অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ২৪ জন অতিথি অনলাইন

যদি উড়ে যেতে চাও, তবে গা ভাসিয়ে দাও..

আমার সবকিছু এরকম ধূসর হয়ে যাবে তা জানতাম না আমি। কী করে লেখা যায় এই মলিনতার স্বরূপ আমি তাও জানি না। টেবিল ভরা আমার বই পত্র, ছুঁয়েও দেখিনি গত কয়েকদিনে, অথচ এই ছুটিতে সব পড়ে শেষ করার কথা।

আমার রান্না বান্না কে করে, কে আমার দাঁত মেজে দ্যায়, রুম গুছিয়ে দ্যায় আমি জানি না। আমি ঘড়িটার কাছে পরাজিত হই প্রতি সকালে। আমার সব কিছু ছিন্নভিন্ন।

বিছানা ছাড়া সবচেয়ে কঠিন কাজ এই জীবনে। রোজ দুপুর বেলা আলসেমির চুড়ান্ত রূপ দেখে তারপর বিছানা ছাড়ি। আর আমার রোজ রাতের প্রতিশ্রুতি সকাল সকাল বিছানা ছাড়ার।

এইসব করতে করতে এইভাবে আরও কত বছর বাঁচার আছে আমার? আমার এক কালীন বন্ধু বান্ধবেরা কে কেমন আছে কিছুই জানা হয় না। মাঝে মাঝে এক কালীন প্রেমিকার কথা ভাবি বিছানায় শুয়ে থেকে। সেই যে প্রেমিকাকে খুব ভালোবেসেছিলাম একদা, কেমন আছে এখন সে আর তার প্রেমিক? কেমন আছে ওদের ভালোবাসা? খুব ভালো ওরা। আর আমি সবচেয়ে অসভ্য।

আমাদের অজ্ঞতা, আমাদের মুগ্ধতা, আমাদের বিষ্ময়

নিবির নিষ্ঠায় খালি চোখে আকাশের দিকে তাকিয়ে আমরা নক্ষত্র কিংবা মৃত জ্যোতিস্ক দেখেছি। আমাদের প্রাচীন অগ্রজেরা অসংখ্য স্থির নক্ষত্রের পটভুমিতে যে ৭টি চলমান জ্যোতিস্ক দেখেছে (চন্দ্র- সূর্য, বুধ, শুক্র, মঙ্গল, বৃহঃস্পতি, শনি ) তাদের প্রত্যেককে এক একটা দিন উৎসর্গ করেছে। এসব নিয়মিত জ্যোতিস্কের সাথে তারা উল্কা, ধুমকেতু দেখেছে। প্রতিটি চলমান গ্রহ, গ্রহকণা, নক্ষত্রের সাথে নিজেদের চলমান সময়ের অনুভুতি মিশিয়ে অসংখ্য গল্প-গাঁথা নির্মাণ করেছে। মহাবিশ্ব বিষয়ে আমাদের প্রাচীন অগ্রজদের কোনো মুগ্ধতা ছিলো না, ছিলো ভীতিমিশ্রিত বিস্ময়।

জীবনে গেছে চলে

আমার ছোট বেলায় এইসব ছিলো না। সবকিছু অন্য রকম ছিলো। আমি কোনোদিন ভেবে দেখিনি কতোটা বদলে গেছে সবকিছু। একটা পড়ার টেবিলে তখন বই খাতা কলম পেন্সিল ছাড়া আর কিছু থাকতো না। হেডফোন নামের যে তারের জটলাটা আজকাল আমার পকেটে বা টেবিলে পড়ে থাকে সেটাকে মনে হত ধরা ছোঁয়ার বাইরের জগতের কোনো মহান আবিস্কার। কম্পিউটার বলে যে কিছু একটা তৈরি হবে এবং রাতদিন চব্বিশ ঘন্টা সেটার সাথে আঠার মত লেগে থাকতে হবে- এটা কোনোদিন কল্পনাতেও আসেনি।

ইলেক্ট্রনিক্স বলতে ছিলো একটা ক্যাসেট প্লেয়ার। সেটাতে রেডিও ছিলো। কয়েক বছর পর এলো একটা টিভি। পাড়াপ্রতিবেশীদের বাড়িতেও ততদিনে টিভি চলে এসেছে। তখন একটা গান আমরা গাইতাম শুনতাম, ও আমার বন্ধু গো, চিরসাথী পথ চলার..।

রাতেরা আমার মতই নিঃসঙ্গ

তোমার ফোন নাম্বার, ইমেইল অ্যাড্রেস বাসার ঠিকানা সবই এখনও মনে আছে। মনে আছে বিকেলবেলায় এখানে সেখানে ঘুরে বেড়ানো তোমার সাথে, তোমার হাতটা ধরার জন্য কেমন করতাম আমি, তোমার মনে আছে?

চায়ের দোকান, অলিগলি আর অজস্র রিকশার হুডেরা কি মনে রেখেছে আজও আমাদের প্রেম করার দিনগুলো? খুব সহজ ছিলো এ শহরের ভীড়ে আমাদের হারিয়ে যাওয়া, অথচ আমরা খুঁজতাম নিরিবিলি, চলে যেতে চাইতাম দূরে কোথাও, বহুদূরে।

আজ আমি কেমন আছি তুমি জানো? আজ আমি চাইলেই তোমাকে ফোন করতে পারি না, তোমার বাসার গলি অব্দি যেতে পারি না, আজকাল আমার কোনো ইচ্ছেরা ঠিক বেঁচে নেই। নিজেকে মৃত মনে হয়। ঠিক যেন মরণের ওপারে বসে লিখছি এইসব কথা।

উৎসব-উদযাপনে যৌনসন্ত্রাস: দায়-চাপানো ও দায়-অস্বীকারের রাজনীতি

৭ মার্চ ২০১৮। সারা ঢাকাজুড়ে বাংলাদেশের জন্মইতিহাসের এক মহাগৌরবময় দিন উদযাপনের নানা কলরব পর্যবেক্ষণ, পেশাগত জরুরি দায়িত্বপালন, অতিনগরায়িত শহরের বাড়তি যানজট ঠেলে সন্ধ্যায় বাসায় ফেরার পর ফেইসবুকে ঢুকেই প্রথমে চোখে পড়ে অদিতী বৈরাগীর উপর সংঘটিত গণযৌনসন্ত্রাসের ঘটনাটি। কলেজপড়ুয়া একটি কিশোরী মেয়ে তার উপর সংঘটিত নির্যাতনের বর্ণনা দিয়ে ক্ষোভে, কষ্টে, ঘৃণায় লিখেছে-আমি এ শুয়োরের দেশে আর থাকবো না, জয় বাংলা বলে যারা মেয়ে মলেস্ট করে তাদের দেশে আমি থাকবো না, থাকবো না, থাকবো না।

আমার আপণ হৃদয় গহন দ্বারে, বারে বারে...

শিবলী ভাই প্রায়ই গাইতো, ক্যাম্পাসের ফুটপাতের গাড়িঘোড়ার শব্দের মাজখানে বা ষোলোতলার ছাদের বাতাসের শোঁশোঁর পাশঘেষে, আমিও কান পেতে শুনতাম। আমার আপণ হৃদয় গহন দ্বারে বারেবারে, কান পেতে রই। এই গান, অথবা আরও অনেক অনেক গান। খালি গলায়। আমার কি যে ভালো লাগতো! শুনতে শুনতে ভাবনার অলিগলিতে হারিয়ে যেতাম। অথবা ভ্রমরটার মত বিবাগী হতাম পদ্মফুলের জন্য, আর সঙ্গিবিহীন অন্ধকারে হতাম রাতের পাখির মত একাকী।

মোস্তাক শরীফের- আবু তোরাবের দৌড়ঃ জীবনের গল্প যাপনের গল্প

বলা যায় মোস্তাক শরীফকে আমাদের লেখক। আমাদের লেখক কিভাবে? কারন যখন থেকে তিনি উপন্যাস লিখে প্রকাশক মনোনীত পুরষ্কার পেলেন, তখন থেকেই আমরা তাঁর পাঠক। সেই তো 'সেদিন অনন্ত মধ্যরাতে' থেকে শুরু করে। এরপর থেকে তার উপন্যাস বেড়িয়েছে প্রতি বছরেই, পড়া হয়েছে ভালো ভাবেই। এই ব্লগেই লিখেছি কত রিভিউ। তার লেখার যে বেড়ে উঠা তা আমাদের চোখের সামনেই। উপন্যাসিক হিসাবে তিনি সফল, এবার তিনি উপন্যাস লিখেন নি। লিখেছেন গল্প গ্রন্থ। নাম দিয়েছেন-- আবু তোরাবের দৌড়। মেলা থেকেই সংগ্রহ করেছি। তারপর পড়া শেষ হয়ে গেল আগেই। কিন্তু লিখবো লিখবো করেও লেখা যাচ্ছে না ব্যস্ততায়। আজ মাথা ব্যাথা প্রচন্ড। কাজে যাই নি, আজ ভাবলাম লিখে ফেলি।

যেভাবে কবিতা পড়িঃ কবিতা নিয়ে অসামান্য স্মৃতিজাগানিয়া গদ্য

কবিতা নিয়ে গদ্যের কথা আসলেই নাম এসে পড়বে জয় গোস্বামী আর শঙ্খ ঘোষের কথা। বলাবাহুল্য তারা দুজনেই কবি। কবিতার নিবিড় রহস্যময়তা তাঁরা ধরতে চেয়েছেন গদ্যের ছুতোয় সাথে জানিয়ে গেছেন নিজের বিখ্যাত কবিতা গুলোর ভাবনা ইতিহাস আর দুনিয়ার নানান ভাষার বিখ্যাত কবিকে নিয়ে আলোচনা। এ সময়ের প্রখ্যাত গদ্যশিল্পী আহমাদ মোস্তফা কামাল এইসবের ভেতরে যান নি, তিনি নিজেও কবি নন। তবে তিনি কবিতার এক মুগ্ধ পাঠক। কবিতা পাঠে তিনি আনন্দ পান, কবিতার সাথে সন্ধি করেন, কবিতাকে নিংড়ে বের করতে চান সেই কাব্যরস। বিশ্বাস করেন কবিতা না পড়লে ভালো গদ্য লেখা কিছুটা অসম্ভব ব্যাপার। কিন্তু কবিতার আসলে ব্যাখা হয় না, সেই ব্যাখ্যাতীত বিষয় নিয়েই তিনি লিখেছেন মুক্তগদ্যের বই -- যেভাবে কবিতা পড়ি। লেখক জানিয়েছেন, তার প্রিয় কিছু কবিতার আনন্দ পাঠ ও তার শুলুকসন্ধান বের করার চেষ্টা।

বইমেলার বিকিকিনি

- এই দিদিতা, এই বইটা কিনি? অল্প পয়সায় বেশ ভারিক্কি আছে।
- তুই কি পাগল হলি? মমিন। চিনিস ওই লেখককে?
- তা চিনি না। তবে নতুন লেখকের বই কিনলে লেখক উৎসাহ পাবে।
- ধ্যাৎ। কিসব লেখা!
- না পড়ে তো আর খারাপ ভাল বলা যায় না?
- কত লেজেণ্ট পড়ে আছে পড়া হয় না, তো এদের পড়ব কি না কে জানে? তাই নাম ভারিক্কি বই কিনি চল।
- ঠিক বলেছিস। তা না হলে, বইগুলো সাজিয়ে ফেসবুকে যখন পোষ্ট দেবো সবাই ছ্যা ছ্যা করবে? একটাও লাইক পাব না। প্রেস্টিজ চলে যাবে।
- যা বলেছিস? কবে পড়ব কিংবা আদৌ পড়ব কি ঠিক নেই।
- চল, বইমেলায় যখন এসেছি কিছু বই কিনেই ফেলি। লেটেস্ট।
দুজনে প্রসিদ্ধ প্রকাশনায় ঢুকে বইটই কিনে বেরিয়ে ফিস ফ্রাই খাচ্ছে। আবার দিদিতা - এসব প্রকাশনায় সেই পুরোন লেখক আর পুরোন বই রিপ্রিণ্ট হচ্ছে। নতুন লেখকদের এরা সুযোগ দেয় না। কি রে মমিন, তাহলে নতুন লেখকের বই কিনব কেন?

''Sat Beneath The Lightning Tree''

বায়ার্ন ২ নামের রেডিও চ্যানেলে মাঝে মাঝে খুব ভালো গান বাজায়। Sat Beneath The Lightning Tree নামের এই গানটা বাজাচ্ছিলো। কোনো এক অচেনা শিল্পী। অথচ হটাৎ করেই গানের কথাগুলো খুব চেনা মনে হলো। ইউটুবে দৌড় দিলাম। এক দৌড়ে খুঁজে বের করলাম গানটা। এখন শুনছি তো শুনছিই।

রাত হয়ে গেছে। রাত ১ টায় লিখতে বসা মানে রাতটার সব্বোনাশ করা। তবু সেই সন্ধ্যা থেকে একটু অবসর করে ব্লগে সময় কাটাবো ভাবছিলাম। সে আর হলো কই? সময় খালি দৌড়ায়। তাই হলো না আজ আমার আর ব্লগ লেখা। এই কষ্ট বুকে নিয়ে ঘুমায় পড়ি, কী আর করবো!

স্মরণের টানে সামান্য এক মুহূর্ত হবে অনন্তকাল!

এখন আর এই শহরে দুইটাকার টোস্ট বিস্কুট পাওয়া যায় না। আগে ঢাকার বেশীর ভাগ চায়ের দোকানে, পলিথিনে ঝুলানো সস্তা টোস্ট পাওয়া যেত। খুব সকালে ঘুম ভেঙ্গে গেলে আমি আর টাইসন নামের একটা কুকুর ছিল শেলী সাহেবের, দুজনেই সেই টোস্ট ভক্ষণ করতাম। এমনিতে খেতে ভালো না, কিন্তু চায়ের সাথে ডুবালেই সেটা অমৃত। অনেক পরে জেনেছি, জীবন এমনি, সময়ে ডুব দিলেই শেষ সব। এখন আর ঐসব টোস্ট পাওয়া যায় না, প্যাকেট সুদৃশ্য বাহারী টোস্ট। একদিন দেখলাম ২৫ টাকার ঘি টোস্ট। টোস্টে ঘি, আর অবাক হবার বাকী আছেই বা কী? যেমন ৮-২০ টাকার বাটারবনে আপনি ক্রিম আশা করবেনই বা কেন?

এনাদার ট্রিবিউট টু কামাল ভাই এন্ড লীনা আপু!

এজরা পাউন্ড নাকি বলেছিলেন, শিল্পীরা সমাজের এন্টেনার মত। গড়পড়তা মানুষদের চেয়ে তারা নাকি আগেভাগে বুঝে যান, সমাজের আগামী দিনগুলোতে কি হতে চলছে, কেমন চলছে বর্তমান সমাজ। এটা বোঝার জন্য তাদের কোনো গায়েবী ক্ষমতার দরকার হয় না। তাদের সংবেদনশীলতা ও যুক্তি নির্ভর চিন্তাভাবনাই যথেষ্ট। আজ যাদের নিয়ে পোষ্ট লিখছি তারা আমার কাছে সেরকম মানুষ। তাদের বিভিন্ন বিষয়ে ভাবনা, যুক্তির প্রাসঙ্গিকতা, চিন্তাশীল মতামত, মিডিওকারকে খারাপ বলার সাহস আমাকে মুগ্ধ করে বারবার। এইজন্য এই দুইজন মানুষকে নিয়ে লিখতে আমি ক্লান্ত বোধ করি না। যদি আজ হেক্টিক একটা দিন গেল আমার, মন মেজাজও খুব লেখা উপযোগী নেই, তাও আমি লিখছি। কারন আশা করি এত চমৎকার দুজন মানুষকে নিয়ে লিখলে মন ভালো হবার সম্ভাবনা আছে।

শেষ হইয়াও হয় না শেষ... তার নাম কেবলই অধিকার..

সম্পর্কের গল্পগুলো বড় অদ্ভত.. কে যে কখন কার কোন বন্ধনে আটকে যায় কে জানে ? হতে পারে সেটা বন্ধুত্বর, হতে পারে সহযোদ্ধার বা হতে পারে জীবন সঙ্গীর অথবা হতে পারে বা পারত সঙ্গীর সাথে সম্পর্ক। জীবনের নানা সময়ে এই সম্পর্কগুলোর সৃষ্টি.. প্রত্যেকটা সম্পর্ক একটা নিদৃষ্ট আয়ুস্কাল নিয়ে আসে.. কোন সম্পর্কেরই প্রয়োজনিয়তা জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত দরকার হয় না.. মন একটি রেল স্টেশনের ওয়েটিং চেয়ারের মত.. যার যখন প্রয়োজন সে তখন এসে প্রাণ খুলে বিশ্রাম করে। এখন মন নামক চেয়ারটি যদি দাবী করে, না আমার ওই একজন পথিকই লাগবে সারাজীবন তবে তো বড় মুশকিল.. অথবা পথিকের ও তো প্রত্যেকটা মুহুর্ত ওখানে বসে থাকা সম্ভব না..যতই মায়া পড়ে যাক না কেন.. আমার অবস্থা ঠিক তাই..জীবনের প্রয়োজনে নানা সম্পর্ক তৈরী হয়েছে ঠিকই, কিন্তু হৃদয়ের কাছের সম্পর্কগুলোকে আঁকড়ে ধরে রাখার কি আপ্রান চেষ্টা আমার..

''ডোন্ট লুক ব্যাক ইন অ্যাংগার''

সেদিন বিকেলের দিকে খুব ব্যস্তমত কলাভবনের গেইট দিয়ে ঢুকেই কোনো অন্য কোন না তাকিয়ে সোজা ডিপার্টমেন্টের করিডোর ধরে হাঁটা দিলাম। বাইরে তাকিয়ে দেখি বৈজয়ন্তী। একটা লালচে শাড়ি পড়েছে। হাঁটতে হাঁটতে প্রফেসরের সাথে আলাপ চালিয়ে যাচ্ছে। এসবের সামলাতে সামলাতেই ওর ব্যস্ত ঠোঁট আর চোখদুটো আমার দিকে ফিরে খুব সুন্দর একটা হাসি উপহার দিলো।

মেয়েটার প্রেমে পড়া আমাকে বিকল করে রেখেছিলো অনেকটা সময় ধরে। কিন্তু সেইসব স্বপ্নের প্রেম মেয়েটার কাছ থেকে পাওয়া হয়নি সেসব দিনে। ওর কাছে আমার চানাচুরওয়ালা মনের সেসব চাওয়া এখন শুধু মাটি চাপাই পড়েই থেমে থাকেনি। সেই মাটিতে ঘাস, তুলসি গাছ সবই ফলেছে।

Newton(2017)

'নিউটন' সিনেমার ট্রেলারটা ছিল চমক জাগানিয়া। এত ভালো হিন্দি ছবি ট্রেইলার শেষ কবে দেখেছিলাম মনে পড়ে না। আমি বলিউড নিয়ে খোঁজ খবর রাখলেও প্রযোজক আর অভিনেতা ছাড়া আর কাউকে চিনলাম না। পরে খোঁজ নিয়ে দেখলাম, অমিত মাসুরকারকে আমি চিনি। তার প্রথম বানানো ইন্ডিপেন্ডেন্ট কমেডি মুভি- 'সোলেমানি কিড়া'। সিনেমাটা সীমাবদ্ধতা থাকার পরেও অসাধারণ, বলিউড আর এর বিভিন্ন সিস্টেমকে ট্রল করা এত ভালো সিনেমা আর হয় নি। আর সীমাবদ্ধতা সিনেমার এন্ডিংটা। বলিউডকে ট্রল করে শেষে তারা বলিউড মার্কা এন্ডিংয়েই চলে গিয়েছে। তবে নতুন পরিচালক হিসাবে অমিতের কাজ সেইসময় চোখে লাগার মতো। ভাগ্যিস অমিত ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ড্রপ আউট হয়েছিলেন সিনেমা করবেন বলে। নয়তো তিনি 'নিউটন' বানাতেন কিভাবে আর তিনি যে বড় মাপের এক পরিচালক তা জানাতেন কিভাবে?

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ