অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ৩৯ জন অতিথি অনলাইন

আমরা কেমন আছি !

লিখতে ভালো লাগছে না। মনটা বিক্ষিপ্ত। কত কিছু ভাবনায় আসে। সময়, সুযোগ আর ইচ্ছের সমন্বয় ঘটছে না। কী যে করি ?
চারদিকে কেমন একটা থমথমে ভাব। প্রাণচাঞ্চল্য নেই কোথাও। কেমন মরা মরা। আকাশটাও কেমন জানি গোমরামুখো হয়ে আছে।
চারদিকে কেমন একটা তাল-লয়-সুর কাটা অবস্থা। দুই যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসির আদেশ বহাল রেখেছেন আদালত। যে কোনো সময় ঝুলে যাবে তারা। দেশের অবস্থা নাকী অস্থিতিশীল। আম জনতা বলে। মন্ত্রী, এমপি, রাজনীতিবিদরা বলছেন- ভিন্ন কথা। টেলিভিশন ক্যামেরার সামনে আর সংবাদপত্রে তাদের কথা শুনে মনে হয়, দেশের কোথাও কোনো সমস্যা নেই। সবাই নিরাপদে, নিশ্চিন্তে, দুধ-ভাত খাচ্ছে প্রতিদিন।
ধরে নিলাম তাদের কথাই ঠিক।

আমার হিজাব আমার পরিচয়

দূর থেকে হিজাব পরা কাউকে দেখলেই সমস্ত আকর্ষণ তার দিকে চলে যায়। সে মুসলিম। সেও আমাকে দেখে অবাক আর খুশি হয়। যেন রাস্তায় কোন বন্ধুর সাথে হঠাৎ দেখা। কাছাকাছি আসতেই হাসি মুখে সালাম দিই দুজনেই। কথা হয় না। দু'জন দু'জনের রাস্তায় চলে যাই। কোন ভাষায় কথা বলব জানি না। সে কোন দেশের তা তো জানি না। তবে সে মুসলিম। তাই মনটা আনন্দে ভরে উঠে , আপন মানুষ দেখার আনন্দ যেমন সে রকম। ঈদের দিন বা ঈদের পরের বন্ধের দিনগুলোতে শপিং মল বা পাকর্ে, মুসলিম দেখে ঈদের শুভেচ্ছা জানাই।"ঈদ মোবারক" বলতে পারায় যে এত আনন্দ, আগে জানতামই না। আফ্রিকান নিগ্রোও কত সহজে বুঝে ফেলে। সারা পৃথিবীর সব মুসলিমদের একটা জানা ভাষা। আমার হিজাব আমাকে এই আনন্দ হাতে তুলে দিয়েছে। হিজাব না থাকলে কি এত সহজে বুঝত আমি মুসলিম?

আর সকালবেলায়

স্টেশণ থেকে বের হতেই ঠান্ডায় শরীর কেঁপে উঠল। ট্রেণের ভিতরটা গরম ছিল আর মাটির নিচের স্টেশণটাতে ঠান্ডা পৌছায় নি। এখনও পুরোপুরি শীত শুরু হয় নি। আজ মেঘলা দিন। সূযর্ দেখা দিতে চাইলেও মেঘের দল তা হতে দিচ্ছে না। বার বার ঢেকে দিচ্ছে। স্কুলে যেতে ১৫ মিনিট হাটতে হবে। এক বোতল গরম চা কিনে হাঁটতে শুরু করলাম। প্রতিদিনের মতই সব। রাস্তায় গাড়ি ছুটে চলছে। সকাল ৮ টা থেকে ৯ টা রাস্তাগুলো ভীষণ ব্যস্ত। সিগনাল লাল হলে তবেই না রাস্তা পার হব। ঐ যে, আনুমানিক ৭০ বছর বয়সী দাদীআম্মা প্রতিদিনের মত সাইকেল নিয়ে হাজির। কাজে যায় হয়ত। রাস্তা পার হতে হতে চারপাশে তাকাই। ঐ তো দুই বাচ্চাকে সাইকেলের সামনে আর পিছনে বসিয়ে মা'টা স্কুলে নিয়ে যাচ্ছে। হাত নাড়ল প্রায় ৯০ বছর বয়সের দাদীআম্মাটা। প্রতিদিন দেখা হয়। সকালে সেজেগুজে বসে থাকেন এখানে , বয়স্কদের দেখাশোনার লোকেরা এসে নিয়ে যাবে। সারাদিন থেকে সন্ধ্যায় বাসায় ফিরবে।

কি বলব জানি না

কি লিখব, কিভাবে লিখব, কিছুই বুঝতে পারছি না। বাংলায় অনুবাদ করা কথাগুলোর চেয়ে জাপানী ভাষা বোধহয় ভাল। টেনশনে হাত কাঁপছে রীতিমত। ব্লগের জগতে প্রথম। এটাই প্রথম লেখা। ঠিক জায়গায় লিখতে পারছি কি না তাও জানি না। কিভাবে পোস্ট করব তাও জানি না এখনও। কেউ পড়বে তো? ট্রেণে বসে লিখছি। মেইল ১৩ তারিখে পাঠানো হলেও, আজ পেয়েছি। লগ ইন করেই লিখছি। কি লিখতে চাচ্ছি আর কি লিখছি কিছুই বুঝতে পারছি না।

বর্তমানের ভাবনা

সমাজের বিদ্যমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সমাজের নীতি-নৈতিকতা নির্ধারণ করে। ধর্ম যে কৃষিভিত্তিক সামাজিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় বিকশিত হয়েছে সেখানে ধর্ম দাসের প্রতি মানবিক হতে অনুরোধ করলেও যেহেতু তৎকালীন অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় দাসের উপস্থিতি প্রয়োজনীয় ছিলো তাই কোনো ধর্মই সরাসরি দাস ব্যবসাকে নাকচ করে দিতে পারে নি। সমাজে দাসবিষয়ক মানসিকতা পরিবর্তনের জন্যে শিল্পবিপ্লবের প্রয়োজন হয়েছে। শিল্পবিপ্লবের ফলে বিদ্যমান কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা অপ্রচলিত হয়ে যাওয়ায় অর্থনৈতিক ক্ষমতাকাঠামো টিকিয়ে রাখতে দাসদের খুব বেশী প্রয়োজন ছিলো না। সমাজ সংস্কারকদের চাপে, বিভিন্ন ধরণের মানবতাবাদী উপাখ্যানে মুক্ত মানুষের ধারণা প্রচলিত হওয়ার পর ধীরে ধীরে ইউরোপের অধিকাংশ দেশেই দাসব্যবসা বিলুপ্ত হয়ে যায়। আফ্রিকা থেকে জাহজ ভরে মানুষ ধরে নিয়ে এসে যুক্তরাষ্ট্রে খোলা বাজারে নিলাম করে মানুষ বেচা বন্ধ হয়ে যায় ১৮০৮ সালে কিন্তু সে সময়

আলো আসবেই

ঐ দূরের অন্ধকারচ্ছন্ন পথটাতে হঠাৎ করে আলো আসতে শুরু করলো । শত শত বছরের কুসংস্কার কে পিছনে রেখে, অন্ধবিশ্বাস কে দূরে রেখে , সত্যকে সত্য বলে অকপটে স্বীকার করে, জানার আগ্রহ কে প্রবল করেই আজ তারা আলোর পথে!!! Smile একটি ঘর থেকে একটি বাড়ি আলোকিত হবে তারপর গ্রাম তারপর জেলা, বিভাগ,এরপরই তো একটি দেশ আলোকিত হবে।

একটি ছহি নুডলসবিক্রেতা কোপানিবৃত্তান্ত

পৃথিবীর এক কোনায় একটি গ্রাম ছিলো, সুজলা সুফলা শস্য শ্যামলা। সেই গ্রামের লোকেরা মাছ দিয়া ভাত খাইয়া, জারি-সারি গান গাহিয়া মনের সুখেই দিনাতিপাত করিত। কিছু কিছু মানুষ অবশ্য ভাতের বদলে তখন রুটি কিংবা নুডলস এই জাতীয় দ্রব্যাটি খাইত। যাহারা ভাতে অভ্যস্ত তাহারা তাহাতে আঁৎকাইয়া উঠিতো। রুটি না হয় সহ্য করা গেলো, ভাতের পাশাপাশি তাও চলিয়া যায়, তাহাদের মতই দেখিতে অন্য গোত্রের মানুষরা সেইটা খায়। তাই বলিয়া নুডলস! সেতো পুরোই অশাস্ত্রীয় অনাচার!

আমরা ভালো আছি!

খুব স্বাভাবিক আর অন্য দশটা দিনের মতোই কেটে যাচ্ছে দিন।তরকারিতে লবন হলো কিনা, মাংসটা আরেকটু সেদ্ধ হলে ভালো হতো, চায়ের লিকারটা একটু পাতলা হয়ে গেছে এই বোধগুলো যখন এখনো জীবিত তার মানে সব ঠিক ঠাক আছে। শীতটা আসি আসি করছে।আলমারিতে তুলে রাখা শীতের কাপড়্গুলো নাড়াচাড়া করি। সেখান থেকে কর্পুরের গন্ধ ভেসে নাকে লাগে। শীতের প্রসাধনী কেনার লিস্ট করি। জীবনযাত্রা তো স্বাভাবিকই আছে।বাজার নিয়ে ভাবতে হয়। অফিসে যাওয়া, সংসার করা , এই শীতে কোথাও বেড়াতে যাব কিনা সেসব ভাবনা ও তো ঠিকই চলছে।রোজকার নিয়ম অনুসারে সকালে ঘুম থেকে ওঠা, রাতে ঘুমাতে যাওয়া, দিনভর নিত্য রুটিন কাজ সবই যখন ঠিক্টহাক আছে তাহলে নিশ্চয়ই আমরা ভালো আছি। হয়তো বেশ ভালোই আছি।
রাতের অন্ধকার ছাড়িয়ে এখন দিনের ফকফকা আলোয় যতই কুপিয়ে হত্যা চলুক না কেন আমরা ভালো আছি।

উদ্ভট বাংলাদেশ

পত্রিকা পড়া বাদ দিয়েছি বহুদিন, যদিও বা কখনো পড়ি তাহলে তার পরিধি খেলার পাতাতেই সীমাবদ্ধ থাকে। পত্রিকা খুললেই আমরা যে একখন্ড নরকে বাস করছি তার চিত্রগুলো চোখের সামনে ভেসে ওঠে। হত্যা, র্ধষণ, মিথ্যা, অনাচার-অত্যাচার, নিপীড়ন, বিবেকহীনতা, ভন্ডামীর যেন এক মুক্ত রাজ্য এই দেশ। সারা পত্রিকা খুঁজে ভালো সংবাদ পাওয়া যায় হতে গোনা। দিনকে দিন আমরা একটা লক্ষ্যহীন, ভন্ড আর মানসিক ভারসাম্যহীন জাতিতে পরিণত হচ্ছি। সাম্প্রতিক সময়ে দেশ জুড়ে ঘটে যাওয়া ঘটনা প্রবাহগুলোই এর সবচেয়ে বড় প্রমাণ। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের কোন কাজই যে ঠিকঠাক হচ্ছে কিংবা হবে এবং তার উপরে কেউ ভরসা করে কিংবা করবে এমন একজনও হয়ত খুঁজে পাওয়া যাবে না। রাষ্ট্রীয় কর্তাব্যক্তিদের কর্ম পরিকল্পনার অসংগতি, অসারতা, সীমাহীন র্দুনীতি, অসাদুপনার পরিমাণ সহ্য সীমাও পার হয়ে গেছে বহু আগে। এখন সবার সামনেই সবকিছু ঘটছে, সবাই সবকিছু দেখছে কিন্তু সবাই কেবল নির্বাক। কেউ মু

সাম্প্রদায়িকতা

বাঙালির সনাতন ধর্মীয় উৎসব ‘দূর্গা পূজা’ শুরু হওয়ার সাথে সাথে প্রাসঙ্গিকতার কারণে ফেসবুকের নিউজ ফিড ভরে উঠলো বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর আলোকে “বাংলাদেশের মানুষের মনোভাব কি সাম্প্রদায়িক নাকি অসাম্প্রদায়িক”, তাদের আচার আচরন নিয়ে ব্যাখ্যা আর বিশ্লেষণে। রোজই সেসব পড়ি আর আমার সেই পুরাতন সমস্যা আবার জেগে উঠে, যার বিশ্লেষণ পড়ি তার কথাই আমার ঠিক বলে মনে হয়।

একদল লিখলো, “ধর্ম যার যার কিন্তু উৎসব সবার” ... তাহলে গুগলে প্রতিমা ভাঙা কিংবা মণ্ডপ ভাঙা লিখে সার্চ দিলে, লাইন ধরে যা আসে তা কোন মনোভাবের পরিচয় বহন করে?

একটি মেডিক্যাল ডায়াগনোসিস এবং ছোটখাটো মানুষের ভাগ্যলিপি(!)

ঘটনার শুরু কি আসলে হিস্টেকটোমি বা জরায়ু অপসারণ দিয়ে? তাই বা বলি কি করে! সেই ৯১ সালের পর থেকে তো বাড়ন্ত রক্তচাপ আর হার্ট এনলার্জ ছাড়া আর সব ঠিকই ছিল। মানব শরীরের সব ই তো হরমোনের খেলা, সেই হরমোনের খেলায় ফাউলটা হয়ে গেছে জরায়ু অপসারণ দিয়েই হয়তো। ছোট সাধারণ মাথায় কত কি ভাবি রাত বিরাতে! আহা যদি পেতাম কোন উপায় বা টাইম মেশিন, এ আয়ুর কিছুটা দিয়েও যদি তাকে আমি ধরে রাখতে পারতাম!
ডায়াবেটিস নেই, পঁয়ষট্টি বছরের প্রায় পাঁচ ফুট ছোটখাটো মানুষটা টুকটুক করে রিটায়ারমেন্টের পর থেকে কাজ করে যায় বাসায়। মামুলি কিছু অসুখ বিসুখ ছাড়া তেমন কোন শারীরিক অভিযোগ নেই।

নিজস্ব ভাবনা ২

তথ্যপ্রযুক্তি যুগে বৈষম্য নির্ধারণের একটি চমৎকার উন্নয়নমুখী শব্দ তৈরী হয়েছে, ডিজিটাল ডিভাইড। মূলত শব্দটা দিয়ে সমাজের এমন একটা শ্রেণীকে চিহ্নিত করা সম্ভব যারা এখনও কোনো যন্ত্রের সাথে নিজের অস্তিত্ব জুড়ে দিতে অসমর্থ। আধুনিকতা একটা পর্যায়ে এসে যন্ত্রসম্ভোগে পরিণত হয় এবং ডিজিটাল ডিভাইড মূলত যন্ত্রসম্ভোগে অসমর্থ শ্রেণীকে যন্ত্রসম্ভোগে আগ্রহী করতে চায়।

ষড়যন্ত্র ও ভুলের মাশুল-৩ নভেম্বর

১৯৭৩ সালে আলজিয়ানে জোটনিরপেক্ষ সম্মেলনে ফিদেল ক্যাস্ট্রোর সঙ্গে দেখা হয় শেখ মুজিবুর রহমানের। দুইজনের মধ্যে একান্তে কিছুক্ষণ কথাও হয়। বাংলাদেশের অবস্থা সম্পর্কে বলতে গিয়ে শেখ মুজিব বলেন- দেশ গড়ার কাছে দক্ষ লোক না পাওয়ার ফলে কিছু পদে এমন কিছু লোককে বসাতে হয়েছে যারা স্বাধীনতা বিরোধী ছিল। ক্যাস্ট্রো তখন সর্তক করে মুজিবকে বলেন- “এ কাজ কক্ষনো করবেন না। দক্ষতার চেয়ে এসময় অনেক বেশি প্রয়োজন দেশপ্রেমের। দক্ষতা না থাকলেও যারা স্বাধীনতা যুদ্ধ করেছে তাদেরই দায়িত্ব দিয়ে দিন। দেশের প্রতি ভালোবাসা থাকলে দক্ষতা তৈরি হতে সময় লাগে না। আমার কিউবার অভিজ্ঞতায় তাই দেখেছি।”

নিজস্ব ভাবনা

আমার সীমিত ধারণায় আমি যা বুঝেছি "ডিএনএ" প্রতিটি প্রাণীর বাহ্যিক-আভ্যন্তরীণ সকল রূপভেদকে নিয়ন্ত্রন করে। এক কোষী প্রাণীর বিকাশ-বিপাক- আভ্যন্তরীণ কাঠামো, তার কোষীয় আবরণবহির্ভুত যে জগত, সে জগত থেকে কতটুকু উদ্দীপনা কি পরিমাণে সে গ্রহন করবে, সেই উদ্দীপনার প্রতিক্রিয়ায় সে তার কোষের অভ্যন্তরে কি ধরণের পরিবর্তন আনবে, সবকিছু এই ডিএনএ র প্রোটিন সংগঠন দিয়ে নিয়ন্ত্রিত হয়। ডিএনএর বিভিন্ন প্যাঁচে সংযুক্ত প্রতিটি প্রোটিন অন্যান্য প্রোটিন এবং জৈব-অজৈব রাসায়নিক কণিকার উপস্থিতিতে ভিন্ন ভিন্ন মাত্রায় প্রভাবিত হয়। এক কোষী জীব "বাইনারী ফিশন" প্রক্রিয়ায় নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করে, এবং এক কোষী প্রাণীর বংশবৃদ্ধি প্রক্রিয়া গবেষণাগারে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছে মানুষ। কোনো নির্দিষ্ট রাসায়নিকের উপস্থিতিতে এই ধরণের কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া স্থগিত হয়ে যায়, কোনো কোনো রাসায়নিক উদ্দীপনায় কোষবিভাজন প্রক্রিয়াকে ত্বরাণ্বিত করা যায়। যদি

অর্বাচীন খোলস আমার

বাতাসের পরশ দিন কে দিন শীতলতার চুমো দেয়। সে চুমোতে শিহরন জাগে বড্ড কাপুনির। উষ্ঞ ঠোট শুকিয়ে শুকনো পাতার মতো বিবর্ন হতে থাকে। তাই সকালে ঘুম ভাংতে চায় না, ঘরকুনো শরীরে জানালায় তাকিয়ে থেকে গোলগে চুমু দিতে দিতে ডুবে যাই পুরোনো অতীতে। মাথার চুল গুলো এই অল্প কদিনে পেকে গেলো, চোখের নীচে ঝুল দাগ। ডাকাবুকো শরীরের কখনোই ছিলাম না, তবু কেনো যেনো মুখের চামড়া ঝুলে গেছে। বয়স যেনো ঠেকেছে ৫০ এর কোঠায়।

এমন সময় দরজায় নক,"শফিক, ঘুম ভেঙ্গেছে?"
: আসো। গোলোগ নেবে?
: নাহ। আমি নাস্তা করে ফেলেছি। আকবর কোথায়?
: শুয়ে আছে। রাতভর ট্যা ট্যা। অসহ্য, ঘুমের তেরোটা বাজিয়েছ।
: ছিঃ শফিক! এভাবে বলে না। ওকে যদি আজকে আমি রাখি কোনো আপত্তি আছে?
: এলিন, তুমি রেখে দাও!

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ