অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য ও ১৮ জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

"চেয়ে দেখ এই বুকে আজ কত শত নীল বেদনা"

পড়তে বসার সময় মনে হলো একটা গান না শুনলেই নয়। ইউটিউবে টাইপ করলাম ময়না গো। হাবিবেরটাই ছাড়লাম। মিউজিক ভিডিওতে দেশের রেল স্টেশন দেখে মনে পড়লো আমার গত ছয়টা বছর এলোমেলো ছুটে বেড়ানোর দিনগুলোর কথা। আর তাছাড়া হাবিবের শুরুর দিকের গানগুলোর সাথে আমাদের একটা অন্যরকম সম্পর্ক আছে। বরিশাল ক্যাডেট কলেজে দুহাজার চার থেকে দশ সময়টাতে যারা থেকেছে তারা জানে ডিসেম্বর মাসে অ্যাথলেটিক্সের দিনগুলোতে এইসব গানের কথা। মোয়াজ্জেম স্যার আর কলেজ কালচারার প্রিফেক্ট মাঠের ভিতরে একটা গোল ছাউনির ভিতর বসে মাইকে এটা সেটা ঘোষণা দিতো আর এই সব গান বাজাতো। ফোর ইনটু ফোর হান্ড্রেড মিটার রিলে দৌড় বা ম্যাডামদের পিলো পাসিং খেলা বা হয়তো কিছুই হচ্ছে না, কিন্তু মাইকে ঐ গানগুলো ঠিকই বাজছে। কি একটা কানেকশন যে হয়ে গেলো কিছু কিছু গানের সাথে, সত্যি অবাক করার মত একটা ব্যাপার। তখন আমি ক্লাস এইট কি নাইনে পড়ি। লাইফ ভর্তি খালি মজা আর মজা।

কেননা আমি বেঁচে থাকি শেখার মাধ্যমে

I'm sorry, Momma, I never meant to hurt you
I never meant to make you cry
But tonight I'm cleaning out my closet.

Song: Cleaning out my closet
Artist: Eminem

শীত আর বসন্ত পেরিয়ে গ্রীষ্ম প্রায় চলেই এলো। আমার সুষম জীবনে আরও একটি একাকী গ্রীষ্ম। এক সময় বছরের পর বছর একাকীত্বের জন্য হাহাকার করেছি। আমার কথায়, লেখায়, চিন্তায় সে সময় বারবার ঘুরে ফিরে এসেছে নায়ক আর নায়িকার বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার দৃশ্য আর তারপর এক একলা জীবনের গল্প। সে সময় আমি একা ছিলাম না একেবারেই। অথচ এখন যখন একলা জীবন কাটাই তখন মাথায় যেসব চিন্তা ঘোরে তার বেশিরভাগই একটা ছেলে আর একটা মেয়ের এক হয়ে যাওয়ার গল্প।

খারাপ দিনের কথা

সোমবার।

একটা খারাপ দিন শুরু করার জন্য সকালে দেরি করে ওঠাই যথেষ্ট। একটা ক্লাসের অর্ধেকেরও বেশি মিস করার পরও কোনো রকম ব্রেকফাস্ট করে ক্লাসে ঢুকলাম।
দেখি যে এক্স গেট অ্যান্ড গেট পড়াচ্ছে। একজন ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্রের জীবনে একটাই দিন থাকে যেদিন ক্লাসে প্রথম বার গেইট পড়ানো হয়। আর আমি সেইটা মিস করলাম। বেটার লেট দ্যান নেভার। সেই জন্য ক্লাসে গেসিলাম, গিয়ে দেখি সব শেষ।

কিন্ত আরও খারাপ ঘটনা ঘটতে হলো। এর পরে প্রোগ্রামিংয়ের ক্লাসটা সবকিছু আরও খারাপ করে দেবার সংকেত দিতে লাগলো, কিন্ত সেই সিগ্নাল আমি ধরতে পারি নাই।

বিকেল বেলা ম্যাথ টিউটোরিয়ালে টিউটর ছোকরা একগাদা কমপ্লেক্স ম্যাথ নিয়ে হাজির। প্রফেসর এতো কঠিন ম্যাথ করায় না, তবু সে এইসব ম্যাথ সামনে নিয়ে আসতে চায়। প্রফেসর শিখাইসে কেম্নে একটা বীজগানিতিক ফাংশনের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন মান বের করতে হয়, যেইটা খুব একটা জটিল প্রক্রিয়া নয়, কিন্ত এই

পর্ণোগ্রাফিক প্রোফাইল

আইজ্যাক অসিমভের ৩ খন্ডের ফাউন্ডেশন সিরিজ প্রথম প্রকাশিত হয়েছিলো ১৯৫১-৫৩ সালে। ফাউন্ডেশনের প্রধান চরিত্র হ্যারি সেলডন " সাইকোহিস্টোরিক্যাল সমিকরন" সমাধান করে গ্যালাকটিক এম্পায়ারের উত্থান- বিস্তার এবং পতনের ভবিষ্যতবানী করেছিলেন।

সাইকোহিস্টোরিক্যাল এনালাইসিসের শর্ত বলছে একটি নির্দিষ্ট ভূখন্ডের সকল মানুষের সামষ্টিক ব্যবহার বিশ্লেষণ করে ঐতিহাসিক বাস্তবতা বিশ্লেষণ করে সে মানবগোষ্ঠীর ঐতিহাসিক বিবর্তনের সম্পর্কে নির্ভুল ভবিষ্যতবানী করা সম্ভব। বৈজ্ঞানিক কল্প উপন্যাসের এই ধারণার সফল প্রয়োগ করেছে কেমব্রিজ এনালাইটিকা।

ভ্লাদিমির ঝেলঝৎভস্কি, তার দাবা খেলা ও তিনটি প্রেমকাহিনী

বুক পকেটে টুকে রাখা স্বরলিপি, পেছনের পকেটে রাখা সুর

অনেক দিন এমনও হয়, প্যান্টের পেছনের পকেটে এক টুকরো পাতায় একটা সুর নিয়ে ঘুরছি, সারা দিন কয়েকটা শব্দ ওলোট-পালোট করছি, ঘরে ফিরছি, দিন রাত বদল হচ্ছে, দৈনন্দিন কাজের তালিকার সারি দীর্ঘ হচ্ছে, ক্যালেন্ডারের পাতা বদলাচ্ছে, প্যান্টের পেছনের পকেট থেকে খসখস আওয়াজ শুনে বের করে দেখছি- একটা টুকরো সুরের রঙ বদলে গেছে।

কিছু তাৎক্ষণিক বিচ্ছিন্ন অনুভব ধরে রাখা আলাদা আলাদা অনেকগুলো শব্দ, পারস্পর্য্যহীন, হয়তো অনেকটাই এলেমেলো, একটা সুরের বরশীতে গেঁথে ফেললে নিজস্ব অর্থ খুঁজে পায়। শব্দগুলোতে আলাদা স্বর থাকে, সুর থাকে না কোনো। হয়তো সুরের প্রত্যাশাও থাকে না সেভাবে।

যদি উড়ে যেতে চাও, তবে গা ভাসিয়ে দাও..

আমার সবকিছু এরকম ধূসর হয়ে যাবে তা জানতাম না আমি। কী করে লেখা যায় এই মলিনতার স্বরূপ আমি তাও জানি না। টেবিল ভরা আমার বই পত্র, ছুঁয়েও দেখিনি গত কয়েকদিনে, অথচ এই ছুটিতে সব পড়ে শেষ করার কথা।

আমার রান্না বান্না কে করে, কে আমার দাঁত মেজে দ্যায়, রুম গুছিয়ে দ্যায় আমি জানি না। আমি ঘড়িটার কাছে পরাজিত হই প্রতি সকালে। আমার সব কিছু ছিন্নভিন্ন।

বিছানা ছাড়া সবচেয়ে কঠিন কাজ এই জীবনে। রোজ দুপুর বেলা আলসেমির চুড়ান্ত রূপ দেখে তারপর বিছানা ছাড়ি। আর আমার রোজ রাতের প্রতিশ্রুতি সকাল সকাল বিছানা ছাড়ার।

এইসব করতে করতে এইভাবে আরও কত বছর বাঁচার আছে আমার? আমার এক কালীন বন্ধু বান্ধবেরা কে কেমন আছে কিছুই জানা হয় না। মাঝে মাঝে এক কালীন প্রেমিকার কথা ভাবি বিছানায় শুয়ে থেকে। সেই যে প্রেমিকাকে খুব ভালোবেসেছিলাম একদা, কেমন আছে এখন সে আর তার প্রেমিক? কেমন আছে ওদের ভালোবাসা? খুব ভালো ওরা। আর আমি সবচেয়ে অসভ্য।

আমাদের অজ্ঞতা, আমাদের মুগ্ধতা, আমাদের বিষ্ময়

নিবির নিষ্ঠায় খালি চোখে আকাশের দিকে তাকিয়ে আমরা নক্ষত্র কিংবা মৃত জ্যোতিস্ক দেখেছি। আমাদের প্রাচীন অগ্রজেরা অসংখ্য স্থির নক্ষত্রের পটভুমিতে যে ৭টি চলমান জ্যোতিস্ক দেখেছে (চন্দ্র- সূর্য, বুধ, শুক্র, মঙ্গল, বৃহঃস্পতি, শনি ) তাদের প্রত্যেককে এক একটা দিন উৎসর্গ করেছে। এসব নিয়মিত জ্যোতিস্কের সাথে তারা উল্কা, ধুমকেতু দেখেছে। প্রতিটি চলমান গ্রহ, গ্রহকণা, নক্ষত্রের সাথে নিজেদের চলমান সময়ের অনুভুতি মিশিয়ে অসংখ্য গল্প-গাঁথা নির্মাণ করেছে। মহাবিশ্ব বিষয়ে আমাদের প্রাচীন অগ্রজদের কোনো মুগ্ধতা ছিলো না, ছিলো ভীতিমিশ্রিত বিস্ময়।

জীবনে গেছে চলে

আমার ছোট বেলায় এইসব ছিলো না। সবকিছু অন্য রকম ছিলো। আমি কোনোদিন ভেবে দেখিনি কতোটা বদলে গেছে সবকিছু। একটা পড়ার টেবিলে তখন বই খাতা কলম পেন্সিল ছাড়া আর কিছু থাকতো না। হেডফোন নামের যে তারের জটলাটা আজকাল আমার পকেটে বা টেবিলে পড়ে থাকে সেটাকে মনে হত ধরা ছোঁয়ার বাইরের জগতের কোনো মহান আবিস্কার। কম্পিউটার বলে যে কিছু একটা তৈরি হবে এবং রাতদিন চব্বিশ ঘন্টা সেটার সাথে আঠার মত লেগে থাকতে হবে- এটা কোনোদিন কল্পনাতেও আসেনি।

ইলেক্ট্রনিক্স বলতে ছিলো একটা ক্যাসেট প্লেয়ার। সেটাতে রেডিও ছিলো। কয়েক বছর পর এলো একটা টিভি। পাড়াপ্রতিবেশীদের বাড়িতেও ততদিনে টিভি চলে এসেছে। তখন একটা গান আমরা গাইতাম শুনতাম, ও আমার বন্ধু গো, চিরসাথী পথ চলার..।

রাতেরা আমার মতই নিঃসঙ্গ

তোমার ফোন নাম্বার, ইমেইল অ্যাড্রেস বাসার ঠিকানা সবই এখনও মনে আছে। মনে আছে বিকেলবেলায় এখানে সেখানে ঘুরে বেড়ানো তোমার সাথে, তোমার হাতটা ধরার জন্য কেমন করতাম আমি, তোমার মনে আছে?

চায়ের দোকান, অলিগলি আর অজস্র রিকশার হুডেরা কি মনে রেখেছে আজও আমাদের প্রেম করার দিনগুলো? খুব সহজ ছিলো এ শহরের ভীড়ে আমাদের হারিয়ে যাওয়া, অথচ আমরা খুঁজতাম নিরিবিলি, চলে যেতে চাইতাম দূরে কোথাও, বহুদূরে।

আজ আমি কেমন আছি তুমি জানো? আজ আমি চাইলেই তোমাকে ফোন করতে পারি না, তোমার বাসার গলি অব্দি যেতে পারি না, আজকাল আমার কোনো ইচ্ছেরা ঠিক বেঁচে নেই। নিজেকে মৃত মনে হয়। ঠিক যেন মরণের ওপারে বসে লিখছি এইসব কথা।

উৎসব-উদযাপনে যৌনসন্ত্রাস: দায়-চাপানো ও দায়-অস্বীকারের রাজনীতি

৭ মার্চ ২০১৮। সারা ঢাকাজুড়ে বাংলাদেশের জন্মইতিহাসের এক মহাগৌরবময় দিন উদযাপনের নানা কলরব পর্যবেক্ষণ, পেশাগত জরুরি দায়িত্বপালন, অতিনগরায়িত শহরের বাড়তি যানজট ঠেলে সন্ধ্যায় বাসায় ফেরার পর ফেইসবুকে ঢুকেই প্রথমে চোখে পড়ে অদিতী বৈরাগীর উপর সংঘটিত গণযৌনসন্ত্রাসের ঘটনাটি। কলেজপড়ুয়া একটি কিশোরী মেয়ে তার উপর সংঘটিত নির্যাতনের বর্ণনা দিয়ে ক্ষোভে, কষ্টে, ঘৃণায় লিখেছে-আমি এ শুয়োরের দেশে আর থাকবো না, জয় বাংলা বলে যারা মেয়ে মলেস্ট করে তাদের দেশে আমি থাকবো না, থাকবো না, থাকবো না।

আমার আপণ হৃদয় গহন দ্বারে, বারে বারে...

শিবলী ভাই প্রায়ই গাইতো, ক্যাম্পাসের ফুটপাতের গাড়িঘোড়ার শব্দের মাজখানে বা ষোলোতলার ছাদের বাতাসের শোঁশোঁর পাশঘেষে, আমিও কান পেতে শুনতাম। আমার আপণ হৃদয় গহন দ্বারে বারেবারে, কান পেতে রই। এই গান, অথবা আরও অনেক অনেক গান। খালি গলায়। আমার কি যে ভালো লাগতো! শুনতে শুনতে ভাবনার অলিগলিতে হারিয়ে যেতাম। অথবা ভ্রমরটার মত বিবাগী হতাম পদ্মফুলের জন্য, আর সঙ্গিবিহীন অন্ধকারে হতাম রাতের পাখির মত একাকী।

মোস্তাক শরীফের- আবু তোরাবের দৌড়ঃ জীবনের গল্প যাপনের গল্প

বলা যায় মোস্তাক শরীফকে আমাদের লেখক। আমাদের লেখক কিভাবে? কারন যখন থেকে তিনি উপন্যাস লিখে প্রকাশক মনোনীত পুরষ্কার পেলেন, তখন থেকেই আমরা তাঁর পাঠক। সেই তো 'সেদিন অনন্ত মধ্যরাতে' থেকে শুরু করে। এরপর থেকে তার উপন্যাস বেড়িয়েছে প্রতি বছরেই, পড়া হয়েছে ভালো ভাবেই। এই ব্লগেই লিখেছি কত রিভিউ। তার লেখার যে বেড়ে উঠা তা আমাদের চোখের সামনেই। উপন্যাসিক হিসাবে তিনি সফল, এবার তিনি উপন্যাস লিখেন নি। লিখেছেন গল্প গ্রন্থ। নাম দিয়েছেন-- আবু তোরাবের দৌড়। মেলা থেকেই সংগ্রহ করেছি। তারপর পড়া শেষ হয়ে গেল আগেই। কিন্তু লিখবো লিখবো করেও লেখা যাচ্ছে না ব্যস্ততায়। আজ মাথা ব্যাথা প্রচন্ড। কাজে যাই নি, আজ ভাবলাম লিখে ফেলি।

যেভাবে কবিতা পড়িঃ কবিতা নিয়ে অসামান্য স্মৃতিজাগানিয়া গদ্য

কবিতা নিয়ে গদ্যের কথা আসলেই নাম এসে পড়বে জয় গোস্বামী আর শঙ্খ ঘোষের কথা। বলাবাহুল্য তারা দুজনেই কবি। কবিতার নিবিড় রহস্যময়তা তাঁরা ধরতে চেয়েছেন গদ্যের ছুতোয় সাথে জানিয়ে গেছেন নিজের বিখ্যাত কবিতা গুলোর ভাবনা ইতিহাস আর দুনিয়ার নানান ভাষার বিখ্যাত কবিকে নিয়ে আলোচনা। এ সময়ের প্রখ্যাত গদ্যশিল্পী আহমাদ মোস্তফা কামাল এইসবের ভেতরে যান নি, তিনি নিজেও কবি নন। তবে তিনি কবিতার এক মুগ্ধ পাঠক। কবিতা পাঠে তিনি আনন্দ পান, কবিতার সাথে সন্ধি করেন, কবিতাকে নিংড়ে বের করতে চান সেই কাব্যরস। বিশ্বাস করেন কবিতা না পড়লে ভালো গদ্য লেখা কিছুটা অসম্ভব ব্যাপার। কিন্তু কবিতার আসলে ব্যাখা হয় না, সেই ব্যাখ্যাতীত বিষয় নিয়েই তিনি লিখেছেন মুক্তগদ্যের বই -- যেভাবে কবিতা পড়ি। লেখক জানিয়েছেন, তার প্রিয় কিছু কবিতার আনন্দ পাঠ ও তার শুলুকসন্ধান বের করার চেষ্টা।

বইমেলার বিকিকিনি

- এই দিদিতা, এই বইটা কিনি? অল্প পয়সায় বেশ ভারিক্কি আছে।
- তুই কি পাগল হলি? মমিন। চিনিস ওই লেখককে?
- তা চিনি না। তবে নতুন লেখকের বই কিনলে লেখক উৎসাহ পাবে।
- ধ্যাৎ। কিসব লেখা!
- না পড়ে তো আর খারাপ ভাল বলা যায় না?
- কত লেজেণ্ট পড়ে আছে পড়া হয় না, তো এদের পড়ব কি না কে জানে? তাই নাম ভারিক্কি বই কিনি চল।
- ঠিক বলেছিস। তা না হলে, বইগুলো সাজিয়ে ফেসবুকে যখন পোষ্ট দেবো সবাই ছ্যা ছ্যা করবে? একটাও লাইক পাব না। প্রেস্টিজ চলে যাবে।
- যা বলেছিস? কবে পড়ব কিংবা আদৌ পড়ব কি ঠিক নেই।
- চল, বইমেলায় যখন এসেছি কিছু বই কিনেই ফেলি। লেটেস্ট।
দুজনে প্রসিদ্ধ প্রকাশনায় ঢুকে বইটই কিনে বেরিয়ে ফিস ফ্রাই খাচ্ছে। আবার দিদিতা - এসব প্রকাশনায় সেই পুরোন লেখক আর পুরোন বই রিপ্রিণ্ট হচ্ছে। নতুন লেখকদের এরা সুযোগ দেয় না। কি রে মমিন, তাহলে নতুন লেখকের বই কিনব কেন?

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা