অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য ও ৪১ জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

প্রচুর শোনা হয় ইদানীং যেসব গানগুলো

কামিলা কাবিলো'র 'হাভানা...উম না না না' গানটার নাকি কোনো মানে নেই। গ্যারি আনহিগোরোর মতামত এটা। আমার মনে হয় ভিন্ন কথা। ওটা যেন কারো কোনো এক সাগরপাড়ের ছোট্ট দ্বীপ থেকে ঘুরে এসে সে জায়গাটার সাথে তার গড়ে ওঠা বন্ধুত্বকে খুব তীব্রভাবে অনুভব করার গান। দি চেইনস্মোকার আর কোল্ডপ্লে'র সামথিং জাস্ট লাইক দিস্ গানটা যেমন। সে কোনো সুপারহিরো কিংবা কোনো ফেইরি-টেল থেকে শান্তি নয়, বরং সে চায় এমন কাউকে যাকে সে চুমু দিতে পারে। ইদানীংকার গানগুলোর মধ্যে, কাউকে উদগ্রীবভাবে চাওয়ার প্রকাশগুলো এতো সুন্দর, আর গতিশীল!

A letter to Miss Sunshine

Sorry for replying late. I just got back to my room after a 360 km ride and had diner. It took three and a half hour to reach Schweinfurt from Muhldorf.

I had the best Christmas so far! We started the trip on 24th Morning. It was the first Deutsche Autobahn experience for me, we went as fast as 165 km/h. It was awesomely thrilling!

ডিসেম্বরের শহরে!

আমার লেখা নিয়ে সেদিন একজন জানালো আমি নাকি লেখায় খালি মন খারাপের চাষাবাদ করি। বিশ্বাস করুন বন্ধুগণ, কোনরূপ চাষাবাদ সমন্ধ্যে আমার কোনো আইডিয়া নাই। সামান্য জমি জিরাতের ব্যাপার স্যাপার নিয়েও আমি পুরোই বকলম। দীর্ঘ স্কুলজীবনে এগ্রিকালচার পারে নি আমাকে সামান্য আগ্রহী করতে। খালি এভারেজ নাম্বার দিয়েছে। সবাই তখন বলতো, কৃষিশিক্ষায় নাম্বার তুলতে হবে। আমি তেমন নম্বর তুলতে পারতাম না, কারন ব্যবহারিক আকাআকিতে দুর্বলতা। আর আমাদের টিচার ছিল সুন্দর আলী স্যার, ধবধবে সাদা, হুজুর মানুষ, শান্ত ভদ্রলোক। কিন্তু আমরা ছিলাম কঠিন বেয়াদব। স্যার পড়া ধরে না, মারে না, তাই আমরা আন্তঃবেঞ্চ আড্ডায় মশগুল হতাম। স্যার আমাকে দেখে ডায়লগ দিতো, 'আরাফাত ক্লাসে আসো কি করতে?

এনাদার ট্রিবিউট টু কামাল ভাই এন্ড লীনা আপু!

এজরা পাউন্ড নাকি বলেছিলেন, শিল্পীরা সমাজের এন্টেনার মত। গড়পড়তা মানুষদের চেয়ে তারা নাকি আগেভাগে বুঝে যান, সমাজের আগামী দিনগুলোতে কি হতে চলছে, কেমন চলছে বর্তমান সমাজ। এটা বোঝার জন্য তাদের কোনো গায়েবী ক্ষমতার দরকার হয় না। তাদের সংবেদনশীলতা ও যুক্তি নির্ভর চিন্তাভাবনাই যথেষ্ট। আজ যাদের নিয়ে পোষ্ট লিখছি তারা আমার কাছে সেরকম মানুষ। তাদের বিভিন্ন বিষয়ে ভাবনা, যুক্তির প্রাসঙ্গিকতা, চিন্তাশীল মতামত, মিডিওকারকে খারাপ বলার সাহস আমাকে মুগ্ধ করে বারবার। এইজন্য এই দুইজন মানুষকে নিয়ে লিখতে আমি ক্লান্ত বোধ করি না। যদি আজ হেক্টিক একটা দিন গেল আমার, মন মেজাজও খুব লেখা উপযোগী নেই, তাও আমি লিখছি। কারন আশা করি এত চমৎকার দুজন মানুষকে নিয়ে লিখলে মন ভালো হবার সম্ভাবনা আছে।

শেষ হইয়াও হয় না শেষ... তার নাম কেবলই অধিকার..

সম্পর্কের গল্পগুলো বড় অদ্ভত.. কে যে কখন কার কোন বন্ধনে আটকে যায় কে জানে ? হতে পারে সেটা বন্ধুত্বর, হতে পারে সহযোদ্ধার বা হতে পারে জীবন সঙ্গীর অথবা হতে পারে বা পারত সঙ্গীর সাথে সম্পর্ক। জীবনের নানা সময়ে এই সম্পর্কগুলোর সৃষ্টি.. প্রত্যেকটা সম্পর্ক একটা নিদৃষ্ট আয়ুস্কাল নিয়ে আসে.. কোন সম্পর্কেরই প্রয়োজনিয়তা জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত দরকার হয় না.. মন একটি রেল স্টেশনের ওয়েটিং চেয়ারের মত.. যার যখন প্রয়োজন সে তখন এসে প্রাণ খুলে বিশ্রাম করে। এখন মন নামক চেয়ারটি যদি দাবী করে, না আমার ওই একজন পথিকই লাগবে সারাজীবন তবে তো বড় মুশকিল.. অথবা পথিকের ও তো প্রত্যেকটা মুহুর্ত ওখানে বসে থাকা সম্ভব না..যতই মায়া পড়ে যাক না কেন.. আমার অবস্থা ঠিক তাই..জীবনের প্রয়োজনে নানা সম্পর্ক তৈরী হয়েছে ঠিকই, কিন্তু হৃদয়ের কাছের সম্পর্কগুলোকে আঁকড়ে ধরে রাখার কি আপ্রান চেষ্টা আমার..

''ডোন্ট লুক ব্যাক ইন অ্যাংগার''

সেদিন বিকেলের দিকে খুব ব্যস্তমত কলাভবনের গেইট দিয়ে ঢুকেই কোনো অন্য কোন না তাকিয়ে সোজা ডিপার্টমেন্টের করিডোর ধরে হাঁটা দিলাম। বাইরে তাকিয়ে দেখি বৈজয়ন্তী। একটা লালচে শাড়ি পড়েছে। হাঁটতে হাঁটতে প্রফেসরের সাথে আলাপ চালিয়ে যাচ্ছে। এসবের সামলাতে সামলাতেই ওর ব্যস্ত ঠোঁট আর চোখদুটো আমার দিকে ফিরে খুব সুন্দর একটা হাসি উপহার দিলো।

মেয়েটার প্রেমে পড়া আমাকে বিকল করে রেখেছিলো অনেকটা সময় ধরে। কিন্তু সেইসব স্বপ্নের প্রেম মেয়েটার কাছ থেকে পাওয়া হয়নি সেসব দিনে। ওর কাছে আমার চানাচুরওয়ালা মনের সেসব চাওয়া এখন শুধু মাটি চাপাই পড়েই থেমে থাকেনি। সেই মাটিতে ঘাস, তুলসি গাছ সবই ফলেছে।

গল্পের হিরো!

অনেক বাঙ্গালী ছেলের নাম থাকে-- হিরু। ধারনা করি হিরো থেকেই এই নাম বাঙ্গালীর ভূবনে বিচরিত হচ্ছে। তবে নামটার তেমন সিগনিফিকেন্স নাই। যেমন ধরুন, যখন নেশার জগতে হিরোইনের খুব ডিমান্ড, তখন আদর করে অনেকে ডাকতো তা হিরু বলে। সেখান থেকেই শব্দটা এসেছে, হিরোইঞ্চি। বহুল প্রচারের কারনে শব্দটা হয়ে যায় গালি। আমার এক পরিচিত লোক আছে যিনি শুধু এই কারনে এই জিনিসের নেশা বাদ দিয়েছেন, হিরোইন নেয় যারা তাদের হিরোইঞ্চি বলে। উনার পাচ বছর বয়সী সন্তান জিগ্যেস করেছিল, বাবা তুমি নাকি হিরোইঞ্চি, সবাই বলাবলি করছিল?

Newton(2017)

'নিউটন' সিনেমার ট্রেলারটা ছিল চমক জাগানিয়া। এত ভালো হিন্দি ছবি ট্রেইলার শেষ কবে দেখেছিলাম মনে পড়ে না। আমি বলিউড নিয়ে খোঁজ খবর রাখলেও প্রযোজক আর অভিনেতা ছাড়া আর কাউকে চিনলাম না। পরে খোঁজ নিয়ে দেখলাম, অমিত মাসুরকারকে আমি চিনি। তার প্রথম বানানো ইন্ডিপেন্ডেন্ট কমেডি মুভি- 'সোলেমানি কিড়া'। সিনেমাটা সীমাবদ্ধতা থাকার পরেও অসাধারণ, বলিউড আর এর বিভিন্ন সিস্টেমকে ট্রল করা এত ভালো সিনেমা আর হয় নি। আর সীমাবদ্ধতা সিনেমার এন্ডিংটা। বলিউডকে ট্রল করে শেষে তারা বলিউড মার্কা এন্ডিংয়েই চলে গিয়েছে। তবে নতুন পরিচালক হিসাবে অমিতের কাজ সেইসময় চোখে লাগার মতো। ভাগ্যিস অমিত ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ড্রপ আউট হয়েছিলেন সিনেমা করবেন বলে। নয়তো তিনি 'নিউটন' বানাতেন কিভাবে আর তিনি যে বড় মাপের এক পরিচালক তা জানাতেন কিভাবে?

মহানগরীতে এলো বিবর্ণ দিন আলকাতরার মত রাত্রি...

শরীর খারাপ থাকলে যা হয়। কিছুই ভালোই লাগে না। আমি পেসিমিস্ট থাকি সবসময়, শরীর খারাপ থাকলে দুয়ে দুয়ে চার মিলে নিজেকে শেষ করে দেয়। তেমন বড় কিছুতে না, বড় বড় সমস্যা আমি স্নেহ করে শরীরে পুষি। আমি আক্রান্ত হই সামান্য সমস্যায়, যেমন প্রতি দু তিন মাস পরপর আমি পায়ে ব্যাথা পাবোই। হালকা মচকাবে তাতেই আমি দুদিন শেষ, পুরাই কাহিল লাগবে। সব কিছুতেই অরুচি লাগবে। বন্ধুদের সাথে ক্যাটক্যাট করবো। পেইন কিলার খাবো কিন্তু ভাত মাছে রুচি আসবে না কিছুইতেই। এক যাতা অবস্থা। দু তিন দিন শেষ, পা নরমাল, আমিও নরমাল, সব চলবে আগের মতো। এরকম শুধু পায়ে ব্যাথা না, একদিনের জন্য ঘাড়ে ব্যাথা, চারদিনের জ্বর, ছয়দিনের ঠান্ডা লাগা ও মাথা ও গলা ব্যথা আরো অনেক গুলো প্যাকেজ আছে। যা বিভিন্ন মেয়াদ ঘুরে ফিরে ফিরে আসে। তখন বিশেষ মিস করি আম্মু আব্বু আর ভাইভাবীকে। আমার এই সামান্য অসুখবিসুখকে তারা অত্যন্ত সিরিয়াসলি নিতো। নিজেকে তখন নগরপিতা মনে হতো

'এক টিকেটে দুই ছবি' অথবা একটি চায়নিজ সিনেমার রিভিউ

এইট নাইন পার করে টেনে উঠার সময়টা ছিল এক সন্ধিকাল। প্যান্টের পকেটে তখন লজেন্সের বদলে গোটা মানিব্যাগ চলে এসেছে, কারো পকেটে প্লাস্টিকের ডলারওয়ালা চাবির রিং, কারো কারো পকেটে টিপ দেয়া চাকু। খাতার ভিতর ব্রুসলি, রেম্বো, আমির খানদের ভিউকার্ড । ওয়াসিম অঞ্জু জসিম শাবানা তেমন আর টানেনা । গ্রামে কোথাও ভিসিআর ভিসিপি চললে সবার আগে উপস্থিত হই । ভিসিআরে কেবল হিন্দি ছবিই চলত । একদিন আমরা খবর পাই শ্রীমঙ্গলের বিডিআর হলে 'এক টিকেট দুই ছবি' চলে; সেখানে নাকি ইংলিশ ছবি দেখান হয়।

লা লা ল্যান্ড

১.
আজকের লেখাটাকে মোটা দাগে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। প্রথমে একটা গল্প লেখার আইডিয়া, যেটা জড়িত ২০১৭ সালের অ্যাকাডেমী অ্যাওয়ার্ড আসর মাতানো সিনেমা লা লা ল্যান্ড-এর গল্প বলার স্টাইলের সাথে। স্টাইলটা নতুন না। পুরোনো একাধিক স্টাইলের আধুনিক, যথাযথ ও পরিমিত প্রয়োগ বলা যায়। এ ধরনের সমন্বয় পুরোনো স্টাইলগুলোকেই নানাভাবে নতুনত্ব দেয়।

তারপরে একজন বন্ধুর কথা। যার সাথে পরিচয়ের সূত্রে জীবনের অনেক বিষয়ই ভিন্ন দৃষ্টিতে দেখতে শিখেছি।

২.
লা লা ল্যান্ড সিনেমায় প্রথমে নায়িকা মিয়ার দৃষ্টিতে একটা গল্প বলা হয়। মিয়া নামটা আমার বেশ পছন্দ। জার্মানরা মীর শব্দটাকে অনেক সময় টেনে মিয়া পর্যন্ত নিয়ে যায়। অবশ্য বাংলাদেশে মিঞা তো বংশপদবী হিসেবে আছেই। আবার আমি প্রথম যে জার্মান মানুষটির সাথে পরিচিত হয়েছিলাম ফ্রাঙ্কফুর্টের নেমে, তার নামও ছিল মিয়া।

জীবন-চরিত

ভালোবাসা আমার একেবারে ছেলেখেলার মত। এই আছে তো এই নেই। এইটা আমার দোষ না, ভালোবাসার দোষ, ভালোবাসা কচু পাতার পানি না হয়ে বট গাছ বা তেলাপোকা হলেও পারতো। তখন এক ভালোবাসা টিকে রইত যুগ যুগান্তর। কিন্তু এই অল্পদিনেই কতোবার কত জনাকে ভালোবেসেছি। ওরা বাসে নাই। আমি ফিরে গেছি। এখন বহুদিন পরে চারুকলার সেই মেয়ে আমারে ভালোবাসার চেষ্টা করে। কিন্তু আমি এখন ভালোবাসি সাদিয়াকে।

একটু আগেই ওকে আসি বলে ফেসবুক বন্ধ করে দিলাম। ও বলল, তুমি ভালো ঘুম দাও। আমি বললাম সুন্দর একটা দিন কাটায়ো। ও বলল, আশাকরি। আমি আরো বললাম, সকালে বেশী করে খেয়ো, ও বলল, হু খাবো। আমি বললাম আসি। ও বলল আচ্ছা। কী সুন্দর বার্তা চালাচালি। আমার মনে হলো, আমি একটা উপন্যাস লিখি। সেইখানে আমি আর সাদিয়া অনেকদিন ঘর সংসার করে টরে এই বার্তা চালাচালি করতেছি - এই দৃশ্যটা ভালোই হবে।

4

রাত বারটা বাজে। ফেইসবুকে কয়েক ঘন্টা নষ্ট করে ব্লগে আসলাম। মনে হচ্ছিলো যে আমার আর লেখার মতো কিছু নেই। তখন একজনের লেখার মাঝে এই বাক্যটা চোখে পড়লো- "অথবা আমি ঈর্ষান্বিত হই ওরা সব্বাই সুখী বলে।" মনে হলো এটা আমাদের সবার প্রব্লেম। এ নিয়ে কিছু কথা অন্তত লেখা যায়।

অবশ্য যা যা লেখার তা লেখা আছে অনেক আগে থেকেই। নদীর এপার কহে ছাড়িয়া নিঃশ্বাস থেকে শুরু করে The grass is greener on the other side of the fence বা এলআরবির আসলে কেউ সুখী নয়- সব ভাষাতেই এই কথা লেখা হয়ে আছে অনেক কাল ধরে। তবুও মানুষের এই এক সমস্যাঃ সবাই এতো সুখী আর আমার খালি কষ্ট! আসলে আমরা এ্যাতো জটিল প্রাণী যে আমাদের বেশীদিন সুখে থাকতেও বিরক্ত লাগে।

মাঝে মাঝে আমার মনে হয়, সবারই ম্যালা কষ্ট আছে। আমার এক বার মনে হইছিলো, পৃথিবীতে সবাই একই পরিমান সুখ এবং দুঃখ পায়। এটা হয়তো একটা হাস্যকর থিওরী, কিন্তু এটা সত্যি হতেও পারে।

3

Now I don't know how much I have left. I do not dare to look inside the poor moneybag. One day after the class, three of them were standing outside, I went to them and asked if each of them could give me a Euro. Joshua gave me two, Kudi one and Keldan only 50 Cents. I gotta pay them back as soon as possible. Later that day I came to the dorm and found Buassaba, he said his account is activated. And he gave me 4 Euros. That day I also found under the kitchen sink a lot of water bottles and cans, each of them worth 25 Cents. Someone told me they were here for last couple of months. I wrote on the whatsapp group, looking for the owner. But I cashed them at Lidl. Now if the owner shows up someday, I gotta pay 4 Euros to that person.

2

Sometimes, on some bad nights like tonight, I conclude to myself that I do not fit into this world, and I am too weak to survive the savanna. Some nights, my knees can't bear me anymore. And I just bring my poor self on the bed. The only thought that surrounds me is the fear- the fear of being unfit, disqualified.

Now my eyes are heavy. I could go asleep, but I push myself to write. I got this letter from the town hall. And it says, I have to fill out some additional documents, because I have not registered in time. I was just about to study, but I had to translate the letter into English and the it made me feel down. I texted Doris, but they were not home. Now the next Monday morning, I have to see Mr Franz, the house master and ask for his recommendation regarding it.

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ