অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ৫৬ জন অতিথি অনলাইন

শিক্ষার মাণ

প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের প্রতিবছর নতুন বই দেওয়া হচ্ছে। সারা দেশের প্রায় এক কোটি শিক্ষার্থীর জন্যে অন্তত ৫ কোটি বই মুদ্রন এবং বিতরণের দায়িত্ব পালন করে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড । তারা বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান। এসব পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষণসহায়িকাগুলো তাদের ওয়েবসাইট থেকেও নামানো যায়।

প্রতিটি পাঠ্যবইয়ের সম্পাদনা পরিষদে অন্তত ৪ জন শিক্ষকের নাম লিপিবদ্ধ আছে। বইয়ের শুরুতে শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যানের ক্ষুদ্র বক্তব্য এবং বইয়ের শেষের পাতায় কোনো এক অজানা কারণে এ বছর প্রধানমন্ত্রীর ছবি সংযোজিত হয়েছে।

বন্ধুদের সাথে আড্ডা

স্কুল জীবনটা থাকে সোনায় মোড়ানো। পেরিয়ে যাওয়ার সময় সেটা বোঝা যায়না। পেরিয়ে যাওয়ারও অনেক বছর পর পেছনে ফিরে তাকালে বোঝা যায়। যাহোক এতোকথার অর্থ হলো আমি সবথেকে বেশী মিস করি আমার স্কুলজীবনকে। অনেক বিখ্যাত ব্যক্তির মতো ছিলোনা, তবু আমার স্কুলজীবন ছিলো আমার মতো করে অদ্ভুত মায়া আর আকর্ষণে ভরা। দুপুর ১২টা বাজলেই আমি স্কুলে যাওয়ার জন্য অস্থির হতাম। জানি ক্লাসে পড়া বলতে গেলে হয়তো পারবোনা, প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছে যাওয়া যাবেনা, তবু যেতামই। গিয়ে দেখতাম অল্প কয়েকজন বাদে কেউ আসেনি, তখন মন খারাপ হতো। কেন এলোনা? এলে কতো সুন্দর আড্ডা দেয়া যেত, কত কথা বলা যেত!

বুধবার!

পরিচিত কেউ কেউ প্রশ্ন করে, দিনলিপি লেখা ছেড়ে দিলাম কেন? আমার দিনলিপির ব্লগ নাকি ভালো লাগতো। আমি অবাক হই। কখনো কমেন্ট করতে দেখি না এরকম লোকজন কেন আমার দিনলিপি ব্লগের কথা বলবে। আমি তো লিখতামই কতিপয় বন্ধু বান্ধবের জন্য। এইটাই হয়তো ব্লগের মজা। সেই কবে কার লেখা কেউ যদি আজ নতুন পড়ে ভালো লাগে, ফেসবুকে খুঁজে ইনবক্স করে তখন অবাক লাগে। যেমন আজ এক মেসেজ পেলাম সন্ধ্যায়, অদ্ভুত। এক ছেলে জানাচ্ছে আমার ২০১৩ সালের এক লেখা তার খুব ভালো লেগেছে। কিন্তু তার প্রশ্ন হলো, আমার দিনলিপির বিশ্বাসযোগ্যতা কতটুকু নাকি বানিয়ে লিখি? প্রথম কথা হলো, এটা কোনো প্রশ্নের মধ্যে পরে?

ট্রিবিউট টু কামাল ভাই এন্ড লীনা আপু!

ডিসেম্বর জন্মদিনের মাস। আমার ভাতিজির জন্মদিন। তিনজন ক্লোজ বন্ধুর জন্মদিন। মামার সন্তান সাইকের জন্মদিন। জেবীন আপার জন্মদিন। ছায়ার আলো ওরফে ইমরান ভাইয়ের জন্মদিন। খুঁজলে হয়তো আরো অনেক পাওয়া যাবে। তবে এই শীতের রাতে লিখতে বসেছি ব্লগে আমার দুই প্রিয় এনলাইটেন মানুষের জন্য। এই দুইজন মানুষকেই আমি ব্যাক্তিগত জীবনে খুবই পছন্দ করি, তারা আমাকে পছন্দ করে সেটা একটা কারন হতে পারে। তবে সব চেয়ে বড় কারন তাদের লেখা, মতামত, অপিনিয়ন আমার খুব প্রিয়। এইজন্য ব্লগ আমি এখনো লিখি টুকটাক, কারন ব্লগের কারনেই একটা জানালা আমার খুলে গেছে। সেটা পড়ার জানালা, যারা পড়ে তাদের সাথে তাল মিলিয়ে পড়ার জানালা। সেই জানালার খোজ সবাই পায় না। আর পেলেও বন্ধ করে দেয়। কিন্তু আমি মনে করি পড়ার জানালাই আমার জীবন। এই যে দুচারটা কথা লিখতে পেরে আনন্দিত হই এটা পড়ার ফল। নয়তো সবাই অফিসে প্রতিদিন পিসিতে কত কিছুই লিখে, কোনও কিছুতেই এই ব্লগ লেখার আনন্

সব ফুরোবে

সব ফুরোবে।

সকাল সকাল অনিচ্ছাতে ঘুমকাতুড়ে ঘুম তাড়ানো,
ইচ্ছেবিহীন, শরীর টেনে নিত্যদিনের পথ মাড়ানো,
অপেক্ষাতে পথের পাশে চোখ ফেলা আর চুপ দাঁড়ানো,
কানের কাছে গান জড়িয়ে হঠাত করে মন হারানো।

সব ফুরোবে।

ব্যস্ততা। আর বিরক্তিভর রুটিনমাফিক ট্রাফিক ঠেলা,
সুড়কিবোঝাই পথের তোড়ে রিকশা এবং ঝাঁকনি খেলা,
স্কুল ছুটিতে, রাস্তাজুড়ে, তিড়িং বিড়িং হাঁটার মেলা,
ভরকুয়াশায় রোদ পোহানোর তৃপ্তিটানা সকালবেলা!

সব ফুরোবে।

চেষ্টা নামের মুলোর দিকে নিরুদ্দিশে ছোটার তাড়া,
ভুল হল কী খোঁজার নামে আঙ্গুল তাক আর বলার ধারা,
ভুল করে তা চাপার তাকিদ, আর অকারন সঙ্গছাড়া,
বিশ্বাসে ভর করার আগেই অবিশ্বাসে দৃষ্টিহারা।

সব ফুরোবে।

স্বার্থ বুঝে দায় এড়ানো, পাশ কাটানোর চেষ্টা,
দোষ গেয়ে খুব শুকনো গলা, তাই মেটাতে তেষ্টা
শুরুর শুরু বোঝার আগেই গপ্পে টানা শেষটা,
এক চুমুকের চায়ের সাথের দুরন্ত সন্দেশটা!

সব ফুরোবে।

নতুন করে পাবো বলে

আমি কতোদিন লেখালেখি করিনা ভুলেও গেছি, আজকে হঠাৎ কি মনে হতে ভাবলাম একবার ঢুঁ মেরে যাই, দেখলাম এর ভেতরে পাঁচটা বছর পার হয়ে গেছে। কি অদ্ভুত! পাঁচ বছরে আমি তেমন করে কিচ্ছুটি লিখি নাই। অবশ্য এই পাঁচ বছরে যা হওয়ার না এরকম অনেক কিছু ঘটেছে, যা যা ঘটেছে তার কিছুটা ভালো, কিছু তেমন ভালো নয়, আবার কিছু ভীষণ ভয়াবহ! তারপরেও সব মিলিয়ে ভালো আছি। এই কবছরে কতোখানি পাল্টেছি জানিনা, পাল্টানো তো আসলে অবশ্যম্ভাবী। কম বেশী আমরা সবাই রোজ নিয়ম করে পাল্টাতে থাকি। ভাবছি আবার নতুন করে শুরু করে দিই লেখালেখিটা, তবে সময় পেলে হয়। অনিয়মিত হয়ে যেতে হবে ভেবেই মনে হয় উৎসাহ উবে যায়।

ইদানিং জীবনযাপন

আমি কম্পিউটারের ১৭ ইঞ্চি স্ক্রীনে দেখছি ছেলের চেহারা থেকে শৈশবের ছাপ মুছে যাচ্ছে, কণ্ঠের মসৃনতা উবে গিয়ে কৈশোর আসছে। এই অদ্ভুত সময়টাতে যখন যেকোনো আবদারের শেষে ওকে শুনতে হচ্ছে তুমি কি এখনো বাচ্চা না কি, যাও পড়ার টেবিলটা গুছাও- এখন বড় হয়ে গেছো, আর যেকোনো মতামতের পর অবধারিত শুনতে হচ্ছে এই বয়েসে পাকনা পাকনা কথা বলতে হবে না, তুমি ছোটো আছো এখনও। এই অদ্ভুতুড়ে সময়টা ফিরে আসবে না ওর জীবনে- আমার জীবনেও।
আমার মেয়ে ওয়েবক্যামের সামনে দাঁড়িয়ে আমার সাথে লুকোচুরি খেলে। বাবা বলতো আমি কোথায়? আমি এপাশ থেকে বলি আরে আমার মেয়েটা কোথায় গেলো? আমি তো দেখতে পাচ্ছি না।
ও কম্পিউটার স্ক্রীনের পেছন থেকে বলে- এই তো আমি তোমার পিছনে। তুমি আমাকে দেখতে পাচ্ছো না? তুমি কি বোকা না কি?
বলতে পারি না- পৃথিবীতে বোকা মানুষ না হলে কেউ তোমাদের ছেড়ে দূরে থাকে না।

রুটিন

এখন দিনগুলো যেভাবে কাটেঃ

সকাল ৮টায় উঠি। ৯টা পর্যন্ত গড়াগড়ি, ইন্টারনেটিং, তারপর ব্রেকফাষ্ট সেরে ঠিক ১০টায় কামলায় হাজির। লাঞ্চের আগ পর্যন্ত কামলা দিই আর সুন্দরী দেখি। সুন্দরী দেখি আর বসের হুমহাম শুনি। বসের হুমহাম শুনি আর হাওয়া তাড়াই। হাওয়া তাড়াই আর ফেসবুকে সস্তা কৌতুক পড়ি।

লাঞ্চ আওয়ারে চলে যাই সাবওয়েতে, কখনও যাই ম্যাকডোনাল্ডসে কখনওবা অতি সস্তা বাঙালি হোটেলে গিয়ে ডাল ভাত মেরে দিই। খেতে পারলেই হলো, খাওয়া নিয়ে একসময় প্রচুর ফ্যান্টাসী ছিলো, তখন অবশ্য জীবনটা নিয়েই ফ্যান্টাসী ছিলো। এখন কোন ফ্যান্টাসি নেই, অপেক্ষা আছে। সময় থেমে যাওয়ার অপেক্ষা।

লাঞ্চ আওয়ারটা খুব উপভোগ করি। তখন আশেপাশে আরও মানুষ দেখি। মানুষ দেখতে ভালো লাগে, এক একটা মানুষ, এক একটা উপন্যাস। উপন্যাস পড়ার মতো করে মানুষ দেখি।

একটি অসমাপ্ত কামের গল্প

চোখ আটকে গেলো সহজেই! আজকাল সুন্দরী মেয়েরা কবিতা লিখতে আসে না বললেই চলে। হেঁজিপেজিদের দেখতে দেখতে অরুচি ধরে গেছে। একটি দৈনিক পত্রিকার সাহিত্য সাময়িকীতে ছাপা হয়েছে মেয়েটির একগুচ্ছ কবিতা। সাথে তার কবিতাভাবনা ও আলোকচিত্র। ছবিটা খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখলেন তিনি। সুন্দরীই বটে, আগুনসুন্দরী! সাহিত্য সম্পাদককে কল দিয়ে রুহিনা তাবাসসুমের সেলফোন নম্বর চাইলেন কবি সৈয়দ আবু বকর। ছোকরা সম্পাদক প্রথমে ঘাইগুই করলো; পরে নিমরাজি হয়ে নম্বর দিলো।
এই সমস্যা। এরা মনে করে কবিতা ছাপার বিনিময়ে মানুষটির দখল বুঝে নিয়েছে। এখন ঘরের বউয়ের মতো অধিকার খাটানো যাবে।
দেরি না করে কল দিলেন তিনি- 'রুহিনা তাবাসসুম বলছেন?'
ওপাশ থেকে ভেসে এলো সুরেলা আওয়াজ - 'বলছি'।
'আমি কবি সৈয়দ আবু বকর।'
'সৈয়দ আবু বকর! মানে বাংলাদেশের প্রধান কবি?'
'তা বলতে পারেন! আপনার কবিতা পড়লাম, দৈনিক বগিজগি পত্রিকায়...!'
'তাই! কেমন লেগেছে?'

যাবার বেলায়

আমার দুয়ারে শব্দেরা কড়া নাড়ে,
হিমেল বাতাসে কাঁপে সন্ধ্যার ছায়া
অস্ফুটে ডাকে ইশারায় চুপিসারে,
‘আয়, চলে যাই, ফেলে রেখে সব মায়া!

কোথায়, কখন, উড়ে যেতে হবে হুট—
ঝরা পাতাদের তা কি কভু জানা থাকে?
এই পড়ে থাকা, এই দেয়া কোন ছুট,
অচেনা পথের শীতার্ত বাঁকে বাঁকে!

কনীনিকা থেকে কিছু আলো মুছে গেলে
হাতড়ে হাতড়ে গোধূলির পথ চলা,
তবু অবিনাশী কিছু প্রেম-অবহেলা
সযতনে রাখে রূপশালী আলো জ্বেলে!

সাঁঝ-বেলা শেষে ক্রমশ অন্ধকারে
মিশেছে কাদের ধুসর-বরণ পথ?
ক্লান্ত-চিত্তে, অবসাদে, বারে বারে
টেনে নেয়া সেথা জীবনের ভাঙা রথ!

আমার দুয়ারে কালো ছায়া কড়া নেড়ে
যতই বলুক, যাবার সময় হলো—
প্রিয় পৃথিবীকে আরেকটু ভালোবেসে
বলব, ‘দেখি তো! ষোড়শী নেকাব তোলো!’

বিরাজনীতিকরণ

স্পেনে গত ১ বছর ধরেই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত কোনো সরকার নেই। এক বছরের ভেতরে দুটো নির্বাচন হলেও কোনো দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করতে ব্যর্থ, শিথিল শর্তে কিংবা দেশ ও জাতির বৃহত্ত্বর স্বার্থে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা কোনো ধরণের জোট গঠন করতে ব্যর্থ হয়েছে। সাধারণ মানুষেরা এই সরকারবিহিন রাষ্ট্রে বেশ খুশী। একদল দুর্নীতিগ্রস্ত, স্বার্থপর সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র- রাজনৈতিক দল এবং নেতাদের সম্পর্কে তাদের সাধারণ মূল্যায়ন এমনটাই। প্রতিটি রাজনৈতিক সরকার কোনো না কোনো পর্যায়ে দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিয়েছে এবং ব্যক্তিগত উপঢৌকন গ্রহন করেছে, এদের কাউকেই বিশ্বাস করা যায় না। নাগরিক সেবার অধিকাংশই স্থানীয় সরকারের অধীনে ফলে নির্বাচিত সরকারবিহিন সার্বভৌম রাষ্ট্রে খুব বেশী দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে না নাগরিকদের। দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা চুক্তি, নির্বাচিত সরকারের অনুমোদন প্রয়োজন এমন সব উন্নয়ন প্রকল্প বাধাগ্রস্ত হচ

যুদ্ধ শান্তি

কোনো যুদ্ধ কি সমর্থনযোগ্য? বৃহত্ত্বর জাতীয়তাবাদী প্রেক্ষাপটে ঔপনিবেশিক শোষণ থেকে মুক্তির আকাঙ্খায় জন্ম নেওয়া রাষ্ট্রগুলোতে সময়ের সাথে আঞ্চলিক জাতীয়তাবাদের উত্থান ঘটেছে। ঔপনিবেশিক শাসকদের নিজস্ব সুযোগ সুবিধা বিবেচনা করে তাদের কুটনৈতিকেরা যেভাবে লাল-নীল-সবুজ পেন্সিলে সীমারেখা এঁকে অসভ্য উননাগরিকদের বসতিবিভাজন করেছিলেন, মানচিত্রের বিভাজন রেখাগুলো রক্ত আর লাশের স্তুপে স্পষ্ট হয়েছে তবে উননাগরিকেরা কয়েক দশক পরেও আত্মনিয়ন্ত্রনের অধিকার অর্জন করেন নি, সম্পূর্ণ নাগরিক হয়ে উঠতে পারেন নি।
চিহ্নিত সীমানার এপাশে ওপাশে খুব বেশী সাংস্কৃতিক বিভাজন ছিলো না, প্রতিবেশী মানুষের অনায়াস গতায়ত ছিলো। ভৌগলিক বিচ্ছিন্নতার বদলে নাব্যতার সুবিধা পেতে নদীর দু-পারকে নিজের অধিকারভুক্ত রেখে পাশ্ববর্তী মানুষগুলোকে অদৃশ্য পাহাড়ের সাথে বেধে রাখা ঔপনিবেশিক সিদ্ধান্তগুলো দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতপরিস্থিতি তৈরী করে রেখেছে।

জীবনযাপন

মাঝে মাঝে জীবনের প্রতি প্রচন্ড আক্রোশ জন্মে, কারণ খুঁজতে গিয়ে যেন কিছুই খুঁজে পাই না। আলো ছায়ার মত দুম করে মনে আসে তো আবার হারিয়ে যায়। নিঃসঙ্গ দুপুরে মনের উপর পীড়াটা আরো বাড়ে। খানিক পর পর চোখ বন্ধ করে নিজেকে হাতড়ে ফিরি, স্মৃতিরা আনাগোনা বাড়িয়ে দেয়, হৃৎ যন্ত্রে কম্পন বাড়ে কিন্তু খুঁজে পাই না কিছু। সন্ধ্যার আঁধার মেখে চলতে গিয়ে মনে হয় পৃথিবী কত গতিময়, কেবল একাকী সন্ধ্যাগুলো স্থবির হয়ে আছে। খুব করে আগের মত ইচ্ছে হয় না চায়ের পেয়ালায় চুমুক দিতে, অলস বিকেলে আকাশ দেখতে কিংবা র্জীণ প্রেমের পুরোনো ছবি আঁকতে। অথচ চোখের সামনেই বেড়ে উঠছে ধান ক্ষেতগুলো, কচি লাউ ডগাটা, বড় হয়ে যাচ্ছে আমার লাগানো আম গাছটা। প্রভাতের হিম হিম হাওয়া, স্নিগ্ধ মায়ার পৃথিবী এসব পর্যন্ত এখন আর টানে না। বয়স বেড়ে যাচ্ছে মনের, প্রেম ফুরিয়ে যাচ্ছে, বেঁচে থাকার ইচ্ছেটাও ডুবে যাচ্ছে চোখের জলে। আজকের পরে কালকের কথা ভাবতে ধাঁধা লাগে, হৃদ

অনেকদিন পর বাংলাদেশে

প্রায় ২ বছর পর যখন বাংলাদেশকে দেখলাম ১০ হাজার ফুট উপর থেকে, বানের পানি নামছে বাংলাদেশের শরীর বেয়ে। ইরাবতীর ঘোলা স্রোত সুরমা মেঘনা হয়ে আরো নীচে যমুনার সাথে মিশছে যেখানে, মাঠ, নদী আর লোকালয় ওতটা উপর থেকে স্পষ্ট বুঝা যায় না, যেমন বুঝা যায় না সীমানার ব্যবধান, কোথায় অচিহ্নিত কোন পাহাড়ের ঢালে সীমান্ত সংকেতে লেখা আছে বাংলাদেশ ০ কিলোমিটার, মাঝের ৫০০ গজ নো ম্যানস ল্যান্ডের এপারে বিডিআর ওপাশে বিএসএফ কিংবা বার্মা সীমান্ত রক্ষীবাহিনী। এত উপর থেকে কিছুই বুঝা যায় না। একটা ঘোলা নদী, সবুজ মাঠ আর সবুজাভ যমুনা এক বিন্দুতে মিলে যাচ্ছে। শহর আর গ্রাম, নদী আর জমি, ওত উঁচু থেকে সবই একই রকম লাগে। যদি উজানে ঘন বৃষ্টি না হয় এখন যে পানি দেখছি উপর থেকে ঠিক দুই দিন পরে পানিগুলো সমুদ্রে মিশে যাবে। বানভাসি মানুষ স্কুলের বারান্দা থেকে নিজের ঘরে ফিরবে, ত্রানতৎপরতা কিংবা সংবাদকর্মীর ক্যামেরা, অনিশ্চিত উৎকণ্ঠার সময়গুলো ধার

হায়রে মানুষ, রঙ্গীন ফানুশ

স্রষ্টা মানুষ সৃষ্টি করার পর বলেছেন, মানুষ তার সৃষ্টির সেরা জীব। সেই মানুষ আমরা। আশরাফুল মাখলুকাত। কত নিচ আর জঘন্য মানসিকতার প্রকাশ ঘটাই আমরা। হিংসা-বিদ্বেষ-কুটিলতায় ভরপুর আমাদের এক একজনের ভেতর জগত। কোনো না কোনো সময় সেটা বেরিয়ে আসে আমাদের আচারণে।
একটা প্রবাদ আছে, কাউকে ভালো বলার আগে নিশ্চিত হয়ে নাও, তুমি তার সাথে দুটো কাজ করেছো কি না ? এক: একই খাটে/রুমে তার সাথে রাত্রীযাপন। দুই: তার সাথে ভ্রমণ। কেউ কেউ আবার তিন নম্বর একটা কথাও বলেন। সেটা হচ্ছে: আর্থিক লেনদেন করা। তাহলে নাকী মানুষ চেনা যায়। বলা যায়, মানুষটা খারাপ না ভালো ? আদতে কি তাই ? এত্ত সহজ উপায়ে কাউকে বলা যায় যে, সে ভালো বা সে খারাপ ! নাকী বলা উচিত ?

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ