ইউজার লগইন

জলছবি (প্রথম পর্ব)

প্রচন্ড বিরক্তি নিয়ে ডেস্কের সামনে বসে আছে শায়লা। একটু আগে কম্পিউটারে রিজাইন লেটার লেখা শেষ করেছে। এখন বানান ভুলগুলো দেখছে। প্রিন্ট দিয়েই এমডির রুমে জমা দিয়ে আসবে। শায়লা মনে মনে অবশ্য একবার ভাবলো কিছু বানান ভুল রেখে দিতে। তাতে এমডিকে কিছুটা বিরক্ত করা যাবে। সাধারণ শব্দের ভুল বানান দেখলে এমডি খুব বিরক্ত হয়। তবে রাগের মাথায় চাকরি ছেড়ে দেওয়া উচিত হচ্ছে কি না বুঝতে পারছে না শায়লা। সে কাজ করে একটি রিয়েল এস্টেট কোম্পানীতে। রাজধানীর অদূরে পানির ওপর ওদের রিয়েল এস্টেট কোম্পানীটির বেশ কিছু প্রজেক্ট রয়েছে। কোম্পানীর এমডির পিএস হিসেবে কাজ করছে সে।এমডি বিবাহিত, আট নয় বছরের কন্যাসন্তানও রয়েছে। এজন্যই কিছুটা ভরসা করে চাকরিতে ঢুকেছিল। চাকরির প্রথম দুয়েক মাস খুব ভালো চলে। অফিসের সবাই মোটামুটি তাকে সহযোগিতা করে। হয়তো কোম্পানীর সর্বোচ্চ কর্মকর্তার পিএস বলেই কেউ কেউ বাড়তি সমীহও করে।সমস্যার শুরু হয় চাকরিতে জয়েন করার কয়েক মাস পর। শায়লার এমডি কারণে অকারণে রুমে ডেকে নিয়ে বসিয়ে রাখে। এটা সেটা জিজ্ঞেস করে। বেশিরভাগ সময়ই ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করে। বিয়ে করবে কবে, প্রেম আছে কিনা ইত্যাদি বিষয়। একদিন কথায় কথায় এমডি জিজ্ঞেস করে বসে, কারও সঙ্গে দৈহিক সম্পর্ক হয়েছে কি-না। শায়লা তাতে খুব বিরক্ত হয়। মাথা নিচু করে কিছু বলেনি শায়লা। এমডি তখন উল্টো শুনিয়ে দিল, তোমাদের মতো মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়েরা যে কেনো সেক্স ট্যাবুতে আক্রান্ত বুঝি না। বিয়ের আগ পর্যন্ত ভার্জিন থাকতে হবে এমন নিয়ম কে করে দিয়েছে!এসব আলোচনা শুনতে শুনতে শায়লার বিরক্তি কেবল বাড়তে থাকে। হাতের কিছু কাজ বাকি থাকার অযুহাত দিয়ে এমডির রুম থেকে বেরিয়ে আসে।

এভাবে মাঝেমধ্যেই রুমে ডেকে নিয়ে আজগুবি গল্প বলে এমডি। শায়লা প্রায়ইভাবে চাকরিটা ছেড়ে দিবে। কিন্তু নতুন চাকরি কোথায় পাবে তাই নিয়ে দুশ্চিন্তায় থেকে চাকরি ছাড়া হয় না। কিন্তু সংকট ঘনিভূত হলো যখন এমডি ডেকে নিয়ে শহরের বাইরে অফিস ট্যুরে যেতে বললো। এক দুপুরে এমডি বললো-
আমাকে অফিসের কাজে শহরের বাইরে যেতে হবে। তুমিও সঙ্গে যাবে।রাতে সেখানে থাকতে হবে। সমস্যা নাই, অফিস এর জন্য তোমাকে আলাদা পে করবে।
কিন্তু স্যার, বাসা থেকে তো পারমিশন দিবে না। শায়লার তাৎক্ষণিক জবাব।
পারমিশন যোগাড় করে ফেলো। এমন চান্স আর পাবে নাকি? যদি আমি সন্তুষ্ট থাকি তাহলে সেখান থেকে ফিরে এসেই তোমার পদোন্নতি হয়ে যাবে।
ইঙ্গিতপূর্ণ এই কথায় খুব বিরক্ত হলো শায়লা। এই লোকটার সংসার আছে, এক মেয়ে আছে, তারপরেও শায়লা বিজনেস ট্যুরের নামে শায়লাকে সঙ্গে নিয়ে যেতে চায়। কিভাবে ট্যুর বাতিল করা যায় তা ভেবে কূল পায় না শায়লা।

পরদিন অফিসে কাজের অযুহাতে সন্ধ্যা পর্যন্ত শায়লাকে আটকে রাখলো এমডি।ততক্ষণে প্রায় সকল কর্মকর্তা, কর্মচারী দিনের কাজ শেষে অফিস ছাড়া শেষ করেছেন। তখনই রুমে ঢেকে নিয়ে অফিস ট্যুরে যাওয়ার আপডেট জানতে চাইলো এমডি।শায়লার না সূচক জবাবে রেগে গেল এমডি। বলেই ফেললো, ‘তোমার মতো ব্যাকড্যাটেড একটা মেয়েকে পিএস নিয়োগ দেওয়াই ভুল হয়েছে।’ তারপর কিছুক্ষণের নিরবতা। হঠাৎ শায়লা খেয়াল করলো এমডি স্যার তার দিকে টানা চেয়ে আছে। চোখে চোখ পড়তেই হতভম্ব হয়ে বললো-তোমার গাল লাল হয়ে আছে কেন? দেখি কী হয়েছে। বলেই এগিয়ে গিয়ে শায়লাকে স্পর্শ করে ফেললো। শায়লা সরে যেতে চাইলো। এমডি বললো-গালে হাত দেওয়ার তোমার কী ক্ষতি হলো যে এভাবে পিছিয়ে গেলে। না-কি তোমার ভার্জিনিটি নষ্ট হয়ে গেল? বলেই হা হা করে হাসতে লাগলো।
শায়লা কোনোমতন বাইরে বের হয়ে আসলো। এবার আর কান্না আটকে রাখতে পারলো না। অনেকক্ষণ পানি দিয়ে চোখমুখ ধুয়ে ফেললো। চাকরি ছাড়ার সিদ্ধান্তটা তখনই নিল।চাকরি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর মনে মনে নিজের অদৃষ্টকে গালাগালি করলো কিছুক্ষণ। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় সে হয়েছিল ফার্স্ট ক্লাস সেকেন্ড। একটু চেষ্টা করলেই ফার্স্ট পজিশনটা পেতে পারতো অবশ্য তার দোষেই যে সেকেন্ড পজিশন পেয়েছে তাও নয়। থার্ড ইয়ার পর্যন্ত ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট পজিশন ছিল তার দখলে।মার্কস এর ব্যবধান ছিল ৭। ফোর্থ ইয়ারে গিয়ে হঠাৎ করেই ফার্স্ট ক্লাস সেকেন্ড মেয়েটি প্রথম হয়ে যায়। পরে মার্কশীটে দেখা গেল, এক বিষয়ে তার থেকে ১৫ নাম্বার বেশি পেয়েছে ছাত্রীটি। মেয়েটি আবার সেই স্যারের খুব পছন্দের ছাত্রী।কারণে অকারণে স্যারের রুমে যাওয়া নিয়ে ডিপার্টমেন্টের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নানা গুঞ্জনও ছিল। হতাশ হয়ে পড়ায় মাস্টার্সের রেজাল্টও ভালো হয়নি।

হুট করে চাকরি ছেড়ে দিয়ে বিপদে পড়ে গেল শায়লা। ছোটবোন লায়লা ইউনিভার্সিটিরি প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। মা, ছোটবোন নিয়ে ছোট সংসার। বাবা মা গেছে যখন শায়লা ক্লাস সেভেনের পড়ে। তারপর থেকে বাবার রেখে যাওয়া টাকা পয়সা খরচ করে আসছে তার মা। নিজের চেষ্টাও ছিল। দুই মেয়েকে শিক্ষিত করে তুলতে চেষ্টার অন্ত ছিল না শায়লার মা রাফেয়া খানমের। শায়লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর পরই রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রায় দুই মাস বিছানায় ছিলেন শায়লার মা। তখন হাসপাতাল ও ঔষুধের খরচ যোগাতে গিয়ে বাবার রেখে যাওয়া প্রায় সব অর্থই খরচ করে ফেলতে হয়েছে।
ইউনিভার্সিটির প্রথম বছরটি খুব কষ্ট করে কাটাতে হয়েছিল তাকে।সপ্তম শ্রেণী পড়ুয়া ছোটবোন লায়লা অবশ্য এতোকষ্ট মেনে নিতে পারতো না। তাকে প্রায় সবসময় হেটে স্কুলে যেতে হতো। রিক্সায় গেলে খরচ বেড়ে যাবে বলে রাফেয়া খানমই ওর সঙ্গে হেটে হেটে স্কুলে দিয়ে আসতেন। সঙ্গের টিফিন ছিল বাড়ি থেকে তৈরি করে নিয়ে যাওয়া রুটি আর আলুর ভাজি। এ নিয়ে সহপাঠীদের হাসাহাসির কথা প্রায়ই বড়বোনের সাথে কষ্ট নিয়ে বলতো লায়লা। অবস্থা এমন দাড়িয়েছিল, সহপাঠী কিছু মেয়ে ওকে মিস পটাটো নামে ডাকতো। শায়লার অবশ্য এমন অবস্থায় পড়তে হয় নি। তবে বন্ধুবান্ধবদের আড্ডায় সে খুব বেশি থাকতে পারতো না। কারণ আড্ডা মানেই খাবারের সংযোগ। কিছুক্ষণ আড্ডাবাজির পর খাবারের আয়োজন থাকবে না এমনটা কালেভদ্রেও দেখা যায় না। খাওয়ার আয়োজন মানেই সেখানে টাকা খরচের ব্যাপার।

একবার শায়লার বান্ধবী তানিয়া জন্মদিনের দাওয়াত দিয়েছিল। সেবার জন্মদিনের অনুষ্ঠানে না যাওয়ায় খুব মাইন্ড করেছিল তানিয়া। কিন্তু তানিয়াকে শায়লা কিভাবে বুঝাবে যে সেসময় তার কাছে মোটে ২০০ টাকার মতো ছিল। মাস শেষ হতে তখনও ৫ দিন বাকি। ভালো একটা জন্মদিনের গিফট কিনতেও তো ৪০০-৫০০ টাকা লেগে যায়।
সে সময় একটা টিউশনির টাকা দিয়ে কোনোমতন নিজের খরচ চালাতে হতো শায়লার। মহল্লার ভিতরেই ছাত্রীর বাড়ি। ছাত্রী ক্লাস ফোরে পড়ে। রীতিমতো মহাগাধী টাইপের। পড়ালেখায় একদমই মনোযোগ নেই। কেবল পড়ার টেবিলে নতুন নতুন পোশাক নিয়ে আলোচনায় আগ্রহী। এই বয়সেই মেয়েটি এমন হয়ে গেছে ভেবে মাঝেমধ্যে হতাশ হতো শায়লা। কিন্তু মাস গেলে ১৫০০ টাকা পাওয়া যায়, তার জন্যই সে নিয়ম মেনে পড়াতে যেত। অন্যদিকে মায়ের কাপড় বোনার টাকা দিয়ে সংসার আর ছোটবোনের পড়ালেখার খরচ চলতো।
বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষ থেকে অবশ্য শায়লা একসঙ্গে তিনটা টিউশনি পেয়ে যায়। তখন তার মা আগের মতো সামর্থ্য নিয়ে কাজ করতে পারে না। এক অর্থে সংসারের খরচ চালানোর দায়ভারও এসে পরে তার ওপর। তারপর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স, মাস্টার্স পাস করার পর চাকরি পেয়ে সমস্যা কিছুটা কমে। শায়লার মা তার দূর সম্পর্কের এক ভাইকে অনেক বলে কয়ে চাকরিটা যোগাড় করে দিয়েছিলেন। পরিচিত মামা চাচা না থাকলে চাকরী পাওয়া কতো কঠিন তা হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে শায়লা। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করার পর কয়েক মাসের রুটিন প্রায় এক হয়ে গিয়েছিল। শুক্রবারে শুরু হতো সপ্তাহের রুটিন কাজ। কাছের পত্রিকা স্টল থেকে চাকরির খবর জাতীয় পত্রিকা সংগ্রহ করে আবেদন করা যায় এমন বিজ্ঞপ্তিগুলোতে লাল কলম দিয়ে দাগ দিয়ে রাখতো। শনিবার থেকে শুরু হতো আবেদন পর্ব। মাঝেমধ্যে ডাক পড়লে লিখিত পরীক্ষা দিতে যাওয়া কিংবা ভাইভা দিতে যাওয়া। এর মধ্যে লাল কলম কয়েকটা শেষ হলেও চাকরি পাওয়া হয়নি। সেই অবস্থা থেকে রিয়েল এস্টেট কোম্পানীর এমডির পিএসের চাকরি পেয়ে হাফ ছেড়ে বেঁচেছিল শায়লা। কিন্তু রাগের মাথায় হুট করে চাকরি ছেড়ে দেওয়ার পর এখন কি করবে তাই শায়লার ভাবনায়। ছোটবোন লায়লা এরমধ্যে শায়লার আশেপাশে বেশ কয়েকবার ঘুরঘুর করে গেছে। শায়লার গম্ভীর ভাব দেখে কিছু বলতে সাহস পেল না। আপু চিন্তা করিস না, আরেকটা চাকরি কিছুদিন পরেই পেয়ে যাবি, এই সান্ত্বনা বানীটুকুও দিতে পারলো না। সে ভালো করেই জানে তার বড় বোনকে এইরকম সান্ত্বনাবানী শুনিয়ে লাভ নেই।

কয়েকদিন পর শায়লা নতুন একটি অফিসে চাকরির জন্য আবেদন প্রস্তুত করছিল এমন সময় লায়লা পেপার হাতে বোনের কাছে এসে বসলো।
‘আপু কি করিস?’ জড়তা কাটানোর জন্য বললো লায়লা। বয়সে অনেক ছোট, তারপরেও ছোট থেকেই বড় বোনকে তুই সম্বোধন করে। এ নিয়ে অবশ্য শৈশবে দুই বোনের মধ্যে মারামারি কম হয়নি। কিন্তু লায়লার এক কথা, সে তার বড় আপুকে তুই তুই করে ডাকবে। বাধ্য হয়েই তা মেনে নিতে হয় শায়লার।
‘ঝামেলার মধ্যে আছি। কী বলতে চাস, তাড়াতাড়ি বলে ফেল? বলে বিদায় নে।’ শায়লার তড়িঘড়ি জবাব।
এমন করে বলিস কেন? ভাবটা এমন যেন আমি তোর ওপর বোঝা হয়ে চাপতে এসেছি। অভিমানী গলায় বললো লায়লা।
ছোটবোনের দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে বললো, ‘নারে পিচকি, দেখছিসতো কী সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। তাই মাঝেমধ্যে মেজাজ ঠিক থাকে না।’ লায়লা যেমন বড় বোনকে তুই সম্বোধন করে, তেমনি প্রায় সময়ই ছোটবোনকে ‘পিচকি’ বলে সম্বোধন করে শায়লা।
পিএস চেয়ে নতুন একটা বিজ্ঞপ্তি দেখলাম পেপারে। তাই তোর জন্য নিয়ে আসলাম। অ্যাপ্লাই করে দেখতে পারিস।
বিজ্ঞপ্তিটা হাতে নিয়ে চোখ বুলিয়ে দেখলো শায়লা। খুব সংক্ষিপ্ত কথায় লেখা। একজন শিক্ষিত, মার্জিত স্বভাবের পিএস দরকার। আগ্রহী প্রার্থীরা সিভি মেইল করুন। সঙ্গে মেইল করার ঠিকানা ও অফিসের ঠিকানা দেওয়া। এরকম একটি বিজ্ঞপ্তির বিপরীতে আবেদন করা উচিত হবে কি না সেটা নিয়ে দুনোমনায় পড়ে গেল শায়লা। এধরনের বিজ্ঞপ্তিতে চাকরি নিয়ে প্রতারণার শিকার হওয়ার ঘটনা প্রায় সময়ই শোনা যায়। আগের অফিসে পিএস হিসেবে কাজ করতে গিয়েও তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছে। বড়বোনকে চুপ করে থাকতে দেখে লায়লা জিজ্ঞেস করলো- কিরে আপু, চুপ করে আছিস কেন? কিছু ভাবছিস?
তুই আমাকে গরম তাওয়া থেকে জলন্ত কড়াইয়ের দিকে ঠেলে দেওয়ার ফন্দি করেছিস।বলেই হেসে ফেললো শায়লা।পরমুহুর্তে যোগ করলো, দেখি ভেবে, কী করা যায়।
ইমেইলের মাধ্যমে যেহেতু, অ্যাপ্লাই করে ফেল আপু।

কয়েকদিন পর পাড়ার গলির মোড়ের সাইবার ক্যাফেতে গিয়ে সিভি মেইল করে আসলো শায়লা। ইমেইল অ্যাড্রেসটা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর বান্ধবী তানিয়া খুলে দিয়েছিল। শায়লা মনে মনে ভাবলো, এতোদিন পর ইমেইল অ্যাড্রেসটা কোনো একটা কাজে লেগেছে। সিভি পাঠাতে গিয়ে খেয়াল করলো বিভিন্ন সময় তানিয়াই তাকে মেইল করেছে।মেইলগুলো অনেক পুরনো। মেইল খুব একটা চেক করা হয় না বলেই আগে দেখা হয়নি। এখন তানিয়ার সাথে খুব কম যোগাযোগ হয়। মাস্টার্স পাশের পর তার বিয়ে হয়ে গেছে। স্বামীর সাথে এখন যে কানাডাতে থাকে। সেখানকার টরেন্টো ইউনিভার্সিটিতে সেকেন্ড মাস্টার্সের জন্য ভর্তিও হয়েছে। মাঝেমধ্যে সেখান থেকে ফোন করলেই কেবল কথা হয় দুজনার

(চলবে)

পোস্টটি ২ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

উচ্ছল's picture


অপেক্ষায় থাকলাম...

একরামুল হক শামীম's picture


হুমমম। অপেক্ষায় থাকুন Fishing

সুদূরের পিয়াসী's picture


ভালো লাগলো । পরবর্তী অংশ পড়ার অপেক্ষায় . . . . . .

একরামুল হক শামীম's picture


ধইন্যাপাতা ধইন্যা পাতা

রশীদা আফরোজ's picture


চলুক...শেষাংশ পেলে একসাথে পড়বো।

একরামুল হক শামীম's picture


আইচ্ছা Smile

রায়েহাত শুভ's picture


বাকি অংশ তাড়াতাড়ি ছাড়ো...

একরামুল হক শামীম's picture


ঠিকাছে
নেন কোক খান। কোক

প্রিয়'s picture


অপেক্ষায় থাকলাম...

১০

একরামুল হক শামীম's picture


হুমম অপেক্ষায় থাকা 'ভালু' Steve

১১

সাঈদ's picture


পরের পর্বের অপেক্ষায়

১২

একরামুল হক শামীম's picture


আইচ্ছা
Beer

১৩

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


লেখা পুরোটা একসাথে পড়ব।

আপাতত,
Welcome

১৪

একরামুল হক শামীম's picture


THNX

১৫

তানবীরা's picture


অপেক্ষায় থাকলাম...

ইন্টারেষ্টিং .।.।.।।তাড়াহুড়া করে শেষ করে দিও না প্লিইজ Big smile

খুশি হলাম তোমাকে এবিতে পেয়ে

১৬

একরামুল হক শামীম's picture


ঠিক আছে আপু। তাড়াতাড়ি শেষ করবো না। Smile

১৭

একজন মায়াবতী's picture


পড়লাম। Timeout পরের পর্ব কবে আসবে?

১৮

একরামুল হক শামীম's picture


পরের পর্ব শীঘ্রই আসিবেক Smile

১৯

আকাশবাণী's picture


পরের পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম| Smile

২০

সামছা আকিদা জাহান's picture


অপেক্ষায় আছি

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.