অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ৪৮ জন অতিথি অনলাইন

খেয়াতরী খেলাঘর

কিভাবে যেন ঠিক ঠিক চলে গেলাম। খুব সম্ভবত বান্ধবী সোনামনি, জান্নাত আর বেবির কাছ থেকেই খবর পেয়েছিলাম। রোদের তেজ তখন অনেকটাই মরে এসেছিল। পাঠানটুলী বালিকা বিদ্যালয়ে হতো রিহার্সেল। তখন কি প্রোগ্রাম ছিল সেটা আর মনে করতে পারছি না। প্রথম দিনের কয়েকটি গান -আমি শিখছি পড়া, এদেশ গড়া, ধিতাং ধিতাং বলে, সূর্য মোদের মাথার উপরে বাতাস সদায় দেয় দোলা, আনন্দ মেলা এই আনন্দ মেলা...আরো অনেক গান ছিল, কিছুতেই মনে করতে পারছি না।
বিষয়টা আমার কাছে খুব অদ্ভুত ভালো লেগেছিল। আশ্চর্য কোনো প্রশ্ন নেই, কোনো জিজ্ঞাসা নেই। ইচ্ছে হলেই সুরে বেসুরে চিৎকার করে গান করতে পারছি। আর আসল শিল্পীদের কন্ঠের যাদুতে আমার এবং আমার মতো অন্যদের সেই বেসুরো গান কেমন করে যেন ঠিকই তাল মিলিয়ে নিচ্ছিল।

ভুলতে ভুলতে ভোলার আর কত বাকি?

ভুলতে ভুলতে আর কত বাকি?
গুলিয়ে খেয়েছি সমাজ।ভোলার আর দেখেছো কি?

আজকে এমনিতেই কিছু লিখতে ইচ্ছে করছিলো বন্ধুতে কারণ এখন নিয়মিত ব্লগিং করবো সিদ্ধান্ত নিয়েছি।তাই একটি সমসাময়িক বিষয়াদির আলাপ নিয়েই একটা পোস্ট করা যাক।কি বলেন?

আমার পূর্বের ব্লগে আমি তনুকে একটা দীর্ঘশ্বাসের নাম বলেছিলাম।আসলে তাতো সত্যিই।এরই মাঝে ফাঁকফোঁকর দিয়ে কত ইস্যু এসে গেছে।যাচ্ছে।কিছুদিন চলছে।কোনোভাবে ভুলিয়ে দেওয়ার খেলা।আমরা নাকি আবেগ প্রবণ জাতি?আমরা হচ্ছি অতীত ভোলা জাতি।ইংরেজ নিয়েছিলো এক আঙুলের ছ্যাপ বুড়ো আঙুল এনারা নিচ্ছেন বায়োমেট্রিকে বাধ্যতামূলক কয় আঙুলের?

ভিজে যাই এই বরষায়

বৃষ্টি নিয়ে মানুষের কত সুখকর স্মৃতি থাকে। কত আনন্দের স্মৃতি থাকে। কিংবা পথ চলতে গিয়ে ঘটে যায় দারুণ কোনো ঘটনা। কিন্তু আসিফের ক্ষেত্রে তার কিছুই হয় না। তার ক্ষেত্রে যা হয়, তা হলো- সকালবেলা খটখটে রোদ দেখে ছাতা না নিয়ে সে বেরিয়েছে আর অফিস শেষে বাসায় ফেরার পথে দেখে অঝোর ধারায় বৃষ্টি ঝরছে। মাত্র ক’দিন আগে দু’দিনের প্রবল বর্ষণে চট্টগ্রাম শহর যখন ডুবে যাচ্ছিল, সেদিন অফিস থেকে ফেরার সময় সে নালার নোংরা পানিতে সাঁতার কেটেছে। এবং বহু কষ্টের অবসান ঘটিয়ে যখন সে বাসায় ফিরেছে তখন তার বউ তাকে ডেটল সাবান নয়, ডাইরেক্ট ডেটল দিয়ে গোসল করতে বাধ্য করেছে। সারারাত ডেটলের গন্ধে তার একটা ফোঁটাও ঘুম হয়নি। অথচ পাশেই তার বউ নীহা কি আরাম করে ঘুমাচ্ছিল।

বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে.....

আয় বৃষ্টি ঝেঁপে
ধান দিব মেপে।
লেবুর পাতা, করমচা
যা বৃষ্টি ঝড়ে যা।
খেজুর পাতা, হলদি
মেঘ নাম জলদি।
বহুদিন পর এই ছড়া কাটলাম আজ। মন থেকে। আবহাওয়া খবর বলছে বৃষ্টি হবে। আকাশে মেঘ ভর্তি। তবু ঝড়ছে না কেন?
ঝড়লে তো আর ফুল দেখতে যেতে হত না। বাঙালীরা অনেকে মিলে সাকুরা ফুল দেখতে যাবে। গাছ ভর্তি সাদা অথবা গোলাপী ফুল। বাতাসে পাপড়িগুলো যখন ঝড়ে পরে সত্যিই সুন্দর লাগে।
কিন্ত????
আমি অসামাজিক নই আগেই বলে রাখি। তবে যাওয়ার পর সৌজন্য সাক্ষাত যেমন হবে:
কিছু ভাবি:- কি গো, আমরা তো ভাবলাম তুমি আসবেই না। যাক সময় তাহলে করতে পারলে। ভাল আছো তো?
কিছু ভাবি:- ঘটনা কি এত দেড়ি? একলা মানুষ এত দেড়ি করলে চলে? আমাদের বাচ্চা আছে সময় লাগে। তোমার এত দেড়ি কেন?

তনু-আরেকটা দীর্ঘশ্বাসের নাম

তনু সত্যিই আরেকটি দীর্ঘশ্বাসের নাম
যে সর্বস্ব দিয়ে মেটাতে পারেনি আবেগের দাম
অক্ষম তাই শুধু লিখে যাই।চেঁচিয়ে মাতাই
তোর ভাইটা মস্ত বোকা বলতে পারেনা মওকা মওকা
ক্ষতে ভরে গেছে শরীরে আমার।তবুও ঠাসাঠাসি তার
যাইই হো দিন শেষে তামিম ইকবাল চার

দিনে দিনে সব কিছুই সব কিছু গুছিয়ে নেয়।কেবল আমরাই ঠিকমত গুছিয়ে উঠতে পারলাম না।দিনদিন নতুন নতুন কষ্টের তৈরি হচ্ছে।কিছু পরিকল্পিত,কিছু বিলম্বিত,কিছু উদাসীনতায়!মত প্রকাশেও এখন নানা বাঁধা।এখানেই একটা ফ্যাক্ট।জাবি শিক্ষক ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যুকামনা করলে জেল হয়েছে কিন্তু সেই একই সোস্যাল মিডিয়ায় আজ প্রতিটি মিনিটে তনু ধর্ষন বা খুনের ব্যাপারে কথা বলা হচ্ছে।১১ দিন কেটে গেছে কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই!

সেইসব দিনেরা

স্কুল জীবনে ২৫ শে মার্চ কি যে উত্তেজনাপূর্ণ দিন ছিল। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কাব, আর উচ্চ বিদ্যালয়ে গার্লস গাইড। মাঠে কত মানুষের সামনে প্রথমে প্যারেড , তারপর শারিরীক কসরত। পিরামিড তৈরী করা নিয়ে কত টেনশন। মাঠে ভেংগে পড়বে না তো। সেজন্য একমাস কত পরিশ্রম। সারাদিন ক্লাস করে মাঠে প্র্যাকটিস। ২-৩ ঘন্টা। ময়লা আর ক্লান্ত হয়ে বাসায় ফেরা। শুক্রবারেও রক্ষা মিলত না।
২৫ মার্চ সারাদিন স্কুলে প্রাকটিস। বিকালে বাসায় ফিরে স্কুল ড্রেস ধুয়ে , সাদা ওড়ণা, স্কার্ফ, আর সালোয়ারে নীল দেয়া, বেশি বা কম না হয়ে যায় তা নিয়ে সর্তক থাকা। সেগুলো ঠিকমত শুকানোর পর আয়রন করা। পিটিসু পরিষ্কার করা। চুলের সাদা ফিতা না থাকলে আম্মা বা আপার চারপাশে ঘুরে ঘুরে ঘ্যাণ ঘ্যাণ করা। ফিতার সাথে নতুন রবার ব্যান্ড আর ক্লিপ পেলে ঈদের খুশির মত লাগত। টেনশন আরও বাড়ত অবশ্য। এবছর আমাদের স্কুল ফার্স্ট হতে পারবে কি না এই নিয়ে।

এক যে ছিল ছোট্ট রাজকুমার..

আমি যখন ছোট ছিলাম, অনেক ছোটই বলা যায়। আমি বই পড়তে খুব ভালোবাসতাম, গল্পের বই।
এখনও ভালবাসি, কিন্তু তখনকার মত অতটা না। ওই মনটাই আসলে আর নেই, অথবা কেমন ছিল তা মনে নেই।
যা মনে রাখার কথা সেটাই বরং ভুলে বসে থাকি। এজন্যই হয়তো মাঝে মাঝে নিজেকে বড় বড় মনে হয়!

যাই হোক, আগের কথায় আসি। সেই ছোটবেলায় আমার নিজের তো আর বই কেনার উপায় ছিল না। কেউ উপহার দিলে পড়তাম, সেই সময়ে আমার নানার কাছ থেকেই পেয়েছিলাম সবচেয়ে বেশি বেশি।
মাঝে মাঝেই পেতাম নতুন একেকটা বই, নতুন কোন কাহিনী পড়তে কি যে ভালো লাগতো তা বলে বোঝানোর নয় আসলে। যে জানে, সে জানে। তখনই একবার একটা বই পেয়েছিলাম, আতোয়াঁ দ্যু সাঁ-জ্যুপেরীর লেখা 'ছোট্ট রাজপুত্র'।
অন্যরকম এক রাজপুত্রের গল্প ছিল তা, অনেক কিছু বুঝি নি তখন পড়ার সময় তাই অত বেশি ভালোও লাগে নি। তবে বইটার পাতায় পাতায় আঁকা ছবিগুলোর জন্যই হয়তো তাকে ভুলে যাই নি।

বৃষ্টি কাহিনী

কাল সারারাত বৃষ্টি পরেছে। প্রায় ভোর রাত পর্যন্তই টালির ছাদে বৃষ্টির শব্দ শুনেছি। অনেকটা বিখ্যাত টিনের চালের শব্দের মতই। দেশের কথা মনে পরছিল। বৃষ্টিতে না ভিজলে আম্মা খুবই বিরক্ত হতো। বলত, এটা কেমন মেয়ে? বেরসিক। তোর বোনদের দেখে শেখা উচিত। বাঙ্গালী হয়ে বৃষ্টিতে ভিজবি না?

অমরত্বের সন্ধানে

বব মার্লে মাত্র ৩৬ বছরে বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। তার পায়ের আঙ্গুলে প্রায় নিরাময়যোগ্য স্কীন ক্যান্সারের অস্তিত্ব ধরা পরার পর ডাক্তাররা তাকে পায়ের আঙ্গুল কেটে ফেলার পরামর্শ দিয়েছিলো। বব মার্লে বিশ্বাস করতেন শাররীক বিকৃতি কিংবা অঙ্গচ্ছেদ অনন্ত পরকালে তার পুনর্জন্মকে বাধাগ্রস্ত করবে। সমস্ত শরীরে ক্যান্সার ছড়িয়ে পরায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

সভ্যতার ইতিহাসে বব মার্লেই এমন অদ্ভুত ধারণায় বিশ্বাস করতেন এমনটা ভাবা ভুল। মিশরীয় সভ্যতার ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায় অন্তত মিশরের ফারাওরা পূনর্জন্মে বিশ্বাস করতেন এবং শাররীক কাঠামোকে প্রায় অক্ষত রাখার প্রক্রিয়াও তারা উদ্ভাবন করেছিলেন। শব সংরক্ষণ প্রযুক্তিতে দক্ষতা অর্জন করেছিলো মায়া সভ্যতার মানুষেরাও।

নীল রক্ত

রুম
ব্যালকনিতে আমার গাছটার সাথে আরও বেশ কয়েকটা গাছ। একটা বাগান বিলাস, বাকিগুলোর নাম জানি না। নেশাখোর ছেলেটাকে হাউস টিউটর অন্য রুমে পাঠিয়ে দিয়েছে। আহ কি আরাম লাগলো শুনে। নতুন ছেলেটাই এসব বলতে শুরু করল। একটু পর মেহেদিকে দেখা গেলো। ও মেডিক্যালে পড়ে। গদগদ হয়ে বলল- দোস্ত আমি তোর রুমে উঠেছি।

লিফট

র‌্যানসমওয়্যার ও সচেতনতা শর্টকাটে

কম্পিউটার কি?

কম্পিউটার হল দুনিয়ার সবচেয়ে বোকা জিনিষ। আপনি যেইভাবে বলবেন ঠিক সেইভাবে কাজ করবে।

হাল আমলের নতুন সাড়া জাগানো কম্পিউটার থ্রেট হল র‍্যানসমওয়্যার। ভাইরাস, ওয়ার্ম, এ্যাডওয়্যার, ম্যালওয়্যার, রূটকিট ফেলে এখন আমরা র‍্যানসমওয়্যারের যুগে। আগে মানুষ বিনোদনের জন্য ভাইরাস লিখে ছেড়ে দিত এরপর মজা দেখত। কিছু হ্যাকার টাকা পয়সার ছোট বড় চুরি চামারী করে। আর কিছু হ্যাকার ডিফেন্স ইনফরমেশন সংগ্রহ করে। এটা হয় বিভিন্ন দেশের সরকারী যোগসাজসে। মানুষ বাড়ার সাথে সাথে এখন মানুষের চাহিদা বেড়ে গেছে অনেক গুন সেই সাথে বেড়েছে টেকনোলজির পরিধি। ব্যাঙ্ক একাউন্ট হ্যাক করা এখন বেশ কষ্ট সাধ্য আর ধরা পড়ার সুযোগ অনেক বেশী। তাই আবিষ্কার হয়েছে র‍্যানসমওয়্যারের।

এখন প্রশ্ন হল এটা কি জিনিষ আর কাজ করে কিভাবে?

ট্র্যাডিশন

“আমরা যদি রাজকীয় কার্যক্ষেত্রে প্রবেশ করিতে না পারি, তবে কৃষিক্ষেত্রে প্রবেশ করিব। ভারতে বর দুর্লভ হয়েছে বলিয়া কন্যাদায়ে কাঁদিয়া মরি কেন? কন্যাগুলিকে সুশিক্ষিতা করিয়া কার্যক্ষেত্রে ছাড়িয়া দাও, নিজের অন্নবস্ত্র উপার্জন করুক।“ বেগম রোকেয়ার এই উক্তি প্রসঙ্গেই মনে পড়ে গেল একটা ঘটনা।
নিকট আত্নীয়ের সুপুত্রের জন্য বছর দু’য়েক ধরে হন্যে হয়ে পাত্রী খোঁজা হচ্ছিল।এদিক হলে ওদিক হয় না, পাত্রী পছন্দ হলে পাত্রীর ফ্যামিলি ব্যাকগ্রাউন্ড পছন্দ হয় না, ফ্যামিলি পছন্দ হলে পাত্রী’র হাইট (উচ্চতা) কম, হাইট ঠিক থাকলে পাত্রীর গায়ের রঙ ঠিক ততটা উজ্জ্বল কিংবা ফর্সা নয়, আর টেনে টুনে সব মিলিয়ে পছন্দের একটা মাপকাঠিতে আসার প্রানান্তকার চেষ্টা পুরোপুরি ব্যর্থ হয়ে যায় পাত্রী পক্ষের ছেলে পছন্দ হয়নি, কিংবা ছেলের চাকরি পছন্দ হয়নি টাইপ সমস্যার কারণে।

বন্ধু ছাড়া একা আমি

আজও সময়ের পনের মিনিট পর কাজ থেকে বের হলাম। ওরা সবাই নিশ্চই চলে গেছে। লকার রুম থেকে তাড়াতাড়ি ড্রেস পাল্টে বের হয়ে এলাম। ওরা ঠিকই চলে গেছে। থাকবে না নিশ্চিত ছিলাম। কখনও ওরা আমার জন্য অপেক্ষা করে না। তবুও মনের কোথাও একটা আশা বা গোপন ইচ্ছা ওরা আমার জন্য কাজ শেষে অপেক্ষা করবে। এই দূর প্রবাসে একই দেশ থেকে এসেছি সবাই। একই জায়গায় কাজ করি। ওদের চারজনের একজন দেরি করলে ঠিকই তো অপেক্ষা করে। আমার জন্য কেন করে না?

একঘর জোৎন্সা

হুমায়ুন আহমেদের "আকাশ জোড়া মেঘ" বইটা পড়ে এত কষ্ট পেলাম যে অনেকক্ষণ কাঁদলাম। যদিও আত্মহত্যাকে আমি ঘৃণা করি। তবুও এত কষ্ট হচ্ছিল। ভাবলাম লিখি। আমার আগের লেখাটাতে মীরের মন্তব্যটা পড়ে ইউটিউব থেকে শিরোনামহীনের গানটা শোনলাম। মীর ঠিকই মিলিয়েছে। অনেকদিন পর শিরোনামহীনের গান শুনলাম। "তুমি চেয়ে আছো তাই" গানটা অনেকবার শুনলাম। এক সময় এই গানটা প্রিয় তালিকায় ছিল।
এখন রাত ২:১৫। মাঝে মাঝে দূরের বড় রাস্তায় একটা দুইটা ছুটে যাওয়া গাড়ির শব্দ ছাড়া আর কোন শব্দ নেই। বিছানার মাঝে বসে আছি। কাচের বড় জানালার অর্ধেকটা পর্দা সরিয়ে দিয়েছি। বাইরে ভরা পূর্ণিমা আজ। গোল চাঁদটার দিকে তাকিয়ে আছি। জোৎন্সার আলো বিছানার অর্ধেকে ছড়িয়ে পরেছে। পুরো ঘরে অদ্ভুত এক আলোয় ভরে গেছে। মুগ্ধ হয়ে দেখছি বলব না। তবে চোখ ফেরাতে পারছি না।

International Art Festival 2015

আমরা সবাই স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসি । আর সেই স্বপ্নগুলি যখন পূরণ হতে থাকে তখন আনন্দতে মেতে উঠি। নৃত্যশিল্পী হিসেবে আমারও ইচ্ছে/স্বপ্ন আছে। বড় বড় উৎসবে নাচবো, নাচ শিখাবো, নৃত্য পরিচালনা করবো। ২০১৫ এর ডিসেম্বর এ সেই স্বপ্নগুলোর মধ্য থেকে একটা স্বপ্ন পূরণ হলো Smile ! হ্যাঁ, বন্ধুরা আমার নৃত্য পরিচালনায় একটি নৃত্য প্রদর্শন হয়েছিল নৃত্য উৎসব ২০১৫ -বেইজিং এ Smile! আমরা নেচে ছিলাম #পাশান নৃত্য !
এটা চীনের লোকনৃত্য ।
মার্চে আবার সেই সুযোগ পেতে যাচ্ছি Smile ! সবাই দোয়া করবেন!
সবার স্বপ্ন পূরণ হোক সেই আশায় আপনাদের এই ছোট্ট বন্ধু
তন্ময়

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ