অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য ও ৭২ জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

প্রসঙ্গঃ অলিখিত ৫৭ ধারাটি

লেখার শুরুতেই জেনে নেই ৫৭ ধারাটিতে আসলে কী আছে? ৫৭ (১) ধারায় বলা আছে:

কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়েব সাইটে বা অন্য কোন ইলেক্ট্রনিক বিন্যাসে এমন কিছু প্রকাশ বা সম্প্রচার করেন, যাহা মিথ্যা ও অশ্লীল বা সংশ্লিষ্ট অবস্থা বিবেচনায় কেহ পড়িলে, দেখিলে বা শুনিলে নীতিভ্রষ্ট বা অসৎ হইতে উদ্বুদ্ধ হইতে পারেন অথবা যাহার দ্বারা মানহানি ঘটে, আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঘটে বা ঘটার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়, রাষ্ট্র ও ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে বা করিতে পারে বা এ ধরনের তথ্যাদির মাধ্যমে কোন ব্যক্তি বা সংগঠনের বিরুদ্ধে উস্কানি প্রদান করা হয়, তাহা ইহলে তাহার এই কার্য হইবে একটি অপরাধ৷

আইজকা হের জন্মদিন

আমগো সবতের প্রিয় চৌধুরী সাহেবের (টুটুল চৌধুরী) জন্মদিনে একটা লেখা লেখনের ইচ্ছা ছিলো। সময় পাই নাই। তার জন্য আমি লজ্জিত। আইজকা হাতে কিছু সময় আছে। আইজকা আমগো এই ব্লগের একজন বিখ্যাত লেখকের জন্মদিন।
আমরা যারা একসময় এই ব্লগের বাসিন্দারা আড্ডা দিতাম, সবাই মিল্যা তারে লইয়া বিস্তর গবেষনা করছি। সে কে ? আসলে এই নামে কেউ আছে কি না ? এত্ত সোন্দর কৈরা কেমনে লেখে ? তার বয়স কিরাম... ইত্যাদি।
তারপর ঢাকার রাস্তায় যানজট বাড়ছে। সরকার পরিবর্তন হৈছে। আমগো আড্ডা কমছে। বুড়িগঙ্গায় মেলা ময়লা পানি বাড়ছে। তিনিও নিয়মিত লেখে গেছেন ব্লগে।
আমরা আবিষ্কার করলাম, তিনি একজন সংবাদকর্মী। আমাদের কারো কারো সাথে তার দেখাও হৈছে। একসাথে চা-বিড়িও খাইছি।

অর্থনীতি, অর্থমন্ত্রী ও আমরা

১.

আমাদের অর্থমন্ত্রী লোকটা একটু অন্যরকম। উদাহরণ দিই, গত ১৮ জানুয়ারি অর্থমন্ত্রণালয়ে বৈঠক হলো। বিষয় ছিল পাঁচ টাকাকে সরকারি মুদ্রায় রূপান্তর করা। আগে তা ছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক নোট। আলোচনা হল আইন সংশোধন করা হবে। ফলে এর পর থেকে পাঁচ টাকার নোট ছাপাবে অর্থ ​বিভাগ।

অর্থমন্ত্রীর জন্য সব পত্রিকা বা টেলিভিশনেই নির্ধারিত রিপোর্টার থাকেন। বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী কথা বলেন। ​সেদিন অর্থমন্ত্রী কি বলেছিলেন জানেন তো? বলেছিলেন দেশে আর এক টাকা বা দুই টাকার নোট থাকবে না। সর্বনিম্ন নোট হবে পাঁচ টাকার। সরকার এক টাকা ও দুই টাকার নোট তুলে নেবে।

অর্থমন্ত্রী সেদিন যা বলেছিলেন হুবহু পত্রিকা থেকে তুলে দেই–

‘পুরোনো এক ও দুই টাকার নোটগুলো বাজার থেকে তুলে নিয়ে ধ্বংস করা হবে। এগুলো ধ্বংস করতে ৩০০ কোটি টাকার মতো ব্যয় হবে।

এমনও দিনে তারে বলা যায়...

সে এক বরষা রাতে স্বপনে
একা একা দ্বার খুলে বেরিয়ে
ঝড়ের বাতাসে দোলা লাগিয়ে
আমি অচেনার দেশে চলে এসেছি;
দারুণ বরষা রাতে স্বপনে...

শেষ বিকেলে বসেছিলাম বারান্দায়। শিল্পী অজয় চক্রবর্তীর গানের এই কথাগুলো মনে গুনগুন করে বাজছিলো, সেইসাথে ভাবছিলাম আজ কোথাও বেড়াতে যাব। এই চমৎকার মেঘ-আদুরে বিকেলে আমার একমাত্র কন্যাটিকে নিয়ে ঘুরে আসবো তার কোন অচীনলোক থেকে। কিন্তু তুমি তা হতে দিলে না। একেবারে বিনা নোটিশে তুমি এসে সবকিছু ভণ্ডুল করে দিলে। এটা কি ঠিক হল?
চারিদিক থেকে যখন অন্ধকার ঘনিয়ে আসলো, তখুনি ঝড়ের বেগে তুমি এলে। ঘন কাল কেশরগুচ্ছ ছড়িয়ে, প্রবল ঘুর্ণিতে আমায় ভাসিয়ে নিলে। আমার এই ছোট্ট করিডোরটুকু, যেখানে বসে আমি বর্ণিল মেঘেদের আনাগোনা দেখছিলাম, সবকিছু এলোমেলো করে দিয়ে বলেছিলে,
-চল আমার সাথে।
আমি তোমায় শুধালাম- হে দুরন্ত যৌবনা আমাকে তুমি কোথায় নিয়ে যাবে?

ভন্ড ভালবাসা ২

ভন্ড ভালবাসা ২য় খন্ড
কযেকদিন আগে এটার প্রথম পর্ব লিখেছিলাম শেষ কি সেটা বাকি ছিল।আজ সেটা লিখছি ।মানুষের মন যদি ভাল থাকে দুনিয়া রঙ্গীন মনে হয় সব ভাল লাগে আর যদি কেউ তার মন ভাঙ্গে তাহলে সে জীবিত লাশ ছাড়া আর কিছুই না।

সরকারী কর্মকর্তা নাকি রাজনৈতিক নেতা? সাথে কিছু নয়ন চ্যার্টাজি

বর্তমান র‍্যার মহাপরিচালক বেনজীরআহমেদ সহ পুলিশ প্রধানের বক্তব্যগুলো সরকারী কর্মকর্তার বক্তব্য না হয়ে রাজনৈতিক ব্যক্তির বক্তব্য হিসেবে জনগণের সামনে হাজির হচ্ছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে পুলিশ কর্মকর্তা, সাবেক সেনা কর্মকতারদের রাজনীতি করার ইতিহাস আছে। কিন্তু অবসর গ্রহণের আগে ওনাদের বক্তব্য এতো বেশি রাজনৈতিক বক্তব্য হয়ে উঠছে যে তাতে যে কোন সাধারণ মানুষ প্রশাসনের উপর আস্থা হারাতে বাধ্য। বিগত দিনে বিএনপির পেট্রোল বোমার আন্দোলনের সময় মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ থেকে আমরা রাজনৈতিক বক্তব্য শুনেছিলাম। বিএপির আন্দোলন কে আন্দোলন বলা যায় কিনা, এ বিষয়ে র‍্যাবের পোশাক পরে কী মন্তব্য করা যায়?

আমাদের দ্বিধা

যদি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট বিবেচনায় রাখি, জনপরিসরে বিজ্ঞানের উপস্থিতি কতটুকু? রাষ্ট্রের সক্রিয় তত্ত্বাবধানে কিংবা বেসরকারী উদ্যোগে বিজ্ঞানচর্চা কতটুকু উৎসাহিত হচ্ছে? প্রযুক্তি প্রায়োগিক ক্ষেত্র, প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষতা কোনোভাবেই বিজ্ঞানমনস্কতার নিদর্শন নয়- এই তথ্যটা প্রথমে মনে রাখতে হবে। শত সহস্র যন্ত্র কিংবা যন্ত্রাংশের মাধ্যমে প্রযুক্তি যেভাবে প্রতিনিয়ত জনপরিসরে উপস্থিত থাকে, সমাজের কোথাও কি বিজ্ঞানের এমন সদম্ভ উপস্থিতি আছে?

জার্নাল ৩৩

১. পবিত্র ধর্মগ্রন্থে আছে, “সৃষ্টিকর্তা সীমা লঙ্ঘনকারীদের পছন্দ করেন না।” দেশ চলছে মদিনা সনদ অনুযায়ী। সেই সূত্রানুসারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজি, কমিশনার সবাই ব্লগারদের হুঁশিয়ারি দিয়েছে, সীমা লঙ্ঘন করলে একেবারে খোঁয়াড়ে পুরে দেবে, হুঁহ। ধর্মগ্রন্থে কার্টুন আঁকা নিষেধ, লেখালেখি নিষেধ, কিন্তু কোপাকোপি নিষেধ নয়। তাই তারা লেখার বদলে লেখা নয়, কার্টুনের মোকাবেলায় কার্টুন নয়, চাপাতির পর চাপাতি চালাবে। তাদেরকে পুলিশ ধরবে না, মন্ত্রী বকবে না, ধর্ম গ্রন্থে কোপাকোপি যেহেতু আইনসিদ্ধ তাই তারা আইনত সীমা লঙ্ঘন করছে না। তারা লাইনেই আছে।

উইথ গড অন আওয়ার সাইড!

বব ডিলানের অতি বিখ্যাত একটা গান। অনেকেই শুনে থাকবেন আশাকরি। গানটায় বলা হচ্ছে বিভিন্ন সময় গডের নাম ভাঙ্গিয়ে পৃথিবীতে মানুষ ধ্বংস করছে, লুটপাট করছে- প্রান ও প্রকৃতি। নানান সময়ে উসিলা একটাই, ঈশ্বরের নাম করে। ঈশ্বর আমাদের পক্ষে থাকবে এই কারনে কতজনকে আমাদের ঘৃণা করতে হয়। কত যুদ্ধ করতে হয়। বব ডিলান গানটার শেষে বলছে হয়তো দোযখে যাবো আমি, যাবার আগে আমি বলতে চাই গড যেন এবার মুখ ফিরে তাকায়। আর কোন যুদ্ধ যেন না হয়, আর যেন কোনো মানুষ না মারা হয় গডের নাম ভাঙ্গিয়ে। এবার গড আমাদের পক্ষেই যেন থাকে। গানটা আশাবাদের গান। আমারও আশাবাদ থাকে। কিন্তু আশাবাদী হবার মতো কিছুই নাই। সংযমের মাসে সংযম করে ৭০ গুন সওয়াব পাবার বিরতির- পরে আরেকজন ব্লগার খুন। আমি নিলয়কে চিনি না। কোনোদিন দেখছি বলেও মনে পড়ে না। বেচেঁ থাকতেই আমি নিলয়ের লেখা কোনোদিন পড়ি নাই, তাই ঘাতকদের ডজনখানেক কোপে নৃশংস খুনের পরে উনার লেখা পড়ার কোনো ইচ্ছে

উদর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে

এক সাংবাদিকের মুখে শুখে শুনলাম ৭১ সালে নরওয়েতে অনেক পাকিস্তানী আশ্রয় পায়। সে সময় নরওয়েতে অনেক প্রাকৃতিক সম্পদ পাওয়া যাচ্ছিল। অন্যদিকে তাদের অনেক শ্রমিকের প্রয়োজন ছিল। ৭১এর যুদ্ধ ও পাকিস্তান সেনা বাহিনীর অত্যাচার বর্ণনা করে নিজেদের পশ্চিম পাকিস্তানের আটঁকে পড়া বাঙালি হিসেবে পরিচয় দিয়ে পশ্চিম পাকিস্তানের অনেকে সেখানে রাজনৈতিক আশ্রয় পায়। নরওয়ের সরকারও তাদের নিয়ে আসে। এছাড়াও এই দেশটি মধ্যপ্রাশ্চ্য ও এশিয়া থেকে সাগরে ঝাপিয়ে পড়া মানুষগুলোকেও অতীতে আশ্রয় দিয়েছে। মজার বিষয় হল গত বছর নরওয়েতে ধর্ষকদের তালিকায় এই বান্দাদের অবস্থান সবচেয়ে উপরে।

ডটকম সাংবাদিকতা

মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং মত সম্প্রচারের স্বাধীনতা কতটা পীড়াদায়ক হতে পারে ক্যামেরাম্যান সাথে নিয়ে মাইক্রোফোন হাতে সংবাদ ধাওয়া করা স্যাটেলাইট টিভির বাংলাদেশী সাংবাদিকদের দেখে উপলব্ধি করতে পারি। মুন্নী সাহার আপনার অনুভুতি!!! প্রশ্নটাও বাকী সবার অমানবিক, অশোভন আচরণের তুলনায় অনেক বেশী সহনীয়, অনেক বেশী শোভন। স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেলের কল্যানে স্বর্গ-মর্ত্য-পাতাল কাঁপিয়ে সংবাদ উদ্ধারে যাওয়া সাংবাদিকদের বোধ-বুদ্ধি-বিবেচনাহীনতার সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে ডটকমসংবাদপত্র বিস্ফোরণ। পকেটে সাড়ে তিন হাজার টাকা থাকলেই একটা গণমাধ্যম খুলে ফেলা যায়, ১৬ ফুট ১২ ফুট ব্যানার আর নীলক্ষেত থেকে ৫০০ রঙ্গীন ভিজিটিং কার্ড ছাপিয়ে নেওয়ার পর যেকেউ মহাসাংবাদিক হয়ে যেকোনো ব্যাক্তিকে হয়রানি করতে পারে। আমাদের বর্তমান সাংবাদিকতা মোটা দাগে জনহয়রানি।

বিষয়- ধর্মের ভিত্তিতে হল বরাদ্ধ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন হলে (একাত্তর হল) সকল ধর্মের ছেলেরা সিট পাবে এমন একটি সংবাদ দেখি। এই প্রসঙ্গে অনেকে আনন্দিত সেই সাথে ধর্মের ভিত্তিতে হল প্রদান করা উচিত কী অনুচিত না নিয়ে অনেকে মতামত দিয়েছেন। অমুসলিম ছেলেদের জন্য জগন্নাথ হল। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধর্মের ভিত্তিতে হল আলাদা হওয়ায় স্বাভাবিকভাবে বিষয়টি চোখে লাগে। তবে বাস্তবতার কারণে ধর্মের ভিত্তিতে হল বরাদ্ধের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া যাচ্ছে না! একাত্তর হলের বিষয়ে সবার সাথে আমিও আনন্দিত। তবে বাস্তবতার কারণে অমুসলিমদের জন্য আলাদা হল এখনো জরুরী। কেন জরুরী তা আলোচনা করা জরুরী।

আত্নার কাটা-কুটি

আমার বাবা খুব সাধারণ একজন মানুষ। অনেক কিছু শিখেছি আমি আমার বাবার কাছ থেকে। বাবাকে নিয়ে কখনো গল্প করা হয় নি। এখন একটা কথা বলতে খুব ইচ্ছে করছে। ছোটবেলা থেকেই বাবার কাছ থেকে সৎ থাকা, নির্ভেজাল থাকা আর অহংকার না করার শিক্ষা পেয়ে পেয়ে বড় হয়েছি। আমি তাই জোর গলায় বলতে পারি আমার বাবাকে কখনো অসৎ কোনো কাজ করতে দেখিনি। বাবারও দোষ আছে, তবে দোষ-গুণের পাল্লায় আমি ভালোকেই বেশী চিনেছি। আমি বাবাকে আদর্শ মানি, অনেক কারণেই মানি। বাবাকে আমি অনেকটা ভেতর থেকে দেখতে পারি, পড়তে পারি।

সাম্প্রতিক ভাবনা

স্টিফেন হকিং বলেছেন ঈশ্বর নেই-
হকিং বললেন ঈশ্বর নেই- কয়েক মাস আগে বাংলাদেশের দৈনিক পত্রিকায় এমন সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিলো।

Freedom Dance Team of Bangladesh - CTGU

আমি চীনে পড়াশুনা করি। মেডিসিন এন্ড সার্জারি নিয়ে পড়ছি । পড়াশুনার পাশে পাশে নাচ আমার সঙ্গী ছিল। প্রায় ১৪ বছর ধরে নাচ করি। আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে ড্যান্স টিম আছে । অনেকগুলি আছে । কিন্তু একমাত্র আমার টিমকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ড্যান্স টিম হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। আমি যেই সিটিতে আছি ওখানে একটা ড্যান্স স্টুডিওতে জ্যাজ ড্যান্স শিখাই ।
আগামী মাসের ৭/৮ তারিখে আমাদের ""বিগ ড্যান্স শো"" ।
আজকে ছিল কোরিওগ্রাফি পর্ব । সবাই নিজের ড্যান্স দেখাবে । তার মধ্য থেকে ২ জনের কোরিওগ্রাফি সিলেক্ট করবে । পিক দেখে বুঝে গেছেন যে আমারটা সিলেক্ট করেছে !! Smile জি হ্যাঁ আমারটাই প্রথম হয়েছে । কিন্তু কথা হচ্ছে সেকেন্ড হয়েছে একটা মেয়ের ড্যান্স । পিচ্চি মেয়েই বলা যায় । অসাধারণ নেচেছে ! কোরিওগ্রাফিও সেই ছিল । মাত্র ৩ বছর হল মেয়েটা নাচে । আমার তো অনেক বছর হল । !!!

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ