অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ৪০ জন অতিথি অনলাইন

প্রবৃদ্ধির দেশে উলম্বরৈখিক যৌনসন্ত্রাস

ছবি শুধু ছবি নয়: এক ছবি হাজার কথার শামিল। কবে পড়েছিলাম, কোথায় পড়েছিলাম, আজ আর মনে নেই। শুধু মনে আছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে পা রাখারও অনেক আগে, কথাগুলি কোথায় যেন পড়েছিলাম। শুধু পড়িনি, পড়াটা সেদিনের কিশোর মনে খুব দাগও কেটেছিল। আর দাগ কেটেছিল বলেই কোনোকোনো ছবির আবেদনে অভিভূত হলে অথবা ছবির অর্থের তাৎপর্য দেখে আজও মনে পড়ে যায়, মনের অজান্তেই উচ্চারণ করি- এক ছবি হাজার কথার শামিল। সব ছবি হয়তো সে রকম নয়; কিন্তু কোনোকোনো ছবি সত্যি- হাজার কথার শামিল হয়ে ওঠে।

যদিও হারিয়ে গিয়েছি এই তো জরুরি খবর... ১

কিছু লিখতে পারছি না কেন? এমন কি জীবন যাপন করছি যেটা লিখে রাখতে বাধা আসছে? নাকি উপস্থাপনা কেমন হবে ভেবে ভেবে নিরুৎসাহিত হয়ে পড়ছি? এ দু'টো সমস্যার কোনোটাই তো আগে ছিল না! এখন কি হলো? ওকে পয়েন্ট ধরে ধরে আগানো যাক। অন্তত বের করা যাবে সমস্যা আসলেই কিছু আছে কিনা। নাকি আলসেমী, নাকি জড়তা, নাকি কিছুই না জাস্ট নিরাশার জালে বন্দি হয়ে পড়া- কোনটা ঘটছে?

প্রথম পয়েন্ট, থিসিস নিবন্ধন করা হয়ে গেছে। দীর্ঘ তিন মাসের ইমেইল চালাচালির পর অবশেষে আমার দ্বারা কাজটা করা সম্ভব হইলো! এবং এর মধ্যে যথারীতি থিসিসের আইডিয়াও বহুবার পরিবর্তিত হয়েছে। শেষতক যে থিম নিয়ে কাজটাকে নিবন্ধন করানো হয়েছে তা হচ্ছে- গতানুগতিক সকল প্রকার শিক্ষা কার্যক্রমে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (ভিআর) প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের মতামত।

এইসব হারিয়ে ফেলা গ্রীষ্মদিন!

কথাটা বলার পর কেউ আমাকে পাগল ভাববেন, কেউ মনে করবেন এটেনশন সিকার কিন্তু কথাটা প্রাণ থেকে আসা, আমার প্রিয় ঋতু গ্রীষ্মকাল। ব্লগে এটা অনেকবার বলেছি আজ আবার বললাম। শুরুর জন্য লেখা আর কি, কিছু একটা বলে লেখা শুরু করতে হবে। লিখতে ইচ্ছে করে খুব, কিন্তু সেই একই রকম লেখা বারবার লিখে যেতে যেতে ক্লান্ত। নিজের লেখা ব্লগে দেখতেও ক্লান্ত লাগে। এমনই এখন মৃতপ্রায় এই ব্লগ যে চারমাস আগে লেখা পোষ্ট এখনও ঝুলে আছে বেহায়ার মতো। তবুও তো টিকে আছে। নয়তো ব্লগ জিনিসটাই এখন প্রাচীনপন্থী। অথচ সব সময় শুনি দুনিয়ায় ব্লগের বিপ্লব হয়েছে, ইনবাউন্ড মার্কেটিং টূল হিসাবে ব্লগ নাকি টপ মাধ্যম। কিন্তু কমিউনিটি ব্লগের দিন বোধহয় শেষ, এখন সবাইকে দেখি ব্লগ পোষ্ট অজস্র অনলাইন নিউজ আছে সেগুলাতে দেয়। কিন্তু ব্লগের যে চার্ম সেখানে আর তা নাই। ফেসবুক আপনার দোস্ত বন্ধু বেশী থাকলে আপনার লেখা পড়বে ব্যস এতটুকুই। সেই অচেনা অজানা বাংলাভাষী পাঠক আপ

রুচিবোধ এবং সাম্প্রদায়িকতা

রুচিবোধ সাম্প্রদায়িক আচরণ উস্কে দেয়! কাউরে আপনার মনে হইতে পারে ক্ষেত, আবার কাউরে ড্যাম স্মার্ট। ফলে আপনি ক্ষেতরে অবজ্ঞা করলেন। মানে আপনি সাম্প্রদায়িক আচরণ করলেন।

একটা গোপন কথা বলি। আবৃত্তি একাডেমির শুরুর দিন গুলাতে আমি যখন নিজেরে নিয়া ব্যস্ত ছিলাম- মানে অন্যরে গোনার টাইম প্রায় ছিলই না, নিজেকে আমার বিশ্বের সেরা স্মার্ট পুলা মনে হইত। যদিও কেউ কেউ আমারে দ্য ক্ষেতিয়েস্ট পারসন অব দ্য ওয়ার্ল্ড ভাবত। তাতে আমার কিছু যাইত আসত না। আমি আমার মতই ছিলাম। কিন্তু দেখা গেল মানুষের রুচিবোধ বদলাইতাছে। তারা ক্ষেতিয়েস্টরে শুধু গুনতেছে না, মাথায় তুলার ট্রাই করতাছে।

কান পেতে রই

একদিন তো সব খেলা থেমে যাবে। সূর্য আর কিরণ দেবে না অকাতরে। সূর্য নিভে গেলে পৃথিবী তার সমস্ত জ্ঞানভাণ্ডার, সমস্ত নাটক সিনেমা গান গল্প কবিতা সুর আর রাগ নিয়ে কোথায় যাবে সেইদিন?

অথবা তার আগেই যদি নিউক্লিয়ার বিস্ফোরণে ছাই হয়ে যাই আমরা সবাই?

অত দূর না ভাবলেও হয়ত এটুকু জানা যায় যে আমাদের এই জীবন আর ফিরে আসবে না মরণের ওপারে। জীবন কতো সীমিত সময় নিয়ে এসেছে আমাদের কাছে, আমি ভাবতে পারি না কিছু, আমার খুব অসহায় লাগে সবকিছু ছেড়ে চলে যাব ভাবলে। এইটুকুন জীবন কতোটা অবহেলা করেছি তা ভেবে শুধু খারাপই লাগে।

বাংলাদেশ ডায়েরি ০৩

দুরপাল্লার বাসে প্রচন্ড আতংকে চেপে ড্রাইভারের ঠিক পেছনের সীটে বসে থাকার মতো পেরেশানী দ্বিতীয়টি নেই। পরীক্ষায় প্রথম না হওয়া যত ক্ষিপ্ত- ক্ষুব্ধ মানুষেরা দুরপাল্লার বাসের ড্রাইভার হয়। তাদের জীবনের অন্যতম লক্ষ্য সবাইকে কাটিয়ে প্রথম হওয়া। যে বাসগুলো গাজীপুর থেকে ঢাকা আসছে, গতির মত্ততায় সেগুলোকে কাটিয়ে রাজশাহী- দিনাজপুরের বাস ঢাকায় ঢুকতে পারবে না কিন্তু গতির মরিয়া লড়াইয়ে রঙ সাইডে আটকে পরা বাসের যাত্রীরা যমুনা ব্রীজের আগে ক্রমাগত ড্রাইভারকে উপদেশ দিচ্ছে।
ঐ মিয়া বাসটা ঐ লাইনে লাগাইলে তো এতক্ষণে ব্রীজের কাছে যাইতাম গা। কি চালাও কিচ্ছু বুঝি না। তোমারে এইখান থামাইতে কইলো কে? অন্য পাশ থেকে দ্রুত বাস ট্রাক আসছে। সেসব বাস-ট্রাকের ড্রাইভারের আসনে বসে আছে আরও সব কখনও প্রথম হতে না পারা ক্ষুব্ধ প্রাক্তন ছাত্রেরা।

বাংলাদেশ ডায়েরি ০২

গত রাতেও যেখানে ছিলাম, শুনশান নিরব মফঃস্বল, পাশের বাসার মানুষটা বিছানায় পাশ ফিরলেও চাদরের খসখস শব্দ কানে আসে। পাখীরাও চুপচাপ। যন্ত্রের যন্ত্রনাকাতর দীর্ঘশ্বাস জমাট বেধে আছে শহরের বাতাসে। শিহরন নেই, বরং অহেতুক উৎকণ্ঠা ভাবনায়। ধুলার গন্ধ নাকে আসে, ভয় হয় যদি বুক ভরে শ্বাস নেই, এইসব ধুলো জমে ফুসফুস খসখসে হয়ে যাবে।

বাংলাদেশ ডায়েরি ০১

আকাশখামচে ধরা স্থাপনাগুলোর ভেতর দিয়ে বাঁক নিয়ে যতবার বিমান ঢাকা এয়ারপোর্টে অবতরন করে, সম্পূর্ণ সময়টাতেই আতংকে সিঁটকে থাকি। তীরে এসে তরী ডোবার মতো এয়ারপোর্টে আছড়ে বেমক্কা মরে যাওয়ার সম্ভাবনা যাচাই করি। সাজানো গোছানো কোনো এয়ারপোর্ট থেকে বাংলাদেশের এয়ারপোর্টে নামলে নানাবিধ অসংগতি দেখে বিব্রত লাগে।

আমার সিসিমপুর (৭)

বহুদিন ব্লগে আসি না। যদিও এখন অনেক সময় আমার হাতে, কমবেশি সারাদিনই অনলাইন থাকি, তবু আসি না। আলসেমি করে যে আসি না তাও না। কেন যেন ধৈর্য্যে কুলায় না বড় কিছু লেখা পড়ি, কিছু দেখি বা লিখি।
নিজের সিসিমপুর নিয়ে লেখা গুলা প্রায়ই খুব মিস করি। কত কিছু হয়ে যাচ্ছে প্রতিদিন। কিছুই লিখে রাখছি না। কয়দিন পরই ভুলে যাচ্ছি। নিজেই যখন সবটুকু মনে করতে পারি না কি হয়েছিল তখন আবার ভাবি লিখে রাখলে তো আর ভুলতে হত না। মাঝে মাঝে হয়ত একটা ছবি তুলে ফেসবুকে এক লাইনের একটা ক্যাপশন দিয়ে আপলোড করে রাখি। কিন্তু আজকে যা হল সেইটা শুধু এক লাইনের ক্যাপশনে লেখা যাবে না। তাই বসেই গেলাম লিখে রাখতে যেন কোনোদিন ভুলে না যাই।
১।

মৌনতার কাছাকাছি

বেশী কথা কইবার ক্রান্তিকাল বিদায় হয়েছে নিঃশ্বব্দে এখন
মৌনতার কাছ থেকে চেয়ে নেবার আছে যা কিছু পাওয়া হয় নাই
পাওয়া যায় নাই বেশী বেশী কথা কয়ে এ আমলের দিনমজুর আমি
তাই আর অযথা কথার জালে জড়াতে চাই না কোথাও বরং
চুপচাপ হেটে পথ পেরিয়ে বিছানার কাছে চলে আসা প্রয়োজন দিনটা শেষ করে
ক্লান্তিহীন কথা বলার দিন এভাবেই ফুরিয়ে গেছে কোনো এক পড়ন্ত সূর্জের আলোয়

সুখ আসুক সুখের মতোন

সুখ আসুক সুখের মতোন
আমি খুঁজতে যেতে পারবো না
বহুদিন খুঁজে বেড়িয়ে পা দুটো ক্লান্ত হয়েছে যথেষ্ট আজ
আর তাই ঝুপঝুপে অন্ধকার রাতে কাদাজলে পা রাখতে পারবো না
টুপটাপ বৃষ্টি হতে থাকুক কিংবা মেঘ ডাকুক ঝড় উঠুক কিছুতেই আমি যাব না
সুখ খুঁজতে এই প্রকান্ড অলস দেহ নিয়ে তারচে জানালাটার বাইরে
নিথর দেবদারু গাছের দাঁড়িয়ে থাকা বেশ উপভোগ্য হয়ে ওঠে আমার কাছে আজ আমিও
গাছটার মত দাঁড়িয়ে কিংবা অলস বিছানায় শুয়ে শুয়ে এভাবে অসুখের দিন পার করতে বেশ লাগার কথা

লিরিকঃ কতোটা স্মৃতির পাতায় শেষ হবে অতীতের খাতা

l
-
-
-

রাত্রির অন্ধকারে শূন্যতা গুণে
বুকের ভেতর নিঃসঙ্গতা বুনে
কে কার অপেক্ষায় মেঘ জমায়
চোখ জুড়ে একাকীত্ব নামায়?

ভীষণ আত্মভোলা পথের বাঁকে
ছায়ার আড়ালে রোদ ঢেকে
চুপ করে সয়ে অবহেলা
কে বানালো হাওয়ার জানালা?

বিনম্র র্নিজনতায় উদ্বাস্তু মৃতফুল
ঝরে গেলে বলো কবেকার ভুল
জোনাকীর পিছু হারালে পথ হঠাৎ
কে তবে পাড়ি দিলো তেপান্তর মাঠ?

কেউ কি জানে কতোটা স্মৃতির পাতা
ওল্টালে শেষ হবে অতীতের খাতা?

অভাজনের বইমেলা!

আগে একটা সময় আমি বইমেলা নিয়ে কত কিছু লিখেছি, দু হাতে যা পড়েছি তার রিভিউ লিখতাম। প্রায় বেশীর ভাগ দিন বইমেলা যেতাম, তাই করার মতো গল্প কম ছিল না। এখন সোলসের গানের মতোই-- হঠাৎ শুন্যতা। মেলাতে যাওয়াও হয়েছে অল্প কদিন। তেমন ভাবে দেখাই হয় নি কিছু। না আসলে মেলায় মনে হয় শহরে বইমেলা চলে তাও আসছি না, আর যেদিন যাই সেদিন মনে হয় কেন যে আসি ছাতার মেলায়। আমাদের এই আজব কমপ্লেক্স কাটে না, মেলা শেষ হয়ে যায়- দিন চলে যায়। আগের মত বই কেনা হয় না। আগে আমি চ্যারিটিতে বিশ্বাস করতাম, খালি লেখক পরিচিত বা চেনাজানা মানুষ হয়তো তার অন্য কাজ ভালো লাগে এইজন্য কত বই আমি কিনেছি। এখন আর সেসব দিন নাই, এখন পারতপক্ষে না কেনার জন্য থাকি। এছাড়া সারা বছরেই বই কেনা হয়, ফ্রেন্ডের কাছ থেকে আনা হয়, এভাবেই অনেক বই পড়া হয়ে যায়। তবে বইমেলা তো বইমেলাই তার সাথে তুলনা চলে না কিছুর। না কিনলেও কেনা হয়ে যায় কিছু বই। তার চেয়ে ভালো লাগে অবশ্য অনেক

একটি অ্যাপল কিংবা আপেলের গল্প অথবা “আমার কাজের মাঝে-মাঝে/ কান্না ধারার দোলা তুমি থামতে দিলে না যে”

[দীর্ঘদিন পরে লেখা। তাই নিজের ঘরে জমিয়ে রাখা।]

আহমাদ মোস্তফা কামালের তাঁহাদের সঙ্গে কথোপকথন-পাঠ প্রতিক্রিয়া।

হাতে এখন, রাজু আলাউদ্দীনের নেয়া এক ইন্টারভিউ গ্রন্থ। তা নেড়েচেড়ে দেখছিলাম। মোটা বই। তবে শুধু আজাদ- ছফার ইন্টারভিউ আর উনাদের ঝগড়া টুকুই পড়লাম, পুরোই দেখি লংকাকান্ড, তুমুল পারসোনাল এট্যাক, তীব্র সব প্রতিক্রিয়া। এই নিয়ে শুনেছিলাম আগেই তবে এত বাজে অবস্থা ছিল তা জানা ছিল না। সেই তুলনায় আহমাদ মোস্তফা কামালের ২০১৭ তে রোদেলা থেকে বের হওয়া বইটা অনেক বেশী গভীর ও প্রাসঙ্গিক আলোচনায় ভরা। একমাত্র মান্নান সৈয়দের ইন্টারভিউটা হয়তো একটু উসকে দিবে, এছাড়া সব গুলোই ব্যাক্তিকে বোঝার চেষ্টা, তাঁর সৃজন ভাবনা জগত কিভাবে চালিত হয় সে দিকেই থেকে গেছে। এই পোষ্টটা লিখছি চাইলে আমাকে কনগ্রাচুলেট করতে পারেন। কারন এটা ৩৫০ তম পোষ্ট। কোনোদিন ভাবি নাই ৩৫০ টা পোষ্ট দিবো। তাও তো মধ্যে অনেকদিন লিখি না, লিখলে মনে হয় ৫০০ ছাড়াতো। মিশ্র অনুভুতি হয়। ভালো লাগে এইজন্য নিজের অনেক কথা জানাতে পারা গেল, খারাপ লাগে লেখাগুলোতে যত্নের বড় অভা

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ