অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য ও ২৪ জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

তারেক মাসুদের গানে শ্রেণি, রাজনীতি ও জেন্ডার চেতনা: একটি সূচনামূলক আলাপ

Tareque_Masud.JPG
এক.

কাপুরুষ

দেখো, একদিন আমি লিখে ফেলবোই সেই অমর কবিতা!
কি করে তোমার বেড়াজ্বালে বন্ধি হয়ে আমি আমার জীবনের সব উচ্ছ্বাস হারিয়েছি!
কি করে আমি লেখক কিংবা সাধারন জীবনের ইতি টেনেছি!
কি করে আমি জীবনের সরল পথ হারিয়ে অন্ধকারে প্রবেশ করেছি!

দেখো, একদিন আমি বলেই ফেলবো!
তোমাকে ভাল রাখতে গিয়ে, কি করে আমি আমাকে গুটিয়ে নিয়েছি!
কি করে আমি নিজকে আমার সমাজের বাইরে টেনে ফেলেছি!
কি করে আমি ভুলে গিয়েছি আমার অতীত কিংবা শিশুকাল!

দেখো, আমি একদিন চিৎকার করে বলবোই!
কেন আমি আর মধ্য রাতের চাঁদের আলোয় আলোকিত হতে পারি না!
কেন শেষ রাতের শিয়াল গুলো জ্বলজ্বল চোখে আমাকে অবজ্ঞা করে যায়!
কেন আমার প্রিয় নীল আকাশ দূরে আরো!

দেখো, আমি একদিন জেগে উঠবোই!
বলবো কেন অর্থের প্রয়োজনে আমি এতটা বিভোর হয়েছি!
যদিও তোমাকে দেখলে আত্বহত্যার স্বাদ জেগে উঠে!
কিংবা কি করে আমি আমার যৌবন হারিয়েছি!

ভিনদেশী থ্রিলার

সিনেমা জনরের মধ্যে সম্ভবত থ্রিলারের দর্শক সবচেয়ে বেশি। অবসর কাটাতে একটি জম্পেস থ্রিলার থাকলে আর কি লাগে। এই থ্রিলারগুলোর অবশ্য একটা আলাদা বিশেষত্ব আছে, সবগুলো ভিনদেশী থ্রিলার। অবশ্যই আমার দেখার মধ্য থেকে বাছাই করা।

১. টেল নো ওয়ান: ফ্রেঞ্চ মুভি। আলেক্সান্দ্রে বেক একজন ডাক্তার। ৮ বছর আগে স্ত্রী নিহত হয়েছিল। স্ত্রীর বাবা এ জন্য তাকেই সন্দেহ করে। আট বছর পরে জোড়া খুনের সন্দেহ পড়ে আলেসান্দ্রের ওপরে। ঠিক একই দিনে একটি অদ্ভুত মেইল পায় আলেক্স।

215px-tell_no_one_2006.jpg

আদুরে বাবুর রিডিং অ্যাপস, শিশুদের জন্য ডিজিটাল শিক্ষাউপকরণ ও তার সম্ভাব্য অভিঘাত বিষয়ে একটি সতর্ক প্রতিক্রিয়া

Adure babu-2.jpg

বউয়ের প্রয়োজন কখন বেশী, যৌবনে না বৃদ্ধ বয়সে

সাত/আট বছর আগের কথা। বাংলা নব বর্ষের প্রথম সন্ধা। বারান্দায় বসে আছি। অনেক ছেলেরা সামনের রাস্তা ও মাঠে পটকা ফুটাচ্ছে। হরেক রকম পটকা। এক একটা পটকা ফুটে আর সবাই সমস্বরে চিৎকার করে উঠে। চিৎকার তো নয় যেন কার গলার আওয়াজ কত বড় তার প্রতিযোগিতা চলছে। কখনো কখনো আবার একসাথে অনেক গুলো পটকা ফুটা এবং সম্মিলিত চিৎকারে যে উচ্চ শব্দ হচ্ছে এই শব্দ শক্তি যদি মেকানিক্যাল শক্তিতে রুপান্তরিত হত তবে আশপাশের আধাপাকা বাড়িঘর গুলোর চেহেরা অবিকৃত থাকত কিনা বলা যাচ্ছে না।
আমার ছেলে এবং যাদের চিনি তাদের কয়েকবার বল্লাম,অনেক হয়েছে এবার বন্ধ কর।
যাদের বললাম তারা ভয়ে হউক বা সন্মান করেই হউক,স্থান পরিবর্তন করল বটে তবে খেলায় ক্ষান্ত দিল না।

হ য ব র ল

মানুষের শরীর। কখন যে কি হয় বলা মুশকিল। কদিন আগে সকালে প্রজেক্টে গেলাম ভালই। দশটার দিকে কেন যেন ভাল লাগছিল না। কিন্তু সাড়ে দশটার দিকে পারচেজার ফোন দিল স্যার বিদ্যুৎ এর মেইন লাইনের কেবল টা কিনতে যাব, আপনার সময় হবে কি?
একে তো শরীর ভাল লাগছে না,তার উপর সকাল থেকে সার্টেল স্টাইলে বৃষ্টি হচ্ছে। যখন হচ্ছে অনেকটা সাপে নেউলের যুদ্ধের মত। এই বৃষ্টির জন্য প্রজেক্টের কাজ প্রায় বন্ধ।তবু কেন যেন বৃষ্টিটা আমি এবার ভীষন উপভোগ করছি।
আমার মনে হয় স্থান কাল পাত্রভেদে মানুষের অনুভুতিও ভিন হয়।এই যে বৃষ্টিটা এত ভাল লাগছে তার কারন আমার বর্তমান অবস্থান। চট্টগ্রাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভুমি।এই শহরকে যত দেখছি সৃষ্টি কর্তার অপরূপ সৃষ্টি কৌশলে মুগ্ধ হয়ে প্রতি ক্ষণে সিজদা করছি।

চিয়ার্স ফর তাতাপু!

গত দুদিন আমার মন খুব ভালো। কারন ব্যক্তিগত। জানতে চাহিয়া লজ্জা দিবেন না। কিছু খবর আবার আশাপ্রদ না। তাও বলতে চাচ্ছি না। তবে দুদিন ধরে মন ভালো। এর বাইরেও ছয় বছর পর এক বন্ধুর সাথে আলাপ করে ভালো লাগছে। অনেক কথাই ছিল বলার, আগের মত সব বলতে ইচ্ছে করে না। কিছুই ইচ্ছে করে না। কিছু ব্লগ লেখার প্ল্যান ছিল তাও লেখা হলো না সময়ের আর ইচ্ছার অভাবে। তবে লিখবো। ব্লগে কেউ আসুক না আসুক, ব্লগেই লিখতে আমার শান্তি। আর বছর ঘুরে আজকেও আসলো দিন। আজ তানবীরা আপুর জন্মদিন। তানবীরা আপুকে নিয়ে লিখতে আমার ভালো লাগে। নতুন করে লেখার নেই কিছু, সেই পুরাতন কথা গুলো আবার বলা। কোথায় পড়েছিলাম, দুনিয়ার সব গল্প বলা হয়েছে, খালি প্রেজেন্টেশন আর রিকনস্ট্রাকশনের খেলা। আমার কথা গুলো সেরকমই। ঘুরে ফিরে বলে যাওয়া বারবার।

পাহাড়ে উঠার সাধ

কবে কেন যে পাহাড়ে উঠার সাধ হয়েছিল
মনে করতে পারছি না।
পাহাড় সে তো বইয়ে পড়েছি
বাস্তবে কখনো দেখিনি।
আমাদের যেখানে বাস, তাতে
আমার সাধ্যের পরিসীমায় কোথাও
পাহাড় নেই।
তাই
চাইলেই তো আর পাহাড়ে উঠা যায় না।
মনের আকুলতা, ব্যকুলতা
নদী বা সাগরের ঢেউ হয়ে
মনের তীরে আছড়ে পড়ে,
সেজন্যই কিনা জানিনা
প্রায়ই স্বপ্নে পাহাড়ে উঠতে থাকি।
কিন্তু খাড়া পাহাড়ে উঠা সেকি
আমার সাধ্যি।
প্রায়শই প্রারম্ভেই ইতি টানতে হয়।
কিন্তু মনে যাকে সাধন করার
বাসনা জেগেছে
সহসাই হাল ছাড়া কি ঠিক।
আমিও হাল ছাড়িনি।।
পুরষ্কার হিসেবে একদিন
পাহাড় চুড়ায় উঠেই গেলাম।
মনের আবেগ মাপার যন্ত্র
সে কি কেউ আবিস্কার করেছে,
জানিনা,
তবে কারও না কারও আবিস্কার করা উচিত ছিল।
আমার মনের এখন যে অবস্থা
তা প্রায় নিয়ন্ত্রনের বাইরে।
ক্ষনিকে হৃদ যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ
বা অন্য কিছু ঘটে যেতে পারে,
যা আমি জানিনা।

ইদানিং জীবনযাপন

শামসুর রাহমান প্রসঙ্গে হুমায়ুন আজাদের বক্তব্য মনে পরে-
ঘরোয়া আড্ডায় তিনি কিভাবে কথা বলতেন জানা নেই কিন্তু তার প্রথানুরক্ত প্রথাবিরোধিতা নিয়ে, বাংলা সাহিত্যে নিজস্ব অবস্থান প্রসঙ্গে তার উচ্চমন্যভ্রান্তি সমেত তিনি তার কষ্টচর্চিত শুদ্ধউচ্চারণশুঁচিবাই নিয়ে জনসমক্ষে উপস্থিত হতেন। তার ব্যক্তিগত এবং সামাজিক জীবনের পার্থক্য সম্পর্কে তিনি সচেতন ছিলেন এবং সামাজিক পরিবেশে নিজের বুদ্ধিজীবী মুখোশ এঁটে গম্ভীর মুখে উপস্থিত হতেন।

প্রবৃদ্ধির দেশে উলম্বরৈখিক যৌনসন্ত্রাস

ছবি শুধু ছবি নয়: এক ছবি হাজার কথার শামিল। কবে পড়েছিলাম, কোথায় পড়েছিলাম, আজ আর মনে নেই। শুধু মনে আছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে পা রাখারও অনেক আগে, কথাগুলি কোথায় যেন পড়েছিলাম। শুধু পড়িনি, পড়াটা সেদিনের কিশোর মনে খুব দাগও কেটেছিল। আর দাগ কেটেছিল বলেই কোনোকোনো ছবির আবেদনে অভিভূত হলে অথবা ছবির অর্থের তাৎপর্য দেখে আজও মনে পড়ে যায়, মনের অজান্তেই উচ্চারণ করি- এক ছবি হাজার কথার শামিল। সব ছবি হয়তো সে রকম নয়; কিন্তু কোনোকোনো ছবি সত্যি- হাজার কথার শামিল হয়ে ওঠে।

এইসব হারিয়ে ফেলা গ্রীষ্মদিন!

কথাটা বলার পর কেউ আমাকে পাগল ভাববেন, কেউ মনে করবেন এটেনশন সিকার কিন্তু কথাটা প্রাণ থেকে আসা, আমার প্রিয় ঋতু গ্রীষ্মকাল। ব্লগে এটা অনেকবার বলেছি আজ আবার বললাম। শুরুর জন্য লেখা আর কি, কিছু একটা বলে লেখা শুরু করতে হবে। লিখতে ইচ্ছে করে খুব, কিন্তু সেই একই রকম লেখা বারবার লিখে যেতে যেতে ক্লান্ত। নিজের লেখা ব্লগে দেখতেও ক্লান্ত লাগে। এমনই এখন মৃতপ্রায় এই ব্লগ যে চারমাস আগে লেখা পোষ্ট এখনও ঝুলে আছে বেহায়ার মতো। তবুও তো টিকে আছে। নয়তো ব্লগ জিনিসটাই এখন প্রাচীনপন্থী। অথচ সব সময় শুনি দুনিয়ায় ব্লগের বিপ্লব হয়েছে, ইনবাউন্ড মার্কেটিং টূল হিসাবে ব্লগ নাকি টপ মাধ্যম। কিন্তু কমিউনিটি ব্লগের দিন বোধহয় শেষ, এখন সবাইকে দেখি ব্লগ পোষ্ট অজস্র অনলাইন নিউজ আছে সেগুলাতে দেয়। কিন্তু ব্লগের যে চার্ম সেখানে আর তা নাই। ফেসবুক আপনার দোস্ত বন্ধু বেশী থাকলে আপনার লেখা পড়বে ব্যস এতটুকুই। সেই অচেনা অজানা বাংলাভাষী পাঠক আপ

রুচিবোধ এবং সাম্প্রদায়িকতা

রুচিবোধ সাম্প্রদায়িক আচরণ উস্কে দেয়! কাউরে আপনার মনে হইতে পারে ক্ষেত, আবার কাউরে ড্যাম স্মার্ট। ফলে আপনি ক্ষেতরে অবজ্ঞা করলেন। মানে আপনি সাম্প্রদায়িক আচরণ করলেন।

একটা গোপন কথা বলি। আবৃত্তি একাডেমির শুরুর দিন গুলাতে আমি যখন নিজেরে নিয়া ব্যস্ত ছিলাম- মানে অন্যরে গোনার টাইম প্রায় ছিলই না, নিজেকে আমার বিশ্বের সেরা স্মার্ট পুলা মনে হইত। যদিও কেউ কেউ আমারে দ্য ক্ষেতিয়েস্ট পারসন অব দ্য ওয়ার্ল্ড ভাবত। তাতে আমার কিছু যাইত আসত না। আমি আমার মতই ছিলাম। কিন্তু দেখা গেল মানুষের রুচিবোধ বদলাইতাছে। তারা ক্ষেতিয়েস্টরে শুধু গুনতেছে না, মাথায় তুলার ট্রাই করতাছে।

কান পেতে রই

একদিন তো সব খেলা থেমে যাবে। সূর্য আর কিরণ দেবে না অকাতরে। সূর্য নিভে গেলে পৃথিবী তার সমস্ত জ্ঞানভাণ্ডার, সমস্ত নাটক সিনেমা গান গল্প কবিতা সুর আর রাগ নিয়ে কোথায় যাবে সেইদিন?

অথবা তার আগেই যদি নিউক্লিয়ার বিস্ফোরণে ছাই হয়ে যাই আমরা সবাই?

অত দূর না ভাবলেও হয়ত এটুকু জানা যায় যে আমাদের এই জীবন আর ফিরে আসবে না মরণের ওপারে। জীবন কতো সীমিত সময় নিয়ে এসেছে আমাদের কাছে, আমি ভাবতে পারি না কিছু, আমার খুব অসহায় লাগে সবকিছু ছেড়ে চলে যাব ভাবলে। এইটুকুন জীবন কতোটা অবহেলা করেছি তা ভেবে শুধু খারাপই লাগে।

বাংলাদেশ ডায়েরি ০৩

দুরপাল্লার বাসে প্রচন্ড আতংকে চেপে ড্রাইভারের ঠিক পেছনের সীটে বসে থাকার মতো পেরেশানী দ্বিতীয়টি নেই। পরীক্ষায় প্রথম না হওয়া যত ক্ষিপ্ত- ক্ষুব্ধ মানুষেরা দুরপাল্লার বাসের ড্রাইভার হয়। তাদের জীবনের অন্যতম লক্ষ্য সবাইকে কাটিয়ে প্রথম হওয়া। যে বাসগুলো গাজীপুর থেকে ঢাকা আসছে, গতির মত্ততায় সেগুলোকে কাটিয়ে রাজশাহী- দিনাজপুরের বাস ঢাকায় ঢুকতে পারবে না কিন্তু গতির মরিয়া লড়াইয়ে রঙ সাইডে আটকে পরা বাসের যাত্রীরা যমুনা ব্রীজের আগে ক্রমাগত ড্রাইভারকে উপদেশ দিচ্ছে।
ঐ মিয়া বাসটা ঐ লাইনে লাগাইলে তো এতক্ষণে ব্রীজের কাছে যাইতাম গা। কি চালাও কিচ্ছু বুঝি না। তোমারে এইখান থামাইতে কইলো কে? অন্য পাশ থেকে দ্রুত বাস ট্রাক আসছে। সেসব বাস-ট্রাকের ড্রাইভারের আসনে বসে আছে আরও সব কখনও প্রথম হতে না পারা ক্ষুব্ধ প্রাক্তন ছাত্রেরা।

বাংলাদেশ ডায়েরি ০২

গত রাতেও যেখানে ছিলাম, শুনশান নিরব মফঃস্বল, পাশের বাসার মানুষটা বিছানায় পাশ ফিরলেও চাদরের খসখস শব্দ কানে আসে। পাখীরাও চুপচাপ। যন্ত্রের যন্ত্রনাকাতর দীর্ঘশ্বাস জমাট বেধে আছে শহরের বাতাসে। শিহরন নেই, বরং অহেতুক উৎকণ্ঠা ভাবনায়। ধুলার গন্ধ নাকে আসে, ভয় হয় যদি বুক ভরে শ্বাস নেই, এইসব ধুলো জমে ফুসফুস খসখসে হয়ে যাবে।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা