ইউজার লগইন

মীর'এর ব্লগ

সে পর্যন্ত সবাই যেন ভাল থাকি আমরা

লেখার কিছু পাচ্ছি না। অথচ কিছু একটা লিখতেও হবে। দিনলিপি তো প্রায়ই লিখি। দিনলিপি কিংবা ছাইপাশ টাইপের কিছু ছাড়া অন্যকিছু লিখতে ইচ্ছে হয় না এখন আর। গল্পের আইডিয়া নিয়ে ভাবতে ইচ্ছে করে না হাঁটতে হাঁটতে। জীবনটা বড় দ্রুতগতিতে পানসে হয়ে যাচ্ছে।

তোমার চিঠির একমাত্র পাঠক হিসেবে বলছি

প্রিয় ছটফটানি,
দূরে চলে যাও। ভাল থাকো কিন্তু দূরে থাকো। আই লাভ ইউ বাট আই কান্ট ডিল উইথ ইউ এনিমোর। প্লীইইইইজ। আর যদি দূরে চলে যেতে না পারো, তাহলে কমে যাও যতোটা পারো। এতটুকু কি তুমি করতে পারো? তোমার কারণে আমি ক্ষত-বিক্ষত হয়ে আছি। না পারছি সহ্য করতে, না পারছি অগ্রাহ্য করতে। তুমি একটা খারাপ। খুব ভীষণ খারাপ।
বাইরে থেকে আমার ক্ষত দেখা যায় না কিন্তু ভেতরে উঁকি দিলেই সব পরিস্কার বোঝা যায়। আমি তোমাকে চাই না আর। একবারও না, একটুও না, একদমই না। সরে যাও। ভুলে যাও। আর কাছে এসো না। আমাকে আমার মতো থাকতে দাও। প্রিয় ছটফটানি দূরে চলে যাও। দিগন্তে মিলিয়ে যাও। মেঘ হয়ে উড়ে যাও। দরিয়ায় ভেসে যাও। জাস্ট প্লীজ চলে যাও।

সুদীর্ঘ ছাইপাশ

এখন একটা কনক্লুসন লিখতে হবে। একটা ক্রস কালচারাল ক্রাইসিস কমিউনিকেশন পেপারের কনক্লুসন। আমি প্রোক্রেস্টিনেট করতে করতে জিনিসটাকে সফলভাবে শেষ মুহূর্তে ড্র্যাগ করে আনতে সফল হয়েছি। ডার্ক সাইড সাহায্য করেছে ব্যাপকভাবে।

তবে আর দেরি করার সুযোগ নেই। এর মধ্যে দেখা একটা বাংলা নাটকে একজন মানুষ তার নিজের মৃত্যুকে ফেক করে আরেকজনের মন জয় করে দেখালো। দেখে বুঝলাম না বিষয়টা মেনে নেয়া যায় কিনা। টিভি নাটকে আজকের পৃথিবী যে জায়গায় পৌঁছেছে, বাংলাদেশ কি তার ধারে-কাছে কোথাও আছে কিনা, বোঝার একটা স্বল্প স্কেলের প্রচেষ্টা চালালাম। মনে হলো বাংলাদেশের অবস্থান খুব একটা ভাল জায়গায় নেই।

যেমনটা নেই ক্রিকেটের কমেন্টারীতেও। কমেন্টররা প্রায়শই ভুল কমেন্ট পাস করছেন প্রচারমাধ্যমে। সঠিক বললেও সেটার মধ্যে সেই মাধুর্য বা কাব্যময়তা থাকে না, যেটা ইংলিশ, বা অস্ট্রেলিয়ান কমেন্টরদের কমেন্টারীতে থাকে।

গল্প: তাকে এড়িয়ে যতটুকু পথ যাওয়ার কথা

বেশ কিছুদিন মিসিসিপির কথা মনে পড়ে নি অংকনের। এক্সের ফেসবুক প্রোফাইল স্টক করাটা ঠু-মেইনস্ট্রীম জানার পরও, মাঝে মাঝে সেটা করতো সে। হঠাৎ করে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল সেটা করাও। অংকনের নির্জন সুদীর্ঘ পাকা সড়কের নীরবতাময় জীবনকে এলোমেলো করে দিতে, দুইশত সত্তুর কিলো পার আওয়ার গতির একটা মেরুন রঙয়ের ফোক্সভাগেন ভিটু হয়ে হাজির হয়েছিল ইয়ানা। এক দিস্তা অস্থির ফিচার আর আকাশসম একটা হৃদয় নিয়ে। ইংরেজিতে যাকে বলে আ পারফেক্ট সুইটহার্ট। ইয়ানা ছিল তাই।

সকালে সে অংকনকে ঘুম থেকে তুলতো বেহালা বাজিয়ে। চোখ খুলে মোটা ফ্রেমের চশমার গ্লাসের পেছনে বড় বড় দু'টো কালো চোখভর্তি মায়া দেখে অংকনের মনে হতো, আশপাশে যা ঘটছে তার কিছুই সত্যি নয়। জন্মদিনের উপহার হিসাবে ইয়ানার আঁকা নিজের পোর্ট্রেট পেয়ে অংকনের মনে হতো সে কোনো এক অচেনা জগতে উপস্থিত হয়েছে, যেখানকার হিসাব-নিকাশ ওর চেনা-জানা পৃথিবীর মতো কুটিল নয়।

ওয়ার্ক আন্ডার প্রসেস

প্রিন্সেস কাগুয়া সম্পর্কে কিছুই জানার কোনো সুযোগ হয় নি কখনও। নামটাও শুনি নি মিয়াজাকির সিনেমার খোঁজ পাওয়ার আগে। যদিও দি টেল অফ দি প্রিন্সেস কাগুয়া মিয়াজাকির সিনেমা না, ইসাও তাকাহাতার। তবে ঘিবলি স্টুডিওর পণ্য। ইসাও তাকাহাতা প্রবাবলি স্টুডিওর আরেক প্রতিভা। এই ভদ্রলোক গ্রেভ অফ দি ফায়ারফ্লাইস মুভির রাইটার-ডিরেক্টর। আরও কিছু হাই প্রোফাইল মুভি আছে দেখলাম ঝুলিতে। প্রিন্সেস কাগুয়া মুভিটা অনন্য। ওয়াটারমার্কে এত সুন্দর অ্যানিমেশন এর আগে কখনও দেখেছি বলে মনে পড়ছে না। ঘিবলি স্টুডিওর সেরা পছন্দের মুভির তালিকা তৈরি করার ট্রাই করি নি কখনো। তবে ট্রাই করলে সেটা ডিজনির মতোই কঠিন হবে নিশ্চিত। অ্যানিমেশন ছিল বলে বেঁচে গিয়েছিলাম আমি।

বিষাদমাখা দিনগুলো কাটে কবিতায়

গত ক'দিন ধরে বেশ গরম পড়েছে আমাদের শহরে। দিনের বেলা রাস্তায় খুব কম মানুষই দেখা যায়। কেউ কেউ আছে, যারা সূর্যের আলোয় পুড়ে পুড়ে চামড়ায় একটা মীন ট্যান লাইন ফুটিয়ে তোলার জন্য, সবুজ ঘাসে চাদর বিছিয়ে শুয়ে থাকে। তারাও এখন সংখ্যায় কমে গেছে। গ্রীষ্মের আগমনের সাথে সাথে চারিদিকে যেমন বেশ একটা সাড়া পড়ে গিয়েছিল, সেটা এখন অনেক কম।

সন্ধ্যার পর আবার আবহাওয়ায় বেশ ভাল একটা পরিবর্তন চলে আসে। একটা ঝিরঝিরে ঠান্ডা বাতাস; সূদুর উত্তরমেরু থেকে অনেকগুলো ছোট-বড়, ঠান্ডা-গরম, গাছ-গাছালিময়-দালান-কোঠায় ভরা শহর পেরিয়ে, বয়ে যায় আমাদের শহরের ওপর দিয়ে। অনেকটা পথ পাড়ি দিয়ে আসার পরও, সেই বাতাসে মেরু অঞ্চলের রেশ লেগে থাকে ষোলআনা। আমার লোমকূপের গোড়াগুলো ওই বাতাসটাকে পছন্দ করে না একটুও। আর বাতাসটাও যা! দুনিয়ার আর সবকিছু রেখে ছোট্ট, স্পর্শকাতর লোমকূপের গোড়াদেরকেই গিয়ে ছুঁতে হয় ওর। যেন অন্য কোনো অঞ্চল বুঝবে না ওর কদর।

একদিনের বার্নআউট, আর তারপর পড়ে থাকা হাউশগুলা

কি অবস্থা সকলের? চারটা জলজ্যন্ত দিন পার হয়ে গেল শেষ লেখাটার পর। অলিম্পিকে অনেকগুলো ঘটনা ঘটে গেল এর মধ্যে। উসেইন বোল্ট নিজেকে পেলে, মোহাম্মদ আলীদের কাতারে বিচারের দাবি জানিয়ে গেল।দেখা যাক, কিংবদন্তীত্বের পথে হাঁটা সহজ নয় বন্ধু। অল দি বেস্ট।

সিরিয়ার আলেপ্পো শহরটা নিয়ে আলাপ হচ্ছিল ওসামার সাথে সেদিন। দুপুরের লাঞ্চের পর এক মগ কালো কফি হাতে নিয়ে। প্রায় দশ হাজার বছরেরও বেশি বয়স শহরটার। বিমান হামলায় ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে একটু একটু করে প্রতিদিন। এই শহরগুলো এমন না যে, সেখানকার ঘর-বাড়ি আর রাস্তা-ঘাট দশ-বিশ বছর আগে কোনো রাজনৈতিক দলের ইলেকশন পরবর্তী ইশতেহারনামা বাস্তবায়ন কর্মসূচীর অংশ হিসেবে বানানো। কিংবা দুই-চারশ' বছর আগে মানুষ জঙ্গল সাফ করেও এমন আলেপ্পো, দামাস্কাসের মতো শহর গড়ে তোলে নি।

অনির্দিষ্টকালের ট্রিবিউট

আজকের লেখাটার শুরু এই সময়ে না। এক বছর আগে। সেই লেখাটায় যাওয়ার আগে এই কথাটা বলে নিতে ইচ্ছে হলো। সে সময়ের জীবনের সাথে এখনকার জীবনের অনেক কিছুই মিলবে না। তবে মূল সুরটায় কোথায় যেন মিল আছে। সে সময়ও মধ্যরাতে হঠাৎ হঠাৎ লিখার ইচ্ছে চেপে ধরতো। এখনও ধরে। সে সময়েও সেসব ইচ্ছেকে চাপা দিয়ে দেয়ার একটা প্রবল তাড়না যথাসময়েই হাজির হতো। এখনও হয়। মাঝে মাঝে তাড়নাগুলো লিখার ইচ্ছের কাছে হেরে এ ধরনের কিছু একটা হয়ে বের হয়। বের হওয়ার পর বেগুনী রংয়ের ফুলের খামারের পরাগরেণুর মতো ক্ষুদ্র কণার আকারে বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। অষ্টাদশ শতাব্দীর কোনো সোনালী গোধূলির আলো মাখা পথে ড্রিন্ডল পরে হেঁটে যাওয়া কিশোরীর চিবুক ছুঁয়ে থাকা গোছাটার সবচেয়ে বড় চুলটা ঠিক যেখানটায় প্রতি মুহূর্তে একবার করে গিয়ে আছড়ে পড়ার চেষ্টায় দিন কাটায়, তার আশেপাশে ঘুরে-ফেরে।

সন্ধ্যাবাতি জ্বলছে কোথাও টিমটিমে

১.

''আমাদের সময় আসবে একদিন
এবং আমরা পাবো সবকিছু...''

শোনার ফাঁকে ফাঁকে এরফুর্টের রংধনু শিশুনিকেতনের মেঝে ফিনাইল মেশানো পানি দিয়ে পরিস্কার করতে করতে ভাবি- গানটা গাওয়ার সময় এমি কি সত্যিই বিশ্বাস থেকে গাইছিল, নাকি শুধুই দায়িত্ব পালন করছিল? যদি দায়িত্ব পালনেও সীমিত থেকে থাকে, তাও সে সেটা এত ভালভাবে পালন করেছে যে, ভক্তদের সামনে একটা চিরকেলে চূড়ান্ত মাত্রার দ্বিধান্বিত পথ ছাড়া আর কিছু খোলা থাকতে পারে নি। সবকিছুকে বন্ধ হয়ে যেতে হয়েছে প্রবলভাবে।

কবিতা: মাঝির বিভ্রম বা জোনাকি

অন্ধকারের ভেতর থেকে সুধার মতো উঠে আসা আলোর ঝলকানি
রাংতা মোড়ানো উপহারের বাক্সে সাজানো নতুন জীবন হাতে নিয়ে,
খুঁজে বের করে নীল দরিয়ায় লুকিয়ে থাকা এক অশরীরি মাঝিরে,
ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করে আবার, এই পুরোনো গোলক-সংসারে।

কারা যেন সে সময় ফিস ফিস করে বলে- মাঝি শোনো,
যে জীবন আলনায় বহুকাল ঝুলে ছিল জমানো
নতুন শাড়িটার মতো, পড়া হবে কোনো এক নবান্ন-সন্ধ্যায়
দেখা হবে দু'জনের, হাসি ছড়িয়ে পড়বে তারায় তারায়,
সে জীবন ঝরে গেছে; গোলাপের কুঁড়ি যেভাবে
শুকিয়ে যায় যত্নের অভাবে।

আজও কি জেনেছো মাঝি এ জীবন বিভ্রম না জোনাকি?
সাগরের হাতছানি আবার দাঁড়িয়েছে ধরে ভাঙা দুয়ার
সজনের ডালে ধরেছে শাদা রঙয়ের বাহার, আর তুমি কি
ঠিক-ঠাক জানো ওদের সাথে সময় কাটাতে পারে মন এখনও?

নাকি মাঝি তুমি ভুলে গেছো?
তোমার হয় না, হয় নি কখনো।

---

নিজেদেরকে স্তব্ধ হয়ে যেতে দেয়ার ক্ষমতা আছে কেবল আমাদেরই

পথভ্রষ্ট কিছু মানুষ আর ভ্রান্ত কিছু ধারণা মানুষের পর মানুষের জীবন কেড়ে নিচ্ছে। গুলশান ট্র্যাজেডীর রেশ কাটতে না কাটতেই শোলাকিয়ায় হামলা হলো। প্রতিটি ঘটনায় এমন সব মানুষের মৃত্যু হচ্ছে, যারা শেষ মুহূর্তের আগ পর্যন্তও জানতো না, সময় শেষ হয়ে এসেছে।

সন্ত্রাসবাদ এখন পৃথিবীর সবচেয়ে আলোচিত ইস্যুগুলোর একটি। সমস্যার কারণ হিসেবে কতজন, কতোই না সমীকরণ দেখাচ্ছে। আমি শুধু দেখতে পাচ্ছি সমীকরণের আড়ালে চাপা পড়ে থাকছে মানুষের মরদেহ। নির্মমভাবে পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে হওয়ার হতাশার ছাপ স্থায়ীভাবে পড়ে যাওয়া মুখের মরদেহ। তাদের স্বজনদের বিহ্বল দৃষ্টি। অসহায়ের মতো নিজের জন্মদাত্রীকেকে মরে যেতে দেখা সেই যুবক কি তার চোখ দিয়ে পৃথিবীর কোনো রং আর কখনও দেখতে পাবে? আর কি কখনও তার পক্ষে মন খুলে হাসা সম্ভব হবে? আর কি কখনও সে পারবে ভালবেসে কারও জন্য হৃদয়ের আগল খুলে দিতে?

সাড়ে চার বিলিয়ন বছর, হে ক্ষুদে নক্ষত্রকণা

ছোট ছোট গল্পরূপী, ঘাসের শাদা ফুলরূপী, তোমার কানের দুলরূপী, আগুনরঙা চুলরূপী, সাঁঝবিকেলের মাঝরূপী, পানকৌড়ির ডুবরূপী, একেকটা অপার কষ্ট। ওরা ছুটছে যেন কোথায়, ওদের কার সাথে যে ছন্দ, ওদের নিত্য দেখা যায়, ওদের ভেতরটা খুব বন্ধ।

তোমার বুকে বিঁধেছে ওটা কি? তোমার চোখ থেকে ঝরছে বলো কি? তোমার হাতে লালরঙা ওসব কি? তুমি কাঁদছো কেন মেয়ে, তোমার নামটা বলো তো কি? তোমার দুঃখটা যেন কি? তোমার হৃদয়টা চায় কি?

ও, তাই? ওটা ছুরি? বাব্বাহ, খুব বাহারি নকশা কাটা বাঁটে। ঝরে অশ্রু? দারুণ, তুলছে ছবি ফুটিয়ে ললাটে। ওসব রক্ত? সুন্দর, ঠিক যেমন পলাশ ফুটে বৈশাখে। নাম নেই? অদ্ভুত। বহুরূপী প্রভুর তুমি রইবে খুব নিকটে। দুঃখ নেই? অনন্য, তোমার পাথর কেন পকেটে? হৃদয়ও অকেজো? অসাধারন, তুমি ধন্য মেয়ে বটে।

সম্ভব শুধু প্রাণপনে পোকার ফেস ধরে রাখার চেষ্টা করা

ইয়াহু মেইলের ভক্ত ছিলাম অনেকদিন। সম্ভবত ২০০১-০২ থেকে নিয়ে ১১-১২ পর্যন্ত। তারপর একদিন জিমেইলে অ্যাকাউন্ট খুলতে হয়েছিল, একটা জরুরি দরকারে। এক সন্ধ্যায় একটা গুরুত্বপূর্ণ ই-মেইল পাঠাতে হয়েছিল, কিন্তু যেকোন কারণেই হোক সে সময় ইয়াহু'র সার্ভার ভীষণ ব্যস্ত ছিল। অনেক চেষ্টা করেও ইয়াহু খুলতে না পেরে, শেষমেষ একটা জিমেইল অ্যাকাউন্ট খুলে মেইলটা পাঠাতে হয়েছিল। পাঠানোর পাঁচ মিনিটের মাথায় উত্তর এসেছিলো- ধন্যবাদ, যথাসময়ে ই-মেইল পাঠানোর জন্য আপনাকে আমাদের পরবর্তী পর্যায়ের যাচাই প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভূক্ত করা হলো।

মে দ্য ফোর্থ বি উইথ ইউ

আজকাল ফেইসবুকই সবচেয়ে ভাল বন্ধু হয়ে থাকছে আমার সাথে। সকালবেলা প্রতিদিন কোনো না কোনো উপায়ে আমার সাথে যোগাযোগ করে সে। কোনোদিন বলে, মীর স্টে ড্রাই টুডে। রেইন ইজ দ্য ফোরকাস্ট; আবার কোনোদিন বলে, এনজয় দ্য সান। তবে আজ সব সীমা ছাড়িয়ে গেছে। লিখেছে, মে দ্য ফোর্থ বি উইথ ইউ।

যখন দ্বিধায় ভুগতে হতো না

হতে পারে উচ্চাভিলাষ
কিংবা চূড়ান্ত বোকামী
কিন্তু যদি সত্যিই ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় বলে
আগুনে ঝাপ দাও
তাহলে কি তুমি ঝাপ দেবে?

যদি ভুল হয়ে যায়
যদি সত্যি শেষ পর্যন্ত
প্রফেসি সত্য না হয়,
দ্বিধা যদি দোলাচলে ঠেলে দেয়
তবে তুমি কি করবে?

একটা বনে কিংবা পাহাড়ে
আমরা জন্মালে এবং এখনকার মতো
উন্নত ব্যবস্থার ভেতর না থাকলে,
এ দ্বিধায় ভুগতে হতো না
তখন তুমি কি করতে?

আমরা সবাই একসাথে
একে অপরের পাশে দাঁড়িয়ে
প্রতিবাদ করতাম, তাই না?
কণ্ঠচেড়া চিৎকারে চারদিক
বিদীর্ণ করে দিতাম কিনা?
অসংখ্য কণ্ঠ একত্র করে
সুনীল সাগরের মতো গম্ভীর গর্জনে
নিজেদের অস্তিত্ব জানান দিতাম কিনা?

---