ইউজার লগইন

লা লা ল্যান্ড

১.
আজকের লেখাটাকে মোটা দাগে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। প্রথমে একটা গল্প লেখার আইডিয়া, যেটা জড়িত ২০১৭ সালের অ্যাকাডেমী অ্যাওয়ার্ড আসর মাতানো সিনেমা লা লা ল্যান্ড-এর গল্প বলার স্টাইলের সাথে। স্টাইলটা নতুন না। পুরোনো একাধিক স্টাইলের আধুনিক, যথাযথ ও পরিমিত প্রয়োগ বলা যায়। এ ধরনের সমন্বয় পুরোনো স্টাইলগুলোকেই নানাভাবে নতুনত্ব দেয়।

তারপরে একজন বন্ধুর কথা। যার সাথে পরিচয়ের সূত্রে জীবনের অনেক বিষয়ই ভিন্ন দৃষ্টিতে দেখতে শিখেছি।

২.
লা লা ল্যান্ড সিনেমায় প্রথমে নায়িকা মিয়ার দৃষ্টিতে একটা গল্প বলা হয়। মিয়া নামটা আমার বেশ পছন্দ। জার্মানরা মীর শব্দটাকে অনেক সময় টেনে মিয়া পর্যন্ত নিয়ে যায়। অবশ্য বাংলাদেশে মিঞা তো বংশপদবী হিসেবে আছেই। আবার আমি প্রথম যে জার্মান মানুষটির সাথে পরিচিত হয়েছিলাম ফ্রাঙ্কফুর্টের নেমে, তার নামও ছিল মিয়া।

মিয়ার পর সিনেমার নায়ক সেবাস্টিয়ানের দৃষ্টিতে একই গল্প আবার বলা হয় লা লা ল্যান্ডে। তারপর দুইজনের গল্পকে একটা জায়গায় নিয়ে এককভাবে কিছুদূরে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর আবার গল্পগুলো তাদের ভিন্ন পথে চলে যায়।

আমার মনে হয়, ড্যামিয়েন শ্যাজেল একজন কালজয়ী নির্মাতা। মাত্র ত্রিশ প্লাস দুই-এক বছর বয়সের একজন নির্মাতার পক্ষে লা লা ল্যান্ডের মতো মুভি বানানো, বিরাট ব্যাপার। ভবিষ্যতে এই নির্মাতার কাছ থেকে আরও যে কিছু মাস্টারপিস পাওয়া যাবে এ ব্যাপারে আমি আশাবাদী। প্রসঙ্গত ড্যামিয়েন শ্যাজেলের আরেকটা সিনেমা হুইপল্যাশ্-ও ২০১৫ সালের অস্কারে তিনটি পুরস্কার জয় করেছিল।

যাক আমাদের কনসেপ্টটা হলো, লা লা ল্যান্ডের গল্প বলার স্টাইলের ভিন্ন অ্যাডোপশন। আমাদের মানে আমার আর জেমস্-এর। যে বন্ধুর কথা প্রথমে বলা হয়েছে। আমরা দুইজন মানুষের দৃষ্টিকোণ থেকে গল্পটা বলবো না, বরং একই মানুষের ভিন্ন ভিন্ন চিন্তা দ্বারা প্রভাবিত ভিন্ন ভিন্ন ফলাফল, ঘটনাপ্রবাহকে যেসব ভিন্ন ভিন্ন পথে নিয়ে যেতে পারে, সেটা বলবো গল্পের ভঙ্গিতে। গল্পের থাকবে তিনটি আলাদা স্তর। প্রতিটি স্তর জড়িত থাকবে মূল কাহিনীর সাথে। চরিত্রগুলোর সঙ্গে ঘটা ভিন্ন ভিন্ন ঘটনার ভিন্ন ভিন্ন ফলাফল বিশ্লেষণ হবে গল্পের মূল উপজীব্য। যেমন, একটা ছেলে যদি একটি মেয়েকে এক কাপ কফির জন্য আহ্বান জানায় এবং মেয়েটি তাতে সায় দেয়, তাহলে ঘটনা এক রকম হতে পারে আবার সায় না দেয় তাহলে ঘটনা আরেক রকম হতে পারে। দুইটি ফলাফলকেই কিভাবে এক জায়গায় এনে তৃতীয় একটি ঘটনাপ্রবাহের জন্মদানে ব্যবহার করা যেতে পারে, এবং সেটাকে বিশ্বাসযোগ্যভাবে উপস্থাপন করা যায়, তা নিয়ে চিন্তা-ভাবনা চলছে।

আইডিয়াটা আমার ও জেমস্-এর ব্রেইনচাইল্ড। ও গেল ১৭ নভেম্বর ২০১৭ ইং তারিখে ইলমিনাউ ছেড়ে মার্কিন মুলুকে চলে গেছে।

২.
ছেলেবেলায় বন্ধুত্ব বিষয়টির প্রতি একরকম অস্বাভাবিক আকর্ষণ কাজ করতো আমার। বন্ধুদের জন্য প্রায় সাধ্যমতো সব কিছুই করতাম। এমনকি সাধ্যাতীত কাজও করার চেষ্টা চালিয়েছি অনেকবার। কিন্তু যে সময়ের কথা এসব, সে সময়টায় আমি একটা বোকার হদ্দ ছিলাম। আজকাল যখন সেই সময়ের কথা ভাবি, খুব পরিস্কারভাবে দেখতে পাই- কি বহুমাত্রিক এক নির্বোধ ছিলাম তখন!

তারপর ২৩-২৪ বছর বয়সে পা দিয়ে দেখলাম, বন্ধুদের প্রতি অস্বাভাবিক আকর্ষণ যদিও কাজ করে না আর। শুধু মোটামুটি টাইপের একটা টান। ঠিক যেন- যদি আপনার সাথে আমার মানায়, তাহলে বন্ধু হিসেবে থাকতে পারেন, অন্যথায় নো প্রবলেম। আরও যেটা দেখলাম তা হচ্ছে, বন্ধুত্ব করাটা আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে সহজ না মোটেও। অবশ্যই এটা তখন বুঝি নি। বোঝার জন্য বেশ ক'বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে, সে আলোচনায় আসছি একটু পরই।

তো মাঝারি মানের গুরুত্বপূর্ণ কিছু কমন ইন্টারেস্টের টান থেকে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠা শুরু হলো ২৫-২৬ বছর বয়স থেকে। যেমন, একই অফিসে কাজ করা কিংবা একই ডিপার্টমেন্টে পড়াশোনা করা কিংবা একই এলাকায় বসবাস করা ইত্যাদি। সেগুলোর কোনোটিই খুব বেশি জরুরি ছিল বলে এখন আর মনে হয় না। কেননা, সেসব থেকে খুব বেশি কিছু শিখতে বা নিতে পারি নি আমি। দিতেও পারি নি প্রায় কিছুই। কারণ হিসেবে এখন যেটা মনে হয়, সেসব বন্ধুত্ব কোনো কিছু করার জন্য আমাকে সিরিয়াসলি মোটিভেট করতে পারে নি। জাস্ট দিনশেষে কোনো এক জায়গায় দেখা করা, হালকা গল্প-গুজব, চা-বিড়ি পান; সময়-সুযোগমতো খানিকটা রঙিন পানীয় চেখে দেখা, ঈদে-চাঁদে একসাথে এদিক-ওদিক ঘুরতে যাওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল সেগুলো। কাজগুলো যে একেবারেই ফলপ্রসূ নয়, তা বলছি না। বন্ধুদের সাথে দল বেঁধে ঈদের দিন মিরপুর বেড়িবাঁধ, সাভার, গাজীপুর কিংবা ইলিশ মাছ খাওয়ার মহৎ উদ্দেশ্য রাতে-বিরাতে মাওয়া ফেরীঘাটের উদ্দেশ্যে মোটরসাইকেল ছোটানো টাইপের কাজগুলো অবশ্যই জীবনের স্মরণীয় স্মৃতি হয়ে থাকবে। তবে সে সময় আমি অনেক বদ্ধ টাইপের একজন মানুষ ছিলাম। নিজে যা বুঝতাম, সেটাকেই নিজের জন্য সঠিক বলে ভাবতাম। অন্যদের পরামর্শ সাধারণত গ্রাহ্য করতাম না। সবচেয়ে খারাপ যে অভ্যাসটা ছিল, কেউ আমাকে কোনো কিছু বোঝাতে আসলে, বিশেষত গুরুজনেরা, তাদেরকে মুখের ওপর বলে দিতাম, আমি কি আপনার পরামর্শ চেয়েছি?

ওয়াও!

সেভাবে চলতে চলতে ২৭-২৮ বছর বয়সে 'নতুন করে বন্ধুত্ব- আর হবে না' টাইপের একটা ধারণা তৈরি হয়ে গেল ভেতরে। বিষয়টা খুবই ক্ষতিকর ছিল। শুধু বন্ধুত্ব না, সে সময়টায় আসলে বন্ধ ছিলাম যেকোন রকম সম্পর্কের জন্যই। সেটা বুঝতেও পারি নি কোনোভাবে। সুতরাং, যা হবার তাই হলো। প্রতিটি মানুষকেই জীবনে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর সবচেয়ে বড় যে সম্পর্কটা সময়, পরিশ্রম, নিষ্ঠা ইত্যাদি দিয়ে সক্রিয়ভাবে তৈরি করতে হয়, সেটা তৈরি করতে গিয়ে চরমভাবে ব্যর্থ হলাম। বলছি আমার বিয়ের কথা। সাত-আট বছরের প্রেমের সম্পর্ক বিয়ের পর টিকল, হার্ডলি সাত-আট মাস। নাটকীয়ভাবে বলার জন্য দুঃখিত। তবে ঘটনা সত্য।

৩.
জার্মানীতে আসার পর থেকে চিন্তা-ভাবনায় খুব ধীরগতিতে পরিবর্তন আসা শুরু করলো। ক্লাসের বেশিরভাগ ছাত্র-ছাত্রীই ছিল আমার চেয়ে সাত-আট কিংবা তারও বেশি বয়সের ছোট। তাদের সাথে সারাদিনের কর্মকাণ্ড ভাগাভাগি করে নেয়া, ক্লাস-পরীক্ষায় বসা, আইডিয়া শেয়ার করা, গঠনমূলক কিন্তু সমালোচনাধর্মী আলোচনায় অংশ নেয়া, সপ্তাহান্তে অবশ্যই একসাথে আনন্দদায়ক কিছু একটা করা, খুব ধীরে ধীরে পরিবর্তন আনতে শুরু করলো আমার দৃষ্টিভঙ্গিতে।

পরিবর্তনগুলো টের পাচ্ছিলাম কিন্তু সেগুলোকে কিভাবে গুছিয়ে মস্তিষ্কে সাজিয়ে রাখা যায়, যাতে যখন প্রয়োজন তখন হাতের কাছে চিন্তাগুলো এবং চিন্তাপ্রসূত সিদ্ধান্তগুলোকে কাজে লাগানোর জন্য পাওয়া যায়, সেটা বুঝতে পারছিলাম না। এই কাজটা আমাকে শিখিয়েছিল জেমস্। কিছু না করেই যদিও। জাস্ট ওর ডিসিপ্লিনড্ লাইফস্টাইল দেখে দেখে আমি বুঝে গিয়েছিলাম জীবনের কতোটা অপচয় আমি অলরেডি করে ফেলেছি!

জেমস্-এর সাথে যখন আমার প্রথম কথা হয়, তখন আমরা একটা ট্যূরে যাচ্ছিলাম। ইলমিনাউ থেকে বার্লিন। বাসের পেছনের দিকে এক সিট আগে-পরে বসেছিলাম দুই জন। বাস চলা শুরুর কিছুক্ষণ পর ট্যূরের অর্গানাইজারদের একজন আলাপ করতে আসলো- হোস্টেলের রুমে কে কার সাথে থাকবে, তা নিয়ে। সে সময় দেখলাম অর্গানাইজাররা জিমিকে আর আমাকে এক রুমে ট্যাগ করে দিতে চাচ্ছে, সঙ্গে একজন জার্মান আর একজন ক্যামেরুনিয়ান ছাত্র। চার জন, দুই বাঙ্কার। আমরা সানন্দে রাজি হলাম, যদিও কেউই কাউকে খুব ভাল চিনতান না। সেই আমাদের বন্ধুত্বের শুরু।

এরপর আমরা একসাথে মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন সায়েন্স ডিপার্টমেন্টে মাস্টার্স করেছি। জাদুর শহর প্যারিসে ঘুরতে গিয়েছি। ডিজনীল্যান্ড-প্যারিসে একটা পুরো দিন, সকাল ৯টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত, বাচ্চাদের মতো অকারণ ছোটাছুটি, চিৎকার আর একই রাইডে বারবার চড়েছি। ওর ডিজনীল্যান্ড ফ্লোরিডায় কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকার কারণে আমরা ডিজনীল্যান্ড-প্যারিসে একদিনে যে পরিমাণ আনন্দ করেছি, অভিজ্ঞতা না থাকলে তা করতে অন্তত দুই সপ্তাহ লাগার কথা।

আমরা ঘন্টার পর ঘন্টা আড্ডা দিয়েছি সিনেমা, অ্যানিমেশন, পড়াশোনা, ভ্রমণ, ভবিষ্যত পরিকল্পনাসহ অনেক অনেক কিছু নিয়ে। বহু দুপুরে মেনসায় লাঞ্চ করেছি একসাথে, সামারে বার্বিকিউ করেছি, কিংবা সেজেগুজে ক্লাবে গিয়ে ফ্লার্টিং করেছি ইচ্ছামতো। শুধু আমরা দুইজনই নয়, অন্য বন্ধুরাও সংযুক্ত ছিল সেই সব কর্মকাণ্ডে। কাজগুলোর তালিকা আরও লম্বা করা সম্ভব।

তবে ওসব কাজ কিন্তু বন্ধুদের সাথে আমাদের করা হয়েই যায়। বিশেষ করে কাছাকাছি একসাথে দীর্ঘদিন থাকলে পরে। জেমস্-এর বিশেষত্ব ছিল, বন্ধুদের প্রতি ওর যত্নশীলতা। সম্পর্কের যত্ন নেয়ার ক্ষেত্রে ওর পারদর্শীতা সীমাহীন। এতদিন একই শহরে এত কাছাকাছি কাটিয়েছি, কোনোদিন আমাদের দুইজনের মধ্যে মতের অমিল হয় নি। কেননা একটা মিলে পৌঁছানোর আগ পর্যন্ত আমরা আলোচনা করতে থাকতাম।

সেই ২৭-২৮ বছর বয়সের 'বন্ধুত্ব বোধহয় আর হবে না' টাইপের চিন্তাটা ভুল প্রমাণিত হয়েছে জেমস্-এর সাথে পরিচয়ের পর। এটা কি একটা দারুণ চমৎকার নয়? আসলে আমাদের সবার জীবনই এক-একটা কন্টিনিউয়াস লার্নিং প্রসেস। আমরা প্রতি মুহূর্তে শিখছি। শেখা বন্ধ হয়ে যাওয়া মানে মানসিক মৃত্যু। আমার শেখা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল একবার, সেখান থেকে ফিরে আসার কাজে জেমস্ ভীষণ সাহায্য করেছিল।

বন্ধু হিসেবে ছেলেটাকে আমার আজীবন মনে থাকবে। যেকোন আসরে, যেকোন কারণে ওকে নিয়ে কথা বলার সুযোগ আমি সানন্দে লুফে নেবো, এবং কোনোদিন যদি জানতে পারি সে পৃথিবীর কোনো জায়গায় আমার সাথে দেখা করার জন্য আসছে তাহলে খুশিতে দুই হাত দুই দিকে ছড়িয়ে অনেকক্ষণ চক্রাকার ঘুরবো।

৮.
প্রথম অংশে বর্ণিত কনসেপ্টের মতো আরও কিছু যৌথ কনসেপ্ট আমাদের আছে। সেসব নিয়ে ভবিষ্যতে কাজ করা হবে বললে কি একটু বাড়াবাড়ি হয়ে যায়? হয়তো বা। But you reap, what you sow.

আমি আমার চিন্তাভাবনা জগতটাতে যতোদূর পর্যন্ত সম্ভব কেবলই ইতিবাচক বিষয়-আশয় রোপণে আগ্রহী। দেখা যাক, কতদূর কি হয়। পড়ার জন্য ধন্যবাদ সবাইকে।
---

পোস্টটি ৮ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

মীর's picture

নিজের সম্পর্কে

স্বাগতম, আমার নাম মীর রাকীব-উন-নবী। এটি একটি মৌলিক ব্লগ। দিনলিপি, ছোটগল্প, বড়গল্প, কবিতা, আত্মোপলব্ধিমূলক লেখা এবং আরও কয়েক ধরনের লেখা এখানে পাওয়া সম্ভব। এই ব্লগের সব লেখা আমার নিজের মস্তিষ্কপ্রসূত, এবং সূত্র উল্লেখ ছাড়া এই ব্লগের কোথাও অন্য কারো লেখা ব্যবহার করা হয় নি। আপনাকে এখানে আগ্রহী হতে দেখে ভাল লাগলো। যেকোন প্রশ্নের ক্ষেত্রে ই-মেইল করতে পারেন: bd.mir13@gmail.com.

ও, আরেকটি কথা। আপনার যদি লেখাটি শেয়ার করতে ইচ্ছে করে কিংবা অংশবিশেষ, কোনো অসুবিধা নেই। শুধুমাত্র সূত্র হিসেবে আমার নাম, এবং সংশ্লিষ্ট পোস্টের লিংকটি ব্যবহার করুন। অন্য কোনো উপায়ে আমার লেখার অংশবিশেষ কিংবা পুরোটা কোথায় শেয়ার কিংবা ব্যবহার করা হলে, তা
চুরি হিসেবে দেখা হবে। যা কপিরাইট আইনে একটি দণ্ডনীয় অপরাধ। যদিও যারা অন্যের লেখার অংশবিশেষ বা পুরোটা নিজের বলে ফেসবুক এবং অন্যান্য মাধ্যমে চালিয়ে অভ্যস্ত, তাদের কাছে এই কথাগুলো হাস্যকর লাগতে পারে। তারপরও তাদেরকে বলছি, সময় ও সুযোগ হলে অবশ্যই আপনাদেরকে এই অপরাধের জন্য জবাবদিহিতার আওতায় আনার ব্যবস্থা নেয়া হবে। ততোদিন পর্যন্ত খান চুরি করে, যেহেতু পারবেন না নিজে মাথা খাটিয়ে কিছু বের করতে।

ধন্যবাদ। আপনার সময় আনন্দময় হোক।