ইউজার লগইন

মাইনষের সাথে কথাবার্তা - ৪

এইটা অনেক আগের গল্প। তখন আমি থাকি ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে..ইন্টারন্যাশনাল হলে তখন ব্যাচেলর টিচারদের থাকার ব্যবস্থা ছিল...একটা ছোটখাটো রুম, একটা এটাচড বাথ, পিছনে এক চিলতে জায়গায় রান্নাঘর,আর সামনে গণ করিডোর। আমাদের আড্ডার জায়গা..ক্লাস শেষে সবাই চলে আসতো আর আমরা ধুমায়া আড্ডা দিতাম। কাহিনী মনে হয় ২০০৫-এর শুরুর দিকের। রুমে আছে লিরা, তুহি আর শর্মী।

লিরা: বুঝলি, আম্মু একটা জ্যোতিষীর কাছে যায়, লোকটা চরম পাওয়ারফুল...সব বইলা দিতে পারে।
আমি, শর্মী: খেক খেক..
লিরা: হাসতেছিস তোরা? আসলেই কিন্তু, আমার খালা গেছিল, যা যা বলছে সব ঠিকঠাক হইছে..
আমি: আমার তো সারাজীবনের শখ জ্যোতিষী দিয়া ভবিষ্যত জানার...বেটা কয় টাকা নেয়?
লিরা: টাকা নেয়না, তুই যা দিবি তাই..টাকা চায়না।
আমি: কস কি!
শর্মী: তাইলে চল যাই..
আমি: হ চল..বিনা পয়সায় যেহেতু..
তুহি: চল আমিও যাবো!

জানা গেল উক্ত বিনা পয়সার জ্যোতিষীর একটা চেম্বার আছে..সেইটা কাঠালবাগান নাকি কই জানি...শর্মীর গাড়ি মজুদ আছে...তাই কোনো চিন্তা ভাবনা না কইরা দিলাম বাসায় যা পরা ছিলাম (বিরাট ঢোল্লা এক সোয়েটার আর ট্রাউজার) সেইটা পইরাই রওনা..

প্রথমে ঢুকলো লিরা। বেটার চেম্বার বড়ই হাস্যকর, পার্টিশন দিছে ঠিকই..এইপাশে আমরা বৈসা আছি আর ওই পাশে লিরা আর ওই লোক...একটু মনোযোগ দিলেই যা বলে তাই মোটামুটি শোনা যায় Tongue । তো লিরা গেছে তো গেছে আর আসেনা...আমরা তিনজন বৈসা বৈসা ভিতরে কি বিষয়ক আলোচনা চলতেছে তা নিয়া নানান জল্পনা কল্পনা কইরা একসময় ক্লান্ত হইয়া চুপচাপ বৈসা থাকলাম। আন্টি টাইপ এক মহিলা বৈসা আছে তার মেয়েকে নিয়া, তার জৈতিষি বিষয়ক মুগ্ধতা দেইখা আমি আর শর্মী বেশ পুলকিত। অবশেষে লিরা বাইর হইলো...চোখ মুখ উজ্জ্বল...যা যা বলছে সব নাকি মিলে গেছে! এরপর তুহি...সেও মোটামুটি মোহিত হইয়া বাইর হইলো...প্রেমিকের হোম ডিস্ট্রিক্ট এর আদ্যক্ষর নাকি লেইখা দেখাইছে ওকে :S। তবে টেনশনের কথা ওর বিয়া নাকি ভাইঙ্গা যাবে দুই বছর পরেই, জ্যোতিষি নাকি ওরে বলছে যাতে এই ছেলেকে কিছুতেই বিয়া না করে। বেচারীর মুখ অন্ধকার...বিয়া প্রায় ঠিকঠাক...সামনের মাসেই বিয়া এইরকমটা অবস্থা। আমিও মহা উৎসাহে বুঝাইতে শুরু করছিলাম যে এই ছেলেরে বিয়া করা আসলেই ঠিকনা, কিন্তু বেচারির ছলছল চোখ দেখে আর ঠিক সাহস হইলো না, যথাসম্ভব শান্ত্বনা দেয়া শুরু করলাম। শর্মী ফেরত আসলো, চোখে মুখে দুষ্টামি...ওরে কি বলছে শোনা হইলো না, আমি ঢুকলাম।

রুমটা বেশ বড়..ঢোকার পর দেখি শেষ মাথায় একটা টেবিল, সেইখানে ভদ্রলোক বৈসা আছে। আমি সোজা রওনা দিছিলাম টেবিলের দিকে, উনি আমাকে বললেন 'জুতাটা প্লিজ খুলে রেখে আসো'...আমি আবার ফেরত গিয়া জুতা রাইখা আসলাম দরজার সামনে।

জ্যোতিষী: বসো।
আমি বসলাম।
জ্যোতিষী: নাম কি তোমার?
আমি নাম জানাইলাম।
জ্যোতিষী তার পাশের কম্পিউটার-এ কিছুক্ষণ খুটখাট কইরা খুবই ঘুমপাড়ানি একটা টিউন চালায় দিল। সেইরকম এক আবহ!
জ্যোতিষী: বল কি জানতে চাও..
আমি: (অকুল পাথারে) আমি আসলে কিছু জানতে চাইনা...মানে আপনি বলেন আমি শুনি..
জ্যোতিষী: আচ্ছা, তোমার কি সমস্যা আছে কোনো?
আমি: (মাথা চুলকাইতে চুলকাইতে) ইয়ে, সমস্যার তো অভাব নাই...কিন্তু এখন মনে পড়তেছেনা আর কি।
জ্যোতিষী: তোমাকে দেখে তো মনে হয় তুমি অনেক গভীর সমস্যায় আছো..
আমি: তাই নাকি?
জ্যোতিষী: তোমাকে তো কেউ বুঝতে পারেনা..
আমি: তা অবশ্য ঠিক..
জ্যোতিষী: আর এটা নিয়ে তোমার মনে অনেক ক্ষোভ..
আমি: তাই নাকি!
জ্যোতিষী: অস্বীকার করছ কেন? তোমাকে তোমার ফ্যামিলি বোঝেনা, তোমার বন্ধুরা বোঝেনা, তুমি আসলে অনেক একা..
আমি: (হাসি চাইপা) হুমম।
জ্যোতিষী: তোমার চারপাশে অনেক লোক থাকে, তুমি সবার মধ্যে একা হয়ে থাকো..
আমি: (হাই চাইপা) জ্বী।
জ্যোতিষী বোধ হয় বুঝতে পারে খুব একটা কাজে দিতেছেনা এইসব মুখস্ত কথাবার্তা..সে তার প্রথম অস্ত্রটা ছাড়ে এইবার..
জ্যোতিষী: তুমি কি বাসা থেকে আসছো?
আমি: (একটু অবাক) হ্যা..কেন?
জ্যোতিষী: অনেক তাড়াহুড়ায় বের হয়ে এসেছ না?
আমি: (তাড়াহুড়া করছি কিনা সেইটা নিয়া আকাশ পাতাল ভাবতে ভাবতে) মনে হয় একটু তাড়া ছিল..
জ্যোতিষী: হ্যা, কারণ তোমার তো এই জামাটা পরার কথা না..
আমি: তাই!
জ্যোতিষী: হ্যা, তোমার আজকে অন্য একটা জামা পরার কথা...তাড়াহুড়ার জন্য তুমি এটা পরেছ..
আমি: (এইবার বেশ ইন্টারেস্টেড) হুমম, তা ঠিক...তবে এইটা আসলে পরাই ছিলাম...নতুন করে পরতে হয়নাই..
জ্যোতিষী: জুতা তোমার অনেক শখের না?
আমি: জ্বী?
জ্যোতিষী: তোমার তো অনেক জুতার শখ...তুমি শপিং-এ গেলে জুতার দোকানেই থাকো বেশিক্ষণ..
আমি: (জুতা বিষয়ক কোনো শখ কোনকালে ছিল কিনা এইটা নিয়া চরম চিন্তায় পৈরা গিয়া) হুমম...
জ্যোতিষী: তুমি জানো যে তুমি জুতাগুলো পরতে পারবানা, তারপর-ও তুমি কিনে কিনে শেল্ফে সাজিয়ে রাখো..শুধু মাঝে মাঝে দেখো...
এইবার ঘটনাটা বুঝলাম...টেবিল পর্যন্ত আমাকে খালি পায়ে হাঁইটা আসতে দেখছে..ব্যাটার এমন আন্দাজি ঢিলে এবং আমার এইরকম বড়লোকের আকাইম্যা মেয়ে মার্কা চিত্রায়নে আমি মোটামুটি মুগ্ধ Smile
আমি: না, জুতার শখ আমার তেমন একটা ছিলনা কোনকালেই।
জ্যোতিষি: (রহস্যময় হাসি দিয়া) সত্যি বলছ?
আমি চুপ, বেটা জোর কইরা আমারে ইমেলদা মারকোস বানাইতে চায় নাকি?

উনি এইবার আমার জন্মসাল ইত্যাদি ইত্যাদি নিয়ে বেশ আঁকিবুকি করতে থাকেন তার খাতায়..
জ্যোতিষী: হাতটা দেখি...
আমি: ডান না বাম? Worried
জ্যোতিষী: দুইটাই দেখি..
আমি হাত বাড়াইলাম..বেটা গভীর মনোযোগে হাত দেখতে লাগলো..এইদিকে তার কম্পিউটার-এ বাজতে থাকা ঘুমপাড়ানি সুরের দমকে আমার হাই চাইপা রাখতে রাখতে খবর Stare
জ্যোতিষী: তোমার পড়ালেখা হবেনা বেশি..
আমি: (মুখ অন্ধকার কইরা) কি বলেন!
জ্যোতিষী: (সাথে সাথে) তবে একটা ছোট ফাঁড়া আছে, ঐটা কাটাতে পারলেই হবে...
আমি: (আগ্রহ নিয়া) কি ফাঁড়া? কি হবে?
জ্যোতিষী: না সেটা তো বলা যাবেনা..যখন হবে তখনি জানতে পারবা..
আমি: তো ফাঁড়া যদি না কাটে?
জ্যোতিষী: উপযুক্ত ব্যবস্থা নিলে তো ফাঁড়া কাটবেই..
আমি: ফাঁড়া কি সেইটাই যদি না জানি তাইলে ব্যবস্থা নিব ক্যামনে?
জ্যোতিষী: তোমাকে আমি একটা সাজেশন দিলে রাখবা?
আমি: (জ্যোতিষীর এহেন প্রেমিকের মত আবদারে চমৎকৃত হইয়া) জ্বী বলেন..
জ্যোতিষী: তুমি একটা রুবি পাথর নাও..সবসময় পরে থাকবা, তাহলেই তোমার ফাঁড়া কেটে যাবে।
আমি: (আশাহত হইয়া...সেই সেইম ওল্ড জ্যোতিষী এবং তার পাত্থর কাহিনী) ও আচ্ছা, ঠিকাছে।
জ্যোতিষী: আমার থেকেও নিতে পারো, আবার বাইরে থেকেও নিতে পারো...তোমার ইচ্ছা..
আমি: আচ্ছা দেখি..আর কিছু হবেনা জীবনে?
জ্যোতিষী: তুমি বিদেশ যাবা...তবে পড়তে না,
আমি: তো?
জ্যোতিষী: বিদেশে থাকা একজনের সাথে তোমার বিয়ে হবে..সে এসে তোমাকে উড়িয়ে নিয়ে যাবে।

উড়িয়ে নিয়ে যাওয়াটা আবার হাত দিয়ে প্লেন উড়ানোর ভঙ্গি করে দেখানো হলো। জ্যোতিষীর মুখ খুশি খুশি...আমার বিদেশ গমনের সম্ভাবনায় উনি যে খুবই আনন্দিত সেইটা বুঝলাম। তবে আমার মধ্যে কোনো আগ্রহ উদ্দীপনা না দেখায় উনি একটু বিভ্রান্ত হইয়া গেলেন।

জ্যোতিষী: ছেলে ইঞ্জিনিয়ার.
আমি: কোন ছেলে!
জ্যোতিষী: তোমার সাথে যার বিয়ে হবে..
আমি: তাই নাকি! (আমি তখন অলরেডি বিয়া করা, অদূর এবং সুদূর ভবিষ্যতেও জামাইয়ের ইঞ্জিনিয়ার হবার তেমন কোনো সম্ভাবনা দেখা যাইতেছেনা)।
জ্যোতিষী: হ্যা...
আমি: (গলায় যথাসম্ভব আনন্দ ঢাইলা) কবে আসবে সে?
জ্যোতিষী: (রহস্যভরা কন্ঠে) অপেক্ষা কর, আসবে একদিন..
আমি: হুমম।
জ্যোতিষী: আর কিছু জানতে চাও?
আমি: না পড়ালেখা হবেনা আর কিছু জেনে লাভ কি।
জ্যোতিষী: শুনো, ভাগ্যকে ইচ্ছা করলেই বদলানো সম্ভব...তোমাকে যেটা বললাম একটা রুবি পাথর নাও...ব্লা ব্লা ব্লা ...
আমি: (ততক্ষণে ঘুমে শেষ, ভাবতেছি বেটার এইরকম ঘুমপাড়ানি টিউন বাজানোর কারনটা কি!) জ্বী আচ্ছা..
জ্যোতিষী: আচ্ছা, তাহলে আবার এসো?
আমি: জ্বী ঠিকাছে...

ঠিক করছিলাম কোনো টাকা দিবোনা...কিন্তু এতোক্ষণ বইসা থাইকা এমনেই উইঠা যাইতে ক্যামন জানি সংকোচ লাগল। দুইশটা টাকা আগায় দিলাম, জ্যোতিষি বাবা হাত বাড়ায়ে নিয়া বলল 'থ্যাংকস'!

জৈতিষী বিষয়ক আরো তথ্য শর্মীর এই ব্লগে

পোস্টটি ১১ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

নুশেরা's picture


আমি এক জইতিষির সাক্ষাত পাইছিলাম যিনি যথার্থাই বলছিলেন আমি অনেক অনেক টাকার হিসাব করুম। তাও আবার বিদেশি টাকা। তার কথা অক্ষরে অক্ষরে ফলছিলো। তিন বছর ব্যাঙ্কে ফরেন এক্সচেঞ্জে ইমপোর্ট সেকশানে বৈসা বৈসা বেডারে মনে মনে সেলাম দিতাম

টুটুল's picture


আপ্নেতো তাইলে সেইরম বড়লুক। ফরেন কারেন্সির মধ্যেই দিন যাপন করতেন Smile

কিছু বলার নাই's picture


হাহাহাহা!

হাসান রায়হান's picture


সিরিজটা জমে গেছে। একেকটা একেক রকম।

অ:টঃ ঐদিন একটা ছবি তোলা মিস করেছি। আপনে বিড়ি টানতেছেন গ্রামের বৃদ্ধরা অবাক বিষ্ময়ে আপনারে ঘিরা বড় বড় চোখ কইরা দেখতাছে।

কিছু বলার নাই's picture


কন কি! এই ঘটনা আবার কখন ঘটল!

টুটুল's picture


তুহিরে ডাইকা আনো.... তারে কি কি কইছিলো সেইটাও জানা যাইতো Wink

কিছু বলার নাই's picture


তুহি এখনো জ্যোতিষী বাবার মুখে চুলকালি দিয়া বিবাহিত, ছেলে হইছে একটা কয়েকমাস আগে, দম ফেলার টাইম নাই।

লিজা's picture


উনি এই জুতা বিষয়ক ফর্মুলা মনে হয়ে শার্লক হোমস পড়ে পড়ে আয়ত্ব করার চেষ্টা করছেন । জীবনে আর দেখা করছেন ওনার সাথে ?

কিছু বলার নাই's picture


না, লিরা আর তুহি আরো বেশ কয়েকবার গেছিল। দেখি শর্মী ফিরলে আবার যাব একবার। ইন্জিনিয়ার বর এদ্দিন বিদেশে কি করে জানা দরকার।

১০

শাপলা's picture


হা হা হা,

১১

জেবীন's picture


খালার বাসায় বেড়াইতে গেছিলাম, দেখি একলোক বসে আছে, খালু ডাক দিয়া বলে, এনারে সালাম করো পায়ে ধইরা,  দূরে দাড়াইয়া সালাম দিতেই তিনি  সোফা ধরে বললেন,  "মেয়ের মাঝে স্পষ্ট তেজ দেখতাছি, কসম এই মরা কাঠের, কাগজ আনেন লিখে দিতাছি, এই মেয়ে সব পরীক্ষায় স্ট্যান্ড করবো, যদি ঠিক মতো লেখাপড়া করে(!!!)"...  
মরা কাঠের কসম জিন্দেগিভর আফসুস  রইয়া গেছে, ক্যান যে কাগজ আনিনাই দৌড় দিয়া?...  Sad

১২

কিছু বলার নাই's picture


আয়হায় বলেন কি! এইটা একটা কথা?

১৩

রাসেল আশরাফ's picture


আবারো ফাটাইলেন।
আপনার তো ফ্যান হয়ে গেলাম। Smile Smile

১৪

টুটুল's picture


এই শীতে ফ্যান?

১৫

রাসেল আশরাফ's picture


হ। সমস্যা কি? শীত কালে গরম বাতাস আর গরম কালে ঠান্ডা বাতাস। Tongue Tongue

১৬

কিছু বলার নাই's picture


ফ্যান হিটার হইয়া যাইতে পারেন, কাজে দিবে।

১৭

শওকত মাসুম's picture


এক জীবনে হাত দেখা শিখছিলাম, বই পইড়া। হাত দেখার কতগুলো কমন কথা আছে। যেমন একটা হইলো, আপনি সবার জন্য সব কিছু করেন কিন্তু আপনার জন্য সবাই সেরকম করে না।
এইটা ৯০% সবার সাথে মিলবে।

তারপর একদিন হাত দেখা ছাইড়া দিলাম। কারণ সব পরিচিতি মেয়েদের হাত ধরা শেষ হইয়া গেছিল। Tongue

১৮

টুটুল's picture


আমাদের সর্বজন শ্রদ্ধেয় কালপুরষদাও কিন্তু হাত দেখে Wink

১৯

শওকত মাসুম's picture


হাত দেখার বয়স পার হইয়া আসছি। এখন আ....... দেখি।

২০

মাহবুব সুমন's picture


Nerd

২১

কিছু বলার নাই's picture


হ, আরো আছে, ছোটবেলা আপনার অনেক কষ্টে গেছে...কিংবা কেউ আপনাকে বুঝেনা...অথবা আপনার মনে অনেক কষ্ট কিন্তু আপনি কাউকে বুঝতে দেননা সেটা.. হাহাহা

২২

বকলম's picture


মজারু পোষ্ট।

আমার ছোটভাই ইন্ডিয়ায় পড়ার সময় এক জ্যোতিষী তারে বলছিল সে কোনদিন বিদেশ যাইতে পারবে না।

২৩

একলব্যের পুনর্জন্ম's picture


আমাকে একেবারে পিচ্চিকালে একজন বলছিলো - ১৬ বছর বয়সে আগুনে পুড়ে মারা যাবো । আমি নাইন টেনে থাকতে রীতিমত টেনশনে থাকতাম Tongue

২৪

শওকত মাসুম's picture


আমার জীবনের বড় জ্যোতিষী ছিলেন আমার বাবা আর মা। নাম রাখছিলেন মাসুম। ঠিক ঠিক হইছে। Smile

২৫

নাজমুল হুদা's picture


পোস্ট পড়িয়া আরাম বোধ হইল । প্রাণ ভরিয়া হাসিলাম এবং মন ভাল হইয়া গেল ।

২৬

মুক্ত বয়ান's picture


আপনার লেখার প্রশংসা আগে শুনছিলাম। কিন্তু আলসি করে খুঁজে বের করে পড়া হয় নাই। এখন সিরিজটা শুরু থেকে পড়া শুরু করি... Smile

২৭

রায়েহাত শুভ's picture


আম্মো একখান জোইতিষি কেন্দ্র দিয়া ফালামু নাকি চিন্তাইতেছি Thinking

২৮

আরাফাত শান্ত's picture


আমার এক বন্ধু ছিলো তার এক জোতিষ গুরু ছিলো সে আমারে কইছিলো জীবনে অনেক টাকা কামাই করবেন!
কামাই করা দুরে থাক সামান্য চা ও খাই বাকীতে!~

২৯

তানবীরা's picture


আমার জীবনে যে কয়জন জ্যোতিষী কে কয়টা খারাপ কথা বলছে সবটাই ফলে গেছে। ভালো কথা বলেও নাই, ফলেও নাই

৩০

জ্যোতি's picture


আমার এক বন্ধু সংখ্যা গণণা করে খুব ভাব নিয়ে ভবিষ্যত বলতো, আর ভয়ে ভয়ে থাকতাম।তারপর লাইব্রেরী থেকে কিরো অমনিবাস বইটা নিয়ে কয়েকদিন খুব মন পড়লাম, , একসময় হাত দেখা, ভাগ্য গণণার প্রতি একবোরে বিশ্বাস চলে গেলো।
আপনাদের দুই বন্ধুর জ্যোতিষী নিয়া লেখা পড়ে খুব মজা পেলাম।

৩১

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


ফটকা কিসিমের মানুষের কাছে যাওয়া হইলো না আর Tongue

৩২

মীর's picture


আপ্নের খবর কি? নতুন পর্ব কৈ? আপ্নের বন্ধুও তো দেখি পয়লা পোস্টে তুল্কালাম করে যাওয়ার পর ডুব মারলো। এ দেশের যে কি হপে।

৩৩

শর্মি's picture


কিচুই হপেনা মনে হয়।

৩৪

মেঘকন্যা's picture


ভাল্লাগছে Laughing out loud

৩৫

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


এমুন একটা সিরিজ বন হয়ে আছে কেন?!

৩৬

রশীদা আফরোজ's picture


স্কুলে পড়ার সময় এক আত্মীয় হাত দেখে বেশ চিন্তিত ভঙ্গিতে বলেছেন, আমি পরীক্ষায় ফেল করেছি কি না? তারপর থেকে জৌতিসীদের ব্যাপারে কোনোদিন আগ্রহ হয়নি।

৩৭

রশীদা আফরোজ's picture


জৌতিষ

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

কিছু বলার নাই's picture

নিজের সম্পর্কে

কিছু বলার নাই