ইউজার লগইন

মীর'এর ব্লগ

সমসাময়িক ভাবনা, মাস্টার থিসিস রান্নার গল্প এবং আরও কিছু ছাইপাশ

ছোটখাটো ঝুট-ঝামেলার মধ্য দিয়ে সময় কেটে যাচ্ছে। যার মধ্যে হাতের চিকিৎসা, খুব দ্রুত একটা কাজ খুঁজে বের করা, থিসিস শুরু করা ইত্যাদি বেশি ইম্পর্ট্যান্ট। প্রায় কিছুই করা হচ্ছে না অ্যাজ ইউঝুয়াল। শুয়ে-বসে, রান্না করে, ক্লোন ওয়ার্স-স্টার রেবেল-ইত্যাদি দেখে, আর খুব সামান্য পরিমাণ পড়াশোনা করে সময় কাটছে। দরকার ছাড়া রুম ছেড়ে বের হই না দেখে প্রথম দিকে বন্ধুরা অভিযোগ করার চেষ্টা করছিল। তারপর এক সময় বুঝে ফেললাম এখনকার আমিটাকে যারা অভিযোগ ছাড়াই মেনে নিতে পারছে, তারাই প্রকৃত বন্ধু; এখনকার আমিটার। তাদের মধ্যে যারা অন্যান্য সময়ের আমিদেরকেও অভিযোগ ছাড়া মেনে নিতে পেরেছিল, তারা প্রকৃত বন্ধু; সেই প্রত্যেকটা আমির। এবং এভাবে যারা আমার সর্বোচ্চ সংখ্যক ভার্সনের প্রকৃত বন্ধু হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করতে পেরেছে, তারাই আমার সামগ্রিক অস্তিত্বের প্রকৃত বন্ধু। এরকম বন্ধুর সংখ্যা নগণ্য হওয়াই স্বাভাবিক।

যদি তুমি বৃষ্টিতে ভিজতে আর পিনা কোলাডা পান করতে পছন্দ করো

বছরের প্রথম সপ্তাহের মতো সময় আর হয় না। আজ সকালে যেমন ঘুম ভেঙেছে এক অদ্ভুত স্বপ্নে। চোখ মেলে দেখি কেবল সাড়ে সাতটা বাজে। সাড়ে সাতটা মানে আমার কাছে সকালও না। মধ্যরাত বলা যায়। কারণ আমি ঘুমাতে যাই নূন্যতম চারটায়। ইদানীং আবারও পুরোনো রুটিনে ফিরে গিয়েছি। এটা অনুমিতই ছিল। বন্ধু টোসিনের পরামর্শছিল, dude we have been to real life shit for two months. we need a break.

এক জামরুল-রঙা বিকেলের গল্প

তুমি নাকি করতে চেয়েছো
ছোট্ট একটা সর্বনাশ?
জানো নিশ্চই, এই আমারই দেহের ভেতর
মৃত আত্মা করছে বাস।

মনিটরের কোণার ক্যালেন্ডারটায় একটা দীর্ঘস্থায়ী পরিবর্তন এসে পড়েছে। বড় কোনো দুর্ঘটনা ছাড়াই একটা বছর পার করে আসলাম। ব্যক্তি পর্যায়ের অ্যাচিভমেন্ট। পৃথিবীর সবাই যদি কোনো দুর্ঘটনা ছাড়া একটা বছর পার করতে পারে, তাহলে সব অ্যাচিভমেন্ট জোড়া লাগিয়ে একটা শান্তির মহাকাব্য রচনা করা যাবে। অলীক স্বপ্ন। কিন্তু দেখতে সমস্যা কোথায়? জন লেননও তো অলীক স্বপ্ন দেখতো। আর চিৎকার করে বেড়াতো, ইউ মে সে আ'ম এ ড্রিমার।

কাল্পনিক এক প্রাপকের কাছে কখনও না লেখা চিঠি

প্রিয় ছটফটানি,

তোমার একটা ছবি দেখলাম অনলাইনে। আজকে দিনটা এমনিতেই কেমন যেন খারাপ যাচ্ছিল। খারাপ মানে ঠিক খারাপ না কিন্তু মেলানকোলিক আরকি। তখন এক বন্ধুকে বলছিলামও কথাটা। তোমার ছবিটা দেখে ভাবটা বেড়ে গেল আরও।

জানি না কেন। গত ক'দিন ধরেই এই অবস্থা। কোথায় যেন আমি হারিয়ে গেছি। খুঁজে পাচ্ছি না কোনোভাবেই। কোনোকিছুতেই। ছোট ছোট কিছু পাওয়া মাঝে মাঝে নিজেকে উদ্বেলিত করে। পরক্ষণেই বুঝতে পারি, শুধুমাত্র ওই অতোটুকু পাওয়ার জন্য মানবজন্ম লাভের দরকার ছিল না। স্বচ্ছলতা তো আরও বাতুলতা হয়ে গেছে তার ওপরে।

সেই জীবনটা অবলীলায় আমায় ছুড়ে ফেলে দিয়েছিল

আজ ট্যাটু আঁকার দোকানে গিয়েছিলাম। আমার বাম হাতে বেশ কিছু ব্লেডের পোচের দাগ রয়েছে। গভীর দাগ। সেগুলোকে সুন্দরভাবে ট্যাটু দিয়ে সাজাবো বলে ঠিক করেছিলাম। যদিও বলছি সাজাবো, কিন্তু আসল উদ্দেশ্য ছিল সেগুলো ঢেকে দেয়া। এককালে সোনালী ডানার চিলের পিছে ছুটতে গিয়ে অমন বহু কাঁটা-ছেড়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছিল। 'সোনালী ডানার চিল' বাংলা সাহিত্যের এক অসাধারণ চরিত্র। বলতে হবে এই চরিত্রের স্রষ্টা কে? যাহোক, আমি জানি "কে হায় হৃদয় খুঁড়ে বেদনা জাগাতে ভালবাসে"- কথাটাতে একবিন্দু সত্যতা নেই। তারপরও ট্যাটু আঁকার দোকানে গিয়েছিলাম বেদনাবিধুর কাঁটা দাগগুলো ঢেকে ফেলতে।

উইকেন্ডের গল্প

১.
এখন প্রতিদিন বেলা তিনটা থেকে রাত সাড়ে এগারোটা পর্যন্ত কাজ করি। মাঝখানে দুইটা ছোট ছোট ব্রেক। জার্মান ভাষায় বলে পাউজে। প্রথমে একটা ২৫ মিনিটের পাউজে, টানা চার ঘন্টা কাজ করার পর। তারপর একটা ২০ মিনিটের পাউজে। প্রথম পাউজের ঠিক আড়াই ঘন্টা পাঁচ মিনিট পর। প্রথম চার ঘন্টা টানা কাজ করাটাই বড় চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে সোমবারগুলোতে। মঙ্গল-বুধবারের দিকে অতোটা ক্লান্তি লাগে না, যতোটা লাগে সোমবারে। কারণ শনি-রবি দুইদিনের ছুটি শরীরটাকে অলস বানিয়ে দেয় ভালোভাবেই। আর যদি উইকেন্ডগুলোতে হানা দেয় বন্ধুরা, তাহলে তো সেরের ওপর সোয়া সের। সেই উইকেন্ডের পরের সোমবারটার মতো দুর্যোগ আর হয় না।

আজ বহুদিন নতুন কোনো স্বপ্ন দেখি না

লাইপছিশ জার্মানীর সাক্সনী প্রদেশের সবচেয়ে বড় শহর। অতুলনীয় যোগাযোগ ব্যবস্থা আর তরুণ প্রজন্মের জন্য অবারিত কাজের সুযোগ এ শহরের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য বললে অত্যুক্তি হয় না। জনসংখ্যা অর্ধ-মিলিয়ন, যার বেশিরভাগই আবার বয়সে তরুণ। আমার এ শহরে আসার প্রায় দুই সপ্তাহ পার হতে চললো। এ পর্যন্ত যতো বুড়ো-বুড়ি চোখে পড়েছে তা মনে মনে গুণে ফেলা সম্ভব। এই বিষয়টাই থুরিনজিয়া প্রদেশের ছোট্ট শহর ইলমিনাউয়ের সাথে লাইপছিশের গুণগত পার্থক্য তৈরি করে দিয়েছে। ইলমিনাউ যেখানে সন্ধ্যা সাতটার পর ধীরে ধীরে নিশুতিযাপনের জন্য প্রস্তুত হতে থাকে, সেখানে লাইপছিশে জীবনের সৌন্দর্যটাই ধরা দেয়া সন্ধ্যা নামার পর।

গল্প: ইরাবতী ডলফিনদের সাথে এক মগ কফি সহকারে এক দুপুরে

আমরা বন্ধু। হাতে হাত রেখে চলো হারিয়ে যাই। আমাদের স্বপ্নের জাহাজে চেপে চলে যাই সেই মহাদেশে যেখানে গিয়ে আমরা সত্যিকার অর্থেই নিজেদের খুঁজে পাবো। ঠিক সেভাবে, যেভাবে আমরা একে অপরকে পেতে চাই। তুমি চাও একজন কুল পার্সন, যে কিনা একইসাথে তোমাকেও বুঝবে এবং আশপাশের পরিবেশটাও বুঝবে। আমি চাই একজন খুব সাধারণ মানুষ, যে শুধু ওখানে থাকবে আমার জন্য। ওই পরিবেশটায়। যার জন্য আমি শেষ মুহূর্তটায় গিয়ে আরেকবার চেষ্টা করার অাগ্রহটা খুঁজে পাবো। আর তারপর আমরা দু'জনে মিলে সার্ফিং করে আগামী গ্রীষ্মকালটা পার করবো ক্যারিবিয়ন দ্বীপপুঞ্জের কোনো একটা ছোট্ট দ্বীপে। চলো হারিয়ে যাই, যাবে?

সে পর্যন্ত সবাই যেন ভাল থাকি আমরা

লেখার কিছু পাচ্ছি না। অথচ কিছু একটা লিখতেও হবে। দিনলিপি তো প্রায়ই লিখি। দিনলিপি কিংবা ছাইপাশ টাইপের কিছু ছাড়া অন্যকিছু লিখতে ইচ্ছে হয় না এখন আর। গল্পের আইডিয়া নিয়ে ভাবতে ইচ্ছে করে না হাঁটতে হাঁটতে। জীবনটা বড় দ্রুতগতিতে পানসে হয়ে যাচ্ছে।

তোমার চিঠির একমাত্র পাঠক হিসেবে বলছি

প্রিয় ছটফটানি,
দূরে চলে যাও। ভাল থাকো কিন্তু দূরে থাকো। আই লাভ ইউ বাট আই কান্ট ডিল উইথ ইউ এনিমোর। প্লীইইইইজ। আর যদি দূরে চলে যেতে না পারো, তাহলে কমে যাও যতোটা পারো। এতটুকু কি তুমি করতে পারো? তোমার কারণে আমি ক্ষত-বিক্ষত হয়ে আছি। না পারছি সহ্য করতে, না পারছি অগ্রাহ্য করতে। তুমি একটা খারাপ। খুব ভীষণ খারাপ।
বাইরে থেকে আমার ক্ষত দেখা যায় না কিন্তু ভেতরে উঁকি দিলেই সব পরিস্কার বোঝা যায়। আমি তোমাকে চাই না আর। একবারও না, একটুও না, একদমই না। সরে যাও। ভুলে যাও। আর কাছে এসো না। আমাকে আমার মতো থাকতে দাও। প্রিয় ছটফটানি দূরে চলে যাও। দিগন্তে মিলিয়ে যাও। মেঘ হয়ে উড়ে যাও। দরিয়ায় ভেসে যাও। জাস্ট প্লীজ চলে যাও।

সুদীর্ঘ ছাইপাশ

এখন একটা কনক্লুসন লিখতে হবে। একটা ক্রস কালচারাল ক্রাইসিস কমিউনিকেশন পেপারের কনক্লুসন। আমি প্রোক্রেস্টিনেট করতে করতে জিনিসটাকে সফলভাবে শেষ মুহূর্তে ড্র্যাগ করে আনতে সফল হয়েছি। ডার্ক সাইড সাহায্য করেছে ব্যাপকভাবে।

তবে আর দেরি করার সুযোগ নেই। এর মধ্যে দেখা একটা বাংলা নাটকে একজন মানুষ তার নিজের মৃত্যুকে ফেক করে আরেকজনের মন জয় করে দেখালো। দেখে বুঝলাম না বিষয়টা মেনে নেয়া যায় কিনা। টিভি নাটকে আজকের পৃথিবী যে জায়গায় পৌঁছেছে, বাংলাদেশ কি তার ধারে-কাছে কোথাও আছে কিনা, বোঝার একটা স্বল্প স্কেলের প্রচেষ্টা চালালাম। মনে হলো বাংলাদেশের অবস্থান খুব একটা ভাল জায়গায় নেই।

যেমনটা নেই ক্রিকেটের কমেন্টারীতেও। কমেন্টররা প্রায়শই ভুল কমেন্ট পাস করছেন প্রচারমাধ্যমে। সঠিক বললেও সেটার মধ্যে সেই মাধুর্য বা কাব্যময়তা থাকে না, যেটা ইংলিশ, বা অস্ট্রেলিয়ান কমেন্টরদের কমেন্টারীতে থাকে।

গল্প: তাকে এড়িয়ে যতটুকু পথ যাওয়ার কথা

বেশ কিছুদিন মিসিসিপির কথা মনে পড়ে নি অংকনের। এক্সের ফেসবুক প্রোফাইল স্টক করাটা ঠু-মেইনস্ট্রীম জানার পরও, মাঝে মাঝে সেটা করতো সে। হঠাৎ করে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল সেটা করাও। অংকনের নির্জন সুদীর্ঘ পাকা সড়কের নীরবতাময় জীবনকে এলোমেলো করে দিতে, দুইশত সত্তুর কিলো পার আওয়ার গতির একটা মেরুন রঙয়ের ফোক্সভাগেন ভিটু হয়ে হাজির হয়েছিল ইয়ানা। এক দিস্তা অস্থির ফিচার আর আকাশসম একটা হৃদয় নিয়ে। ইংরেজিতে যাকে বলে আ পারফেক্ট সুইটহার্ট। ইয়ানা ছিল তাই।

সকালে সে অংকনকে ঘুম থেকে তুলতো বেহালা বাজিয়ে। চোখ খুলে মোটা ফ্রেমের চশমার গ্লাসের পেছনে বড় বড় দু'টো কালো চোখভর্তি মায়া দেখে অংকনের মনে হতো, আশপাশে যা ঘটছে তার কিছুই সত্যি নয়। জন্মদিনের উপহার হিসাবে ইয়ানার আঁকা নিজের পোর্ট্রেট পেয়ে অংকনের মনে হতো সে কোনো এক অচেনা জগতে উপস্থিত হয়েছে, যেখানকার হিসাব-নিকাশ ওর চেনা-জানা পৃথিবীর মতো কুটিল নয়।

ওয়ার্ক আন্ডার প্রসেস

প্রিন্সেস কাগুয়া সম্পর্কে কিছুই জানার কোনো সুযোগ হয় নি কখনও। নামটাও শুনি নি মিয়াজাকির সিনেমার খোঁজ পাওয়ার আগে। যদিও দি টেল অফ দি প্রিন্সেস কাগুয়া মিয়াজাকির সিনেমা না, ইসাও তাকাহাতার। তবে ঘিবলি স্টুডিওর পণ্য। ইসাও তাকাহাতা প্রবাবলি স্টুডিওর আরেক প্রতিভা। এই ভদ্রলোক গ্রেভ অফ দি ফায়ারফ্লাইস মুভির রাইটার-ডিরেক্টর। আরও কিছু হাই প্রোফাইল মুভি আছে দেখলাম ঝুলিতে। প্রিন্সেস কাগুয়া মুভিটা অনন্য। ওয়াটারমার্কে এত সুন্দর অ্যানিমেশন এর আগে কখনও দেখেছি বলে মনে পড়ছে না। ঘিবলি স্টুডিওর সেরা পছন্দের মুভির তালিকা তৈরি করার ট্রাই করি নি কখনো। তবে ট্রাই করলে সেটা ডিজনির মতোই কঠিন হবে নিশ্চিত। অ্যানিমেশন ছিল বলে বেঁচে গিয়েছিলাম আমি।

বিষাদমাখা দিনগুলো কাটে কবিতায়

গত ক'দিন ধরে বেশ গরম পড়েছে আমাদের শহরে। দিনের বেলা রাস্তায় খুব কম মানুষই দেখা যায়। কেউ কেউ আছে, যারা সূর্যের আলোয় পুড়ে পুড়ে চামড়ায় একটা মীন ট্যান লাইন ফুটিয়ে তোলার জন্য, সবুজ ঘাসে চাদর বিছিয়ে শুয়ে থাকে। তারাও এখন সংখ্যায় কমে গেছে। গ্রীষ্মের আগমনের সাথে সাথে চারিদিকে যেমন বেশ একটা সাড়া পড়ে গিয়েছিল, সেটা এখন অনেক কম।

সন্ধ্যার পর আবার আবহাওয়ায় বেশ ভাল একটা পরিবর্তন চলে আসে। একটা ঝিরঝিরে ঠান্ডা বাতাস; সূদুর উত্তরমেরু থেকে অনেকগুলো ছোট-বড়, ঠান্ডা-গরম, গাছ-গাছালিময়-দালান-কোঠায় ভরা শহর পেরিয়ে, বয়ে যায় আমাদের শহরের ওপর দিয়ে। অনেকটা পথ পাড়ি দিয়ে আসার পরও, সেই বাতাসে মেরু অঞ্চলের রেশ লেগে থাকে ষোলআনা। আমার লোমকূপের গোড়াগুলো ওই বাতাসটাকে পছন্দ করে না একটুও। আর বাতাসটাও যা! দুনিয়ার আর সবকিছু রেখে ছোট্ট, স্পর্শকাতর লোমকূপের গোড়াদেরকেই গিয়ে ছুঁতে হয় ওর। যেন অন্য কোনো অঞ্চল বুঝবে না ওর কদর।

একদিনের বার্নআউট, আর তারপর পড়ে থাকা হাউশগুলা

কি অবস্থা সকলের? চারটা জলজ্যন্ত দিন পার হয়ে গেল শেষ লেখাটার পর। অলিম্পিকে অনেকগুলো ঘটনা ঘটে গেল এর মধ্যে। উসেইন বোল্ট নিজেকে পেলে, মোহাম্মদ আলীদের কাতারে বিচারের দাবি জানিয়ে গেল।দেখা যাক, কিংবদন্তীত্বের পথে হাঁটা সহজ নয় বন্ধু। অল দি বেস্ট।

সিরিয়ার আলেপ্পো শহরটা নিয়ে আলাপ হচ্ছিল ওসামার সাথে সেদিন। দুপুরের লাঞ্চের পর এক মগ কালো কফি হাতে নিয়ে। প্রায় দশ হাজার বছরেরও বেশি বয়স শহরটার। বিমান হামলায় ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে একটু একটু করে প্রতিদিন। এই শহরগুলো এমন না যে, সেখানকার ঘর-বাড়ি আর রাস্তা-ঘাট দশ-বিশ বছর আগে কোনো রাজনৈতিক দলের ইলেকশন পরবর্তী ইশতেহারনামা বাস্তবায়ন কর্মসূচীর অংশ হিসেবে বানানো। কিংবা দুই-চারশ' বছর আগে মানুষ জঙ্গল সাফ করেও এমন আলেপ্পো, দামাস্কাসের মতো শহর গড়ে তোলে নি।