অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য ও জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

ভালোবাসার দুশমন

ভালোবাসার দুশমন ছবি হচ্ছিলো এক অখ্যাত স্যাটেলাইট চ্যানেলে। বাংলাদেশে এখন এত চ্যানেল ট্র‍্যাক রাখাই যায় না। আর সবার কমন অনুষ্ঠান হলো দেশী সিনেমা আর সংবাদ। আর ঈদে হলো এক গাদা বিশেষ সেলিব্রেটি টকশো। সেখানে প্রশ্ন- চা না কফি?

খালিদের জন্য কয়েক প্রস্থ

খালিদ কত বড় স্টার ছিল এটা এখন বোঝানো অসম্ভব। এখন স্টারদের মাপা হয় ভিউতে ও রেলিভ্যান্ট থাকা না থাকায়। খালিদ ছিল সেসবের ওপরে। কোনো অখ্যাত গায়ে হলুদের প্রোগ্রামে কেউ একটু দরদ দিয়ে খালিদের গান গাইলেই ভাবতাম আমরা, কি সিরিয়াস শিল্পীরে বাবা। তখন অনিবার্য ভাবেই গাইতে ও শোনাতে হতো খালিদের গান। আমার এক বন্ধু ছিল যে সরলতার প্রতিমা গানটা টানা মাসের পর মাস শুনে গেছে। আমাদের প্রধানতম অভিযোগ ছিল তার প্রতি, 'গানটাকে গোবর বানায় ছাড়লো'। তখন 'সে যে হৃদয় পথের রোদে একরাশ মেঘ ছড়িয়ে হারিয়ে গেল নিমিষেই', এই লাইনের চেয়ে ভালো লাইন আর মাথায় আসতো না। রেডিও এফএম আমলে খালিদের গান অন্য লেভেলে বাজানো হতো। 'ঘুমাও তুমি ঘুমাও গো জান', রাত হলেই এ গানের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হতাম। আমি চাইমের শ্রোতা তেমন নই, তবুও খালিদের কারণে চাইমও শুনেছি। ফোক আঙ্গিকে ব্যান্ডের গান আমাদের ঐতিহ্য এটা মেটাল লাভাররা ভুলে যায়। ফিরোজ সাই থেকে খালিদে

একুশে ফেব্রুয়ারি

নর্ম ম্যাকডোনাল্ডের একটা কথা আমার খুব প্রিয়, কোনো টিমকে তুমি ভালোবাসতে পারবা না আরেকটা টিমকে হেট করা বাদ দিয়ে। থ্যাঙ্কস গড, ভাষা কোনো টিম না। সব ভাষাই সুন্দর আধিপত্যের ভাষা ছাড়া। আগে একুশে ফেব্রুয়ারীতে আমি চিন্তায় পড়তাম, বাংলাটা পিছিয়ে পড়ছে। সলিম ভাই ছাড়া কেউ কিছু বলছে না কেন। আসলে বলেও লাভ নাই। আবুল কাশেম ফজলুল হকের মত দশটা পেপারে একদিনে কলাম লিখেও লাভ নাই। যা হবার হবে, বাংলা এভাবেই টিকে থাকবে। অনেকদিম আগে এক বিহারী ছেলের কথা শুনেছিলাম চুল কাটাতে কাটাতে। সে বাসা থেকে চার মাস ধরে বাইরে থাকে, কারন তার মা খালি বোনের সাপোর্ট টানে, তাই সে বাসায় টাকা পয়সা দিলেও বাসায় আর যায় না। এরকম আমাদের সবার মনেই অনেক তুষের আগুন জ্বলে। সেটা প্রকাশের একমাত্র উপায় শামসুর রাহমানের দুঃখিনী বর্ণমালাতেই। বাংলার ভবিষ্যৎ আমি অন্ধকার দেখি না, কারন বেশির ভাগ মানুষই এখানে এই ভাষাটাই পারে। শুভ ভাই বলেছিল, আফ্রিকার প্রচু

Sweet caroline

জামালপুরে প্রচুর না হলেও বেশ জায়গায় যাওয়া হয়। কোনো কাজে না। এমনি উদ্দেশ্যহীন। কোনো ব্যস্ত হাট দেখি, গ্রাম দেখি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে সরকারি দফতর কত কি চোখে পড়ে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ছাড়া কিছুতেই আর মুগ্ধ হই না। আগে আমি মানুষে মুগ্ধ হতাম খুব এখন আর তাতে হই না। কারণ মানুষ মানেই গ্রে, মুগ্ধ হবার কিছু নাই মুখের কথায়। আর গ্রাম বাংলার মানুষ তুলনামূলক সরল কিছুটা অকপট, মন রক্ষা করার কথা কম শুনি অপরিচিত কারোর মুখে। যেমন একজনকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, কাকে ভোট দিবেন? তিনি ভনীতা ছাড়া বললেন, যে টাকা দিবে। পাল্টা প্রশ্ন, টাকা দেয়? তিনি জানান টাকা ছাড়া তিনি কখনও ভোট দেননি। আমি বললাম যদি একাধিক লোক টাকা দেয়? তিনি জানান যে আগে দিবে সে। এসব আলাপ ঢাকায় পাবেন না। ঢাকায় বলবে যে ভালো লোক, সৎ যোগ্যদের দিবে। গ্রামের মানুষ বুঝে গেছে, ভোট হুদাই, তাই যেই আসুক তার জীবন বদলাবে না। তাই নগদে প্রাপ্তি হলে দোষের কি?

গল্প: চাঁদের আলোয় গ্রাফিতির নিচে দেখা রক্তলাল চুলের ওই গথিক মেয়েটি (পর্ব - ২)

গাড়ি ছাড়ার পর আমরা দু'জনে যে খুব বেশি বাক্যালাপ করছিলাম, ব্যাপারটা ঠিক তা নয়। দু'জন বরং পাশাপাশি বসে নির্জনতাটাই উপভোগ করছিলাম বেশি। ক্লাসিক একটা "জার্মান গ্লুমি" সন্ধ্যা ছিল সেটা। আমার একটা জ্যাকেট রয়েছে সেই সন্ধ্যার রংয়ের।

সেদিন অবশ্য পরনে সে জ্যাকেটটা ছিল না। তারপরও হঠাৎ সেই কথাটাই বলে উঠলাম মেয়েটির উদ্দেশ্যে, জানো আমার একটা জ্যাকেট রয়েছে যার রং ঠিক ওই আকাশটার মতো। মেয়েটা আমার দিকে ঘুরে তাকালো, গাড়ি চালাতে চালাতেই। তারপর সামনের দিকে মনোযোগ দিল আবার। সবশেষে বললো, রংটা সুন্দর কিন্তু খুব মন খারাপ করানো, তাই না?

যীশু দিবস

আজ বড়দিন আজ যীশুদিবস সেই সাথে আজ প্রচুর মানুষের জন্মদিন। সঞ্জীব চৌধুরী থেকে নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী মৃত্যুদিন হয়ে এলিস্টার কুক, মার্ক ট্রেসকোথিক, দেব আর কত শত মানুষের জন্মদিন। আজ আবার বিটিভিরও জন্মদিন। বিটিভিতে দেখলাম, আধুনিক গান হচ্ছে আর বিভিন্ন চ্যানেলের বার্তা প্রধানদের অভিনন্দন। ভাবছিলাম বিটিভির এমন খারাপ দিন আসলো যে এসব বক্কর আলীরাও বিটিভি নিয়ে বয়ান দেয়। আর দেশে বেশিরভাগ চ্যানেলই বিটিভির উপশাখা। খালি বিটিভিতে উচু গলায় টকশো কম হয়। বিটিভির জন্মদিন নিয়ে সবচেয়ে বেশী একসাইটমেন্ট চ্যানেল আই এর। তারা আগে একটা মেলাও করতো। দেখতে দেখতে বিটিভির ষাট একষট্টি বছর হয়ে গেল। কোনো প্রতিষ্ঠানের ষাট মানে সেটা তার অন্যতম ভালো সময়ে আছে। কিন্তু বিটিভির সমস্যা হয়েছে বিটিভি এই দেশীয় পুরুষদের মত চল্লিশেই চালসে হয়ে গেল। এখন আর কোনো দল নির্বাচনের প্রতিশ্রুতিতেও রাখে না বিটিভির স্বায়ত্বশাসনের অঙ্গিকার।

এলিয়েনেশন

এলিয়েনেশন কাকে বলে সেটা জামালপুরে এসে টের পাই। মানে মনে হয় অমিয়ভূষণ মজুমদারের ফ্রাইডে আইল্যান্ডে এসে বসবাস করছি, মানুষ আছে কিন্তু মনে হয় একটা দ্বীপ। হাদি প্রথম আলো দীপু এসব নিয়ে কোনো আলাপই নাই। মাঝেমধ্যে চোখে পড়ে জামাতের ক্যান্ডিডেট মাওলানা আবদুস সাত্তারের দু চারটা পোস্টার। আর দেখা যায় বেশী- বিএনপির দাঁড়ানো ওয়ারেস আলী মামুনের বিভিন্ন বয়সের ছবি সম্বলিত বিলবোর্ড ও পোস্টার। সেটায় একটা জিনিস বোঝা যায় দল ক্ষমতায় না থাকলেও ভদ্রলোকের পেট দিনদিন উর্ধমূখী। শহরে গেলে জেলা স্কুলের এনসিপির এক নেতার বিলবোর্ডে চোখ পড়ে। তিনি ইন্ডিপেন্ডেন্ট ফিল্মমেকার, জামালপুরকে পরিবর্তন করতে চান। আমি ঢাকার ভোটার, এনসিপি থেকে এখনো এ আসনে ঘোষিত হয়নি, জামালপুরে হলে তাকে ভোট দিতাম কারণ তার একটা প্রতিশ্রুতি আর কোনো লোককে আমি দেখলাম না দিতে। যে ইলেকশনে জিতলে তিনি জামালপুরে আবার সিনেমার হল নির্মাণ করবেন। এ সামান্য আলাপ আমি আরো

বিজয় দিবস ২০২৫

জেলা শহরে এখনো একটু আধটু বিজয় দিবস আছে। দূরে কোথাও মাইকে গান বাজে, গোলাপ গাদা বেলী ফুল বিক্রি হয়, কেউ কেউ জাতীয় পতাকা কিনে। বিএনপির অফিসে বাজে, প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ। অনেকদিন পর এই গানটাও শুনতে এত ভালো লাগে। মনে মনে গলা মেলাই, 'মাটির মমতায় ঘাস ফসলে সবুজের আল্পনা/ আমার তাতেই হয়েছে স্বপ্নের বীজ বোনা।'

যতো টাকা ততো চোকা

যতো টাকা
ততো চোকা
অসম্পূর্ণ বিলিম্বি ধরে আছে থোকা থোকা
তারা এখনও পুরোপুরি টক হয়ে উঠে নাই।

আজকাল
খুব অকাল
বিল্ডিং ছেড়ে তাই ফাঁকা মাঠে ‌ছুটে যেতে চাই।
সুযোগ পেলেই বিল্ডিংগুলোর ওপর
এক্স এঁকে দিয়ে রাখে আকাশেরা।

--

১২.১২.২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ
রাত্রি ২২:৩৭ ঘটিকা (কেন্দ্রীয় ইউরোপীয় সময়)
স্থান: উত্তরা, ঢাকা

যতো টাকা
ততো চোকা
অসম্পূর্ণ বিলিম্বি ধরে আছে থোকা থোকা
তারা এখনও পুরোপুরি টক হয়ে উঠে নাই।

আজকাল
খুব অকাল
বিল্ডিং ছেড়ে তাই ফাঁকা মাঠে ‌ছুটে যেতে চাই।
সুযোগ পেলেই বিল্ডিংগুলোর ওপর
এক্স এঁকে দিয়ে রাখে আকাশেরা।

পীচ ঢালা পথে

এহতেশামের ছবির নাম ছিল, পীচ ঢালা পথ। রবিন ঘোষের সাথে এহতেশামের সম্পর্ক সেই 'রাজধানীর বুকে' ছবি থেকে। পুরো ষাট থেকে সত্তর, রবীন ঘোষ প্রচুর উর্দু ছবিতে কাজ করেছেন। বাংলা ছবিতে কাজ হাতেগোনা। তবে পীচ ঢালা এই পথটারে ভালোবেসেছি আমার ধারণা তারও অন্যতম পছন্দের কাজ। কারন তিনি ব্যক্তিগত জীবনে ছোটবেলায় ছিলেন কোরাস শিল্পী। এই গানের যে কোরাস- লা লালা লালালা কিংবা হায় দিন যায় রাত যায় এমনি করে/ অলিগলি রাজপথ ঘুরে ঘুরে। আমার ধারণা বাংলা সিনেমায় এত ভালো কোরাস স্বাধীনতার আগে আর হয় নি। পরেও হয়েছে কিনা সন্দেহ। আর আবদুল জব্বারের গলা যখন ছিল সবচেয়ে সুন্দর তখন তিনি গেয়েছিলেন এ গান।

মানবজনমের অভিশাপ

কোন এক সময় লিখবো ভেবে অন্তত এক যুগেরও আগে এককালে শুরু করেছিলাম অচল পয়সার জবানবন্দি। দৈনিক পত্রিকা পাঠের মতো একটা বিষয়। প্রতিদিন এক পাতা লিখতাম। এপিঠ-ওপিঠ। রাস্তার বর্ণণা দিতাম শুধু। আর আশপাশে কি দেখা যায়। শিশুকাল থেকে রাস্তার প্রতি আমার আকর্ষণ ছিল মনে হয়। অনেক শিশুকালে আমি ট্রাভেল করতাম। চ্রট্টগ্রাম থেকে ঢাকা হয়ে বগুড়া। ট্রেন, বাস আর ফেরি সহযোগে।

আজকাল খারাপ হতে জানা খুব জরুরি

এরফুর্টের পথেঘাটে যত পুরোনো দালানকোঠা, বাড়িঘর, গীর্জা কিংবা পানশালা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে, তা দুই-তিন বছরে দেখে শেষ করা সম্ভব নয়। দেখার গতি যদি আমার মতো হয়। পুরোনো বলতে, বাড়িঘর বা প্রতিটি স্থাপনাতেই, খুঁজলে সেটা কত সালে বানানো হয়েছিল তা বের করা যায়। সাধারণত গেটের ওপরেই লেখা থাকে। নাহলে ভেতরে কোথাও। কোন সালই চোখে পড়ে নি এ পর্যন্ত ১৮শ বা ১৯শ শতকের। সবচেয়ে নিকটবর্তী সময়কালটি ১৭শ শতকের। এছাড়া বেশিরভাগ দালানকোঠারই নির্মাণকাল ১৬শ, ১৫শ, ১৪শ শতকের ঘরে। এরচেয়ে পুরোনোও আছে।

বলছিলাম দেখার গতি যদি আমার মতো হয়, তাহলে দুই বা তিন বছরেও দেখে শেষ করা সম্ভব না। কারণ আমি কোথাও কোনকিছু দেখতে গেলে, ওই সাল বের করতেই দুই ঘন্টা খরচ করে ফেলি।

নিজেরই ছবি হয়তো

এরফুর্ট শহরে এর আগে এসেছিলাম সেই শুরুতে। ২০১৪ সালে। যখন প্রথম জার্মান দেশে এসে উঠি। এখানে নেমে ট্রেন নিয়ে এক ঘন্টারও কম একটা যাত্রা। পৌঁছালাম ইলমিনাউ। সেখানে পড়াশুনা করলাম চার বছর। মাস্টার্স শেষে এক অক্টোবরে সেখান থেকে বের হয়ে, পরে চলে গিয়েছিলাম অফেনবুর্গে। ছ'শ কিলোমিটার দুরে বিখ্যাত ব্ল্যাক ফরেস্টের ভেতরে একটা শহর। ব্ল্যাক ফরেস্ট বনভূমি ছড়িয়ে আছে জার্মানির দক্ষিণে বাডেন-ভুর্টেমবার্গ রাজ্যের প্রায় পুরোটা জুড়েই। অফেনবুর্গও সেই রাজ্যেরই একটা শহর ছিল। ওখানে ঘুম থেকে উঠে জানালা দিয়ে দেখতাম পাহাড়ের মাথার ওপর দিয়ে বিশাল একটা সূর্য উঠছে। প্রতিদিন। বিরামহীন।

শুভ জন্মদিন আমরা বন্ধু

শুভ জন্মদিন আমরা বন্ধু। এখন সেই ব্লগের পাতার পর পাতা যখন আমার প্রিয় ব্লগারদের ভেতরে মীর ছাড়া কারো লেখা দেখি না, নিজেও লিখি না তেমন, ভারী অবাক লাগে। নিজের কাছে অচেনা লাগে সব কিছু। অথচ আমরা বন্ধু ব্লগ মানেই একটা সময় প্রথম পাতায় আমার লেখাই থাকতো চারটা পাঁচটা। প্রতি পাতায় পাতায় আমার লেখা। এরপর এখন আমি শুধুই পড়তে যাই। হারিয়ে যাওয়া রাসেল ভাইয়ের পুরোনো লেখা পড়তে যাই, মীর কি লিখলো একটু ঢু মারি, আহসান হাবীবের এত কবিতা কই থেকে আসে তা ভাবি, তানবীরা আপুর কোনো পোষ্টের কথা মনে পড়লে দেখি, জেবীন আপু, জ্যোতি আপু, বিমা ভাইয়ের পোষ্ট ও কমেন্ট দেখি, প্রিয় ও বিষন্ন বাউন্ডুলের কথা মনে করি, গৌতম দার আক্ষেপ দেখি, শুভ ভাইয়ের কবিতায় চোখ রাখি, কামাল ভাইয়ের পুরোনো লেখা পড়ি। আমরা বন্ধুর কাছে আমার অনেক ঋণ। এখনো যে ব্লগটা যে বেচে আছে, এটাও এক ধরনের স্বার্থকতা। আমরা বন্ধু আমাকে দিয়েছে অবারিত স্বাধীনতা, মন যা চায় লিখো। সেখ

জীবনটা আনন্দময়, তাই না?

সেদিন একটা আমলকি গাছের নিচে বসে ভাবছিলাম তোমার কথা! জীবনের যে সময়টায় গাছের নিচে, পার্কের বেঞ্চিতে কিংবা রিকশায় চড়ে তোমায় নিয়ে ঘুরে ঘুরে আনন্দ করার কথা ছিল, সে সময়টায় কৈলাশ খেরের গান কানের হেডফোনে, আর অচেনা-অজানা-অগোছালো চিন্তাদেরকে মাথার নিউরণে নিউরণে নিয়ে; অলিতে-গলিতে ঘুরেছি আমি, আর সূর্য্য ঘুরেছে নিজের অক্ষ আর কক্ষপথের ওপর, আহ্নিক ও বার্ষিক গতিতে।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ