অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য ও জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

সারাটি রাত্রি শুধু তারাদের সাথে তারাদেরই কথা হবে

"আমি কি কথা স্মরিয়া
এ তনু ভরিয়া
পুলক রাখিতে নারি
ওগো কি ভাবিয়া মনে
এ দুটি নয়নে
উথলি নয়ন বারি..."

গভীর নীল সাগরের জলে একবার ভরা চাঁদের নৃত্য দেখেছিলাম। চাঁদের আলো জলের ঢেউয়ে ঠিকরে পড়েই প্রতিফলিত হয়ে দিক বদল করে ফেলে। অন্য কোন দিকে চলে যায়। আমি বসে হারিয়ে যাই সেই প্রতিফলনে সৃষ্ট আলোকচ্ছটা দেখতে দেখতে। দূর অতীতের কোনো এক চন্দ্রালোকিত রাতের স্মৃতিতে।

স্মৃতি যেন ঈশ্বরের এক আশ্চর্য অনুদান। সময় নামক অনাসৃষ্টিটির বিরুদ্ধে সামান্য কৃপা। চলে যাওয়া সময়কে কখনো ফিরে না পাওয়া গেলেও তাই স্মৃতিকে আকড়ে সময়ের ফিকে হয়ে যাওয়া স্বাদ পাওয়া যায়।

যদি স্মৃতি না থাকতো, তাহলে হয়তো সময়ের মূল্যও অন্যরকম হতো। কষ্ট ছাড়া অনাবিল সুখের যেমন কোনো বিশেষ মূল্য থাকে না। স্মৃতি না থাকলে সময়ের ফিরে না আসার বাধ্যবাধকতা মেনে নেয়া হয়তো সম্ভব হতো না।

আমার সব সাধনা শেষ হয়ে যায় নারী প্রেমের সাধনায়

আহসান হাবিব
হাসনাবাদ আর্মি ক্যাম্প
৫/৮/২০২১
গান/আমার সব সাধনা শেষ হয়ে যায় নারী প্রেমের সাধনায়

আমার সব সাধনা শেষ হয়ে যায় নারী প্রেমের সাধনায়
আকাশ পাতাল সাধন করি,হরি খোদার সন্ধান করি ফিরে আসি ঘরের কোণায়।
আমার সব সাধনা শেষ হয়ে যায় নারী প্রেমের সাধনায়।।

শৈশব কালে স্কুলে যাই, নিত্য শামলা কালো এক জনের দেখা যে পাই।
হেটে হেটে চলেন যখন, শ্যমলা কালার কি করব কথন
চিনতাম না তাকে জানতাম না তাকে, আমার মনটা ঘুরতো তার প্রেম যমুনায়
আমার সব সাধনা শেষ হয়ে যায় নারীর অংগের সাধনায়

দিনে দিনে দিন আসে যায়, পাহাড় নদী আকাশের সীমানায়, কত বিদ্যা হাসিল করি
ধর্ম বিজ্ঞান, প্রকৌশল বিজ্ঞান, চিকিৎসা বিজ্ঞান
আরো কত জ্ঞান হাসিল করি
কোন জ্ঞান এর পরিসীমা নাই, বাড়তে থাকে যতই সন্ধান চালাই
কি বলব আমি কি করব আমি সদাই ফিরি ঘরের কোণায়
আমার সব সাধনা শেষ হয়ে যায় নারীর অংগের সাধনায়।।

তোমায় পাবার আশায় তোমায় ভুলে থাকি

আহসান হাবিব
হাসনাবাদ আর্মি ক্যাম্প
২/৮/২০২১
গান/ তোমায় পাবার আশায় তোমায় ভুলে থাকি।

তোমায় পাবার আশায় তোমায় ভুলে থাকি
বিরহে তুমি বুঝবে সখা ভালোবাসা খাঁটি নয়কি ফাঁকি।
তোমায় পাবার ছলে তোমায় ভুলে থাকি

স্রোতের নদী বাঁধতে গেলে ফুলে ফেঁপে উঠে
কঠিনতম বাধ দিতে পারলেই স্রোতের গতি ঠেকে
যতই আমি বাঁধ দিতে যাই ততই আমি হারিয়ে যাই
ততই ভালোবাসা কি যে মধুর দেখতে পেয়ে আতকে উঠি একি।
বিরহে তুমি বুঝবে সখা ভালোবাসা খাটি নয়কি ফাঁকি।

দু-চার ঘন্টা যদি থাক দুরে কি যে ব্যাথা হয় বুঝাবো কি করে
মোবাইল স্ক্রিনে বারবার দেখি তোমার SMS এলো নাকি
কল বা SMS না পাই যখন, মর্ম যাতনা বাড়ে তখন
আমিই তখন লাজ লজ্জা ভুলে আবেগ গুলো লিখতে থাকি।
বিরহে তুমি বুঝবে সখা ভালোবাসা খাঁটি নয়কি ফাঁকি।

আমার না হইতেই ঘর ভেংগে গেলো

গান/ আমার না হইতেই ঘর ভেংগে গেলো
আহসান হাবিব
হাসনাবাদ কোরানটাইন বিল্ডিং
৩১/৭/২০২১

গান/ আমার না হইতেই ঘর ভেংগে গেলো

আমার না হইতেই ঘর ভেংগে গেলো ভুল বুঝারই ফলে
কোথায় যাব কোথায় রবো বাসা বাধবো কোনবা ডালে।

ছোট্ট ছোট্ট ভুলের মাশুল আজ পাহাড় সমান ভারি
আমিও কভু ছাড় না দিছি সেও করেছে আড়ি
এখন অন্তর জ্বালায় জ্বলছি আমি সে বা আছে কোন হালে
জানি সেও তো জ্বলছে মর্ম জ্বালায় এই ছিল মোদের কপালে
কোথায় যাব কোথায় রবো বাসা বাধবো কোনবা ডালে।

সকাল বেলা নীড় ছেড়ে যায় সকল প্রাণী খাবার অন্বেষণে
সন্ধায় আবার নীড়ে ফেড়ে আপন জনের টাণে
আমার আপন জন হাড়িয়ে গেলো,ফিরতে নারে
এ জনম কালে।
এ তো আমরা চাইনি কভু তবু কেন এমন হলো মোদের কপালে।
কোথায় যাব কোথায় রবো বাসা বাধবো কোনবা ডালে।

হেলায় ফেলায় যায় যে বেলা

আহসান হাবিব
হাসনাবাদ কোরানটাইন বিল্ডিং
৩১/৭/২০২১

হেলায় ফেলায় যায় যে বেলা সাঙ্গ হবে ভবের খেলা
আজ না হয় কাল বাজবে বাঁশি এই তো ধরনীর খেলা।
হেলায় ফেলায় যায় যে বেলা।

এতসাধের বাগান খানি রয়ে যাবে আছে যেমনি
তুমি শুধু থাকবে নাকো যতই আশা করে থাকো
আদরের ছেলে আদরের মেয়ে, স্বরণ করবে মাঝে
মাঝে দুএক বেলা।
হেলায় ফেলায় যায় যে বেলা।

তোমার যাবার পথের বাহন, যার যার বেলায় আছে যেমন
হয়েছে কি জোগার বাহনের খরচ, যার জন্য যেমন ফরজ
না হইলে পথের ধারে রবে পড়ে অনন্ত বেলা।
হেলায় ফেলায় যায় যে বেলা।

সকাল দুপুর গেল চলে গোধুলী চলছে এখন

গান/ সকাল দুপুর গেল চলে গুধুলি চলছে এখন
আহসান হাবিব
২৬৬/৩ শীতল ছায়া সোসাইটি
মানিকদী, ঢাকা সেনানিবাস

সকাল দুপুর গেল চলে গুধুলি চলছে এখন
হারকিন বাতি কুপি জ্বালাও রাতে হবে হবেই প্রয়োজন।
হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান হলো হারকিন বাতি কুপির উদাহরন
যার যা নিয়ে চলিবে পথ যখন আসিবে সখের মরন।
সকাল দুপুর গেল চলে গুধুলি চলছে এখন।।

গোধুলিতে এসেও মনে হয় আমার ধর্ম সত্য অপরের সব মিছা
বানিয়েছেন যিনি পারেন নিশ্চয়ই তিনি দিতে একই পথের দিশা।
আরো আছে নাস্তিক যত, চলে আপনা আপনা মত
হবে কি তাদের মরন আসিবে যখন।
সকাল দুপুর গেল চলে গুধুলি চলছে এখন

কত রকম খেলা তোমার বুঝার সাধ্য কি বল আমার
সাজাও সযতনে বাগান, আবার ইছামত দেও টান
ভাংগ তুমি গড়ও তুমি, ইচছা মত, চাও যাহা যখন যেমন।
সকাল দুপুর গেল চলে গুধুলি চলছে এখন।

হয় যদি সে পথ

আহসান হাবিব
হাসনাবাদ আর্মি ক্যাম্প
২২/৭/২০২১
আমি হইতে পারি মেঠো পথ বা পায়ে চলার পথ
হয় যদি সে পথ ওগো বন্ধু তোমার চলার পথ।
আমি যুগের পর যুগ বসে থাকবো চলার পথের ধারে
চেয়ে থাকবো পথের দিকে তোমার আসার তরে
আজ না হয় কাল আসবে তুমি আশায় রবো হইবো না কভু ব্যর্থ মনোরথ।
হয় যদি সে পথ ওগো বন্ধু তোমার চলার পথ।

ফুল ফুটিলে ভ্রমর আসে মধু খাবার তরে
তুমি ফুল হয়ে ফুটবে কখন, আমি চেয়ে রবো তোমার ফুটার তরে।
কত ফুল ফুটে নিত্য চিনবো কেমন করে
তোমার চুলের বেনীর গন্ধে চলেছি কত দিগংগনার পথ।
হয় যদি সে পথ ওগো বন্ধু তোমার চলার পথ।
খেয়ার নেয়ে হয়ে আমি করবো পারাপার
কোন বা নায়ে আসবে তুমি জানবো কেমনে উপায় কি চেনার
আলতা রাঙা পা তোমার শতদল হেন কত হেরেছি হইয়া ভীষণ মনোরথ।
হয় যদি সে পথ ওগো বন্ধু তোমার চলার পথ।

ঐ রেলস্টেশনে শুয়ে আছে যে মানুষগুলা

আহসান হাবিব
হাসনাবাদ আর্মি ক্যাম্প
১৭/৭/২০২১
গান/ঐ রেলস্টেশনে শুয়ে আছে যে মানুষগুলা
ঔই রাস্তার ধারে পথের পারে
ঔই রাস্তার ধারে পথের পারে, ঐ রেলস্টেশনে
শুয়ে আছে যে মানুষগুলা
আমার তোমার না হইলেও ওরা, এই দেশের সন্তান,
এই দেশের মাইয়া, দেশের পোলা।
ঐ রেলস্টেশনে শুয়ে আছে যে মানুষগুলা

ওরা ভিক্ষা করে,না খেয়ে থাকে, দ্বারে দ্বারে ঘুরতে থাকে
ঠেলা টানে মজদুরি করে, ওরা কাউকে না বকে কাউকে না মারে
কিন্তু এই দেশটাকে ভালোবাসার বেলায় ওরা সমান সমান বিন্দু মাত্র করে না হেলা।
ঐ রেলষ্টশনে শুয়ে আছে যে মানুষগুলা।

আমি তুমি জন্মেছি সোনার চামুচ মুখে দিয়ে
ওরা জন্মের পরে পায়নি খেতে, শুধু কেঁদেছে চিৎকার দিয়ে
ওরা অবহেলিত অনাকাঙ্ক্ষিত আনন্দের ফসল
তাই তো ওরা না খেয়ে থাকার দল,
সবাই ওদের ফেলে গেলেও ফেলেনি বাংলাদেশ করেনি হেলা।
ঐ রেলস্টেশনে শুয়ে আছে যে মানুষগুলা

ফেসবুক পেইজ চালান

আপনারা প্রায় সবাই ফেসবুক পেইজ চালান। ফেসবুক বর্তমানে ব্যাবসার অন্যতম মাধ্যম হয়ে উঠেছে। বিশেষত শপিং সেন্টার কিংবা ঘরের বাইরে কোথাও অবস্থিত ব্যবসার বিক্রয়কেন্দ্রবিহীন ব্যাবসাগুলোর খরিদ্দারের কাছে খবর পৌঁছানোর অন্যতম মাধ্যম হিসেবে বর্তমানে জনপ্রিয়তার তালিকায় প্রথম দিকেই অবস্থান করছে ফেসবুক।

এর অন্যতম কারণ হচ্ছে ফেসবুকের সুবিশাল তথ্য-ব্যাংক। বর্তমান বিশ্বের মোট জনসংখ্যার সাথে তুলনা করলে বলতে, পৃথিবীতে যতো মানুষ রয়েছে তার এক-তৃতীয়াংশ সমপরিমাণ ফেসবুক প্রোফাইল রয়েছে। যার অন্তত ৫০ শতাংশ নন-ফেক তথা প্রকৃত মানুষের প্রোফাইল। ফেসবুক প্রতিনিয়ত ফেক প্রোফাইল চিহ্নিত ও অচল করার কাজ নিয়োজিত বিধায় এটাও বলা যায়, ভবিষ্যতে ফেসবুক প্রকৃত মানুষের সংখ্যাই আনুপাতিক হারে বাড়বে।

তুমিও যেমন অহংকারী আমিও কম কিসে

আহসান হাবিব
হাসনাবাদ আর্মি ক্যাম্প
১৪/০৭/২০২১
গান/তুমিও যেমন অহংকারী আমিও বা কম কিসে

তুমিও যেমন অহংকারী আমিও বা কম কিসে
ভালোবাসার জায়গা নাই হেতা যদিও মরে বেবুজ মন ভালোবাসারই বিষে।
মনে মনে মন পুড়ে যায়, দর্শন গন্ধ না পাই
এই বুঝি ফোনটা বাজলো বলে ব্যাকুল মনটা সদাই
এপাশ ওপাস কোন পাশেই খবর নাই অহংকারেরই বসে।
তুমিও যেমন অহংকারী আমিও বা কম কিসে।।

গর্বের অহংকারে পাহাড়ে চড়বে নামতে পারবে না
অহংকারে তেতুল মিলবে কমলা জুটবে না
ছাড় দেয়ার অভ্যাস না গড়লে ভালোবাসা গড়ে না।
তাই বলি ব্যক্তিত্ব রাখ অহংকার ছাড় ভালোবাসায় হও বিলিন হারাও মিলেমিশে।
তুমিও যেমন অহংকারী আমিও বা কম কিসে।।

সেকেন্ড মিনিট ঘন্টা চলে যায় বছরের পর বছর
ভিতরে ভিতরে পুড়ে সারা তবু কেউ না নেয় কারো খবর।
টাকা আছে সন্মান আছে, আছে অহংকার, শুধু ভালোবাসাটাই হলো মিছে।
তুমিও যেমন অহংকারী আমিও বা কম কিসে।।

ওইরাত ছিল শুধু ভালোবাসার রাত

আহসান হাবিব
হাসনাবাদ আর্মি ক্যাম্প
১৩/০৭/২০২১
গান/ ওই রাত ছিল শুধু ভালোবাসার রাত।

ওইরাত ছিল ভালবাসার, কথা বলার, কাছে আসার রাত,
সে যে এসেছিল দক্ষিণা বারান্দায় যেন হুরপরি, দিয়ে ছিল সাথ।
ওইরাত ছিল শুধু ভালবাসার রাত।

আকাশেতে ছিল না পূর্নিমা, ছিল তারা নিহারিকা ছিল আবছা আলো আধারি
বাতাসে ছিল সুনসুন সুর, পাতায় পাতায় কি যে হিল্লোল, ছিল জোনাকির সারি
তারি মাঝে দুটি কপোত কপোতি যেন হারিয়েছিল করেছিল নিশব্দ কত বাত।
ওইরাত ছিল শুধু ভালবাসার রাত।

পাশে বহা পদ্মা, ধলেশ্বরী, বুড়িগঙ্গা বলেনি মোদের কিছু
উজান ভাটি ছিল না তাদের কি যে শান্ত আজি, ছিল পাহাড়ায়, ছিল মোদের পিছু পিছু।
জান হে বন্ধু, ওহে প্রিয়তম প্রকৃতিও চায়,মোদের মিলন হায়, রই যেন জনম জনম সাথ সাথ।
ওইরাত ছিল শুধু ভালবাসার রাত।

কোন দিন আমি গাইবো সেই গান?

ওয়ারফেজের মোটামুটি শ্রোতা পছন্দের গান, বিচ্ছিন্ন আবেগ। যদিও ইউটিউবে হিট কম, মিজান বালাম বা পলাশ কেউই গানটা গায় না। গানটা লেখা ও সুর জানতাম বাবনা করিমের। কিন্তু সে গায় নাই। গেয়েছে তুষার, অন্য এক ব্যান্ডের ভোকাল। গানটা এক অদ্ভুত নষ্টালজিয়া আর ডিপ্রেশনে ভরা। লোকমুখে প্রচলিত গানটা বাবনা করিম লিখেছিল ভাইয়ের মৃত্যুর পর। গানটা আপনি আশাবাদী হিসেবে ধরতে পারেন আবার বিষন্নতারও ভাবতে পারেন। শিল্পী জানাচ্ছে, কোন দিন আমি গাইবো সেই গান যেখানে থাকবে না মলিন অহংকার/ যে গানে থাকবে জোৎস্নার স্বচ্ছতা/ যে গানে থাকবে মহাশূন্যের উদারতা। এইটিজের দ্যা দ্যা ব্যান্ডের একটা গান আছে, দিজ ইস দ্যা ডে, লাইফ উইল শিউরলি চ্যাঞ্জ। সেরকম কোনো একটা দিন কি আসে জীবনে? সবদিনই তো ঘুরে ফিরে একইরকম আঁধারের।

গল্প: ডুবে যাওয়া সন্ধ্যার মাস্তুল

১.

অঝোর ধারায় বৃষ্টি ঝরছে। বাড়ির টানা বারান্দায় বসে আনমনে মুখ, কপাল আর কপালের ওপর পড়ে থাকা চুলগুলোকে ভেজাচ্ছিলাম। যদিও কতক্ষণ ধরে ভেজাচ্ছিলাম মনে নেই। এর মধ্যে শরীফ এক কাপ রং চা দিয়ে গিয়েছিল। ওকে চা দিতে বলতে হয় নি। নিজে থেকেই আমায় বারান্দায় বসে থাকতে দেখা চা দিয়ে গেছে। বৃষ্টি নিয়ে কোনো কথাও বলে নি। অন্য কেউ, যেমন মা বা বাবা হলে বৃষ্টিতে ভেজা থেকে বিরত থাকার কথা বলতো হয়তো। শরীফটা আমার মনের ভাব বেশ ভাল বোঝে। তাই চুপচাপ চা রেখে চলে গেছে।

সেদিন সিগারেট, চা, বৃষ্টি, বারান্দা, উচুঁ দালানকোঠা, খোপ খোপ জানালা, আধো আলো আর আধো অন্ধকার- সবকিছু মিলিয়ে পরিবেশটা বেশ জমে উঠেছিল। বেতো ঘোড়ার মতো কয়েকটা নাগরিক বৃক্ষকে বাতাসের ঝাপটায় খুব করে দুলতে দেখে হঠাৎ আমার শৈশবের অনেকগুলো স্মৃতি মনে পড়ে গিয়েছিল।

দিনলিপি -

Smile Smile অনেকদিন পরে আসলাম ... ......... নিজেকে প্রায়ই ভূলতে বসেছিলাম ।

সকালে উঠে নিজ দেহের মোটর গাড়িটা স্টার্ট দেই ... তারপর খানা-খন্দ , অলি-গলি পেরিয়ে .... অফিসের পথ ...... মাপা আবেগ --- দেড় ইঞ্চি মাপের হাসি প্রসারিত করে দেড় ফুটের হাসি হেসে ..... বসের মোটর গাড়িতে তেল প্রবাহিত করতে হয় .... ...... এরপর আবার ষ্টার্ট
.........

লোকেশন ---- বরাবরের জন্য রাসবিহারীর নৈবদ্য লাভের মতো .....

ধন্যবাদ ........ আমরাবন্ধু ............. Smile Smile আমাকে এখনো ভূলে যাওনি...............

তোমরা আসলেই আমার === তোমার ======= সকলের বন্ধু.....

এগিয়ে যাও .... শুভেচ্ছা রইল ।।

কেন য ঘুম আসে না

আহসান হাবিব
হাসনাবাদ আর্মি ক্যাম্প
৩/৬/২০২১

কেন যে ঘুম আসে না,এত রাত হয়ে গেল
, হাজার স্মৃতি মনে আসে,শুধু দু চোখে ঘুম আসে না।
ঘুৃম আসে না, ঘুম আসে না,দু চোখে ঘুম আসে না।

শুয়েছি সেই সে কখন, সারা দুনিয়া করেছি ভ্রমণ
শুধু এপাশ ওপাশ করে বেড়াই, কোন কিছু খুঁজে না পাই
কি খুজি কারে খুজি, মনে হয় এই পেয়েছি
কি করে পাব তারে, কি খুজি নিজেই জানিনা।
ঘুৃম আসে না, ঘুম আসে না,দু চোখে ঘুম আসে না।

প্রায়শই শুবার পরে, মাথাটা যায়গো ভরে
কেন এ দুনিয়ায় এলাম, আসার আগে কোথায় ছিলাম।
আবার তবে কোথায় যাব,সেখানে কি বা খাবো
আজব আজব চিন্তা যত, করে আমায় ক্ষতবিক্ষত
যতই চাই মুক্ত হতে,পারি আর পারি না।
ঘুৃম আসে না, ঘুম আসে না,দু চোখে ঘুম আসে না।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ