অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

বিপ্লবীর প্রয়াণ

'ছেড়ে দে রেশমি চুড়ি, বঙ্গ নারী' গান ছেড়ে আমরা কণ্ঠে ধরেছি 'কিনে দে রেশমি চুড়ি, নইলে যাবো বাপের বাড়ি'। 'মায়ের দেয়া মোটা কাপড় মাথায় তুলে নে রে ভাই, দীন দুখিনী মা যে তোদের এর বেশি আর সাধ্য নাই' ছেড়ে আমরা এখন পার্টিসং গাই- 'তোমার পাঞ্জাবিটা জোশ'
আমরা অনেক আধুনিক হয়েছি। সভ্য হয়েছি। আমাদের কোনো অপ্রাপ্তি নেই।

আমায় উদাসী বানাইলো গো-----

বুঝতে পারছি না শীত না আসতেই মনের ভিতরটায় কেন এমন শীতলতা!কোন দূরদেশে যাইতে মন চায়।যাইতে না পেরে কেমন উদাস উদাস লাগে।সবকিছু মেরমেরা মনে হয়।

বন্ধুত্বের ভালবাসা

জ্যামে পড়ে ক্লাসে ঢুকতে আজ দেরিই হয়ে গেল,ভারচুয়ালি সো-এন-সো স্যারের ভ্রু-উচানো চাহুনি আর টিটকারি হাসিতে পিত্তি জ্বলে উঠছে, সবে শুরু ... নীলা ভাবছে আজ কপালে আরো কি খারাবি আছে মাবুদই জানে!

চায়ের আড্ডায় সবগুলো আজ মুচকিহাসি দিয়ে তাকাচ্ছে, চোখেমুখে শয়তানি!!!

 - ঐ বদেরা কি হইছে রে..? কাহিনী কি??

বর্ণচোরা

সেদিন ক্লাস শেষ করে ফিরছিলাম বাসায়। সাথে দুই কাজিন আবির আর অভ্র। সকালে তাড়া থাকায় নাস্তা করে বের হওয়া হয়নি। দুপুরেও খাইনি ক্লাসের চাপে। ওদের জানান দিলাম আমার প্যাটে ইদুঁর দৌড় চলছে। দুইজনই বলল তাদেরও একই অবস্থা।

ঈদের দুই দিন আগেই কোরবানী

পোলা আর পোলার মায়ে কৈলো এইবারের ঈদ করবো নারায়ণগঞ্জ। একজনের নানার বাড়ি, একজনের বাপের বাড়ি আর আমার শ্বশুর বাড়ি। আমি কৈলাম ঠিকাছে। পোলায় আরেকখান আব্দার করলো। এইবার য্যান গরু না দিয়া ছাগল কোরবানী দেই। এইবারও আমি কৈলাম ঠিকাছে।

আত্মমগ্ন কথামালা- (সুর্য্যভুক পাতালকন্যা)

গোর খোদকের চুলের কুয়াশায় জমা থাকে পাখিদের লাশ।

স্বপ্নের রক্তমাখা রুমালের হাতবদল ছায়াবাজী আঁধারে
সুর্য্যভুক পাতালকন্যার মুঠোফোনের ঝনৎকার,
রাত নিয়ে আসে হৃদয়ের অলিন্দ প্রকোষ্ঠে।

কালো মোরোগের তীক্ষ্ণ চুমুতে
চাঁদপোহানো বেড়ালের উষ্ণতা বেড়ে চলে নিরন্তর...

আর কাঁদতে থাকা ঘাসেদের শেকড়ে ঘর বাঁধতে থাকে
নপুংসক উঁইয়েদের হাড়গোড়।

29 Nov 2009

কি আছে দুনিয়ায়

কি আছে দুনিয়ায়,
কাথা-বালিশ আর কম্বল।
ওহ, আরেকটা জিনিস মনে হয় খুব দরকারী...
ঐটা কি জনগণের সামনে কইতে পারুম?
থাক কইয়া ফালাই,
টিস্যু পেপার।

ব্লগটা মনে হইতাছে এই মুহুর্তে এবি এর খুব দরকারী কিছু ছিল,
তাই আমিও আইস্যা পড়লাম।

ঈদ মোবারক

সবাইকে পবিত্র ঈদ-উল আযহার শুভেচ্ছ।

স্মৃতিময় নভেম্বর কিম্বা স্মৃতির সারস বিষয়ক কবিতা

আর এই শীতেও এলো উড়ে সেই স্মৃতির সারস
যে তোমাকে কখনোই ফেলে যাবে না কোথাও।
সেই সারসের ঠোটে ধ্রূব সত্যের মতোন থাকে
স্মৃতির কলস, তারে উপুর করলেই গড়িয়ে যায়
চেনা-অচেনা সুখের কলহ...দুখময় নীরবতা...

কতোটা আপন ছিলো এই হিমশীতল নভেম্বর
কতোটা নিবির ছিলো আঁধার মাখানো ঘর
কতোটা ধাঁধানো ছিলো প্রযুক্তির আলোকছটা

লিজেন্ড শরাফত ভাইয়ের কিছু বানী চিরন্তন

# এবার কিন্তু সবুজ ঘাসে চুমু খেতে খেতে বল চলে গেল সীমানার বাইরে। চারটি রান।
# আজকের খেলায় পরাজিত হলে বাংলাদেশ পূর্ণ দুই পয়েন্ট অর্জন করবে।
# বাংলাদেশ ৪৮ ওভার খেলে ১২৪ রানের টার্গেট অর্জন করতে সক্ষম হয়।
# বোলার জহির খান। নতুন ওভার করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ধীর পায়ে এগিয়ে এলেন। ট্রাইজার খুলে আম্পয়ারের হাতে দিলেন।

ছবাই কেমন আচেন ?

।ছবাই কেমন আচেন ?
ছবার পেত্থমে ডেবুদা ও মডুদাকে নমস্কার জানাচ্চি। জিনিস টা খাসা হয়েচে দাদা। মাইরি বলচি। কেমন যেনো নিজের ঘর ঘর মনে হচ্চে।
আছা করি পরে ছবার ছাতে কতা হবে।

ও ডেবুদা, ও মডুদা ছময় করে আমার বাড়ীতে একবার বেড়িয়ে আছুন না। দুখান টোস্ট আর এক কাপ চা হয়ে যাবেক্ষন।

কোরবানের গরু কিনা থেকে শুরু করে পেটে চালান দেওয়ার আগ পর্যন্ত অভিজ্ঞতার আলোকে কিছু জরুরী যুগান্তকারী টিপস! (মাসরুর)

আর দুদিন বাদেই কুরবান। মানে কুরবানির ঈদ। এই ঈদের প্রধান বৈশিষ্ট্য হল
একটি হালাল পশু কুরবানী দেওয়া। যে যার সামর্থ্য মত গরু, ছাগু, উট, দুম্বা,
ভেড়া, ষাঁড় ক্রয় করে সেটা কোরবান করে থাকেন। আমার এই পোস্টটি তাদেরই জন্য
যারা এই ক্রয় থেকে শুরু করে এটা পেটে চালান দেওয়া পর্যন্ত সকল প্রক্রিয়ার
সাথে জড়িত! এ ব্যাপারে আমার অভিজ্ঞতাও নেহাত কম নয়। একেবারে কমছে কম টানা

মন্টা চ্রম খ্রাপ !

মন্টা চ্রম খ্রাপ ! বোনের বাসায় বেড়াতে আসা অফিসের পাশের বাসার মেয়েটা ঈদের ছুটিতে দেশের বাড়ী (উত্তর বঙ্গের কোন এক জেলা) চলে গেছে। আর আসবেনা মনে হয়! :-(

বেবাক মাইয়াগো বিয়া অইয়া যাইতাছে !!

ঘটনা খুবই খারাপ। সবসময় চারপাশে অনেক মাইয়া বন্ধুরা থাকে। পুলকিত হই। হেরা বিপদে অাপদে সাহায্য টাহায্য করে। সময় অসময়ে চা-কফি অফার করে। বিড়ি - সিগারেট কিন্যা দেয়। মাঝে মইদ্যে দুপুরে অফিসের ক্যাফেতে খিচুড়ি খাই। হেরাই টেকা দেয়। তো, এখন ঘটনা হৈছে, দিন দিন একটা একটা কৈরা হেগো বিয়া হৈয়া যাইতাছে...

আয়া পড়লাম ।
কিন্তুক পচুর ইংরেজী আশে পাশে ছড়ানো । এগিলিরে বাংলা করনের কাম ।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ