অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

দুঃস্বপ্নের ঘণ্টাধ্বনি

জানালা গলে বিচ্ছিরি গন্ধটা ঘরময় ছড়িয়ে পড়লে পেটের ভেতরটা গুলিয়ে উঠলো। বৃষ্টি হলেই এই উৎকট গন্ধটা ঝিল থেকে ডানা মেলে আকাশে, তারপর দৈত্যের মত ছুটে এসে আশপাশের পুরো এলাকা গ্রাস করে নেয়। তখন টিকে থাকাই দায়। ঘরের ভেতরে গুমোট অন্ধকার। কেমন যেন আষ্টেপৃষ্ঠে মিশে আছে ঘরের কোণে কোণে, চারপাশের টিনের বেড়া আর চালের সাথে। বৃষ্টিটা থেমে গেলেই একটা ভ্যাঁপসা গরম ছাড়ে। কী অসহ্য! ইলেক্ট্রিসিটি নেই এক ঘণ্টা হল। বাঁশের সাঁকোর মোড়ে দু’টো কুকুর একটানা চেঁচাচ্ছিল। কে যেন ধমকে উঠল- অ্যাই চুপ, যাহ!
-উফ! আর তো পারা যায় না- মহিদুলের কণ্ঠে বিরক্তি।
-কী পারা যায় না? মহিদুলের দিকে ঘুরে জিজ্ঞেস করল জয়নাব। ছেলেকে তালপাখায় বাতাস করছিল সে।
-গন্ধে তো বমি হওয়ার দশা। এইহানে আর থাকা যাইবো না।

ক্ষমা করো বাবা

এয়ারপোর্টের ভিতর একটা কোনের চেয়ারে বসে অপেক্ষা করছি। আর একটু পর চলে যাব হাজার মাইল দূরে। প্রিয়জনেরা গেইট পর্যন্ত দিয়ে গেছে। বুক ফেটে গেছে ছেড়ে আসতে তবু চোখ ফাটে নি। আড়াই বছর পর দেশে ফিরে গেছি। জীবনসঙ্গী করেছি একজনকে। ২২ দিন একসাথে সংসার করেছি। এখন তাকে রেখেই চলে যাচ্ছি। আর পারলাম না। কোলের ব্যাগে মুখ লুকিয়ে কেঁদে ফেললাম। হয়ত অনেকে দেখছে। দেখলে দেখুক। এত কষ্ট প্রিয়জনদের ফেলে দূরে যেতে আগে বুঝি নি। ভাবতে ভাবতে আকাশের দিকে তাকালাম। যেখানে মনের কথা সব বাবাকে বলি।

এই উইন্টারে যারা জার্মানিতে পড়তে আসছেন

এটি একটি উপদেশমূলক লেখা। অক্টোবরের ১ তারিখ থেকে জার্মানিতে উইন্টার সেমিস্টার শুরু হচ্ছে। এখানে উইন্টার সেমিস্টারে সামারের চেয়ে বেশি সংখ্যক আন্তর্জাতিক ছাত্র-ছাত্রী নেয়া হয়। তাই এই সময়টাতে ছাত্র-ছাত্রীদের জার্মানির পানে ভিড়ও থাকে বেশি। যে বা যারা দুই-একদিনের মধ্যে প্রথমবারের মতো জার্মানির উদ্দেশ্যে দেশের বাইরে পা বাড়াচ্ছেন, তারা এই লেখা থেকে উপকৃত হলেও হতে পারেন।

আজ থেকে ঠিক তিন বছর আগে এই দিনটাতে আমি মনে মনে ভাবছিলাম, এখন হাতের কড় গুণে হিসেব করে ফেলা যায় কয় ঘন্টা পর আমার ফ্লাইট; কয় ঘন্টা পর আমি এমন একটা জায়গায় থাকবো, যেখানকার কোনোকিছুর সাথে আমার পরিচয় নেই; কয় ঘন্টা পর আমি প্রিয় পরিবার-পরিজন, বন্ধু-বান্ধব, এবং আমার স্বদেশ থেকে হাজার মাইল দূরে চলে যাবো। হিসেব করে ফেলা যাচ্ছিল সবকিছুই। কঠিন ছিল সময়টা, স্বীকার করতেই হবে।

পিএইচডি অ্যাপলিকেশন ব্যর্থ হওয়ার অভিজ্ঞতা: পর্ব ১

অনেকেই যখন পিএইচডি করতে যায় তখন বেশ জ্ঞাননির্ভর পোস্ট দিয়ে ব্যাখ্যা করে কিভাবে কিভাবে সে পিএইচডি পেলো। এই জ্ঞানটা নিশ্চিতভাবেই খুব জরুরি। তাদের নিয়মগুলো, পরিশ্রমগুলো থেকে হবু পিএইচডি করতে আগ্রহীরা অনেক কিছু শেখে।
তবে আমার মনে হলো, আচ্ছা ব্যর্থ পিএইচডি অ্যাপলিকেন্টদের অভিজ্ঞতাও জানানো জরুরি। এটাও হবু আগ্রহীদের কাজে দেবে। যদিও যারা আমার মতো পিএইচডি ফান্ড পায় না তারা লজ্জায় বলেও না। আমি তাই ভাবলাম নিজেরটাও তুলে ধরি। ব্যর্থতার কথা কেউ তো বলে না। বলে সফলতার কথা। আমি না হয় ব্যর্থতার কথা বলেই যা যা শিখলাম সেটা জানালাম। বিষয়টা হলো, আমি চেষ্টাটাকে চালিয়ে যাইনি। কেন পস দিয়ে রেখেছি। সে ব্যাখ্যা দ্বিতীয় পর্বে বলবো। আপাতত গল্পটা শুরু করা যাক---

জন্মদিনের শুভেচ্ছা অভি!

সময়টা যে খুব ভালো তা বলা যাবে না। আমার অবস্থা খুব একটা খারাপ না হলেও দেশের অবস্থা তেরোটা। আগে যেসব দুর্যোগ- দুর্বিপাক ছিল, এখন তা আরো বেড়েছে। রাস্তায় জ্যাম মাত্রা ছাড়িয়ে অনন্তকালের দিকে যাচ্ছে। রোহিঙ্গা ইস্যুতে মানবতা দেখাতে গিয়ে আমরাই কোনো জালে আটকে পড়ে যাচ্ছি কিনা, সে খবর আর কে রাখে। বন্যা হলো, পাহাড় ধ্বসে কত গুলো প্রাণ চলে গেল তখন আমাদের লুকিয়ে থাকা মানবতা অন্য অনেক সময়ের মত লুকিয়ে ছিল। কিন্তু এখন ফেসবুক খুললেই দেখি মানবতার জয়গান। আমি অবশ্য তাতে অসন্তুষ্ট না। আমি চাই এই মানবতা ব্রাদার হুড অন্য সময়তেও খাড়া থাকুক। আবার আরেক পক্ষ আরো সরেস। তারা একাত্তরকে ছাড়িয়ে যাবার ও মেলানোর ধান্দায় বিজি। একাত্তরকে যারা ছোট করতে চায়, তাদের দিয়ে আর যাই হোক মানবতা আশা করা ঠিক না।

এপিটাফ অফ লাভার'স ফ্রেইগ্র্যান্স

তোমার ঘ্রাণের জন্য আমার স্মৃতিরা বিষাক্ত নীল হয়ে এলে
আমি ক্যাফেটেরিয়ার ভাঙা সিঁড়ি ধরে একদম উপরে উঠে যাই।
দেখি প্রিয় মানুষেরা ডুবে যাচ্ছে ট্রাফিকে,
দেখি সিগন্যালের মতো পালটে যাচ্ছে প্রেমিকার মন।

দেখি এই দালানের ইটেরা কতো চুমু দেখছে অনিচ্ছাতে
তবু সয়ে গেছে,
এই খসে যাওয়া পলেস্তরা-রেলিংও টিকে আছে অনেক দিন;
এইখানে।
শুধু আমরা টিকিনি।

এই জঞ্জাল
এই কবি বেশ্যা খেলা
এই শব্দ বুনন
তোমার শহরের ধুলো চোখে লেগে গেলে,
আমি ছুটে আসি এই ক্যাফেটেরিয়ার ছাদে।

আমি আবার দেখেছি ওরা ছুটছে গোলাপ নিয়ে
গুনেছি প্রতিটা হুইসেল
দেখেছি ব্যস্ত মানুষ আর বেকার,
এসব বিকেলের আগে আগে দেখেছি
তোমার শহরের রোদেরা 'রোববার' ছুটি কাটিয়ে বাড়ি ফিরছে
শুধু আমরা ফিরিনা আর, আমাদের কাছে।

সুখ অসুখের মনোলগ

b2ap3_thumbnail_4_20131107-132259_1.jpg

আমার শহরে বৃষ্টি এলে সীমাহীন শূন্যতা আমারও হয়।
আমারও মনে হয় 'এসবের কোন দরকার ছিলো না'।

ক্যাম্পাসের ক্যাকোফোনিতে আমার বিষাক্ত লাগে,
বিষাদ মনে হয়,
অথবা আমি ঈর্ষান্বিত হই ওরা সব্বাই সুখী বলে।
আমি বুঝি, নিজের ভেতর এতো শূন্যতা অনুভব করিনি আগে।
এসব স্থিরতা, জ্যামে আটকে থাকা মানুষ আমাকে মোটেও ভাবায় না।
আমি তখনও ভেবেছি 'ওসব না করলেও পারতে'।

এরপর একা ঘরে, রাত নেমে এলে
দারোয়ানের হুইসেল ক্লান্ত হয়ে গেলে
মানুষেরা ওপাশে ফিরে শুচ্ছে যখন
তখনও আমি ভাবি 'মানুষ চেনা দায়'।

বাবা তোমায় মনে পড়ে

ঊনিশশ’ সাতাত্তর সাল
বাবার হলো এ কী হাল
ধরেছে ঘাতক রোগ
যন্ত্রণায় কাতর বুক।

দেহে বইছে পদ্মার ঢেউ
থামাতে পারছে না কেউ
দাও একবার শুইছে
বালিশে খানিকটা নুইয়ে।

এবার ধরে একটু তোলো
বাবার এ কী হাল হলো
যাও ঈদের নামাজ পড়ো
এসে পশু জবাই করো।

বাবাকে এই হালে রেখে
জামায় একটু সুগন্ধি মেখে
নামাজে হলো যাওয়া
হলো না ফিরনি খাওয়া।

ছয় তাকবিরে দুই রাকাত
ওয়াজিব হলো সারা
এসে দেখি বাবাকে এবার
যমদূত করছে তাড়া।

জিলহজ মাসের দশ তারিখ
রোববার সকাল বেলা
বাবা আমার নিলেন বিদায়
সাঙ্গ জীবনের খেলা।

-আগস্ট ২৬, ২০১৭ খ্রি.
গেন্ডারিয়া, ঢাকা

পুনশ্চ: (মরহুম বাবার ৪০তম মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে। যিনি ১৯৭৭ খ্রিস্টাব্দে, ২২ নভেম্বর, পবিত্র ঈদুল আজহার দিন সকাল বেলা পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে মহাসত্যের কাছে আত্মসমর্পণ করেন)।

বিষাদনদী

হুমায়ূন আহমেদের নদীর নাম ছিল ময়ূরাক্ষী। আমার নদীর কোনও নাই নেই, আমার নদীর জেনেরিক নেইম- বিষাদনদী। ছোট শান্ত নদী। যেখানে নেই উত্তাল ঢেউ, কিংবা ব্যারেজ- বাধ- সেতু। খালি আছে স্বচ্ছ বিষাদের জলধারা। এ কুল ও কুল সব খানেই ছড়িয়ে আছে সব ঝলমলে বিষাদ। মুক্তি পাওয়া যাবে, নদীকে তিলে তিলে শেষ করে। কিন্তু ইচ্ছে করে না। টিকে থাক বিষাদ নদী, টিকে থাকুক বিষাদ গ্রস্থতায়। একদিন সময় হলে বিষাদের সমুদ্রর দেখা পাবে এই নদী। ততদিন পর্যন্ত নদীকে বাঁচিয়ে রাখবো, নদী বাঁচিয়ে রাখবে বিষাদগুলোকে।

তারেক মাসুদের গানে শ্রেণি, রাজনীতি ও জেন্ডার চেতনা: একটি সূচনামূলক আলাপ

Tareque_Masud.JPG
এক.

কাপুরুষ

দেখো, একদিন আমি লিখে ফেলবোই সেই অমর কবিতা!
কি করে তোমার বেড়াজ্বালে বন্ধি হয়ে আমি আমার জীবনের সব উচ্ছ্বাস হারিয়েছি!
কি করে আমি লেখক কিংবা সাধারন জীবনের ইতি টেনেছি!
কি করে আমি জীবনের সরল পথ হারিয়ে অন্ধকারে প্রবেশ করেছি!

দেখো, একদিন আমি বলেই ফেলবো!
তোমাকে ভাল রাখতে গিয়ে, কি করে আমি আমাকে গুটিয়ে নিয়েছি!
কি করে আমি নিজকে আমার সমাজের বাইরে টেনে ফেলেছি!
কি করে আমি ভুলে গিয়েছি আমার অতীত কিংবা শিশুকাল!

দেখো, আমি একদিন চিৎকার করে বলবোই!
কেন আমি আর মধ্য রাতের চাঁদের আলোয় আলোকিত হতে পারি না!
কেন শেষ রাতের শিয়াল গুলো জ্বলজ্বল চোখে আমাকে অবজ্ঞা করে যায়!
কেন আমার প্রিয় নীল আকাশ দূরে আরো!

দেখো, আমি একদিন জেগে উঠবোই!
বলবো কেন অর্থের প্রয়োজনে আমি এতটা বিভোর হয়েছি!
যদিও তোমাকে দেখলে আত্বহত্যার স্বাদ জেগে উঠে!
কিংবা কি করে আমি আমার যৌবন হারিয়েছি!

ভিনদেশী থ্রিলার

সিনেমা জনরের মধ্যে সম্ভবত থ্রিলারের দর্শক সবচেয়ে বেশি। অবসর কাটাতে একটি জম্পেস থ্রিলার থাকলে আর কি লাগে। এই থ্রিলারগুলোর অবশ্য একটা আলাদা বিশেষত্ব আছে, সবগুলো ভিনদেশী থ্রিলার। অবশ্যই আমার দেখার মধ্য থেকে বাছাই করা।

১. টেল নো ওয়ান: ফ্রেঞ্চ মুভি। আলেক্সান্দ্রে বেক একজন ডাক্তার। ৮ বছর আগে স্ত্রী নিহত হয়েছিল। স্ত্রীর বাবা এ জন্য তাকেই সন্দেহ করে। আট বছর পরে জোড়া খুনের সন্দেহ পড়ে আলেসান্দ্রের ওপরে। ঠিক একই দিনে একটি অদ্ভুত মেইল পায় আলেক্স।

215px-tell_no_one_2006.jpg

আদুরে বাবুর রিডিং অ্যাপস, শিশুদের জন্য ডিজিটাল শিক্ষাউপকরণ ও তার সম্ভাব্য অভিঘাত বিষয়ে একটি সতর্ক প্রতিক্রিয়া

Adure babu-2.jpg

বউয়ের প্রয়োজন কখন বেশী, যৌবনে না বৃদ্ধ বয়সে

সাত/আট বছর আগের কথা। বাংলা নব বর্ষের প্রথম সন্ধা। বারান্দায় বসে আছি। অনেক ছেলেরা সামনের রাস্তা ও মাঠে পটকা ফুটাচ্ছে। হরেক রকম পটকা। এক একটা পটকা ফুটে আর সবাই সমস্বরে চিৎকার করে উঠে। চিৎকার তো নয় যেন কার গলার আওয়াজ কত বড় তার প্রতিযোগিতা চলছে। কখনো কখনো আবার একসাথে অনেক গুলো পটকা ফুটা এবং সম্মিলিত চিৎকারে যে উচ্চ শব্দ হচ্ছে এই শব্দ শক্তি যদি মেকানিক্যাল শক্তিতে রুপান্তরিত হত তবে আশপাশের আধাপাকা বাড়িঘর গুলোর চেহেরা অবিকৃত থাকত কিনা বলা যাচ্ছে না।
আমার ছেলে এবং যাদের চিনি তাদের কয়েকবার বল্লাম,অনেক হয়েছে এবার বন্ধ কর।
যাদের বললাম তারা ভয়ে হউক বা সন্মান করেই হউক,স্থান পরিবর্তন করল বটে তবে খেলায় ক্ষান্ত দিল না।

হ য ব র ল

মানুষের শরীর। কখন যে কি হয় বলা মুশকিল। কদিন আগে সকালে প্রজেক্টে গেলাম ভালই। দশটার দিকে কেন যেন ভাল লাগছিল না। কিন্তু সাড়ে দশটার দিকে পারচেজার ফোন দিল স্যার বিদ্যুৎ এর মেইন লাইনের কেবল টা কিনতে যাব, আপনার সময় হবে কি?
একে তো শরীর ভাল লাগছে না,তার উপর সকাল থেকে সার্টেল স্টাইলে বৃষ্টি হচ্ছে। যখন হচ্ছে অনেকটা সাপে নেউলের যুদ্ধের মত। এই বৃষ্টির জন্য প্রজেক্টের কাজ প্রায় বন্ধ।তবু কেন যেন বৃষ্টিটা আমি এবার ভীষন উপভোগ করছি।
আমার মনে হয় স্থান কাল পাত্রভেদে মানুষের অনুভুতিও ভিন হয়।এই যে বৃষ্টিটা এত ভাল লাগছে তার কারন আমার বর্তমান অবস্থান। চট্টগ্রাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভুমি।এই শহরকে যত দেখছি সৃষ্টি কর্তার অপরূপ সৃষ্টি কৌশলে মুগ্ধ হয়ে প্রতি ক্ষণে সিজদা করছি।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ