ইউজার লগইন

রাসেল'এর ব্লগ

ইদানিং জীবনযাপন

শামসুর রাহমান প্রসঙ্গে হুমায়ুন আজাদের বক্তব্য মনে পরে-
ঘরোয়া আড্ডায় তিনি কিভাবে কথা বলতেন জানা নেই কিন্তু তার প্রথানুরক্ত প্রথাবিরোধিতা নিয়ে, বাংলা সাহিত্যে নিজস্ব অবস্থান প্রসঙ্গে তার উচ্চমন্যভ্রান্তি সমেত তিনি তার কষ্টচর্চিত শুদ্ধউচ্চারণশুঁচিবাই নিয়ে জনসমক্ষে উপস্থিত হতেন। তার ব্যক্তিগত এবং সামাজিক জীবনের পার্থক্য সম্পর্কে তিনি সচেতন ছিলেন এবং সামাজিক পরিবেশে নিজের বুদ্ধিজীবী মুখোশ এঁটে গম্ভীর মুখে উপস্থিত হতেন।

বাংলাদেশ ডায়েরি ০৩

দুরপাল্লার বাসে প্রচন্ড আতংকে চেপে ড্রাইভারের ঠিক পেছনের সীটে বসে থাকার মতো পেরেশানী দ্বিতীয়টি নেই। পরীক্ষায় প্রথম না হওয়া যত ক্ষিপ্ত- ক্ষুব্ধ মানুষেরা দুরপাল্লার বাসের ড্রাইভার হয়। তাদের জীবনের অন্যতম লক্ষ্য সবাইকে কাটিয়ে প্রথম হওয়া। যে বাসগুলো গাজীপুর থেকে ঢাকা আসছে, গতির মত্ততায় সেগুলোকে কাটিয়ে রাজশাহী- দিনাজপুরের বাস ঢাকায় ঢুকতে পারবে না কিন্তু গতির মরিয়া লড়াইয়ে রঙ সাইডে আটকে পরা বাসের যাত্রীরা যমুনা ব্রীজের আগে ক্রমাগত ড্রাইভারকে উপদেশ দিচ্ছে।
ঐ মিয়া বাসটা ঐ লাইনে লাগাইলে তো এতক্ষণে ব্রীজের কাছে যাইতাম গা। কি চালাও কিচ্ছু বুঝি না। তোমারে এইখান থামাইতে কইলো কে? অন্য পাশ থেকে দ্রুত বাস ট্রাক আসছে। সেসব বাস-ট্রাকের ড্রাইভারের আসনে বসে আছে আরও সব কখনও প্রথম হতে না পারা ক্ষুব্ধ প্রাক্তন ছাত্রেরা।

বাংলাদেশ ডায়েরি ০২

গত রাতেও যেখানে ছিলাম, শুনশান নিরব মফঃস্বল, পাশের বাসার মানুষটা বিছানায় পাশ ফিরলেও চাদরের খসখস শব্দ কানে আসে। পাখীরাও চুপচাপ। যন্ত্রের যন্ত্রনাকাতর দীর্ঘশ্বাস জমাট বেধে আছে শহরের বাতাসে। শিহরন নেই, বরং অহেতুক উৎকণ্ঠা ভাবনায়। ধুলার গন্ধ নাকে আসে, ভয় হয় যদি বুক ভরে শ্বাস নেই, এইসব ধুলো জমে ফুসফুস খসখসে হয়ে যাবে।

বাংলাদেশ ডায়েরি ০১

আকাশখামচে ধরা স্থাপনাগুলোর ভেতর দিয়ে বাঁক নিয়ে যতবার বিমান ঢাকা এয়ারপোর্টে অবতরন করে, সম্পূর্ণ সময়টাতেই আতংকে সিঁটকে থাকি। তীরে এসে তরী ডোবার মতো এয়ারপোর্টে আছড়ে বেমক্কা মরে যাওয়ার সম্ভাবনা যাচাই করি। সাজানো গোছানো কোনো এয়ারপোর্ট থেকে বাংলাদেশের এয়ারপোর্টে নামলে নানাবিধ অসংগতি দেখে বিব্রত লাগে।

শোভন আন্দোলন

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নাগরিক বিক্ষোভ প্রধানতঃ রাষ্ট্রের নিয়ম-নীতির প্রতি নাগরিকের অসন্তোষ। নাগরিক প্রার্থী বাছাই করে ভোটের মাধ্যমে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করেন এবং প্রত্যাশা করেন তার অভিযোগ এবং অসন্তোষ জনপ্রতিনিধি রাষ্ট্রের কাছে উপস্থাপন করবেন।
ষাটের দশকে যুক্তরাষ্ট্রের বর্ণবাদবিরোধী নাগরিক আন্দোলনের নেতারা আন্দোলনের কৌশল হিসেবে নিজেদের দাবী স্পষ্ট করে চিঠিতে লিখে প্রতিটি জনপ্রতিনিধির কাছে পাঠানোর নির্দেশনা দিয়েছিলেন। চিঠির কোনো প্রতিক্রিয়া না দিলে কিংবা চিঠির প্রাপ্তিস্বীকার পত্র না দিলে জনপ্রতিনিধির কার্যালয়ের সামনে অবস্থান গ্রহন করো, বিক্ষোভ মিছিল, শান্তিপূর্ণ অবস্থান, শ্লোগান, অনশনের পর্যায় পার হওয়ার পরও যদি প্রশাসন কর্ণপাত না করে, চুড়ান্ত পদক্ষেপ হিসেবে সহিংস বিক্ষোভ।

সৈয়দ মুর্তজা আলী

রম্যসাহিত্যিক সৈয়দ মুজতবা আলীর ভাই সৈয়দ মুর্তজা আলী ইতিহাসবিদ ছিলেন। তিনি MUSLIM EDUCATION IN BENGAL 1837-1937শীর্ষক পর্যালোচনায় ব্রিটিশ শাসিত উপমহাদেশে বিশেষত শিক্ষিত মুসলমানদের সংখ্যাসল্পতার বিভিন্ন কারণ অনুসন্ধানের চেষ্টা করেছেন। কারণগুলোকে ভৌগলিক, ভাষিক এবং আদর্শিক কাঠামোতে ভাগ করা যায় সহজেই। কোম্পানী ক্ষমতাকাঠামো কোলকাতাকেন্দ্রীক হওয়ায় সেখানে প্রথমে স্কুল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে- কোলকাতা নগরের পার্শ্ববর্তী হুগলী এলাকার কিছু ধনী মুসলিম পরিবারের সন্তান ব্যতীত বৃহত্তর বঙ্গ ও আসামের সংখ্যাগুরু মুসলমানদের ইংরেজী শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার সুযোগ ছিলো না।

কোটাওয়ারী রাজনীতির প্রাসঙ্গিকতা

পুরানা পল্টনের ফুটপাতের পুরোনো বইয়ের দোকানে ৭০০ পাতার কায়দে আজম জিন্নাহর জীবন ও রাজনীতি শিরোণামের বই খুঁজে পেয়েছিলাম একবার। ১৯৬৯ কিংবা ১৯৭০ এ বাঙালী জাতীয়তাবাদের উত্তুঙ্গ পরিস্থিতিতেও এমন বিশাল বই প্রকাশের সাহস প্রকাশকেরা করেছিলেন- পশ্চিম পাকিস্তানের সাথে- বিশেষত সামরিক শাসন কবলিত প্রশাসনের সাথে তিক্ততার ভেতরেও মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর প্রতি এক ধরণের অনুরাগ বাংলাদেশের শিক্ষিত সমাজে ছিলো।

শিক্ষার মাণ

প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের প্রতিবছর নতুন বই দেওয়া হচ্ছে। সারা দেশের প্রায় এক কোটি শিক্ষার্থীর জন্যে অন্তত ৫ কোটি বই মুদ্রন এবং বিতরণের দায়িত্ব পালন করে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড । তারা বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান। এসব পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষণসহায়িকাগুলো তাদের ওয়েবসাইট থেকেও নামানো যায়।

প্রতিটি পাঠ্যবইয়ের সম্পাদনা পরিষদে অন্তত ৪ জন শিক্ষকের নাম লিপিবদ্ধ আছে। বইয়ের শুরুতে শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যানের ক্ষুদ্র বক্তব্য এবং বইয়ের শেষের পাতায় কোনো এক অজানা কারণে এ বছর প্রধানমন্ত্রীর ছবি সংযোজিত হয়েছে।

ইদানিং জীবনযাপন

আমি কম্পিউটারের ১৭ ইঞ্চি স্ক্রীনে দেখছি ছেলের চেহারা থেকে শৈশবের ছাপ মুছে যাচ্ছে, কণ্ঠের মসৃনতা উবে গিয়ে কৈশোর আসছে। এই অদ্ভুত সময়টাতে যখন যেকোনো আবদারের শেষে ওকে শুনতে হচ্ছে তুমি কি এখনো বাচ্চা না কি, যাও পড়ার টেবিলটা গুছাও- এখন বড় হয়ে গেছো, আর যেকোনো মতামতের পর অবধারিত শুনতে হচ্ছে এই বয়েসে পাকনা পাকনা কথা বলতে হবে না, তুমি ছোটো আছো এখনও। এই অদ্ভুতুড়ে সময়টা ফিরে আসবে না ওর জীবনে- আমার জীবনেও।
আমার মেয়ে ওয়েবক্যামের সামনে দাঁড়িয়ে আমার সাথে লুকোচুরি খেলে। বাবা বলতো আমি কোথায়? আমি এপাশ থেকে বলি আরে আমার মেয়েটা কোথায় গেলো? আমি তো দেখতে পাচ্ছি না।
ও কম্পিউটার স্ক্রীনের পেছন থেকে বলে- এই তো আমি তোমার পিছনে। তুমি আমাকে দেখতে পাচ্ছো না? তুমি কি বোকা না কি?
বলতে পারি না- পৃথিবীতে বোকা মানুষ না হলে কেউ তোমাদের ছেড়ে দূরে থাকে না।

বিরাজনীতিকরণ

স্পেনে গত ১ বছর ধরেই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত কোনো সরকার নেই। এক বছরের ভেতরে দুটো নির্বাচন হলেও কোনো দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করতে ব্যর্থ, শিথিল শর্তে কিংবা দেশ ও জাতির বৃহত্ত্বর স্বার্থে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা কোনো ধরণের জোট গঠন করতে ব্যর্থ হয়েছে। সাধারণ মানুষেরা এই সরকারবিহিন রাষ্ট্রে বেশ খুশী। একদল দুর্নীতিগ্রস্ত, স্বার্থপর সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র- রাজনৈতিক দল এবং নেতাদের সম্পর্কে তাদের সাধারণ মূল্যায়ন এমনটাই। প্রতিটি রাজনৈতিক সরকার কোনো না কোনো পর্যায়ে দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিয়েছে এবং ব্যক্তিগত উপঢৌকন গ্রহন করেছে, এদের কাউকেই বিশ্বাস করা যায় না। নাগরিক সেবার অধিকাংশই স্থানীয় সরকারের অধীনে ফলে নির্বাচিত সরকারবিহিন সার্বভৌম রাষ্ট্রে খুব বেশী দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে না নাগরিকদের। দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা চুক্তি, নির্বাচিত সরকারের অনুমোদন প্রয়োজন এমন সব উন্নয়ন প্রকল্প বাধাগ্রস্ত হচ

যুদ্ধ শান্তি

কোনো যুদ্ধ কি সমর্থনযোগ্য? বৃহত্ত্বর জাতীয়তাবাদী প্রেক্ষাপটে ঔপনিবেশিক শোষণ থেকে মুক্তির আকাঙ্খায় জন্ম নেওয়া রাষ্ট্রগুলোতে সময়ের সাথে আঞ্চলিক জাতীয়তাবাদের উত্থান ঘটেছে। ঔপনিবেশিক শাসকদের নিজস্ব সুযোগ সুবিধা বিবেচনা করে তাদের কুটনৈতিকেরা যেভাবে লাল-নীল-সবুজ পেন্সিলে সীমারেখা এঁকে অসভ্য উননাগরিকদের বসতিবিভাজন করেছিলেন, মানচিত্রের বিভাজন রেখাগুলো রক্ত আর লাশের স্তুপে স্পষ্ট হয়েছে তবে উননাগরিকেরা কয়েক দশক পরেও আত্মনিয়ন্ত্রনের অধিকার অর্জন করেন নি, সম্পূর্ণ নাগরিক হয়ে উঠতে পারেন নি।
চিহ্নিত সীমানার এপাশে ওপাশে খুব বেশী সাংস্কৃতিক বিভাজন ছিলো না, প্রতিবেশী মানুষের অনায়াস গতায়ত ছিলো। ভৌগলিক বিচ্ছিন্নতার বদলে নাব্যতার সুবিধা পেতে নদীর দু-পারকে নিজের অধিকারভুক্ত রেখে পাশ্ববর্তী মানুষগুলোকে অদৃশ্য পাহাড়ের সাথে বেধে রাখা ঔপনিবেশিক সিদ্ধান্তগুলো দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতপরিস্থিতি তৈরী করে রেখেছে।

অনেকদিন পর বাংলাদেশে

প্রায় ২ বছর পর যখন বাংলাদেশকে দেখলাম ১০ হাজার ফুট উপর থেকে, বানের পানি নামছে বাংলাদেশের শরীর বেয়ে। ইরাবতীর ঘোলা স্রোত সুরমা মেঘনা হয়ে আরো নীচে যমুনার সাথে মিশছে যেখানে, মাঠ, নদী আর লোকালয় ওতটা উপর থেকে স্পষ্ট বুঝা যায় না, যেমন বুঝা যায় না সীমানার ব্যবধান, কোথায় অচিহ্নিত কোন পাহাড়ের ঢালে সীমান্ত সংকেতে লেখা আছে বাংলাদেশ ০ কিলোমিটার, মাঝের ৫০০ গজ নো ম্যানস ল্যান্ডের এপারে বিডিআর ওপাশে বিএসএফ কিংবা বার্মা সীমান্ত রক্ষীবাহিনী। এত উপর থেকে কিছুই বুঝা যায় না। একটা ঘোলা নদী, সবুজ মাঠ আর সবুজাভ যমুনা এক বিন্দুতে মিলে যাচ্ছে। শহর আর গ্রাম, নদী আর জমি, ওত উঁচু থেকে সবই একই রকম লাগে। যদি উজানে ঘন বৃষ্টি না হয় এখন যে পানি দেখছি উপর থেকে ঠিক দুই দিন পরে পানিগুলো সমুদ্রে মিশে যাবে। বানভাসি মানুষ স্কুলের বারান্দা থেকে নিজের ঘরে ফিরবে, ত্রানতৎপরতা কিংবা সংবাদকর্মীর ক্যামেরা, অনিশ্চিত উৎকণ্ঠার সময়গুলো ধার

চীনের অভিজ্ঞতা

বাংলাদেশে যাওয়া আর ফেরার জন্যে সবচেয়ে সস্তা প্লেনের টিকেট পেলাম চায়না ইস্টার্ন এয়ারলাইন্সে। যদিও যাত্রাপথে অপেক্ষার প্রহর অনেক কিন্তু ভালো প্লেন কোম্পানীর প্রায় অর্ধেক দামে বাংলাদেশে যাওয়ার সুযোগ কেউ দিচ্ছে না। দুই-তিন বার প্লেন বদলে মাঝে এক রাত চীনে কাটিয়ে বাংলাদেশে যেতে হবে। যাওয়ার পথে রাত্রি বিরতি কুনমিং এ আর ফেরার পথে রাত্রি বিরতি বেইজিং এ। কুনমিং এর বাংলা হোটেল লিখে ইন্টারনেট খুঁজে অনেকগুলো বাংলা হোটেলের সন্ধান পাওয়া গেলো। কোনোমতে এয়ারপোর্টে পৌঁছালেই কোনো না কোনো হোটেলের লোকজন খুঁজে পাওয়া যাবে। কথা মিথ্যা না।

কুনমিং এয়ারপোর্টে রাত দেড়টায় পৌঁছানোর পর যখন ব্যাগের অপেক্ষা করছি শুনলাম কেউ একজন বলছে ভাই কি বাংলাদেশী?

তথ্য বাতায়ন

১৯৯০ সালে সার্নের গবেষক টিম বার্ণার্স লি যখন গবেষকদের তথ্য আদান প্রদানের সুবিধার জন্যে কম্পিউটারগুলোর ভেতরে আন্তঃসংযোগ গড়ে তোলার পদ্ধতি উদ্ভাবন করলেন এবং পরবর্তীতে এই ধারণা বিস্তৃত করে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের ধারণা নিয়ে কাজ শুরু করলেন, ইন্টারনেটের মাধ্যমে একটি নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থায় বিভিন্ন দুরবর্তী কম্পিউটারের ভেতরে যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হলো।

সংখ্যালঘুত্ব

মানুষ শুধু মানুষ পরিচয়ে অপূর্ণাঙ্গ বোধ করে তাই নিজেদের আলাদা আলাদা বর্গে ভাগ করে। রাষ্ট্র মানুষের পরিচিত কাঠামো মেনেই আদম শুমারি করে নাগরিকের গায়ে গোত্র, ধর্মের লেবাস জড়ায়। রাষ্ট্র তার নাগরিকদের শরীর থেকে জাতি,গোত্র, ধর্মের লেবাস মুছে ফেললে হয়তো বিভিন্ন ধরণের সাম্প্রদায়িকতা প্রশ্নকে নাগরিক অধিকারের জায়গা থেকে মোকাবেলা করা সম্ভব হতো, তবে রাষ্ট্রে সহসা এমন বৈপ্লবিক পরিবর্তন আশা করা অনুচিত।

ভারতীয় জনতা দলের একজন নেতা বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতিত হচ্ছে এমন বক্তব্য উপস্থাপনের পর বদরউদ্দীন উমর সনাতন ধর্মাবলবীদের সংখ্যালঘুত্ব প্রশ্নটিকে ভিন্ন ভাবে উপস্থাপন করেছেন। বাংলাদেশে প্রকৃত সংখ্যালঘু কারা? বদরউদ্দীন উমর অসস্তিকর এই প্রশ্নের উত্তরে মতায় প্রতিনিধিত্ব এবং নির্যাতনের বাস্তবতা বিবেচনা করে দেশের আদিবাসী জনগোষ্ঠীকে প্রকৃত সংখ্যালঘুর মর্যাদা দিয়েছেন।