ইউজার লগইন

সাহাদাত উদরাজী'এর ব্লগ

আত্মকথাঃ পারিবারিক ছবি।

পারিবারিক ছবি তোলা সহজ নয়। এ থাকলে ও থাকে না। সবাইকে এক করা গেলেও দেখা গেল ক্যামেরায় ব্যাটারী নেই! এমনো হয়, সার্টার পড়ে না। আবার সবাই চলে গেলে ক্যামেরা ঠিক, অটোমেটিক! পরিবার একটু বড় হলে তো কথাই নেই - সাত মন ঘি যোগাড় করা সহজ, রাধা পাওয়া কঠিন।

আমাদের পরিবারের অবস্থাও তাই। আমার প্রচেষ্টায় দুইবার আমরা এক সাথে ক্যামেরার সামনে উপস্থিত হতে পেরেছিলাম। একবার সাদা কালো যুগে (১৯৮৪) আর অন্যবার রঙ্গীন যুগে (১৯৯৮)।

১৯৮৪ সালে।

আত্মকথাঃ ধুমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

আমার চাচার অফিসের পাশের বিজ্ঞাপন কাম সাপ্লাই অফিসের বিপ্লবদা এসে আমাকে জানালেন, তাদের একটা কাজ করে দিতে হবে। আমি হাসি মুখে বলি, জীবনে কথা জনের কত কাজ করলাম এ আর কি! বলেন। বিপ্লবদা একগাল হেসে বলেন, আমাদের একটা পোষ্টারে আপনাকে মডেল হিসাবে কাজ করে দিতে হবে। আমি রাজি হয়ে গেলাম। সদ্য বিদেশ ফেরত বেকার হিসাবে কাজের দরকার আছে। বিপ্লবদা আমাকে এলিফ্যান্ট রোডের একটা ফটোস্টুডিও দোকানের ঠিকানা দিয়ে বললেন, আগামী কাল ক্লিনসেভ করে সকাল দশটায় চলে যাবেন।

অভ্র ৫.০.৫ পাবলিক বেটা ১। আরো সহজ, আরো সুন্দর, আরো দ্রুত!

অভ্র'র প্রতি আমার ভালবাসা আজীবনের। অভ্র না থাকলে কখনো কম্পিউটার এ বাংলা লিখতে পারতাম না। আমরা বন্ধু সহ নানা ব্লগের সদস্য হয়ে কেটে যাচ্ছিল কাল। এক লাইনও লিখতে পারি নাই কোথায়ও, এমন কি মন্তব্য করতে যেতাম না। অভ্র'র কথা জানলেও বাংলা টাইপের ভয়ে (অভ্রকে তখনো পুরা জানা ছিল না, তার পর 'বিজয় কাগু' ভীতি) ছিলাম ভীত!

এমনি সময় বন্ধু মেজবাহ যায়াদের একটা লেখায় (যতদূর মনে পড়ে নির্মল সেন নিয়ে) বাংলিশ মন্তব্য লিখেছিলাম (হয়ত সইতে না পেরে) এই আমরা বন্ধুতে! রায়হান ভাই কি একটা মন্তব্য করে বসেন। ব্যস, আর যাই কই, মাথায় জিদ চেপে গেল। বাংলা শিখতেই হবে। সারারাত অভ্র নিয়ে কাটিয়ে দিলাম। ইংরেজী টাইপ করলে বাংলা হয় বুঝে গেলাম আর ইংরেজীতো ভাল টাইপ করতে পারি! পরদিন আরো চেষ্টা করলাম। বাহ বেশ তো! বন্ধু মেজবাহকে নিয়ে লিখলাম একটা কবিতা(! কিছু হয় নাই)।

প্রিয় পাঠক পাঠিকা, আপনাদের সচেতন হওয়া প্রয়োজন।

প্রিয় পাঠক পাঠিকা, অনেক দিন ধরে আপনাদের একটা বিষয়ে সচেতন করব বলে ভাবছি। জরায়ু-মুখ ক্যান্সার নারীদের জন্য একটি ভয়াবহ ব্যাধি এবং জরায়ু-মুখ ক্যান্সার বিশ্বব্যাপী নারীদের মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ। বর্তমান বিশ্বে প্রতি দুই মিনিটে একজন নারী জরায়ু-মুখ ক্যান্সারে মৃত্যুবরণ করেন এবং প্রতি বছর অর্ধকোটী নারী নতুন করে আক্রান্ত হন।

বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ১৩,০০০ নারী নতুন করে জরায়ু-মুখ ক্যান্সারে আক্রান্ত হন এবং প্রতিবছর মৃত্যুবরণ করেন প্রায় ৬,৬০০ নারী। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে সারাদেশে ১৮ জন নারী মারা যাচ্ছেন জরায়ু-মুখ ক্যান্সারে। জরায়ু-মুখ ক্যান্সার ১৫- ৪৫ বছর বয়সের নারীদের মধ্যে বেশী দেখা যায়, কিন্তু ক্যান্সারের লক্ষণ প্রকাশের প্রায় ২ থেকে ২০ বছর আগেই একজন নারী এ রোগের ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হন।

আমাদের 'উত্তরদা'। সাপ্তাহিক চিত্রালী।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী সিনেমা বিষয়ক যে কয়টা প্রত্রিকা বেশী জনপ্রিয় হয়েছিল তার মাঝে সাপ্তাহিক 'চিত্রালী' ছিল অন্যতম। বর্তমান বাংলাদেশে যাদের বয়স ৪০ বা তার বেশী এবং পত্রিকা পাঠে যাদের অভ্যাস ছিল, তাদের কাছে জিজ্ঞেস করলে এ সত্য জানা যাবে। ওই সময় চিত্রালী পড়তেন না এমন লোকের সংখ্যা বিরল ছিলো। সিনেমার নায়ক/নায়িকাদের বড় ছবি, তাদের সাপ্তাহিক কর্মকান্ড তুলে ধরতো চিত্রালী। সাপ্তাহিক চিত্রালী

দুই তরুনের ছবি! আড্ডার পূর্বে !!

আজ মনে হয় ওস্তাদেরা ইফতারে বিশাল আড্ডা মারবে! দুটি ছবি পেশ করলাম।
P230810_17.16_0.jpg
সুন্দর লাগছে!

P230810_17.17_0.jpg
অপেক্ষা।

------------------------------------------------------------------------------------
পোস্ট বড় করার জন্য একটা চুটকি নিন (আলোচনার প্রযোজন নাই)
------------------------------------------------------------------------------------

মীর ভায়া, মুছে দিলাম। আজকাল মাথাটা আর ঠিক কাজ করছে না। সহজে রেগে যাচ্ছি। মনে হয় কোথায় যেন আটকা পড়ে গেছি! মত্যু পূর্ব আলামত কিনা কে জানে?

কঠিন ভালবাসা নাকি অন্য কিছু!

চিপাগল্লি দিয়ে বের হতেই মহল্লা'র বড় রাস্তা। আমাদের মহল্লার মাসুম মামাকে দেখি করিম ভাইয়ের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে সিগারেট টানছেন। আমি এগিয়ে যাই। অনেক দিন পর মামার সাথে দেখা। উনি অবশ্য আমার আপন মামা না। মহল্লার সবাই ওনাকে মামা ডাকেন আমিও ডাকি। তবে আমার সাথে ওনার মতের মিল একটু বেশী। আমরা নানা মতে প্রায় এক মত থাকি। মহল্লার নানা বিষয়ে মামার পাশে পাশে আমি থাকি। এই আর কি।

আমাদের জাতীয় পোষাক কী?

আমাদের জাতীয় পোষাক কী? আমি দীর্ঘ দিন ধরে খুজে পাচ্ছি না। আমার বেশ কিছু বন্ধুকে জানতে চেয়ে ফোন এবং ইমেইল করেছি। কেহ আমার জবাব দিতে পারে নাই, অবশ্য অনেক বন্ধু আমাকে উল্টাপাল্টা কথা শুনিয়েছে! এ বিষয়ে মাথা না ঘামানোর কথা বলেছে! সে সব পরে হবে! যাই হউক, নানাবিধ "জাতীয়" থাকলেও পোষাকের ব্যাপারে কি আমাদের সরকার কোন ব্যবস্থা নেয় নাই! আমরা বন্ধু'র কোন বন্ধুর জানা থাকলে আমাকে জানান।

সরকারী কাজে কম্পিউটারে অভ্র কীবোর্ড দিয়ে বাংলা ব্যবহারের নির্দেশ। খুশি লাগছে!

(অভ্র প্রেমিক বন্ধু আনোয়ারুল আজিম থেকে নিউজটা দেখে মনটা খুশি হয়ে গেল। আপনাদের শেয়ার করলাম। কাগু তো মনে হয় হার্ট ফেল মারবে! সত্য সব সময়ই সত্য।)

তারিখঃ মে ১৯, ২০১০ইং

সংস্থাপন মন্ত্রণালয়।

বিষয়ঃ বাংলা ইউনিকোডের ব্যবহার শুরু করা প্রসঙ্গে।

অভ্র জনক মেহ্‌দি হাসান খান ও নাজমুন কে অভিনন্দন।

কিছুদিন আগে আমাদের প্রিয় ভাই অভ্র জনক মেহ্‌দি হাসান খান বিবাহ করেছেন। আমি অধির আগ্রহে আপেক্ষা করছিলাম আমরা বন্ধুতে আমাদের নজু ভাই এ বিষয়ে একটা আপডেট দিবেন, বিয়েতে তিনি হেভী পোজ দিয়ে ছবিও তুলেছেন এবং ভাল খেয়েছে! কিন্তু না, দেখছি না। বিয়ে খেয়ে মনে হয়, আমাদের ভুলে গেছেন!

Mehadi3.jpg

সরকারের নীতিমালাঃ মানুষের সততা।

প্রতিটি বিষয়ে সরকারের কিছু নীতিমালা বা সিদান্ত থাকে। সে নীতিমালার আলোকে সরকার পরিচালিত হয়। আর নীতিমালা গুলো বানানো হয় সে দেশের মানুষ কে সামনে রেখে। অর্থাৎ মানুষের মঙ্গলের জন্য অথবা মানুষকে সুষ্ট ভাবে পরিচালিত করার জন্যই এসব নীতিমালার প্রযোজন। সরকার যখন একটি নীতিমালা বানান তখন তার পিছনে অনেক গবেষনা থাকে, কি লাভ, কি ক্ষতি হতে পারে তার সবই চুল চোরা বিশ্লষন থাকে। এত সব কিছু পাশ করে তবেই একটি নীতিমা

প্রিয় মুসা ভাই, আপনি বিষয়টা খোলাসা করুন।

প্রিয় মুসা ভাই,
মুসা ইব্রাহীম ভাই, আপনি আমাদের জাতীয় বীর। আপনার এভারেস্ট বিজয় আমাদের জাতিকে সারা জীবন অনুপ্রেরণা দিবে।

প্রিয় মুসা ভাই,
আপনি আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা নিন। আমি এর পূর্বেও আপনাকে শুভেচ্ছা জানিয়াছি। কিন্তু গত কয়েক দিন ধরে বিভিন্ন ব্লগ ও নিঊজ দেখে আমার কাছে মনে কেমন সন্দেহ জাগছে।

প্রিয় মুসা ভাই,
আজ ও একটা পেইজ দেখে এমন মনে হচ্ছে। আমরা লজ্জিত হয়ে পড়ছি।

ব্রাজিল-আর্জেন্টিনাঃ ধরিয়ে দিন!

আজ মনে হচ্ছে আমার দিন। নানা ব্লগে সকাল থেকে ঘুরে বেড়াছি। কেন ব্লগে নুতন নুতন লেখা নেই! টুকটাক কিছু ব্রাজিলের পোলাপাইন দুই তিন লাইন লিখে পালিয়ে যাচ্ছে! আজেন্টিনার ছাওয়ালদের তো দুরবীন দিয়েও দেখতে পারছি না! আজেন্টিনার ছাওয়ালরা পালাতে অবশ্য ২৪ ঘন্টা বেশী সময় পেয়েছিলো।

প্রিয় সামিউলের বাবাঃ কে এম আজম।

জনাব কে এম আজম, আপনাকে নিয়ে আমি ভীষন চিন্তা করছি আজ অনেক দিন ধরে। অনেক গুলো নিউজ পেপার পড়ছি আজ ক'দিন ধরে। কি যে কষ্টে আমার দিন যাচ্ছে তা আপনাকে বুঝাতে পারবো না। চোখ বন্ধ হলেই আমার মনে হয়, সামিউল যেন আমাকে বলছে! আমার বাবা ভাল আছে তো?

মতিঝিল! মতিঝিল! মতিঝিল!

মতিঝিল গিয়েছিলাম। অনেক দিন যাওয়া হয় না। নানাবিধ বিল পরিশোধ আর শেয়ার বাজারের বন্ধুদের অবস্থা জানার ইচ্ছে ছিলো। গুড়ি গুড়ি বৃষ্টিতে ফুটপাতে হাটা দায় ছিল। নানা হকারে সব জায়গা দখল নিয়েছে! অফিস এলাকা নয়, যেন বাজার! কি নেই! কি আর করা, বাজার করে বাসায় ফিরলাম। ছবি গুলো নিয়ে না বলাই উত্তম। আমার এলজি কেএস৬৬০ মোবাইল দিয়ে তোলা! আমি ফটোগ্রাফার না, গুরু হাসান ভাই থাকলে ভাল হত।

1.jpg
১। বষ্টি ভেজা মতিঝিল, ফুটপাতের বাজার

2.jpg
২। রসুন (বাংলাদেশ), রসুন (ইন্ডিয়া), আদা

3.jpg
৩। ডাল (বাংলাদেশ, ইন্ডিয়া, কানাডা, চীন)