ইউজার লগইন

রাসেল'এর ব্লগ

কবিতার আস্তাবল -০১

এখন মনে নেই কোথায়, কোন কবির জবানীতে পড়েছিলাম কবিতা লেখা প্রাত্যকৃত্যের মতো নৈমিত্তিক অভ্যাসে পরিণত করতে হয়, কবিতা হোক কিংবা না হোক নিয়ম করে প্রতিদিন স্কুলের হোমটাস্ক করার মতো কবিতা লিখতে বসতে হয়- এভাবে অভ্যস্ত হওয়ার পর দিব্যি কবিতা আসবে, আসতেই হবে। একটা সময় হোক কিংবা না হোক নিয়ম করে কবিতা লিখতে বসতাম, বিভিন্ন শব্দের আঁকিবুকি খেলতাম ডায়েরীর পাতায়। দৈনন্দিন জীবনে তেমন আশ্চর্যজনক কিছু ঘটতো না, সেই একই রকম জীবনযাপনের ফাঁকেফোঁকরে হয়তো হঠাৎ কারো প্রতি সামান্য প্রেমবোধ জাগ্রত হতো- কখনও অভিমান হতো, কখনও তীব্র আনন্দ- ক্ষুব্ধ হতাম, উচ্ছ্বসিত হতাম। ডায়েরীর পাতা সেসব অনুভবকে ধারণ করতো কোনো কোনো দিন, তবে অধিকাংশ ম্যারম্যারে দিনে নিছক শব্দজব্দ খেলবার মতো কবিতা লেখার প্রচেষ্টা-অপচেষ্টায় লিপ্ত থাকতাম।

আমাদের সময়ের গান

জীবনমুখী গানের ধাক্কায় আমাদের গানের কাছে প্রত্যাশা বদলে গেলো, প্রতি সপ্তাহে নতুন নতুন ব্যান্ড আর তাদের এলবাম প্রকাশ নিয়ে চারু-পার্থ একটা র‌্যাপ গান করেছিলো , তবে সেটার প্রভাব শ্রোতাদের মানসিকতাকে তেমন পরিবর্তন করে নি সম্ভবত। আমাদের তারুণ্যে বাংলা গানের ধারাবাহিকতা বদলে দিলো সুমন-নচিকেতা-অঞ্জন।

রাধে শ্যাম

একদিন টিএসসির সামনে দাঁড়িয়ে আছি- বিকেল বেলা- এক অন্ধ গায়ক গান ধরলো দোতারা বাজিয়ে- তাতে সঙ্গত দিলো তার ছোটো ছেলে-একটা মিউজিক্যাল ফ্যামিলি বলা যায় তাদের সম্মিলনকে। স্ত্রী, কন্যা পূত্র এবং তিনি। এ চারজনের ব্যান্ড-

তিনি দোতারা বাজিয়ে গান ধরলেন
ও জীবন জীবন রে এ জীবন ছাড়িয়া রে গেলে আদর করবে কে জীবন রে।

পরিবেশের গুণে, কিংবা ছোটো ছেলেটার অত্যাধিক চড়া গলার স্কেলের কারণে গানটা মন স্পর্শ্ব করেছিলো- আমি গীটারে গান তুলতে পারতাম না, এখনও পারি না, কিন্তু চেষ্টা করে এই গানটা তুলতে পেরেছিলাম।

পরবর্তীতে অবশ্য নিজেও একটা লোকগীতি ধাঁচের গান লিখে সুর করে ফেললাম। লোকগীতির একটা ধুন আছে, গানের মাঝে কোথাও না কোথাও গায়কের কিংবা গীতিকারের পরিচিতি থাকে- এটা ছাড়াও হয়তো গান হয় কিন্তু ঐ পরিচিতিটা অনেকটা গানের উপরে নিজের জলছাপ বসানো।

বাজে বাঁশি বাজে বাঁশী দিবা নিশি সর্বনাশী

পুরোনো আক্ষেপ নতুন করে-

উত্তাল ১৯৭১, এপ্রিল থেকে জুলাই, প্রায় ৭০ লক্ষ মানুষ উদ্বাস্তু হয়ে ভারতে শরনার্থী জীবনযাপন করছেন, ভারত যেকোনো মুহুর্তে হস্তক্ষেপ করবে, পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধ শুরু করবে- এই উচ্চাশাও ফিকে হয়ে গেছে ততদিনে। এ যুদ্ধ কতদিন চলবে তা কেউ তখনও বুঝতে পারছে না, সে সময় প্রবাসী সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো শরনার্থী শিবিরে অসংখ্য শিশু আছে যাদের নিয়মিত শিক্ষাবর্ষ নষ্ট হয়ে গেলো যুদ্ধের কারণে, তাদের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র কিংবা শরনার্থী শিবিরে শিক্ষার বন্দোবস্ত করা যায় কি না- মুস্তফা মনোয়ার সে সময় শরানার্থী শিবিরের শিশুদের শিক্ষা কার্যক্রমের সাথে যুক্ত ছিলেন।

গানের কথা

১৯৯৯ সালের দিকে কিংবা তার পর পরই হঠাৎ বৃষ্টি দেখানো হলো টেলিভিশনে, অবশ্য সে সময়ে হঠাৎ বৃষ্টি দেখার মতো ধৈর্য্য ছিলো না, দুপুরে কিংবা বিকেলের নির্ধারিত আড্ডা কিংবা খেলার কোনো একটাতে ব্যস্ত ছিলাম- এর পরের কোনো একদিন দুপুরে সোহেল বাসায় আসলো,
সোহেল কোনো এক অনির্ধারিত কারণে জিদ ধরেছিলো আমাকে গীটার শিখতে হবে, আমাকে দিয়ে না কি গীটার বাজানো হবে- ওর পরম উৎসাহেই আমি গুলশানের মেলোডি থেকে ২ হাজার টাকায় একটা গিভসন কিনে আনলাম, কিছু টুংটাংও করলাম, তবে উৎসাহে ভাটা পরতেও সময় লাগলো না। সোহেল উৎসাহ নিয়েই আমাকে গীটার লেসন দেয়, এসে রীতিমতো ঘাড়ে ধরে প্রাকটিস করায়- ঐদিনও ও আসছিলো গীটার লেসন বুঝে নিতে- বললো চল একটা ছবি দেখে আসি-

ঋকের প্রশ্নগুলো

১.
যে বয়েসে আমি একা একা স্কুলে যাওয়া শুরু করেছি ,মফ:স্বলে সে বয়েসে সম্ভবত সবাই বাসায়ই থাকতো, আমি গোঁ ধরেই স্কুলে ভর্তি হয়েছিলাম ৪ পূর্ণ হওয়ার আগে, সে বয়েস থেকেই মহল্লার সব ছেলেদের সাথে হেলতে দুলতে স্কুলে চলে যেতাম, আমার বই প্রথম ভাগ, ইংরেজী প্রথম ভাগ আর গণিত ক্লাশের বাইরে তেমন কোনো ক্লাশ ছিলো না। সকাল ৮টায় ক্লাশ শুরু হওয়ার পর ১০টায় ছুটি, আবার হাঁটতে হাঁটতে দলবেধে বাসায় চলে আসা।

মফ:স্বলে সবকিছুই ছিলো ধীরগতির, মোটা আপা, শুকনা আপার ক্লাশের পর বাইরের তেঁতুলের চাটনি কিংবা চালতার আঁচার কাগজে নিয়ে চাটতে চাটতেই বাসার গেটে চলে আসতাম। রাস্তায় কয়েকটা রিকশা আর সাইকেল, স্কুলের পাশেই মসজিদ, মসজিদের সামনে লাইব্রেরী, সে জায়গাটুকু পার হলে পুলিশ সুপারের বাসভবন, সে বাসভবনের সামনে কয়েকটা কামারশালা আর ডাস্টবীন।

দেয়াল

বেশ কয়েক বছর আগে যখন প্রায় নি:সঙ্গ, সঙ্গী বলতে অন্তর্জালিক বন্ধু আর এলেমেলো ঘর, সে সময়ে হুট করে নিলামে কিনলাম গীটার। গীটার আর টিউনার কিনে মাঝে মাঝে গীটার বাজাই- পুরোনো আড্ডায় শোনা গানগুলো গাইতে চেষ্টা করি, একটা বিষয়ই বুঝলাম, আমাকে দিয়ে অন্য অনেক কিছুই হতে পারে কিন্তু গীটার বাজিয়ে গান গাওয়া সম্ভব হবে না, অতীতের কয়েকটা ছোটোখাটো গান বাজানোর অভিজ্ঞতা দিয়ে গান গাওয়া হয় না, তবে বুকের ভেতর অনেক কথার বাক-বাকুম, সে সময়ে এক প্রিয় বন্ধুর বিবাহবিচ্ছেদের সংবাদ পেয়ে প্রথম গান লেখা আর সুর করা। সে গানের শেষের অংশটুকু এখন মনে আছে, মুখ মনে নেই, অবশ্য ৬ বছরের ব্যবধানে গানের সুরের কোনো কোনো অংশ বাদ দিলে অধিকাংশই বিস্মৃত।

ঋকের স্কুল

১.
বাংলাদেশের গণমাধ্যম বিশেষত ইলেকট্রনিক মিডিয়া অযথা নৃশংসতা প্রচার করে, ক্ষেত্রবিশেষে সেটার লাইভটেলিকাস্টও হয়। ২০০৯ এর ২৫শে ফেব্রুয়ারীর লাইভ টেলিকাস্টের প্রতিক্রিয়ায় অন্য সবার কি অবস্থা হয়েছিলো আমি জানি না, কিন্তু ঋকের ভেতরে ইউনিফর্ম ভীতি প্রবল হয়েছিলো। তখন রাস্তায় বন্দুক কাঁধে পুলিশ দেখলেও আমার টি-শার্টের নীচে মুখ লুকিয়ে রাখতো ও। পরবর্তী ২ বছরে ওর অবস্থার উন্নতি হয়েছে, এখন পুলিশ দেখলে আর ভয়ে নীল হয়ে যায় না, টি শার্টের নীচেও লুকায় না।

নিজের ঢোল নিজেই বাজানো।

এটা শেষ পর্যন্ত লেখা উচিত হয় নি মোটেও।

আমার কোনো জন্মগত প্রতিভা ছিলো না, এখনও নেই।

আমি বেড়ে উঠেছিলাম মফস্বলে, শান্ত-নি:স্তরঙ্গ মফস্বলে, যেখানে জীবনের গতি ছিলো অনেক স্থিমিত। মফস্বলে তখনও মহল্লাসংঘ বিদ্যমান ছিলো। মহল্লার মানুষের প্রতি আলাদা এক ধরণের অন্ধ সমর্পন তখনও মফস্বলে ছিলো। আশেপাশের মহল্লার ছেলেরা দল বেঁধে মারামারি করলেও সীমিত জনবলের আমাদের পকেট মহল্লার তেমন ঐতিহ্য ছিলো না। মাত্র ১২ পরিবারের একটি মহল্লায় অবশ্য তেমন দক্ষ লড়াকু সৈনিকও পাওয়া সম্ভব ছিলো না, আন্ত:মহল্লা কোন্দলের সুযোগ ছিলো না।

সোহেল ভাই ০১৭

ঘুমটা ভাঙলো মোবাইলের আওয়াজে, বিকট শব্দে মোবাইল বাজছে, ঘড়িতে বাজে পৌনে দুইটা, রফিক ফোন করছে।

কি রে শালা এত রাইতে ঘুম ভাঙাইলি ক্যান?

দোস্তো আম্মাকে নিয়ে বারডেমে যাচ্ছি, অসুস্থ।

ড্রাইভার পাইছিস না কি এম্বুলেন্সে নিয়ে যাচ্ছিস।

না গাড়ীতেই যাচ্ছি।

ঠিক আছে দোস্তো আমি পৌঁছাচ্ছি একটু পরেই।

চোখে-মুখে পানি দিয়ে ট্রাউজারে ঢুকে মারুফকে ফোন দিলাম।
মারুফ মনে হয় জেগেই ছিলো, দোস্তো বার্সেলোনা ফাটায়া ফেলতেছে, মেসী ইজ গড।
ঐ শুন, রফিক ফোন দিছিলো, আন্টিকে নিয়ে বারডেমে যাচ্ছে, তুই কি যাইতে পারবি?
তুই কোথায় এখন?
বাসা থেকে বের হচ্ছি এখনই।
তুই বাসার নীচে দাঁড়া এসে আমি নামতেছি এখনই।

কাজী ফজলুর রহমান ও আমাডের স্বাধীনতাপরবর্তী সময়

রাজনৈতিক বিরোধিতাই হয়তো এর প্রধানতম কারণ কিন্তু আমাদের পরিচিত বুদ্ধিজীবীদের ভেতরে ৭৫ পূর্ববর্তী সময় নিয়ে এক ধরণের অলিখিত নিরবতা বিদ্যমান। আমাদের ঔপন্যাসিকদের ভেতরেও স্বাধীনতাপরবর্তী সময়ের অব্যবস্থাপনা নিয়ে বৃহৎ পরিসরে উপন্যাস লেখার প্রবনতা কম। এই নিরবতার গ্রহনযোগ্য অনেক কারণই হয়তো আছে তবে আমার ধারণা যারা পরিচিত বুদ্ধিজীবী তাদের প্রত্যেকেরই এক ধরণের সেক্যুলার মানসিকতা ছিলো, তারা স্বৈরতন্ত্র বিরোধী ছিলেন এবং বাঙালীর মুক্তি সংগ্রামের নায়ক হিসেবে শেখ মুজিবর রহমানের প্রতি তাদের এক ধরণের অন্ধ পক্ষপাত ছিলো এবং আছে। তারা মুজিবের অর্জন বিষয়টা যতটা ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে-ফেনিয়ে উপস্থাপন করতে আগ্রহী, মুজিবের শাসনতান্ত্রিক অদক্ষতা এবং তার চারপাশে ভীড় করে থাকা রাজনৈতিক সুবিধাপ্রত্যাশী মানুষদের বিষয়ে কথা বলতে তারা ততটাই অস্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন।

অবিলম্বে স্বাস্থ্যনীতি চাই

চতুর্মাত্রিক ব্লগে একজনের একটা পোস্ট দেখলাম

কোথায় আছি? কেন আছি? লিখেছেনঃ নিশুতিরাতের চিঠি (তারিখঃ ১২ মার্চ ২০১২, ৩:০৬ পূর্বাহ্ন)

সোহেল ভাই ০১৬

ফারুকের বাসার দরজায় দাঁড়িয়ে আমরা ক'জন, এর মধ্যেই হাজির হলো নান্টু,

আজকে একটা কান্ডই হইছে, বুঝলি, বাসের জন্য দাঁড়ায় আছি, সুন্দর মতো একটা মেয়ে এসে বললো কেমন আছেন? আপনাকে অনেক দিন পর দেখলাম।

আমি তো পুরাই তব্ধা খায়া গেলাম, মাইয়ার দিকে তাকাই, হাসি দিয়া কি কমু বুঝি না। ভাবলাম কিছু একটা কওন দরকার, কইলাম হুমম, অনেক দিন দেখা হয় নাই, ভালো আছো তুমি?

মাইয়া আমার দিকে তাকায়া বললো আসি ভাইয়া।

তোর তো হয়ে গেলো বন্ধু, মেয়ের নাম কি?

আরে বাল গত ২ ঘন্টা ধরে তো সেইটাই মনে করার চেষ্টা করতেছিলাম জ্যামে বইয়া বইয়া।
কোথায় দেখা হইলো?
কই আবার ইউনির সামনে দেখা হইলো, এইখানে আসবার আগে আগে
রাশেদ বললো , কোন বাসে উঠছিলো খেয়াল আছে?
বিআরটিসি

সাম্প্রতিক পাঠানুভুতি

কম্পিউটার বিগড়ে গেলে ভুলে যাওয়া বই পড়ার অভ্যাস ফিরে আসে, যদিও গত বইমেলায় কেনা অনেক বইই পড়া হয়ে উঠে নি, তারপরও পল্টনের ফুটপাতে কিংবা আজিজের সুদৃশ্য তাকে সাজানো বই দেখি সময়-সুযোগ পেলে, পকেটে টাকা থাকলে কিনেও ফেলি, কিন্তু কম্পিউটার পাঠাভ্যাসে বাগড়া বাধায়। গত সপ্তাহে বেশ অনেক দিন ঠিকঠাক চলার পর হঠাৎ করেই কম্পুবাবাজী ফেল মারলেন, দীর্ঘদিন ধরে বুকমার্কে রকমারী অন লাইন বইয়ের বাগান সাজিয়েছিলাম, কোনো কোনোটার বেশ কিছু অংশ পড়াও হয়েছিলো, সেইসব বুকমার্কের অধিকাংশ বই আসলে কোনো না কোনো প্রয়োজনে পড়া শুরু হয়েছিলো, প্রয়োজন মিটে যাওয়ার পর আর জ্ঞানতৃষ্ণায় ঝাপিয়ে পরি নি শেষ করতে, কম্পুবাবাজী বিগড়ে যাওয়ার পর এখন সেই স্মৃতিরোমন্থন করে কোনো লাভ নেই। আমি প্রতিদিনই আগের দিনের স্মৃতি ভুলে যাই

বিহারী জনগোষ্ঠী

মাত্র ৫ শত বছর আগেও মৈথিলী, বাংলা, ঊড়িয়া অসমীয়া ভাষার ভেতরে এতটা ব্যবধান ছিলো না। বিহার তারপরও কৌশলগত দিক থেকে একটা গুরুত্বপূর্ণ স্থান ধারণ করে ছিলো, উত্তর ভারত থেকে বাংলা মুল্লুকে আসবার গুরুত্বপূর্ণ পথ হিসেবে এখানেই মুসলমান শাসকেরা তাদের দুর্গ বানিয়েছেন।

উত্তর ভারতের ভাষা, মৈথিলী আর ফার্সী, তুর্কি বিভিন্ন ভাষা মিলে মিশে এক ধরণের মিশ্রভাষারীতির উৎপত্তি হলো এখানে। এখন যেটাকে হিন্দী হিসেবে দেখা হয়, এই মিশ্র ভাষা আদতে সে ভাষারই পূর্বপুরুষ। আরবি হরফে লিখিত সে ভাষার পোশাকী নাম হলো উর্দু, মৈথিলীর বিবর্তন এটাকে সম্পূর্ণ উর্দু কিংবা হিন্দীর আকার দেয় নি, বরং তাদের ভাষাটা একটু উর্দু-হিন্দীঘেঁষা এক ধরণের আলাদা উচ্চারণরীতি-