অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য ও ২৩ জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

এক যে ছিল ছোট্ট রাজকুমার..

আমি যখন ছোট ছিলাম, অনেক ছোটই বলা যায়। আমি বই পড়তে খুব ভালোবাসতাম, গল্পের বই।
এখনও ভালবাসি, কিন্তু তখনকার মত অতটা না। ওই মনটাই আসলে আর নেই, অথবা কেমন ছিল তা মনে নেই।
যা মনে রাখার কথা সেটাই বরং ভুলে বসে থাকি। এজন্যই হয়তো মাঝে মাঝে নিজেকে বড় বড় মনে হয়!

যাই হোক, আগের কথায় আসি। সেই ছোটবেলায় আমার নিজের তো আর বই কেনার উপায় ছিল না। কেউ উপহার দিলে পড়তাম, সেই সময়ে আমার নানার কাছ থেকেই পেয়েছিলাম সবচেয়ে বেশি বেশি।
মাঝে মাঝেই পেতাম নতুন একেকটা বই, নতুন কোন কাহিনী পড়তে কি যে ভালো লাগতো তা বলে বোঝানোর নয় আসলে। যে জানে, সে জানে। তখনই একবার একটা বই পেয়েছিলাম, আতোয়াঁ দ্যু সাঁ-জ্যুপেরীর লেখা 'ছোট্ট রাজপুত্র'।
অন্যরকম এক রাজপুত্রের গল্প ছিল তা, অনেক কিছু বুঝি নি তখন পড়ার সময় তাই অত বেশি ভালোও লাগে নি। তবে বইটার পাতায় পাতায় আঁকা ছবিগুলোর জন্যই হয়তো তাকে ভুলে যাই নি।

বৃষ্টি কাহিনী

কাল সারারাত বৃষ্টি পরেছে। প্রায় ভোর রাত পর্যন্তই টালির ছাদে বৃষ্টির শব্দ শুনেছি। অনেকটা বিখ্যাত টিনের চালের শব্দের মতই। দেশের কথা মনে পরছিল। বৃষ্টিতে না ভিজলে আম্মা খুবই বিরক্ত হতো। বলত, এটা কেমন মেয়ে? বেরসিক। তোর বোনদের দেখে শেখা উচিত। বাঙ্গালী হয়ে বৃষ্টিতে ভিজবি না?

অমরত্বের সন্ধানে

বব মার্লে মাত্র ৩৬ বছরে বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। তার পায়ের আঙ্গুলে প্রায় নিরাময়যোগ্য স্কীন ক্যান্সারের অস্তিত্ব ধরা পরার পর ডাক্তাররা তাকে পায়ের আঙ্গুল কেটে ফেলার পরামর্শ দিয়েছিলো। বব মার্লে বিশ্বাস করতেন শাররীক বিকৃতি কিংবা অঙ্গচ্ছেদ অনন্ত পরকালে তার পুনর্জন্মকে বাধাগ্রস্ত করবে। সমস্ত শরীরে ক্যান্সার ছড়িয়ে পরায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

সভ্যতার ইতিহাসে বব মার্লেই এমন অদ্ভুত ধারণায় বিশ্বাস করতেন এমনটা ভাবা ভুল। মিশরীয় সভ্যতার ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায় অন্তত মিশরের ফারাওরা পূনর্জন্মে বিশ্বাস করতেন এবং শাররীক কাঠামোকে প্রায় অক্ষত রাখার প্রক্রিয়াও তারা উদ্ভাবন করেছিলেন। শব সংরক্ষণ প্রযুক্তিতে দক্ষতা অর্জন করেছিলো মায়া সভ্যতার মানুষেরাও।

নীল রক্ত

রুম
ব্যালকনিতে আমার গাছটার সাথে আরও বেশ কয়েকটা গাছ। একটা বাগান বিলাস, বাকিগুলোর নাম জানি না। নেশাখোর ছেলেটাকে হাউস টিউটর অন্য রুমে পাঠিয়ে দিয়েছে। আহ কি আরাম লাগলো শুনে। নতুন ছেলেটাই এসব বলতে শুরু করল। একটু পর মেহেদিকে দেখা গেলো। ও মেডিক্যালে পড়ে। গদগদ হয়ে বলল- দোস্ত আমি তোর রুমে উঠেছি।

লিফট

র‌্যানসমওয়্যার ও সচেতনতা শর্টকাটে

কম্পিউটার কি?

কম্পিউটার হল দুনিয়ার সবচেয়ে বোকা জিনিষ। আপনি যেইভাবে বলবেন ঠিক সেইভাবে কাজ করবে।

হাল আমলের নতুন সাড়া জাগানো কম্পিউটার থ্রেট হল র‍্যানসমওয়্যার। ভাইরাস, ওয়ার্ম, এ্যাডওয়্যার, ম্যালওয়্যার, রূটকিট ফেলে এখন আমরা র‍্যানসমওয়্যারের যুগে। আগে মানুষ বিনোদনের জন্য ভাইরাস লিখে ছেড়ে দিত এরপর মজা দেখত। কিছু হ্যাকার টাকা পয়সার ছোট বড় চুরি চামারী করে। আর কিছু হ্যাকার ডিফেন্স ইনফরমেশন সংগ্রহ করে। এটা হয় বিভিন্ন দেশের সরকারী যোগসাজসে। মানুষ বাড়ার সাথে সাথে এখন মানুষের চাহিদা বেড়ে গেছে অনেক গুন সেই সাথে বেড়েছে টেকনোলজির পরিধি। ব্যাঙ্ক একাউন্ট হ্যাক করা এখন বেশ কষ্ট সাধ্য আর ধরা পড়ার সুযোগ অনেক বেশী। তাই আবিষ্কার হয়েছে র‍্যানসমওয়্যারের।

এখন প্রশ্ন হল এটা কি জিনিষ আর কাজ করে কিভাবে?

ট্র্যাডিশন

“আমরা যদি রাজকীয় কার্যক্ষেত্রে প্রবেশ করিতে না পারি, তবে কৃষিক্ষেত্রে প্রবেশ করিব। ভারতে বর দুর্লভ হয়েছে বলিয়া কন্যাদায়ে কাঁদিয়া মরি কেন? কন্যাগুলিকে সুশিক্ষিতা করিয়া কার্যক্ষেত্রে ছাড়িয়া দাও, নিজের অন্নবস্ত্র উপার্জন করুক।“ বেগম রোকেয়ার এই উক্তি প্রসঙ্গেই মনে পড়ে গেল একটা ঘটনা।
নিকট আত্নীয়ের সুপুত্রের জন্য বছর দু’য়েক ধরে হন্যে হয়ে পাত্রী খোঁজা হচ্ছিল।এদিক হলে ওদিক হয় না, পাত্রী পছন্দ হলে পাত্রীর ফ্যামিলি ব্যাকগ্রাউন্ড পছন্দ হয় না, ফ্যামিলি পছন্দ হলে পাত্রী’র হাইট (উচ্চতা) কম, হাইট ঠিক থাকলে পাত্রীর গায়ের রঙ ঠিক ততটা উজ্জ্বল কিংবা ফর্সা নয়, আর টেনে টুনে সব মিলিয়ে পছন্দের একটা মাপকাঠিতে আসার প্রানান্তকার চেষ্টা পুরোপুরি ব্যর্থ হয়ে যায় পাত্রী পক্ষের ছেলে পছন্দ হয়নি, কিংবা ছেলের চাকরি পছন্দ হয়নি টাইপ সমস্যার কারণে।

বন্ধু ছাড়া একা আমি

আজও সময়ের পনের মিনিট পর কাজ থেকে বের হলাম। ওরা সবাই নিশ্চই চলে গেছে। লকার রুম থেকে তাড়াতাড়ি ড্রেস পাল্টে বের হয়ে এলাম। ওরা ঠিকই চলে গেছে। থাকবে না নিশ্চিত ছিলাম। কখনও ওরা আমার জন্য অপেক্ষা করে না। তবুও মনের কোথাও একটা আশা বা গোপন ইচ্ছা ওরা আমার জন্য কাজ শেষে অপেক্ষা করবে। এই দূর প্রবাসে একই দেশ থেকে এসেছি সবাই। একই জায়গায় কাজ করি। ওদের চারজনের একজন দেরি করলে ঠিকই তো অপেক্ষা করে। আমার জন্য কেন করে না?

একঘর জোৎন্সা

হুমায়ুন আহমেদের "আকাশ জোড়া মেঘ" বইটা পড়ে এত কষ্ট পেলাম যে অনেকক্ষণ কাঁদলাম। যদিও আত্মহত্যাকে আমি ঘৃণা করি। তবুও এত কষ্ট হচ্ছিল। ভাবলাম লিখি। আমার আগের লেখাটাতে মীরের মন্তব্যটা পড়ে ইউটিউব থেকে শিরোনামহীনের গানটা শোনলাম। মীর ঠিকই মিলিয়েছে। অনেকদিন পর শিরোনামহীনের গান শুনলাম। "তুমি চেয়ে আছো তাই" গানটা অনেকবার শুনলাম। এক সময় এই গানটা প্রিয় তালিকায় ছিল।
এখন রাত ২:১৫। মাঝে মাঝে দূরের বড় রাস্তায় একটা দুইটা ছুটে যাওয়া গাড়ির শব্দ ছাড়া আর কোন শব্দ নেই। বিছানার মাঝে বসে আছি। কাচের বড় জানালার অর্ধেকটা পর্দা সরিয়ে দিয়েছি। বাইরে ভরা পূর্ণিমা আজ। গোল চাঁদটার দিকে তাকিয়ে আছি। জোৎন্সার আলো বিছানার অর্ধেকে ছড়িয়ে পরেছে। পুরো ঘরে অদ্ভুত এক আলোয় ভরে গেছে। মুগ্ধ হয়ে দেখছি বলব না। তবে চোখ ফেরাতে পারছি না।

International Art Festival 2015

আমরা সবাই স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসি । আর সেই স্বপ্নগুলি যখন পূরণ হতে থাকে তখন আনন্দতে মেতে উঠি। নৃত্যশিল্পী হিসেবে আমারও ইচ্ছে/স্বপ্ন আছে। বড় বড় উৎসবে নাচবো, নাচ শিখাবো, নৃত্য পরিচালনা করবো। ২০১৫ এর ডিসেম্বর এ সেই স্বপ্নগুলোর মধ্য থেকে একটা স্বপ্ন পূরণ হলো Smile ! হ্যাঁ, বন্ধুরা আমার নৃত্য পরিচালনায় একটি নৃত্য প্রদর্শন হয়েছিল নৃত্য উৎসব ২০১৫ -বেইজিং এ Smile! আমরা নেচে ছিলাম #পাশান নৃত্য !
এটা চীনের লোকনৃত্য ।
মার্চে আবার সেই সুযোগ পেতে যাচ্ছি Smile ! সবাই দোয়া করবেন!
সবার স্বপ্ন পূরণ হোক সেই আশায় আপনাদের এই ছোট্ট বন্ধু
তন্ময়

পারব কি ফিরে যেতে

এখন আর কবিতা লেখা হয় না। খুব যে লিখতাম তাও না। মনের এলোমেলো ভাবনাগুলোকে ডায়রির পাতায় সাজিয়ে লেখা পর্যন্তই আমার কবিতা। বন্ধুদেরও দেখাই নি সবগুলো। শুধু তাদের জন্য লেখাগুলো পড়ে শোনাতাম।
বন্ধুদের অনেকেই জীবনানন্দ দাসের কবিতা গুলোকে গলা কাপিয়ে আবৃত্তি করত। বলতাম, তোরা বুঝিছ কবি কি বলতে চেয়েছে? এভাবে হয় না। কবির কথাগুলোকে বুঝতে হবে, চিন্তাটাকে নিজের চিন্তায় আনতে হবে। না বুঝে বলাটাকে পড়া বা মুখস্ত বিদ্যা বলব আবৃত্তি বলব না।
ওরা বলত, তোর একটা কবিতা দে তোর ভাবনা তো বুঝতে পারি , এবার আবৃত্তি হবে।
না, ডায়রির পাতায় বন্দি কথাগুলো আবৃত্তি হয় নি উচ্চস্বরে। লেখাগুলোয় হাত বুলিয়ে শূন্য চোখে তাকিয়ে থাকি। কারো কাছে এগুলো কথা, কারো কাছে কবিতা, কারো কাছে বা ভাবনা।

ধূসর গোধূলিঃ প্রথম স্বপ্নপূরণ

অনেক প্রতীক্ষার পর অবশেষে এবারের বইমেলায় প্রকাশিত হতে যাচ্ছে আমার প্রথম উপন্যাস ‘ধূসর গোধূলি’। আমার প্রথম স্বপ্নপূরণ। প্রকাশকঃ সৈয়দ রহমতুল্লাহ রাজন, র‍্যামন পাবলিশার। বই প্রকাশে সার্বিক সহযোগিতা এবং প্রচ্ছদের জন্য দুরন্ত দুরা ভাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ। বইটি ১৪ই ফেব্রুয়ারী মেলায় আসার সম্ভাবনা রয়েছে। পাওয়া যাবে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ১৯৭-১৯৮ স্টলে। এবি’র সকল বন্ধুদের বইমেলায় আমন্ত্রণ।
B_1.jpg
A_2.jpg

শেষ একুশে ফেব্রুযারি

" অমর একুশে ফেব্রুয়ারি" রাত ১২ টায় বন্ধুর ম্যাসেজ পেয়ে সাথে সাথে কল করলাম।
কল ধরতেই ঐ পাশে চিৎকার চেঁচামেচি ।
"কি রে শহীদ মিনারে ফুল দিয়েছিস?"
" হ্যাঁ, তুই এত রাতে সজাগ কেন? ঘুমা। সকালে উঠতে হবে না?"
"সরি রে, আমি হোস্টেলে। পরশু হিসাব বিঞ্জান পরীক্ষা। বাড়ি যাই নি। কাল মাঠে যাচ্ছি না।"
" ভাষা দিবসে বাংলায় কথা বল, সরি না বলে দুঃখিত বল"

যাক, একটু শান্তি হলো। দুপুর থেকেই টেনশন হচ্ছিল কি করে বন্ধুকে বলব যে এবার ২১ শে ফেব্রুয়ারি তার সাথে থাকতে পারব না। গত ১৯ বছরেও যা হয় নি।

আমার এই বন্ধুটা হচ্ছে আমার প্রাণের বন্ধু। আমার সাথে তার পছন্দ অপছন্দ চিন্তা ভাবনা ৯০% মিলে। আমাকে এতটা আমার আম্মাও বুঝে না। তবে সেদিন সেখানেই কথা শেষ হয় নি। তারপর কি হল বলছি। আরও অনেক কথা শেষে বললাম,
"এখন রাখি রে। অংকটা মিলিয়ে ঘুমিয়ে পরব।"
"তুই আয় না বন্ধু। তোকে ছাড়া,,,,,,,"

বই মেলায় আসুন--আমার বই ‍কিনুন...

বই মেলায় আসুন--আমার বই ‍কিনুন

12207774_801502489958387_968030361_n.jpg
১৯৯৪ সালের বই মেলায় আমার প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস ‘হৃদয়ের এপিঠ-ওপিঠ’ ২০১১ সালে ২য় বার মুদ্রণ হয়েছিল রোদেলা প্রকাশনী থেকে(স্টল নং১৫৩-১৫৪-১৫৫)। ২০১৩ সালে জিনিয়ান পাবলিকেশন্স থেকে আমার গল্পগুচ্ছ ‘ভাদ্র ভাসান’ প্রকাশিত হয়েছিল( স্টল নং১০১-১০২)। এ বছর অণুপ্রাণন প্রকাশন থেকে আামার উপন্যাস ‘গন্তব্যহীন দূঃখবিলাস’ প্রকাশিত হয়েছে(স্টল নং ২৬৮)। সবগুলো স্টলই সোহরাওয়াদ্দী উদ্যানে। বাংলা একাডেমির লিটল ম্যাগ চত্বরে আছে অণুপ্রাণন এর ম্যাগাজিন স্টল, অণুপ্রাণন এর ত্রৈমাসিক ম্যাগাজিনে আমার লেখা বেশ কিছু গল্প আছে।
সকল বন্ধুদের প্রতি অনুরোধ রইলঃ বই মেলায় আসুন--আমার বই ‍কিনুন...

বিয়ে

ছেলেমেয়েরা বড় হলে বাবা মা সবার আগে যা নিয়ে ভাবে তা হল "বিয়ে"। জন্মের পরই বলতে গেলে, মেয়ে কাল হলে কি করে বিয়ে দিবে , সাদা হলে রাজপুত্র কোথায় পাবে। ছেলে কাল হলে, সাদা মেয়ে ঘরে তুলতে হবে। সাদা হলে মেয়ে দেখতে সমস্যা হবে না।
বড় হয়ে গেলে আত্মীয় স্বজন , পাড়া প্রতিবেশী , চেনা জানা সবাই মিলে বিয়ে দেয়ার পিছনে লাগে। মেয়ের বাবা মায়েরা একটু বেশিই ঝামেলায় পরে।
যাহোক, মেয়ের জন্য ছেলে দেখতে গেলে, সবার আগে , কি করে, পড়াশোনা কতদ্দুর। ব্যাংকে চাকরি, কোম্পানীর চাকরি আরেকবার ভেবে দেখি হলেও ডাক্তার ইন্জিনিয়ার হলে এক কথায় প্রায় রাজির সংখ্যা অনেকটাই বেশি।
তবে মেয়ের বয়ফ্রেন্ড থাকলে আলাদা। মেয়ে বাবা মা কে উচ্চশিক্ষার কথা বলে বিয়ে ভেংগে দেয়। (অনেকে সত্যিই পড়তে চায়)

মুহাম্মদ জাফরি ইকবালের অভব্য নিবন্ধের প্রতিক্রিয়া এবং অন্যান্য

কোনো লেখকের উপন্যাসের চরিত্ররা উপন্যাসের প্রেক্ষাপটে যে ধরণের উপলব্ধি প্রকাশ করে কিংবা যেসব বক্তব্য দেয়- লেখকের বক্তব্য হিসেবে সেসব উপস্থাপন করাটা লেখকের প্রতি এক ধরণের অন্যায় আচরণ। লেখক যখন কোনো উপন্যাসের চরিত্রচিত্রন করেন, উপন্যাসের প্রেক্ষাপটে সেসব চরিত্র নিজের মতো জ্যান্ত, তারা লেখকের কল্পনায় বসবাস করলেও আদতে তারা এক ধরনের স্বাধীন স্বত্ত্বা, তাদের নিজস্ব অভিমত আছে, লেখক সেসব স্বাধীন সত্ত্বার উপলব্ধিগুলো লেখার সময় নিজের অভিমত সব সময় চরিত্রের উপর চাপিয়ে দিতে পারেন না।
কিন্তু লেখক ব্যক্তিগত নিবন্ধে কিংবা সাক্ষাৎকারে যেসব অভিমত ব্যক্ত করেন, সেসব বক্তব্যের দায়ভার সম্পূর্ণই লেখকের। সেটা লেখকের সুচিন্তিত স্বাধীন অভিমত এবং লেখককে সেসব বক্তব্যের দায়ভার বহন করতে হয়।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা