ইউজার লগইন

ঝটিকা সফরে রাঙামাটি

প্রতি বছর মুন্নি রিমঝিমকে নিয়া ঢাকার বাইরে কোথাও বেড়াতে যাওয়া হয়। এবছরও শেষের দিকে যাওয়ার প্ল্যান ছিল। এর মধ্যে দাওয়াত আসল রাঙামাটি যাবার। আমার আগের অফিসের দশ বছর পূর্তি উপলক্ষে বিশাল আয়োজন করেছে। প্রথমেই না করে দিলাম। একটা ট্যাকনিক্যাল কারণ প্লাস এই তাতানো গরমে পুরতে যাওয়ার কোনো মানে হয় না। সিদ্ধান্ত অবশ্য পাল্টাই আমার ছবি তোলার বন্ধু ইকবালের মন্ত্রনায়। যাব না শুনে ইকবাল হায় হায় করে উঠে। বলে, আমি ভাবছি আমাদের বৌ বাচ্চাকে একদিকে দিয়ে তুমি আর আমি ধুমাইয়া ছবি তুলব। তোমার যাইতেই হবে। ছবি তোলার কথা মনে করায় আমি সাথে সাথে রাজী হয়ে যাই।

শেষ মুহূর্তে ঝামেলা। যাবার আগের রাতে রিমঝিমের জ্বর। ভ্রমন বাদ প্রায় চূড়ান্ত। সকালের দিকে জ্বর কমে আসলে যাওয়া মনস্থির করি। যদিও মনটা অনেক দমে যায়।
rimjhim
ট্রেনে ঢাকা থেকে চট্রগ্রাম। সেখান থেকে মাইক্রো করে রাঙামাটি এই হল ভ্রমনসূচি। আমরা কমলাপুর থেকে উঠি কয়েকজন, বাকিরা এয়ারপোর্ট স্টেশন থেকে। অবাক বিষয় সকাল আটটায় ট্রেন ছাড়ার কথা সেটা সময়মতই ছাড়ে। সাত ঘন্টার বোরিং জার্নি করে চট্টগ্রাম পৌছাই। এদিকে রিমঝিমের জ্বর না উঠলেও কিছু খেতে পারেনা। চঞ্চল মা টা আমার চুপচাপ মনখারাপ করে বসে থাকে সিটে। ট্রেনে এসি কম্পার্টমেন্ট নেয়ায় আমি আর ইকবাল কপাল চাপড়াই ছবি তুলতে না পারার দুঃখে।
rimjhim
রাঙামাটি পৌছাতে রাত। হোটেলে খেয়েদেয়ে ক্লান্ত সবাই বিছানায়। কর্নওয়ালেইস, কোম্পানির ডাচ মালিকের দশ বছরের ছেলে ফুটবল নিয়ে বের হয়েছে। অদ্ভূত স্ট্যামিনা ওদের। আগের রাতে নেদারল্যান্ড থেকে বাংলাদেশে এসেছে, তারপর সকাল থেকে নয় ঘন্টার ভ্রমন। এরপরো রাতে ফুটবল খেলতে পারে। মনে আছে পাঁচ বছর আগে হল্যান্ডে ওদের বাসায় যখন গিয়েছিলাম পিচ্চিটা তখনো ফুটবল খেলছে আমার সাথে। জিজ্ঞাস করলে বলে তারও মনে আছে।

ফ্রিস্ট বাউমা। বিদেশি দলের বোহেমিয়ান একজন। চান্স পেলেই দুনিয়া ঘুরে বেড়ায়। ভুটান থেকে শুরু করে কোনো দেশ বাদ দেয় নাই। বাংলাদেশেও কয়েকবারই আসা হয়ে গেছে। ফ্রিস্ট প্রস্তাব দেয় রাতে কোথাও ঘুরতে যাওয়ার। ব্যাবস্থা হয় ডিসির বাসার পাশে কাপ্তাই হ্রদে যাওয়ার। আমরা কয়েকজন এক মাইক্রোতে করে যাই সেখানে। গরমে শীতল বাতাস প্রান জুড়ায়। আর চাঁদনি রাতে হ্রদের সৌন্দর্য্য মন কে কেরে আবিস্ট, মোহাবিস্ট।

পরেরদিন সকালে নাস্তা করে শুভলং যাত্রা, ট্রলারে করে কাপ্তাই লেক ধরে। রিমঝিমের জ্বর না থাকলেও কিছু খাচ্ছে না। প্রচন্ড রোদে হ্রদের সৌন্দর্য দেখতে দেখতে ছবি তুলতে তুলতে শুভলং পৌছাই। পুরাই হতাশ। ঝর্নায় পানি নাই। দূর থেকে দেখেই গরমে দাপাইতে দাপাইতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেই। বাকিরা গিয়ে সিদ্ধ হয়ে ফিরে আসে।

এই বেতাছির গরমেও কেইস(ডাচ মালিক) ও তার পিচ্চি ছেলে পাহাড়ে উঠে যায় দৌড়িয়ে। কেইস এর স্ত্রী সিজকা আফসোস করে গরম না থাকলে সেও উঠত। এক বাংগাল বাহাদুরি দেখাতে গিয়ে ওদের সাথে পাহাড়ে উঠে অজ্ঞান হয়ে যায়।

রিমঝিমের শরীর গরম দেখা যায়। বাজার থেকে এইস সাসপেনশন কিনে আনি। দুপুরে হ্রদের মধ্যে চমৎকার একটা রেস্তোরায় খেয়ে, সেখান থেকে অপার্থিব কিছু যায়গার ছবি তুলে হোটেলে ফিরি। ফিরেই ঘুম। ঘুমের কারণে ঝুলন্ত সেতু দেখা মিস।

কেইস খুব কড়া পানীয় সেবন করে। জিজ্ঞাস করি পর্যটনের বারে নিয়ে যাবো কীনা। বলে উপায় করেছে। ফ্রিস্টের রুমে আসতে বলে। আসলে ওরা দুইজন টর্চলাইট কিনতে দোকানে গিয়েছিল। দোকানদার বলেছে বিয়ার লাগবে কীনা। ওরা মহা আনন্দে হান্টার বীয়ার কিনে এনেছে। আমাকে গর্ব করে দেখাচ্ছে যে নিজেরাই যোগাড় করেছে। বাংলাদেশে বীয়ার তৈরি হয় জেনে আরো আনন্দিত। এখানে ঘন্টাখানেক থেকে রুমে ফিরে বাংলাদেশ পাকিস্তানের খেলা দেখে রাত তিনটায় মন খারাপ করে শুতে গেলাম। ফলে ভোর পাঁচটায় মারমা গ্রামে যাওয়া মিস।

হোটেলে নাস্তা করে ঢাকার পথে ফিরতি যাত্রা। রাঙামাটি যে কত সুন্দর আর আমাদের যে কতকিছু দেখার বাকি এইপথে বুঝলাম। অনেক সময় নিয়ে সারাদিন ঘুরে ঘুরে ছবি তুলব এমন একটা স্বপ্ন তৈরি হল মনে। জুম রেস্তোরায় যাত্রা বিরতি। ইচ্ছামত ছবি তুলল সবাই। অপূর্ব যায়গা। এই গরমেও সবারই মন ভালো হয়ে গেল। রিমঝিমের শরীর আজকে একদম ভালো। তার আবদার হ্রদের পানি ধরবে। নিয়ে গেলাম। পিচ্ছিল যায়গা লেখা সাইনবোর্ড কে অগ্রাহ্য করে আগাই। তারপর বাপ বেটি দুইজনেই ধপাস। মানির মান আল্লায় রাখে, ভাগ্যিস কেউ ছবি তুলতে পারে নাই। ফ্রিস্টকে দেখলাম তাড়াতাড়ি মুভি ক্যামেরা বের করছে।

রাঙামাটি শহর দেখলে মনে হয় না আদিবাসী এলাকায় আছি। দোকানদার ব্যবসায়ি বেশির ভাগ বাঙালি। আমাদের সাথে একটা মারমা পরিবার ছিল। ইকবাল বলে, আমরাই ঢাকা থেকে আদিবাসি স্যাম্পল নিয়ে এসেছি।

চট্টগ্রামে হোটেলে খেয়ে আবার ট্রেনে ঢাকার পথে। বিদেশি গ্রুপটা রয়ে গেল চট্টগ্রামে। পরেরদিন সিলেট যাবে। লোকজন ট্রেনে ঝিমায়। আমার অসহ্য লাগে। ঘুরে ঘুরে ঘুমানো প্রত্যেকের দের ছবি তুললাম। তারপর একজনকে বলে গানের আসর বসালাম। এইবার সময় কেটে গেল দ্রুত। ঐ তো দেখা যায় ঢাকার আলো।

[নিচের ছবিগুলি কাপ্তাই লেকের]

১১১১১

১১১১১

১১১১১

১১১১১

১১১১১

১১১১১

১১১১১

১১১১১

১১১১১

১১১১১

পোস্টটি ১৫ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

নীড় সন্ধানী's picture


শেষ ছবিটা মর্মান্তিক কমনীয় হয়েছে। এই খরখরে গরমের কোন চেহারা নাই তাতে। Smile

এই সময়ে গেলে শুভলং ঝর্নায় পানি পাওয়া যায় না। ঘোর বর্ষায় শুভলং দেখার মতো হয়। আমিও একবার গেছি গরমেই। আরেকবার বর্ষায় যাওয়ার ইচ্ছা আছে। পরিবার ছাড়া যেতে হবে, তাইলে রাতে পাহাড়ে থাকার ব্যবস্থা করা যাবে। আমার এক বন্ধু আছে পাহাড় আর পানি পাগল, সে প্রায়ই বলে কোন এক বরিষন দিবসে বেরিয়ে পড়তে। যাবেন নাকি?

হাসান রায়হান's picture


ঠিক নাই আবারো যাইতে পারি বর্ষায়।

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


রাঙ্গামাটি গেছি দুবার! আদিবাসী দেখতে হলে পহেলা জানুয়ারী কিংবা অন্য কোণ পার্বণের দিন বৌদ্ধ মন্দির কিংবা রাজারবাড়ির ওদিকে যেতে হবে। আর হোটেল-মোটেলে থাকলে আদিবাসী দেখার চান্স নাই। সব ব্যবসায়ী+সব ফটকা বাঙ্গালি Tongue

হাসান রায়হান's picture


শহর থেকে বের হলেই দেখা পাওয়া যায় আদিবাসীদের।

টুটুল's picture


ছবিগুলো দেখে পরান জুড়ায় Sad
ও আমার বাংলাদেশে... প্রিয় জন্মভূমি

হাসান রায়হান's picture


সকল দেশের রানী সে যে আমার জন্মভূমি শিরোনামটা দিছি Smile

নজরুল ইসলাম's picture


ছবিগুলা দেখার মতো হইছে। দুর্দান্ত

হাসান রায়হান's picture


ধন্যবাদ বস।

মাহবুব সুমন's picture


সুন্দর ছবি

১০

হাসান রায়হান's picture


ধন্যবাদ।

১১

রুমন's picture


কি সুন্দর ছবিগুলা!

১২

হাসান রায়হান's picture


ধন্যবাদ আপনাকে।

১৩

বকলম's picture


কাহিনী আর ছবি দুটোই খুব ভাল লেগেছে। ফটোগ্রাফির অনেক কিছুই এখনও শেখার বাকী তারপরও বলি ছবির এ্যলাইনমেন্টের দিকে খেয়াল রাখলে ছবিগুলো আরও সুন্দর লাগত।

১৪

হাসান রায়হান's picture


বস আমি তো মাত্র তোলা শুরু করছি ছবি। আমার এক আত্মীয় বলছে কমপক্ষে দুই বছর লাগবে শিখতে। একেতো রিমঝিমের শরীর খারাপ তারপর গরম তাই ভালো মত ছবি তুলতে পারি নাই। যেমন দুই নম্বর ছবিটা , নিচে পানি এত করে না নিয়ে উপরের পাহাড়টা নিলে ছবিটা পূর্ণতা পাইত। এইজন্য ই একই ছবি বিভিন্ন এঙ্গেলে তুলতে হয়। নতুন তো সব মাথায় থাকেনা।

প্রথম ও শেষ টা আমার প্রিয় ছবি। সময় নিয়ে তুলেছি। এই দুইটা নিয়া যদি কিছু বলতেন (ভালো + অসঙ্গতি) ভালো লাগত।

১৫

বকলম's picture


বস, আমিও যে খুব আহামরি কিছু জানি তা নয়। তাও "আমরা বন্ধু" হিসেবে যা মনে হয়েছে তা বলেছি। Wink

ছবির কালার খুব ভাল এসেছে। পোষ্ট প্রসেসিং এ স্যাটুরেশন বাড়িয়েছেন বলে মনে হচ্ছে। ১ম এবং শেষ ছবিটা আমারও পছন্দ হয়েছে তবে ঐ দুটোতেও এ্যালাইনমেন্ট আরেকটু ঠিক করতে পারতেন। আর একটা কথা যেটা আপনি নিজেই বলে দিলেন এ্যাঙ্গেল। স্পটে আপনি ছিলেন, ঠিক কোন এ্যাঙ্গেলে তুললে ছবিটা ভাল হত তার জন্য বিভিন্ন এ্যাঙ্গেলে একই দৃশ্য তুলতে পারতেন। আমার মনে হয়েছে উচুঁ স্থান থেকে না তুলে পানির সমান্তরাল থেকে তুললে হয়তো ছবির গভীরতা'টা আরও বাড়ত। আকাশ আর পানির/ভুমির ১:২ অনুপাত মানলে হয়তো ভাল লাগতেও পারত। তবে বাস্তবতা বলে রুল মেনে সবসময় ভাল ছবি তোলা যায় না।

ছোট মুখে অনেক বড় কথা বলে ফেললাম। ভাল থাকবেন।

১৬

সাঈদ's picture


আমি ২ বার গেছি কিন্তু ডিজিটাল ক্যামেরা ছিল না তখন । শেষ বার গেছি বর্ষায়, ঝুলন্ত ব্রীজ তখন ছিল পানির নিচে কিন্তু শুভলং এর ঝর্নায় পানি ছিল তখন , আমরা গোছল ও করেছি।

ম্রাত্তক ছবি তুলছেন ভাইয়া।

১৭

হাসান রায়হান's picture


ছবি নিয়া টেনশনে ছিলাম। তোমার কথায় ভরসা পাইলাম।

১৮

সাহাদাত উদরাজী's picture


মন জুরিয়ে গেল! জুড়িয়ে!!!!

১৯

হাসান রায়হান's picture


থ্যান্কু গুরু । Smile

২০

জ্যোতি's picture


ছবিগুলা বারবার টানে।শুধু চোথ জুড়ানো, মন জুড়ানো না। এত সুন্দর, এত সুন্দর যে আছে এবং আমাদের সেটা ছোঁয়াও যায় এটা ভাবতেই কেমন যেনো লাগে। এমন সুন্দর জায়গা ছেড়ে আসলেন কিভাবে রায়হান ভাই?

২১

হাসান রায়হান's picture


রাঙামাটি আসলেই খুব সুন্দর যায়গা।রাঙামাটি শহরের প্রেমে পড়ে গেছি। এত পরিস্কার পরিচ্ছন্ন শহর বাংদেশে একটাও নাই। এখানে কোনো রিক্সা নাই। এত চড়াই উৎড়াই যে উপায় ও নাই। একটার পর একটা সিএনজি আসছে। শেয়ারে যাওয়া, হাত বাড়লাই থেমে গেল, তারপর চড়ে বসলেই যায়গামত যাওয়া। দারুন না?

তবে বেশুরভাগ সুন্দর যায়গাই যাওয়া হয়নাই। ফেরার পথে দেখলাম পাহাড়ে জঙ্গলে কতো সুন্দর যায়গা রয়েছে।

২২

জ্যোতি's picture


ছবিগুলা দেখে প্রেমে পড়ছি। এবং যেতে ইচ্ছ করছে।কবে যে যাবো?

২৩

নীড় সন্ধানী's picture


ঠিক! বাংলাদেশের একমাত্র রিক্সাবিহীন শহর। জনপ্রতি পাঁচটাকা দিলে টেক্সী মেলে। এখন কত নেয় ভাড়া? আমি প্রথম বার দুই বন্ধু সহ গেছিলাম ১৯৮৯ সালের দিকে বোধহয়। দিনের বেলা ঘোরাঘুরি শেষে রাতে একটা সিনেমা হলে ঢুকলাম। বন্ধু বললো, নতুন জায়গার এক্সপেরিয়েন্স নিতে হবে। কি একটা সিনেমা জানি চলতেছিল, এই বৃষ্টি ভেজা রাতে চলে যেও না টাইপ। অর্ধেক দেখে ঘামতে ঘামতে বেরিয়ে এসেছিলাম। গরমে আর ছারপোকা দুই কামড়ানিতে মজার বাইর হয়ে গেছিল। রাঙ্গামাটি বহুবার গেছি। এখনো ভালো লাগে। কিন্তু প্রথমবারের মতো মজা আর মুগ্ধতা হয়নি আর।

২৪

হাসান রায়হান's picture


আমি হোটেল সুফিয়া থেকে কিছুদূরের মার্কেটে গেলাম পাঁচটাকা ই নিল। প্রথম দেখার অনুভূতি আসলে তূলনাহীন। যেবার প্রথম সমূদ্র দেখলাম হাত পা সারা শরীর অবশ হয়ে গেছিল। পরের বার ভালো লাগলেও সেই অনুভূতি হয় নাই।

২৫

নীড় সন্ধানী's picture


আপনারা কি বনরূপা ছিলেন, নাকি রিজার্ভ বাজারে?

২৬

হাসান রায়হান's picture


যায়গার নাম জানিনা। হোটেল সুফিয়া। তবে আমি সেখান থেকে বনরূপায় সিএনজি দিয়ে গেছিলাম ঔষধ কিনতে।

২৭

শওকত মাসুম's picture


আমি তো ভাবলাম ফাকি দিবেন। খালি ছবি দিয়া কইবেন এইটা রাঙামাটি। বর্ণনা দিছেন তাই মাফ করলাম।
ছবিগুলো অদ্ভুত সুন্দর।

২৮

হাসান রায়হান's picture


কালকা তো টুটুল খালি ছবি দিয়া পোস্ট দিতে বলছিল। আপনার ভয়ে দেই নাই।

২৯

শওকত মাসুম's picture


এরম বর্ণনা না থাকলে কি পুরা জমে?

৩০

রাসেল আশরাফ's picture


ছবিগুলো দেখার মতো হয়েছে......।

আমি গতবছর রাঙামাটি গিয়েছিলাম।প্রচন্ড বৃষ্টিতে আমরা ৪ বন্ধু আর এক পিচ্চি মাঝি নিয়ে কাপ্তাই লেকের মধ্যেখানে...।।সে এক অন্য অনুভুতি......।।

৩১

হাসান রায়হান's picture


ধন্যবাদ রাসেল আশরাফ।

৩২

রাসেল আশরাফ's picture


আর ধন্যবাদ!!!!কত ব্লগ খুজে একটা মনমতো ব্লগ পেলাম যেখানে নেই কোন বাড়াবাড়ি না আছে কোন গালাগালি না আছে কোন নোংরামি।খুব ভালো ব্লগ।বন্ধু হওয়ার আবেদন করলাম কিন্তু মামা চাচা না থাকার কারনে এখনো বন্ধু হতে পারলাম না।
আসলেই আপনার ছবিগুলো সুন্দর হইয়েছে...।

ইস আমি যদি এইরকম ছবি তুলতে পারতাম...।

৩৩

হাসান রায়হান's picture


লজ্জা ফেললেন বস। আমি মাত্র ছবি তোলার চেষ্টা করছি। অনেক শেখার বাকী। ধন্যবাদ অনেক।

আমি মডুদের রিকুয়েস্ট করে দেখি।

৩৪

রাসেল আশরাফ's picture


যাক মামা চাচা পায়ছি তাইলে......

আমি ছবি তুলি কিন্তু খুব ভালো হয় না...।এর আগে ইয়াসিকা-এমএফটু দিয়া তুলতাম এখন চেষ্টা করি এক ডিজিটাল ক্যামেরা দিয়ে পরিকল্পনা আগামী কয়েক মাসের স্কলারশীপ এর টাকা দিয়ে একটা ডিএসএলআর কিনবো।

৩৫

হাসান রায়হান's picture


ওয়েলকাম টু দ্য ডিএসএলআর গ্রুপ Smile

৩৬

নাজ's picture


ছবি দেখে তো এখনই ওখানে চলে যেতে ইচ্ছে করছে। কিন্তু যেতে পারবো না Cry

এত সুন্দর ফোটগ্রাফির জন্য আপনাকে মাইনাস Smile

৩৭

হাসান রায়হান's picture


এই গরমে না যাওয়াই ভালো। মাইনাস নিলাম । Smile

৩৮

শাওন৩৫০৪'s picture


আবার যে কবে যামুঊঊঊঊউ-----ঘর হৈতে দুই পা ফেলাইয়াই যামু------

৩৯

হাসান রায়হান's picture


শিউর। Smile

৪০

রাফি's picture


ফটুগুলান হিভি হৈচে...... একটা ক্যারেমা কিন্না ফালামু কিনা চিন্তাইতেছি.....।

৪১

হাসান রায়হান's picture


কিনা ফেলেন, কী আছে দুনিয়ায়!

৪২

তানবীরা's picture


পুরা উড়াধুরা ছবি হইছে বস। এবার ঢাকায় আসলে সুন্দরবন যাওয়ার ইচ্ছে আছে বস, ভেবে দেখেন। একসাথেও যেতে পারি ছবি তুলতে

৪৩

হাসান রায়হান's picture


গতবার প্রায় ফাইনাল করে ফেলেছিলাম ইয়াযিদদের সাথে সুন্দরবন যাওয়া। ব্লগার কেউ রাজী হয় নাই বলে যাওয়া হয় নাই। ভাগ্যিস যাই নাই। ওরা পথ হারাইয়া কোন চরে নাইমা ছবিউবি তুইলা ফিরা আসছে।

৪৪

বিষাক্ত মানুষ's picture


আপনের অপিষে দেখি বিদেশী ভরা !!!
কবে যে ঢাকার বাইরে যামু !! আর মন টিকতাছে না ফটুগুলা দেখার পর থিকা

৪৫

হাসান রায়হান's picture


এইটা আমার এক্স অফিসের। বাচ্চা কাচ্চা সহ মোট বারো জন আসছিল হল্যান্ড থিকা।

৪৬

লোকেন বোস's picture


ছবিগুলো একদম জীবন্ত

৪৭

হাসান রায়হান's picture


ধন্যবাদ লোকেনদা।

৪৮

আপন_আধার's picture


আহারে ........ কবে যে যামু ??

৪৯

হাসান রায়হান's picture


ঘুরে আসেন।

৫০

বাতিঘর's picture


কিছু ছবি কেমন দিব্বি কথা কয়ে ওঠে! আপনার ছবিগুলো কেমন অকপটে বলে গেলো 'এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি......!!!' সত্যিই মুগ্ধ হলাম ভাই ....
ছবির সাথে বর্ণনাও চমৎকার হয়েছে ।

হৃদ- হ্রদ
কহেলা-খেলা ......এই দুটি টাইপোর কথা বিশেষভাবে বলছি(অভয় দিলে আরো কইতারি) খুব চোখে লাগে রে ভাইডি ।

'এই বেতাছির গরম...।' 'বেতাছির' শব্দের মানে জানতে বিশেষভাবে আগ্রহী হইলাম ভাইডি, কইবেন পিলিজ !

আশা করছি, রিমঝিম মামণিটা এখন ভালো আছে । ওর জন্য অনেককককককক আদর আর দোয়া । ভালো থাকবেন ।

৫১

হাসান রায়হান's picture


আমি প্রায়ই অন্যের টাইপো, ভুল বানানে বিরক্ত হই। কিন্তু নিজে লেখার সময় এত তাড়াহুরা করি যে এক কোটি টাইপো থাকে। ধরিয়ে দেয়ার জন্য আপনাকে কৃতজ্ঞতা জানাই। ঠিক করলাম। আরো থাকলে জানাবেন।

বেতাছির শব্দটা ছোটোবেলায় নানার বাড়ি গেলে শুনতাম। অতি দুষ্ট ছেলেদের বলত বেতাছির পোলা। তাছির অর্থ নজির। বেতাছির = নজিরবিহীন।

রিমঝিম ভালো আছে। যদি বলি তোমা বাতিঘর কাকা আদর ও দোয়া দিয়েছে, বলবে এই কাকা কই থাকে কী করে ওনার কাছে চলো। Smile

আপনিও অনেক ভালো থাকবেন।

৫২

বাতিঘর's picture


অনেক কৃতজ্ঞতা রায়হান ভাই, নতুন একটা শব্দের সাথে পরিচয় করিয়ে দেবার জন্য!
দারুণ লাগলো শব্দের অর্থটা জেনে ( খুব করে ব্যবহার করা যাবে কাউরে পচানির কাজে হিহিহি) ..হা হা হা রিমঝিমের সম্ভাব্য উত্তরটা জেনে মজা পেলাম খুব । মামণিকে নিয়ে চলে আসুন ভাবীসহ যে কোনও দিন, যেকোনো সময়ে । শুধু, আসবার আগে একটা ফুন দেবেন প্লিজ! অনেক ধন্যবাদ ভাইডি । ভালো থাকুন ।

৫৩

মেসবাহ য়াযাদ's picture


ছবিগুলো জীবন্ত। মনের টানে তুলেছেন, বুঝাই যায়।
দারুন, ফ্যানটাস্টিক। থ্যাংকু...পিলাস।
বর্ণনা যাচ্ছে তাই। ফরমায়েশি। ইচ্ছে করলেই
ভালো লিখতে পারতেন। নো থ্যাংকস... মাইনাস।

৫৪

হাসান রায়হান's picture


আপনারেও থ্যান্কু।
বর্ণনার বিষয়টা ঠিক ধরেছেন, এক ধাক্কায় লিখছি। মাইনাসই সই। Smile

৫৫

নড়বড়ে's picture


আহা! রাঙামাটি! অপূর্ব! আমি ২-৩ বার গেছি, তাও মন ভরে না। পাহাড় আর পানির এইরকম মিশাল আর কই পাবেন?

দারুণ ছবি, দারুণ বর্ণনা।

শেষবার গিয়ে হোটেল কামালিয়া নামে একটা হোটেলে খাইছিলাম, ওইটা কি আছে এখনো?

৫৬

হাসান রায়হান's picture


ধন্যবাদ। আমি একটা হোটেলই চিনি, যেটায় উঠেছিলাম।

৫৭

অদ্রোহ's picture


রাঙ্গামাটি যাওয়ার বন্দোবস্ত কদিন আগেই হয়েছিল ,বিভিন্ন হ্যাপায় তা আর হয়নি ।দেখি ,বর্ষা আসুক ,শুভলং একটু তরতাজা হোক ,এরপর যাব ।

ছবিগুলা আসলেই মারদাঙ্গা হয়েছে Smile

৫৮

হাসান রায়হান's picture


থ্যান্কু Smile

৫৯

নুশেরা's picture


যাক, কোনরকম বেইজ্জতির কবলে পড়েনাই অচিন্দার এই ভ্রমণ অথবা পোস্ট।

আবারও কই, কিপিটাপ Smile

৬০

হাসান রায়হান's picture


হতাশ হওনের কিছু নাই ভরা মজলিশে প্রকাশ্য দিবালোকে আছাড় খাইলাম না?

৬১

sunjida 's picture


ছবিগুলি পোস্টারের মত...............

৬২

হাসান রায়হান's picture


ধন্যবাদ সানজিদা।

৬৩

মেঘ's picture


খুব সুন্দর একটা পোস্ট। মন ভরে যাবার মত ছবির উপস্থাপনা।

৬৪

হাসান রায়হান's picture


অনেক ধন্যবাদ মেঘ। ইনস্পায়ারড হইলাম।

৬৫

মুক্ত বয়ান's picture


পুরে হ্রদের মধ্যে চমৎকার একটা রেস্তোরায় খেয়ে

৬৬

মুক্ত বয়ান's picture


পরে হ্রদের মধ্যে চমৎকার একটা রেস্তোরায় খেয়ে

রেস্তোরার নাম "পেদা টিং-টিং" নিকি??

ছবিগুলান খুব খ্রাপ আসছে। Sad
["আঙ্গুর ফল টক" জাতীয় মন্তব্য।]

মন্তব্য পুরাটা আসলো না কেন?? Shock

৬৭

হাসান রায়হান's picture


হ্যা পেদা টিং টিং । এইটার অর্থ যত খুশি খাও বা ঐরকম কিছু।

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

হাসান রায়হান's picture

নিজের সম্পর্কে

অথচ নির্দিষ্ট কোনো দুঃখ নেই
উল্লেখযোগ্য কোনো স্মৃতি নেই
শুধু মনে পড়ে
চিলেকোঠায় একটি পায়রা রোজ দুপুরে
উড়ে এসে বসতো হাতে মাথায়
চুলে গুজে দিতো ঠোঁট
বুক-পকেটে আমার তার একটি পালক
- সুনীল সাইফুল্লাহs