নাই।