ইউজার লগইন

গোলাম মাওলা'এর ব্লগ

মিলাদ ও শিরনি

ছোটতে গ্রামের পরিবেশে আমার বেড়ে উঠা। আমার শৈশব কৈশোরের সময় গুলি কেটেছে গ্রামীণ মুক্ত আলো বাতাস আর সবুজের সংস্পর্শে।কত মজা কত হাসি আনন্দ আর স্মৃতি মিশে আছে গ্রামীণ পথে ঘাটে। গ্রামের সমবয়সী বন্ধু বা একটু বড় বন্ধুদের নিয়ে ফুটবল, ডাংগুলি, মার্বেল, সাতার সহ কত খেলা খেলেছি। একসাথে আবার হেঁটেছি স্কুলের পথে। সেই আনন্দময় জীবনের একটি ঘটনা বা এখনো ঘটে যাওয়া বিষয় নিয়ে আজ আমার স্মৃতিচারণ বা জাবর কাটাও বলতে পারেন।

ব্যাঙ লাফ /পানিঝুপ্পি (Skimming Stones)

ব্যাঙ লাফ /পানিঝুপ্পি (Skimming Stones)

ব্যাঙ লাফ /পানিঝুপ্পি
আমাদের দেশে খুব পরিচিত একটি খেলা যা আমরা ছোট কালে গ্রামের পুকুরে, বিলে বা নদীতে অনেকেই খেলেছি বা খেলে থাকতে পারি। বন্ধু বান্দব নিয়ে আড্ডা দিতে দিতে নিজেদের মাঝে প্রতিযোগিতা করতে গিয়ে আর নিজেদের দক্ষতা প্রমানের প্রচেষ্টা থাকে এই খেলায়। খেলাটাকে স্থান ভেদে অনেকে একে চিনে থাকে বা বলে থাকে ব্যাঙ লাফ /পানিঝুপ্পি । আর ইংরেজিতে এর গাল ভরা নাম skimming stones। এটি একটি জলক্রীড়া বা পানি ছাড়া এই খেলা সম্ভব হয় না।
এই খেলায় খেলোয়াড় সংখ্যার কোন নির্দিষ্ট সংখ্যা নেই। এই খেলা যেমন একা একা খেলা যায় নিজের মনের আনন্দের জন্য তেমনি ৫/৭ জন হলে সব্বাই মিলে করা যায় আনন্দ ও প্রতিযোগিতা।

ক্লান্ত পথিক

ক্লান্ত পথিক
----------------

chola

ছুটে চলেছি
অজানা লক্ষহীন সময়ের পদচিহ্ন ধরে ,
জীবন নামে
আঁকা বাঁকা পথে পথে।
ছুটে চলার ক্লান্তিতে
রণ ক্লান্ত পথিক আমি
ছুটে চলেছি
সুতা কাটা ঘুড়ির মত
আন্ধ ভাবে জীবনের স্রোতের টানে।
জীবন শুরুর তেজদিপ্ত মনে
জমেছে ক্লান্তি , ঘুণে ধরা ইচ্ছে গুলিই
জমেছে না পাবার অপূর্ণতা।
তার পরেও ---
টেনে চলেছি নিজেকে
ভার বাহী পশুর মত,
ছুটে চলেছি তবুও
হাজার বছরের ইতিহাস হয়ে
হারানোর কিছু নেই বলে।
লক্ষ নেই স্বপ্ন নেই তবুও চলা
সামনে এগিয়ে যাওয়া
পিছনে রেখে পদচিহ্নের বক্র রেখা।
২১-০৮-১৪ইং,১.৪৩am

হাজী ও আলহাজ্ব

হাজী ও আলহাজ্ব

আমাদের বাংলাদেশে হজ্ব এখন যেন এক বড় ফ্যাশন। আর হজ্ব করে এসে পৃত্তি প্রদত্ত নামের আগে হাজী ও আলহাজ্ব শব্দ দুটি ব্যবহারে মানুষের এমনই উৎসাহ যে এটিও যেন ফ্যাশন ও প্রচারের( আত্ম অহংকারে) মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে।
বিশেষ করে বাংলাদেশে রাজনৈতিক নেতাদের নামের আগে পিছে এই হাজী ও আলহাজ্ব শব্দ ব্যবহার এমন এক মাত্রা নিয়েছে এ যেন এক পদবী সর্বস্ব( খান, চৌধুরী, তালুকদার, সৈয়দ---- এমন ) হয়ে পড়েছে। অথচ এই হজ্ব হবে শুধু আল্লাহর জন্য। শুধু নামের আগে পিছে হাজী/আলহাজ্ব টাইটেল/উপাধি পাবার জন্য হজ্ব নয়, কিন্তু বাংলাদেশের বিত্তবান মানুষদের হজ্বের উদ্দেশ্য যেন এই উপাধি পাবার জন্য হজ্বে যাওয়া।

আমাদের লাল সবুজ পতাকা – প্রয়োগ চাই পতাকা নীতির

আমাদের লাল সবুজ পতাকা – প্রয়োগ চাই পতাকা নীতির

পতাক
কত সংগ্রাম করে,লক্ষ মানুষের তাজা রক্তের বিনিময়ে আমরা একটা স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র পেলাম । এই সেই লাল-সবুজের পতাকা আমাদের । লাখো বাঙালির চেতনায় ধরে রাখা আমাদের জাতীয় পতাকা আমাদের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার প্রতীক।এটির ভেতরে লুকিয়ে আছে আমাদের সাংস্কৃতি,স্বপ্ন,আমাদের চেতনা,সব কিছু ।হাজারো ত্যাগ-তিতিক্ষার বিনিময়ে অর্জিত এই পতাকা আমাদের চোখের সামনে নিমিষেই

পতাকা

হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের বাঙ্গালী সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যর প্রতীক গুলি

হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের বাঙ্গালী সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যর প্রতীক গুলি

হাজার বছরের চলে আসা বাঙ্গালিদের কিছু ঐতিহ্যবাহী জিনিস যা আমরা সেই প্রাচীন কাল হতে বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করে আসছি। এই ঐতিহ্যবাহী জিনিস গুলি হাজার বছরের বাংলার সংস্কৃতির এক একটি উপাদান ও বাঙ্গালী সংস্কৃতি - ঐতিহ্যর ধারক যা গ্রাম বাংলার গৃহস্থের সচ্ছলতা ও সুখ সমৃদ্ধির প্রতিক হিসাবে প্রচলিত ছিল। আজ এই আধুনিক যুগে আধুনিক পণ্যের কাছে , আধুনিক কলা কৌশলের নিকট মার খেয়ে আস্তে আস্তে বিলুপ্তির পথে। বাংলাদেশের গ্রামে গঞ্জে এখন পুরোপুরি যান্ত্রিক ঢেউ লেগেছে। মাছে ভাতে বাংগালীর ঘরে এক সময় নবান্নের উত্সব হতো ঘটা করে। উত্সবের প্রতিপাদ্যটাই ছিল মাটির গন্ধ মাখা ধান। ঢেকি ছাটা ধানের চালের ভাত আর সুস্বাদু পিঠার আয়োজন।