অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য ও ৫৩ জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

নিজস্ব ভাবনা

আমার সীমিত ধারণায় আমি যা বুঝেছি "ডিএনএ" প্রতিটি প্রাণীর বাহ্যিক-আভ্যন্তরীণ সকল রূপভেদকে নিয়ন্ত্রন করে। এক কোষী প্রাণীর বিকাশ-বিপাক- আভ্যন্তরীণ কাঠামো, তার কোষীয় আবরণবহির্ভুত যে জগত, সে জগত থেকে কতটুকু উদ্দীপনা কি পরিমাণে সে গ্রহন করবে, সেই উদ্দীপনার প্রতিক্রিয়ায় সে তার কোষের অভ্যন্তরে কি ধরণের পরিবর্তন আনবে, সবকিছু এই ডিএনএ র প্রোটিন সংগঠন দিয়ে নিয়ন্ত্রিত হয়। ডিএনএর বিভিন্ন প্যাঁচে সংযুক্ত প্রতিটি প্রোটিন অন্যান্য প্রোটিন এবং জৈব-অজৈব রাসায়নিক কণিকার উপস্থিতিতে ভিন্ন ভিন্ন মাত্রায় প্রভাবিত হয়। এক কোষী জীব "বাইনারী ফিশন" প্রক্রিয়ায় নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করে, এবং এক কোষী প্রাণীর বংশবৃদ্ধি প্রক্রিয়া গবেষণাগারে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছে মানুষ। কোনো নির্দিষ্ট রাসায়নিকের উপস্থিতিতে এই ধরণের কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া স্থগিত হয়ে যায়, কোনো কোনো রাসায়নিক উদ্দীপনায় কোষবিভাজন প্রক্রিয়াকে ত্বরাণ্বিত করা যায়। যদি

অর্বাচীন খোলস আমার

বাতাসের পরশ দিন কে দিন শীতলতার চুমো দেয়। সে চুমোতে শিহরন জাগে বড্ড কাপুনির। উষ্ঞ ঠোট শুকিয়ে শুকনো পাতার মতো বিবর্ন হতে থাকে। তাই সকালে ঘুম ভাংতে চায় না, ঘরকুনো শরীরে জানালায় তাকিয়ে থেকে গোলগে চুমু দিতে দিতে ডুবে যাই পুরোনো অতীতে। মাথার চুল গুলো এই অল্প কদিনে পেকে গেলো, চোখের নীচে ঝুল দাগ। ডাকাবুকো শরীরের কখনোই ছিলাম না, তবু কেনো যেনো মুখের চামড়া ঝুলে গেছে। বয়স যেনো ঠেকেছে ৫০ এর কোঠায়।

এমন সময় দরজায় নক,"শফিক, ঘুম ভেঙ্গেছে?"
: আসো। গোলোগ নেবে?
: নাহ। আমি নাস্তা করে ফেলেছি। আকবর কোথায়?
: শুয়ে আছে। রাতভর ট্যা ট্যা। অসহ্য, ঘুমের তেরোটা বাজিয়েছ।
: ছিঃ শফিক! এভাবে বলে না। ওকে যদি আজকে আমি রাখি কোনো আপত্তি আছে?
: এলিন, তুমি রেখে দাও!

মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি)

কিছদিন আগে খবর এলো, এবছরের নভেম্বরের পর থেকে এমআরপি (মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট) ছাড়া সব ম্যানুয়েল পাসপোর্ট বাতিল হয়ে যাবে। এখন আবার হজ্বের মৌসুম, এর উপর এমআরপি করার তাড়া, স্বভাবতই পাসপোর্ট অফিসে ভিড়ভাট্টা থাকারই কথা। ভেবেছিলাম না জানি কি যন্ত্রনা আর সময় লাগে এমআরপি করতে গিয়ে; কিন্তু কারুর সাহায্য ও পরামর্শ ছাড়া নিজেই আবেদনপত্র জমা দিয়ে মাত্র সাত কার্যদিবস মধ্যেই পাসপোর্ট হাতে পেয়ে গেলাম! হ্যাঁ, এটাই স্বাভাবিক; কিন্তু যত অনিয়ম-অস্বাভাবিক নিয়মতান্ত্রিকতার মাঝে এটুকু স্বাভাবিকত্বে যারপরনাই খুশিই হয়েছি।

জীবনযাপন

জীবন ঝঞ্ঝাটময় এবং প্রতিনিয়ত উদ্ভট ঝঞ্ঝাটে আটকে যাওয়ার অনায়াস অভ্যাস আমার আছে। তবে আজকে যেমনটা হলো তেমন করুন পরিস্থিতির মুখোমুখি হই নি অনেক দিন।

কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে আসার পর এডমিট কার্ড কোথাও তুলে রেখেছিলাম, মনে ছিলো না। এর ভেতরেই ভর্তি পরীক্ষার রেজাল্ট হলো, ভর্তিপরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছি কি না জানার উপায় নেই, হঠাৎ করেই পুরোনো বইয়ের ভাঁজে যত্ন করে তুলে রাখা এডমিট কার্ড খুঁজে পেলাম, পুরোনো পেপারের জঞ্জাল খুলে ভর্তি পরীক্ষার রেজাল্ট বের করে দেখলাম দু দিন পরেই ইন্টারভিউ। ময়মনসিংহ যেতে হবে। যদিও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হই নি, কিন্তু বন্ধুদের সাথে উৎসাহ নিয়ে দুইদিন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিলাম, এগ্রিটেকনোলজি বিষয়টা তখন খুব বেশী গুরুত্বপূর্ণ মনে হয় নি, এখন এগ্রোটেকনোলজির খুচরা গবেষণা পড়ি জীবনের চাপে।

বন্ধু 'প্রিয়'র জন্মদিন 'রিটার্নস'

পাক্কা ৩৬ দিন পর পোষ্ট লিখছি। এই ৩৬ দিনেই আমার লেখার মতো ৩৬টা পোষ্ট ছিল, আমি যেমন লিখি তেমন ভাবে অনেক কথা বলা যেত সেই সব পোষ্টে। কিন্তু লিখি না, লিখতে ভালো লাগে না। আর ব্লগে লেখাও ভালো লাগে না আর। অনেক তো লিখলাম আর কত?

যুদ্ধপরিস্থিতি

আক্রান্ত সিরিয়া থেকে লক্ষ লক্ষ শরণার্থী সীমান্তের কাঁটাতার অবজ্ঞা করে ছুটছে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে, সমুদ্রে ভাসাচ্ছে ভেলা, রাতের অন্ধকারে অনিশ্চিত পথ পারি দিচ্ছে, ভীষণ অমানবিক জীবনের গল্পগুলো প্রতিদিন সংবাদপত্রের পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে, ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া, ইন্টারনেট, ভাইরাল ভিডিও, মীম, অবজ্ঞা, আশংকা, ঘৃণা, সমবেদনা ছড়িয়ে যাচ্ছে এবং প্রতিপক্ষকে এক হাত দেখে নেওয়ার সুযোগ কেউ হেলায় ছাড়তে নারাজ।

সিরিয়ার শরণার্থী সংকট টক ওফ দ্যা ইউনিভার্স হয়ে ওঠার পর আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে গোত্রগত, জাতিগত সহিংসতার বলি আক্রান্ত মানুষেরা, যারা একই রকম অসহায়ত্ব নিয়ে বন্ধুর প্রতিকূল পথ পাড়ি দিয়ে ইউরোপে আশ্রয় খুঁজছে কিছুটা উদ্বিগ্ন, হয়তো তাদের দুঃখ দুর্দশা অসহায়ত্ব প্রয়োজনীয় গুরুত্ব পাবে না। শরনার্থীর রাজনীতিতে তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী সিরিয়ার আক্রান্ত মানুষ। এই টানা-পোড়েন আশংকা উদ্বেগ স্বাভাবিক মানবিক প্রতিক্রিয়া।

এতগুলো বিরক্তি

১.

বর্ষাকালে তখন ধানক্ষেতে হাটু পানি থাকতো। ডিঙ্গি নৌকায় করে মাছ ধরতে বেরিয়ে যেতো সবাই। বাশের মাথায় লোহার পেরেক গেথে জোরসে মাছের গায়ে গাথা হতো। যখন মাছটাকে কাটা বিদ্ধ অবস্থায় পানির ওপরে তোলা হতো তখন বড় বড় রুই কাতলা তাতে ছটফট করতো। বাসায় দিগ্বিজয়ী হাসি দিয়ে বলতাম,"মা, দেখো কি পেয়েছি!"

কিছু কিছু রোমাঞ্চ জীবনে আর ফিরে আসে না, সেই অনুভূতি মনের ভোল্টে অতি মূল্যবান সঞ্চয় হিসেবে জমা থাকে। মাঝে মাঝে সেই সঞ্চয় থেকে সুদ হিসেবে নস্টালজিয়া ধার করি, জটিল জীবনে থেকে নিজেকে আলাদা করে মুক্ত করি নিজের জন্য।

বহুদিন পর রাজশাহীতে পা দিয়ে বুঝতে পারলাম এ মাটির উষ্ঞতা এখনো মলিন হয় নি। এই উষ্ঞতা ততক্ষনাৎ ছড়িয়ে যায় দেহে মনে। আমার প্রতিটা পদক্ষেপে শরীর শিহরন ধরিয়ে দেয় আমার সঞ্চিত পুরোনো অতিতের নস্টালজিয়া। যদিও মানুষগুলোকে চিনি না, ঠিক যেনো পাল্টে গেছে প্রতিটা গলি, কত মানুষ।

এ ট্রিবিউট টু এডাম

গতসপ্তাহে কক্সবাজার গিয়েছিলাম অফিসের এক কনফারেন্সে। এই বছরে এই নিয়ে চারবার আসা হলো কক্সবাজার। ঢাকা থেকে ৪৫ মিনিটেই উড়োজাহাজে কক্সবাজার। এয়ারপোর্টের গেইটে গাড়ি দাড়িয়ে আছে ড্রাইভারের হাতে আমার নাম। গাড়ি নিয়ে এলো পাঁচতারা হোটেলে , যা চাচ্ছি তাই পাচ্ছি, শুধু সমুদ্রটা দেখার সময় পাচ্ছি না।

রাতে প্রেজেন্টেশনে শেষবারের মত চোখ বুলিয়ে বারান্দায় দাড়িয়ে একটা সিগারেট ধরালাম। হোটেলের বারান্দা থেকে দুরে সমুদ্র দেখা যাচ্ছে সমুদ্রের ডাক শোনা যাচ্ছে। মন মাতাল করা সে শব্দ। রাত বেশি হয়ে গেছে এখন সাগরে যাওয়াটা কি খুব বেশি ঝুঁকি হবে?

এই সন্ধ্যারাতে আমি ঝুঁকির কথা ভাবছি, এখনো রাত এগারোটাও বাজেনি। বুড়ো হয়ে যাচ্ছি হয়তো !

কক্সবাজার যতবার আসি ততবার আমার প্রথম সমুদ্র দেখার স্মৃতিটা ঘুরেফিরে মাথায় আসে। সেই স্মৃতি অনেকগুলো বন্ধুর, সেই স্মৃতি 'এডাম' এর।

ভ্যাট দেব না,গুলি কর

৬ টাকা নিয়ে বের হয়েছিলাম। ক্লাস ৯:৩০ এ। বাস ভাড়া ৭
টাকা, রিক্সা ভাড়া ৩০। সকালের কড়া রোদে ৪৫ মিনিট
হেটে মাথা ব্যাথা শুরু হয়ে গিয়েছিলো। ঢাকায় সাধারনত
কেউ সাপ্লাই পানি খায়না। সেদিন টেপের পানিই
খেয়েছিলাম। বাকি দিনের কথা বলা বাহুল্য। গায়ে দিতাম
এডিডাসের টি শার্ট, প্রবাসী বোনের কল্যানে।
বাবার প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা প্রায় অর্ধেক শেষ।
প্রতিদিন হিসাব করতাম আর কত সেমিস্টার লাগবে, কত
টাকা লাগবে। স্ট্যাটিস্টিকসে পেলাম "ডি+"। মাথায় হাত।
রিটেক করতে গেলে আরো ১২ হাজার টাকার মামলা। এক
সাবজেক্টেই সি জি পি এ নেমে গেল। উপায় নেই। করা
যাবেনা রিটেক।
অনেক রাত কেটেছে সস্তা মেসের বুয়ার রান্না খেতে না
পেরে উপোস থাকা।
২০১০ হঠাৎ ৪% ভ্যাটের নোটিস, নেমে গেলাম বড় ভাইদের
সাথে, বড় ভাইরা মার খেলেন, জেল খাটলেন, সাসপেন্ড
হলেন। আমরা মিছিলের পিছনে থেকে কোনমতে লাঠিচার্জ

সুখ বেচি

মধ্যবিত্ত মানসিকতা বা মিডলক্লাস সেন্টিমেন্ট
বিষয়টা আমার ভালো লাগে।
খুব সাজানো গোছানো, পরিপাটি সংসারে একটু
একটু করে অর্জিত আনন্দগুলো কমই থাকে
সাধারণত;
রোজ ৫০-৬০ টাকা জমিয়ে ফেরিওয়ালার কাছ
থেকে কেনা সস্তা চায়ের কাপে যে জুটি সন্ধ্যার
চা পর্বে নিজেদের ছোট্ট ছোট্ট সুখ খুঁজে নেয়,
প্রায় মধ্যরাত পেরোনো একাকী ডিনারে দামি
রেস্তোরাঁর চেক-ইন ছাড়া আপনি সে সুখের
কাছাকাছিও কখনও যেতে পারবেন না।

কাঁচঘেরা শো-রুমের ফার্নিচার দেখে দীর্ঘশ্বাস
লুকোনো বেকার ছেলেটা যখন ছোট্ট চাকরির
সামান্য বেতনে আলাদিনের আশ্চর্য প্রদীপের
মতো বাসায় নতুন একটা আলমারি নিয়ে আসে,
চোখের কোণে চিকচিক করা জলে তার প্রিয়তমার
সুখটুকু একান্তই মধ্যবিত্তের!
হাইক্লাস এপার্টমেন্টের এলুমিনিয়াম কোটেড
গ্লাসের জানালায় সে সুখ ধাক্কা খেয়ে ফিরে
যায়!

যে বাচ্চাটা মোমবাতি নেভানো, কেক-কাটা

কোরবানী ইদ ও আমাদের সচেতনতা

‘কোরবানী’ কিংবা ‘বলি প্রথা’ পৃথিবীর প্রাচীন ধর্মীয় ও সামাজিক সংস্কৃতি হিসেবে এখনো টিকে আছে। পৃথিবীর বিভিন্ন উৎসবে এখনো বলি প্রথার প্রচলন রয়েছে। তবে অনেক রাষ্ট্র কিংবা সমাজ ধর্মের নামে এই প্রথার বিরুদ্ধে কথা বলছে, অনেক জায়গায় এই প্রথার বিলুপ্তি ঘটিয়েছে। উদাহারণ স্বরূপ বলা যায়;- নেপালে প্রতি পাঁচ বছর পর পর একটি পুরাতন মন্দিরে কয়েক হাজার পশুকে বলি দেওয়া হতো। এই বছর সেই নিয়মটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। এছাড়া ভারতের অনেক মন্দিরে কালী পূজায় অতীত ঐতিহ্য হিসেবে বলি প্রথার প্রচলন থাকলেও বিভিন্ন মন্দিরে তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে বলি প্রথা সম্পূর্ণ যে বিলুপ করতে পেরেছে তা কিন্তু নয়। ভারতের অনেক প্রদেশে দূর্গা পূজায় মহিষ বলি দেওয়ার নিয়ম এখনো আছে। সনাতনীরা গীতাকে ঈশ্বরের বাণী হিসেবে ধরে নেয়। সেই গীতাতে ভগবান বলছেন- "পত্র পুষ্প ফল মূল ভক্তিসহকারে নিবেদন করলে তিনি তা গ্রহণ করেন।' সেই সূত্র ধরে অনেকেই বলে থাকেন

এলেমেলো ভাবনা

বিজ্ঞানচর্চার জন্যে বিজ্ঞানের দার্শণিক ভিত্তি জানার প্রয়োজন সামান্যই। " বিজ্ঞান কি?" প্রশ্নের উত্তর না জেনেও বিজ্ঞানচর্চা করা সম্ভব। সবাই মেনেই নিয়েছে সকল জ্ঞানচর্চা প্রক্রিয়ার ভেতরে বিজ্ঞান শ্রেষ্ঠ। কিন্তু কেনো বিজ্ঞান জ্ঞান উৎপাদনী প্রক্রিয়াগুলোর মধ্যে সেরা এ প্রশ্নের কোনো মীমাংসা হয় নি।

প্রসঙ্গঃ অলিখিত ৫৭ ধারাটি

লেখার শুরুতেই জেনে নেই ৫৭ ধারাটিতে আসলে কী আছে? ৫৭ (১) ধারায় বলা আছে:

কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়েব সাইটে বা অন্য কোন ইলেক্ট্রনিক বিন্যাসে এমন কিছু প্রকাশ বা সম্প্রচার করেন, যাহা মিথ্যা ও অশ্লীল বা সংশ্লিষ্ট অবস্থা বিবেচনায় কেহ পড়িলে, দেখিলে বা শুনিলে নীতিভ্রষ্ট বা অসৎ হইতে উদ্বুদ্ধ হইতে পারেন অথবা যাহার দ্বারা মানহানি ঘটে, আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঘটে বা ঘটার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়, রাষ্ট্র ও ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে বা করিতে পারে বা এ ধরনের তথ্যাদির মাধ্যমে কোন ব্যক্তি বা সংগঠনের বিরুদ্ধে উস্কানি প্রদান করা হয়, তাহা ইহলে তাহার এই কার্য হইবে একটি অপরাধ৷

আইজকা হের জন্মদিন

আমগো সবতের প্রিয় চৌধুরী সাহেবের (টুটুল চৌধুরী) জন্মদিনে একটা লেখা লেখনের ইচ্ছা ছিলো। সময় পাই নাই। তার জন্য আমি লজ্জিত। আইজকা হাতে কিছু সময় আছে। আইজকা আমগো এই ব্লগের একজন বিখ্যাত লেখকের জন্মদিন।
আমরা যারা একসময় এই ব্লগের বাসিন্দারা আড্ডা দিতাম, সবাই মিল্যা তারে লইয়া বিস্তর গবেষনা করছি। সে কে ? আসলে এই নামে কেউ আছে কি না ? এত্ত সোন্দর কৈরা কেমনে লেখে ? তার বয়স কিরাম... ইত্যাদি।
তারপর ঢাকার রাস্তায় যানজট বাড়ছে। সরকার পরিবর্তন হৈছে। আমগো আড্ডা কমছে। বুড়িগঙ্গায় মেলা ময়লা পানি বাড়ছে। তিনিও নিয়মিত লেখে গেছেন ব্লগে।
আমরা আবিষ্কার করলাম, তিনি একজন সংবাদকর্মী। আমাদের কারো কারো সাথে তার দেখাও হৈছে। একসাথে চা-বিড়িও খাইছি।

অর্থনীতি, অর্থমন্ত্রী ও আমরা

১.

আমাদের অর্থমন্ত্রী লোকটা একটু অন্যরকম। উদাহরণ দিই, গত ১৮ জানুয়ারি অর্থমন্ত্রণালয়ে বৈঠক হলো। বিষয় ছিল পাঁচ টাকাকে সরকারি মুদ্রায় রূপান্তর করা। আগে তা ছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক নোট। আলোচনা হল আইন সংশোধন করা হবে। ফলে এর পর থেকে পাঁচ টাকার নোট ছাপাবে অর্থ ​বিভাগ।

অর্থমন্ত্রীর জন্য সব পত্রিকা বা টেলিভিশনেই নির্ধারিত রিপোর্টার থাকেন। বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী কথা বলেন। ​সেদিন অর্থমন্ত্রী কি বলেছিলেন জানেন তো? বলেছিলেন দেশে আর এক টাকা বা দুই টাকার নোট থাকবে না। সর্বনিম্ন নোট হবে পাঁচ টাকার। সরকার এক টাকা ও দুই টাকার নোট তুলে নেবে।

অর্থমন্ত্রী সেদিন যা বলেছিলেন হুবহু পত্রিকা থেকে তুলে দেই–

‘পুরোনো এক ও দুই টাকার নোটগুলো বাজার থেকে তুলে নিয়ে ধ্বংস করা হবে। এগুলো ধ্বংস করতে ৩০০ কোটি টাকার মতো ব্যয় হবে।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা