ইউজার লগইন

আদুরে বাবুর রিডিং অ্যাপস, শিশুদের জন্য ডিজিটাল শিক্ষাউপকরণ ও তার সম্ভাব্য অভিঘাত বিষয়ে একটি সতর্ক প্রতিক্রিয়া

Adure babu-2.jpg
পোস্ট-প্রণোদনা: আমার খুব একজন প্রিয় মানুষ, সাবেক সহকর্মীর ফেইসবুক পোস্ট থেকেই প্রথম জানতে পারি- আদুরে বাবুর রিডিং অ্যাপসের (নামটি পত্রিকায় পাওয়া, সঠিক নাম রিডিং অ্যাপস) কথা। তিনি লিখেছেন, যেসব অভিভাবকরা সন্তানদের ভিডিও খেলার প্রতি নেশাগ্রস্ততা নিয়ে চিন্তিত এ অ্যাপস তাঁদের সন্দেহাতীতভাবে সাহায্য করবে। শিখন হয়ে উঠবে আনন্দঘন। তাঁর এ নির্ভেজাল অনুভূতিকে, শিশুদের জন্য তাঁর চাওয়াকে বিনম্র স্বাগত জানাই। শিশুদের শিখন প্রক্রিয়া হয়ে উঠবে আনন্দঘন- এটি নিশ্চই আমাদের সবার চাওয়া। কিন্তু শিখন প্রক্রিয়াকে আনন্দঘন করে তোলাই কি আমাদের একমাত্র অগ্রাধিকার হবে? নাকি এ প্রক্রিয়াটি শিশুর বর্তমান ও ভবিষ্যত স্বাস্থ্যের জন্য কতটুক নিরাপদ হবে, জনস্বাস্থ্যে তার প্রভাব কতখানি পড়বে, ভবিষ্যতে সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিসরে আমাদের শিশুরা সত্যিকার মানবসম্পদ হিসেবে টিকে থাকার ক্ষেত্রে এর কোন প্রভাব রয়েছে কি না- এসব বিষয়ও আমাদের মৌলিক বিবেচ্য বিষয় হয়ে উঠবে? অথবা হওয়া উচিত?

কৈফিয়ত: লেখাটার শুরুতে একটা বিনীত কৈফিয়ত দিতে চাই। জানাতে চাই যে, আমি কোন চিকিৎসক নই, বিজ্ঞানী নই, এ বিষয়ে কোন বিশেষজ্ঞও নই। খুব একটা পঠনপাঠনও আমার নেই। আমার এ প্রতিক্রিয়ার কারণে আমাকে প্রযুক্তিবিরুদ্ধ-পশ্চাদপদ ভাববারও সুযোগ রয়েছে। সে ঝুঁকিটাও সাদরে আগাম মাথায় নিচ্ছি। তারপরও শিশুদের জন্য এ শিখন অ্যাপস বিষয়ে সতর্কতামূলক প্রতিক্রিয়া জানানোটা একজন শিশুর অভিভাবক হিসেবে নিজের দায় মনে করছি। আমার এ প্রতিক্রিয়ায় শিশুস্বাস্থ্যের উপর মুঠোফোন, ট্যাবস ও ইলেক্ট্রনিক ডিভাসইসের নেতিবাচক প্রভাব বিষয়ে আমি বিদ্যমান বিদ্যাজাগতিক ও বৈজ্ঞানিক গবেষণার তথ্যও ব্যবহার করার আগ্রহী নই। তবে অনুরোধ করবো-এ সম্পর্কিত প্রচুর গবেষণা ফলাফল আন্তর্জালিক পরিসরে (ইন্টারনেট) পাওয়া যায়। কষ্টকরে দু’একটিতে চোখ বুলিয়ে নিতে। দরকার হলে আপনার শিশুর নিয়মিত ডাক্তারের কাছ থেকেও জেনে নিতে পারেন। আমি এখানে তার বদলে একজন অভিভাবক হিসেবে আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণরই আশ্রয় নিবো। আশা করি তা আমার এ সতর্ক প্রতিক্রিয়ার যৌক্তিকতাকে স্পষ্ট করবে।
আরও একটি কৈফিয়তা দিয়ে রাখতে চাই যে, একটি স্বনামধন্য উন্নয়ন সংস্থার একটি বিশেষ প্রকল্পের বিরোধীতা- এ লেখার উদ্দেশ্য নয়। বরং এ ধরনের উন্নয়ন উদ্যোগ এমনকি সকল বাণিজ্যিক উদ্যোগগুলিও যেন আরও সংবেদনশীল হয়ে ওঠে, এগুলি যেন সামাজিক ও নৈতিক জবাবদিহিতার আওতায় আসে- সে দরকারি বিষয় নিয়ে সীমিত পরিসরে আলোকপাত করার জন্যই এ লেখার সূত্রপাত।

ঘরের ও পরের অভিজ্ঞতা: আমাদের মেয়েটি এখন ৭ম শ্রেণিতে পড়ে। বছর দু’য়েক আগে একদিন হঠাৎ করে জানায়- বাবা আমি স্কুলে পেছনে বসলে বোর্ড কিছুটা ঝাপসা দেখি। মনটা ভীষণ খারাপ হয়। সেদিনই তাকে ঢাকার একজন সুপরিচিত চক্ষুবিশেষজ্ঞের কাছে নিয়ে যাই। ডাক্তার চোখ পরীক্ষা করেন। সমস্যাও খুঁজে পান। ডাক্তার তার কাছে, আমাদের কাছে যে বিষয়টি খুব গুরুত্বের সাথে জানতে চান সেটি হচ্ছে- তার প্রতিদিন মোবাইল ফোন বা ট্যাব ব্যবহারের মাত্রা। আমরা বলি, ব্যবহার করে, তবে প্রতিদিন নয়। আমরা সাধ্যানুযায়ী নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখি-এটাও ডাক্তারকে জানাই। ডাক্তার তাকে চশমা দেন। আর আমাদের বলেন, পরবর্তী ৬ মাস মোবাইল ও ট্যাব থেকে একশো ভাগ দূরে রাখতে। এসব ব্যবহারের মাত্রা যতখানি সম্ভব সীমিত রাখতে। তার অতিআগ্রহ আর অনুরোধে আমিই তাকে ট্যাব কিনে দিয়েছিলাম। সে অপরাধবোধে আমি এখনও ভূগী। ডাক্তার আমাদের সেদিন জানান, সাম্প্রতিক সময়ের শিশুদের চোখের বেশির ভাগেরই সমস্যার প্রধান উৎস স্টার্টফোন ও ট্যাব নির্ভর অ্যাপস। আমি বলছি না, এ সময়ের শিশুদের চোখের সমস্যার একমাত্র কারণ মুঠোফোন ও ট্যাবস নির্ভর এ্যাপসের ব্যবহার। আরও কারণ নিশ্চই আছে। তবে এটি অন্যতম এবং প্রধান কারণ হয়ে ওঠার প্রবণতাটি সুস্পষ্ট। আমার প্রতিবেশী, বন্ধু-স্বজন ও আশপাশের যেসব শিশুদের চিনি, জানি, তাদের ব্যাপারে আমার যে পর্যবেক্ষণ, তাতে বলতে পারি, এসব শিশুদের চোখের সমস্যার সাথে মুঠোফোন অ্যাপস ও ট্যাব ব্যবহারের সহ-সম্পর্ক (কো-রিলেশন্স) জনস্বাস্থ্য বিষয়ক বৈজ্ঞানিক গবেষণায় প্রমাণ করা সম্ভব। এবং সেটি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটেই সম্ভব। পাশাপাশি রেডিয়েশনজনিত যে স্বাস্থ্য ঝুঁকি রয়েছে, যেটি শিশুদের ক্ষেত্রে সবসময় বেশি, সে আলোচনাটা লেখার কলেবর বেড়ে যাবে বলে এখানে করছি না। কিন্তু আগ্রহীরা দেখে নিতে পারেন। এ সম্পর্কিত প্রচুর গবেষণা প্রতিবেদন অন্তর্জালে রয়েছে।
Adure babu-4.jpg

আদুরে বাবুর রিডিং অ্যাপস: এটি সমকাল পত্রিকায় ব্যবহৃত নাম। দাপ্তরিক নাম রিড এ্যাপ। শিশুদের নিয়ে কাজ করে আন্তর্জাতিক সংস্থা সেভ দ্যা চিল্ড্রেন এর একটি প্রকল্পের আওতায় এটি তৈরি করা হয়েছে। আর্থিক সহায়তা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক দাতাসংস্থা- ইউএসএআইডি। পত্রিকায় বলা হয়েছে, সমকালের প্রতিবেদন থেকেই উদৃত করছি-

এই অ্যাপস দিয়েে সহজইে আপনি ছোটদের বাংলা পড়া ও বোঝার দক্ষতা বাড়াতে পারেন। ইউএসএআইডির অর্থায়নেে সেভ দ্যা চিল্ড্রেনের রিড প্রকল্পের মাধ্যমে প্রাথমিক পর্যায় থেকে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য তৈরি করা হয়ছেে এসব অ্যাপ। চাইলইে আপনি তা মোবাইলে ইনস্টল করে যে কোনো সময় তা ব্যবহার করতে দিতে পারেন শিশুদের। এই অ্যাপ তৈরি ও গবেষণায় সহযোগিতা করেছে বাংলা একাডেমি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, ঢাকা বশ্বিবদ্যিালয়ের শিক্ষা ও গবষেণা ইনস্টটিউিট এবং বাংলা বভিাগ, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টটিউিট ও প্রাথমকি শক্ষিা অধদিপ্তরসহ আরও অনেকেই’।

এ অ্যাপস তৈরি- ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষায় একধাপ অগ্রসর বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
Adure babu-3.jpg
আরেকটি কৈফিয়ত: বলে রাখা উচিত, রিডিং এ্যানহান্সমেন্ট ফর এডভান্সিং ডেভলমেন্ট প্রোগ্রাম বা সংক্ষেপে রিড বাংলাদেশ প্রকল্প সম্পর্কেও একটু জানবার চেষ্টা করেছি। প্রকল্পের দাপ্তরিক ফেইসবুক পাতা ও অন্যান্য সূত্র থেকে যেটুকু জেনেছি তাতে এ প্রকল্প নিয়ে আপ্লুত হওয়ার যথেষ্ঠ কারণও রয়েছে। প্রকল্পটি কাজ করছে প্রথমত গ্রামীণ সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের নিয়ে। চার বছর মেয়াদে প্রকল্পটি সরসারি ১,৩১২,৮৬৫ সুবিধাভূগীর কাছে পৌছাবে। পরোক্ষভাবে আরও ২,৬৫০,৪৭৪ জনের কাছে পৌছাবে। অপ্রত্যক্ষ উপকারভূগীরা মূলত: রিডপ্রকল্প বহির্ভূত। যারা রিড এর ওয়েবভিত্তিক শিক্ষাউপকরণগুলি ব্যবহার করবে। অ্যাপসগুলি ব্যবহার করবে।

আমার এ লেখায় শিশুদের জন্য মুঠোফোন, ট্যাব বা কম্পিউটারভিত্তিক অ্যাপস ব্যবহারের সংবাদে সতর্ক প্রতিক্রিয়া প্রকাশ কোনভাবেই উক্ত প্রকল্প বিরোধিতা নয়। বরং প্রকল্পটির সাফল্য কামনা করছি। প্রকল্পটির মুল উদ্দেশ্যের প্রতি সমর্থন জানাচ্ছি। একই সাথে আবারও শিশুদের নিজেদের ব্যবহারের জন্য এ ধরনের ডিজিটালভিত্তিক উপকরণ তৈরি ও প্রসারের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছি। কার্যক্রমটিকে পুনর্বিবেচনার অনুরোধও জানাচ্ছি।

ডিজিটাল দুনিয়ার রাজনৈতিক অর্থনীতি: গুগল প্লেস্টোরে গেলেই এ ধরনের অসংখ্য শিখন সহায়ক অ্যাপস পাওয়া যাবে। শিশুদের জন্যও রয়েছে অসংখ্য অ্যাপস। অসংখ্য গেমস। ইন্টারন্যাট সংযোগ থাকলেই বিনেপয়সায় ডাউনলোড করা যায়। আপাতত ফ্রি মনে হলেও আসলে এগুলির কোনটিই ফ্রি নয়। এগুলির প্রত্যেকটির সাথে স্মার্টফোন, ট্যাব, কম্পিউটার বাণিজ্যের সম্পর্কটা সুপ্রতিষ্ঠিত। যতবেশি ডাউনলোড ততবেশি ছবি ক্রেডিট: রিড প্রকল্পের ফেইসবুক পাতাইন্টারনেট ব্যবহার। যতবেশি ইন্টারনেট ব্যবহার ততবেশি সংশ্লিষ্ট দুনিয়ার রাজস্ব আয়, পুঁজি বৃদ্ধি। পরিষেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলির লাভ। কেননা ইন্টারনেট ব্যবহারের খরচ কোন না কোন উৎস থেকে যোগাতেই হয়। গুগল প্লেস্টোরের রাজনৈতিক অর্থনীতি নিয়ে ইতোমধ্যে বেশকিছু গবেষণা হয়েছে। গবেষণাগুলিতে দেখানো হয়েছে কীভাবে এক এন্ড্রয়েড দিয়েই গুগল ইন্টারনেট দুনিয়ায় নিজস্ব দাপট এবং ব্যবসা দু’টিই নিশ্চিত করেছে। অন্তর্জালের যে ক্ষমতাকাঠামো তার কেন্দ্রে অবস্থান করছে। কেউ কেউ তাঁদের গবেষণায় গুগলের একচেটিয়া বাণিজ্যরাজ্য প্রতিষ্ঠার প্রতিও ইংগিত দিয়েছেন।
বলছি না যে, রিড অ্যাপসের সচেতন রাজনৈতিক অর্থনীতি রয়েছে। সেটি না থাকারই কথা। নেই বলেই বিশ্বাস করতে চাই। কিন্তু ডিজিটাল দুনিয়ার যে অর্থনৈতিক কাঠামোটি রয়েছে, সে কাঠামোটি থেকে তো এটি মুক্ত নয়। সে অদৃশ্য কিন্ত মজবুত কাঠামো থেকে মুক্ত হওয়া সম্ভবও নয়। আর মুক্ত নয় বলেই এ অ্যাপস যদি শেষ পর্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে (এটিকে জনপ্রিয় করার নানা প্রয়াস ইতোমধ্যে দৃশ্যমান, প্রকল্পের আওতায় এটিকে প্রচার-প্রসারের কর্মসূচিও রয়েছে), বিপুল ব্যবহারযোগ্যতা পায়, তবে স্বাস্থ্য ঝুকির পাশাপাশি এর অর্থনৈতিক সুবিধাটা ডিজিটাল দুনিয়ার নিয়ন্ত্রকদের কাছেও পৌছাবে। তারা সরাসরি অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবেন। অপ্রত্যক্ষ টার্গেট জনগোষ্ঠীর সম্ভাব্য ইন্টারনেট ব্যবহার দিয়ে একটি গাণিতিক হিসেব করলেই তা আঁচ করা যাবে। তাহলে এ রকম রাজনৈতিক অর্থনীতির কাল্পনিক সম্ভাবনার কথা ভেকে কি আমরা নিজেদের ডিজিটাল দুনিয়া থেকে বিযুক্ত করে নিব? শিক্ষাউপকরণ হিসেবে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার করবো না? অবশ্যই সেটি নয়। তাহলে??

Adure-5.jpg
ডিজিটাল মানে সবকিছু ডিজিটাল নয়: এ অ্যাপস শিশুদের জন্য নয় বরং শিক্ষকদের জন্যই হোক: বাংলাদেশ সরকারের ভিশন ২০২১ এবং সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় একটি ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার আকাঙ্খা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে। সুতরাং আমাদের শিক্ষা পদ্ধতি ও শিক্ষাউপকরণে প্রযুক্তি নির্ভর হবে, প্রযুক্তির ব্যবহার হবে- এটাই প্রত্যাশিত। কিন্তু ডিজিটাল বাংলাদেশ মানে কোনভাবেই শিশুদের হাতে স্মার্টফোন তুলে দেয়া নয়। ট্যাব হাতে নিয়ে তাদের শিখতে বলা নয়। আজকের শিশুরা স্মার্টফোন বা ট্যাব হাতে নিয়ে গেমস খেলে বলে তার বিকল্প হিসেবে একই ডিভাইসে শিখন সহায়ক অ্যাপস তুলে দেয়াও নয়। আমি বরং এ ধরনের প্রযুক্তি নির্ভর শিখন সহায়ক উপকরণগুলি শিক্ষক ও অভিভাবকদের জন্য ব্যবহারের বিনীত অনুরোধ জানাই। শিক্ষদের মধ্যে জনপ্রিয় করে তোলার মিনতি করি। যাতে শিক্ষকদের শিক্ষাদানের মান আরও উন্নত হয়। কার্যকর হয়।

সনির্বন্ধ অনুরোধ: এ লেখাটিকে বিশেষ প্রকল্প বিরোধীতা হিসেব পাঠ না করার বিনীত অনুরোধ জানাই। আমাদের শিশুরা আনন্দঘন সহায়ক পরিবেশে পড়তে-লিখতে শিখুক- এটি আমাদের আবশ্যিক চাওয়া। তার চেয়ে বেশি চাওয়া হচ্ছে তাদের চোখ সুস্থ্য থাকুক। তাদের দৃষ্টিশক্তি সুস্থ্য থাকুক। উদ্ভাবনের নামে অথবা রাজনৈতিক অর্থনীতির শিকার হয়ে আমাদের শিশুদের দৃষ্টিশক্তি যেন সামন্যটুকুন বিপদগ্রস্ত না হয়। অথবা অন্যকোন স্বাস্থ্যঝুকি যেন তৈরি না হয়।

কৃতজ্ঞতা: ব্যবহৃত প্রথম ছবিটি সমকাল অনলাইন সংস্ককরণ থেকে নেয়া আর বাকীগুলি রিড প্রকল্পের দাপ্তরিক ফেইসবুক থেকে নেয়া। সব ছবিগুলিই স্ক্রিনশট এর মাধ্যমে নেয়া হয়েছে।

পোস্টটি ৩ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

আরাফাত শান্ত's picture


উদ্যোগ ভালো। সফল হোক!

শাপলা's picture


আসলেই ভালো উদ্যোগ নি:সন্দেহে। সফল হোক।

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

সাম্প্রতিক মন্তব্য

munirshamim'র সাম্প্রতিক লেখা