পিকনিকের আরো কিছু প্যাচাল

দাদাভাই মেসবাহ যাযাদের ছবি দিয়া পিকনিকের প্যাচাল শুরু করলাম। কেন করলাম এইটা ব্যাখ্যা করার জরুর না, সবাই জানে। এবি পিকনিক মানেই দাদাভাই।

সাড়ে ৮ টার মধ্যে শাহবাগ থেকে বাসে উঠতে হবে। রিক্সায় উঠে হিসাব করলাম টায়টায় গিয়ে পৌছাব। কিন্তু চালাক বাবাজী ভুল করে প্রেসক্লাব ঘুরে যাওয়াতে পাঁচ মিনিট দেরী। দাদাভাই চিল্লাচিল্লি করবে এইটা জানা। উনি বেহুদাই আমার সাথে ফাপর লন। আর এখন তো দেরী! গিয়া দেখি সবাই চলে এসছে। চরম ত্যাক্ত চেহারা নিয়া ভাই ঝাড়ি মাইরা বাসে উঠাইলেন, এক পেয়ালা চা খাইতে চাইছিলাম ধমক দিয়া বসায় রাখলেন।

বাস যাইতেছে সংসদ ভবন। দু্ঃসংবাদ উদ্রাজি যাবেনা। গতবার বেচারা বউ নিয়ে গিয়ে শক্ত চেলা কাঠের মত সোজা হয়ে বউয়ের পিছে পিছে ছিলেন। সিগারেটও খাইতে পারেন নাই। এইবার নিশ্চয়ই অনেক আশা ছিল মনে।
সংসদ ভবন রাজধানী স্কুলের সামনে থ্রি স্টুজেস(আনিকা, তাজিন, মৌসুম) সহ বাকীরা উঠল। ফারযানা বাকি আছে। সো অপেক্ষা। মেসবাহ চরম গরম। কাঁচা খাইয়া ফেলব এমন ভাব। পনের মিনিট পর ফারযানার আগমন। আইসা উল্টা ঝারি। অফেন্স ইজ দয়া বেস্ট ডিফেন্স। 'একটা রিক্সাওলাও মানিক মিয়া চিনে না।' আদুরে গলায় ফারযানার অভিযোগ। দাদাভাই পুরা গলে গেলেন। মনে হলো রিক্সাওলা মানিক মিয়া চিনেনা এইটা দাদাভাইয়ের দোষ। এরপর যখন বলল, মেসবাহ ভাই আপনার জন্য এইটা আনছি, বলে এক প্যাকেট টয়লেট পেপার ধরায় দিল মেসাবাহ ভাই প্রথম বারের মত দাঁত বাইর করলেন।
কিন্তু বাস ছাড়ে না। কারণ মিতু ভাবির জন্য অপেক্ষা। আবার ত্যাক্ত মুডে দাদাভাই।

গৌতম দম্পত্তি। চুপচাপ। বাসে এত হাউকাউ কিন্তু কোনো রা নাই। একবার দেখলাম ঘুমায় গেছে।

ছালু। এইবারের উদরাজি। বৌ বাচ্চাকে সারভিস দিতে দিতে সময় পার। বান্ধবীদের সাথে বেচারা ছবি তুলতেও সাহস পায় নাই।
বাস ছাড়ল আধা ঘন্টা পর। নাস্তা। গরম নরম বনরুটি ও কলা। তারপর চট্টগ্রাম থেকে নুশেরার পাঠানো চকলেট। অনেক ধন্যবাদ নুশেরাকে। ঐপারে গিয়া যেন ৭০টা পুরুষ হুর পায়।

গত পিকনিকে বিমা কিঞ্চিত চান্স লইতে চাইছিল। তাই দাদাভাই আগেভাগে ফারযানার কাছে আবদার করেন, বিমা বিবাহিত সেজন্য বিমাকে চান্স না দিয়া তারে দিতে কারণ সে অভিজ্ঞ। এদিকে ফারযানার চান্দা ছিল জেবীনের কাছে জমা। জেবীন সেইটা মেসবাহকে দিতে চাইলে মেসবাহ কড়া আপিত্তি। সে ফারযানার কাছ থিকা নিবে। তাইলে একটু হইলেও হাতের স্পর্শ পাবে লুলটা। কী আর করা ফারযানা অভিজ্ঞ লোকের আব্দার মিটাইল

ক্যমেরা এখন সবার কাছে। গলায় ক্যমেরা ঝুলায়া ভাব নেয়ার দিন খতম। কারো কাছে আবার একাধিক।

এরপর গান। থ্রি স্টুজেস মিনমিন করে গায়। ইশান মাহমুদ শুনছে। আর কেউ মনে হয় শুনতে পায় নাই। এট লিস্ট আমরা পাই নাই। বললাম আমাদের সাথে একসাথে গাইতে। দলের পান্ডা মৌসুম আসলনা।
গানটান গাইতে গাইতে গাজীপুর পৌছায় গেলাম। চা খাওয়ার জন্য সবাই আকুলি বিকুলি করছে। মাগার দাদা ভাইএর এক কথা, নটি নটি। তারপর জিগাইতে জিগাইটে পিকনিক স্পট। স্পটের পাশে দোকান থেকে চা খাওয়া গেল রাসেল ও নাজমুল ভাইয়ের সাথে। দুই পেটি কার্ড কিনে রাসেল।
ছবির মত সুন্দর যায়গা।

ইশান মাহমুদের পরিবারের ছবি তুলি। ইশান ভাই পরিচয় করায় দেয় ভাবির সাথে। ভালো ক্যামেরা ম্যান। মনে মনে বলি বাঘ নাই বনে শিয়াল রাজা। এবিতেই দুর্দান্ত ফটোগ্রাফার আছে। পিকনিকেও ছিল। মৌসুম। তবে আমাগোমত আম ফটোগ্রাফার না, সবসময় ক্যামেরা খিচে না।

পুকর পাড়ে চরম ফটো সেশন হয়। বিলম্বু ফল খায় অনেকে কেউ চাকায়। ছবি তুলব কি ফারযানা বলে ভাই আমি আপনার ছবি তুলে দিই। জয়ি পাশে বসে ছবি তুলার জন্য। আই ছবি দেখে তাতা সহ অনেকে বরবর ভাষায় মন্তব্য করল। দিলে দাগা দিলা তাতামনি!
জয়িতা ছিল সবচেয়ে আনন্দে। তার র হাসি খুশি প্রাণোচ্ছল মুখ দেখে ভালো লাগে। সবাই যদি সবসময় এমন হাসি খুশি থাকত।
বাফড়া। বুদ্ধিদীপ্ত। সিলেটি। রংউঠা সোয়েটার। চুলে স্পাইক। আড্ডায় অলয়েজ ও শুয়ে থাকে। কিন্তু পিকনিকে ছিল সুপার ডুপার। বিশেষ করে জয়ির সাথে বাফড়ার ফটোসেশন ছিল অসাম। ওদের দুইজনের তারুন্যের উচ্ছ্বাসের ছবি দেখলে যে কারো মন ভলো হয়ে যাবে।
কার্ড খেলতে বসলাম। বেচার রাসেল শান্তিতে খেলতে পারে নাই। ছেলে ঋককে সামলাইতেই সময় গেছে মাতৃস্নেহে বাচ্চা বড় কয়ে তোলা বাবা রাসেলকে।
আরেক সেট নিয়া মেসবাহ বাফড়া। একবার তুই তোকারি, একবার বৃটিশ একসেন্টে ইংলিশে দুয়া, মাঝে মাঝে লাফ দিয়া চিৎকার, গড়াগড়ি দিয়া জয়ের উল্লাস। মেসবাহ তার পার্টনার মিতুকে ঝাড়ি দিয়া দৌড়ের উপরে রাখে।
এইবার গান, নাহিদের। নাহিদরে যদি অন্য কোনো সময় গান গাইতে লক্ষবার সাধেন, গাইবেনা। ছবির হাটে জয়িতা গলায় পারা দিয়াও গান বাইর করতে পারে নাই। কিন্তু পিকনিকে নিজে থেকেই গান গাইয়া শোনায় উইথ একতারা।
টুটুল বৌ বাচ্চা সাথে মেয়ে সহ নাজনীন খলিল আসেন। শুরু হয় ঋহান কে নিয়া টানাটানি, ছবি তোলার প্রতিযোগিতা।
কার্ড খেলা শেষে বাফড়া শুইয়া পড়ল ঘাসে। তার উপর শুইল বিলাই ও কাউয়া। খাবার হইতে দেরী । খিদায় পেট চোঁ চোঁ।

খাবার তৈয়ার হইতেই সবাই লাইনে খাবার সংগ্রহ করি। মজার খানা খাইয়া আমরা সবাই শুয়ে পড়ি ঘাসের উপর। উপরে আকাশ দেখি।

তারপর মেসবাহ কাকে নিয়া চিপায়গেল, উদ্রাজির পিকনিক নিয়া পোস্ট ইত্যাদি নিয়া পেচ্ছাপেচ্ছির পর সন্ধ্যায় ফেরার পালা। বাসে বাত্তি নিভানের গান। মাসুম ভাইতো পোস্টে পুরা লিরিক তুইলা দিছেন। রাত বারোটার পরে যাবি আম গাছের তলে জাতীয় গান গলা ফাটাইয়া সবাই গাই।ডুয়েট। মাঝখানে কী নিয়ে যেন হুরের কথা আসল। মামুন হুর দিয়া কী করবে এইটা বুঝতেছেনা জানানোর পর মাসুম ভাই অবাক বিষ্ময়ে বলেন, আমিতো শুনছিলাম আপনি নাকি বিয়ে করছেন!
ফেরার সময় নিরাপত্তার নিমিত্তে পাকনা বাপ্পি কে ফারযানা গার্ড হিসাবে পাশে বসায়। চরম উতফুল্ল বাপ্পির পারফরমেন্স ছিল সেইরকম। সেই সুপার ডুপার ডায়লগ " শরীরে হাত দেন ক্যান" বলে বাজীমাত করে সে।
তারপর একসময় ল্যাবএইডে চলে আসে বাস। সবাই যায় যার যার ডেরায়। মনে হয় কত দ্রুত দিনটা শেষ হয়ে গেল।
এইতো পিকনিকের কিছু ঘটনা। আমার প্যাচাল শেষ।
এই পিকনিকিরে প্রধান সেনাপতি জেনারেল মেসবাহ। উনার কৃতিত্বে, ম্যানেজমেন্টে পিকনিক সুসম্পন্ন। লেখা শুরু করছি উনাকে দিয়া শেষও করি উনাকে দিয়ে। পুকুরে পাড়ে একটা উচু যায়গা আছে। ঐখানে আর্মি নিয়া কথা হচ্ছিল। আমি বলতে যাইতেছিলাম, আর্মির ডাকতারি পরীক্ষা নিয়া একটা জোক্স বলি..। মেসবাহ আমারে এক ধমক দিয়া থামায় দেয়। বলে, 'আপনে গেছেন নাকি আর্মির পরীক্ষায় যে কথা কন? আমি গেছিলাম, ঐটা শুনেন'। শুরু করেন উনি -
ডাক্তারি পরীক্ষার সময় কাপর চোপড় খুইলা উলঙ্গ কইরা সব চেক করে। আমার সিরিয়াল আসল। পায়ূপথে টর্চ মাইরা আর্মির ডাক্তার চেক করার সময় জিজ্ঞাস করে, সিগারেট খান?
আমি বলি, 'ক্যান ধুয়া বাড়াইতেছে'?





গুরু, ছবি কথা বলছে!
ধন্যবাদ বস।
গুরু, এবারের পরিবহনটা কিন্তু হেভী সেক্সী ছিল। পিছনের দিক থেকে ছবি তুল্লেন ক্যান! ফেইস.।।
ফাইজালামি না... সিরিয়াস ভাব নিয়ে ততোধিক সিরিয়াস তোনে বলছি ঃ উদ্রাজী আপনার মতোন এমন বস্তুনিষ্ঠ অনুসন্ধানি প্রশ্ন করবে না কেউ আমি নিশ্চিত!।। অধীর অপেক্ষায় রইলাম রাইহানভাই কি জবাব দিয়ে করে আপ্নারে কাইত!...
আগেও উদ্রাজী'র কমেন্টে লাইক দিয়ে চেয়েও ব্যার্থ হইছি!!... এবি'তে কমেন্ট লাইক অপশন নাই কেন!!! মডু জবাব চাই!! J)
সিস্টার জেবীন, এটা আমি আর আমার গুরু বিষয়ক। আমার গুরু'রে লজ্জা দিয়েন না।
থেন্কু
গ্রেট পোষ্ট। পোষ্ট পড়ে মন পুরা পাংখা হয়ে গেছে।
দাদাভাই জিন্দাবাদ। যদিও ধমক দেবে বলে ফোন নিয়ে ফারজানার সাথে এমনভাবে কথা বললো যেনো ফারজানার লেট হওয়াতে মেসবাহ ভাই এর ই দোষ।এসব না বলি।
দিলে দাগা দিলাম আমি!!!!!
আপ্নে অন্যদের সাথে এমন ক্লুজ ফুটু তুলবেন? আর কারো দিল নাই
(
একটু নাহয় ভুল হইছে। তাই বলে এমন !
আর আমি কি ইচ্ছা করে তুলছি নাকি? পাশে আইসা বসছে আর ফারজানা জোর কইরা তুলছে।
আর আমি কি ইচ্ছা করে তুলছি নাকি? পাশে আইসা বসছে আর ফারজানা জোর কইরা তুলছে।আচ্ছা!মনে রাইখেন রায়হান ভাই। আমি মনে রাখলাম।
রায়হান ভাই ঠিক কইছেন। গতবারেও আমার পাশে এরম জোর কইরা ৫/৬ জন বইছিল।
আর জোর করে আপনি মাঝে বসছেন?
আর রায়হান ভাই জোর করে রোমান্টিক হাসি দিছে। আহারে কি দুর্ভাগা আপনারা। ঘরে বাইরে অত্যাচারিত। সমবেদানা।
জয়িতা, বাংলাদেশ তাহলে দেখি সুইডেনের কাছাকাছি পর্যায়ে উন্নত হয়েছে।
ফটো তোলার সময় কিন্তু আর জোর করো না, মাসুম ভাই - রায়হান ভাই মামলা করে দিবে এরপরে 
ছবিগুল খুবি শার্প। লেখাও কম চোখা না।
অনেক ধন্যবাদ।
এতদিন পরে ক্যান???????
টেকনিক্যাল প্রোবলেম ছিল।
গুরু আমার, এমন খেল দেখাবে আমি অনেক আগেই অনুমান করছিলাম।
ইশ... প্রত্যেক সপ্তাহে যদি একটা কৈরা পিকনিক হইতো
মেসবাহ ভাই আমারে ঝাড়ি দিয়া বাস থিক্কা নামাইয়া দিছে
দাদাভাই এর নামে মিছা কথা কইয়ো না টুটুল।আমরা মানবো না। তুমারে কে যেনো ঝাড়ি দিলো!তুমারে তো আমরা নিতাম না রিহানকে ছাড়া।
কেজানি বলছিল তিনমাস পর পর পিকনিক করা উচিৎ। প্রস্তাব টা ভালো।
শীতে একটা... বর্ষায় একটা... শরতে একটা ... তবে গরমে না
হ। সহমত।
এই পোষ্ট টার জন্য অপেক্ষায় ছিলাম ।
রায়হান ভাইয়ের পোষ্ট ছাড়া পিকনিকের ফিনিশিং হয়না।
হ্যা ফিনিশিং দিলাম
ফিনিশিং ! আমার যে আরো ক'টা ছবি দেবার ইচ্ছা ছিল- দেওয়া যাবে না ?
মেসবাহভাই সবডিরে ধইরা "স্কুল অব হিউম্যান ডেভেলভমেন্ট" এ ভর্তি করাইতে নিতাছে!!!...
এবারের সব এলব্যামের মাঝে রায়হানভাইয়েরটা ১নং। যদিও গতবার সাঈদ্ভাই ছিলেন নম্বর ১। তবে এবার উনি নেমে গিয়ে ৩ এ চলে গেছেন... ্নবীনের জ্যজয়কার দেখাতে মুক্ত'র এলব্যাম উঠে এশেছে ২নং এ!...
আমার কাছে অল্প কয়টা ছবি আছে তাজিন আর আনিকার তোলা, আমার আইলসামি লাগে ছবি তুলতে তাই তোলা হয়নাই...দিয়া দিবনে এই পোস্টে...সিস্টেমটা বুইঝা লই।
ফ্লিকারে আপনার ছবি দেখে আমি আপনার ফ্যান অনেক দিন থেকে। আর আপনার লেখাও অনেক দিন থেকেই পছন্দ করি। সেই সামুর প্রথম দিকের সময় থেকে।
লেখা আর ছবি তোলা দুইটাই বন্ধ অনেকদিন, আপনাদের না ফোটোওয়াক প্ল্যান চলতেছে? ডাক দিয়েন, যামুনি! পোস্টে মজা পাইছি
...তয় এই ব্লগের অতি গ্যানজাইমা ছবি আপলোড রহস্য ভেদ করতে পারলাম না বইলা তাজিনানিকার তোলা ছবিগুলা দিতে পারতেছিনা 
পোস্টে এমনেই একটু মজাক করলাম ।
অপেক্ষায় আছি । এত দেরী ?
ছবি দেখে হতবাক ! এত সুন্দর ছবি যার হাতে তোলা তিনি আমার তোলা ছবির প্রশংসা করেছিলেন । এখন মনে হচ্ছে, কোন পোস্টে পিকনিকের ছবি দেওয়া উচিৎ হয়নি আমার ।
আর লেখা ? বর্ণনার ঢং এত আকর্ষণীয় ও প্রাঞ্জল যে পড়ে মনে হচ্ছিল যে আমি সেই পিকনিক স্পটেই আছি ! তবে পার্থক্য এই যে, তখন হাসি পায় নি এত, কিন্তু পোস্ট পড়ে হাসতে হাসতে পেটে খিল ধরে যাবার অবস্থা । ধন্যবাদ হাসান রায়হান, অনেক ধন্যবাদ আপনাকে ।
আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ নাজমুল ভাই।
আমরা যখন উপ্রে উঠছিলাম(!), দাদাভাই তখন একটা কৈতক কৈছিলো, কুন জায়গায় যে শেষ হৈছিলো, আমি অখনো ধর্তার্লাম্না!
সেই বিষয়টার উপ্রে একটু টর্চ মারতেন যদি?
ধূয়া দিয়া শেষ করছে
থ্রি স্টুজেসের মিনমিন করে গাওয়া দু'টো গানের অংশবিশেষ, যারা সেদিন তাদের গান শুনতে পান নাই তাদের জন্য । [শ্রবণশক্তি অটুট রাখতে আপনার সাউন্ড সিস্টেমের ভলিউম কমিয়ে দিন]ঃ
http://www.youtube.com/watch?v=VzRxLMziCZo
http://www.youtube.com/watch?v=6FXyNA1RPhQ
নাহিদের গান আর তাসের আড্ডা চলেছিল একই সাথে । পিকনিকের হৈহল্লা, তাস পেটানো আর গান একত্রে উপভোগ করুন । [আমার উপরে ক্ষেপপেন না, এমন অদ্ভুত রেকর্ডিংয়ের জন্য, পোলাপান এর চেয়ে ভাল পোজ দিতে পারে নাই, আমার কি করার ছিল?]
http://www.youtube.com/watch?v=H4bu4Ljm9L0
http://www.youtube.com/watch?v=HyA2xjECjDQ
এবার যেটা শুনবেন, সেই গানটা আগের একটা পোস্টে আপনাদের শোনা হয়ে গেছে, তবুও দিলাম, আপনাদের স্মৃতি উসকে দেবার লক্ষ্যেঃ ।
http://i4.ytimg.com/vi/GgFse359JEg/default.jpg
সবাই আনন্দে থাকুন । প্রতি তিনমাসে একটা করে পিকনিকের মানসিক প্রস্তুতি নিন ।
জটিল কাজ করছেন বস।
আপনি ছাড়া আর কেউ দেখেছে কিনা সন্দেহ হচ্ছে ।
কি কন নাজমুল ভাই
তওবা তওবা... আস্তাগফিরুল্লাহ! নাজমুল ভাই... এইটা কি হইলো... এখন তো আমাদেরকে কেউ আড্ডায় আর ডাকবোনা... এই বিকট বেসুরা গান যে বাসের ঘটাং ঘটাং পার কইরাও এইরমভাবো শোনা যাইবো সেইটা তো বুঝি নাই। আইজ থাইকা পাব্লিক প্লেস স্পিকটি নট হইয়া থাকনের শপথটা নিয়া ফালামু নাকি বুঝতাসিনা।
শপথ নিতে পারেন, তবে অবশ্যই তা ভঙ্গ করবার জন্য ।
সেরেচে! আপনি কি সবাইরে বয়রা বানাবার ধান্দা করতেছেন নাকি?
ভলিউম কমাবার সতর্কসঙ্কেত আগেই দিয়েছি । এরপরও কেউ যদি...............
নাজমুল ভাইরে মাইনাস।
আসল ডুয়েট গানটা না দেয়ার জন্য।
আসল ডুয়েট গানটা যখন গাওয়া হয়েছিল, তখনই তো আমি মা্ইনাস ছিলাম । আমাকে সামনের দুই সিটে একা বসিয়ে রেখে পিছনে সবাই মজা লুটলেন । এখন আর নুতন করে কি মাইনাস দেবেন রে ভাই । দুক্কু, আপসুস......
পিকনিকে না যেয়েও পিকনিকের আনন্দ পাচ্ছি।
ধন্যবাদ, রায়হান ভাই।
আপনাকেও ধন্যবাদ সকাল।
পোষ্ট পছন্দ হয়েছে | নতুন বছরে আরেকবার পিকনিকের স্মৃতি ঝালাই করানোর জন্য রায়হান ভাইকে ধইন্যা| তবে একটু ভুল সংশোধন কর্তে চাই| মেজবাহ্ ভাইকে টয়লেট পেপার দেইনাই| গতবার সাবান নিয়া একটু অসুবিধা হয়েছিল বিধায় এইবার হাত মোছার টিস্যু দিলাম|
শোনেন, সাথে বউ থাকলে সবসময় গুড বয় হয়ে থাকতে হয়। দেখেন না, পুরা রাস্তায় সবসময় বউয়ের সাথে সাথেই ছিলাম! আর কারো দিকে তাকাই নাই; কারো সাথে ইচ্ছে থাকলেও কথা বলতে যাই নাই। হে হে হে... আপনার লেখা পড়ে মনে হচ্ছে, পরীক্ষায় পুরা পাশ।
হা হা । আপনাদের দেখে কহুব ভালো লাগছে। সুইট ফ্যামিলি।
ব্যপক লাইক্কর্লাম।
ব্যপক ধন্যবাদ
লেখা হিসেবে গতবারের টাই সেরা। তয় এইটাও জব্বর হইছে।
গতবার তো তুমি ছিলা তাই লেইখা মজা পাইছিলুম।
আপনার লেখাটার জন্যই অপেক্ষায় ছিলাম। আজকাল তো আবার রায়হান ভাইরে লেখার জন্য ব্যাপক তেল দিতে হয়।
নতুন বছরে বেশি বেশি লেইখেন।
পোস্ট সেরম হইছে
এনাফ তেল হইছে লিখুম।
পিকনিক বিষয়ক এই পোস্টটা বেশি সুস্বাদু হয়েছে।
পোস্টের শুরুতে ডিপজলের ছবিটা বেশ ভালো এসেছে।
'গভীরওয়াটার' নাকি উনি ?
ধন্যবাদ বস। গভীরজলের ফটুটা আমারো খুব প্রিয়।
দারুণ দারুণ....
ধন্যবাদ
এখন ১২ জন সদস্য ও ১১ জন অতিথি অনলাইনে
অনলাইন সদস্য
* রন
* রাসেল আশরাফ
* লীনা দিলরুবা
* ভাস্কর
* হাসান রায়হান
* রশীদা আফরোজ
* জয়িতা
* সাহাদাত উদরাজী
* আরিফ জেবতিক
* ভাঙ্গা পেন্সিল
* মুক্ত আকাশ
আপনারা পেচ্ছাপেচি শুরু করুন, আমি এখন যাই ।
ফটো পোস্ট..দুইটাই জোস...
আসলেননাতো
আবার কবে পিকনিক ? আমি বেকার, হাতে ম্যালা টাইম...
কাজের মধ্যে দুই
খাই আর শুই...
পোস্ট সেরাম হৈছে বস, পিলাস
অল ক্রেডিট গোস টু আপনের কাছে।
দাদা ভাই, চলেন আপনার পাহাড়ে যাই পিকনিকে
চরম মজাদার পোস্ট! আরো কিছু যোগ করে দ্বিতীয় পর্ব ছাড়েন
বদদোয়া দেন ক্যান
নাহ পেচ্ছাপেচ্ছি ছাইড়া দিয়া ভাবগম্ভীর মুরুব্বি হয়ে থাকুম ভাবতেছি।
ক্যান, ভাবীর ইডিডি ঘনাইছে?
এখানে আমার কিছু বলা বোধহয় ঠিক নয় ।
পিকনিক এর অনেক কিছুই মিস করেছি
হ্যা, পিকনিকের বাসে না থাকলে পিকনিকের ৮০% আনন্দ লস।
উদরাজী ঘরে দিনরাইত বউয়ের সান্টিং খায় এই কথা জানা আছিলো। কিন্তু পিকনিকের দিন (এমন খুশির দিনেও) বাসে সবার সামনে বউয়ের সান্টিং খাইছে ছবি না দেখলে... আমি উদরাজীর দুঃখে দুঃখী
(
কন কি!
সান্টিং কি??
কেমনে খায়??

গুরু, আপনার নূতন ব্লগ মুছে ফেলেছেন কেন? মাইন্ড খাইছে।
মন্তব্য করুন