ইউজার লগইন

মীর'এর ব্লগ

আমাদের সামান্য জীবনে আছেই বা কি হারানোর?

আপনাকে 'তুমি' বলে ডাকতে পারি আমার লেখায়? সামনাসামনি অনেক চেষ্টা করেছি কিন্তু পারি নি। সম্ভবত আমার অনুভূতিগুলো যেখানে গিয়ে ফিরে আসে, সেখানটার পর থেকে ওৎ পেঁতে বসে থাকে অনিশ্চয়তার চিন্তাগুলো। যেগুলোকে আমি চাইলেও উপেক্ষা করতে পারি না। তাই কখনও আপনাকে আমি তুমি সম্বোধন করতে পারি নি। কখনও পারবো কি না, তাও জানি না।

তবে আমার অনুভূতিগুলো যে খুব দুর্বল- এমনও কিন্তু না। আমি এই ৩৩ বছর বয়সে এসেও মস্তিষ্কের প্রতিটি রন্ধ্রের অনুরণন আলাদা করে চিহ্নিত করতে পারি। প্রতিটি অনুভূতিকে অনুভব করতে পারি, বলতে চাইছি আর কি। অনেক সময় আমরা সময়ের স্বল্পতায় প্রত্যেকটা অনুভূতিকে গ্রহণ করতে পারি না। আপনার ক্ষেত্রে আমার কখনও তা হয় না।

সামাজিক ব্যাধির সূচকগুলোর একটি

আজকে একটা খবর পড়লাম। আমার কাছে যে ধরনের সংবাদগুলো সামাজিক ব্যাধির সূচক হিসেবে ধরা দেয়। ধর্ম, বর্ণ, গায়ের রং ইত্যাদির যে সংস্কৃতিগুলো বিশ্বজুড়ে মানবমনের গহীনে ব্যাধির মতোন পোঁতা আছে, তেমনি আরেকটা ব্যাধি। তবে আজকের খবরটা বাংলাদেশের একটা পত্রিকারই। মিস্ বাংলাদেশ নিয়ে ওঠা আরেকটি বিয়ের তথ্য গোপন করার সংবাদ।

ভয় দেখালে কামড়ে দেবো

গুরুর একটা জনপ্রিয় গান দিয়ে শুরু হয়েছিল আগের লেখাটা। এবারও মনে পড়ছে একটা গানের কথা।

লিখতে পারি না কোনো গান আজ তুমি ছাড়া...

এই গানটা কি প্রথম ইত্যাদি অনুষ্ঠান থেকে একই সাথে দেখেছিলাম আর শুনেছিলাম আমি? খুব সম্ভবত। তখন আমি বগুড়ার সুত্রাপুরের দোতলা বাসাটায় থাকি। সময়কাল বয়স যখন ১৩ থেকে ১৭। বয়ঃসন্ধির মধ্যকালটা। সেই সময় কোনোকিছু মাথায় কিংবা মনের ভেতর একটা কিছু ঢুকলে সেটাকে আর বের করা সম্ভব হতো না। গানটা একবার শুনেই মাথায় ঢুকে গেল। এবারে একদম অরিজিনাল ভার্সন। অন্য কারো গলায় গাওয়া না। গানটা যতোবার শুনতাম ততোবার একইরকম গভীর একটা হাহাকার বুকে অনুভব করতাম। অনুভূতি ক্ষমতার প্র্যাকটিস্ যেন!

জীবনযুদ্ধ, বাংলা ব্যাকরণ ও ভালবাসার ছোট্ট মানুষটা

আমি তারায় তারায় রটিয়ে দেবো তুমি আমার

জেমস্ গুরু সবসময় ছিলেন সাথে। বেড়ে ওঠার দিনগুলোতে। আমি এখনও অনেক সময় গুরুর পুরোনো গানগুলো ঘুরিয়ে ফিরিয়ে শুনি। জানি না কথাটা ঠিকভাবে বলা হলো কিনা। বাক্যের গঠন সংক্রান্ত ব্যাকরণ কখনোই ভালভাবে পড়া থাকতো না। এখন আর ওসব নিয়ে ভাবি না। বরং বাংলা ব্যাকরণ ক্লাসগুলো যেসব টিচাররা নিতেন তাদের কথা মাঝে মাঝে ভাবি।

ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়ে একটা ট্রল দেখলাম সেদিন। ট্রাম্প কোনো এক ক্লাসে পর পর দুইবার ফেইল করেছে। সেই ক্লাসের টিচার তাকে বলছে, এই নিয়ে দু'বার একই ঘটনা ঘটলো ট্রাম্প। শুনে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলছে, এর মানে হচ্ছে এই নিয়ে দু'বার তুমি আমাকে শেখাতে ব্যার্থ হলে টিচার।

এবার সুস্থ হয়ে উঠুক বাংলাদেশ

সড়ক দুর্ঘটনা রোধে অবশেষে একটা বড় আওয়াজ উঠেছে রাজধানীতে। ধীরে ধীরে সেটা ছড়িয়ে পড়ছে দেশের অন্যান্য বড় শহরগুলোতেও। আওয়াজটা উঠেছে স্কুল-কলেজগামী কিশোর-কিশোরীদের মাঝ থেকে। ছড়িয়ে পড়ছে সচেতন প্রাপ্তঃবয়স্কদের ভেতরেও। মোটাদাগে এটা একটা ভাল ব্যপার ঘটছে বলা যায়। সচেতনতা সবসময়ই জরুরি। তবে পাশাপাশি কিছু বিষয়ভিত্তিক পয়েন্ট আবাল-বৃদ্ধ-বণিতা সবার চিন্তায় থাকাও জরুরি। কি সেই পয়েন্টগুলো? আসুন দেখে নিই ঝটপট, তাড়াতাড়ি।

২০১৩ সালে যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে গড়ে ওঠা আন্দোলনের মূল দাবিগুলোর অনেকাংশে পূরণ হয়েছিল। ফাঁসি হয়েছিল যার আঙুল দেখানোকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে সেই গণজাগরণ। এবার আমরা তার চেয়েও ভাল ফলাফল দেখতে চাই। গণজাগরণ মঞ্চ দিয়ে যেসব সংকটের আগল খোলা যায় নি, সেসব সংকটকে আলোকবর্তিকার নিচে নিয়ে আসতে চাই ।

গল্প: অক্ষিপ্রশান্তিদায়ক দৃশ্যকল্প

১.

দিনটা শুরু হয়েছিল প্রখর সূর্যতাপে পোড়ার মধ্য দিয়ে। গরমের সময় বিষয়টা বিরল নয় যদিও। মাঝে মাঝে তাপমাত্রার পারদ চড়তে চড়তে প্রায় চল্লিশ ডিগ্রি সেলসিয়াসও যে ছোঁয় না- তা না। ছোঁয়। আর না হলেও অন্তত ৩৮ তো হয়-ই।

সেদিনের সকালটাতেও তেমনি ছিল তাপমাত্রা। কিছুক্ষণ এক জায়গায় বসে থাকলেই চামড়ায় হুল ফোঁটার মতো অনুভূতি। যেন ম্যাগনিফাইং গ্লাস ধরে পুড়িয়ে দিচ্ছে শরীরের চামড়া কেউ একজন। আমাকে সেদিন এক জায়গায় বসেই কাজ করতে হচ্ছিল। পেরেক ঠুকে জোড়া লাগাতে হচ্ছিল বড় বড় কাঠের তৈরি পাটাতন। খোলা পিঠে টের পাচ্ছিলাম সূর্যরশ্মির তপ্ত ছোঁয়া। দিনটা শুরু হয়েছিল তখনই।

গল্প: কেন প্রতিটি দিনই একটি নতুন সম্ভাবনা

১.
রামপুরা ব্রীজ, মুগদা, মান্ডা, নর্দ্দা, নতুন বাজার, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, কুড়িল বিশ্বরোড, প্রগতি স্মরণী দিয়ে বের হয়ে এমইএস-এর সামনে হওয়া নতুন ফ্লাইওভারটার ওপর দিয়ে সেদিন মোটরসাইকেলে ঘুরছিলাম। জেসমিন আর আমি। ওকে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখাচ্ছিলাম আমার বেড়ে ওঠার পর্যায়ে যে শহরটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল তার ঠাক-ঠমক এবং জারি-জুরি। যদিও ঢাকা শহরের জারি-জুরি বলতে রাস্তাঘাট ঠান্ডা থাকলে ফ্লাইওভারগুলো, রাতে হাতিরঝিলে বসানো কৃত্রিম আলোর পসরা, আর নিকুঞ্জ থেকে এয়ারপোর্ট পর্যন্ত ফাঁকা রাস্তাটাই আছে। আর মাটিকাটা এলাকায় করা নতুন রাস্তাগুলো। যার পেছনে সেনানিবাস।

কোনোকিছুর কি সূচনা হবে? কোথাও থেকে..

একরামুল হত্যাকাণ্ডের অডিও টেপটি নিয়ে মানুষের উপলব্ধি এবং তার স্বতঃস্ফূর্ত বিস্ফোরণ দেখে মনে হয়েছে আমরা আসলে হেরে যাওয়ার জাত নই। সবসময়ই আমরা একটু পিছিয়ে শুরু করে আসছি। এমনকি বিংশ শতকের শুরুতে যখন প্রতিবেশি ভারত নিজেদের সার্বভৌমত্ব নিয়ে ভাবতে শুরু করেছিল, তখন আমরা ছাগলের তৃতীয় সন্তানের মতো লাফিয়েছি নিজেদের কথা না ভেবে। নিজেদের নিয়ে চিন্তিত হতে হতে- প্রায় শতাব্দীর দ্বিতীয় অর্ধের মাঝামাঝি সময় পেরিয়ে গিয়েছে। তারপরও একসময় চিন্তিত হতে পেরেছিলাম বলে স্বাধীনতাটুকু অর্জিত হয়েছিল। সমুদ্রসম রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা দিয়ে কি করা যেতে পারে সেটা ভেবে বের করতে করতে ইতোমধ্যে প্রায় অর্ধশতাব্দী বিগত হতে চলেছে। এমন সময়েও আমরা বারংবার একই ভুল করি, বৃত্তবন্দী বিস্ফোরণেরা আলোড়ন তোলে, কিন্তু তারপর একসময় ঠিকই সবকিছু ভুলে যাই।

অর্ধ-যোগাযোগের কুফল: একটি কেস-স্টাডি

কমিউনিকেশনের ছাত্র হিসেবে আমি প্রায়ই একটা জিনিসের মুখোমুখি হই, যেটা হচ্ছে অর্ধেক যোগাযোগ। ধরুন কেউ কিছু একটা বলা শুরু করলো কিন্তু মাঝপথে যেকোন কারণে আগ্রহ হারিয়ে জাস্ট হাত নেড়ে 'বাদ দাও' বলে শেষ করে দিলো। মনোবিজ্ঞানীদের মতে এটা অত্যন্ত ক্ষতিকর। যার সাথে আপনি অর্ধেক যোগাযোগ করে মাঝপথে ক্ষ্যান্ত দিলে তার মনের গভীরে কিন্তু আপনার সম্পর্কে ওই ধারণাটাই রয়ে গেল। তার মন পরে আর চাইলেও আপনার প্রতি পূর্ণ মনোযোগ দিতে পারবে না। যা দিতে পারবে তা হচ্ছে- অর্ধ মনোযোগ।

জীব থেকে জড়, জড় থেকে বিলুপ্তি, বিলুপ্তি থেকে নক্ষত্রকণা

ছোট ছোট অনেক সুখের কথাই আমি মনে রাখতে পারি না। অথচ দুঃখগুলো ঠিকই মনের কোথায় যেন ঘাপটি মেরে থেকে যায়। সবচেয়ে অপ্রয়োজনীয় সময়গুলোতে ফিরে এসে মনে করিয়ে দিয়ে যায়- হু হু বাবা আমরা কিন্তু আছি। কোনোকিছুতেই যেন খুশি খুশি না মনে হয়।

ব্ল্যাক সী বা কৃষ্ণসাগর আর মারমারা সাগরকে যে প্রণালীটি সংযুক্ত করেছে তার নাম বোধ করি আমরা সবাই জানি। বসফরাস প্রণালী। এ প্রণালীটির নাম স্থানীয় ভাষায় সোনালী শিং। ওখানে গিয়ে রানী হেরাডিটাস গাভীর রূপ ধারণ করে নিজের সম্ভ্রম রক্ষা করেছিলেন জিউসের কাছ থেকে। সেই গাভীর শিং ছিল সোনালী বর্ণের।

গল্প: ফ্রাউ ভের্নার আর ফর্কলিফটের সাথে জড়িয়ে থাকা স্মৃতিটা

১.
ইয়াকুলিন ভের্নার ছিল তার নাম। জার্মানিতে স্বল্প পরিচিত কিংবা অফিসের কলিগ পর্যায়ের পরিচিতি পর্যন্ত মেয়েদেরকে মিস্ বলে সম্বোধন করার নিয়ম। আর মিস্ শব্দের জার্মান প্রতিশব্দ হচ্ছে ফ্রাউ। আমি তাকে ফ্রাউ ভের্নার বলে ডাকতাম। যে সময়টার কথা বলছি তখন আমি একটা ছোট্ট দোকানে পার্ট-টাইম করতাম। সব ধরনের টুকটাক কাজ। দোকানের মেঝে পরিস্কার রাখা থেকে শুরু করে বিভিন্ন তাকে জিনিসপত্র তুলে-সাজিয়ে রাখা, খেয়াল রাখা কোথাও কমতি পড়লো কিনা, খদ্দেরদের যেকোন প্রশ্নের জবাব দেয়া- মোট কথা একটা ছোটখাটো সুপার শপে যতো রকম কাজ থাকতে পারে, তার প্রায় সবই করতাম। আমাদের কর্মীবাহিনীটাও খুব বেশি বড় ছিল না। সবাইকেই ঘুরে ঘুরে সবার কাজ করতে হতো। সেখানেই আমার প্রথম ফ্রাউ ভের্নারের সাথে পরিচয়।

কেননা আমি বেঁচে থাকি শেখার মাধ্যমে

I'm sorry, Momma, I never meant to hurt you
I never meant to make you cry
But tonight I'm cleaning out my closet.

Song: Cleaning out my closet
Artist: Eminem

শীত আর বসন্ত পেরিয়ে গ্রীষ্ম প্রায় চলেই এলো। আমার সুষম জীবনে আরও একটি একাকী গ্রীষ্ম। এক সময় বছরের পর বছর একাকীত্বের জন্য হাহাকার করেছি। আমার কথায়, লেখায়, চিন্তায় সে সময় বারবার ঘুরে ফিরে এসেছে নায়ক আর নায়িকার বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার দৃশ্য আর তারপর এক একলা জীবনের গল্প। সে সময় আমি একা ছিলাম না একেবারেই। অথচ এখন যখন একলা জীবন কাটাই তখন মাথায় যেসব চিন্তা ঘোরে তার বেশিরভাগই একটা ছেলে আর একটা মেয়ের এক হয়ে যাওয়ার গল্প।

অসমাপ্ত বাস্তবতা... ১৩

আজকের লেখাটা যে ডার্ক টাইপের হবে খুব বুঝতে পারছি প্রথম থেকেই। তাই ভাবছি লেখাটা কি চালিয়ে যাবো নাকি বন্ধ করে দেবো। ভাবছি এবং লিখছি সমানতালে। আজকাল আমার প্রিয় প্রশ্ন হচ্ছে, কেন মানুষের জীবন এত যন্ত্রণাদায়ক? এই প্রশ্নটা কেউ আমাকে করতে পারলো মানে সে অনেকদূর পর্যন্ত আমার কাছে চলে আসতে পারলো। সাধারণত যেসব প্রশ্ন আমরা একে অপরের সাথে দেখা হলে করি, যেমন কি খবর বা কেমন আছেন বা দেখেছেন খালেদা জিয়া নাকি বলেছে বড় বড় আইনজীবীরা কি করে? এটা একটা নেত্রীর মতো কথা!- ইত্যাদি যাবতীয় প্রশ্ন আমাকে শুধু প্রশ্নকর্তার কাছ থেকে দূরে সরিয়ে নিয়ে যায়। মহীনের ঘোড়াগুলির মতো তুমি আর আমি যাই ক্রমে সরে দূরে।

অসমাপ্ত বাস্তবতা... ১২

স্ন্যাপচ্যাট নামের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মটার খুব একটা ভক্ত ছিলাম না দুই-চার দিন আগ পর্যন্তও। হোয়াটস্অ্যাপ আর ইন্সটাগ্রাম এখনও যোগাযোগের মূল মাধ্যম। ফেসবুক মেসেঞ্জারের মতো ভারী নয় ওগুলো। তবে ইদানীং ভক্তি বাড়ছে স্ন্যাপচ্যাটের ওপর। ওটা এত কুল!

অনেকগুলো মজার মজার ফিচার আছে যেটা দেখলেই ভাল লাগে। যেমন যখন কেউ মেসেজ লিখে স্ন্যাপচ্যাটে তখন যার কাছে লিখছে সে একটা নোটিফিকেশন পায়। ফিচারটা গত দুইদিন যাবত আমার প্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া ফিচারের তালিকার টপে ট্রেন্ড করছে। আর স্ন্যাপচ্যাটের অ্যাভাটার বানানোর সিস্টেমটাও দারুণ। একবার অ্যাভাটার বানিয়ে ফেললে স্ন্যাপ সেটাকে অ্যনিমেটেড করে বন্ধুদের অ্যাভাটারের সাথে বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত ধরনের অনেকগুলো ইমোটিকন বানিয়ে দেয়। ইমোটিকনগুলো শুধু নিজেদের মধ্যে ব্যবহারের জন্য।

অসমাপ্ত বাস্তবতা... ১১

জার্মান গায়িকা লিয়া'র (Lea) একটা গান আছে নাম লাইজার (Leiser)। গানের প্রথমদিকের কয়েকটা কথা মারাত্মক, যেমন-
তুমি নিজের সম্পর্কে বলেই যাচ্ছো যখন আমি তোমাকে জড়িয়ে ধরে বসে আছি তখনও। তোমার নিউ ইয়র্কের পার্টি কিংবা প্যারিসের শুটিংয়ের গল্প শেষ হচ্ছে না। আমিও কেমন যেন তোমার কথায় হারিয়ে গিয়েছি।

প্রথমবার গানটা যখন শুনছিলাম, মনে হচ্ছিল খুব বোধহয় একটা প্রেমের গান। ভুল ভাঙতে বেশি সময় লাগে নি। পরের প্যারাগুলো থেকেই মনে হচ্ছিল কোথায় যেন একটা ব্যপার আছে, কিন্তু পুরোপুরি ধরতে পারছিলাম না। যাহোক লিরিকটা একটু গুগল দিয়ে অনুবাদ করিয়ে নিতেই বের হলো, কেন অমন মনে হচ্ছিল। কারণ পরের প্যারাতেই গায়িকা গাইছে-
কিন্তু আমার সব বন্ধুরা আমায় বলে আমি আগের চেয়ে অনেক চুপচাপ হয়ে গিয়েছি। আসলেই কি আমি ভাল আছি? তুমি তো আমার সেই কথাগুলোই শুধু শোনো, যেগুলো তোমার ভাল লাগে।