ইউজার লগইন

শাওন৩৫০৪'এর ব্লগ

মেহেরজান : আবার খানিকটা চাবানি

মানুষ যখন বাজার থেইকা গরুর মাংশ কিনে, তখন, অনেক দেইখা শুইনা কিনে। সুতরাং মাংস যার যার মন মতই হয়, রান্না কৈরা আরাম কৈরা খায়।কিন্তু কোরবানীর সময় একজনের ঘরে সব রকম মাংশ পরে। সেই সময় নানারকম মাংশের মাঝে, একধরনের মাংশ পরে, যেই গুলার ভিতরে মজা থাকেনা কোনো, কিন্তু চাবাইয়াও ঐটার কিছু করা যায়না। রাবারের মত, চাবাইতেই থাকে, চাবাইতে থাকে, চাবাইতেই থাকে---------

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

আমরা আধুনিক মনস্ক, কোনো কিছু না দেইখা তার সমালোচনা করতে রাজি না। সুতরাং, সমালোচনার জন্য দেইখা আসলাম টাইপ একটা ব্যাপার হৈলো আজকের ডিসক্লেইমার, মুহাহাহা।

গল্প পুরাণ : দুইটি বা একটি গল্প।

গল্প ১:

ঘুট ঘুইট্যা আন্ধারের মাঝে খালি দুই জোড়া সাদা সাদা গোল গোল চোখ চরকির মত ঘুরতাছে।

শালার মায়রে বাপ!

শীতকালের শুকনা নাড়ায় পা পৈড়া জ্বালা কৈরা উঠতে খ্যাচ কৈরা উঠে রহমান।
মতির সাদা চোখ দুইটা কেবল একটু পিছনে ফিরা রহমানরে দেখে, আর কিছু কয়না। চোররে আস্তে কথা কওনের কথা শিখানের দরকার হয়না, সেডা জানে।

বিড়ি একটা ধরাই, কি কও?
আবারো ফিসফিসায় রহমান।

মতি কিছু কয়না। রহমান অবশ্য কিছু মনে করেনা। জানে হ কৈতে হৈলে মতি একটা ঘোঁৎ করতো, না হৈলে চুপ।
যদিও আজকে প্রথমবারের মত তারা আজকে একসাথে চুরি করতাছে। তবে কিনা আজকের টা রাজচুরি।!!
রাজচুরি বলে রাজচুরি!!
মনে হৈতেই রহমানর ঘাম শুরু হয় আবার।
অত্র এলাকায়, চুরির ইতিহাসে, এমন ঘটনা ঘটেনাই!! কোনো এলাকাতেই কি ঘটছে?
বুদ্ধিটা মতির।
রহমানের মাথায় এত বুদ্ধি আসবার নয়।

ভাত দে - বাদ দে - বাড্ডে - হ্যাপী বাড্ডে মুক্ত বয়ান।

mukto boyan
খোমা বইতে দেখি, ব্লগ বাচ্চা (মাইক ওয়ালা) মুক্ত বয়ানের আজকাই বাড্ডে!!!
ভাবলাম যাই গিয়া, ওয়ালে দুইটা কথা লেইখা আসি সুন্দর কৈরা, গিয়া দেখি, বিপুল সংখ্যক জনতা ইতমধ্যেই ওয়ালে প্রচুর লেখা লেইখা রাখছে, আর তাছাড়া পরিচয়ের সূত্র যেহেতু ব্লগে, তো, ব্লগে বলতে না পারলে শান্তি নাই।
আমি আবার কারো প্রশংসা করতে পারিনা, শুধু কিছু মানুষ, স্নেহের যায়গায়, ভালোবাসার জায়গায় বৈসা যায়, ছোটো-বড়-কাছে-দূরের, কেম্নে জানি, জিনিষটা বুঝিনা আসলে। যাই হোক, মুক্তরে নিয়া কিছু বললাম না, শুধু পুজায় বেশি নাচানাচি কৈরা যেনো বেশি মজায় বাড্ডে পালন করতে পারে, সেই কামনা রৈলো।

এখন কেক্কুক দিবো কেডা?
মুক্ত কৈ?

চোখের ভাষা

সখী ভাবনা কাহারে বলে
সখী যাতনা কাহারে বলে
তোমরা যে বলো দিবস রজনী, ভালোবাসা ভালোবাসা--
সখী ভালোবাসা কারে কয়?
সেকি কেবলই ছলনাময়?

ভড়কে গেলেন নাকি ভাই? না, রবি ঠাকুরের গানের আর কোনো অপ্রকাশিত ভার্শন ছিলোনা, ঐটা আমার মনের কথা কিনা, তাই ঐটুকু কাঁচি চালিয়ে দিলাম।

সংস্কারবিহীন জনির সংস্কার

মসজিদের মোয়াজ্জেমের ছেলে হয়ে আশরাফ সাহেব যখন লেখাপড়া শিখে নাস্তিক আর্মি অফিসারের ছোটো মেয়েকে বিয়ে করে গ্রামের বাড়ির সম্পর্ক ছেড়ে শহরে এসে স্যুটেড বুটেড হয়ে উঠলেন, তখনই অনেকেই বুঝে নিলো, এই পরিবারের ছেলেদের মাঝে, জগৎ এর প্রচলিত নিয়ম কানুনের প্রতি আকর্ষন কমই হবে।

ক্লিপ্টোম্যানিয়াকের ঘাম

সুলেমান বৈসা বৈসা মজাটা দেখতাছে। লোকটা বেশ অনেক্ষন হৈছে ঢুকছে দোকানে, কিন্তু উল্টাপাল্টা করছে বলতে গেলে খুবই কম, তাই ধরাটা সহজ হবেনা। কিন্তু সুলেমানের এত বছরের সুনামের কাছেই লোকটা ধরা খাইয়া যাবে নিশ্চিৎ।
নয়তো লোকটা মনে হয় পাকা খেলোয়াড়ই ছিলো...
আজকে ইঁন্দুর-বিলাই খেলাটা ভালোই জমবে বুঝা যায়, ভাবে সুলেমান।

মুভি রিভিউ: দুইটা কোরিয়ান মুভি

সিনেমা দেখার কর্মশালা শুরু হৈতে যাইতাছে। পুরাপুরি শুরু হবার আগে আমার দুইটা অলটাইম ফেভারিট ম্যুভি সম্পর্কে কিছু লেইখা কর্মযগ্ঞে যোগ দিলাম। মানে, ইংরেজী ম্যুভির বাইরে বেশি কোনো সাজেসন তো পাওয়া যায়না, কিন্তু এশিয়ান অনেক ম্যুভি আমার খুব পছন্দ, মানে জাপানীজ-কোরিয়ান। আজকে দুইটা কোরিয়ান ম্যুভি রিভি্উ টাইপ দেয়ার চেষ্টা করলাম, আরেকদিন জাপানীজ দুইটা সম্পর্কে দেয়ার ইচ্ছা রৈলো।

স্বপ্নভঙ্গ

আমার মূলত পরিচয় ছিলো যুবকের স্বপ্নটার সাথে। কান্নাটুকু দেখতে হয়েছিলো বলেই, পিছনের স্বপ্ন আর স্বপ্নভঙ্গটুকুও দেখা হয়ে গিয়েছিলো।

দুইটি মৃত্যু

দুলে দুলে পুঁথি পড়ছে যেনো ছটোন, বিকেল টা বুঝি শেষই হয়ে গেলো।

..a cow is the domestic animal........a cow is the domestic animal.....a cow, a cow, a cow is the domestic animal.......
আজকে আর দুটো শপাট শপাট বারি মারা হলোনা টেপ টেনিস বলে। মনটা খারাপ হয়ে যাচ্ছে, কিন্তু মায়ের আজকে মেজাজ ভিসুভিয়াসের মত, লুকিয়ে বের হবারও সাহস করে উঠতে পারলো না...

আফসুসায়িত পোষ্ট...ম্যাহ

ফরমেটিং ঠিক করতে না পারায় একটা এত্ত বড় পোষ্ট মুইছা ফালাইলাম...দু:খে কষ্টে শেষ...

যাই  হোক, আমি এগেইন আবার ব্যাক কৈরা ফেরৎ আসছি...

কিন্তু  কথা হৈলো, ব্লগ এত ঝিমায় কেন??

 ফরমেটিং সংক্রান্ত ঝামেলা সংক্রান্ত পোষ্ট সংক্রান্ত কোনো কমেন্ট দিলে উপকৃত হৈলেও হওনের সম্ভাবনা ছিলো ...

আধ পাকা প্রেম- ট্র্যাজিক কমেডি টাইপ আরকি

..রুপার সাথে দেখা করতে যাবে ভাবলেই চিরজীবন ক্যাজুয়াল টিপুও একটু সময় নিয়ে নেয় আয়নার সামনে। ঠিক এইরকমই টিপিকাল, টিপু আর রুপার কাহিনী।
টিপুদের গ্রুপের অনেকের প্রেম হৈলো সেই ক্যাম্পাসে থাকতেই। তিনজন ইতিমধ্যে বিয়েও করে ফেলছে।
একজন মেয়ে গ্রুপ মেট, দুইজন ছেলে গ্রুপ মেট। সবারই আলাদা আলাদা স্পাউসের সাথে কিন্তু।
কিন্তু টিপু সবসময়ই বৈলা আসছে,

প্যারানয়েড

            শরীর গন্ধ দুপুরের পাহারাটা
            অলস ধীরে আবরন সরিয়ে নিলে
            একজন লোক কিংবা লোকটা, ময়াল থেকে

মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা - এইসব দরদ

...আযাদ সাহেব কে কমিটিতে নেয়া হবে কি হবেনা, সেইটা হচ্ছে এখন টেনশনের বিষয়। আযাদ সাহেব কে নিলে, তার রেফারেন্স ব্যাবহার করাটা সহজ হবে। কাজটাও হবে।.....অন্য কারো হাতে আপাতত এই ক্ষমতাটা নাই।  কমিটিতে মফিজ আঙ্কেল আছে, ব্যাট'র আঙ্কেল আছে (আঙ্কেলের নামটা জেনে নিতে হবে, ভাবে শুভ)। আরো আছে অনেকেই। ছোটো মফ:স্বল শহরের ছোটো এলাকার গন্যবান্য যেই কয় জন সম্ভব।

বেশরম মেয়ের........

....ধরি তার নাম জিনিয়া। আসল নাম নাহয় নাই বল্লাম, আমি জানি, আসল নাম বল্লে আপনাদের কেউ কেউ কাহিনী পড়ার পরে বৈলা বসতে পারেন, ওরে আমরা দেখছি....সেইটা আমার পছন্দ নাও হৈতে পারে.....

আমি শুধু বলি, জিনিয়া খুবই খারাপ একটা মেয়ে । বেশরম টাইপ । নটী বৈলা গালি দিলে পারলে শান্তি পাইতাম, সেইটা দেই ও, কিন্তু আপনাদের সাম্নে দেয়া যাবেনা, সমস্য আছে...

হাফিজার ক্রিয়েটিভিটি

"....নাহ, লোকটা বোকাই আছে"...শাক বাছতে বাছতে ভাবে হাফিজা। নাইলে কালকা যখন মাইর খাইয়া রাগে দিশাহারা হৈয়া বটি নিয়া ভয় দেখাইতে নিলো হাফিজা, লোকটা গোসলে যাওয়ার জন্য জামা খুলে তখন, কোনো বিকার ছাড়া।
"আরে, তখন জিদ্দের চোটে যদি বডিডা দিয়া কোপ টা দিয়া বসতাম?"
তাইলে পরদিন পত্রিকায় আসতো, কনস্টেবল মোছাদ্দেদ কে কুপিয়ে হত্যা করেছে স্ত্রী হাফিজা আক্তার।