ইউজার লগইন

মীর'এর ব্লগ

গল্প: শঙ্খচিলেরা যেভাবে বকাবকি করতো আমাদের

১.

বিকেলের মাঝামাঝি সময়ে লাল আর সবুজ রং দেখতে দেখতে মাথা খারাপ হয়ে যাবার মুহুর্তে একবার আকাশী নীল রং চোখে পড়েছিলো। বহুদিন পর প্রিয় রংয়ের শাড়ি চোখে পড়লো। আবারও সেই ছিপছিপে লম্বা মেয়েটি। উবায়েদ ভাইয়ের দোকানে যাকে দেখেছিলাম। আমি ভেবেছিলাম এবার ওর সাথে কয়েকটা কথা বলবো। অথচ ভিড় আমাদের দু'জনকে কাছাকাছি হতে দিলো না।

-নাম্ব সময়ের দিনলিপি, ১৭/১২/২০১৩ ইং

ছিপছিপে লম্বা সেই মেয়েটির সাথে পরে আমার আরও দেখা হয়েছিল। প্রথমে একবার দেখা হয়েছিল ২০১৬ সালের দিকে, কিন্তু অনলাইনে। ২০১৯-এ গিয়ে আমাদের দেখা হয় সামনাসামনি।

পুরোনো গল্প

বেশ কিছুদিন ধরেই লিখতে বসবো বসবো ভাবছি কিন্তু বসা আর হচ্ছে না। প্রচণ্ড গতিময় একটা জীবন কাটছে। যেখানে একটি কাজের কথা ভেবে সাথে সাথে করে না ফেলতে পারলে পরে আবারও কাজটা করার সুযোগ খুব সহজে পাওয়া যায় না। ভাবলাম আজকের বিকেলে একটু উদাস উদাস ভাব আসছে। বসা যাক তাহলে লেখাটা নিয়ে।

ইউরোপে করোনা মহামারীর কালোছায়া আস্তে আস্তে কাটতে শুরু করেছে। আজকাল মাঝে মাঝে সেই মার্চ-এপ্রিলের সময়টার কথা ভাবি। প্রতিদিন বাড়ছে সংক্রমণ, বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। মানুষের কা্ছে কার্যত কোনো সঠিক তথ্য নেই। সবাই অনুমানের ভিত্তিতে যে যেভাবে পার‍ছে বেচেঁ থাকার লড়াই কর‍ছে। সেই সময়টার তুলনায় এখন সবই অনেক অন্যরকম।

ইদানীং ছোট হয়ে এসেছে জীবনের গণ্ডিটা

আজকাল খুব সীমিত পরিসরে জীবন যাপন করছি। সবসময় চেষ্টা করছি যতো কম শ্রম ও সময়ে একটা কাজ সম্পন্ন করা যায়। জীবনের এমন একটা পরিসর যখন শুধুই বেঁচে থাকাটা দরকারি হয়ে দাঁড়ায়, আর কিছু না। চুপচাপ মটকা মেরে পড়ে থাকা, যাতে করে নিজের এবং আর সবার বাঁচার পথে সাহায্য করা। এমনকি ঘুমের পরিমাণও এখন বেড়ে গেছে আগের চেয়ে অন্তত ৪৯ ভাগ। আর গান শোনা হচ্ছে প্রচুর।

কোনো অভিযোগ করছি না মোটেও। খুব ভাল আছি বলতে গেলে। অনেকটা ভাল কপাল থাকলে এই প্রখর সময়ে আঁকড়ে ধরার মতো একটা জায়গা মেলে। সেটাকে মনে-প্রাণে আকড়ে ধরে বসে আছি। শুধু এই সময়টার পার হয়ে যাওয়ার আশায়। তারপরও হয়তো সবকিছু আগের মতোই রয়ে যাবে। শুধু এই সময়টা পার করতে পারার অভিজ্ঞতা মনের ভেতর একটা চিরস্থায়ী ছাপ রেখে যাবে। সেই ছাপ নির্ধারণ করবে অনেককিছুর পথপরিক্রমা। কোনো একটা কাজ আমরা ছয় মাস আগে যেভাবে করতাম, সেভাবে আর কখনও করবো না।

প্রিয় জিল্লুর স্যার আর জাকারিয়া স্যারের জন্য ভালবাসা

বগুড়া পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের নাম শুনে প্রথমে যতোটা মুষড়ে পড়েছিলাম, ভর্তি পরীক্ষা দিতে গিয়ে ওই স্কুলে আমার প্রথম বন্ধু ধ্রুব-র সাথে পরিচিত হয়ে আবার ততোটাই উৎফুল্লতা ঘিরে ধরেছিল আমায়। চট্টগ্রামের মতো বড় আর সুন্দর শহর ছেড়ে, ক্লাস ওয়ান থেকে সেভেন পর্যন্ত যে স্কুলে পড়েছি সেটিকে এবং সেখানকার সব বন্ধু-বান্ধবদেরকে পেছনে ফেলে বাবার বদলীর সুবাদে বগুড়া চলে যেতে হবে, সেটাই ছিল যথেষ্ট হৃদয়বিদারক। সাথে যখন যোগ হলো জিলা স্কুল নয়, ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক নয়, এমনকি ব্যাটেলিয়ন স্কুলও নয়- শেষমেষ গিয়ে ঠাঁই মিললো কিনা পুলিশ লাইনে- তখন আমার আসলেই কাঁদো কাঁদো অবস্থা।

সাগরের হাতছানি অ্যাড্রিয়াটিকে

সাগর পাড়ে বসে রোদ পোহানো আমার প্রিয় একটি কাজ। সৈকতের মধ্যে নিরিবিলি একটা জায়গা খুঁজে বের করে, সাগরের ঢেউয়ের সুরে মস্তিষ্কের চিন্তারাজির তালটি মিলিয়ে একবার চোখ মুদে বসে পড়তে পারলেই হলো। ভাল হয় হালকা pH সম্পন্ন কোনো সানব্লক মেখে নিয়ে বসলে। পৃথিবীর সর্বত্রই সূর্যের আলোর অতিবেগুনী রশ্মি সমানমাত্রায় ক্ষতিকর। শুধু মেলানিনের পরিমাণের ভিন্নতার কারণে কারোটা বোঝা যায়, কারোটা বোঝা যায় না।

প্রিয় হলেও সাগর পাড়ে বসে রোদ পোহানোর সুযোগ যে জীবনে অসংখ্যবার পেয়েছি, তা কিন্তু নয়। হাতে গোণা কয়েকবার কক্সবাজার যাওয়া (যার একাধিকই ছিল অন্য কাজে গিয়ে সময় করে একটু সাগরের পাড় থেকে ঢু দিয়ে আসা) বাদ দিলে আর বলার মতো প্রায় কিছুই থাকে না। ২০১৭ সালের ক্রিসমাসের ছুটিতে গিয়েছিলাম ইতালির সাগরপাড়ের ছোট্ট শহর ট্রিয়াস্টে-তে। সেটার কথা বলা যেতে পারে।

অবসরে কি করতে ভাল লাগে?

১.

ছোটবেলায় স্কুলে এই প্রশ্নটা শুনতে হতো অনেক। আমি প্রায়ই একটা গতবাঁধা উত্তর দিতাম প্রশ্নটার, অবসর সময়ে আমার ঘুরতে ভাল লাগে।

আদৌই কি সেই প্রাইমারি স্কুলের বেলায় 'অবসর' কি তা বোঝার অবসর ছিল? মনে হয় না। তাই প্রশ্নটার উত্তর আগ-পাশ না ভেবে দিয়ে দেয়ার মধ‌্যেও কোনো দ্বিধা ছিল না।

এখন যদি আমায় কেউ জিজ্ঞেস করে, অবসর সময়ে কি করতে ভাল লাগে- তাহলে ভাবনায় পড়ে যাই। কারণ এখন আমি কোনটা অবসর আর আর কোনটা না, কোন অবসরটা কেমন, বড় না ছোট, ডিলাক্স না চিপ- সবই বুঝি। ছোটবেলার সেই কিছু-বোঝার-প্রয়োজন-না-থাকা সময়টা পেরিয়ে গেছে।

তাই প্রশ্নটার উত্তর দেয়া এখন আর আগের মতো সহজ না। অবসরের নানান রকম আছে। এই যেমন নিত্যদিনের কাজের অবসর হচ্ছে একরকম, আবার বছরের এক মাস অফিস ছুটি হচ্ছে আরেক রকম।

সাধাসিধে ছেলেদের কষ্টের কথা

শরতের মাঝামাঝি সময়ে আশুলিয়া ব্রীজের ঢালের পাড়ে- নদীতে পড়ন্ত সূর্য্যের ছায়াটা দেখতে যেমন সাধাসিধা, ঠিক তেমনি সাধাসিধা একটা ছেলে একবার বসবফরাসের গাঢ় নীল জলের ঢেউগুলোর গায়ে ঠিকরে পড়া গ্রীষ্মের রুপালি রোদের ঝিকিমিকি'র মতো চোখ ধাঁধাঁনো একটা মেয়ের প্রেমে পড়ে- হাটু-গোড়ালি ভেঙ্গে এবং কনুই-কপাল ছিলে কোনমতে প্রাণ নিয়ে পালিয়ে বাঁচতে পেরেছিল। তাকে অপরাধীর মতো কেঁদে কেঁদে ফিরতে হয়েছিল নিজের আঠেরো বর্গমিটারের ছোট্ট খুপড়িটাতে।

নাটিকা: বাউল রাজার আগমনী

দৃশ্য ১: (রাজপ্রাসাদে রাজার নিজের কক্ষ। রাজা সকালে ঘুম থেকে উঠে বারান্দায় সেবায়েতের সাথে বসে কফি পান করছেন। তার পরনে শেরওয়ানী তবে পাগড়ি নেই। এখনও প্রাত:কর্ম সম্পাদন হয় নি।)

সেবায়েত:
জাঁহাপনা, বলুন আপনার মনের অভিপ্রায়। ব্যক্ত করুন আপনার মন কি চায়।

রাজা:
আমার মনে লক্ষ অভিপ্রায় প্রতিমূহুর্তে আলোকচ্ছটার মতো ঝলকাচ্ছে আর খসা তারার মতো হারিয়ে যাচ্ছে। এই যে এইমাত্রই একটি তারা খসে পড়লো আলেক শহরের ভাবনাটা নিয়ে। আলেক শহর এক কাল্পনিক শহর, যেটাকে আমরা মনের ভেতর সাজাই। সেখানে সৃষ্টিকর্তা তার সাঙ্গপাঙ্গদের সাথে থাকেন। সেই শহরের দেখা পাওয়ার একমাত্র উপায় ভাবের সাধনায় মন দেয়া। কই সেই ভাবনাটা তো বেশি দূর এগুলো না, পড়ে গেল মাঝপথে। এমন লক্ষ ভাবনা এবং সেগুলোকে অনুসন্ধানের অভিপ্রায় প্রতি মূহুর্তে মনে উঁকি দিয়ে যাচ্ছে সেবায়েত। কোনটা ছেড়ে কোনটার কথা তোমাকে বলবো?

প্যালাইডেসের গল্পটা

পৃথিবীর প্রতিটি ঘটনাকে যথাযথভাবে উপস্থাপনের মাধ্যমে গল্পে রূপ দেয়া যায়। আমার প্রিয় বন্ধু প্যালাইডেস আর ভেগার গল্পটা বহুদিন ধরেই লিখবো বলে ভাবছি। ওরা দু'জনই গ্রীসের কর্ফু দ্বীপের মানুষ। তবে ছেলেবেলায় ওদের কারো সাথে কারো কোথাও দেখা হয় নি। প্রায় অর্ধেক জীবন পাড়ি দিয়ে দু'জনের হয়েছিল ফ্রান্সে। যখন ওরা দু'জন জীবিকার সন্ধানে পাড়ি দিয়েছিল পরবাসে।

কখনো বিশ্বাস না হারানোর কারণে

লেখালেখি কমতে কমতে প্রায় শূন্যের পর্যায়ে নেমে এসেছে। গত ডিসেম্বরের পর এই অগাস্ট পর্যন্ত কিছুই লিখিনি। চেষ্টাও করি নি সেভাবে। গত বছর গণপিটুনি খাওয়ার অভিজ্ঞতা লেখার পর আমাকে অনেকে "সবকিছু" না লেখার পরামর্শ দিয়েছে। সেটা একটা কারণ। লেখার ইচ্ছে আগের মতো জাগে না- সেটাও একটা কারণ। সবমিলিয়েই হয়নি আরকি। আজকাল গল্প বলার কত নতুন নতুন মাধ্যম হয়েছে!

পিপীলিকার পাখা নাকি মরিবার তরে গজায়

পিপীলিকার পাখা নাকি মরিবার তরে গজায়। কথাটা সত্য-মিথ্যা যাই হোক, বঙ্গবাসী হতভাগাদের কথা ভাবলে সঠিক মনে না করার কোনো কারণ নেই। পিপীলিকার মতো ক্ষুদ্র যে দেশের প্রায় সবকিছু, তারা ১০ তলা দালান করে করে ভরে ফেলছে একেকটা শহর। কোনো প্রকার নিয়মনীতির তোয়াক্কা নেই, জানের প্রতি মায়া নেই, পরিকল্পনার ছিটেফোঁটা নেই, হুদাই তারা শুধু পাখা ঝাপটায়! আসলেই বঙ্গবাসী হতভাগারা অতি কিউট! তাদের জন্য এত্তগুলা লাইক। তবে তাদেরকে দুরে সরিয়ে রাখাটাই বুদ্ধিমানের কাজ। নাহলে তাদের আত্মবিধ্বংসী প্রবণতা কৃষ্ণগহ্বর হয়ে গ্রহীতাকে আজ-না-হোক-কাল গ্রাস করবেই। আগুনের লেলিহান শিখা ভাবাবে মানুষ হয়ে জন্ম নেয়ার পরও কতোটা নীচ, স্বার্থপর, লোভী, স্বেচ্ছান্ধ, আত্মকেন্দ্রিক, মাতৃকামী, জন্মদাতাদংশক শুকরের জীবন বঙ্গবাসী ভালবেসে আপন করে নিয়েছিল। আহারে কিউটের ডিব্বা জাতি একটা!

জীবনের যে সৌন্দর্য দেখার জন্য সৎ-সাহস অপরিহার্য

আমাদের একজনের চলে যাওয়ার খবর পেলাম আজ। কিভাবে তিনি চিরতরে হারিয়ে গেলেন সেটা এ লেখায় বসার পূর্ব পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া যায় নি। শুধু এটুকুই জানা গেছে তিনি আর নেই। আর কোনোদিন তার হাত দিয়ে নতুন কোনো লেখা বের হবে না। নিভে গেছে একজন মায়ের স্বপ্নের বাতি, যার নাম ছিল অর্পিতা রায়চৌধুরী।

আমার আজকের লেখাটা প্রবাস জীবনের ছোটখাটো টুকিটাকি নিয়ে। চার বছরের বেশি সময় প্রবাসে থেকেও এ পর্যন্ত কোনো ভবিষ্যত নিশ্চিত করতে পারি নি। যে কারণে আমি খানিকটা ডিপ্রেসড্। এখনও ভবিষ্যত নিশ্চিত করতে না পারার কারণ উদ্ঘাটনের প্রচেষ্টা থাকবে এই লেখায়। যদিও একটা লেখার ভেতর এমন বড় পরিসরের বিষয়বস্তু পরিস্কারভাবে তুলে ধরা সম্ভব না। তাই চেষ্টাটা থাকবে মূলত কোন কোন ক্ষেত্রে আমি উন্নতি করার চেষ্টা করছি এবং কিভাবে সেটা আমাকে লক্ষ্যের কাছাকাছি নিয়ে যেতে পারে সেদিকে এই লেখার গতিপথটা ধরে রাখার।

আমার আপন আঁধার: গণধোলাই খাওয়ার অভিজ্ঞতাগুলো

(প্রথমেই বলে নিচ্ছি, লেখায় বর্ণিত প্রতিটি ঘটনা সত্য। আমাকে যারা ব্যক্তিগতভাবে চেনেন, তাদের জন্য হয়তো ঘটনাগুলো বিশ্বাস করা কষ্টকর হবে না, কিন্তু যারা ব্যাক্তিগতভাবে চেনেন না, তাদের খানিকটা সমস্যা হতে পারে। তাই প্রথমেই পরিস্থিতি সম্পর্কে একটা আভাস দেয়ার চেষ্টা করলাম। হ্যাপি রিডিং!)

শেষ দু'বছরের সবচে' ভাললাগা গান এবং তৎসম্পর্কীয় গল্পগুলো

যে গানগুলোতে গত দুই বছরে 'ক্রাশ' খেয়েছি সেগুলোর সময়ভিত্তিক একটা তালিকা আছে আমার কাছে। আজকের লেখার বিষয়বস্তু মূলত সেটাই। লিখে রাখার কারণ হচ্ছে, তাহলে আমি কখনোই ভুলবো না গানগুলোকে কখন এবং কি কারণে ভাল লেগেছিল। তালিকার প্রত্যেকটা গানই সহস্রাধিকবার শোনা হয়েছে। আমার পরিবারের সদস্যরা জানে যে যখন আমি একটা গানের ওপর ভর করি তখন সেটা একটানা শুনতে শুনতে কান-মাথা-নিউরণ সব ঝালাপালা করে না ফেলা পর্যন্ত ছাড়তে পারি না। একই গান এক নাগাড়ে ঘন্টা, দিন, সপ্তাহ এমনকি মাসাধিককাল সময় পর্যন্তও শোনা হয়েছে আমার। যাহোক দেশে থাকতে যখন এসব করতাম, তখন কোন গানটা কবে এবং কি কারণে মাথায় ঢুকেছিল বিশেষ মনে নেই। দেশের বাইরে আসার পরই আমি মূলত জীবনের ছোট ছোট বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিতে শিখেছি। সেজন্য আমি নিজেকে একটা ছোট্ট ধন্যবাদও দিতে চাই। দরকার ছিল শিক্ষাটা।

হুকড্ অন এ ফিলিং - ব্লু সোয়েড

অবশেষে পছন্দের কাজটি খুঁজে পাওয়ার খবর

কালকেই আমার এক সহকর্মী জানতে চাইছিল আমি কি একটি ভারতীয় বান্ধবী খুঁজে পেতে চাই কি না। সহকর্মীর ভুল ভাঙাতে প্রথমে বললাম, আমি ভারতীয় নই। বাংলাদেশি। যদিও আমি খুব চেষ্টা করছিলাম, আমাকে ভারতীয় হিসেবে ধরে নেয়ার জন্য সহকর্মীটিকে যেন আমার মন অপছন্দ করা শুরু না করে, কিন্তু চেষ্টায় সফল হতে পারি নি।