ইউজার লগইন

আমার যত সিনেমা - ১

জ্ঞানীগুনী লোকেরা প্রায়ই সিনেমা নিয়ে লিখেন। তাদের লেখা পড়ে আমারো সাধ জাগে সিনেমা নিয়ে লিখতে। মনে মনে লিখি কিন্তু ভয়ে পোষ্ট দেই না। সিনেমা দেখে আমি টেকনিক্যাল সাইড তেমন কিছু বুঝি না। শুধু বুঝি আমার ভালো লেগেছে কি লাগেনি। কিংবা আমি কি কিছু বুঝলাম নাকি বুঝিনি। অনেকদিন কিছু লিখি না। কিছু সিনেমা দেখলাম। মাথায় সিনেমাগুলো ঘুরছে, কাজের ফাঁকে ফাঁকে মনে হয় আচ্ছা নীরা বাবার বাড়ি চলে গেলেই হয়তো পারতো কিংবা মহিলা কি করে সারাক্ষণ এমন চিৎকার করে যান। এটা ওভাবে হলে কি হতো? কেন সেভাবে হলো না? মনে হয় এ চরিত্রগুলো আমার বড্ডো চেনা। আমি আমার অতি সরলীকরণ ভঙ্গীতেই সিনেমা নিয়ে কিছু লিখছি। প্রথমে,

ইতি মৃণালিনীঃ আমাদের আর আমাদের এক বন্ধুর সিনেমা দেখার রুচি মোটামুটি খুব কাছাকাছি। আমরা প্রায়ই একসাথে খেয়ে দেয়ে সিনেমা দেখি। একদিন সে দেখালো ইতি মৃণালিনী। একজন সাফল্যের তুঙ্গে থাকা নিঃসঙ্গ রমনীর ইতিকথা। সাফল্যের জন্য, স্বপ্ন পূরনের জন্য বা জীবন সংগ্রামে টিকে থাকার জন্যে শুরু থেকে তার সংগ্রাম। প্রায় আর দশটি সাধারণ আলাভালো মেয়ের মতো সেও ট্যালেন্টের পাশে আরো অনেক কিছু বিলিয়ে দিয়েই সংগ্রামে থিতু হয়েছে। অন্যের প্রতারনার শিকার হয়ে মেনে নিয়েছে। যেটা আমার মনকে সবচেয়ে বেশি টেনেছে সেটা হলো মৃণালিনীর মেয়ের আকস্মিক মৃত্যু। তারপর তার একাকী জীবন। আমার খুব একজন আপনজনের জীবনেও ঠিক একই রকম একটা ঘটনা আছে। একাকী ছিলেন তিনি তার ছেলেকে বুকে জড়িয়ে। আকস্মিক ছেলেটি একটি দুর্ঘটনায় মারা যায়। তিনি এখনো একা বেঁচে আছেন। সিনেমার লাষ্ট টার্নিং পয়েন্টটা হলো মৃণালিনী যখন আত্মহত্যার চিন্তা বাদ দিয়ে বেঁচে থাকার জন্যে সকাল দেখতে কিংবা পৃথিবী দেখতে বের হলেন তখন দুর্ঘটনায় তিনি মারা যান। হায়রে নিয়তি। সবচেয়ে ভালো লেগেছে ড্রেসম্যানের কাজ। অনেকদিন এমন রুচিশীল শাড়ি গয়নার সামঞ্জস্য দেখিনি বাংলা সিনেমায়। ম্যাচুরিটি দিনে দিনে কঙ্কনাকে অন্যধরনের সৌর্ন্দয এনে দিচ্ছে। অপর্না সেনের আরো একটি মাষ্টারপিস, যদি দেখতে চান ক্লিক করুন এখানে

এক যে আছে কন্যাঃ আজকের এই অস্থির সমাজ ব্যবস্থায় অতি আধুনিকভাবে বেড়ে ওঠা এক টিন এজ মেয়ের গল্প হলো এই সিনেমাটি। গার্ল নেক্সট ডোর যাকে বলে। বাবা মা ডিভোর্সড, মা কিছুটা মানসিকভাবে অপ্রকৃতস্থ, নানা বাড়ির বেপোরোয়া স্বাধীনতায় বখে যাওয়া সে। সারাদিন রাজ্যের ফ্যান্টাসীতে ভোগে কিন্তু চরম জেদী, অপরাধী মানসিকতার মেয়ে। কিছুটা থ্রিলারের স্বাদ পাওয়া যায় এ সিনেমাটিতে। একবার শুরু করলে শেষ না করে ওঠা মুশকিল। কলেজে পড়া এই মেয়ে মধ্যবয়সী এক ভদ্রলোককে যে তাদের বাড়িতে ভাড়াটে হয়ে এসেছে তার প্রেমে পড়াতে চায় জোর করে। ভদ্রলোকের অন্য একটি মেয়ের সাথে আগে থেকেই সম্পর্ক আছে। এ জানার পর থেকে সে আরো বেপোরোয়া হয়ে ওঠে। ভদ্রলোকের প্রেমিকাকে খুন করার চেষ্টা করতেও সে পিছপা হয় না। এক খুনের পর অন্য খুন। খুন করে অন্যকে ফাঁসিয়ে দেয়া তার কাছে ব্যাপার না, সেদিকে তার মাথা এতোই ঠান্ডা। সব্যসাচী চক্রবর্তী, কঙ্কনা সেনশর্মার অভিনয় অসাধারণ এজ ইউজুয়্যাল। দেবশ্রী গতানুগতিক, স্টিরিও টাইপড। এখানে দেবশ্রীকে না দিয়ে অন্য একটা সাধারণ মেয়েকে দিলেও চলতো। কিছুই করার নেই টাইপ চরিত্র। এই সিনেমার রুপসজ্জাও ছিল বাস্তবধর্মী। প্রতীক চৌধুরীর গলায় একটা অসাধারণ গান আছে যেটা শুনতে পাবেন এখানে

হঠাৎ নীরার জন্যঃ সুনীল গাঙ্গুলীর লেখা ছোট গল্প “রানি ও অবিনাশ” নিয়ে একটি অসাধারণ সিনেমা। নীরা তার পুরনো প্রেমকে অতি কষ্টে চাপা দিয়ে স্বামী ছেলেকে নিয়ে মোটামুটি ভালোভাবেই নিজেকে গুছিয়ে সংসার করে যাচ্ছিল। হঠাৎ আবার পুরনো প্রেম সামনে এসে দাঁড়ালো কিছু অন্যায্য দাবী নিয়ে। নীরা জানে এ দাবি অন্যায্য, এ হয় না। সে নিজেকে অনেকভাবে সামলানোর চেষ্টা করে। কিন্তু আগুনের স্পর্শে এক সময় মোম হয়ে সে গলতে বাধ্য হয়। অবাক ঘটনা এ নিয়ে নীরার সংসারে অশান্তি শুরু হলেও নীরা আর অবিনাশকে যোগাযোগ করতে পারছে না। দাবি পূরন হয়ে যাওয়া মাত্র অবিনাশ তার জীবন নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পরে, নীরা রয়ে যায় পিছনে। এক সময় নীরা আবার নিজেকে সামলাতে ব্যস্ত হয়। সিনেমায় দারুন গান আছে দুটো। একটি গান সুনীলের বিখ্যাত কবিতাকে সুরে বসানো হয়েছে, “এ হাত ছুঁয়েছে নীরার মুখ, আমি কি এ হাতে কোন পাপ করতে পারি”? ড্রেসাপের কাজ এখানেও ভালো ছিল। যারা সিনেমাটি দেখতে চান ক্লিক করুন এখানে

নাগরদোলাঃ রুপা গাঙ্গুলীর অসাধারণ অভিনয়ে একটি সিনেমা। আমাদের দেশের কিছু টিপ্যিকাল চরিত্রকে তিনি উপস্থাপন করেছেন। যাদের নিজেদের শেখার জানার বাইরে আর কোন জগত নেই। আর বাইরের জগতকে শিক্ষা দিতে তিনি এতোই ব্যস্ত যে ঘরে কি হয়ে যাচ্ছে তার কোন হুঁশ নেই। সিনেমার প্রথম অংশটুকু যতোটা ভালো লেগেছিল, শেষেরটুকু ঠিক ততোটা ভালো লাগেনি। শেষেরটুকু এসে গতানুগতিক সিনেমাধারায় মিলে গেছে। তবুও প্রথমটুকু দেখলেও শেষের ক্ষতি পুষিয়ে যাবে। এ সিনেমার গেটাপ ভালো ছিল। দেখতে চাইলে ক্লিক করুন এখানে

শেষের কবিতাঃ ঋতুপর্না সেনগুপ্তের অভিনয়ে শেষের কবিতা mon amour. এটিও অসমাপ্ত প্রেমের গল্প। তুচ্ছ কারণে ঝগড়া থেকে বিচ্ছেদে হারিয়ে ফেলে ভালোবাসার দুজন দুজনকে। তারপর সাত বছর পর দেখা। প্রেমিকাকে যেভাবে সুখী কল্পনা করেছিল তা হোচট খায়। প্রেমিককে প্রতারক ভেবেছিল সে ধারনাও ভাঙ্গে। কিন্তু নিঠুর নিয়তি, সব সত্য জেনেও আজকের বাস্তবতাকে বদলাতে পারে না কেউ। ছোট একটি রাজকুমারী মা-বাবার জন্যে প্রতীক্ষা করে বসে আছে। এ ছবির গেটাপ অত্যন্ত বাজে লেগেছে আমার কাছে। ছবির মাননুযায়ী প্রচন্ড সস্তা। পুরো ছবিতে চারটি ড্রেস ছিল নায়িকার। নায়িকাকে যৌন আবেদনময়ী দেখানোর জন্যে স্থূল টেকনিকে বার বার পায়ের কাছে ক্যমেরা ঘুরিয়ে নিচ্ছিলেন যা অত্যন্ত দৃষ্টিকটু। জামা কাপড়ের হালতো বলা বাদ। শাড়ির সাথে যেভাবে মা কালী কায়দায় মাথায় সিঁদুর লেপ্টানো হয়েছে তাও অতি আধুনিকা চরিত্রের বৃষ্টিকে, বাসনা মাজা ঝিয়েরাও আজকাল সেভাবে সিঁদুর পড়েন না। নায়িকাকে বন্ধুর বাড়ির ডিভানে শুয়ে পড়ার এই চিন্তাও অবাস্তব লেগেছে আমার কাছে। রবীন্দ্রনাথের গানগুলোকে খুব সুন্দরভাবে ব্যবহার করেছে সিনেমাতে। এতোবার শোনা গানগুলো যেন আবার মনে দোলা দিল। কিন্তু সব মিলিয়ে সিনেমাটা দারুন।

তানবীরা
৩১/০১/২০১২

পোস্টটি ৮ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

রাসেল আশরাফ's picture


যাক ডাউনলোড লিংক দেন নাই। বাঁচা গেলো। গত দুই সাপ্তাহে ২০০জিবি ডাউনলোড দিসি, ইউনি থেকে নোটিশ দেয় কী না এই নিয়ে টেনশনে আছি। Stare

ইতি মৃণালিনী দেখেছি।কংকনাকে জোশ লেগেছে এই সিনেমাতে।তবে শেষে এসে ভালো লাগেনি।

এক যে ছিলো এক কন্যা একটু দেখেছি।
আর বাকী গুলা লিস্টে রাখলাম।

তানবীরা's picture


ডাউনলোড করো কেন? ল্যাপি থেকে টিভিতে লাগিয়ে দেখো? আমিতো অনলাইন দেখি। ডাউনলোড করি না Sad

সুমি হোসেন's picture


একটাও দেখিনি Sad
তবে সব দেখে ফেলব! শেষ দেখলুম কুংফু পানডা ২ Wink সিনেপলেক্সে! বাসায় দেখছি সত্যজিৎ

তানবীরা's picture


আমিও কুংফু পান্ডা, টিনটিন সব দেখছি। মেয়ের পাল্লায় আরো না জানি কি কি দেখতে হবে। ভাবছি একটা মিটবল আর স্প্যাগাটির রেস্টুরেন্ট দিবো Smile

সাঈদ's picture


বাকি সিনেমার নাম দেন জলদি, আন্টি। Big smile

তানবীরা's picture


বয়স হয়েছে এখন আর মনে থাকে না। সিনেমা হলো আপনার মতো চ্যাংড়াদের ব্যাপার Big smile

মামুন ম. আজিজ's picture


আমিও একটাও দেখিনি। ...বাংলা কলকাতা কেন্দ্রিক আর্ট ফিল্মের মধ‌্যে সর্বশেষ দেখেছি ‌ ২২শে শ্রাবন'--মুগ্ধ হয়েছি কাহিনী স্টাইল এবং প্রসনজিতের অভিনয়ে।

তানবীরা's picture


এটা আমার দেখা হয়নি।

তবে প্রসেনজিত অটোগ্রাফ, দোসর দুটোও ভালো করেছে দেখতে পারেন। রাহুল বোস ও ভালো সিনেমাতে অভিনয় করেন Smile

সুমন মজুমদার's picture


সিনেমাগুলোকে মনে করিয়ে দেবার জন্য ধন্যবাদ। আর লেখাটাও খুবই সুন্দর। প্রিয়তে নিলাম

১০

তানবীরা's picture


:bigsmile ধন্যবাদ

১১

জেবীন's picture


ইতি মৃণালিনী'র গান শুঞ্ছি, ভালো লাগছে, সিনেমা দেখার ইচ্ছে আছে। Smile

১২

তানবীরা's picture


প্লীজ দেখ, অসাধারণ লাগবে

১৩

সাবেকা's picture


ধন্যবাদ। আশা করি দেখে ফেলব। আমিও অনেকগুলো ছবি দেখেছি গত কদিনে যদিও সবগুলোই ইংরেজী সিনেমা । অনেকদিন কলকাতার বাংলা সিনেমা দেখা হয়না, এবার যখন মনে করিয়ে দিলেন দেখতেই হবে Smile

১৪

তানবীরা's picture


নো স্ট্রিংস এ্যাটাচড দেখেছো Tongue । আমি ঐটাও দেখলাম ক্রীসমাসে Wink

১৫

রাসেল আশরাফ's picture


এই সিনেমাটা গতবছর দেখা প্রিয় সিনেমার একটা কেন জানি সিনেমাটা আমার খুব ভালো লেগেছে। Big smile

১৬

তানবীরা's picture


খুবই স্বাভাবিক Wink

১৭

শওকত মাসুম's picture


ইতি মৃণালিনীতে কঙ্কণা অসাধারন। তবে এটা অপর্নার সেরা ছবি নয়। আমার কাছে অপর্ণার সেরা পারমিতার একদিন। বাকিগুলো ভাল, নাগর দোলা ভাল লাগে নাই তেমন। শেষের কবিতা দেখি নাই বাজি।
আরো পোস্ট চাই সিনেমা নিয়ে

১৮

তানবীরা's picture


বস আপনার কমেন্ট পেয়ে লজ্জা পাচ্ছি, আমি পড়েছেন আমার মুভি পোষ্ট Shock

আমি বলি নাই ইতি মৃণালিনী মাস্টারপিস, বললাম আর একটা মাস্টারপিস। পারমিতার একদিন ও খুব সুন্দর। আমার কিন্তু এখনো পরমা প্রথম আর দ্বিতীয় ৩৬ চৌরঙ্গী লেইন লাগে। হয়তো কিশোরী বয়সে দেখেছি বলে

থ্যাঙ্কু উৎসাহের জন্যে

১৯

বিষাক্ত মানুষ's picture


‌ইতি মৃণালিনী দেখছি, বেশ ভাল।

'কাটাকুটি' নামের আরেকটা দেখলাম গত সপ্তাহে, এইটাও ভাল লাগছে, দেখতে পারেন।

২০

তানবীরা's picture


এটার কথা বলছো কাটাকুটি ? দেখে ফেলবো। তোমাকেও থ্যাঙ্কস সাজেশনের জন্যে Big smile

২১

রাসেল আশরাফ's picture


এই কয়দিনে অনেক সিনেমা দেখেছি ল্যাব ছুটি থাকার কারনে তার মধ্যে কিছু কোরিয়ান সিনেমার আজ নাম বলি।

বউ শ্বাশুড়ির মানসিক দ্বন্ধ(বানানটা কি ঠিক হলো?) শুধু যে বাংলাদেশে না সারা দুনিয়া জুড়েই, সেটা নিয়ে সিনেমা ওলগামি

মানসিক ভাবে বিকৃত এক লোকের কাহিনী নিয়ে সিনেমা মিসিং যারা রক্তারক্তি দেখে ভয় পান তাদেরকে না দেখার অনুরোধ রইলো।

এটাও আরেকটা রক্তারক্তি সিনেমা Our Town

এক উত্তর কোরিয়ার দরিদ্র কয়লা খনির শ্রমিকের দুঃখ ভরা জীবন নিয়ে সিনেমা ক্রসিং । এই সিনেমাটা আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে।
সময় পেলে দেখতে পারেন

২২

তানবীরা's picture


ঠিকাছে Smile । সময় পেলে দেখে নিবো

২৩

ভাস্কর's picture


কতো সিনেমা যে দেখা দরকার সেইটা আপনেরা পোস্ট দিলে বুঝতে পারি। তালিকার একটাও দেখা হয় নাই।

অপর্ণা সেন'এর পারমিতার একদিন দেখছি। তবে তার সব সিনেমার মধ্যে আমার পছন্দ মিস্টার এ্যান্ড মিসেস আয়ার। সেই সিনেমায় আবার সিনেমাটোগ্রাফার ছিলেন গৌতম ঘোষ।

২৪

তানবীরা's picture


আমার কাছে পরমাকে এখনো দ্যা বেষ্ট লাগে সবগুলোর মধ্যে

২৫

শওকত মাসুম's picture


আয় হায়, মিস্টার অ্যান্ড মিসেস আয়ার থাকতে কী করে বললাম যে পারমিতার একদিনই সেরা!

২৬

লাবণী's picture


একটা মাত্র সিনেমা কমন পড়েছে- "ইতি মৃণালিনী"!! Sad
পোস্ট এবং কমেন্টস পড়ে অনেক সাজেশন পেলাম!!
দেখার ইচ্ছে আছে!! Smile

২৭

তানবীরা's picture


Laughing out loud Laughing out loud Laughing out loud

২৮

প্রিয়'s picture


মিস্টার অ্যান্ড মিসেস আয়ার, ইতি মৃণালিনী,পারমিতার একদিন, ২২শে শ্রাবন, অটোগ্রাফ সবকয়টাই জোশ। তবে নাগরদোলা আর শেষের কবিতা দেখিনাই। দেখে ফেলতে হবে।

২৯

তানবীরা's picture


নাগরদোলা স্কিপ করতে পারো Smile

৩০

লীনা দিলরুবা's picture


ইতি মৃণালিনী ছাড়া আর কোনোটি দেখিনি।, এই মুভিতে কঙ্কনা তার মা'কে ছাড়িয়ে গেছে

তোমার লিস্ট টুকে রাখলাম, দেখে জানাবো কেমন লাগলো।

৩১

তানবীরা's picture


তোমার পছন্দের কিছু মুভির নাম দিও

৩২

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


একটাও দেখিনাই।

কালকে 'অপরাজিতা তুমি'র ট্রেইলার দেখে মুভিটা দেখার জন্য মন আনচান করতেছে। এটার গানগুলি দারুণ সুন্দর। Smile

৩৩

একজন মায়াবতী's picture


লিস্ট হতে থাকুক। দেখবো Smile

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

তানবীরা's picture

নিজের সম্পর্কে

It is not the cloth I’m wearing …………it is the style I’m carrying

http://ratjagapakhi.blogspot.com/