ইউজার লগইন

নেয়ামত'এর ব্লগ

সাতকাহন- ১

.................................................................................................................................

একদিকে অনুভূতি ঘেরা উচুঁ দেয়াল,
অন্যদিকে বাস্তবতার আকাশ-পাতাল ফারাক।
আমি না পারি অনুভূতির পাঁছিল টপকাতে,
না পারি আকাশ-পাতালের দূরত্ব ঘোঁচাতে।
শুধু প্রত্যাশায় থাকি,
একদিন হয়তো বিশাল আকাশ হূড়মূড় করে।
নেমে আসবে এই মাটির বুকে।
অপেক্ষায় আছি, অনন্ত অপেক্ষায় ।।

পথ চলতে হয় বলেই হয়তো পথ চলা।
সুখে থাকার অভিনয় করতে হয় বলেই,
হাসিমুখে কথা বলা।
জানি, তোমার বলার মতো কেউ হয়তো নই।
তবুও জেনে নিও,
আমার ভিতর বাহির বলে কিছু নেই,
যদি কিছু থেকেও থাকে, তা সবই তোমার।
আমার আনন্দ তুমি,
তাই এতো ভালোবাসি তোমায়।।

সময়টা অকারণে থমকে গেছে,
দম দেয়া ঘড়িটা যেনো হারিয়েছে তার দম।
বড্ড অস্থির এই সময়টা।
মনের দরজায় উকিঁ দিয়ে যাচ্ছে হাজারো স্মৃতি,
জন্ম দিচ্ছে হাজারো প্রশ্নের।
স্মৃতিগুলোকে ঘুম পাড়িয়ে,
সকল প্রশ্ন সচেতনে এড়িয়ে দেখি,

যাপিত জীবনের গল্প-৪

ছোট বেলাতেই সব কিছুতেই সহজে হার মেনে নেয়ার একটা প্রবণতা ছিলো। যে কোনো কারণেই হোক, যা কিছুই ঘটুক খুব সহজেই হার মেনে নিতাম। হয়তো কোনো ভেজালে যেতে চাইতাম না বলেই অথবা খুব ক্ষীণ শক্তির অধিকারী ছিলাম বলেই।

কিংবা কখনো কোন কারণে মনে হয়নি আমার জিততেই হবে। কোন কিছুতে জেতার চেষ্টাও করিনি কখনো।

খুব ভালো ছাত্র যে কখনোই ছিলাম না সে ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই। কিংবা ভালো ছাত্র হবার চেষ্টা কখনো করিনি। কখনো ক্লাসে প্রথম হওয়া ও তাই কোনোদিন হয়ে উঠেনি। তবে বই পড়ার প্রতি আমার ছিলো প্রচন্ড ঝোঁক। সেটা নিজের পাঠ্য বইয়ের প্রতি নয়, বড় বোনদের বাংলা কিংবা ইংরেজী বইয়ের গল্পগুলোর প্রতি। ওই বইয়ের গল্প পড়েই বিকেলের সময়টুকু কাটিয়ে দিতাম ।

ভবিষ্যত বলা কঠিন , তবুও সব বাবা মা নিশ্চয় তার সন্তানকে নিয়ে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম স্বপ্নটাই দেখে ।

যাপিত জীবনের গল্প-৩

সর্বশেষ যে স্বপ্নটা মরে যেতে দেখছি সেটা হলো ব্লগ লেখা । জীবনের পথে পথে কতো যে স্বপ্ন মরে গিয়েছে খোঁজ রাখিনি কোনো দিন। এখন তো মাঝে মাঝে মনে হয় আমার জীবনে কোনো স্বপ্নই ছিলো না। ছিলো কি কোনো স্বপ্ন?

জীবনের দিনলিপিতে শুধু সাতটি দিনেরই অস্তিত্ব খুঁজে পাই কেবল। তাতে কেনো যেনো কোনো আনন্দ খুজে পাইনা। সকাল হয়, রাত আসে। তারপর আবার সকাল। ক্যালেন্ডারের পাতার এই দিন গোনার বাইরে আর কোনো কিছুই আজকাল আর আমাকে তেমন স্পর্শ করে না ।

এইযে ৪২ বছর পর মানবতা বিরোধী অপরাধের বিচার নিয়ে সারাদেশে তোলপাড় হয়ে গেলো। তার খুব কমই আমাকে স্পর্শ করেছে।

দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ট্রাজেডি সাভারের ভবন ধ্বসের ঘটনায় মারা যাওয়া মানুষগুলোর স্বজনের হাহাকার ও আমার গভীরে ছুয়ে যেতে পারেনি।

৫ই মে মতিঝিলে কি হয়েছিলো সেই নিয়ে সাধারণ মহলের নানা জল্পনা কল্পণার কোনো কিছুই আমাকে তেমন স্পর্শ করেছে বলে কখনো মনে হয়নি।

মাঝে মাঝে মনে হয় সব কিছু কেমন যেনো আমার স্পর্শের বাইরে চলে গেছে।
আহ! কোথায় গেলো , আমার সেই গল্পের বই?

আত্মকথন-১

...............................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................
তুমি এখন উড়ছো
যান্ত্রিক ডানায় ভর করে,
আমিও উড়ছি,
কল্পলোকের ডানায়।

বেশ কিছুক্ষণ চোখ দুটি বন্ধ করে,
অবিরাম একেঁছি
তোমার ওই মায়াবী মুখখানি ।

আচ্ছা, তুমি এখন কি করছো?

তুমি কি এখন তোমার আসনে হেলান দিয়ে,
সুখ ঘুম ঘুমাচ্ছ?
তোমার স্বপন জুড়ে কি কোনো মানব ঘুরে বেড়াচ্ছে?
নাকি চুমুক দিচ্ছ হুইস্কি কিংবা স্কচ এর গ্লাসে?
নাকি তোমার নাকের বিন্দু বিন্দু ঘামের মতো,
গ্লাসের গা বেয়ে নামা শীতল জলের মাঝে,
কারো ছবি আঁকছো?

খুব জানতে ইছে করছে,
তুমি এখন কাকে ভাবছো?

আস্তিক, নাস্তিক এবং ছাগু

্বেশ দীর্ঘ সময় ধরে ব্লগে লেখা হয়ে উঠেনি । লেখার মতো কোনো বিষয় ছিলো না এমন নয়। তবুও লেখা হয়নি। আমি বরাবরই "ব্যাক ব্যাঞ্ছার" ছিলাম। ব্লগ লেখাতে ও তার ব্যতিক্রম নই। যখন ই কোনো লেখা লিখবো বলে স্থির করি তার আগেই তা নিয়ে ব্লগের পাতা ভর্তি হয়ে যায়।। ওই সব লেখা পড়ার পর আর নিজের লেখা হয়ে উঠেনা। আস্তিকতা, নাস্তিকতা কিংবা ছাগু এটাও খুব পুরোনো বিষয় , তবুও আজ লিখতে হচ্ছে এইটা নিয়ে। আশা করি লেখাটা আমি সবাইকে বুঝাতে পারবো । আমার বুঝিয়ে বলার ক্ষমতা কম । তাই যারা পড়বেন তাদের বলছি। পড়ার সময় একটু ধৈর্য্য নিয়ে পড়বেন।
বর্তমানের প্রচলিত তিনটা শব্দ আস্তিক, নাস্তিক এবং ছাগু। সমমনা ব্যতীত অন্য কারো কাছ থেকে এই উপাধি গুলোর কোনোটা না পেয়ে থাকলে বুঝতে হবে আপনি কথা কম বলেন। আর যদি বলে থাকেন , তাহলে এতোদিনে যে কোনো একটা পেয়ে গেছেন । অবশ্য আস্তিক উপাধিতে কেউ গালি দেয়না। তবে আস্তিক শব্দটা নাস্তিক এর বিপরীত হিসেবে মুখে মুখে চলে এসেছে। তাই আস্তিক শব্দটা নিয়ে কিছু বলার নাই।

ছয় ছয় তিন

..............................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................

মাঝে মাঝে আমার ভীষন ইচ্ছে করে
সমগ্র অনুভুতিগূলোকে মাটি চাপা দেই।
চলতি পথে মোড়ের অবহেলিত
ল্যাম্পোস্টের নিচে
কিংবা ঝুল বারান্দার কার্ণিশে
পায়ে ভেঙ্গে উঠা সিঁড়ির গাঁয়ে
লেপ্টে থাকা অনুভূতিগুলো
আমায় দেখে মুচকি হাসে
অনুভুতিগুলো তোমার টু –পয়েন্ট পিস্তলের
গুলির গল্পের মতো
দাগ দিয়ে যায় হৃদয়ের অভ্যন্তরে।

অনুভুতিগুলো অতন্দ্র প্রহরির মতো
দাঁড়িয়ে থাকে মধুমিতা কিংবা
জসিম উদ্দিন রোডের মাথায়
কিংবা ব্যস্ত শহরের সর্বত্র ।
ফিনফিনে অনুভূতিরা নিঃশব্দে হেটে বেড়ায়
বসুন্ধরা কিংবা কর্ণফুলি গার্ডেন সিটির ফুড কোর্টে।

শহরের অলিতে গলিতে কিংবা

দুঃখবিলাস-১

সময়গুলো বড্ড স্বার্থপর । চলে যাবার পথে সব মলিন করে দিয়ে যায়। কেড়ে নেয় আবেগের কেন্দ্রে থাকা বস্তু বা ব্যক্তিগুলোকেও। যে মানুষটা সবচেয়ে আপন ছিলো , সে ও পর হয়ে যায়। কিংবা যে ভাবতে শিখিয়েছিলো আমি তার সবচেয়ে প্রিয়জন, সময়ের আবর্তে সেই মানুষটাও কেমন বদলে যায়। হয়তো এটাই রীতি। কিন্তু স্বার্থপর সময় কেনো বয়ে নিয়ে যায়না সুন্দর স্মৃতিগুলোও। সকল সম্পর্ক ও ভালোবাসাকে ম্লান করে দিয়ে যায়, কিন্তু কি নিষ্ঠুরভাবে সাজিয়ে রাখে স্মৃতিগুলোকে।কি তরতাজা সেই স্মৃতিগুলো।
মনে হয় এইতো সেদিনই তুমি বলেছিলে, আমি তোমাকে পেয়েছি, আমার আর অন্য কারো প্রয়োজন নেই।
মনে পড়ে তোমার?
তুমিই বলেছিলে আমিই তোমার জীবনে শ্রেষ্ঠ উপহার। আজ তুমিই ভাবছো সেই আমিই তোমার বোঝা!
তুমি চলে যাবে?
যাও।
কিন্তু পারবে কী আমার সব স্মৃতিগুলো মুছে দিতে?
তুমি পারবেনা কিছুই, না পারবে আমার হতে, না পারবে স্মৃতি মুছে দিতে। আর আমি বসে বসে দেখবো সময়ের স্রোতে ভেসে ভেসে তোমার অবগাহন।
তোমায় ভুলে থাকা অসম্ভব নয়, কিন্তু তোমার স্মৃতিগুলো যে সেটা অসম্ভব করে দেয়।

অচেনা সময়

..............................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................

মাঝে মাঝে আমার বড্ড ভয় হয়
এই অস্থির মতি চঞ্ছল লোকটা যদি
হঠাৎ করেই হারিয়ে যায়।
কিংবা হঠাৎ করেই লোকটা যদি
হয়ে যায় দূরের কেউ।

যদি দীর্ঘদিন পর আধ বয়েসী অন্ধকার রাতে
লোকটা যদি আবার
আমার সামনে এসে দাঁড়ায়,
কোনো নির্জন স্টেশনে
কিংবা রেল, বাস , ট্রামে।
তার গায়ের গন্ধ
কিংবা তার মায়াবী হাসিখানি
যদি আমায় মনে করিয়ে দেয়
এই মানুষটা আমার বড্ড চেনা।
যদি গভীর আবেশে
তাকে জড়িয়ে ধরতে ইচ্ছে করে,
কিংবা ভুল করে
তার কপোলে,ওষ্ঠ ও অধরে
চুমু একে দিতে ভীষণ ইচ্ছে করে,
মৃদু বাতাসে উড়তে থাকা
তার রেশম চুলগুলো
সাজিয়ে দিতে গেলে
মানুষটা যদি চিৎকার করে বলে

অপেক্ষা-১

.................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................।...................................
সকালের শুরুতে ভালো লাগার,
সূক্ষ অনুভূতির পলেস্তারাগুলো
বিকাল না আসতেই খসে পড়লো চারিধারে।
কাঠফাঁটা দুপুরের তপ্ত রোদে
যেমন ঝাপসা দেখে
দীর্ঘ পথ হেটে আসা ক্লান্ত পথিকের চোখ,
মুহূর্তের ব্যবধানে তেমনি ঝাপসা হয়ে এলো
আমাদের স্বপ্ন আর ভালোবাসার অনুভূতিগুলো।

চলে যাবে ?
যাও।
জানি তুমি আর ফিরবেনা আমার দুয়ারে,
কখনো কড়া নেড়ে বলবেনা
দরজাটা একটু খুলবে?
কিংবা চাইবেনা পিপাসার জল ।।

বেডরূম অথবা রাজপথ

...................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................

আমি অনেক ঘুমকাতুরে একজন মানুষ। আমার সবচেয়ে প্রিয় জায়গা হল বেডরুম। ভালো একটা বেড্রুম পেলেই আরামের ঘুম। খাওয়া না হলেও চলবে, কিন্তু ঘুমানো আমার চাই ই চাই।

কোনো খবর নাই !?

আহারে কতদিন ধইর‍্যা অপেক্ষা কইর‍্যা আছি আমরা বন্ধু থেকে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে কিছু একটা করা হইবো, কত্ত মজা হইবো ।
কিন্তু এখন দেখি কিছুই হইলোনা। Sad Sad Sad
পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে কোনো পোস্ট ও নাই(ল্যামপোস্ট বুঝানো হয় নাই)।
সবাই কি ঘুমাইয়া গেলো নাকি? Sleepy Sleepy Sleepy
আমরা বন্ধু ব্লগে আইছিলাম ভালু ভালু লেখকগো Angel Angel লেখা পড়তাম পড়তেছি পড়তেছি পড়তেছি । আমি আবার ভালু লেখা পড়তে ভালু পাই। কিন্তু এখন দেখি ব্লগ জমাইয়্যা রাখার দায়িত্ব আমার উপরই পড়লো Day Dreaming Day Dreaming Day Dreaming । গত ৭ দিনে ৫ টা হাবিজাবি পোষ্ট দিলাম । নিজেতো ভালু লেখা লিখতে পারিনা। তাই হাবিজাবি লিইখ্যা ব্লগ এর পাতা ভরাইয়া দিতাছি । তবুও যদি এই মানহীন লেখা দেইখ্যা ভালু লেখকেরা ব্লগ জমাইতে আগাইয়্যা আসে। আর এই ফাকে আমিও কিছু ভালু লেখা পড়বার পারতাম Laughing out loud Laughing out loud Laughing out loud

সাম্প্রতিক সৃজনশীল প্রশ্ন-১

নীচের উদ্দীপকটি পড়ে নীচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও
বহুদিন আগে এক রাজার এক মন্ত্রী ছিলেন। তিনি একবার অবৈধ টাকা সরাইবার সময় হাতেনাতে ধরা পড়িয়া যান। কিন্তু পূর্ব পরিকল্পনা থাকায় তিনি অনর্গল মিথ্যা বলিলেও ধরা পড়েন নাই। তিনি প্রতি ক্ষেত্রে একই রকম জবাব দেয়ায় ঐ অবৈধ টাকা নিয়া প্রজাদের মধ্যে কোনো সন্দেহের সৃষ্টি হবার অবকাশ হয় নাই(গোপন কথা- মন্ত্রীর বুদ্ধির কারণে রাজা ধরা পড়েন নাই বলে রাজা তাকে পুরষ্কৃত করিয়াছিলেন। )
প্রশ্ন-১ঃ
ক)কালো বিড়াল কি?
খ)উক্ত ঘটনার সাথে বর্তমানের কোন ঘটনার মিল খুঁজে পাওয়া যায়?
গ) সৃজনশীল জ্ঞানের অভাবই এপিএস এর ধরা পড়ার মূল কারণ।

সহজ বিজ্ঞানপাঠ

গল্পে গল্পে বিজ্ঞান-১
নবম শ্রেণির জন্য প্রযোজ্য
আইডিয়াঃ ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল
রচনায়ঃ নেয়ামত

বহু বহু দিন আগের কথা। বাংলাদেশ তখনো স্বাধীন হয়নি। এমনকি ভারত বর্ষ ও তখন ইংরেজদের শাসনে ছিল। সেই সময়ে বগা নিউটন নামে এক লোক ছিলো। সে কোনো কাজ করতোনা। সে কেবল বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ভাবতো। আর সারাদিন গার্লস স্কুলের সামনে বসে বালিকাদের আসা যাওয়া দেখতো।

নিউটন স্কুলের সামনে একটা প্রকান্ড নারিকেল গাছের নীচে বসতো। (বসার জন্য সে কেনো নারিকেল গাছের তলা বাছাই করেছিলো তা জানা যায়নি। কারণ তখন তো বাংলাদেশের ইতিহাসবিদদের মতো জ্ঞানী মানুষ সৃষ্টি হয়নি। তবে ধারণা করা হয় ডাবের প্রতি তার দুর্ণিবার লোভ ছিলো। )

ফিরে আসা

দীর্ঘদিন পর ফিরে এলাম
তোমাদের মাঝে।
ফিরে এলাম স্বরুপে
চিরটাকালের নির্জন একলা
এই আমি ফিরে এলাম
নির্জনতার রুপ নিয়ে।।

দীর্ঘদিন পর
ফিরে এসেছিলাম,
ভেবেছিলাম কেউ একজন
অন্তত কেউ একজন,
আমায় জিজ্ঞেস করবে
কোথায় ছিলে এতোদিন।
বুকের গভীরে জমিয়ে রাখা
অভিমান চেপে কেউ একজন
ঠোট ফুলিয়ে প্রশ্ন করবে
ভালো আছো তো?

আশ্চর্য!!!
আমার এই ফিরে আসাতে
কারো মাঝে কোনো উচ্ছ্বাস নেই।
আমার থাকা বা না থাকা
দুটোই যেনো আজ সমান।

অথচ যখন আমার যাবার সময় হয়নি
অথবা আমার যাবার সময়েরও
বহু বহুদিন আগে,
কোনো এক রমণী কিংবা
অন্তত কেউ একজন বলেছিল
আমায় ছাড়া তার পৃথিবী অসম্ভব।

অথচ এই আমার অনুপস্থিতিতেও
তার পৃথিবী সমধিক উজ্জ্বল,
আজও কি সেই একজন
অন্য কোনো কাংখিত বাহু ডোরে
খুজে ফেরে আমার উষ্ণতা ?

আমি হয়তো মানুষ নই

আমি হয়তো মানুষ নই,
মানুষগুলো অন্যরকম।

মানুষগুলো ভালবেসে কাছে টানতে জানে,
ভালবাসার অভিনয় করে
ভালবাসাতে জানে
ভালবাসা শিখিয়ে দূরে ছুড়ে ফেলতে জানে।।

আমি হয়তো মানুষ নই,
মানুষ হলেতো আমার একটা বৃত্ত থাকতো,
সেই বৃত্তের একটা কেন্দ্র থাকতো
বৃত্তের পরিধি ঘিরে
ছোট বড় আরও কিছু
বৃত্ত থাকতো।
প্রয়োজনমতো বৃত্তগুলো ভাঙত
আর নতুন নতুন বৃত্ত গড়ে উঠতো।।

মানুষগুলো অন্যরকম
তারা নিজেদের বৃত্তে হাটতে জানে,
প্রয়োজনে অক্ষ বদলাতে জানে
এক বৃত্ত ছেড়ে অন্য বৃত্তে
হাটতে জানে।

আমি হয়তো মানুষ নই
মানুষ হলেতো আমারও
নতুন নতুন বৃত্ত হতো,
নতুন অক্ষ থাকতো ।

সেই একই পুরনো বৃত্তে
আমি হাটছি আর হাটছি,

আমি হয়তো মানুষ নই .।