ইউজার লগইন

সনৎ'এর ব্লগ

It takes a lot to laugh, it takes a train to cry

Desolated, in the beauty of selfness, I travelled a lot last few days, and experienced, when I got all used up on the hills and couldn't find my  legs on the way back. I have the view of those lands in the river, in the moonlight the sandy earth shined and the bushes of kans grass could shade anything. Have those time in me, Can't talk much to people I was with  either. 

Now I come after the movies and can't see why friends here doesn't talk about going to the movies much. As he says he could miss another scene here and don't Answer when asked if he feels the essence of watching them.

They talk about everything and solve riddles and play games. They seem alright, only I can't get into them. Maybe I am not of much help to them.

ঘুম চোখ খুলে দেখি ভোঁর আর নেই

ঘুম ভাঙার বিষয়টাকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। যখন ঘুম ভাঙ্গে তখন মস্তিষ্কটাকে কোনও রকম চাপ দেওয়া উচিত না। ঘুম ভাঙার পরও চোখ অনেকক্ষণ বন্ধ থাকতে চায়। অনেকসময়ে স্বপ্ন দেখে ঘুম ভাঙ্গে, তাই চোখ বন্ধ করে রেখে স্বপ্নের দৃশ্যে ফিরে যেতে মন চায়; ঘড়ীর দিকে তাকিয়ে সময় দেখতে ইচ্ছা করে না। পেপার পত্রিকায় গুম খুনের হেডলাইন বা সন্তান হারানো মায়ের ছবির দিকে চোখ রাখতে ইচ্ছা করে না। এ রকম সময়ে চোখ বন্ধ করে রেখে সুন্দর ভাবনায় মাথাটাকে আপ্লূত করে রাখা উচিত। সেই সাথে সুরেলা সঙ্গীত শুনতে পারলে আরও ভালো লাগে।

I Like Trains

Close to life once again. I had to think every night-why these lights are on everywhere, because I don't like electric lights unless when its needed. But tonight it's a big moon on the sky and I can see everything in that light. I'm lying on a train, along with others. The train will take us to Islampur, a place up in the north. Now I think I did the right thing this weekend.

Me and Autonu just learned that its quite a thing to lay on the rooftop of the train, its bumpy. The train leans left and right and we have to be careful with ourselves. I can hear the jhik jhik and feel the body of the train. Its like riding on a big eel fish that flys in the sky. Thats how we can find the moon and the stars close to our bodies.

অলস চেতনার আস্ফালন

কষ্ট হচ্ছে
মাথায়, বুকে, পায়, ভাবনায়
ইচ্ছে করছে না
লিখতে, পড়তে, বলতে, ভাবতে।
নষ্ট হচ্ছে
আমার ঘর, বিছানা, বালিশ, সময়
জামা কাপড়, স্যান্ডেল।
ভেঙে পড়ছে
আমার শরীর, মন, পথ ঘাট
বই, খাতা, কী বোর্ড, সিগারেটের আগুন, স্পাইনাল কর্ড।
নিঃশ্বাস ছাড়া আজ আমি পারব না কিছু দিতে কিংবা নিতে
এক জোড়া লাল চোখ ছাড়া আর কিছুই এখন নেই আমার।

যদি গাছেরা কথা বলতে পারতো

প্রিয় উর্বশী

তুমি আমার ওপর রাগ করে আছো। তাই আমি তোমাকে সবকিছু বুঝিয়ে বলার জন্য লিখতে বসেছি।

আমি তোমাকে শুরু থেকেই বলেছি যে তোমার শুধু আমার কথাগুলো শুনতে হবে, আরও আগে বলেছি স্বাধীনতার কথা, আর নিজের ভালো লাগাকে সম্বল করে বেঁচে থাকার আমার ইচ্ছার কথা- যে ইচ্ছা তোমার ভিতরেও ঢুকিয়ে দেবার চেষ্টা করেছি। কিন্তু তুমি কথাগুলোতে গুরুত্ব না দিয়ে শুধু তোমার আবেগকেই অনুসরণ করেছ। এবং আমার কথা শোনো নি। এখনো শুনছো না।

আমি আবার বলছি- তুমি যে সব চিন্তা ভাবনা নিয়ে আছো সেসব অনেক আগে আমিও করতাম। কিন্তু আমার চিন্তা ভাবনা পরিবর্তন হয়েছে। সময় হলে তোমারও হবে। তোমার পড়াশোনার ব্যাপারে যেসব আমি বলেছি সেসব না শুনলে তুমি আগামি কয়েক বছর পর বুঝতে পারবে যে শুনলে ভালোই হত।

প্রিয় বন্ধুকে লেখা চিঠি

প্রিয় বন্ধু

কথাগুলো তোমাকে বলতেই হত, তারপরও অনেকক্ষণ বইয়ের কালো লাইনগুলোর নীচে কলম চালিয়েছি। আমি কিছুতেই মনোযোগ ধরে রাখতে পারছিলাম না। জীবনের সব মারাত্মক ভুলগুলো বারবার মনে উঁকি দিয়ে যাচ্ছিলো আর আমি ওদের কাছে ধরা দিচ্ছিলাম। অভাবগুলোও বেয়াড়াপনা শুরু করতে লাগলো। প্রিয় দল বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল খেলছে, একটু আগেই ওরা জাতীয় সঙ্গীত গেয়ে মাঠে নেমেছে। রুমের জানালা দিয়ে ফুটবলের আবেগ আর উচ্ছ্বাসময় শব্দগুলো কানে আসছে। কিন্তু আমি বইয়ের কালো লাইনগুলোর নীচে কলম চালিয়ে চলেছি। পরশু ফাইনাল পরীক্ষা।

অনার্স জীবনের প্রতিটি পরীক্ষার সময়েই এরকম হয়েছে। প্রচণ্ড বিষাদগ্রস্ত হয়েছি যখন পরশু পরীক্ষা। শেষ বছরটায় আমি এই বিষয়ে তোমাকে চিঠি লিখতে বসেছি- কেননা, কথাগুলো বলা না হওয়া পর্যন্ত আমি পড়ায় মন দিতে পারছি না।

আমাকে নিয়ে লেখা

আমাকে নিয়ে লেখা শুরু করতে আমার বেশ কিছু চিন্তা জোগাড় করতে হয়েছে। আমি দেখতে পেয়েছি যে আমি বাক্য গঠন করতে পারছি। এবং আমি এই মুহূর্তে তেমন কোনো বিষয়বস্তু পাচ্ছি না যা নিয়ে লেখা যেতে পারে। তাছাড়া আমার বিষয়গুলো গত কয়েক ঘণ্টা ধরে আমাকে ভাবাচ্ছে। তাই এই মুহূর্তে আমাকে নিয়ে লেখাটাই সবচেয়ে জরুরী হয়ে দাঁড়িয়েছে।

রাত চারটার দিকে অবশেষে চোখ বন্ধ করেছিলাম। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই সবগুলো মসজিদ থেকে একযোগে আযান দেওয়া শুরু করল এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের আশেপাশের এলাকার মসজিদগুলোর আযান শেষ হতে হতে একটা সময়ে আলো ফুটতে শুরু করল।

ঝরা সময়ের গল্প

বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসগুলো খুব জোরে চলে। টিএসসি, শাহবাগ মোড় হয়ে বাসটা চলতে থাকে দুরন্ত গতিতে। ব্যাপারটা ভালো লাগে মেয়েটার। দ্রুত বদলে যেতে থাকা পথঘাট দেখতে দেখতে ভুলে থাকা যায় অনেক কিছু।

বৃষ্টি হয়েছে। তবু বিকেলটা ভালো যায়নি ওর। ছেলেটাকে ভালবাসত মেয়েটা। কিন্তু যেটুকু ভালবাসত সেটুকু ভালো ছেলেটা বাসত না। আধভেজা হয়ে বাসে চড়ে এসব কথাই ভুলে যেতে চাইছিলো ও। ক্যাম্পাসে পিছু নিয়েছিলো যে ছেলেটা তার কথাও ভুলে যেতে চাইছিলো। শুরুতে সব ছেলেরা একই কথা বলে, বন্ধু হতে চায়, তারপর প্রেমিক হতে চায়। তারপর অভিভাবক হয়ে যেতে চায়। যেন খাচায় পুরে রাখতে পারলেই ক্ষান্ত হবে। আর একটা সময়ে বুঝিয়ে দেয় যে সম্পর্ক শেষ করার ব্যাপারটা চুল দাড়ি কামাবার মত সহজ কাজ। রোজ রোজ ছেলেদের ন্যাকামি সহ্য করতে করতে বড্ড বিরক্ত জমেছে।

তোমার আশ্রয়

তুমি হয়ত তেমন কাউকে খুঁজে বেড়াচ্ছো
যে তোমার জন্য এক্ষুনি মরে যেতে রাজি
সে যাই হোক
আমিও একা নই।
যদিও কবিতা লেখার জন্য কলমটা খুঁজে বেড়াতে হয়েছে
সিগারেটের মাথায় জমে থাকা গরম ছাইটা
তার একটু আগেই খসে পড়েছে পায়ের আঙুলে
ঠিক যখন তুমি রিকশার হুড তুলে আমাকে পাশ কাটিয়ে গেলে।
এক্ষুনি মরে যেতে রাজি নই আমি;
হয়ত সে কারনেই ডাক শুনতে পাওনি।

এমন এক দুর্দিনের সাথে পরিচয়

এমনও সময় আসবে তা কে জানতো?
আমাদের যায়গায় বসবে মাছের বাজার আর না খেয়ে মরতে থাকবো আমরা
পরিপক্ব হবার আগেই ফলহীন হয়ে যাবে গাছগুলো
আর আমারও দেরি হয়ে যাবে হিসাব করাটা শিখতে।

উপমাগুলো নিরর্থক হয়ে যাবে আর চাঁদটাও রোজরাতে ক্ষয়ে যেতে থাকবে
একদল তরুন পাতা বৃথা শুকিয়ে যাবে
অথচ ওদেরইতো দেবার কথা ছিল অনেকখানি অক্সিজেন
এমনও সময়ে আমাদের অকেজো হয়ে থাকতে হবে আর একদিন
কৌতুকে পরিণত হবো আমরা
আর আমারও দেরি হয়ে যাবে সঠিক পরিমাপ করতে।

এমনও রাতে অসহায় কাঁদবে শুক্রাণুর স্রোত
গলির অন্ধকারে কাঁদতে থাকবে একটি মেয়ে
যে খানিক আগে বারোটি যুবকের হিংস্রতায় পিষ্ট হয়েছে
আর নিরুপায় পতিতাবৃত্তি করতে থাকবে একজন স্নেহময়ী
অথচ এমন সময়ে তার ভাত বেড়ে দেবার কথা ছিল আমাদেরকে
কিন্তু আমার কারনেই ওদের এই দুর্দিন
ঠিক যেমন নদীগুলোকে মেরে ফেলেছি আমি ই
আর দ্বাদশ যুবক হয়ে ধর্ষণ করেছি সেই মেয়েটিকে

আমি নই, প্রিয়তমা

তোমার নামটা মুছে যাক
আমার বুকটা থেকে
চলে যেতে পারো ইচ্ছেমত
দু'চোখ যায় যেদিকে।

রোজ তোমাকে ফুল এনে দেবে
আমি তো তেমন নই
প্রতি ডাক শুনে ফিরে আসবে
রোজ রাতে শুধু ভালোবাসবে
চোখ বেঁধে রেখে বলবে
আমার সঙ্গে চলো-
আহ প্রিয়তমা বলো
আমি কি করে তোমার হই।

সোনালি রোদ্দুরে প্রিয়তমা
দু'ঠোঁটে করে এনে দিতে পারো
যত প্রেম আর ক্ষমা
পরশে কাঁপিয়ে ডানা আর বুক
নিঃশ্বাস ভরে দিতে পারো সুখ
তবু বন্ধু হতে পারো না।

ফুলগুলো সব লাল না হয়ে নীল হলো ক্যান

লেখাটা অনেক ভালো না লাগা নিয়ে শুরু হলেও শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে থামবে জানি না।বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচিত সেই মেয়েটিকে ভেবেই এটি লিখব বলে ঠিক করেছি। আমার কি-বোর্ডের উপরে সিগারেটের ছাই জমে যাচ্ছে আর অর্ধমাতাল অবস্থায় আমি লিখে যাচ্ছি।

কেননা আধাবোতল হুইস্কি খেয়ে যখন হলে যাচ্ছিলাম তখন দেখেছিলাম মেয়েটিকে কয়েকটি লোকের সঙ্গে বসে থাকতে। ফুলার রোডে। না, সে ফুটপাতে বসে ছিলো না, বসেছিলো রাস্তায়। আর উঁচু ফুটপাতে বসেছিলো দু চারজন যারা মার্ক্সবাদ কিংবা লেনিনবাদে বিশ্বাস করে।

ভালো একটা শিরোনাম খুঁজে পেতেই হবে

মন মাঝি খবরদার
আমার তরী যেন ভেড়ে না
আমার নৌকা যেন ডুবে না।

মজিদ ভাইয়ের দোকানের বেঞ্চে বসে শাফায়াত ভাই গানটা গাওয়া শুরু করলেন। শাফায়াত ভাই চমৎকার গান গাইতে পারে। কিন্তু কদাচিৎ শাফায়াত ভাইয়ের দেখা পাওয়া যায়।
যেসব রাতে দেখা হয়ে যায় সেসব রাত কেটে যায় ভেবে ভেবে। ভাগ্যক্রমে সেদিন রাতেও দেখা হয়ে গিয়েছিল।

গানটা শুনেই পাহাড়ের দেশের রাতে একটা নির্জন জলাভূমির কথা মনে পড়ল। যেখানে চাঁদের আলোয় রাত খেলা করে। একবার প্রকৃতির সেই গোপন স্বপ্নরাজ্য দেখে আমরা পৃথিবীর সব বিষাক্ত দুশ্চিন্তা ভুলে গিয়েছিলাম। তক্ষকগুলো ডেকে যাচ্ছিলো আর পাহাড়ের ভালবাসার পরশে আমাদের দেহমনের সব প্রার্থনা গেয়ে শোনাচ্ছিল লুসি দিদি- সাড়ে তিন হাত নৌকার খাঁচা, মন মন মাঝিরে, ঘন ঘন জোড়া; সেই নৌকাখান বাইতে আমরন, হাড় হইলো গুড়া রে...

কি করে এভাবে আমি থাকি

অনেকেই বলে সময় নষ্ট না করে কিছু একটা কর। একদিন যখন নিজের দুরবস্থার কথা বলে অন্যদের বিরক্ত করছিলাম তখন একজন বলল, কালকে সন্ধ্যা হবার আগে একপাতা হতাশা লিখে ফেলো।

সন্ধ্যার মধ্যে লেখা শেষ হয় নাই। এখন মাঝরাতে এসে লিখতে বসে মনে হচ্ছে লিখে দুঃখ বা হতাশা প্রকাশ করাটা বেশ কঠিন, তাছাড়া দিনে রাতে কত হতাশা জাগে মনে, সেগুলো সব এক পৃষ্ঠায় ধরার কথা নয়। তবুও হতাশা বলে কোনও একটা কিছুর অস্তিত্ব খুঁজে বেড়িয়েছি সন্ধ্যার পর থেকে।

সবচেয়ে বড় হতাশা হল যা ভাবছি তার কিছুই করা হচ্ছে না। কি করা দরকার বুঝতে পারছি কিন্তু কাজে হাত দেয়া হচ্ছে না। অথবা আমি করে উঠতে পারছি না। যা ভাবি তা আসলেই করতে পারবো কিনা তা নিয়েও মনের ভিতর প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে।

সোনাকাঠির পাশে রুপোকাঠি, পকেটে নিয়ে আমি পথ হাঁটি

মানুষের জীবনের এই যে সীমিত সময়- যদ্দিন বাঁচি খেয়ে পরে আয়েশে কাটাতে হবে। কিন্তু কি করে তা সম্ভব হবে? কয়েক বছর আগেও উত্তরটা সিরিয়াসলি খুজিনি। কয়েক বছর আগে একটা পরিকল্পনা ছিলো। ইন্টার পাশ করে বরফ পড়া কোনও এক দেশে পড়াশোনা করতে যাবো। রাস্তার নির্জনতা মাড়িয়ে ঘরে ফিরবো। ভেবেছিলাম দারুণ হবে ব্যাপারটা।

কিন্তু দেখা গেলো ক্লাসমেটদের ভিতরে যাদের মুখে কখনো বিদেশ যাবার কথা শুনিনি তাদের কেউ কেউ চলে গেছে চীন কিংবা ইন্ডিয়া। আর এদিকে আমি মিশে যাচ্ছি এই শহরের হাহাকারে।

কলেজের দিনগুলো ছিলো নিশ্চিন্তে পথচলার মত। প্রতি রাতে ভবিষ্যতের পরিকল্পনাদের বুকে আগলে রেখে আমি ঘুমাতাম। সেই ঘুম ছিলো সত্যিকারের শান্তির ঘুম। দিনগুলো কিভাবে যে শেষ হয়ে গেছে তা আমি জানি না। সেই সব দিনে কখনোই ভাবি নি পরের বছরগুলো কেমন হবে।