অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য ও ২৩ জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

ফেইসবুক আর আমি

বাংলাদেশে ফেইসবুক জনপ্রিয়তা পাওয়ার সময়টাতে আমারও একটা একাউন্ট ছিল। বন্ধু মোটামুটি ১০০ পেরিয়ে ছিল ৬ মাসেই। সবসময় দেখা হয় এমন বন্ধুরাও ছিল। অনেক রাতই কেটেছে চ্যাট করতে করতে। কারও ম্যাসেজের উত্তর না দিলে বা দেরি হলে খুব বকা খেতে হত, তার উপর কোন বন্ধুর স্ট্যাটাসে লাইক বা কমেন্ট না করলেও দেখা হলে একচোট হত। আর আমার পোস্ট করা ছবিতে অপমান জনক কমেন্টও অনেকে করত। সত্য কথা একটু তিতা তো,,,, তাই ভাল লাগত না। সেই কারনে আগাম সতর্ক সংকেত না দিয়েই দিলাম একাউন্ট ডিএক্টিভ করে।
বন্ধুদের সাথে তো রোজই দেখা হয় , চিন্তা কি? তবে ঝামেলা হল তাদের থেকে দূরে এসে। নতুন দেশ, সব নতুন, নিজেকে গুছাতে গুছাতে বছর পেরিয়ে গেল যে কখন টেরই পাই নি। স্থির গতিতে এসে বন্ধুদের ছাড়া আর থাকতে পারলাম না। তাই ফেইসবুকে আবারও একাউন্ট খুললাম।

আজ আমার বুবুর জন্মদিন

সেদিনও মাঘের হাড় কাঁপানো শীতটা বেশ জেঁকেই বসেছিল। সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে দেখি বাসায় আম্মা নেই, আব্বা নেই, শেফু আন্টি নেই। নানু বসে বসে কাঁদছিল।বাসা ভর্তি ছিল মেহমান।নানা, নানু, শেফু আন্টি,শেফু আন্টির ছেলে মিশু, মেয়ে শান্তা, জুয়েল মামা, রিয়েল মামা আর আমরা তো আছি।
সকাল বেলা থেকে আমাদের অপেক্ষা শুরু। একে একে আশেপাশের সব আন্টিরা এসে জিজ্ঞেস করছিল আমার আম্মা কেমন আছে, হাসপাতাল থেকে কোনো খবর আসছে কিনা। অনেকের আবার নানান ধরনের আশংকা। রোজার মাস ছিল। নানু কাঁদছিল আর আমাকে বলছিল আম্মার জন্য যেন দোয়া করি। সন্তানের দোয়া নাকি আল্লাহ বেশি কবুল করে।নানুর কথা শুনে আমি জায়নামায বিছিয়ে কুরআন শরীফ পড়া শুরু করি।চোখের পানিতে সব ঝাপসা হয়ে যাচ্ছিল।তবুও পড়ে যাচ্ছিলাম।

কি সুন্দর পৃথিবী

প্রত্যেকটা মানুষই জীবন পথে একবার হলেও ভাবে, "ধূর , কেন যে জন্ম নিলাম? বেঁচে থেকে কি হবে। মরে যাই না কেন। ইত্যাদি ইত্যাদি জীবনের প্রতি হতাশা মূলক কথা"
আমার মত একজন যে জীবন বোঝার আগেই ভাবতে শুরু করেছে যে মরে গেলে ভাল হত, তার জন্য এই ধরনের কথা ছিল স্বাভাবিক। " জীবন কতই না সুন্দর " টাইপ কথাগুলো হাস্যকর। তবে, সবসময় একটা কথা মাথায় ঘুরত, কেন বেঁচে আছি? আল্লাহ্ আমাকে এখনও বাঁচিয়ে রেখেছেন কেন? সবাই বলে তিঁনি নাকি উদ্দেশ্য ছাড়া কিছু করেন না। আমাকে বাঁচিয়ে রাখার উদ্দেশ্যটা খোঁজে পাচ্ছিলাম না।
প্লেনটা যখন আকাশে উঠে পরেছে জানালা দিয়ে রাতের বাংলাদেশটা কত সুন্দরই না লাগছিল। তবে আস্তে আস্তে ছোট হয়ে যাওয়া আমার দেশটার দিকে তাকিয়ে মনে মনে আল্লাহ্পাককে বলেছিলাম, আর কত কষ্ট রয়েছে আমার জন্য? শুধু কষ্ট পাওয়ার জন্যই কি আমার জন্ম?

বিজ্ঞান

কেনো বিজ্ঞান নিয়ে এত মাতামাতি? অস্তিত্বের মৌলিক প্রশ্নগুলো মীমাংসিত হয়ে গেলে আমাদের সামষ্টিক জীবনযাপনরীতিতে কোনো পরিবর্তন কি আদৌ আসবে? আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাপন অনেকটাই অভ্যাস আর সংস্কৃতিনির্ভর, সেখানে বিজ্ঞানচেতনার খুব বেশী উপস্থিতি নেই

আমাদের নিত্যদিনের জীবনযাপনে হকিং আইন্সটাইন ডারউইন হাক্সলের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা টহলপুলিশ। মহাবিশ্ব "লেট দেয়ার বি লাইট এন্ড দেয়ার ইজ লাইট" ভঙ্গিতে শুরু হয়েছে না কি শূণ্য থেকে মহাবিশ্বের স্বতঃস্ফুর্ত বিকাশ হয়েছে প্রশ্নের চেয়ে অনেক বেশী গুরুত্বপূর্ণ রাজধানী থেকে বিক্যাশের টাকা মোবাইল একাউন্টে ঢুকলো কি না এই প্রশ্নের সঠিক জবাব।

সত্যিই সে ভালবাসে

আমি একটা ছেলেকে চিনি। ছোটবেলায় তাকে আমাদের বাসার চারপাশে একটু বেশিই দেখা যেত। কারণ সে আমার মেজো আপাকে ভীষণ ভালবাসত। আমার এই আপা খুবই সুন্দর ছিল বলে তাকে অনেক ছেলেরাই ভালবাসত। আর আমার বড় আপার কাজ ছিল সে ছেলেদের কাছ থেকে ছোট বোনকে বাঁচানো। তবে সে ছেলেটা ছিল আলাদা। আমার বোন সপ্তম শ্রেণীতে পড়ার সময় তার কাছ থেকে প্রথম চিঠি পায়। আর সে ছিল তখন অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র। ( আজকাল এই বয়সে প্রেম করা স্বাভাবিক হলেও ১৭ বছর আগে স্বাভাবিক ছিল না) ওদের আসল বাড়ি ছিল অন্য বিভাগে। কোন একটা কারণে সে তার বাবা মা'র সাথে থাকত না । খালার বাসায় থাকত।

সে আমার বন্ধু ছিল

আজ থেকে প্রায় ১০-১১ বছর আগের কথা। জনকণ্ঠ পত্রিকাতে একটা জায়গায় অনেকেই বন্ধু হতে চেয়ে একটা লাইন আর নিজের ফোন নম্বরটা দিত। তখন, একটা ছেলে , নাম তন্ময়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে, সে লিখেছিল যে , "সুন্দর মনের না , সুন্দর চেহারার বন্ধু চাই"। আমার মেজো আপা এটা দেখে রেগে দোকান থেকে ফোন দিলেন বকবেন বলে। ফোন ধরেছিল, আপা একটু বকা দিতেই ছেলেটা বলেছিল দয়া করে যেন তার কথাটা শুনে। কারন সকাল থেকে সে অনেক বকা শুনেছে। পরে ঘটনা যা ছিল তা হল, তাদের বন্ধুদের গ্রুপের একটা মেয়ে তাকে প্রেমের অফার দিলে সবাই মিলে সেই মেয়েকে অপমান করে এবং বন্ধুদের গ্রুপ থেকে তাকে বাদ দিয়ে দেয়। তাই প্রতিশোধ নিতে সে এই কাজটা করেছে। আমার বোন সরি বলে, বাসার ফোন নম্বরটা দিয়ে আসে। বোন হোস্টেলে চলে যাওয়ার সময় আমাকে বলে যায় তন্ময় হয়ত ফোন দিতে পারে।আমি অপেক্ষায় ছিলাম। নতুন মোবাইলের সেই সময়টাতে ফোনে কথা বলতে দারুণ মজা লাগত

রাজীব হায়দার হত্যাকান্ডের রায়- ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ

রাজীব হায়দার হত্যা মামলার রায় দিয়েছে আজ। রায়ের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় রাজীব হায়দারের বাবা জানিয়েছেন “ আমি ন্যায়বিচার পাইনি। আমি হতাশ।” সকল আসামীর সর্বোচ্চ শাস্তি ( ফাঁসী কিংবা যাবজ্জীবন) না হওয়ায় অনেকেই মনে করছেন রাজীব হায়দার হত্যাকান্ডে অভিযুক্তদের অপরাধের ভয়াবহতা আদালত যথাযথ উপলব্ধি করেন নি, আদালত নমনীয় রায় দিয়েছে।

হোয়াইট সান্টা আর ব্ল্যাক পিটের গল্পটি

উত্তর আমেরিকার সান্টা ক্লজের ওলন্দাজ রূপটি হলো ‘সিন্ট নিকোলাস’ বা ‘সিন্টারক্লাশ’। যদিও আজকাল আমেরিকার দখলে সান্টা ক্লজ কিন্তু সান্টা ক্লজের আদি দাবিদার কিন্তু ওলন্দাজরা। বলা হয়ে থাকে, আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধের সমসাময়িক কাল থেকে, নিউ ইয়র্কের ওলন্দাজ কলোনিতে (নিউ আমর্স্টাডামে) বসবাসকারী অভিবাসী ওলন্দাজ নাগরিকরা সেখানে এই রীতিটির পালন পুনরায় শুরু করেছিলেন। আজকের এই আনন্দময় রীতিটির পেছনের গল্পটিই এখানে বলব। কেমন করে সান্টা সব বাচ্চাদের আপন হলো।

বর্তমানের ভাবনা ১

হঠাৎ করেই সমাজে জঙ্গীবাদ, পরধর্মঅসহিষ্ণুতার সংস্কৃতি বিস্তৃত হয় না। মানববৈরী মানসিকতা সামাজিক গ্রহনযোগ্যতা পেতে দীর্ঘ প্রস্তুতিকালীন সময়ের প্রয়োজন হয়।

ধর্মভিত্তিক জাতীয়তাবোধ উনবিংশ শতাব্দীর শেষার্ধ থেকে বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধ পর্যন্ত আমাদের রাজনৈতিক অধিকার আন্দোলনের প্রধান স্বর ছিলো। আমরা অন্তত ৫ প্রজন্ম ধরে অমুসলিম প্রতিবেশীদের প্রতি ঘৃণার সংস্কৃতির চর্চা করেছি। আমাদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পথে অন্যতম প্রতিবন্ধতা হিসেবে চিহ্নিত করেছি তাদের, তাদের শিক্ষানুরাগ, তাদের কৃষ্টিলগ্নতা আমাদের ঘৃণা উস্কে দিয়েছে।

আমি এমন কেন?

কিছুক্ষণ আগে আমার ফোনটা হাত থেকে পরে ভেংগে গেল। ভাংগা স্কিণটার দিকে তাকিয়ে থাকতে কষ্ট হচ্ছে। কান্না পাচ্ছে। কাউকে কষ্টটা বলতে ইচ্ছে হচ্ছে। কিন্তু কেউ নেই , যাকে বলতে পারব মনের দুঃখটা।
আসলে আমি যত্ন নিতে জানি না। সেটা কোন বস্তু হোক বা সম্পর্ক। মায়ের সাথে মেয়ের যে সহজ সম্পর্ক, সেটা আমার কোনদিন হয় নি। চাইলে হয়ত হতে পারত। মা কাজ নিয়ে ব্যস্ত বলে আমিও কখনও সেই নিজেকে সেই ব্যস্ততার অংশ করি নি। আজ নিজের ব্যস্ততার দোহাই দিয়ে মাসে একবার মায়ের সাথে কথা বলি।
বড় বোনদের থেকেও নিজেকে সবসময় আলাদা করে রাখতাম। একা একা খেলতাম। ওদের পছন্দ কিছু নিজের পছন্দ হলেও বলতাম উল্টোটা। আস্তে আস্তে তাদের পছন্দের উল্টোটাই আমার পছন্দ হয়ে গেল।

হেমন্তের গল্প

চাঙ্খারপুলের ঐ বাড়িটিতে আমি আগে কোনোদিন যাইনি। ওইদিন আমাদের কোথা থেকে কি শুরু হয়েছিল জানি না। আমি, পদু, গনেশ, রাখাল, অমিতাভ, রঞ্জন, গৌতম মিলে কিছু একটা শুরু করেছিলাম। সেই কিছু একটার শুরু হয়েছিল গাঁজা খাওয়া থেকেই। এরপর চান্দা তুলে মাল খাইতে খাইতে আমরা আরও এক লেভেল উপরে ওঠার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করতে শুরু করলাম।

সেই অনুভবের বশবর্তী হয়ে দলেবলে পৌঁছে গেলাম চাঙ্খারপুলের ঐ বাড়িটিতে। তিনতলা। একটা অপ্রশস্ত করিডোর চলে গেছে ফ্ল্যাটের দরজা থেকে পেছনের দিকের ওয়াশ রুম পর্যন্ত। এটি একটি নটিপাড়া। ম্যানেজারটি দেখতে ঠিক নটিপাড়ার ম্যানেজারদের মতো নয়। আমাদের জেনারেশনের ছেলেদের মতো মুখে দাড়ি। বেশ ভদ্র গোছের মনে হল। আমরা বললাম- আমাদের কাছে কাউকে পাঠিয়ে দিতে।

শেষ থেকেই শুরু

শেষ থেকেই শুরু করতে হবে। দিন শেষে প্রথম কাজ হচ্ছে দ্রুত বিছানায় যাওয়া। একজন সুস্থ মানুষের ছয় ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। সেই হিসেবে ঘুমাতে যেতে হবে যাতে ঘুম আসার আগের অস্থিরতা পাশ কাটিয়ে ছয় ঘণ্টা ঘুম হয় এবং সূর্যোদয়ের দেড় ঘণ্টা আগে ঘুম ভাঙ্গে। পৃথিবীর প্রকৃতি, আবহাওয়া ও পরিবেশগত বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী এটাই একটি সুস্থ, কর্মময় এবং আনন্দময় জীবনের সঠিক স্লিপিং সাইকেল।

ডিলাইটফুল ডিসেম্বর

সেই ক্লিশে কিছু কথা দিয়েই লেখা শুরু করতে হয়। প্রথমেই আসবে, ব্লগে লেখি না অনেকদিন। লেখার সময় পাই না খুব একটা। আর যা সময় পাই তখন অন্য ডজনখানেক কাজে ব্যস্ত থাকি। ব্লগ লেখাটাও আর মিস করছি না। তবুও নিজে নিজে লেখি সময় পেলে- অবশ্যই তা ডায়রীতে, সেইজন্যেই লেখা আমি ভুলি নাই, লেখা যদি ভুলে যেতাম তাহলে হয়তো ব্লগ মিস করতাম। ব্লগ লেখার জন্য মন উশখুশ করে না আর। উপলক্ষ্য ছাড়া ব্লগে লেখা আর হয়ে উঠে না। আজও লিখছি বিশেষ কারনে। দ্বিতীয় কথা হলো এখন ব্লগ পড়িও না। ফেসবুকেই থাকি। ট্যাবে অটোমেটিক ওপেন হয়। কিন্তু আগে যেমন এক পোষ্ট ছয় সাতবার পড়তাম তেমন পড়াই হয় না। আর নিজের লেখা তো পড়ি না খুব একটা। কারন প্রতিটা লেখা পড়লেই মনে হয় ট্রেন ধরার তাড়া নিয়ে লিখেছিলাম, অজস্র ভুল, আরও গুছিয়ে-ভালো করে লেখা যেত। কিন্তু হলো না। কি আর করা যাবে। সবার সব কিছু হয় না। তাই ব্লগের চার্ম হারিয়ে ফেললাম আবার। সামহ্যোয়ার ছাড়ার পর অনেকদিন লি

পাকিস্তানী সেনা অফিসারদের কন্ঠেই গণহত্যার সাক্ষ্য

১৯৭১ সালে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানী সেনা অফিসারদের বিভিন্ন সময়ের কথা বার্তায় উঠে এসেছে তাদের অপরাধের সত্যতার প্রমাণ, তারা কিভাবে পরিকল্পিতভাবে এই দেশে গণহত্যা চালিয়েছে সেসকল তথ্য।
হামিদুর রহমান কমিশনের কাছে লেফটেন্যান্ট কর্নেল আজিজ আহমেদ খান তার সাক্ষ্যতে বলে, "জেনারেল নিয়াজি ঠাকুরগাঁও এবং বগুড়াতে আমার ইউনিট পরিদর্শনে এসে আমাদের কাছে জানতে চান, আমরা কি পরিমাণ হিন্দু হত্যা করেছি। মে মাসে একটি লিখিত নির্দেশ আসে হিন্দুদের হত্যা করার জন্য। এই নির্দেশ ২৩ ব্রিগেড এর ব্রিগেডিয়ার আবদুল্লাহ মালিক প্রেরণ করেছিলেন।"
ব্রিগেডিয়ার পাকিস্তানী অপর এক সেনা কর্মকর্তা তার এক বিবৃতিতে বলেছিলো, অফিসারদের খুশী করতে পাকিস্তানী সেনাসদস্যরা পাখির মতন গুলি করে বাঙ্গালীদের হত্যা করতো। সে আরো বলে ততকালীন পূর্ব পাকিস্তানের জেনারেল গুল হোসেন তার কাছে প্রায় জানতে চাইতো সে কি পরিমাণ বাঙ্গালীকে গুলি করেছে।

গানের কথা

ছাদে উঠে রেডিওতে একটা গান শুনলাম। আগেও শুনেছিলাম নিশ্চয়ই। আজকে ভালো করে মনে ধরলো। গেয়েছেন সতিনাথ; গীতিকার সুরকার খুঁজে পেলাম না। কেউ জানালে কৃতজ্ঞ থাকব।

এমন অনেক কথাই বলো তুমি
মন থেকে যা বলো না
আবার অনেক তোমার সত্যি কথা
আমি ভাবি ছলনা।

রেশমী চুড়ির আওয়াজ দিয়ে
কত কথা যাও যে বলে
কত কথা বলে ওঠো
কালো চোখের ঐ কাজলে
আবার কত কথা বলি বলি
করেও কিছু বলো না।

ভালবাসার কোন কথাটির
কী যে আসল মানে
ভাল যারা বেসেছে গো
তারাই শুধু জানে।

তাইতো যখন শপথ করে
বললে ভালবাসবে না আর
শুনে আমি বুঝে নিলাম
তুমি হলে আরও আমার।

তুমি প্রেমের পুথি পড়েই গেলে
অর্থ জানা হলো না।।

https://www.youtube.com/watch?v=15mWp3g0Vx0

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা