ইউজার লগইন

আমাদের দ্বিধা

যদি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট বিবেচনায় রাখি, জনপরিসরে বিজ্ঞানের উপস্থিতি কতটুকু? রাষ্ট্রের সক্রিয় তত্ত্বাবধানে কিংবা বেসরকারী উদ্যোগে বিজ্ঞানচর্চা কতটুকু উৎসাহিত হচ্ছে? প্রযুক্তি প্রায়োগিক ক্ষেত্র, প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষতা কোনোভাবেই বিজ্ঞানমনস্কতার নিদর্শন নয়- এই তথ্যটা প্রথমে মনে রাখতে হবে। শত সহস্র যন্ত্র কিংবা যন্ত্রাংশের মাধ্যমে প্রযুক্তি যেভাবে প্রতিনিয়ত জনপরিসরে উপস্থিত থাকে, সমাজের কোথাও কি বিজ্ঞানের এমন সদম্ভ উপস্থিতি আছে?

প্রযুক্তি বিজ্ঞানমনস্ক হয়ে ওঠায় কোনো ভুমিকা রাখে না। তারের প্যাঁচ বাড়িয়ে কমিয়ে, বাক্সের আকার আকৃতি বদলে পুরোনো নীতিকে কোনো রকম যাচাই বাছাই না করে, এমন কি অন্তর্নিহিত নিয়ম অনুধাবনের চেষ্টা না করেও নতুন দক্ষ যন্ত্রাংশ নির্মাণ করা সম্ভব। ম্যাশিন ল্যাঙ্গুয়েজ না জেনেও হাজার হাজার লাইন কোডিং লিখে তথ্য প্রযুক্তি উন্নয়নে ভূমিকা রাখা সম্ভব। বিজ্ঞান আর প্রযুক্তির ভেতরের পার্থক্যটুকু উপলব্ধি না করলে প্রতিনিয়ত এই প্রশ্ন মাথায় ঘুরবে কেনো ঘরে ঘরে মোবাইল ফোন, রেডিও, টেলিভিশন, কম্পিউটার আর টিউবলাইট থাকার পরও কেনো বাংলাদেশের মানুষ বিজ্ঞানমনস্ক হয়ে উঠছে না?

জনপ্রিয় বিজ্ঞান লেখকেরা অর্থনৈতিক কারণেই উনিশ শতকের শেষার্ধে স্কুলের শিক্ষার্থীদের উপযোগী পাঠ্যবই লেখার প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেছে। জীবাশ্ম ঘেঁটে, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে অভিযান করে প্রাণী আর উদ্ভিদ বৈচিত্রের নমুনা সংগ্রহ করে বিবর্তনের পক্ষে তথ্য প্রমাণ সংগ্রহ এবং বিবর্তন ব্যাখ্যা করার প্রয়াস থেকেই বিজ্ঞানের প্রয়োজনীয় শাখা হিসেবে জীব বিজ্ঞানের যাত্রা শুরু হয়েছিলো। সমসাময়িক সময়েই ( ১৮৭০ - ১৮৯০) ভুগোল, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, আলাদা আলাদা পাঠ্যবইয়ের মাধ্যমে স্কুলে শেখানোর প্রবনতা শুরু হয়। আমরা পাঠ্যবইয়ে এখন যেভাবে শাখাভিত্তিক জ্ঞানের উপস্থিতি দেখছি এই প্রবনতা বিংশ শতকের প্রথম দশকে বিস্তৃত হয়েছে।
উনবিংশ শতকের মধ্যভাগে যখন বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখা আলাদা আলাদা করে বিজ্ঞানউৎসাহী গবেষকদের নিয়মিত চর্চায় নতুন নতুন জ্ঞান উৎপাদিত হচ্ছে সেটাকে জনপ্রিয় বিজ্ঞানের বইয়ের দুটো মলাটের ভেতরে ঠেঁসে সাধারণের সামনে উপস্থাপনের জন্যে মেরী সমারফিল্ডকে প্রথম বিজ্ঞানী বলা হয়েছিলো। গত একশ বছরে বিজ্ঞান গবেষণা আলাদা পেশাগত ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে, আমরা পেশাদার গবেষকদের বিজ্ঞানী হিসেবে অভিহিত করতে অভ্যস্ত হয়েছি। উনবিংশ শতাব্দীর শেষের দশকেও বিজ্ঞানে অবদান রাখার জন্যে আলাদা করে পরীক্ষা পাশের সনদের প্রয়োজন ছিলো না, সমসাময়িক এস্ট্রোনমী গবেষকেরা আগনেস মেরী ক্লার্ক কে যেভাবে সম্মান দিয়েছেন, যেভাবে তার অবদানের স্বীকৃতি দিয়েছেন , বর্তমানের প্রতিযোগিতামূলক বাজারে এমন অপ্রশিক্ষিত উটকো মানুষ পেশাদার বিজ্ঞানীদের বাইরে থেকে উপদেশ দিলে কিংবা গবেষণার ভবিষ্যত ক্ষেত্র নির্ধারণ করে দিলে তাকে "এডুকেটেড স্নবারী" এবং এলিটিস্ট হয়রানির মুখোমুখি হতে হতো। জনপ্রিয় বিজ্ঞান লেখক এবং পেশাদার বিজ্ঞানীরা উনবিংশ শতকের শেষভাগে এসে জনপরিসরে বিজ্ঞান বিষয়ে চুড়ান্ত বক্তব্য দেওয়ার ক্ষমতার রশি টানাটানি করছেন যখন তখনও জনপ্রিয় বিজ্ঞান লেখকেরা সমাজে এবং পেশাদার বিজ্ঞানীদের কাছে শ্রদ্ধাভাজন ছিলেন।

ন্যাচার পেশাদার বিজ্ঞানীদের পপুলার সায়েন্স বিষয়ক লেখালেখির সুযোগ করে দিতে প্রকাশিত হয়েছিলো এবং প্রকাশনার প্রথম তিন দশকে সমসাময়িক জনপ্রিয় বিজ্ঞান লেখকেরাও সেখানে বিজ্ঞান বিষয়ে নিবন্ধ প্রকাশ করতে পারতো। পেশাগত প্রতিযোগিতা বেড়ে যাওয়ায় এখন যেভাবে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন গবেষণা জার্ণাল প্রকাশিত হচ্ছে, যেভাবে বিশেষজ্ঞ নিরীক্ষীত বিশেষায়িত গবেষণা জার্ণাল পেশাদার গবেষক-বিজ্ঞানীদের আত্মশ্লাঘা পুরণের অস্ত্র হয়ে উঠেছে- ন্যাচার প্রকাশিত হওয়ার সময়ে জ্ঞান উৎপাদনের এমন প্রতিযোগিতামূলক বাজার ছিলো না, জনপ্রিয় সাপ্তাহিক পত্রিকায় কলাম হিসেবে বৈজ্ঞানিক গবেষণা নিবন্ধ প্রকাশের প্রবনতাও তখন ছিলো। কোনো বিজ্ঞান বিষয়ক জার্নালে না বরং ম্যাক্সওয়েলের সূত্রগুলোকে আমরা এখন যেভাবে দেখছি সেটা এমনই কোনো একটি পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়েছিলো।

ভোটাধিকার নীতির পরিবর্তনে সে সময়ের পেশাজীবী বিজ্ঞানীদের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিরা অনুভব করেছিলেন রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণে সাধারণ মানুষের মতামতের প্রভাব যেহেতু বাড়বে তাই সাধারণ মানুষকে বিজ্ঞান এবং ধর্মের ভেতরের তফাতটা স্পষ্ট বুঝাতে হবে। শিক্ষা সংস্কার আন্দোলনের অংশ হিসেবেই হাক্সলে এবং তার এক্সক্লাবের সদস্যরা জনপ্রিয় বিজ্ঞানের মোড়কে যেভাবে ঈশ্বরমুখাপেক্ষী বিশ্বচিন্তা সম্প্রচারিত হচ্ছে সে প্রবনতার বিরোধীতা করেছেন। নিয়ন্ত্রিত পরীক্ষণ এবং পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে প্রকৃতির নিয়মানুবর্তীতা ব্যাখ্যা করা সম্ভব, প্রাকৃতিক জগত নিজস্ব নিয়মানুবর্তীতার দাস- কোনো দৃশ্যমাণ কিংবা অদৃশ্য অতিলৌকিক শক্তি কোনোভাবেই প্রকৃতিকে নিয়ন্ত্রন করে না- বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণের বিবরণ কিংবা বিবৃতিতে এমন যেকোনো অতিলৌকিক ব্যাখ্যা তুলে নিয়ে আসার তীব্র বিরোধিতা করেছেন তারা। তাদের তীক্ষ্ণ নজরদারির ভেতরেও জনপ্রিয় বিজ্ঞান লেখকেরা তাদের ব্যক্তিগত ঈশ্বরভাবনাগুলো বৈজ্ঞানিক তথ্যের আড়ালে সাধারণের সামনে উপস্থাপন করেছেন।

মানুষের ব্যক্তিগত বিশ্বাস অদ্ভুত, উদ্ভট, পরস্পরবিরোধী হতে পারে। বিজ্ঞানচর্চা ব্যক্তিগত বিশ্বাস কিংবা কুসংস্কার মুছে ফেলতে পারে না। বিবর্তনবাদের জনকদের একজন আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস বিশ্বাস করতেন মৃত আত্মার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব। অজৈব অনু পরমাণু থেকে প্রাণের উৎপত্তি হতে পারে এই ধারণাটা তিনি বিশ্বাস করতেন না। ম্যাটেরিয়ালিস্টিক এভ্যুলেশন এবং স্পিরিচ্যুয়াল এভ্যুলেশনের দ্বন্দ্বটা তার ব্যক্তিগত বিশ্বাসপ্রভাবিত হয়েছে ফলে তিনি বিশ্বাস করতেন পার্থিব জগত এবং আত্মিক জগতের উপস্থিতি এবং পারস্পরিক যোগাযোগ সম্ভবপর।
বর্তমান সময়ে বিবর্তনবাদের সত্যতা নিয়ে অন্তত গবেষকদের ভেতরে কোনো সংশয় নেই কিন্তু এখনও অজৈব অণু-পরমাণু থেকে জীবনের উৎপত্তি এবং প্রাণহীন অণু পরমাণুর ভেতরে সচেতনতা কিংবা স্পিরিচ্যুয়ালিটির অস্তিত্ব নিয়ে দার্শণিক বিবাদ চলছে- এই দার্শণিক বিবাদ বৈজ্ঞানিক তথ্যে কিংবা ব্যাখ্যায় স্থিমিত হয়ে যাবে এমন সম্ভাবনা কম।
আমরা মোটামুটি নিশ্চিত বিগ ব্যাং এর মাধ্যমে মহাবিশ্ব এবং সময়ের যাত্রা শুরু হয়েছিলো, আমরা নিশ্চিত জানি মহাবিশ্ব সৃষ্টির প্রথম তিন মিনিটের ভেতরেই এর ভবিষ্যত পরিণতি নির্দিষ্ট হয়ে গিয়েছে। এখনও চুড়ান্ত রূপরেখা নির্দিষ্ট হয় নি, কিন্তু আমাদের সামষ্টিক উদ্যোগে আমরা আশা করতে পারি অদুর ভবিষ্যতে আমরা মহাবিশ্ব সৃষ্টি এবং বিকাশের প্রতিটি ক্ষণের পরিবর্তনকে গাণিতিক মডেলে উপস্থাপন করতে পারবো- আমাদের বিদ্যমান জগতটা কেনো এমন হলো- একদিন আমরা এই প্রশ্নের মীমাংসা করতে পারবো কিন্তু তারপরও বিজ্ঞানী এবং দার্শণিকদের ভেতরে " কেনো এ মানবজন্ম? কেনো এ বিশ্ব? জীবনের লক্ষ্য কি?" এ ধরণের মীমাংসাঅসম্ভব জিজ্ঞাসা থাকবে।

আমাদের জ্ঞানের বিস্তৃতির সাথে সাথে আমাদের অজ্ঞানতার সীমাও স্পষ্ট হবে। আমরা আরও অনেক ধরণের সম্ভাবনার মুখোমুখি হবো, এখন যারা ধর্মগ্রন্থে বিজ্ঞান খুঁজে পাচ্ছেন, ভবিষ্যতে বিশ্বব্যাখ্যাটা আমূল বদলে গেলেও তারা ধর্মগ্রন্থে সে নতুন ব্যাখ্যা খুঁজে পাবেন। ক্যাথলিক চার্চ আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষণা দিয়েছে পৃথিবী সূর্য্যের চারপাশে ঘুরছে- গ্যালিলিওকে তারা যে অভিযোগে অপরাধী ঘোষণা করেছিলো ৪ শতাব্দী পর গ্যালিলিওকে সে অভিযোগ থেকে অব্যহতি দিয়েছে তারা। যদি তারা আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষণা দেয় পরম করুণাময় ঈশ্বর নিজের হাতে আদম এবং তার সঙ্গী হিসেবে প্রথমে একজন বেত্তমিজ নারী এবং পরবর্তীতে হাওয়াকে সৃষ্টি করেন নি বরং এক কোষী প্রাণী থেকে বিবর্তনের ধারাবাহিকতায় মানুষের উদ্ভব হয়েছে - ধর্ম এবং বিজ্ঞানের অপ্রয়োজনীয় বিবাদ থেমে যাবে এমনটা নিশ্চিত বলা যায় না। যে ব্যক্তি মানবজন্মকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ অলৌকিক বিষয় মনে করে, যে বিশ্বাস করতে চায় পৃথিবীর প্রথম মানুষটা ঈশ্বর নিজের ছাঁচে নির্মাণ করেছেন, মানুষের ভেতরে ঐশ্বরিক উপাদান আছে, ধর্মপ্রতিষ্ঠানগুলো বিবর্তনকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিলে সেসব ব্যক্তি নতুন একটি ধর্মমতের জন্ম দিবে যা তাদের ব্যক্তিগত বিশ্বাসকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করে।

বিজ্ঞান বিষয়ে আলোচনা- পর্যালোচনার কোনো প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ আমাদের রাষ্ট্রে নেই। দৈনিক পত্রিকায় সাপ্তাহিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি পাতায় বৈজ্ঞানিক তথ্য নিয়ে সাবলীল বিতর্ক নেই। স্কুল কলেজে শিক্ষকেরা জ্ঞানের আকাঙ্খা উস্কে দিচ্ছেন না, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষকেরা গবেষণার তুলনায় রাজনৈতিক দলের লেজুরবৃত্তিকে বেশী গুরুত্ব দিচ্ছেন। এদের একদল এলিটিস্ট স্নবারীতে ভুগেন। তারা দীর্ঘ পরিশ্রমে হাজার হাজার পাতা অংক কষে যে জ্ঞান পেয়েছেন, সাধারণের সামনে সাধারণের ভাষায় সেসব জ্ঞান উপস্থাপন করলে তার জ্ঞানভান্ডের রস কমে যাবে, তারা জনপ্রিয় বিজ্ঞান বই পড়াকে নিরুৎসাহিত করবেন কিংবা বুক ফুলিয়ে বলবেন এইসব বই পড়ে তেমন কোনো লাভ হয় না- কিন্তু আধুনিক বিশ্বের সকল দেশেই জনপ্রিয় বিজ্ঞানের বইগুলো শিক্ষার্থীদের ভেতরে বিজ্ঞানের আগ্রহ তৈরী করছে। তারা বিজ্ঞান চর্চায় সক্রিয় কোনো ভুমিকা পালন করবেন না , রাষ্ট্র বিজ্ঞানচর্চায় কিংবা বৈজ্ঞানিক ধারণা প্রসারে সক্রিয় ভুমিকা পালন করবে না, অথচ আশা করবেন রাষ্ট্রের নাগরিক অলৌকিক ভাবে বিজ্ঞান চেতনা লাভ করবে। তারা সঠিক উপায়ে বিজ্ঞান নিয়ে ভাবতে শিখবে। প্রতিনিয়ত চর্চায় ধারাবাহিক পরিশ্রমে জ্ঞান বিকশিত হয়। পুস্তকে পত্রিকায় জনপ্রিয় বিজ্ঞান নিবন্ধ সে লক্ষ্য পুরণের প্রথম ধাপ। কম্পিউটার জগত, কম্পিউটার বার্তা এই রকম গোটা দশেক প্রযুক্তিবিষয়ক পত্রিকার উপস্থিতি থাকলেও বাজারে এখনও বিজ্ঞান বিষয়ে জনপ্রিয় কোনো পত্রিকা প্রকাশিত হচ্ছে না। এমন কয়েকটি পত্রিকার উপস্থিতি আমাদের বিজ্ঞান ভাবনার দিশা নির্ধারণ করতে পারতো।

পোস্টটি ১৫ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

তানবীরা's picture


বিজ্ঞান চর্চা না হলে কি হবে? বিজ্ঞানে কি বেহেস্তে যাওয়া যাবে? টুপি, দাড়ি, পাঞ্জাবী পরে প্রত্যেক শুক্রবারে জিহাদী জোশে জুম্মা পরা চলছে সগৌরবে। ইহাই কাম্য ইহাই ঘটছে

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

রাসেল's picture

নিজের সম্পর্কে

আপাতত বলবার মতো কিছু নাই,